Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডগার অ্যালান পো রচনাসমগ্র / অনুবাদ : জাকির শামীম

    লেখক এক পাতা গল্প1512 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইলিওনোরা

    সবাই আমাকে পাগল বলে।

    আসলে মাত্রাতিরিক্ত কল্পনা আর আবেগের জন্য সবার কাছে পরিচিত এক বংশে আমি জন্মগ্রহণ করেছি। যাক গে, সবাই আমাকে পাগল বলেই সম্বোধন করে।

    কিন্তু আজ অবধি তো একটা প্রশ্নে মিমাংসা হয়নি, যে, উন্মাদনাই কি মহত্তম বুদ্ধিবৃত্তি? আবার যা-কিছু গৌরবময়, যে সব সুদৃঢ়, সে সবকিছুই ব্যাধিগ্রস্ত চিন্তার মাধ্যমেই সম্ভব কি না, সাধারণ জ্ঞান-বুদ্ধির বিনিময়ে লাভ করা মনের একটা উদারতম ভাব থেকে সৃষ্ট কি না, এ প্রশ্নের মীমাংসা করা তো আজ অবধি সম্ভব হয়নি।

    সমাজের যে সব মানুষ দিবাস্বপ্নে বিভোর হয়ে থাকে তাদের পক্ষে এমন বহু কিছু অবগত হওয়া সম্ভব। যা যারা কেবলমাত্র রাতে ঘুমের ঘোরে স্বপ্নে বিভোর হয়ে থাকে তাদের ধ্যান-ধারণার বহিভূত রয়ে যায়। দিবাস্বপ্নে বিভোর হয়ে তাদের পক্ষে অনন্তের ক্ষণিক দর্শন লাভ করতে সক্ষম হয়।

    ঘুম চটে গেছে তাদের অন্তর এ-কথা ভেবে কেঁপে ওঠে যে তারা এক সুমহান গভীর রহস্যের একেবারে কিনারায় পৌঁছে গিয়েছিল। সম্পূর্ণ না হলেও খুব সামান্য

    অংশের জন্য হলেও তারা জ্ঞানের এ-রূপকে কল্যাণময় বলেই উপলব্ধি করেছে। যা। আমরা সচরাচর জ্ঞান বলে দেখে থাকি তার চেয়ে অনেক বেশি কাম্য। আর তাদের জ্ঞান যতই লাগামছাড়া হোক না কেন তারা কিন্তু এক অনির্বচনীয় অবর্ণনীয় আলোর এক সুবিস্তীর্ণ মহাসাগরে প্রবেশ করেছে।

    ঠিক আছে, আমি পাগল এটাই বলা হোক। আমি অন্তত এটুকু স্বীকার করে নিচ্ছি। যে, আমার মনের দু-দুটা পৃথক অবস্থা বর্তমান। একটা পরিষ্কার যুক্তির অবস্থা, যাকে বলব আমার প্রথম-জীবনের ঘটনা-দুর্ঘটনার স্মৃতিগুলো তার সাক্ষ্য বহন করছে, আর দ্বিতীয়টা হচ্ছে অনুমান, সন্দেহ আর ছায়া ছায়া অবস্থা যা বর্তমান আর জীবনের দ্বিতীয় অবস্থা স্মৃতিগুলো। অতএব আমার জীবনের প্রথম অবস্থার কথা যা-কিছু আপনাদের সামনে তুলে ধরব সে সবই কিন্তু বিশ্বাস করবেন। আর দ্বিতীয় অধ্যায় সম্বন্ধে যা-কিছু বলব তাদের যথাযোগ্য প্রাপ্য বিশ্বাসটুকু দিতে কার্পণ্য করবেন না। আর তা যদি না ই সম্ভব হয় তবে সেগুলোকে সম্পূর্ণরূপে সন্দেহের চোখে দেখবেন, আপত্তি নেই। আর যদি তা নিতান্তই সম্ভব না হয় তবে ইডিপাস রহস্যকে নিয়ে খেলায় মেতে থাকবেন, কেমন?

    এবার আমার মনের কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি–যৌবনে যাকে আমি অন্তরের ভালোবাসা নিঙড়ে দিয়ে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিলাম, যার কথা ও কাহিনী নিয়ে এ স্মৃতিকথা লিখতে বসেছি, শান্ত-স্বাভাবিক আর স্পষ্টভাষায় ব্যক্ত করছি, সে আমার বহুদিন আগে পরলোকগতা মাতৃদেবীর একমাত্র বোনের একমাত্র কন্যারত্ন।

    সে বোনের নাম ছিল ইলিওনোরা। আর এ নামেই তাকে সবাই সমোধন করে। আমরা প্রায় প্রতিটা মুহূর্ত একসঙ্গে পরস্পরের পাশাপাশি-কাছাকাছি অবস্থান করতাম। তৃণাচ্ছাদিত উপত্যকায় গ্রীষ্মমণ্ডলের সূর্যরশ্মির নিচে আমরা উভয়ে একত্রে কাটিয়েছি। সেটা ছিল এমনই একটা উপত্যাকা যেখানে পথপ্রদর্শক ছাড়া কেউ একা কোনোদিন যায়নি। এরও কারণ আছে যথেষ্টই। কারণ স্থানটা সুউচ্চ একটা পর্বতমালার কেন্দ্রে অবস্থিত। আর তার ভালোলাগা কথাগুলো মর্মরশ্মির প্রবেশাধিকার ছিল না।

    আর! মানুষ চলাচলের কোনো পথ সে অঞ্চলটার কাছাকাছি দিয়ে এগিয়ে যায়নি। সত্যি কথা বলতে কি, আমাদের সে শান্তি-সুখের নীড়ে বনের ঝোঁপ ঝাড় গাছগাছালির কোনোটাকে দু হাতে সরিয়ে, না হয় কোনোটাকে ভেঙে তবেই যাওয়া যেত। আর লক্ষ লক্ষ সুগন্ধ ফুলকে দুপায়ে মাড়াতে হত। এ ভাবেই আমরা প্রতিদিন যাতায়াত করতাম। আমরা বলতে আমি, আমার বোনটা আর তার মায়ের কথা বলছি। আমরা এমনই সমাজ-সংসার থেকে দূরে, বহুদূরে একান্ত নির্জন-নিরালায় বাস করতাম। উপত্যকার বাইরেও সে এক বিশাল জগতের অস্তিত্ব রয়েছে তা আমাদের ধ্যান ধারণার বহির্ভূত ছিল।

    আমাদের দেশটার চারদিক ঘিরে রেখেছিল যে পর্বতমালা, তারই শীর্ষদেশের এক স্থান থেকে উদ্ভুত একটা নদী পর্বত আর পার্বত্য বনাঞ্চলের গা-বেয়ে এঁকে বেঁকে হেলে দুলে ছোট্ট একটা নদী নেমে এসেছিল। আবার ঘুরে গিয়ে পাহাড়ারের কোনো এক অজ্ঞাত অঞ্চলে সেটা হারিয়ে গেছে। একমাত্র ইলিওনোরার চোখের মণি দুটো ছাড়া আর সবকিছুর চেয়ে স্বচ্ছ ছিল তার জলরাশি।

    আমরা সে নদীটাকে নিঃশব্দের নদী বলে সম্বোধন করতাম। কেন? কারণ, তার প্রবাহে কেমন যেন একটা অস্বাভাবিক নীরবতা বিরাজ করত। আর আমরা যে নুড়ি পাথরগুলোকে খুবই ভালোবাসতাম সেগুলো পর্যন্ত নদীটার স্রোতের এক তিলও পড়ত না। গতিহীনতার জন্য সন্তুষ্ট হয়ে তারা যে, যার জায়গায়ই নিশ্চল-নিথরভাবে পড়ে থেকে ঝকমক করত। সে এক অভাবনীয় দৃশ্য।

    আমি আর আমার ভালোলাগা ইলিওনোরা–আমাদের অন্তরে প্রেমের আর্বিভাব ঘটার পনেরোটা বছর আগে আমরা পরস্পরের হাত ধরাধরি করে উপত্যকার সবুজ ঘাসের গালিচার ওপর দিয়ে এখানে ওখানে কতই না ঘুরে বেরিয়েছি তার হিসেব নেই। তারপর আমার চতুর্থ পঞ্চাব্দ আর আমার তৃতীয় পঞ্চাব্দ যখন শেষ হতে চলেছে ঠিক তখনই আমরা পরস্পরকে আলিঙ্গনাবদ্ধ করে, বুকে জড়িয়ে ধরে সর্পিল গাছটার তলায় বসেছিলাম। সেখানে বসে নিঃশব্দের নদীটার পানিতে আমাদের চঞ্চল প্রতিচ্ছবি দেখতে লাগলাম। সে বহু আকাক্ষিত, মধুর দিনটায় অবশিষ্ট সময় আমরা কেউ-ই কারো সঙ্গে একটা কথাও উচ্চারণ করিনি।

    পরের দিনও আমাদের মধ্যে আবেগের গুটিকয়েক কথা হয়েছিল। নদীর ঢেউয়ের এপাড় থেকে আমরা প্রেমের দেবতা এরবসকে তুলে আমাদের অন্তরের অন্তঃস্থলে স্থান। করে দিয়েছিলাম।

    এবার এতদিন পর আমরা উভয়েই উপলব্ধি করেছিলাম প্রেমের দেবতা এরস্‌ আমাদের বুকে পূর্বসূরিদের অগ্নিময় আত্মাকে অত্যুজ্জ্বল দ্যুতিময় করে জ্বালিয়ে দিয়েছে। প্রায় একশো বছর ধরে সে আবেগ-উচ্ছ্বাস আমাদের বংশের বৈশিষ্ট্যতার সঙ্গে এসে গাঁটছড়া বাঁধল নির্ভেজাল শিল্প না বিলাস, যাতেও আমাদের বংশের নাম ডাক যথেষ্টই ছিল।

    একদিন সবকিছু ওলট পালট হয়ে গেল, পুরোপুরি বদলে গেল। কোনোদিন যে সব গাছে ফুল ফোটেনি সে সব গাছে তারার মতো অদ্ভুত উজ্বল ফুল দেখা দিল। সবুজ গালিচার মতো প্রান্তর ক্রমে ঘনতর হতে লাগল। ডেইজি ফুলগুলোর জায়গা দখল করল রক্তিম এসকোডাল। আমাদের জীবন চাঞ্চল্যে ভরে গেল। সে সুবিশাল চক্রবাক পাখি এক সময় চোখেই পড়ত না সেও খুশিতে ডগমগ পাখিদের সঙ্গী করে আমাদের চোখের সামনে পাখা মেলে উড়ে বেড়াতে লাগল। সোনালি আর রূপালি মাছের ঝাঁকে নদীটা ভরে গেল। নদীর বুক থেকে এমন একটা সুর উঠে এসে ঘুম পাড়ানি সুর হয়ে আমার কানে বাজল, যা ইয়োলুস-এর বীণার চেয়ে স্বর্গীয় হয়ে উঠল। কেবলমাত্র ইলিওনোরা-র কণ্ঠস্বর ছাড়া অন্য কোনো সুর এমন মধুর নয়, কিছুতেই নয়। সে মুহূর্তে আমার মনে হল, আমরা বুঝি চিরদিনের জন্য আড়ম্বরপূর্ণ এক যাদুর কারাগারে বন্দিত্ব বরণ করে নিয়েছি।

    রূপসি তম্বী যুবতি ইলিওনোরা-র কোমল স্বভাবের তুলনা একমাত্র দেবদূতের সঙ্গেই চলতে পারে। তার অল্পদিনের জীবনটা ফুলের দেশেই কেটেছে বলে সে ছিল সত্যিকারের সহজ-সরলনিষ্কলঙ্ক কুমারি। কোনোরকম ফস্টিনস্টিই তার মনের ভালোবাসাকে ঢেকে রাখতে পারেনি।

    বহু বর্ণের ঘাসের গালিচা বিছানো উপত্যকায় বেড়াতে বেড়াতে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতাম, ইদানিং মধুর প্রেম আমাদের দুজনকে কতই না বদলে দিয়েছে। আমরা যেন এখানে নয়, অন্য কোথাও, অন্য কোনো লোকে অবস্থান করেছি।

    শেষমেষ একদিন নিজেদের মধ্যে কথা বলার সময় চোখের পানি ঝরাতে ঝরাতে মানুষের জীবনের সর্বশেষ অনিবার্য পরিণতির প্রসঙ্গ উঠল। তারপর সেদিন, সে-মুহূর্ত থেকেই আমাদের যে কোনো প্রসঙ্গের কথাতেই এ বিষয়টা এসে পড়ত।

    হায়! সে দেখতে লাগল, তার বুকের ওপর মৃত্যুর নিষ্ঠুর হাতটা তার বুকে চেপে বসেছে। ক্ষণজীবি পতঙ্গের মতো সে সর্বাঙ্গ সুন্দর হয়ে উঠেছে, কেবলমাত্র মৃত্যু আলিঙ্গনে আত্মসমর্পণ করার জন্য। একটাই উদ্দেশ্য, মৃত্যুর হাতে নিজেকে তুলে দিতেই সে তৈরি হয়ে রয়েছে। মৃত্যুকেও না হয় বুক পেতে নেওয়া যায়, কিন্তু মাটির তলায় আশ্রয় চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়া, মানে কবরকে সে খুব ভয় করে।

    এক সন্ধ্যায় আলো-আঁধারির মুহূর্তে নিঃশব্দের নদীর তীরে কষ্ট দিচ্ছে যে, সবুজ গালিচা-বিছানো উপত্যকায় তাকে সমাধিস্থ করার পাট চুকিয়েই আমি এ শান্তি সুখের। আবাসস্থল থেকে চিরদিনের মতো বিদায় নেব। আর অন্য কোনো কুমারিকে তার প্রতি । আমার অন্তরের পুঞ্জীভূত প্রেমকে নিবেদন করব।

    তার কথাটা শেষ হতে না হতেই আমি ইলিওনোরা-র পায়ে আছাড় খেয়ে পড়ে তার আর পরম-পিতার নামে শপথ করেছিলাম, পৃথিবীর কোনো মেয়েকেই আমি পত্নীরূপে গ্রহন করব না। আমার সে পবিত্র শপথের সাক্ষী রইলেন সর্বশক্তির আধার সে পরম পিতা।

    তাকে আলিঙ্গনাবদ্ধ করে আমি সে মুহূর্তে এও শপথ করেছিলাম, আমি যদি কোনো পরিস্থিতিতে এ শপথ ভঙ্গ করি, তবে যেন পরম পিতার অভিশাপ আমার মাথায় যেন নেমে আসে।

    আমার কথায় ইলিওনোরা-র চোখের তারা দুটো অত্যুজ্বল হয়ে উঠল। সে অকস্মাৎ এমন এক চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলল, মনে হলো তার বুকের ওপর থেকে পাকাপাকিভাবে অতিকায় একটা পাথর নেমে গেল। তার সর্বাঙ্গ থর থরিয়ে কাঁপতে লাগল। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে আরম্ভ করল, তা সত্ত্বেও আমার শপথবাক্যকে খুশি মনেই বুকে ঠাই দিল। মৃত্যুশয্যাও ক্রমে তার কাছে স্বাভাবিক হয়ে এলো।

    সে ঘটনার মাত্র কয়দিন পরেই শান্ত-স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুকে স্বীকার করে নিয়ে সে আমাকে বলল, তার তৃপ্তির জন্য সেদিন আমি যা-কিছু বলে তাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তার বিনিময়ে কবরে আশ্রয় নেবার পরও সে প্রতিটা মুহূর্ত আমার ওপর দৃষ্টি রেখে চলবে। আর যদি সম্ভব হয় তবে রাতে সে অবয়ব ধারণ করে আমার কাছে উপস্থিত হবে। তবে পরলোকগত আত্মার পক্ষে তা যদি নিতান্ত অসম্ভব হয় তবে সে ইঙ্গিতে মাঝে মধ্যেই তার উপস্থিতির কথা জানাবে। তার দীর্ঘশ্বাস সন্ধ্যার বাতাসের সঙ্গে মিলেমিশে আমার দেহকে স্পর্শ করবে, নতুবা আমার প্রশ্বাসের বাতাস সুগন্ধময় করে তুলবে। এ কথাগুলো উচ্চারণ করতে করতে সেনিষ্পাপ-নিষ্কলঙ্ক উৎসর্গ করে দিল।

    এভাবেই আমার জীবনের প্রথম অধ্যায়টার পরিসমাপ্তি ঘটে গেল। শেষ! সব শেষ!

    এ পর্যন্ত আমি যা-কিছু বলেছি সবই বিশ্বস্ততায় ভরপুর, এতটুকুও খাদ নেই।

    কিন্তু আমার অন্তরাত্মার মৃত্যু আমার জীবনে যে বিচ্ছেদের প্রাচীর গড়ে তুলেছে তাকে অতিক্রম করে আমার জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রসঙ্গে উত্থাপন করতে গিয়েই আমি অনুমান করছি, আমার মাথার ওপর ঘন কালো একটা ছায়া ঘনিয়ে আসছে আর আমার এ বিবরণীর পূর্ণ সত্যতার ব্যাপারে আমি আস্থাও হারিয়ে ফেলছি।

    সে যা-ই হোক না কেন, আমাকে যে মুখবুজে থাকলে চলবে না, আমার যে না বলে উপায় নেই।

    আমার আড়ম্বরহীন ক্লান্ত বছরগুলো একটার পর একটা করে পেরিয়ে যেতে লাগল।

    আমি তখনও বহু বর্ণের ঘাসের গালিচা বিছানো উপত্যকায় বসবাস করছি। কিন্তু আমার চারদিকের সবকিছুতেই দ্বিতীয় পরিবর্তনের ছাপ সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেউপত্যকার সবুজ ঘাসের গালিচার রং ফ্যাকাশে বিবর্ণ হয়ে এসেছে। তারা ফুলগুলো আর ফোটে না, গাছগুলো শুকিয়ে গেছে। রক্তাভ এসকোডেল ঝরে পড়তে পড়তে নিঃশেষ হয়ে গেছে। কালো চোখের মতো ভায়োলেট ফুলের থোকা তার স্থান দখল করেছে। অতিকায় ফ্লেমিঙ্গো পাখিটা আর আমার চোখের সামনে দিয়ে লোহিত বর্ণের ডানা মেলে উড়ে বেড়ায় না। সে উপত্যকাটা ছেড়ে পাহাড়ে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

    আর সেই বীণার সুরের চেয়ে মৃদুমন্দ ইয়োলুসের বাতাস–একমাত্র ইলিওনোরার কণ্ঠস্বর আর যাবতীয় সুরের তুলনায় অনেক, অনেক বেশি স্বর্গীয়, তা-ও ক্রমে মিলিয়ে যেতে যেতে নিঃশেষ হয়ে গেল।

    সব শেষে সে ঘন পুঞ্জীভূত মেঘও এক সময় পাহাড়ের শীর্ষদেশগুলোর আশ্রয় ছেড়ে সন্ধ্যাতারার দেশে পাড়ি জমিয়েছে, আর যাবতীয় রূপ-সৌন্দর্যকে সঙ্গে করে নিয়ে গেল।

    এতকিছু সত্ত্বেও ইলিওনোরা কিন্তু তার শপথ ভুলে যায়নি। উপত্যকার ওপর দিয়ে পবিত্র সুগন্ধে ভরপুর একটা ঢেউ বয়ে চলল। বহু নির্জন ক্ষণে বহু দীর্ঘশ্বাস বাতাসের সঙ্গে ভর করে আমার দুটোকে স্পর্শ করে যায়। শন শন ধ্বনিতে রাতের বাতাসকে ভরিয়ে তোলে। একটা বার, মাত্র একবার হায়! আর মাত্র একবার! তার দুটো অতীন্দ্রিয় ঠোঁট আমার ঠোঁট দুটোকে স্পর্শ করে আমার মৃত্যুর মতো গভীর ঘুমকে চটিয়ে দিয়ে জাগিয়ে তুলেছিল।

    কিন্তু হায়! আমার বুকের হাহাকার আর হা-হুঁতাশ মিলিয়ে গিয়ে শূন্যতার তাতেও পূর্ণ হলো না। আমাকে এক সময় যে প্রেম ভাসিয়ে এক অচিন দেশে নিয়ে যেত, সে প্রেম ভালোবাসার জন্য আমি চাঞ্চল্য উপলব্ধি করতে লাগলাম।

    শেষপর্যন্ত আমার পরিস্থিতি এমন হলো যে, ইলিওনোরা-র স্মৃতি মাথাচাড়া দিয়ে উঠে উপত্যকার আশ্রয় আমার কাছে বিষাদক্লিষ্ট হয়ে দাঁড়াল।

    অনন্যোপায় হয়ে একদিন বিশ্বের অসার বস্তু আর হৈহুল্লোড়মুখর জয়ের সন্ধানে চিরদিনের জন্য সে উপত্যকার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে চলে এলাম।

    দীর্ঘদিনের পরিচিত পাহাড়, জঙ্গল আর উপত্যকার সম্পর্ক ত্যাগ করে বিচিত্র এক । শহরে এসে মাথা গুঁজলাম। সেখানকার কোলাহলমুখর পরিবেশ, চাকচিক্য আর আনন্দ সূৰ্ত্তি হয়তো আমার মধ্য থেকে উপত্যকার স্বপ্নরাজ্যকে নিঃশেষে মুছে দিতে পারত। রাজ-দরবারের জৌলুস নারীদের সম্মোহিনীরূপ সৌন্দৰ্য্য আমার মন-প্রাণ-যাবতীয় সড়াকে নেশাগ্রস্ত করে ফেলল। তবে আমার মন কিন্তু তখন অবধি তার শপথের প্রতি বিশ্বস্ততা বজায় রেখে চলেছে। তখনও রাতের অন্ধকারে, নিস্তব্ধতায় ইলিওনোরার উপস্থিতির ইঙ্গিত অনুভব করে চলেছি।

    অকস্মাৎ সবকিছু বন্ধ হয়ে গেল। আমার চোখের সামনের পৃথিবীটা অন্ধকারের অতল গহ্বরে তলিয়ে গেল। সে জ্বালাময়ী চিন্তা-ভাবনা আর ভয়ঙ্কর প্রলোভন আমাকে চারদিক থেকে অক্টোপাসের মতো আঁকড়ে ধরল। তার দিকে দৃষ্টিনিক্ষেপ করে আমি আতঙ্কে মুষড়ে পড়লাম।

    ব দূর, বহু দূরবর্তী এক অজানা অচেনা দেশ থেকে এক রূপসি যুবতি আমার দরজায় উপস্থিত হল। ব্যস, আমার ভীরু মন-প্রাণ সে মুহূর্তেই তার রূপের ডালির কাছে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে সঁপে দিলাম।

    হ্যাঁ, সত্যি বলছি, ভালোবাসার এক আকুল লঘু ও ঘৃণ্য পূজার আবেগে উচ্ছ্বাসে অভিভূত হয়ে বিনাসংগ্রামে আমি তার চরণকমলে আত্মনিবেদন করে বসলাম।

    হ্যাঁ, আমি তাকে বিয়ে করে ঘর বাঁধলাম। আমি শপথ ভঙ্গের সে নির্মম অভিসম্পাত নিজে বেঁচে মাথায় পেতে নিয়েছিলাম, তাকেও পরোয়া করলাম না। তবে এও সত্য যে, আমার মাথায় কিন্তু অভিশাপ নেমে আসেনি।

    আরও মাত্র একবার–এবার রাতের অন্ধকারে নিঝুম-নিস্তব্ধতায়–আমার জাফরির ফাঁক-ফোকড় দিয়ে চাপা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো যা আমাকে ভুলেছিল। সে দীর্ঘশ্বাস যেন কণ্ঠস্বরে পরিণত হল। সুপরিচিত মিষ্টি-মধুর স্বরে বলল, ঘুমোও শান্তিতে ঘুমোও। ব্যাপারটা এমন যে প্রেমের দেবতাই রাজ্য চালায়, তাঁরই অঙ্গুলি হেলনে রাজ্যের প্রতিটা কাজকর্ম চলে। তোমার অন্তরের প্রেমের মধ্যে এই মেগার্ড নামের মেয়েটাকে তুমি আপন করে নিয়েছ, ভালোবেসেছ। তারই মাধ্যমে ইলিওনোরার কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলে তা থেকে তুমি মুক্তি পেয়ে গেছ। কেন! কেন মুক্তি পেয়েছ তা অমরালোকে তোমাকে জানানো হবে, এখানে নয়–এখন নয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅস্কার ওয়াইল্ড গল্পসমগ্র – অনুবাদ : সুনীলকুমার ঘোষ
    Next Article মাইন ক্যাম্ফ – অ্যাডলফ হিটলার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }