Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অসাধু সিদ্ধার্থ – জগদীশ গুপ্ত

    জগদীশ গুপ্ত এক পাতা গল্প138 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অসাধু সিদ্ধার্থ – ৩

    ॥ তিন ॥

    যাহাকে দর্শনমাত্রেই সিদ্ধার্থ ডিগবাজি খাইয়া মরণের তট হইতে জীবনের জোতির্মঞ্চে আসিয়া দাঁড়াইয়াছে, বলা বাহুল্য সে একটি নারী। প্রপাতের অদূরে সে রাস্তা দিয়া যাইতেছিল―সহসা তাহাকে দেখিয়াই সিদ্ধার্থর মরিবার সঙ্কল্প উল্টাইয়া সরাসরি একটা সহজবুদ্ধির উদয় হইল।

    সঙ্গে পুরুষ আছে।

    উহারা কে তাহা জানিবার দরকার আছে বলিয়াই সিদ্ধার্থর মনে হইল।

    সিদ্ধার্থ অগ্রসর হইয়া গেল; এবং একটা বৃহৎ শিলাপিণ্ডের আড়ালে থাকিয়া অল্প একটু মুখ বাড়াইয়া দেখিল, দু’জনায় ঘাসের উপর বসিয়াছে।

    সিদ্ধার্থ চেনে না, কিন্তু উহারা দুই ভাইবোন; নাম রজত ও অজয়া-স্বাস্থ্যানুসন্ধানে এই নিরালা পার্বত্য প্রবাসে আসিয়াছে।

    সিদ্ধার্থ শুনিতে লাগিল―

    অজয়া বলিতেছে,―কি সুন্দর! সামনে দেখো একটি ছোট্ট ফুল, ছোট্ট মুখখানি বের ক’রে আকাশের দিকে তাকিয়ে যেন হাসছে। ভয়ে ভয়ে সাবধানে বাইরে এসেছে―মানুষের সঙ্গে চোখোচোখি হ’লেই যেন চুপ ক’রে ভেতরে পালিয়ে যাবে।

    রজত বলিল,–তুলে আনি ফুলটা?

    বলিয়াই উঠিবার উপক্রম করিল।

    অজয়া তাহাকে ধরিয়া ফেলিয়া বলিল,–না, না। তুমি কি! ফুলটা ত একফোঁটা চোখের জল নয় যে দেখতে হবে তাতে লবণের ভাগ কতটা!

    প্রকাশ যে, রজত বৈজ্ঞানি প্রণালীতে বিশ্লেষণ করিয়া চোখের জলে লবণের অংশ শতকরা কত এবং সেই লবণসঞ্চয় সে কোথা হইতে করে তাহাই আবিষ্কার করিবার চেষ্টায় আছে। চোখের জলের মত সুলভ অথচ যুগপৎ সুকোমল ও সুকঠিন জিনিষ বস্তুজগতে আর কিছু নাই বলিলেও চলে।

    এবং এক সঙ্গেই ব্যাখ্যাত ও অব্যাখ্যাত বলিয়া ওটা বড় আশ্চর্য জিনিষ।

    মানুষের মনের গভীরতম বার্তাটি নিঃশব্দে অনাড়ম্বরে প্রকাশ করে ঐ স্বচ্ছ একবিন্দু জল।

    কিন্তু কোথায় তার সৃষ্টি―কৌশলের সূক্ষ্ম যন্ত্রটি এবং কোথায় তার ভাবনিবিড়তা। এই প্রশ্নটিকে বাদ দিয়া রজত তার উপাদান লইয়া নিপুণ চর্চা সুরু করিয়া দিয়াছে।

    লবণের কথাটি উল্লেখের সময় অজয়ার ওষ্ঠপ্রান্তে একটু হাসির উদয় হইয়াছিল, কিন্তু রজত যেন তাহা দেখিয়াও দেখিল না; বলিল,―বাস্তবিক, ফুল দেখবে ত এসো পাহাড়ে। ভূঁইচাঁপা আর স্থল-পদ্মই ফুটেছে কত! কিন্তু আমি তারিফ করছি ঝুলানো ঐ রাস্তাটার। উঃ, কত লোক যে ওটা তৈরীর সময় পড়েছে আর মরেছে তার ইয়ত্তাই নেই! আমাদের সুরেন―

    ―ওগুলো কি ফুল, দাদা, প্রকাণ্ড একটা গাছে থোপা থোপা ফুটেছে, থেকে থেকে এক একটা খ’সে পড়ছে?

    ―ইয়ে ফুল; নামটা কি ভুলে যাচ্ছি।

    অজয়া হাসিল। বলিল,―জানো না তাই বল।

    ―ঝুলানো রাস্তাটার ওপর একটা মানুষ আমাদের দিকে সুমুখ ক’রে দাঁড়িয়ে আছে যেন আকাশের গায়ে ঠেস দিয়ে আরো দূর থেকে দেখলে মনে হবে, আকাশের গায়ে আঁকা। মানুষের স্বচক্ষে দেখাটাও অনেক সময় মিথ্যে হয়ে যায় এক দূরত্বের বিভ্রমের দরুন।

    অজয়া কিছু বলিল না।

    সেই রাস্তাটার দিকে চাহিয়াই রজত বলিতে লাগিল,–এ পাহাড়ের মাথা থেকে ও পাহাড়ের মাথা পর্যন্ত শূন্যের ওপর দিয়ে প্রায় মাইলটাক্ লম্বা ঐ রাস্তাটা গড়তে যেমন বুদ্ধি খরচ করতে হয়েছে, টাকা ঢালতে হয়েছেও তেমনি। এই রাস্তা তৈরীর কাজে আমাদের সুরেনেরও না কি হাত আছে।

    অজয়া ভূভঙ্গী করিল। এবং রজত বক্রনয়নে অজয়ার মুখের উপর একটা কৌতুক-কটাক্ষ নিক্ষেপ করিয়া বলিতে লাগিল,―সুরেনটা চিরকাল অকালপক্ক আর কাজ-পাগল। বড়লোকের ছেলে―অথচ দিনরাত কি পরিশ্রমটাই করে―মৌলিকতার বড় বড় ইংরেজ ইঞ্জিনীয়ারকে হার মানিয়া দিয়েছে। ব’সে খেলে যার নিন্দে নেই, লোকসানও নেই, সে যদি খাটে তাহ’লে বুঝতে হবে দারিদ্র্যকে সে স্বেচ্ছায় বরণ ক’রে নেয়। কি বল?

    কথিত কারণে দারিদ্র্যকে স্বেচ্ছায় বরণ করিয়া ওয়া হয় কি না সে বিষয়ে অজয়ার কোনো লিপ্ততাই দেখা গেল না। একখানা পাথর দেখাইয়া বলিল,― এটা কি পাথর, দাদা? ইয়ে পাথর নয় ত?

    ―একরকম স্ফটিক পাথর, আত্‌-মেশানো ব’লে চিক্ চিক্ করছে। কিন্তু আমি বলছিলাম, ঐ রকম স্বেচ্ছাদারিদ্র্যকে আমি খুব প্রশংসা করি। তুমি―

    অজয়া হাসিয়া বলিল,―তুমি প্রকারান্তরে আত্মপ্রশংসা করছ। তোমারও ত না খাটলে চলে: তুমি খাট কেন?

    এমন কথা অজয়ার মুখে! বলিল,―আমার কথা বলছ! খুব কম সুরেনের তুলনায়―সে কাজ ক’রে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে ছুটে বেড়াচ্ছে, আমি টেবিলের ধারে ব’সে সৌখীন একটু রসায়ন শাস্ত্র আলোচনা করি। সুরেনের সঙ্গে আমার তুলনা! বাপরে!

    বলিয়া, অজয়ার অযৌক্তিকতায় অবাক হইবার জন্য চোখ এবং হাঁ যতটা বড় করা যুক্তিযুক্ত ততখানিই বড় করিয়া রজত অজয়ার মুখের দিকে চাহিয়া রহিল।

    কিন্তু অজয়ার বুঝিতে বাকি রহিল না যে, চোখের জলে লবণের ভাগ যত থাক, দাদার এই অবাক হইবার মদ্যে কাতরাই পনর আনা।

    দাদার চোখে-মুখে এই কাতরতা দেখা অজয়ার অভ্যাস হইয়া গেছে।

    .

    সুরেন রজতের বন্ধু।

    রজতের ইচ্ছা, বন্ধুকে সে আরো আপনার করিয়া লাভ করে; তাহার উপায় অজয়া―

    দু’টিতে যদি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হইয়া যায় তবে―

    রজত ভাবে, সে সুখ অনিবচনীয়।

    কিন্তু অজয়া তাহাতে বারম্বার আপত্তি করিয়াছে, অথচ নির্দিষ্ট কোনো কারণ সে দেখায় নাই। তাই রজত যখন-তখন ভগিনীর মন বুঝিতে বসে।

    এখনো রাজতের হাঁটা আর চোখ দু’টি প্রার্থনায় পরিপূর্ণ হইয়া দেখা দিল।

    কিন্তু সে প্রার্থনায় আবেদন বড় দুর্বল–আপাতত কোনো কাজে আসিল না।

    অজয়া খানিক ভাবিয়া বলিল,―সুরেনবাবুর নামটি আমার বারবার কেন শোনাচ্ছ, দাদা?

    প্রশ্নের সুর শুনিয়াই রজত উপিস্ করিতে লাগিল; বলিল,―বিশেষ কোনো হেতু তার নেই, তবে তার কথা সর্বদাই আমার মনে পড়ে―সময় সময় না ব’লে পারিনে। তার হাতের এই রাস্তাটা দেখে আরো বেশী ক’রে মনে পড়ে গেছে―দু’দিন আগে তার চিঠিও পেয়েছি; আমরা কেমন আছি, মহা ব্যস্তভাবে তাই জানতে চেয়েছে।

    –ঠিকানা দিয়ে বুঝি চিঠি লিখে এসেছিলে?

    ―তাকে এখানে আসতে নিমন্ত্রণ ক’রেই এসেছি। খেটে খেটে তারও শরীর ভাল নেই। তুমি মুখে কিছু বল না বটে, কিন্তু তুমি যে আমার শরীর দেখে সুস্থ বোধ করছ তা আমি তোমার চোখ দেখে বুঝতে পারি। তার শরীর ভাল দেখলেও কি তোমার আনন্দ হবে না?

    প্রশ্নটি ভবিষ্যতে মানসিক অনিশ্চিত একটু পরিবর্তন সম্পর্কে।

    কিন্তু তাহাতেই এমন একটা কঠিন দ্বিধার সুর বাজিল―যেন রজত নিশ্চয় জানে, তার এই অন্তরগত অকপটতা যেমন খাঁটি তেমনি নিষ্ফল।

    এবং তাহার দুঃখ এইখানেই।

    কিন্তু দাদার এই দুঃখটুকুই কেবল অজয়াকে বিচলিত করিতে পারে না―ঐ স্থানটিতে কঠোর হইতে তাহার বাধে না।

    মাটির দিকে চোখ করিয়া বলিল,―কবে তুমি শোধরাবে, দাদা?

    ―প্রয়োজন হয় শীগিরই; কিন্তু আমার কি সংশোধন তুমি চাও, অজয়া?

    ―নিজের চোখ দিয়ে আমার সুখ খুঁজে বেড়ান―ঐটের সংশোধন চাই।

    ―তাহ’লে তাকে আসতে বারণ ক’রে দি?

    ―আমার সুখ খোঁজাখুঁজির কথায় তাঁকে আসতে বারণ করার কথা কি ক’রে আসে তা’ জানিনে। কিন্তু তার দরকার নেই। তিনি আসুন; তাঁর সঙ্গে কথাবার্তায় তুমি থাকবে ভাল। তবে তোমার মনে কোনো অভিসন্ধি আছে যদি বুঝতে পারি তবে তার সামনেই আমি বেরুবো না; তখন বারণ করতে পারবে না যে অভদ্রতা হচ্ছে। চক্ষুলজ্জার দোহাই দিয়ে তখন আমায় নিয়ে টানাটানি করতে আমি দেব না তা এখনই ব’লে রাখছি কিন্তু।

    রজত অত্যন্ত বিমর্ষ হইয়া উঠিল।

    সুরেনকে মাঝে রাখিয়া ভ্রাতা-ভগিনীর বাকযুদ্ধ এই নূতন নহে; তবু চিন্তাটা বড় মধুর বলিয়াই কোনোদিন তার নূতনত্ব ক্ষয়প্রাপ্ত হইয়া আলোচনাটি রজতের কাছে ক্লান্তি কর নীরস হইয়া ওঠে নাই।

    বলিল,―সুরেনের প্রতি তোমার মন কেন এমন বিমুখ, সত্যি বলছি তোমায়, সেটা আমার বড় হেঁয়ালির মত ঠেকে। সে ত’ সব দিক দিয়েই তোমার যোগ্য! তোমাকে অত্যন্ত স্নেহ করে, এমন কি―

    রজত জানে না যে, এক্ষেত্রে যোগ্যতা বিচারের দায়িত্ব তাহার নহে, এমন কি তাহাতে তাহার অধিকার আছে কি-না সন্দেহ।

    অজয়া তাহা জানে।

    তাই সে হাসিয়া বলিল,―তুমি সুরেনবাবুকে খুব ভালবাস, না?

    যেন আশার আলোকে দেখা গেল―

    রজত উজ্জ্বল হইয়া উঠিল; বলিল,―তোমাকে যার হাতে দিতে চাই, তাকে কেমন ভালবাসি সেটা অনুমান করা ত’ শক্ত নয়!

    ―–তবে আদেশ করো না কেন?

    রজত মনে মনে আরো খানিকটা লাফাইয়া উঠিয়া বলিল,―যদি করি তবে আদেশের মান রাখবে?

    ―রাখতে পারি, উদ্ভটত্বের খাতিরে।―বলিয়া অজয়া হাসিয়া উঠিল। কিন্তু রজতের মুখের দিকে চাহিয়াই তার হাসি যেন আহত হইয়া নিবিয়া গেল; বলিল,―রাগ ক’রো না, দাদা, ক্ষমা করো। তোমার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করতে পারলে আমি করতুম। ―বলিয়া হাত বাড়াইয়া রজতের পায়ের ধূলা লইয়া মাথায় দিল।

    এইখানেই এ আলোচনার সমাপ্তি ঘটা উচিত ছিল; কিন্তু রজত ঘটিতে দিল না। বলিল,―তোমার আপত্তি কি বলো, দেখি আমি খণ্ডন করতে পারি কি না।

    ―তুমি কি জজের সামনে দাঁড়িয়ে বিপক্ষের দলিল নাকচ্ আর আপত্তি খণ্ডন করছো, দাদা! এ ব্যাপারটা যে তার চাইতে ঢের বেশী জটিল! বড় দুঃখ হচ্ছে, তোমায় অসুখী করলুম।

    ―অসুখ একটু বোধ করছি বহই কি।

    ―তবে এই অপ্রীতিকর কথাটা এখন থাক?

    ―অপার দুর্ভাগ্য যে পৃথিবীর এত লোকের ভেতর অপ্রীতিকর সেই লোকটির কথাই আমার মনে পড়েছিল।

    ―অপ্রীতিকর সেই লোকটি নয়, আমাকে নুইয়ে নিয়ে তাঁর সঙ্গে বেঁধে দেবার গোপন ঐ চেষ্টাটাই অপ্রীতিকর।

    অতিশয় ক্ষুণ্ণ হইয়া রজত অবশেষে ভবিষ্যদ্বাণী করিল,―টাকার লোভে যা তা একটা ভবঘুরে জুটে তোমার খেয়ালের সামনে প’ড়ে গেলেই ব্যাপার জটিল থেকে সঙ্কটজনক হয়ে দাঁড়াবে। তোমার মতামতের একটা মূল্য আছে তা স্বীকার করতে আমরা নিশ্চয়ই বাধ্য; কিন্তু এটাও যেন দিব্যচক্ষে দেখতে পাচ্ছি আমায় তুমি দুঃখ দেবে।

    ―যেটুকু দুঃখ তোমায় বাধ্য হয়ে দিচ্ছি তার চেয়ে বেশী দুঃখ তোমায় আমি দেব না। বেলা নেই, চল এইবার ফিরি―বলিয়া জয়া উঠিয়া দাঁড়াইল।

    .

    রজত ও অজয়া উঠিয়া গেল।

    এবং সিদ্ধার্থ অন্তরাল হইতে বাহির হইয়া লাফাইয়া সেখানে পড়িল। উভয়ের কথোপকথনের সবটাই সে দাঁড়াইয়া দাঁড়াইয়া গিলিয়াছ; কিন্তু ভিতরে যাইয়া সব চেয়ে পরিপাক পাইয়াছে রজতের ভবিষ্যদ্বাণীটি। কি ক্ষণে কথা উচ্চারিত হইয়াছে কে জানে ―গ্রহের কল্যাণে কথা ফলিয়া যাইতেও পারে। রজত বলিয়া গেল, “ভবঘুরে জুটে তোমার খেয়ালের সামনে প’ড়ে গেলেই―”

    ঐ সামনেই তাকে পড়িতে হইবে।

    দ্বিতীয় পর্যায় এই―যথার্থরূপে রূপদর্শন সিদ্ধার্থের ভাগ্যে এই প্রথম। জীবনে সে সংগ্রাম করিয়াছে বটে, কিন্তু বিচিত্র জীবনের দশদিকেই যে মানুষের রথচক্র ধাবিত হইতেছে তাহা তাহার যেমন অজ্ঞাত, তেমনি অজ্ঞাত ছিল নারী।

    নারীর রূপ যে ছায়া নয়, তাহা রস-আবেদনে পরিপূর্ণ একটি সজীব গভীর সত্য বস্তু সে জ্ঞান তার জন্মে নাই। অজয়াকে দেখিয়া তাহার পরমাত্মা যেন সহসালব্ধ সেই জ্ঞানের অমৃতলোকে আজ প্রবৃদ্ধ হইয়া উঠিল।

    তাহার মনে হইল, একটি প্রাণের অবরুদ্ধ স্পন্দন নিঃশ্বাসে মুক্তিলাভ করিয়া মুক্তির আনন্দে এই বাতাসেই উল্লসিত হইয়া আছে।

    পা দু’খানি দীর্ঘকাল এইখানে রক্ত-কমলের মত ফুটিয়া ছিল।

    সর্বাঙ্গের স্পর্শ মাটির দেহে বাতাসের গায়ে জড়াইয়া আছে―হাসিটি যেন বোঁটার উপর ফুলের দেহ ধারণ করিয়া এখনো হাসিতেছে।

    হঠাৎ ছুটিয়া যাইয়া সে সেই ছোট ফুলটি তুলিয়া আনিল।

    টানে পুট্ করিয়া বোঁটটি ছিঁড়িয়া গেল।

    ফুলের মুখ দিয়া আর্তনাদ বাহির হইল না, একটি নিঃশ্বাসও বোধ হয় পড়িল না।

    কিন্তু এমনি ব্যাপারে যে-ব্যথা অশ্রুর জন্মকোষে ঘা দিয়া তাহাকে বিদীর্ণ করে তাহা সিদ্ধার্থর ভাবানুগতিকতার কোনো স্তরেই নাই।

    রজতেরও নাই।

    কিন্তু অজয়ার আছে। তাই রজত তাহাকে ছিঁড়িতে পায় নাই। কিন্তু সিদ্ধার্থ তাহাকে ছিঁড়িয়া চোখের সামনে ধরিয়া বক্তৃতা করিতে লাগিল,―কেন হাসছিলি তুই ছোট ফুলটি? তার মুখের পানে চেয়ে চেয়ে, না তার পায়ে তলায় স্থান পেয়ে? তুই জানিসনে, তোর ফুলজন্ম সার্থক ক’রে দিয়ে কি মমতার চোখে সে তোকে দেখে গেছে। তোর প্রাণ থাকলে তুই আনন্দে মাতাল হয়ে লুটিয়ে পড়তিস। এই ফুলের রাজ্যে এত ফুল থাকতে তোকেই কে তার পায় অর্ঘ্য দিয়েছে! তুই আমার সাথী হয়ে থাক। আজ থেকে আমি বিরহী; তবু তোকে আমি হিংসা করবো না।–বলিয়া অক্লেশে সে ফুলটিকে পকেটের ভিতর গুঁজিয়া দিল।

    .

    তারপর কাজের কথা।

    জানা গেল, নাম অজয়া; অবিবাহিতা। সুরেন নাম-ধারী এক ব্যক্তি উমেদার আছে ―তবে সে আমল পায়নি।

    ভাবিতে ভাবিতে সহসা তার চিন্তা চপলতা ছাড়িয়া গম্ভীর হইয়া উঠিল।

    ব্যূহ রচনা করিতে হইবে। এই নারী পৃথিবীর উপর মাত্র পা দু’খানি রাখিয়া দাঁড়াইয়া আছে―অন্তর তার গূঢ়ান্বেষী―কল্পলোকে সে ফুল ফুটাইতেছে। চোখে তার স্বপ্ন-কুহেলিকা; মনে অহমিকা। তাহার সম্মুখে স্পষ্ট হইয়া দাঁড়াইতে হইবে।

    যে সুখ-দুঃখ এতদিন তাহাকে আলোড়িত করিয়াছে তাহা সিদ্ধার্থর কাছে আজ অতি সাধারণ, অতি তুচ্ছ হইয়া গেল। যার নাম আজ সে বহন করিতেছে, লোকচক্ষুর অন্তরালে তাহার প্রাণে যে ব্যথা নিরতিশয় নিবিড় হইয়া উঠিয়াছিল, সেই সীমাহীনতার আলেখ্যই এই যুদ্ধের প্রধান অস্ত্র।

    সিদ্ধার্থ মনে মনে প্রস্তুত হইতে লাগিল।

    আগে চিন্তা, পরে কাজ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপোকা-মাকড় – জগদানন্দ রায়
    Next Article অব্যক্ত – জগদীশচন্দ্র বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }