Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডগার অ্যালান পো রচনাসমগ্র / অনুবাদ : জাকির শামীম

    লেখক এক পাতা গল্প1512 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লিওনাইসিং

    আমি?

    আমি একজন, মানে আমি ছিলাম, মহামানব।

    তবে আমি কিন্তু জুলিয়াস নামক গ্রন্থের রচয়িতা নই, আবার আমি একজন মুখোশধারীও নই। কেন? কারণ এটাই যে, আমার নাম রবাট জোন্স।

    আর আমার জন্মস্থল? ফু-ফুজ নগরের কোনো একস্থানে আমি জন্মগ্রহণ করেছিলাম। অতএব সে স্থানটাকেই তো আমার জন্মস্থান বলে ধরতে হবে।

    আমি জীবনে যত কাজ করেছি তার মধ্যে প্রথম ও সবচেয়ে বড় কাজটার কথা বলছি, সে কাজটা হচ্ছে, নিজের নাকটাকে দুহাত দিয়ে চেপে ধরে রাখা।

    আমার নাক চেপে ধরার কাজ দেখে আমার মা বলতেন, আমি বাস্তবিকই একটা প্রতিভা।

    আমার মায়ের কথা তো বললাম, এবার বলছি আমার বাবার কথা। আমাকে সর্বদা দুহাত দিয়ে নাকটা চেপে ধরে রাখতে দেখে আমার বাবা আনন্দ উচ্ছ্বাসে চোখের পানি ঝরাতে ঝরাতে একটা নসলজি বই উপহারস্বরূপ দিয়েছিলেন।

    আমার যখন জাঙ্গিয়া পরার বয়স হয়নি তখনই আমি সে বিদ্যা; অভ্যাসও বা চলে আমি রপ্ত করে নেই।

    এদিকে বিজ্ঞানচর্চা অব্যাহতই রইল। আমি কদিনের মধ্যেই নাকের ব্যাপারটা সম্বন্ধে ধারণা করে নিতে পারলাম। আমি বুঝতে পারলাম, খুব খাড়া আর চোখা একটা নাকের মালিক হলে তার জন্যই কোনো একজন সিংহের মর্যাদায় উন্নীত হয়ে যেতে পারবে, অর্থাৎ পশুরাজের সমান মর্যাদার অধিকারী হতে সক্ষম হবে।

    তবে এও খুবই সত্য যে, আমার মনোযোগ কেবলমাত্র বইপত্রের জ্ঞানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকল না।

    আমি অধিবিদ্যাকে কাজে লাগাতে এতটুকুও ত্রুটি রাখিনি। প্রতিদিন সকালে দু-দুবার করে আমার লম্বা নাকের ডগাটাকে আচ্ছা করে টেনে দিতে আরম্ভ করলাম। শুধু কি এই? নাকের ডগাটাকে টানার সঙ্গে সঙ্গে প্রতি সকালে দু ঢোক করে মদ উদরস্থ করতে লাগলাম।

    এভাবে আমার দিন কাটতে লাগল।

    বয়স বাড়তে বাড়তে এক সময় বড় হলাম, মানে একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষে পরিণত হলাম।

    আমি বড় হলে একদিন বাবা আমাকে ডাকলেন। আমি তার কাছে যেতেই তিনি আমাকে নিয়ে তার পড়ার ঘরে গেলেন।

    আমি তার সঙ্গে পড়ার ঘরে হাজির হলে, উভয়ে মুখোমুখি চেয়ারে বসলাম।

    বাবা তার চেয়ারটা টেনে বসতে বসতে আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, বাছা, তোমার কাছ থেকে একটা কথা শোনার জন্য এখানে নিয়ে এখানে তোমাকে এখানে নিয়ে এসেছি।

    আমি বললাম বলুন–কি জানতে চাইছেন?

    তোমার জীবনের প্রধান লক্ষ্য কী?

    আমি তার প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে বললাম–নসলজি।

    নসলজি?

    হ্যাঁ।

    নসলজিটা কী রবার্ট?

    না, নসলজি, মানে নাসিকা-বিজ্ঞান

    আমি আর একটা কথা তোমার কাছ থেকে জানতে চাইছি।

    বলুন, আপনার এবারের জিজ্ঞাস্য কী?

    বল তো, নাক বলতে কী বোঝায়?

    শুনুন বাবা, প্রায় হাজার খানেক লেখক নাকের আলাদা আলাদা সংজ্ঞার অবতারণা করেছেন।

    কথা বলতে বলতে আমি কোটের পকেট থেকে ঘড়িটা বের করে একবার চোখ বুলিয়ে নিলাম। তারপর আবার বলতে আরম্ভ করলাম এখন দুপুর বা তার কাছাকাছি।

    আমার বাবা প্রায় অস্ফুট উচ্চারণ করলেন হুম।

    আমি পূর্ব প্রসঙ্গের জের টেনে বললাম–এখন প্রায় দুপুর। এখন যদি আমি সব লেখকের সংজ্ঞা এক-এক করে বলতে শুরু করি তবে রাত দুপুর হয়ে যাবে।

    হুম।

    শুনুন তবে, লেখক বার্থোলিনাস যা বলেছেন তা হচ্ছে, নাক হচ্ছে মুখের সে স্ফীত অংশ, সে আঁব, সে অতিকায় আঁচিল আর সে

    আমার বাবা থামিয়ে দিয়ে বললেন–থাক, থাক। রবার্ট, আর বলতে হবে না, ঢের হয়েছে। তোমার জ্ঞানের গভীরতার পরিচয় পেয়ে আমি স্তম্ভিত। মাথায় বাজ পড়ার জোগাড়। আমার বুকের ভেতরে ঢিবঢিবানি শুরু হয়ে গেছে।

    কথা বলতে বলতে তিনি বুকের ওপর হাত দুটো রেখে চোখ দুটো বন্ধ করলেন। তারপর আবার মুখ খুললেন–

    এসো, চলে এসো।

    পরমুহূর্তেই তিনি খপ করে আমার হাত দুটো চেপে ধরে বললেন–শোন, আমি মনে করছি, তোমার শিক্ষালাভ সমাপ্ত হয়েছে। তোমাকে এবার নিজের রাস্তা বেছে। নিতে হবে। আমি জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে বাবার মুখের দিকে তাকালাম।

    তিনি পূর্ব প্রসঙ্গের জের টেনে বলতে লাগলেন–তোমাকে নিজের পথ দেখতে হবে। নাক বরাবর এগিয়ে যাওয়া ছাড়া তোমার অন্য কোনো গতি নেই।

    আমি সবিস্ময়ে তার দিকে তাকালাম। কিছু বলার জন্য সবে মুখ খুলতে যাব, কিন্তু আমাকে সে সুযোগ না দিয়েই তিনিই তোতলাতে আরম্ভ করলেন–তাই, তাই বলছি কী, বলছি কী, কথা বলতে বলতে তিনি আমাকে এক লাথি মেরে সিঁড়ি থেকে একেবারে বাইরে বের করে দিলেন। তিনি তর্জন-গর্জন করতে করতে বললেন অতএব হতচ্ছাড়া! বেরিয়ে যাও; পরম পিতা তোমার সহায় হোন!

    আমি এবার লাথির চোটে সিঁড়ি দিয়ে গড়াতে গড়াতে একেবারে শেষ ধাপটা অতিক্রম করে তবে নামতে পারলাম।

    ঠিক তখনই আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে পরমপিতার প্রত্যাদেশ পেলাম।

    এ আকস্মিক দুর্ঘটনাটাই আমার কাছে অভিসম্পাত থেকে আশীর্বাদস্বরূপ হয়ে দাঁড়াল।

    আমি সিঁড়ির কাছে বসেই মনস্থির করে বসলাম, বাবারনিদের্শ মাথা পেতে নিয়েই কাজ করব। হ্যাঁ, আমি নাক বরাবরই এগিয়ে যাব। সেখানে দাঁড়িয়েই আমি হাত দিয়ে বার দুই নাকটাকে টানলাম।

    ব্যস, আর দেরি না করে আমি কাগজ-কলম নিয়ে বসে পড়লাম। নাসিকা-বিজ্ঞান সম্বন্ধে একটা বই লিখে ফেললাম।

    আমার লিখিত বইটকে নিয়ে সারা ফু-ফুজ নগরে রীতিমত হৈ হৈ রৈ রৈ কাণ্ড শুরু হয়ে গেল।

    খবরের কাগজগুলোও ব্যাপারটাকে নিয়ে মাতামাতি জুড়ে দিল।

    কোয়ার্টারলি পত্রিকার পাতায় ছাপা হল–কী আশ্চর্য প্রতিভা।

    ওয়েস্ট মিস্টার লিখল–উন্নত মানের শরীরতত্ত্ববিদ।

    ফরেনার পত্রিকা লিখল–সাহসি লোক সন্দেহ নেই।

    এডিনবরা পত্রিকার পাতায় ছাপা হল–ভালো, ভালো লেখক বটে!

    ডাবলিন পত্রিকা লিখল–গভীর চিন্তাশীল ব্যক্তি বটে।

    বেস্টলি পত্রিকা মন্তব্য করল মহামানব! মহামানব!

    ফ্রেজার পত্রিকার পাতায় ছাপা হলো ঈশ্বরপ্রেরিত মহামানব!

    ব্লাউড পত্রিকার পাতা ছাপা হল–আমাদেরই এক ব্যক্তি! মিসেস বাস-ব্লু মন্তব্য করল–কে? কে লোকটি? মিস ব্লাস ব্লু মন্তব্য করল–লোকটির পেশা কী?

    আমি কিন্তু এসব মন্তব্যে কর্ণপাতই করলাম না। আমি এ-ব্যাপারে কারো সঙ্গে কোনো কথা না বলে, কোনোরকম মন্তব্য না করেই এক শিল্পীর দোকানে ঢুকে। গেলাম।

    শিল্পীর স্টুডিওতে পা দিয়েই থমকে দাঁড়িয়ে পড়লাম। দেখলাম, দেশের আত্মসুখ ছাড়া কিছু বোঝে না এমন রাণী নিজের প্রতিকৃতি আঁকাবার জন্য শিল্পীর সামনে একটা চেয়ারে ঠায় বসে রয়েছেন।

    আর? আর রাণীরই কাছাকাছি অমুক দেশের জমিদার মশাই একটা চেয়ার দখল করে বসে। তার কোলে বসে রাণীর পোষা প্রিয় কুকুরটা কুঁৎ-কুঁৎ আওয়াজ করছে।

    এ দেশ ও দেশের বাবু সাহেবটি তার মুখোমুখি চেয়ারে বসে প্রভাব-প্রতিপত্তির সঙ্গে মৌজ করে গল্প জমিয়েছেন। আর দেশের রাজা মশাই রাণীর চেয়ারের কাছে, তার ওপর ঝুঁকে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।

    আমি দুপা এগিয়ে শিল্পীর কাছাকাছি, মুখোমুখি দাঁড়ালাম। তাঁর দিকে নাকটাকে বাড়িয়ে দিলাম।

    রাণী আমার নাকটার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখে সবিস্ময়ে বলে উঠলেন–চমৎকার! আহা, কী চমৎকার!

    জমিদার মশাই ফুসফুস নিঙড়ে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন–আহা! আহা!

    বাবু সাহেবটি প্রায় আর্তনাদ করে উঠলেন–উফ্! ভয়ানক! ভয়ানক!

    রাজা মশাইও মুখ বুজে থাকতে পারলেন না। তিনি মুখ বিকৃত করে উচ্চারণ করলেন–ইস্, ঘেন্নায় বাঁচি না!

    শিল্পী ঘাড় ঘুরিয়ে জিজ্ঞেস করলেন-এর জন্য কী পরিমাণ অর্থ নেব?

    রাণী গলা ছেড়ে বলে উঠলেন–নাক, নাকের জন্য!

    আমি একটা চেয়ার টেনে নিয়ে বসলাম। তারপর বললাম—

    এক হাজার পাউন্ড, কী বলেন?

    চমৎকার! চমৎকার! শিল্পী ভাবালুতকণ্ঠে বলে উঠলেন।

    এক হাজার পাউন্ড, কী বলেন? আমি আবারও বললাম। শিল্পী এবার আমার খাড়া ও চোখা নাকটাকে আলোর দিকে ফিরিয়ে ভালোভাবে দেখে নিয়ে বললেন– এক হাজার পাউন্ড? আপনি কথা দিচ্ছেন তো মশাই?

    আমি আচ্ছা করে নাকটাকে ঝেড়ে নিয়ে বললাম–হ্যাঁ, কথা দিচ্ছি এক হাজার পাউন্ড।

    শিল্পী নাকটার দিকে তার হাতটা বাড়িয়ে দিলেন। তারপর নাকটার গায়ে হাত বুলাতে বুলাতে বললেন–এটা পুরোপুরি আসল তো?

    আমি নাকটাকে একদিকে বাঁকিয়ে নিয়ে বলাম–হ্যাঁ।

    শিল্পী এবার চোখের সামনে অনুবীক্ষণ যন্ত্রটাকে ধরে, নাকটাকে এদিক ওদিক ঘুরিয়ে নিরীক্ষণ করে নিয়ে বলেন–একটা কথা–

    তাকে কথাটা শেষ করতে না দিয়েই আমি বলে উঠলাম–বলুন, কী জানতে চাইছেন?

    জানতে চাইছি, নাকটার কোনো অনুকৃতি নেই তো?

    অনুকৃতি?

    হ্যাঁ, কোনো অনুকৃতি নেই তো?

    ধুৎ ভাই! কি যে বলেন, একটাও না।

    শিল্পী এবার চোখ দুটো কপালে তুলে সবিস্ময়ে বলে উঠলেন–বাঃ! কী আশ্চর্য! কী আশ্চর্য!

    এক হাজার–এক হাজার পাউন্ড। আমি বললাম।

    এক হাজার পাউন্ড? শিল্পী বলল।

    হ্যাঁ, ঠিক তা-ই। এক হাজার পাউন্ড বটে।

    এক হাজার পাউন্ড? শিল্পী আবারও বললেন।

    হ্যাঁ, পুরোপুরি ঠিক। আমি তার কথার জবাবে বললাম।

    বহুৎ আচ্ছা! তা-ই পাবেন। কী আশ্চর্য! কী অভূতপূর্ব বিস্ময়কর কলাকৌশল!

    ব্যস, আর এক মুহূর্তও দেরি না করে শিল্পী দেরাজ থেকে একটা চেকবই বের করলেন। একটা পাতায় খসখস করে লিখে ফেললেন। এবার বই থেকে চেকটা ছিঁড়ে আমার হাতে তুলে দিলেন। তারপর ইজেলে সাঁটা ক্যাম্পাসের গায়ে আমার নাকের একটা রেখাচিত্র এঁকে নিলেন।

    আমি জেরমিন স্ট্রিটে একটা বাসা ভাড়া করলাম। তারপর নাসিকা-বিজ্ঞান-এর নিরানব্বইতম সংস্করণটাকে লোক মারফৎ রাণীর কাছে পাঠিয়ে দিলাম। কেবলমাত্র বইটাই নয়, সে সঙ্গে নাকের ডগার একটা প্রতিকৃতি পাঠাতেও ভুললাম না।

    ওয়েলসের যুবরাজের কাছ থেকে আমন্ত্রণ পেলাম। তিনি বিভিন্নভাবে অনুরোধ করে আমাকে একবারটি তার বাড়িতে যেতে বলেছেন।

    আমি যুবরাজের নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়ে তার বাড়ি হাজির হলাম। তার বৈঠকখানায় পা দিয়ে দেখলাম, বিভিন্ন দিক আর বহু দেশ থেকে মহা মহা পণ্ডিত ও জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিরা তার বৈটকখানায় জড়ো হয়েছেন।

    আমি উপস্থিত হবার পর গৃহকর্তা যুবরাজ সাদর অভ্যর্থনা করে আমাকে বসতে দিলেন। উপস্থিত জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিরা নিজ নিজ বিষয়ের ওপর জ্ঞানবুদ্ধি অনুযায়ী জ্ঞান-গম্ভীর রোমহর্ষক বক্তব্য পেশ করলেন।

    আর আমি? আমি নিজের কথা, নিজের কথা, নিজের কথা, আমার নাসিকা বিজ্ঞানে আলোচিত বিষয়ের কথা আমার নিজের মতামত আর বইয়ের বক্তব্য।

    তারপর আমার খাড়া ও চোখা নাকটাকে উঁচিয়ে আমি আবারও আমার নিজের বক্তব্যই বহুবার, বহুভাবে ব্যক্ত করলাম।

    যুবরাজ উচ্ছ্বসিত আবেগে সঙ্গে বলে উঠলেন–আশ্চর্য পণ্ডিত ও বিচক্ষণ মানুষ বটে।

    বাঃ! চমৎকার! চমৎকার! উপস্থিত অতিথি-অভ্যাগতরা সমস্বরে বলে উঠলেন।

    নিজের সুখ-ভোগ ছাড়া বোঝেন না এমন চরিত্রের রাণী পরদিন আমার বাসার দরজার এলেন। উদ্দেশ্য, আমার সঙ্গে দেখা করে কথাবার্তা বলবেন।

    আমি সাদর অভ্যর্থনার সঙ্গে রাণীকে বসতে দিলাম। লক্ষ্য করলাম, রানি ভাবাবেগে আপ্লুত।

    এক সময় তিনি চেয়ার ছেড়ে উঠে এলেন। মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমার থুতনিতে আলতোভাবে একটা টোকা দিয়ে আবেগ মধুর স্বরে বলে উঠলেন–ওহে সুন্দর যুবা পুরুষ, আমার একটা অনুরোধ রাখবে?

    আমি জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তার মুখের দিকে তাকালাম। তিনি বললেন–তুমি কী একবারটি আলমাক-এ যাবে? আমি বললাম–যাব, অবশ্যই যাব।

    তিনি উচ্ছ্বাস চেপে রাখতে না পেরে প্রায় লাফিয়ে উঠে বললেন– ওগো সুন্দর, যাবে–তুমি যাবে?

    যাব, অবশ্যই যাব।

    যাবে? ওই নাকটাসহ যাবে তো?

    আমি সঙ্গে সঙ্গে জবাব দিলাম–ঠিক যেমন আছি, সে ভাবেই যাব।

    কথা দিচ্ছ?

    হ্যাঁ, কথা দিলাম।

    তবে এই আমার কার্ড ধর।

    আমি হাত বাড়িয়ে তার কাছ থেকে কার্ডটা নিলাম।

    রাণী এবার তার আয়ত চোখ দুটো তুলে আমার নাকটার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে বললেন–ওগো সুন্দর, আমি কি তবে বলতে পারি তুমি যাবে?

    মাননীয়া রাণী, আমি কথা দিচ্ছি, আমি সারা অন্তর নিয়ে সেখানে উপস্থিত হব।

    আরে না না, সেটি হচ্ছে না।

    আমি বিস্ময় বিস্ফারিত চোখে তার মুখের দিকে তাকালাম।

    তিনি পূর্ব প্রসঙ্গের জের টেনে বললেন–না সুন্দর, সারা অন্তর নিয়ে গেলে তো চলবে না।

    তবে?

    তোমাকে যেতে হবে সম্পূর্ণ নাক নিয়ে, বুঝলে সুন্দর?

    প্রিয়তমা আমার, কথা দিচ্ছি, নাকের প্রতিটা অংশ নিয়েই আমি সেখানে উপস্থিত হব।

    আমি নাকটাকে ধরে দু-একবার মোচড় দিয়েই আমাক-এ রাণী সাহেবের আমন্ত্রণ রক্ষা করতে তার বাড়ির সদর দরজায় হাজির হয়ে গেলাম।

    বাড়ির সদর দরজা থেকে শুরু করে বৈঠকখানা পর্যন্ত লোক গিজগিজ করছে। কার বাপের সাধ্য বৈঠকখানার দিকে এক পা এগোয়।

    বাড়ির সিঁড়ি থেকে একজন আমাকে দেখতে পেয়েই চেঁচিয়ে বলে উঠল–ওই, ওই যে, তিনি আসছেন। ওই, ওই তো, তিনি এসে গেছেন।

    তিনি এসে গেছেন, সিঁড়ির আর এক ধাপ উঠেই অন্য আর একজন গলা ছেড়ে বলে উঠল। তারও ওপরের ধাপ থেকে আর একজন চেঁচিয়ে উঠল–ওই তো তিনি এসে গেছেন। আসছেন নয়? এসেই গেছেন।

    এবার ভিড়ের মধ্য থেকে রানির উল্লাস-ধ্বনি শোনা গেল–এসেছে! ওই, ওই তো, আমার ভালোলাগা মানুষটা এসে গেছেন। ওই তো।

    রাণীর পরের কথাগুলো আর শোনা গেল না, সমবেত জনতার কণ্ঠস্বরে চাপা পড়ে গেল।

    রাণী এবার ভিড় ঠেলে উভ্রান্তের মতো এগিয়ে এসে আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে ভাবাবেগে আপ্লুত হয়ে আমার খাড়া চোখা নাকটায় পর পর তিনবার চুমু খেলেন। আমাকে সাধ্যমত দৃঢ়ভাবে জড়িয়ে ধরে নিজের বুকের সঙ্গে প্রায় লেপ্টে নিয়ে আবেগ মধুর স্বরে বলতে লাগলে আমার মনের মানুষ, প্রিয়তম আমার!

    ব্যস, এবার হৈ হট্টগোল আরও অনেকাংশে বেড়ে গেল। এক একজন গলা ছেড়ে নানারকম মন্তব্য করতে লাগল। মন্তব্য বলতে কটুক্তি। পি, পি আর পি না।

    শেষপর্যন্ত পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেল যে, ব্লাডনলারের নির্বাচক পর্যন্ত সংযত থাকতে পারল না। নিজেকে সামলে রাখতে না পেরে অশ্লীল অশ্রাব্য ভাষায় আমাকে গালমন্দ করতেও দ্বিধা করল না।

    আমার পক্ষে সহ্য করা সম্ভব হলো না। সহ্যের বাঁধ ভেঙে গেল। রেগে একেবারে অগ্নিশর্মা হয়ে গেলাম। চিৎকার চ্যাঁচামেচি জুড়ে দিলাম।

    পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে চলে গেল যে, নিজেকে সামলে রাখাই আমার পক্ষে দায় হয়ে পড়ল। ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমি ব্লাডেনাফ-এর নির্বাচকের দিকে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে গেলাম। ক্রোধে কাঁপতে কাঁপতে তর্জন গর্জন শুরু করলাম–দ্যুৎ ভাই! আপনি একটা অপদার্থ! একটা বাঁদর ছাড়া আপনাকে সম্বোধন করা যায় না।

    শেষমেশ যা হবার তাই হলো। আমরা উভয়ে পরস্পরের মধ্যে কার্ড বিনিময়। করলাম। কারো পক্ষেই ক্রোধ সম্বরণ করা সম্ভব হলো না। উভয়ের মাথায়ই খুন চেপেই রইল।

    স্থির হল, পরের সকালে চক-গোলাবাড়িতে আমরা পরস্পরের মুখোমুখি হব। সেখানেই আমাদের মোকাবেলা হবে। আমরা পরস্পরের প্রতি গায়ের ঝাল মিটিয়ে। ছাড়ব; মোদ্দা কথা, বদলা নেব।

    পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা পরস্পরের প্রতি প্রতিশোধ নেবার উদ্দেশ্যে রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে চক গোলাবাড়িতে হাজির হলাম।

    আমি তার মুখোমুখি হওয়ামাত্র এমন মোক্ষম এক ঘুষি মারলাম, যার ফলে তার নাকটা থেঁতলে গেল। উচিত শিক্ষা দেওয়া যাকে বলে।

    চক গোলাবাড়ি থেকে বেরিয়ে আমি বন্ধুদের কাছে হাজির হলাম।

    আমাকে দেখেই প্রথম বন্ধু বলে উঠল–আহাম্মক কাঁহাকার।

    দ্বিতীয় বন্ধু বলল–বোকা! নিরেট বোকা!

    তৃতীয় বন্ধু বলল–একটা আস্ত অপদার্থ!

    চতুর্থ বন্ধু বলল–গাধা! গাধা কোথাকার!

    পঞ্চম বন্ধু রাগে গম গম করতে করতে বলল–একটা ক্যাবলা!

    ষষ্ঠ বন্ধু বলল–মাথায় গোবর ভর্তি!

    সপ্তম বন্ধু গর্জে উঠল–দূর হয়ে যা!

    বন্ধুদের কথাগুলো শুনে রীতিমত থ বনে গেলাম। মর্মাহতও কম হলাম না। আমি রীতিমত মুষড়ে পড়লাম।

    মনমরা হয়ে আমি গুটিগুটি বাবার কাছে হাজির হলাম। আমাকে গোমড়া মুখে সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বাবা বেশ নরম সুরেই বললেন–কী বুঝলে বাছা?

    আমি জিজ্ঞাসু দৃষ্টি মেলে ফ্যা ফ্যাল করে তার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম।

    আমাকে নীরব দেখে তিনি এবার ম্লান হেসে বললেন–শোন বাবা, নাসিকা বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা ও জ্ঞানার্জনই এখনও তোমার জীবনের লক্ষ্য।

    হুম! আমি প্রায় অস্ফুট উচ্চারণ করলাম।

    বাবা এবার একটু বেশ রাগত স্বরেই বললেন–কিন্তু তুমি নির্বাচকের নাকে আঘাতের মাধ্যমে তোমার জীবনের লক্ষ্যকে ছাড়িয়ে গেছ।

    আমি নীরব চাহনি ঠেলে ফ্যাল ফ্যাল করে তার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম।

    তিনি বলে চললেন–আমি স্বীকার করছি, তোমার একটা চমৎকার নাক আছে। কিন্তু ব্লাডেননাফ-এর কথাটা একবার ভেবে দেখ তো, তার তো নাক বলে কোনো বস্তুই নেই। তার নাকটা কী দাঁড়াল? সবাই তোমার কাজের জন্য সমস্বরে ছিঃ! ছিঃ! করল। আর ব্লাডেননাফ দুম করে আজকের নায়ক বনে গেল, ঠিক কি না?

    হুম!

    তিনি এবার বললেন- বাছা, আমি স্বীকার করছি, ফু-ফুজ নগরে একটা সিংহের শ্রেষ্ঠত্বও মহত্বের বিচারের মাপকাঠি হচ্ছে তার নাক। অর্থাৎ তার নাকটা কতখানি খাড়া আর চোখা তাই হচ্ছে বিচারের মাপকাঠি,হায় ভগবান!

    আমি কি বলব সহসা স্থির করতে না পেরে মুখে কুলুপ এঁটেই দাঁড়িয়ে রইলাম।

    বাবা পূর্বপ্রসঙ্গের জের টেনে বললেন–শোন বাছা, আমি বলতে চাইছি, যে সিংহের নাকই নেই তার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামা চলে কী?

    আমি তার মুখের দিকে বোকার মতো ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে রইলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅস্কার ওয়াইল্ড গল্পসমগ্র – অনুবাদ : সুনীলকুমার ঘোষ
    Next Article মাইন ক্যাম্ফ – অ্যাডলফ হিটলার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }