Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অসি রায়ের গপপো – সৈয়দ মুজতবা আলী

    সৈয়দ মুজতবা আলী এক পাতা গল্প26 Mins Read0
    ⤶

    রাজা-রাণীর গল্পো

    রাজা-রাণীর গল্পো

    এক ছিল রাজা। রাজা শুধু নামেই রাজা।

    রাজার না ছিল কোন প্রজা, না ছিল কোন মন্ত্রী, না সেনাপতি, না কোন সৈন্য সামন্ত।

    রাজার না ছিল রাজ অট্টালিকা, না প্রাসাদ, না কোন দাস-দাসী, কোন রাণী।

    রাজা শুয়ে শুয়ে স্বপ্ন দেখত। তার এক রাণী হয়েছে, হয়েছে এক চলন্ত রাজবাড়ী, এক রাজপুত্তুর আর এক রাজকন্যা।।

    আসলে এই রাজা শুধু নামেই রাজা। বলতে গেলে এক উলঙ্গ রাজা। নিঃস্ব বিত্তহীন গরীব অতি সাধারণ এক মানুষ।

    এমনই একজন সাধারণ মানুষ যে এই রাজার নামের পিছনে কোন পদবী পর্যন্ত জোটে নি। রাজা নিজেই জানে না বা মনে নেই কে ছিল তার বাবা আর কেই বা ছিল তার মা। কোথায় ছিল তাদের ঘরবাড়ী। এসব কিসসু মনে নেই রাজার।

    তবে এইটুকু মনে পড়ে যখন সে হাফপ্যান্ট পরত তখন থেকেই সে একটা চায়ের দোকানে কাজ করত।

    দোকানটা ছিল একটা বড় রাস্তার ধারে।।

    সেখানে কত রকমের গাড়ী এসে দাঁড়াত। কারণ দোকানের পাশেই ছিল একটা মোটর গ্যারেজ। গাড়ীগুলো এই গ্যারেজে এসে টুকিটাকি কত কি সব রিপেয়ার এর কাজ করাত তারপর এই চায়ের দোকানে বসে চা বিস্কুট খেয়ে ওপাশের পেট্রল পাম্প থেকে গাড়ীতে তেল ভরে নিয়ে আবার হুস করে বেরিয়ে যেত যে যার গাড়ী নিয়ে।

    আট-ন’ বছরের রাজা ক্রমে বড় হয়ে উঠল।

    আরও আট বছর পরে এক জোয়ান মদ্দ হয়ে উঠল। সুন্দর সুঠাম চেহারার এক নব্য যুবক। হাফ প্যান্ট ছেড়ে ফুল প্যান্ট ধরেছে। শুধু তাই নয় চায়ের দোকানের চাকরী ছেড়ে দিয়ে পাশের মোটর গ্যারেজে কাজে ঢুকেছে। ইতিমধ্যে ভাল কাজকর্মও শিখে নিয়েছে রাজা। তেল চিটচিটে গেঞ্জী আর ফুল প্যান্ট পরে অনায়াসে বাস মিনিবাস, ট্রাকের তলায় ঢুকে অতি সহজে গাড়ীর বিবিধ রিপেয়ারিং-এর কাজ কর্ম করে দিতে তার এতটুকু কষ্ট হয় না।

    গ্যারেজের মালিক ছিলেন একজন পাঞ্জাবী ভদ্রলোক। নাম সর্দার হরগোবিন্দ সিং। বয়স পঞ্চাশ ঊৰ্দ্ধ। রাজার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে একদিন হরগোবিন্দ সিং রাজাকে বলে বসলেন রাজা তুই ড্রাইভিং শিখবি?

    রাজাতো মহাখুশী একথা শুনে। বলল গুরুজী কবে থেকে শেখাবেন আমায় ড্রাইভিং?

    রাজা হরগোবিন্দ সিংকে শুধুই গুরু বলে ডাকে।

    হরগোবিন্দ সিং বললেন চল আজ থেকেই তোকে ড্রাইভিং এ হাতে খড়ি দিয়ে আসি।

    হরগোবিন্দ সিং বললেন—ভাল একটা মারুতি কার এসেছে হাতে। মালিক গাড়ীটা কাল ফেরৎ নিতে আসবে। গাড়ীর রিপেয়ারিং এর কাজ হয়ে গেছে। আজ তোর জন্য বুকড় ওই গাড়ী।

    রাজা একথা শুনে আহ্লাদে আটখানা। হরগোবিন্দ সিংয়ের পায়ের ধূলো নিয়ে বসল হঠাৎই। বলল আমি ময়লা এই প্যান্ট আর গেঞ্জীটা ছেড়ে আসছি গুরুজী।

    একটু পরেই রাজা এল। পরিষ্কার জামা প্যান্ট পরে। হরগোবিন্দ সিং বললেন—নে ওঠ। ড্রাইভারের সিটে গিয়ে বোস। আমি পাশেই বসছি। যা বলব, যা দেখাব ভাল করে দেখবি, শুনবি। আর সেই মত কাজ করবি। ড্রাইভিংটা এমন একটা কিছু শক্ত ব্যাপার নয়।

    হরগোবিন্দ সিং তার শিষ্য রাজাকে নিয়ে মারুতি কারে স্টার্ট দিল।

    মারুতি চলতে শুরু করল।

    গাড়ী ছুটল। ফাস্ট গীয়ার, সেকেণ্ড গীয়ার, থার্ড গীয়ার আবার ফাস্ট গীয়ার। ব্রেক, হর্ণ, স্পীডোমিটার এক্সিলেটর, ফুল ব্রেক সবের কাজই দেখিয়ে দিলেন সিংজী। তাছাড়া রাজার হাত দুটোকে নিজের হাতের মধ্যে চেপে ধরে স্টিয়ারিং ঘোরান ফেরানোর কাজও শিখিয়ে দিলেন। আর কেমন করে সামনে আসা গাড়ীকে পাশ দিতে হয়, ওভারটেক করা গাড়ীকে কেমন ভাবে পাশ দিতে হয় এ সবও শিখিয়ে দিলেন। তা প্রায় ৮/১০ মাইল প্র্যাকটিস ট্রেনিং করিয়ে সিংজী যখন বুঝলেন রাজা নিজেই গাড়ী চালাচ্ছে ঠিক ঠাক তখন হঠাৎ বলে উঠলেন সাবাস রাজা। বহুৎ আচ্ছা বেটা! আমি কখন স্টিয়ারিং থেকে হাত সরিয়ে নিয়েছি তুই বুঝতেই পারিস নি।

    রাজা হঠাৎ ব্রেক কষে গাড়ী থামাল।

    রাজার চোখে মুখে আনন্দ যেন ছিটকে পড়ছে। সে যেন একটা বিরাট যুদ্ধ জয় করে ফেলেছে। তার জীবনের স্বপ্নই ছিল সে একদিন গাড়ী চালানো শিখবে। তারপর বাস, ট্যাক্সি, ট্রাক যাতে কাজ জুটবে তাতেই লেগে পড়বে।

    তারপর আর কি কেবল গাড়ী চাপা।

    এক রাস্তা থেকে আর এক রাস্তা। এক রাজ্য থেকে আর এক রাজ্যে। বিভিন্ন সড়ক, বিভিন্ন নগর,শহরে কেবল ঘুরে বেড়ানো। কেবল গাড়ী চেপে বেড়াননা।

    রাজাকে চুপ করে থাকতে দেখে সিংজী বললেন–কিরে রাজা চুপ চাপ হয়ে গেছিস কেন? কথা বলছিস না কেন? কি এত চিন্তা ভাবনা ঢুকল মাথার মধ্যে?

    –না গুরুজী। একটু অন্য কথা ভাবছিলাম আর কি।

    সিংজী বললেন–নে চ এবার ফেরা যাক। কাল আবার গাড়ীটা ফেরৎ দিতে যেতে হবে, যদি না মালিক আসেন। গাড়ীটা কিন্তু জব্বর, কি বলিস রাজা? স্টিয়ারিং এ হাত দিলেই মনে হবে প্লেন চালাচ্ছি।

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সিংজী বললেন ওই শখটা আর মিটল নারে রাজা। আমারও একটা স্বপ্ন ছিল ওই রকম প্লেন চালাব। আকাশে পাখীর মত উড়ে বেড়াব। কিন্তু হোল না। নে চ এবার। ফিরতি রাস্তাটা তুই ড্রাইভ কর। ডরিস না। দেখি কেমন শিখলি তুই গাড়ী চালানো।

    রাজা সিংজীর কথা মত গাড়ীতে উঠে স্টাট দিল। মুহূর্তে পাকাপোক্ত ড্রাইভারের মত গাড়ী চালিয়ে রাজা তার গুরুজীকে নিয়ে নিজেদের ডেরায় ফিরল।

    গাড়ী থেকে নেমেই রাজা সিংজীকে আবার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করল। সিংজী রাজার মাথায় হাত রেখে বললেন তোর মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হোক এই কামনা করি।

    এবার বলি এক রাণীর গল্প।

    এক যে ছিল রাণী।

    এই রাণী কোন রাজার বেটি না হলেও মস্ত এক বড়লোকের বেটি।

    রাণীর বাবা একজন নাম করা ফরেষ্ট অফিসার। নাম শিবশঙ্কর রায় চৌধুরী। রাণীর মা নেই। ছোট বেলায় রাণীর মা মারা গেছেন। শিবশঙ্কর বাবু তার মেয়ে রাণীকে ছোট বেলা থেকে আদর আহ্বাদে রেখে যেমন লেখাপড়া শিখিয়েছেন, তেমনই ঘোড়ায় চড়া, মোটর ড্রাইভিং, সাঁতার কাটা, বন্দুক চালানো, ক্যারাটে এসবও শিখিয়েছেন।

    রাণীদের বাড়ীতে কত দাস দাসী।

    সবাই রাণীর কথায় ওঠে বসে। রাণীকে তারা একধারে যেমন ভয়ও করে তেমনি আবার ভালও বাসে।

    শিবশঙ্কর বাবুও তার মেয়েকে খুবই ভালবাসেন। মেয়ে রাণীর যখন যা পছন্দ, যখন যা বলে বা করে শিবশঙ্কর বাবু তা মেনে নেন। কোন প্রতিবাদ করেন না।

    এই রাণীর জন্যই কেনা হয়েছিল একটা মারুতি গাড়ী।

    রাণী বড় হয়েছে। সে একাই হাজারীবাগের ওই ঢেউ খেলান পিচ ঢালা রাস্তা দিয়ে একা স্কুলে যেতে পারে, বাড়ী ফিরতে পারে। কোন বডিগার্ডের প্রয়োজন মনে করে না।

    একদিন নতুন কেনা এই মারুতির এক্সিলারেটরটা ঠিকমত কাজ করাতে শিবশঙ্কর বাবু গাড়ীটাকে হাজারীবাগের স্টেশন ধারের ওই সিংজীর গ্যারেজে দিয়ে এসেছিলেন। বলে এসেছিলেন গাড়ীটা হয়ে গেলে যেন সিংজী ওটাকে বাংলোয় পৌঁছে দেয়। সিংজী বলেছিলেন অবশ্যই পৌঁছে দেবহুজুর।কিন্তু বিশেষ কোন কারণে পরের দিন হরগোবিন্দ সিং নিজে শিবশঙ্কর বাবুর গাড়ীটি দিতে যেতে পারেন নি। কাজেই মারুতি কারটিকে রাজাই চালিয়ে নিয়ে এসেছিল শিবশঙ্কর রায় চৌধুরীর ডাক বাংলোয়।

    গাড়ী বারান্দায় গাড়ী ঢুকিয়ে দু-বার হর্ণ বাজাতেই ছুটে এসেছিল রাণী। পরে স্বয়ং শিবশঙ্কর বাবুও।

    রাজা শিবশঙ্কর বাবুর হাতে রিপেয়ারিং চার্জের বিলটা দিতেই উনি রাণীকে বললেন ওকে একশোটা টাকা এনে দিতে।

    রাণী ছুটে গিয়ে একশোটা টাকা এনে রাজার হাতে দিয়ে বলল এই নাও ধর।

    রাজা টাকাটা রাণীর হাত থেকে নিল।

    টাকাটা হাতে পেয়ে রাজা টাকাটাতে একটা চুমু খেল।

    রাণী তা দেখল। হাসল। বলল এই ড্রাইভার তোমার নাম কি?

    রাজা বলল—’রাজা’।

    রাণী বলল–বাঃ বেশ নাম তো তোমার।

    রাজা হঠাই বলে বসল আপকা নাম মেম সাব?

    রাণী বলল–রাণী।

    রাজার মনে তোলপাড় শুরু হোল।

    মেয়েটার নাম রাণী। তার স্বপ্নে দেখা সেই রাণী। আহা কি সুন্দর নাম। কি সুন্দরই না দেখতে রাণীকে। কি সুন্দর চোখ, কি সুন্দর চুল কি সুন্দর মুখশ্রী আর তার হাসি।।

    রাজা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ।

    রাণী বলল— এই ড্রাইভার চলত দেখি গাড়ীটা কেমন সারা হয়েছে একবার দেখে নিই। উঁহু তুমি নয় আমি ড্রাইভ করব। তুমি এদিকে এসে বসো।

    শিবশঙ্কর বাবুর দিকে তাকিয়ে রাণী বলল ড্যাডি আমি এখনি আসছি— টা-টা।

    শিবশঙ্কর বাবু হাত নাড়লেন বললেন–বাই।

    মারুতি গাড়ীতে চেপে রাজা রাণী দুজনেই বেরিয়ে গেল ফটক পেরিয়ে।

    গাড়ী চলছে। দু-পাশে শুধু বড় বড় গাছ। তার মাঝখান দিয়ে মসৃণ রাস্তা চলে গেছে রাঁচী, হাজারীবাগ ফরেষ্ট ওদিকে দুমকা বর্ধমান আসানসোল।

    রাস্তায় গাড়ী চালাতে চালাতে রাণী প্রশ্ন করল–তুমি ওই একশ টাকা দিয়ে কি করবে?

    রাজা বলল–কি আর করব একটা মিনিবাস কিনব।

    রাণী হো হো করে হেসে উঠল। বলল এই একশ টাকা দিয়ে মিনিবাস কিনবে? বুদ্ধ কোথাকার।।

    রাজা ঢোঁক গিলে এবার বলল–প্রথমে এটা দিয়ে আমি একটা বাম্পার লটারীর টিকিট কিনব।

    রাণী ঘাড় বেঁকিয়ে বলল–বাঃ খুব ভাল কথা। তারপর লটারীতে টাকা উঠলে কি করবে?

    রাজা বলল–মিনিবাস কিনব। রাজা আরও বলল মিনিবাস কিনে ওতেই আমি চলন্ত ঘরসংসার পাতব। তারপর কেবল ঘুরে বেড়াব। দিল্লী, মাদ্রাজ, মুম্বাই, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, খাজুরাহ, পশ্চিমবাঙ্গাল।

    রাণী বলল বাঃ। খুব ভাল কথা। তা তুমি দেখছি দিনের বেলাতেও স্বপ্ন দেখ। তা বিয়ে থা করবে না?

    রাজা লজ্জামাখা মুখে বলল আপনার মত মেয়ে পেলেই বিয়ে সাদি করব নচেৎ নয়।

    -তাই নাকি?

    —হ্যাঁ মেম সাব। এটা মরদকা বাত।

    —তা তোমার ইচ্ছে তো বড় মন্দ নয়। আচ্ছা ধর আমি যদি তোমায় বিয়ে করতে চাই তুমি বিয়ে করবে?

    রাজা চুপ করে থাকে, আর কিছু বলে না।

    রাণী বলে তোমার আর কে আছে?

    রাজা বলে আমার নিজের বলতে কেউ নেই।

    মা নেই, বাবা নেই, আছে শুধু গুরুজী। স্টেশন ধারে হরগোবিন্দ সিংজীর মোটর গ্যারেজ। আমি ওখানেই গুরুজীর কাছে থাকি।

    রাণী প্রশ্ন করে তুমি কতদূর লেখা পড়া শিখেছ?

    রাজা বলে তেমন কিছু শিখিনি। তবে মিশনারী স্কুলে গিয়ে একটু আধটু ইংরাজী ও বাংলা লিখতে ও পড়তে শিখেছি।

    তাই নাকি! আচ্ছা তুমি আমার এই হাতে আমার নামটা ইংরাজীতে লেখ দেখি।–রাণী তার বাঁ হাতটা বাড়িয়ে দেয়।

    রাজা তার পকেট থেকে ডট পেনটা বার করে রাণীর হাতে লিখে দিল Rani এবং আরও লিখে দিল—I Love You.

    রাণী খুব খুশী। আবার রাগও হোল ওই বেশী লেখার জন্য। বলল তুমি ওটা লিখলে কেন। বদমাইস্।

    রাজা মাথা হেঁট করল।

    রাণী বলল এবার তুমি নেমে যাও। আমি একাই ফিরতে পারব। আর তোমার সাধের গাড়ী কেনা হলে পর আমার সাথে দেখা করো।

    এরপর আর কি।

    রাজা রাণীর গল্প প্রায় শেষ হতে চলল। তবে বাকী ঘটনা গুলো বললে গল্পের শেষ হয়ই বা কি করে। তাই গল্পের শেষটুকু বলা।–

    রাজা সত্যি সত্যিই সেবার একশ টাকা দিয়ে দশটা কালী পূজো বাম্পার টিকিট কেটেছিল। তারপর ভুলেও গিয়েছিল টিকিট কাটার ব্যাপারটা।

    কিন্তু রাজার কপাল ভাল।

    সত্যি সত্যি ওর কেনা একটি টিকিটে প্রথম পুরস্কার উঠল বিশ লাখ টাকা।

    আর যায় কোথা। হৈ হৈ কাণ্ড রৈ রৈ ব্যাপার।

    রাজা তো আনন্দে আটখানা! হরগোবিন্দ সিং এর আনন্দও কম নয়।

    হরগোবিন্দ বললেন–রাজা, ভগবান জিসকো দেতা ছপ্পড় ফাড়কেএসাহি দেতা হ্যায়। ভগবানকে লাখো সেলাম জানা বেটা। তোর স্বপ্ন সার্থক হোক বেটা এ আশীর্বাদ করি। চল দেখি যাই এজেন্টের কাছে। কিভাবে টাকাটা তোলা যায় দেখি। এরপর ব্যাঙ্কে একটা অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। তার পর তোর সখের গাড়ী মিনিবাস কেনা।

    রাজা বলল গুরুজী বাসটা আমি আমার মনের মত করে ডিজাইন করিয়ে তৈরী করাব। সামনের দিকে ড্রাইভারের কম্পার্টমেন্টে শুধু আমরা থাকব। আমাদের ঘর সংসার। চলন্ত ঘর বাড়ী বাসা। সেখানে পাবলিক নট এলাউড। আর বাকিটা যেমন হয় তেমনি। আপনি বরং এজেন্টের কাছে যান এই টিকিটটা নিয়ে। আমি ফরেষ্ট বাংলোয় গিয়ে রাণীকে খবরটা দিয়ে আসি। কিন্তু আজ তো একটা গাড়ীও নেই যে ড্রাইভ করে যাব ওখানে। শুধু আপনার মোটর বাইকটা।

    হরগোবিন্দ সিং বললেন —যা বেটা তুই ওটাই নিয়ে চলে যা। আমি এদিকটা দেখছি।।

    রাজা মোটর সাইকেলে স্টার্ট দিল।

    মোটর সাইকেল ছুটছে। রাজা ছুটছে, তার স্বপ্ন ছুটছে। বন্ বন্ করে মোটর সাইকেলের চাকা ঘুরছে। রাজার স্বপ্নের চাকাও বন্ বন্ করে ঘুরছে। উঃ বড় দেরী হয়ে যাচ্ছে এই আট মাইল রাস্তা পার হতে। রাজার মন তোলপাড়।

    যাই হোক শেষ পর্যন্ত রাজা শিবশঙ্কর বাবুর ডাক বাংলোর ফটকে এসে পৌঁছল।

    গেটের দরোয়ান রাজাকে চেনে। তবু সে টেলিফোন করে রাজার উপস্থিতির কথা জানিয়ে গেট খুলে দিল।।

    লাউঞ্জে বাইকের শব্দ শুনেই ‘কে’ বলে রাণী এসে দাঁড়াল হাসিমুখে। বলল কি ব্যাপার রাজা, তুমি এই সাত সকালে এখানে?

    রাজা বলল ভাল খবর মেম সাব। আমি লটারী জিতেছি মেম সাব। আমার টিকিটে ফার্স্ট প্রাইজ উঠেছে। হ্যাঁ মেম সাব বিশ লাখ টাকা।

    রাণী বিস্ময়ে চোখ বড় বড় করে বলল সত্যি?

    রাজা বলল সত্যি!

    রাণী বলল খুব ভাল কথা। তুমি দাঁড়াও, আমি বাবুজীকে খবরটা দিয়ে আসি। বাবুজীর খুব অসুখ নইলে তিনি নিজেই এতক্ষণ ছুটে আসতেন। তা তুমিও এস না, আমার সঙ্গে।

    রাজা যেন ধন্য হয়ে গেল।

    রাণীর সঙ্গে তাদের ডাক বাংলোর অন্দর মহলে গিয়ে রোগশয্যায় শায়িত শিবশঙ্কর বাবুকে প্রণাম করল।

    শিবশঙ্কর বাবুহাত তুলে আশীর্বাদ করলেন—তোমার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হো। ভগবান তোমার ভাল করুন। তারপর রাজা তুমি কি করবে ভেবেছ অত টাকা দিয়ে? শিবশঙ্কর বাবু প্রশ্ন করেন।

    রাজা শিবশঙ্কর বাবুর মাথার কাছে সরে এসে বলে খুব ছোট বেলা থেকেই আমার একটা সখ ছিল। একটা চলন্ত ঘর-বাড়ী বানাব। তা ভেবেছি একটা খুব সুরত মিনিবাস বানাব। ওতেই থাকা খাওয়ার সব বন্দোবস্ত থাকবে। আবার পিকনিক পার্টি, ম্যারেজ পার্টি নিয়ে যাওয়ার বন্দোবস্ত থাকবে। লাক্সারি মিনিবাস। এই আমার স্বপ্নের ঘর বাড়ী এতে করেই আমি সারা দেশ ঘুরব। সারা ভারত ঘুরব। ইনকা ভি হবে। কেমন হবে বাবুজী?

    খুব ভাল হবে। শিবশঙ্কর বাবু বললেন। আরও বললেন—বাসটা তৈরী হলে পর একদিন নিয়ে এসে দেখাও কেমন হোল তোমার মিনিবাস। আমার নামেই বুক করা থাক প্রথম ট্রিপটা। প্রথম দেশ বিদেশ ভ্রমণে আমরাই যাব তোমার লাক্সারী বাসে চড়ে মনে থাকে যেন। এখন এস।।

    এরপর রাজা হরগোবিন্দ সিং এর সহযোগিতায় এক মাসের মধ্যে লটারীতে পাওয়া টাকা তুলে সত্যি সত্যি একটা মডেল লাক্সারী মিনিবাস কিনে ফেলল।ইতি মধ্যে ওর গুরুজী রাজার নামে একটা লংরুট সার্ভিস এর পারমিটও করিয়ে দিয়েছে যাতে করে হাজারীবাগ হয়ে পাটনা-রাঁচী মধ্যপ্রদেশ দিল্লী সব যাওয়া যাবে।

    এরপর একদিন রাজা মিনিবাসটা হাতে পেয়েই নিজে চালিয়ে নিয়ে শিবশঙ্কর বাবুর ডাক বাংলোতে এসে হাজির।

    রাজা হর্ণ বাজাল বাইরে থেকে।

    একবার, দুবার, তিনবার।

    কিন্তু কেউ এল না।

    কেউ মানে রাণী এসে আজ আর স্বাগত জানাল না। কারণটা এদিনই ভোর রাতে শিবশঙ্কর বাবু হার্ট স্ট্রোক হয়ে মারা গেছেন। বডি তখনও ভেতরে পড়ে। খবর পেয়ে রাজা ভেতরে গেল।

    দেখল শিবশঙ্কর বাবুর বুকের উপর উপুড় হয়ে পড়ে রাণী কাঁদছে। কঁদছে কত দাস দাসী।

    রাজা হায় হায় করল। রাণীর সঙ্গে রাজাও কাঁদল।বেদনায় তার সমস্ত স্বপ্ন যেন চুরমার হয়ে যেতে বসল।

    তারপর আর কি।

    মহা সমারোহে শিবশঙ্কর বাবুর সৎকার সম্পন্ন হোল। যথা নিয়মে শ্রাদ্ধ শান্তি চুকল। এরপর একদিন সদাশিব বাবুর পারসোনাল এটর্নি ভক্তিভূষণ গাঙ্গুলী রাণীকে ডেকে বললেন রাণী মা এবার যে তোমায় আমার কাছে এসে একটু বসতে হবে।

    রাণী এসে ভক্তিভূষণ বাবুর পাশে বসল।

    ভক্তিভূষণ বাবু বললেন তোমার বাবা মারা যাবার আগেই এই চিঠিটা রেখে গেছেন। তুমি পড়ে দেখতে পার।

    রাণী লেখাপড়া জানা মেয়ে। শোক সন্তপ্ত হলেও তার বাবার লেখা শেষ চিঠিখানা ভাল করেই পড়ে দেখল। যতই পড়ে ততই রাণী আশ্চর্য হয়ে পড়ে।

    চিঠিতে শিবশঙ্কর রায় চৌধুরী রাণীর জন্ম বৃত্তান্তের কথাও উল্লেখ করে বলেছেন রাণী মা, তুমি আমার আদরের পালিতা কন্যা বিশেষ। তোমাকে আমি ও আমার স্ত্রী একদা পথের ধার থেকে কুড়িয়ে পাই। তোমার জাত ধর্ম কিছুই আমরা জানতে পারি নি। এবং যেহেতু আমরা অপুত্রক ছিলাম তাই তোমাকে আমরা এতাবৎ আমাদের কন্যা রূপেই লালন-পালন করেছি। আমরাই তোমার নাম দিই রাণী বলে। প্রসঙ্গতঃ বলি আমি খুবই লিবারেল মাইণ্ডেড লোক। তুমি যাকে পছন্দ করে বিয়ে করতে চাও করতে পারো। জাতি ধর্ম, মানা না মানা তোমার ব্যাপার বা ইচ্ছে। তবে সবাই আমরা একই ভগবানের সন্তান। আমি ইদানীং লক্ষ্য করছিলাম তুমি রাজা নামে ওই ছেলেটার প্রতি বেশ একটু আসক্ত হয়ে পড়ছিলে। তাই আমি নিজেই লিখিত ভাবে একথা জানিয়ে দিয়ে গেলাম যে যদি সত্যিই রাজাকে তোমার মনে ধরে ওকে স্বচ্ছন্দে গ্রহণ করে রেজেস্ট্রি বিয়েটা প্রথমে করে নিও পরে রাজার মন পছন্দভাবে দুজনে ঘরসংসার বেঁধে ঘর করো। তোমাদের দু’জনার প্রতি আমার ভালবাসা ও আশীর্বাদ রইল। আর দেওয়ান কেশব ভট্টাচার্যের কাছে রইল আমার স্টেটের যাবতীয় দলিল-পত্র। সেখানেও সব কিছু তোমার নাম বরাবর করে রেখে গেলাম। এখন থেকে তুমি তোমার ইচ্ছামত রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রইলে। আমার অবর্তমানে তোমরা এখান থেকে উঠে গিয়ে স্টেটের বাড়ীতেই বসবাস করবে এটাই আমার শেষ ইচ্ছা।

    ইতি
    তোমার পালক পিতা শিবশঙ্কর রায় চৌধুরী।

    শিবশঙ্কর বাবুর মৃত্যুর পর রাণী খুবই ভেঙ্গে পড়ে ছিল। তবুও সবদিক সামাল দিতে রাণী নিজেকে অচিরেই তৈরী করে নিয়ে রাজাকে ডেকে পাঠাল।

    রাজা এল।

    রাণী দেওয়ান কেশব ভট্টাচাৰ্য্য এবং এটর্নী ভক্তিভূষণ গাঙ্গুলীর সামনে রাজার হাতে একটা হীরের আংটী পরিয়ে দিল। বলল রাজা তুমি জান বাবা চলে গেছেন। বাবা চিঠি লিখে তার মনের কথা লিখে গেছেন এবং একটা দলিলও দিয়ে গেছেন। কাজেই বাবার শেষ ইচ্ছা মতো আমি তোমাকে এঁদের দু’জনার সামনে আমার স্বামী রূপে স্বীকার করে নিচ্ছি তুমিও আমায় গ্রহণ কর।

    রাজার স্বপ্ন যে এমন মূর্তহয়ে দাঁড়াবে এতটা সে অবশ্যই ভাবেনি। তবুও রাণীর কথা মত এগিয়ে এসে রাণীর হাত ধরে বলল রাণী, আমি তোমায় সত্যি ভালবাসি। বাবার ইচ্ছামতো আমি তোমাকে আমার স্ত্রীরূপে গ্রহণ করলাম। পরে রাজা তার নিজের হাতের আংটিটা রাণীর হাতে পরিয়ে দিল।

    দেওয়ানজীর পরামর্শমতো এদিন ম্যারেজ রেজিষ্ট্রেশন অফিসারও এসে ছিলেন। তিনি তাঁর বাকী কৰ্তব্যটুকু করিয়ে নিলেন। পরে ওই খানেই সাধারণ মতে উপস্থিত সবার মাঝে মাল্যদান পর্বটুকুও সম্পন্ন হোলো।

    তিনদিনের মাথায় রাজার গুরুজী হরগোবিন্দ সিং এলেন নতুন কেনা নতুন ডিজাইনের সেই লাক্সারী মিনিবাসটি নিয়ে। যার বডিতে লেখা আছে রাজারাণী পিকনিক বাস। পাটনা রাঁচী হাজারীবাগ দিল্লী। গাড়ীটা আষ্টে পৃষ্ঠে ফুল দিয়ে সাজানো। একে নতুন গাড়ীর উদ্বোধন তাতে আবার সত্যিকার রাজারাণীর হনিমুন যাত্রা।

    বিকেল হবার আগেই ডাক বাংলোর আশ পাশের সব প্রতিবেশীরা এসে এদেরকে আশীর্বাদকরল। শুভেচ্ছা জানালো। রাজারাণী, ভক্তিভূষণ ও কেশব বাবুর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে গাড়ীতে উঠল।

    রাজা রাণী হঠাৎ গাড়ী থেকে নেমে এল।

    একটু দূরে হরগোবিন্দ সিং চোখের জল মুছছিল। রাজা রাণী এসে হরগোবিন্দ সিংকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করল।

    রাজা বলল গুরুজী আপহি মেরা গুরু, মেরা পিতা, আশীর্বাদ কিজিয়ে। মেরা স্বপ্ন সার্থক হুয়া কেবল আপহিকা দেখ ভালকে লিয়ে।

    হরগোবিন্দ সিং রাজা রাণীর মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করল। বলল যাও বেটা। ফিন লোটনা শিগঘিরই।

    রাজা এসে বাসের স্টিয়ারিং ধরল। রাণীকে প্রশ্ন করল আগে কোথায় যাবে বলো–দিল্লী আগ্রা মথুরা না রাজস্থান?

    রাণী বলল বুন্ধু কোথাকার। হনিমুন করতে কেউ এই গরমে ওসব জায়গায় যায়। চল যাই সিমলা। যাওয়া যাবে তো?

    রাজা রাণীকে কাছে টেনে নিয়ে বলল নিশ্চয়ই যাওয়া যাবে। তারপর দেখ কেমন মনের মত করে চলন্ত ঘরবাড়ী বানিয়েছি। আমাদের ছেলে-মেয়ে হলেও এই গাড়ীতে এখানেই থাকবে ওরা। এখন কেমন। হয়েছে বলো, তোমার পছন্দ হয়েছে তো?

    রাণী বলল খুব ভাল হয়েছে। এখন দেখে গাড়ী চালাও।

    রাজা-রাণীর গল্পটি ফুরোল। নটে গাছটি মুড়োল।

    ⤶
    1 2
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেশে বিদেশে – সৈয়দ মুজতবা আলী
    Next Article দ্বন্দ্বমধুর – সৈয়দ মুজতবা আলী

    Related Articles

    সৈয়দ মুজতবা আলী

    চাচা কাহিনী – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    সৈয়দ মুজতবা আলী

    পঞ্চতন্ত্র ১ – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    সৈয়দ মুজতবা আলী

    ময়ূরকণ্ঠী – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    সৈয়দ মুজতবা আলী

    দ্বন্দ্বমধুর – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    সৈয়দ মুজতবা আলী

    দেশে বিদেশে – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    সৈয়দ মুজতবা আলী

    শবনম – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }