Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডগার অ্যালান পো রচনাসমগ্র / অনুবাদ : জাকির শামীম

    লেখক এক পাতা গল্প1512 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ওভাল পর্ট্রেইট

    আমার খানসামার একান্ত ইচ্ছা একটা রাত আমি মুক্ত বাতাসের মধ্যে কাটিয়ে শরীর ও মনটাকে একটু চাঙা করে নেই। এরকম চিন্তা করে সে ধরতে গেলে জোর করেই সে আমাকে নিয়ে সে পল্লী ভবনটায় তোলে সেটা বহুদিন যাবই অ্যাপেলাইন পর্বতমালার ফাঁক ফোকড়ে অবস্থিত, বিষণ্ণতা আর জাঁকজমকের মিশ্রণে গড়ে ওঠা বহু বস্তির মধ্যে সবচেয়ে সেরা।

    বাড়িটার পরিস্থিতি এক নজরে দেখে অনায়াসেই অনুমান করে নেওয়া যায় সে, দিন-কয়েক আগেই সেটা কয়েকের দিনের জন্য অব্যবহৃত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। কারণ, দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকলে যা-কিছু চোখে পড়া সম্ভব, সে রকম তেমন কিছু নজরে পড়ল না।

    বাড়িটার ভেতরে ঢুকে বাছাবাছি করে ছোট একটা ঘর আমরা বাস করার জন্য বেছে নিলাম। ঘরটায় খুবই সামান্য আসবাবপত্রও সাজানো রয়েছে দেখলাম। ভাবলাম, এতেই দিন কয়েক দিব্যি কাটিয়ে দেওয়া যাবে। অতএব আমরা তাতেই মাথা গুঁজলাম।

    আমাদের মাথা গোঁজার ঘরটা বাড়িটার একান্তে–একেবারে এক কোণে অবস্থিত আর একটা বুরুজের তলায়।

    ঘরের ভেতরে যে সরঞ্জাম আছে সেগুলোর সংখ্যা তেমন বেশি না হলেও দেখেশুনে খুবই মূল্যবান বলেই মনে হল। দেওয়ালে একটা সুদৃশ্য পর্দা ঝুলছে। তাতে যুদ্ধজয়ের হরেকরকম স্মারক সযত্নে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এছাড়াও আছে অত্যাধুনিক অগণিত ছবি, বহুমূল্য সোনালি ফ্রেমে বাঁধানো। সব মিলিয়ে বহুমূল্যই বটে।

    ছবিগুলো কেবলমাত্র সামনের দেওয়ালেই নয়, ঘরটার কোণাগুলোতেও বেশ কয়েকটা খুবই নিপুণ-হাতে টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। তবে এমনও হতে পারে, আমার অসুস্থতার প্রাথমিক প্রলাপের অবস্থার জন্যই সে ছবিগুলোর প্রতি আমার আকর্ষণ একটু বেশি মাত্রায়ই হয়। একের পর এক ছবি দেখে আমি ক্রমেই মুগ্ধ হয়ে উঠতে লাগলাম।

    ঘরটার চারদিকে বার-কয়েক চোখের মণি দুটোকে বুলিয়ে নিয়ে ভাবে গদগদ হয়ে আমি খানসামা পেড্রোকে কাছে ডাকলাম।

    পেড্রো ঘর গোছানো আর বিছানাপত্র গোছ করতে ব্যস্ত। আমার ডাক শুনে হাতের কাজ ফেলে দৌড়ে এসে আদেশের অপেক্ষায় সামনে দাঁড়াল।

    আমি তাকে হুকুম দিলাম–‘ওসব কাজ পড়ে হবে, আগে ঘরের খড়খড়িগুলো টেনে নামিয়ে দাও।

    পেড্রো আমার এরকম জরুরি হুকুমের উদ্দেশ্য বুঝতে না পেরে জিজ্ঞাসু দৃষ্টি মেলে আমার মুখের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল। আমি তার গড়িমসির ব্যাপারে কোনো কথা না বলে বরং মুচকি হেসেই বললাম–‘আরে দেখতে পাচ্ছ না, বাইরে কেমন রাতের অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে।

    পেড্রো এবার জানালার দিকে এগিয়ে গেল। টানাটানি করে সব কয়টা জানালার খড়খড়ি নামিয়ে দিল।

    আমি বললাম–এবার বিছানার কাছের লম্বা-লম্বা বাতিদানের সব কয়টা মোমবাতি জ্বেলে দাও। তারপর বিছানার ওপরের কুচি-দেওয়া ভেলভেটের মশারিটার দড়িগুলো খুলে ওটাকে ভাঁজ করে একপাশে রেখে দাও।

    পেড্রো নিতান্ত অনুগতের মতো ব্যস্ত-হাতে মিনিট কয়েকের মধ্যেই আমার নির্দেশিত কাজগুলো এক করে সেরে ফেলল।

    এমন প্রশ্ন জাগাই স্বাভাবিক, এসব কাজ সেরে ফেলার জন্য আমি কেন খানসামা পেড্রোকে তাড়া দিলাম, তাই না? আসলে আমি ঘরটায় পা দিয়েই ছবিগুলোকে দেখে এতই মুগ্ধ হয়ে পড়ি যে,নিদ্রাদেবীর হাতে যদি নিজেকে সঁপে দেওয়া সম্ভব না হয় তবে অন্তত ছবিগুলোকে দেখে, আর বিছানায় মাথার কাছে যে চটি বইটায় ছবিগুলোর পরিচয় ও বিবরণাদি লেখা রয়েছে তার ওপর চোখ বুলিয়েই যেন সারাটা রাত কাটিয়ে দিতে পারি। এ রকম ভেবে আমি অন্তত রাত কাটানোর ব্যাপারটা সম্বন্ধে নিশ্চিন্ত হতে পারলাম।

    রাতে যৎসামান্য আহারাদি সেরে আমি বিছানা আশ্রয় করলাম।

    আর খানসামা পেড্রো আহারাদির পর বাসনপত্র গোছগাছ ও অন্যান্য অত্যাবশ্যক কাজকর্ম মিটিয়ে শুয়ে পড়ল।

    আমি বিছানা আশ্রয় করে বালিশের ওপর থেকে চটি বইটা হাতে নিয়ে চোখের সামনে মেলে ধরলাম। দীর্ঘ সময় একের পর এক পাতা উলটে গভীর মনোযোগের সঙ্গে পড়তে লাগলাম।

    কয়েক পাতা পড়ে বইটা ভাঁজ করে হাতে রেখে দেওয়ালে-টাঙানো ছবিগুলোর দিকে চোখ ফেরালাম। গভীর মনোযোগ আর শ্রদ্ধার সঙ্গে এক-এক করে সব কয়টা ছবিই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলাম।

    সত্যি, সময় যে কীভাবে কেটে গেল, বুঝতেই পারিনি। অস্বীকার করার উপায় নেই; আমি একাকীত্ব বোধ তো করলামই না বরং খুবই ভালোভাবে সময় কেটে যেতে লাগল।

    এক সময় মাঝ-রাত হয়ে এলো।

    বাতিদানটা আমার বিছানা থেকে সামান্য দূরে রয়েছে। খানসামা পেড্রোর দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালাম। সে ঘুমে বিভোর। ডাকাডাকি করে ঘুম ভাঙিয়ে তাকে বিরক্ত করতে মন চাইল না। ফলে বাধ্য হয়েই বেশ কসরৎ করে হাত বাড়িয়ে সেটাকে টেনে এমন জায়গায় নিয়ে নিলাম যাতে মোমবাতির সবটুকু আলোই আমার বইটার ওপর পড়তে পারে। সেটা যেখানে রয়েছে সেখান থেকে সম্পূর্ণ আলো আমার হাতের বইটার পাতায় পৌঁছাতে পারে না। ফলে অসুবিধা তো একটু-আধটু হচ্ছিলই।

    আরে ব্যস! বাতিদানিটা এগিয়ে নিয়ে আসার ফল যে এমন ভয়ঙ্কর হতে পারে তা কিন্তু আমি ঘৃণাক্ষরেও ভাবতে পারিনি। সত্যি, একেবারেই অভাবনীয় ব্যাপার। খাটের একটা মশারি খাটাবার দণ্ডের ছায়ায় ঘরটার একটা কোণ এতক্ষণ আবছা অন্ধকারে ঢাকা ছিল। বাতিদানিটাকে স্থানান্তরিত করার ফলে অন্ধকার যে-কোণাটায় এবার আলোকরশ্মি ছড়িয়ে পড়ল।

    এতক্ষণ যে-ছবিটা আমার নজরের বাইরে ছিল এমন আলোকরশ্মি ছড়িয়ে পড়ায় সেটা স্পষ্ট দৃষ্টিগোচর হয়ে পড়ল। সেটা এক উদ্ভিন্ন যৌবনা এক রূপসির প্রতিকৃতি।

    ছবিটার ওপর মুহূর্তের জন্য চোখের মণি দুটো বুলিয়ে নিয়েই যন্ত্রচালিতের মতো ঝট করে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিলাম। সঙ্গে সঙ্গে চোখ দুটো বন্ধ হয়ে এলো। আর সর্বাঙ্গে কেমন যেন অবাঞ্ছিত শিহরণ খেলে গেল। ঘাড়ের কাছ থেকে একটা হিমেল স্রোত দ্রুত শিরদাঁড়া-বেয়ে কোমর পর্যন্ত নেমে এলো।

    কেন যে আমার মধ্যে এমন অভাবনীয় ভাবান্তর ঘটে গেল তা আমি নিজেই নিশ্চিত করে বলতে পারব না। চোখ দুটো বন্ধ করে আমি তো মনে মনে আমার এমন আকস্মিক ভাবান্তরের কারণটাই খুঁজতে লাগলাম। আমি যাতে ব্যাপারটা নিয়ে চিন্তা ভাবনায় লিপ্ত হবার অবসর পাই, নিঃসন্দেহ হতে পারি যে, আমার চোখ দুটো আমার সঙ্গে প্রতারণা করেনি। কারণ আরও আছে, ছবিটাকে যাতে আরও ভালোভাবে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখার মতো বুকে সাহস সঞ্চয় করতে পারি, নিজের বিক্ষিপ্ত কল্পনাশক্তিকে একত্রিত আর সংযত ও শান্ত রাখার মতো মানসিকতা তৈরি করতে পারি। হ্যাঁ, এরকম উদ্দেশ্য নিয়েই আমি অতর্কিতে চোখ দুটো বন্ধ করে নিশ্চল-নিথরভাবে কয়েক মুহূর্ত কাটিয়ে দিয়েও ছিলাম।

    কয়েকমুহূর্ত পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকার পর আবার ধীরে ধীরে চোখ দুটো মেলোম। ঘাড় ঘুরিয়ে ঘরের কোণে টাঙিয়ে রাখা ওই প্রতিকৃতিটার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করলাম।

    আমার মধ্যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিকারী ওই প্রতিকৃতিটাকে যে আমি খুব ভালোভাবেই দেখতে পাচ্ছি, অস্বীকার করার উপায় নেই, করতে চেষ্টাও করব না।

    সত্যি কথা বলতে কি, ছবিটার ক্যানভাসের গায়ে মোমবাতির সাদা আলো প্রথম পতিত হওয়ামাত্র সে স্বপ্নজনিত অসাড়তা যা আমার ইন্দ্রিয়গুলোকে অবশ,নিষ্ক্রীয় করে ফেলেছিল, তা নিঃশেষে উবে গেল। আচমকা একটা হোঁচট খেয়ে আমি যেন সম্পূর্ণ সংজ্ঞা ফিরে পেলাম,নিদ্রার ঘোর কাটিয়ে জেগে উঠলাম। সংক্ষেপে বলতে গেলে, হারিয়ে যাওয়া আমাকে যেন আবার আমার মধ্যে ফিরে পেলাম।

    আমি আগেই বলেছি, ঘরের কোণে টাঙানো প্রতিকৃতিটা এক উদ্ভিন্ন যৌবন রূপসির। পূর্ণাবয়ব নয়, দেহের কেবলমাত্র মাথা থেকে কাঁধ পর্যন্ত। আর তা আঁকা হয়েছে ফল আর লতাপাতাসহ অঙ্কন-কৌশলে। আর একটু খোলসা করে বললে হয়তো আমার বক্তব্যটা অধিকতর সহজবোধ্য হতে পারে–মালি যে মস্তক অঙ্কন পদ্ধতি অবলম্বন করে ছবি আঁকেন এক্ষেত্রে সে পদ্ধতিই অনুকরণ করা হয়েছে।

    প্রতিকৃতিটার বক্ষ, বাহু দুটো আর অত্যুজ্জ্বল ও দীর্ঘ কেশগুচ্ছের অগ্রভাগ প্রভৃতি অঙ্কন-শৈলীর নৈপুণ্যবশত বড়ই চমৎকারভাবে ফুল আর লতাপাতার ছায়াছায়া পরিবেশের আড়ালে গা-ঢাকা দিয়েছে। আর তার ফ্রেমটা ডিম্বাকৃতি। তার চারদিকে মুরজাতির শিল্পকীর্তিতে সুদৃশ্য করে তোলা হয়েছে। শিল্পকলার কথা বিচার করলে স্বীকার করতেই হয়, ছবিটার চেয়ে ফ্রেমটা অধিকতর মন জয় করার ক্ষমতা রাখে। সত্যি সেটার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করলে আর চোখ ফেরানো দায়।

    কিন্তু আমি যে অকস্মাৎ বিস্ময় বোধ করেছি তা কিন্তু মোটেই ছবিটার শিল্পনৈপুণ্য বা ফ্রেমটার মনলোভা কারুকার্য কোনোটারই কারণে নয়। এমনকি মুখটার সৌন্দর্যতা আমাকে এতখানি প্রভাবিত করতে পারেনি।

    তবে? তবে কেন আমার মধ্যে এমন আকস্মিক ভাবান্তর ঘটেছিল, তাই না? আবার এমন কথাও তো বলা যাবে না, আমার কল্পনাই তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থা কাটিয়ে উঠে প্রতিকৃতিটাকেই একটা প্রাণবন্ত মানুষ ভেবে ভুল করছি। না, এমন কথা বলা আমার পক্ষে কিছুতেই সম্ভব নয়।

    আমি ওই বিশেষ প্রতিকৃতিটার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখেই অনেকক্ষণ, প্রায় একটা ঘণ্টা কাটিয়ে ছিলাম। তবে একই অবস্থায় নয়। কখন বিছানার ওপর বসে, কখনও আধ-শোয়া অবস্থায় আবার কখনও বা মেঝেতে দাঁড়িয়ে প্রতিকৃতিটাকে নিরীক্ষণ করতে লাগলাম। শেষমেশ এক সময় প্রতিকৃতিটার দিকে অত্যুগ্র আগ্রহের সঙ্গে তাকিয়ে থাকার ফলাফলের গোপন কারণটা বুঝতে পেরে আমার মনে খুশির জোয়ার বয়ে গেল। আমি আনন্দে ডগমগ অবস্থায় বিছানায় শুয়ে পড়লাম। আগেকার সে। বিস্ময়ানুভূতি এখন আমার মধ্য থেকে নিঃশেষে উবে গেছে।

    প্র্তিকৃতিটার মধ্যে আত্মগোপনকারী প্রকৃতরহস্যটা কী তা যদি বলতে হয় তবে সংক্ষেপে যা বলা সম্ভব তা হচ্ছে, ছবিটার প্রাণময়তা। আর এ বিশেষ গুণটুকুই প্রথমে আমাকে বিস্ময়ে অভিভূত করে ফেলে। আবার আতঙ্কও কম সঞ্চার করেনি। সব মিলে আমাকে একেবারে কুপোকাৎ করে দেবার জোগাড় করেছিল।

    ভীতির সঙ্গেই বাতিদানটাকে তুলে নিয়ে আবার আগের জায়গাতেই রেখে দিলাম। আমার চরম উত্তেজনার উৎসটাকে এভাবে নজরের আড়ালে রেখে দিয়ে আমি পুরোপুরি স্বস্তি লাভ করলাম। বালিশের ওপর থেকে চটি বইটাকে আবার তুলে নিলাম।

    আমি মনকে নিয়োগ করলাম এসব ছবি আর তাদের অতীত-কাহিনী সমৃদ্ধ বইটার পাতায়।

    সূচিপত্র দেখে ডিম্বাকৃতি প্রতিকৃতিটার সংখ্যা খুঁজে বের করলাম। পাতা উলটে নিচের এ অংশটায় প্রতিকৃতিটার সংখ্যা খুঁজে বের করলাম। পাতা উলটে নিচের এ

    অংশটায় গভীর মনযোগের সঙ্গে চোখের মণি দুটোকে বুলাতে লাগলাম–

    ‘সে ছিল একজন যথার্থই রূপসি কুমারী কন্যা। তার রূপ-সৌন্দর্য যতটা ছিল সে তার চেয়ে অনেক, অনেক বেশি আনন্দময়ী ছিল।

    এক অশুভক্ষণে এক চিত্রশিল্পীর সঙ্গে তার পরিচয় ঘটেছিল। তাকে মন-প্রাণ সঁপে ভালোবেসেছিল। শেষপর্যন্ত তাকে বিয়েও করেছিল। সে চিত্রশিল্পী ছিল বড় আবেগপ্রবণ, গম্ভীর আর পরিশ্রমীও বটে। আর সে ইতিমধ্যেই চিত্রশিল্পকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বরণ করে নিয়েছিল। আর সে রূপসি তম্বী যুবতি? সে ছিল একেবারেই বিরল এক রূপের আকর–এক কুমারী।

    সে রূপসি যুবতি যত না সুদর্শনা তার চেয়ে বেশি আনন্দে পরিপূর্ণা। তার মুখে কেবলই আলোকচ্ছটার মতো হাসির ঝিলিক সর্বক্ষণ লেগেই থাকে। আর? ছোট্ট হরিণ শিশুর মতোই সে চঞ্চলাও বটে। সবকিছুর প্রতিই তার আন্তরিক আকর্ষণ রয়েছে। ভালোবাসে–তবে কেবলমাত্র তার প্রতিদ্বন্দ্বী শিল্পকলাকে চরম বিতৃষ্ণার সঙ্গে দেখে, ঘৃণা করে। আর চিত্রশিল্পীর তুলি, রঙের পাত্র, রঙ আর অন্যান্য সরঞ্জামগুলোকে দু চোখ পেতে দেখতে পারে না, যারা তাকে নির্মমভাবে বঞ্চিত করেছে প্রিয়-দর্শন সুখ আর আনন্দ থেকে।

    তাই তো যেদিন চিত্রশিল্পী তার কাছে নিজের বাসনার কথা ব্যক্ত করল–রূপসি তষী তরুণী বধূটির প্রতিকৃতি রঙ আর তুলির মাধ্যমে ক্যানভাসের গায়ে ফুটিয়ে তুলতে আগ্রহী, সেদিন অন্তরের অন্তঃস্থলে তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করল, যারপরনাই মর্মাহত হল।

    তা সত্ত্বেও সে তরুণী ছিল স্বভাবতই বিনম্ৰা বিনয়ী, বিশ্বস্ততার প্রতিমূর্তি। তাই তো সে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধীর-স্থিরভাবে চিত্রালয়ের অন্ধকার ঘরে বসে থেকেছে। যেখানে ইজেলের সঙ্গে সাঁটা ক্যানভাসের গায়ে, তার মাথার ওপর থেকে আলোকচ্ছটা ঠিকড়ে পড়ে।

    এমন একটা মন না-চাওয়া পরিবেশে, নিজের ইচ্ছার সম্পূর্ণ বিরোধী কাজের মধ্যে সে জোর করে নিজেকে লিপ্ত রেখেছে।

    চিত্রশিল্পী কিন্তু তার নিজের কাজে মগ্ন আর আত্ম-প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা, দিনের পর দিন সে কাজের মধ্যেই নিজেকে ডুবিয়ে রাখে আর থেকে থেকে বিভিন্ন বিস্ময়সূচক শব্দ উচ্চারণ করে নিজের কাজের বাহবা দেয়। ব্যস, এর বেশি কোনো কথা নয়।

    সত্যি কথা বলতে কি, চিত্রশিল্পী যথার্থই এক বিচিত্র প্রকৃতির মানুষ। তার কথা সংক্ষেপে বলতে গেলে অসংযত প্রকৃতির, আবেগপ্রবণ আর রীতিমত মেজাজি মানুষ। নিজেকে নিয়ে, নিজের স্বপ্নের মধ্যেই সর্বদা আত্মমগ্ন থাকে।

    চিত্রশিল্পী নিজের কাজ নিয়ে সর্বক্ষণ এমনই মজে থাকত যে, ভুলেও সে মুহূর্তের জন্য চোখ ফিরিয়ে দেখত না যে, সে নির্জন ঘরে সে ভৌতিক আলোর রেখাটা এসে পড়ে তার স্পর্শ লেগে নববধূর শরীর আর মন দুই শুকোতে শুকোতে কুঁকড়ে যাচ্ছে। তার চোখ ও মন যে সম্পূর্ণরূপে ক্যানভাসের গায়েই আটকা পড়ে গেছে।

    নববধূর শরীরের ক্রমোবনতি আর শুকিয়ে-যাওয়া মনের ব্যাপারটা সবার চোখেই ধরা পড়েছে, একমাত্র চিত্রশিল্পীর উদাসীন চোখ দুটো ছাড়া।

    এত অবহেলা সহ্য করেও তরুণী নববধূ কোনোরকম প্রতিবাদ, এমনকি সামান্যতম অভিযোগ পর্যন্ত না করে মুখে হাসির ছোপ অব্যাহত রেখে একের পর এক দিন কাটাতে লাগল। এর কারণ রয়েছে যথেষ্টই। কারণ, সে তো নিজের চোখেই দেখত তার চিত্রশিল্পী স্বামী দেবতাটি তার নিজের কাজ, রক্ত-তুলি নিয়ে মেতে থেকেই পরম আনন্দ পায়। তার রূপসি তম্বী মনোরমা সহধর্মিনীর রূপ ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    অথচ সে প্রেয়সীটি দিনে দিনে দেহ-মনের দিক থেকে শুকিয়ে ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে পড়ছে।

    অথচ এক তিল বাড়িয়ে না বললে, যারাই ইজেলের গায়ে সাঁটা প্রতিকৃতিটিকে দেখে, তারা শিল্পী আর শিল্পকর্মটির প্রশংসায় একেবারে পঞ্চমুখে প্রশংসা শুরু করে দিচ্ছে।

    সবাই আবেগে-উচ্ছ্বাসে অভিভূত হয়ে বলে এই প্রতিকৃতিটি যেমন চিত্রশিল্পীর শিল্পনৈপুণ্যের পরিচয় বহন করছে, ঠিক তেমনই প্রেয়সীর প্রতি তার গভীর প্রেম প্রীতির সাক্ষদানও করছে। সহধর্মিনীর প্রতি ভালোবাসা গভীর না হলে এমন একটা অনিন্দ্য সুন্দর চিত্র রঙ-তুলির মাধ্যমে কিছুতেই ফুটিয়ে তোলা সম্ভব নয়।

    কিন্তু শেষমেশ যখন চিত্রশিল্পীর সব প্রয়াস ও শ্রম পরিণতির দুয়ারে প্রায় পৌঁছে গেল, সে মুহূর্ত থেকে কাউকেই চিত্রালয়ের সে ঘরটায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলো না। কেন? কারণ, কাজের নেশা চিত্রশিল্পীর মধ্যে চরমভাবে চেপে বসেছে। কাজ, কাজ করে সে প্রায় উন্মাদদশায় পৌঁছে গেছে।

    কাজ! কাজ! আর কাজ! ক্যানভাসের গা থেকে চোখ সরাবার ফুরসৎ বা ইচ্ছা। কোনোটাই যে তার নেই। সর্বক্ষণ ক্যানভাসটার ওপরেই সে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখে। অন্য কারো দিকে তাকাবার কথা তো সে স্বপ্নেও ভাবতে পারে না। এমনকি স্ত্রীর মুখের দিকেও মুহূর্তের জন্য চোখ ফেরায় না। এমনকি ক্যানভাসের ওপর সে যে রঙের প্রলেপ দিয়েছে তা-ও যে রূপসি তীর রক্ত-রাঙা গাল দুটো থেকে নেওয়া তা দেখতেও সে এ মুহূর্তে নিতান্ত অনাগ্রহী।

    এভাবে রঙ, তুলি আর ক্যানভাস নিয়ে যখন বেশ কয়েক সপ্তাহ গড়িয়ে গেল, শিল্পকর্মটা শেষ হতে আর সামান্যই অবশিষ্ট, কেবলমাত্র সুন্দর মুখটার ওপর মাত্র একটা তুলির টান, আর চোখের ওপর সামান্য একটু রঙ তুললেই কাজটা শেষ হয়ে যায়–ঠিক তখনই গরম তেলে পানির ছিটা পড়ার মতোই রূপসি তরুণী মনের দশা সইতে না পেরে ছ্যাৎ করে উঠল।

    আর ঠিক তখনই…চিত্রশিল্পী ক্যানভাসটার গায়ে তুলিটা বুলিয়ে দিল। রঙের প্রলেপটা দিয়ে দিল। আর মুহূর্তের জন্য নিজের তুলির টানে ফুটিয়ে তোলা শিল্প কর্মটার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে মন্ত্রমুগ্ধের মতো নিষ্পলক চোখে তাকিয়ে রইল।নিশ্চল নিথর পাথরের মূর্তির মতো সে দাঁড়িয়েই থাকল কয়েক মুহূর্ত ধরে।

    কিন্তু তারপর। পরমুহূর্তে, পাথরের মূর্তির মতো অটল অনড়ভাবে দাঁড়িয়েনিস্পলক চোখে তাকিয়ে থাকা অবস্থাতেই তার সর্বাঙ্গ তির তির করে কাঁপতে লাগল। চকের মতোই ফ্যাকাশে বিবর্ণ হয়ে গেল তার মুখটা। পরমুহূর্তেই গলা ছেড়ে চেঁচিয়ে উঠল–এটাই, এটাই তো জীবন।

    অকস্মাৎ যন্ত্রচালিতের মতো ঘাড় ঘুরিয়ে তার প্রেয়সীর দিকে তাকাল, তার প্রাণবায়ু তখন দেহ ছেড়ে গেছে, সে মৃত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅস্কার ওয়াইল্ড গল্পসমগ্র – অনুবাদ : সুনীলকুমার ঘোষ
    Next Article মাইন ক্যাম্ফ – অ্যাডলফ হিটলার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }