Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডগার অ্যালান পো রচনাসমগ্র / অনুবাদ : জাকির শামীম

    লেখক এক পাতা গল্প1512 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাইলেন্সে ফেবল

    দৈত্য!

    বিশালদেহী আর ভয়ালদর্শন এক দৈত্য।

    দৈত্যটা আচমকা আমার মাথায় তার হাতটা রাখল। তারপর বজ্রগম্ভীর স্বরে বলল–শোন, উৎকর্ণ হয়ে শোন।

    আমি এক্ষেত্রে যে স্থানটার কথা উল্লেখ করছি, সেটা লিবিয়ার অন্তর্গত একটা মরুভূমি–বালির একাধিপত্য সেখানে। সে অঞ্চলটার অবস্থান জাইরে নদীর তীরে। আর সেখানে নিস্তব্ধতা তো বিরাজ করছেই, এমনকি সামান্যতম হৈ-হল্লাও কারো কানে আসে না।

    জাইরে নদী দিয়ে প্রতিনিয়ত প্রবাহিত হয় বাদামি রংয়ের ঘোলা জলরাশি। আর তার গতি সাগরের দিকে তো নয়ই, বরং মাথার ওপর অবস্থানরত জ্বলন্ত অগ্নিপিণ্ড সূর্যের নিচে অবস্থান করে প্রতিনিয়ত উত্তাল-উদ্দাম রূপ ধারণ করে থাকে আর তার জলরাশি বিপুল বিক্রমে তোলপাড় করে।

    নদীর উভয় তীর থেকে দুইমাইল দূরবর্তী অঞ্চল থেকে শুরু করে পরবর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে কেবল সোনালির ছড়াছড়ি। কেবল বালি আর বালি। রাশি রাশি বস্তাবস্তা বালি যেন কোনো অমিত বিক্রমশালী কোনো দৈত্য প্রচণ্ড ক্রোধের বশবর্তী হয়ে দুই তীরে সুবিশাল অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছে। আর তারই মাঝে মাঝে বিরাট বিরাট আকার বিশিষ্ট বিবর্ণ মরু-ফুল নিজেদের অস্তিত্ব ঘোষণা করছে।

    মরুভূমির নির্জনতা আর নিস্তব্ধতা লক্ষ্য করে সুবিশাল-বিবর্ণ মরু-ফুলগুলো যেন বিষাদ ক্লিষ্ট মনে, হতাশ দৃষ্টিতে একে অন্যের দিকে তাকিয়ে বার বার দীর্ঘশ্বাস ফেলছে।

    শুধু কি তাই? তারা যেন লম্বাটে গলা তুলে আকাশের দিকে হতাশ দৃষ্টিতে তাকায় আর থেকে থেকে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে আর এদিক-ওদিক মাথা দোলাতে থাকে।

    নীরস মাটির বুক নিঙড়ে বেরিয়ে আসা ফোয়ারার মতো মরু-ফুলগুলোর ভেতর থেকেই প্রায় অস্ফুট একটা মৃদু স্বর বেরিয়ে এসে বাতাসের সঙ্গে মিলেমিশে বিলীন হয়ে যায়।

    মরুভূমির আয়তন বিশাল, সুবিশাল। কিন্তু বিশালেরও কোথাও-না-কোথাও শেষ আছে, সীমানা বলে কিছু একটার অস্তিত্ব অবশ্যই আছে। কিন্তু কি তাদের সীমানা নির্দেশ করছে? কালো, ভয়াল দর্শন বনভূমি আকাশচুম্বী গাছগাছালির ঘন বনভূমি। সেখানেও ব্রোইডিসের ঢেউয়ের মতোই লতাপাতা গাছগাছালির ঝোঁপঝাড় বাতাসে অনবরত আন্দোলিত হচ্ছে। তবে এও সত্য যে, কোথাও তেমন বাতাস নেই। তা সত্ত্বেও সেই আগেকার আমলে জন্মানো সুবিশাল গাছগুলো চিরটাকাল ধরে, প্রতিদিন। আর প্রতিনিয়ত একই রকমভাবে আন্দোলিত হয়ে আসছে। আর তাদের মাথা, প্রতিটা শাখা-প্রশাখা আর পাতাগুলোতে শিশিরবিন্দু পড়ে স্নান করিয়ে দেয়।

    কেবলমাত্র শাখা-প্রশাখা আর পাতার কথাই নয়, তাদের শেকড়ের তলায় বিচিত্র সব বিষফুল গা-জড়াজড়ি করে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে। আর মাথার ওপরে? মাথার ওপরে জমাটবাধা টুকরো টুকরো মেঘ নিশ্চিন্ত অলসভাবে পূর্ব থেকে পশ্চিমে ধেয়ে চলে। এমনিভাবে ধীর মন্থরগতিতে ভাসতে ভাসতে এগিয়ে গিয়ে দিগন্তের প্রাচীরের ওপর মুষলধারে অনবরত ঝরতে থাকে। আরও আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে, সেখানে। তিলমাত্র বাতাসের অস্তিত্বও নেই।

    আর জাইরে নদীর উভয় তীরে নিস্তব্ধতা তো নেই-ই বরং অভাবনীয় আনন্দ ফুর্তি হৈ-হল্লা বিরাজ করছে। সেখানকার প্রতিটা অঞ্চল, প্রতিটা বস্তির মানুষ যেন সর্বদা আনন্দে মশগুল। প্রকৃতির বুকে তখন রাতের অন্ধকার বিরাজ করছে। অনবরত বৃষ্টি পড়েই চলেছে। যখন পড়ছিল তখন তাকে বৃষ্টিই বলা চলে, তবে তারপর যা শুরু হলো তাকে রক্ত না বলে উপায় নেই।

    আমি তখন লতানো গাছগাছালির লম্বা বিশভূমিতে দাঁড়িয়ে ছিলাম। একা আমি, একেবারে একাই দাঁড়িয়ে ছিলাম। আমার মাথায় টপ টপ করে বৃষ্টি পড়তে লাগল। আর নির্জনতা ও নিস্তব্ধতার বিমর্ষতা হেতু লতানো গাছের ফুলগুলো একে অন্যের দিকে ফিরে চাপা দীর্ঘশ্বাস বাতাসে ছড়িয়ে দিয়ে বাতাসকেও যেন বিষময় করে তুলছে।

    হঠাৎ একেবারে হঠাই হালকা ও ভৌতিক কুয়াশার আস্তরণ ভেদ করে আকাশের গায়ে চাঁদ উঠল। রূপালি চাঁদটা দেখতে দেখতে রক্তবর্ণ ধারণ করল।

    নদীর তীর ঘেঁষে যে সুউঁচু একটা ধূসর পাহাড় সদম্ভে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে সেটার দিকে আমার নজর গেল।

    আমি কিছু সময় পাহাড়টার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। তার গায়ে চাঁদের আলো পড়ায় সেটাকে ভালোভাবেই দেখা যাচ্ছে।

    পাহাড়টা যে কেবলমাত্র উঁচু ও ধূসর রং বিশিষ্ট তা-ই নয় রীতিমত বিবর্ণও বটে।

    চাঁদের আলোয় দেখা যাচ্ছে, পাহাড়টার সামনে, পাথরের গায়ে বড় বড় করে বহু অক্ষর খোদাই করে রাখা হয়েছে।

    পার্বত্য উপত্যকার জলাজমির ওপর দিয়ে, লতানো ফুলগাছগুলোর ওপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে আমি এক সময় তীরের কাছাকাছি একটা জায়গায় হাজির হলাম। আমার উদ্দেশ্য পাহাড়ের গায়ে খোদাই করা অক্ষগুলোর পাঠোদ্ধার করা। অতএব হাঁটতে হাঁটতে এমন একটা জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালাম যাতে সে অক্ষরগুলোকে পড়া সম্ভব হয়। কিন্তু হায়! সে অক্ষরগুলো যে কোনো ভাষার তা-ই আমার পক্ষে উদ্ধার করা সম্ভব হলো না। অতএব পড়তে পারার প্রশ্নই ওঠে না।

    আমি হতাশ হয়ে শেষপর্যন্ত জলাজমির দিকে ফিরে যাবার জন্য পা বাড়ালাম। সামান্য এগোতেই কুয়াশার হালকা আস্তরণ ভেদ করে চাঁদ উঠল। একেবারে রক্তিম তার বর্ণ।

    চাঁদ উঠতেই আমি ঘাড় ঘুরিয়ে–আবার পিছন দিকে তাকালাম। পাহাড়টার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করলাম। সামান্য পিছিয়ে গিয়ে আবার অক্ষরগুলোর কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। চাঁদের আলো পড়ায় অক্ষরগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠল।

    একটু আগে যে অক্ষরগুলো আমার পক্ষে পাঠোদ্ধার করা তো দূরের কথা কোনো ভাষায় তাও বুঝতে পারছিলাম না, এবার চাঁদের আলোয় আমার সে সমস্যা আর রইল না। নিঃসঙ্গতা শব্দটাকে আমি অনায়াসেই পড়তে পারলাম।

    মুখ তুলে ওপরের দিকে তাকালাম, পাহাড়টার দিকে। মনে হল, পাহাড়ের শীর্ষে একজন দাঁড়িয়ে রয়েছে দেখতে পেলাম।

    অনুসন্ধিৎসু নজরে পাহাড়ের শীর্ষে দাঁড়িয়ে থাকা মনুষ্য মূর্তিটার দিকে তাকিয়ে থেকে শেষপর্যন্ত নিঃসন্দেহই হলাম, একটা মানুষই দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    সে লোকটার গতিবিধির ওপর গোপনে নজর রাখার জন্য আমি দ্রুত জলাজমির লতানো গাছের ঝোঁপের আড়ালে গা-ঢাকা দিয়ে দিলাম। ভালোভাবে দেখার পর আমি বুঝলাম, লোকটা দীর্ঘদেহী আর বিশাল বপুধারী। আর প্রাচীন রোমের টোগা দিয়ে তার আপাদমস্তক আবৃত।

    আমি অনুসন্ধিৎসু নজরে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে লক্ষ্য করলাম, লোকটার দেহরেখা তেমন স্পষ্ট নয়। তবে দেবতার মতোই তার দৈহিক গঠন।

    রাতের স্বচ্ছ আবরণ, হালকা কুয়াশার আবরণ আর কুয়াশার আড়াল থেকে উঁকি দেওয়া চাঁদ ও শিশিরের স্বচ্ছ আবরণ আর লোকটার মুখাবয়বটাকে ঢেকে দিতে পারেনি। তাই স্পষ্টই দেবতার মতোই দেহসৌষ্ঠবটাকে স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে। এমনকি তার চিন্তায় উন্নত জঁ দুটো পর্যন্ত আমার নজরে পড়ল। তার চোখ দুটোর ওপর আমার দৃষ্টি নিবদ্ধ হতেই আমি লক্ষ্য করলাম, সে দুটো গভীর চিন্তায় উভ্রান্ত। আর তার চিবুক? চিবুকে কয়েকটা মাত্ৰ ভাঁজ পড়েছে। তাতেই দুঃখের কাহিনী পড়া আমার পক্ষে সম্ভব হল।–ক্লান্তি-অবসাদ, মনুষ্য সমাজের প্রতি বিরক্তি, নির্জনতা আর নিঃসঙ্গতার বাসনা।

    আমি লোকটার দিকে অপলক চোখে তাকিয়েই রইলাম। সে পাহাড়টার শীর্ষে অদ্ভুত ভঙ্গিতে বসে রয়েছে। একটা হাত ভাঁজ করা। আর সেটার ওপর মাথাটাকে রেখে হেলান দিয়ে সে বসে।

    লোকটা অদ্ভুত ভঙ্গিতে বসে জনমানবশূন্য প্রান্তরের দিকে উদাস-ব্যাকুল দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে।

    কয়েকমুহূর্ত প্রান্তরটার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখে সে এক সময় সেখান থেকে চোখ দুটোকে তুলে এনে অশান্ত, দোদুল্যমান ঝোঁপঝাড়ের ওপর নিবদ্ধ করল। পর মুহূর্তেই ওপরে অবস্থানরত সুদীর্ঘ প্রাচীন বনভূমির ওপর দৃষ্টি স্থির করল। তারপর সে আরও, আরও ওপরে, আকাশের গায়ে ঝুলন্ত রক্তিম চাঁদটাকে দেখতে লাগল বিস্ময় মাখানো দৃষ্টিতে।

    এদিকে আমি জলাভূমির লতানো গাছের ঝোঁপঝাড়ের আড়াল থেকে স্থির দৃষ্টিতে সে লোকটার কাণ্ডকারখানা দেখতে লাগলাম।

    আর সে নির্জন নিরালায় থর থর করে কাঁপতে আরম্ভ করল।

    এদিকে রাত শেষ হতে চলেছে। প্রকৃতির বুকে ভোরের আলো ফুটে না উঠলেও এটুকু অন্তত বুঝা যাচ্ছে ভোর হতে আর বেশি দেরি নেই। লোকটা কিন্তু উঠল তো

    -ই বরং একই ভঙ্গিতে পাহাড়ের শীর্ষে আগের মতোই ঠায় বসেই রইল। ওঠা তো দূরের কথা, সামান্য নড়াচড়াও করল না।

    আমি সেখানে আর থাকার দরকার বোধ করলাম না। তাই লতানো গাছের ঝোঁপের আড়াল থেকে বেরিয়ে জলাভূমির ওপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে হাজির হলাম এমন একটা জায়গায়, যেখানে জলহস্তীর মেলা বসেছে।

    জলহস্তির পালকে সামনে দেখে আমার মধ্যে কৌতূহলের সঞ্চারও হল। আনন্দও কম হলো না।

    আমি মুখে বিচিত্র এক শব্দ করে তাদের কাছে ডাকলাম। তারা মুখ তুলে আমার দিকে তাকাল। তারা সেখান থেকে বেরিয়ে এসে পাহাড়টার পাদদেশে চাঁদের আলোয় দাঁড়িয়ে বুক কাঁপানো ভয়ঙ্কর তর্জন গর্জন শুরু করে দিল।

    আমি সেখান থেকে দৃষ্টি তুলে নিয়ে পাহাড়ের শীর্ষদেশে বসে থাকা লোকটার দিকে তাকালাম। দেখলাম, সে এখনও নির্জনতা ও নিঃসঙ্গতায় বসে আগের মতোই অনবরত কেঁপেই চলেছে।

    এদিকে রাত বাড়তে বাড়তে ক্রমেই ফুরিয়ে আসছে। আর সে-ও পাহাড়ের শীর্ষে আগের মতো একই ভঙ্গিতে বসে রয়েছে। আমি এবার আর নিজেকে সংযত রাখতে পারলাম না। নিতান্ত কোনো উপায় না দেখে প্রকৃতিকে উদ্দামতার অভিশাপ দিলাম।

    ব্যাস, আর এক মুহূর্তও দেরি হলো না–ভয়ঙ্কর ঝড় উঠল, ঝড়ের প্রকোপে সবকিছু তোলপাড় হতে লাগল। অথচ কয়েকমুহূর্ত আগেও সেখানে ঝড় বা প্রবল বাতাস তো দূরের কথা একটা গাছও নড়তে দেখা যায়নি।

    সে যে কী ভয়ঙ্কর ঝড়, প্রলয়কাণ্ড ঘটে চলেছে তা ভাষায় বর্ণনা করা সম্ভব নয়। ঝড়ের প্রকোপে কিছুক্ষণের মধ্যেই আকাশের রং পাল্টাতে পাল্টাতে ক্রমে সিসার রং ধারণ করল।

    পাহাড়ের ওপরে অবস্থানরত লোকটার মাথায় টপ টপ করে বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে লাগল।

    কিছুক্ষণ মুষলধারে বৃষ্টি পড়ার পর নদী ভরে গেল, ফুলে ফেঁপে উঠল। দুকূল ছাপিয়ে বন্যা দেখা দিল আর রাশি রাশি ফেণা জমে উত্তাল-উদ্দাম রূপ ধারণ করল।

    ঝড়ের তাণ্ডব আর পানির প্রচণ্ড ধাক্কায় বিশাল গাছগাছালি হুড়মুড় করে মুখ থুবড়ে পড়তে লাগল। চিরিক্-চিরিক করে বিদ্যুৎ ঝলকাতে লাগল, বিকট আওয়াজ করে বাজ পড়তে লাগল আর পাহাড়ের ভিত পর্যন্ত বার বার কেঁপে কেঁপে উঠতে লাগল। সব মিলে এমন প্রলয়কাণ্ড ঘটাতে লাগল তা আর কহতব্য নয়।

    আমি সেখানে অবস্থান করেই সে লোকটার কার্যকলাপ দেখতে লাগলাম। সে আগের মতোই নির্জনতা আর নিস্তব্ধতায় সমানভাবে কেঁপেই চলেছে। কিন্তু এদিকে রাত বাড়তে বাড়তে ফুরিয়ে আসতে চলেছে তবুও সে ঠায় বসেই রয়েছে।

    আমার পক্ষে আর ক্রোধ সম্বরণ করা সম্ভব হলো না। ক্রোধে ফোঁস ফোঁস করতে করতে তাকে অভিশাপ দিলাম। কেবলমাত্র তাকেই নয়, আমি অভিশাপ দিলাম নির্জনতা আর নৈঃশব্দকে, উত্তাল-উদ্দাম নদীকে, লতানো ফুলগাছকে, প্রবল বাতাসকে, অরণ্যের আকাশছোঁয়া গাছগুলোকে, কুয়াশার আস্তরণে ঢাকা আকাশকে, গুরুগম্ভীর স্বরের বজ্রকে, অতি উজ্জ্বল বিদ্যুচ্ছটাকে।

    ক্রোধান্মত্ত আমার অভিশাপে জর্জরিত হয়ে তারা গতি হারিয়ে স্থিও নিশ্চল-নিথর হয়ে পড়ল।

    চাঁদ আর আগের মতো কাঁপতে কাঁপতে আকাশপথে হেঁটে বেড়াচ্ছে না, বজ্রের অপমৃত্যু ঘটল, বিদ্যুৎ থমকে গিয়ে আর চমকাতে পারল না, মেঘের দল গতি হারিয়ে নিশ্চল হয়ে আকাশের গায়ে অলসভাবে ঝুলতে লাগল। একটু আগে ফুলে ফেঁপে থাকা জলরাশি আবার নেমে গিয়ে স্বাভাবিক হয়ে গেল, সুউচ্চ গাছগুলো আর দাপাদাপি করছে না, লতানো গাছের ফুলগুলো দীর্ঘশ্বাস ছাড়া বন্ধ করে দিয়েছে আর অন্তহীন মরুপ্রান্তরে সামান্যতম শব্দও হচ্ছে না।

    আমি আবার ঘাড় ঘুরিয়ে পাহাড়ের গায়ে খোদিত অক্ষরগুলোর দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করলাম। নিঃসঙ্গতা শব্দটাকে খুঁজে পাওয়ার জন্য বার বার চেষ্টা করতে লাগলাম। হতাশই হতে হলো আমাকে। আগেকার সে অক্ষরগুলো যেন কোথায় হারিয়ে গেছে। আর সে জায়গাটা দখল করেছে কয়েকটা নতুন অক্ষর। নতুন একটা শব্দ আমার চোখের সামনে ফুটে উঠল–‘নৈঃশব্দ। অবাক না হয়ে পারলাম না।

    আমি আবার মুখ তুলে পাহাড়ের ওপরে অবস্থানরত লোকটার দিকে তাকালাম। তার মুখের ওপর আমার দৃষ্টি নিবদ্ধ হল। লক্ষ্য করলাম, আকস্মিক আতঙ্কে তার মুখটা যেন চকের মতো ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।

    তার দিকে আমার চোখ পড়তেই সে অতর্কিতে সচকিত হয়ে পড়ল। যন্ত্রচালিতের মতো হাতের ওপর থেকে মাথাটাকে তুলে নিল। তেমনি ব্যস্ততার সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে পড়ল। কিন্তু সুবিস্তীর্ণ মরু অঞ্চলগুলোয় কোনো শব্দই নেই।নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে মরুভূমির বুকে। আর? আর পাহাড়ের গায়ে খোদাই করা শব্দ-নৈঃশব্দ’।

    লোকটা সচকিত হয়ে পড়ল। তার সর্বাঙ্গে অবর্ণনীয় শিহরণ জেগে উঠল। অনবরত থর থরিয়ে কাঁপতে লাগল। ঘাড় ঘুরিয়ে বার কয়েক এদিক-ওদিক তাকাল। তারপর ব্যস্ত পায়ে এগিয়ে চলল। হাঁটতে লাগল। ঘাড় ঘুরিয়ে বার কয়েক এদিক ওদিক তাকাল। তারপর ব্যস্ত পায়ে এগিয়ে চলল। হাঁটতে হাঁটতে দূরে, বহু দূরে চলে গেল। এক সময় সে একেবারে আমার দৃষ্টির বাইরে চলে গেল। তাকে আর এক মুহূর্তের জন্যও দেখতে পেলাম না।

    ম্যাগির বইটা আসলেই খুব ভালো। তার বইতে অনেক ভালো ভালো গল্প আছে। তার লোহা-বাঁধানো বিষণ্ণ বইটার গল্পগুলোর কথা বলছি। সত্যি গল্পগুলো ভালো। আমি সে-সব গল্প মনোযোগ দিয়ে পড়েছি। আমি বলছি, তাতে লেখা আছে আকাশের গল্প, পৃথিবীর গল্প আর মহাসাগরের গৌরবময় ইতিকথা–আর আছে সেসব জিনদের গল্প যারা সমুদ্র, পৃথিবী আর আকাশকে শোষণ করত।

    সাইবিলসও বহু কাহিনী–গল্প বলে গেছেন। প্রাচীন পুঁথিপত্রের পাতায় পাতায় বহু ভালো ভালো কথা লেখা আছে। কিন্তু আল্লাহর কৃপায়, সমাধির গায়ে বসে দৈত্য। আমাকে যে গল্পটা বলেছিল সেটাকেই আমি সবচেয়ে অদ্ভুত ও আশ্চর্য মনে করছি।

    গল্পটা শেষ করে দৈত্য উঠে আবার কবরের মুখের কাছে গেল। সরবে হেসে উঠল।

    আমি কিন্তু তার সঙ্গে গলা মিলিয়ে হাসতে পারলাম না। আর এরই জন্য দৈত্য ক্রোধে ফুঁসতে লাগল। আমাকে অভিশাপ দিল। আর ভামটা এতদিন কবরে গর্ত খুঁড়ে বাস করত সে হুড়মুড় করে গর্ত থেকে বেরিয়ে এলো। তারপর ছুটতে ছুটতে এগিয়ে গিয়ে দৈত্যের পায়ের কাছে টান টান হয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর নিষ্পলক চোখে তার মুখের দিকে চেয়ে রইল। নিশ্চল নিথর তার দৃষ্টি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅস্কার ওয়াইল্ড গল্পসমগ্র – অনুবাদ : সুনীলকুমার ঘোষ
    Next Article মাইন ক্যাম্ফ – অ্যাডলফ হিটলার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }