Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডগার অ্যালান পো রচনাসমগ্র / অনুবাদ : জাকির শামীম

    লেখক এক পাতা গল্প1512 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এ টেল অব জেরুজালেম

    ৩৯৪১ বিশ্বাব্দ!

    সে বছরেরই তামুজা মাসের দশ তারিখে আবেশ ফিস্তি বুজি-বেন-লেভি আর ফ্যারিসীয় সাইমিয়নকে বলল–চল, আমরা যতশীঘ্র সম্ভব এখান থেকে কেটে পড়ি।

    চোখে-মুখে জিজ্ঞাসার ছাপ এঁকে বুজি-বেন-লেভি আর ফ্যারিসীয় সাইমিয়ন সমস্বরে বলে উঠল– কোথায়? কোথায় কেটে পড়তে চাইছ?

    বৈনামিন সদর দরজার গায়ের দুর্গপ্রাকারে। সেখানে ডেভিড শাসনাধীন। আর সেখান থেকে কায়েরদের শিবির অদূরে দেখাও যায়। এটাই সূর্যোদয়ের মুহূর্ত–চতুর্থ প্রহরের শেষ ঘণ্ট। পৌত্তলিকরা পম্পের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে অবশ্যই আমাদের জন্য কুরবানির ভেড়া নিয়ে অধীর অপেক্ষায় প্রতিটা প্রহর কাটাচ্ছে।

    বুজি-বেন-লেভি, সাইমিয়ান, আবেশ আর ফিস্তিম তিনজনই সুপবিত্র শহর জেরুজালেমের কুরবানির উপ-সংগ্রহে নিযুক্ত।

    এবার ফ্যারিসীয় বলল–আর এক মুহূর্তও দেরি করা মোটেই সমিচিন নয় বলেই আমি মনে করছি। চল, যতশীঘ্র সম্ভব এ জায়গা ছেড়ে চল। কারণ, উদারচেতা নয় বলে এ-পৌত্তলিকদের অখ্যাতি রয়েছে।

    হুম্! বুজি-বেন-লেভি প্রায় অক্ষু স্বরে উচ্চারণ করল।

    ফ্যারিসীয় বলে চলল–আর জানোই তো বাস-পূজারীদের পক্ষে তো চপল মতিত্ব অবশ্যই বিশেষ একটা গুণ বলে গণ্য হয়।

    তারা চপলমতিই কেবল নয়, বিশ্বাসঘাতকও বটে।

    তবে?

    তবে তারা কেবলমাত্র এডোনাইয়ের লোকদের ব্যাপারেই তারা বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিয়ে থকে। এমোনটারা সেনিজেদের স্বার্থের ব্যাপারে সদা সতর্ক নয় এমন কথা কে, কবে শুনেছে বলতে পার?

    বটে!

    আমার কিন্তু দৃঢ় বিশ্বাস, আমাদের হাতে গোটা কয়েক ভেড়া আল্লাতাল্লার বেদির জন্য তুলে দিয়ে আর প্রতিটা মাথার বিনিময়ে ত্রিশ সেকেল রোজগার করে। নেওয়াটাকে উদার মনোভাবের পরিচায়ক বলে মনে করা যেতে পারে কি?

    বেন লেভি, তোমার কিন্তু ভুল হচ্ছে, মানে তুমি ভুলে যাচ্ছ এভাবে আল্লাতালার বেদির জন্য খরিদ করা ভেড়াগুলোকে আমাদের পেটের জ্বালা নেভানোর কাজে ব্যবহার করব না, তার কোনো নিশ্চয়তা কিন্তু আমাদের দিক থেকে রোমক পস্পেকে দেওয়া হয়নি, ঠিক কি না?

    হ্যাঁ, তা অবশ্য ঠিকই।

    এবার ফ্যারিসীয় গলাছেড়ে চেঁচিয়ে উঠল–আমার কথা শোন, মোল্লা হিসেবে যে আমার পক্ষে দাড়ি-গোঁফ কামানো নিষিদ্ধ তার পাঁচটা কোন্টের দোহাই।

    একটু নীরবতার মধ্য দিয়ে কাটিয়ে সে আবার বলল–তবে কি আমরা সে বিশেষ দিনটার অপেক্ষায়ই বেঁচে রয়েছি, রোমের এক পাপাত্মা নরাধম, পৌত্তলিক বাদশা যেদিন হঠাৎই আমাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করে বসবে যে, সে সব পবিত্র বস্তুকে আমরানিজেদের দেহের ক্ষিদে, পেটের জ্বালা নেভানোর জন্য আত্মসাৎ করব? সেদিনটার অপেক্ষাই কি আমরা পৃথিবীতে টিকে রয়েছি, যেদিন

    তাকে কথাটা শেষ করতে না দিয়েই আবেশ কিস্তিম বলে উঠল-থাক, আর বলতে হবে না, বুঝতে পেরেছি। আমার কথা শোন, আমরা ফিলিস্তিমির অভিপ্রায়ের ব্যাপারে একটাও প্রশ্ন করব না, কোনো প্রশ্নই না।

    সে না হয় বুঝলাম, কিন্তু কারণটা জানতে পারি কী?

    হ্যাঁ, কারণ তো অবশ্যই কিছু না কিছু আছে।

    কী সে কারণ?

    কারণটা হচ্ছে, আমরা তার লিলা বা উদারতার দ্বারা আজই প্রথম লাভবান হচ্ছি না।

    বুঝলাম।

    যাক, পা চালাও। আমরা দ্রুত পা চালিয়ে হেঁটে যত শীঘ্র সম্ভব মসজিদের কাছে পৌঁছে যাই। যাতে সে মসজিদটার জন্য প্রয়োজনীয় ভোজ্যদ্রব্যের অভাব না ঘটে। যার জ্বলন্ত আগুনের লেলিহান শিখা আকাশ থেকে বৃষ্টি দিয়ে নেভানোর ক্ষমতা রাখে না। কোনো ঝড় ঝাঁপটা যার ধোঁয়ার কুণ্ডলিকে স্থানচ্যুত করে দিতে পারে না।

    নগরের যেখানে আমাদের উপযুক্ত গিকারিমটা গিয়ে দাঁড়াল, সে স্থানটার সঙ্গে দোণ্ড প্রতাপশালী স্থাপিত রাজা ডেভিডের নাম জড়িত রয়েছে, তাকেই জেরুজালেমের সবচেয়ে সুরক্ষিত ও নিরাপদ অঞ্চল মনে করা হয়।

    তাই বুঝি? এ রকমটা মনে করার কারণ কী বল তো?

    হ্যাঁ, কারণ তো অবশ্যই আছে। যাক, কারণটা বলছি, তবে ধৈর্য ধরে শোন কারণ, জায়গাটা অনেক উঁচুতে অবস্থিত, আর তার অবস্থান খাড়া জিরম পাহাড়টার শীর্ষদেশে। এখানে পাথর খোদাই করে করে গভীর পরিখা তৈরি করা হয়েছে। তারপর সেটাকে আরও খোদাই করে অধিকতর সুরক্ষিত করে তোলা হয়েছে। তার ভেতরের মালের ওপর সোজা ও লম্বা প্রাচীর গেঁথে। আর সেটার উচ্চতাও অবশ্যই লক্ষণীয়, যার ফলে নিরাপত্তার ব্যবস্থা অধিকতর জোরদার হয়ে উঠেছে। শুধু কী এই? শ্বেতপাথরের বেশ কয়েকটা চৌকোনা গম্বুজ তৈরি করে সে প্রাচীরটার মাঝে মাঝে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে কম উচচতাবিশিষ্ট গম্বুজটার উচ্চতা ষাট হাত আর সবচেয়ে উঁচুটা একশো বিশ হাত। সব জেরুজালেমের সবচেয়ে উঁচু গম্বুজটার নাম এডম-বেজেক।

    সাইমিয়ন তার সঙ্গি সাথীদের নিয়ে যখন এডুমি-বেজেক গম্বুজটার শীর্ষদেশে উপস্থিত হলো তখন তারা যে উচ্চতম স্থানটা থেকে নিচে অবস্থানরত শত্ৰু ছাউনিগুলোর দিকে দৃষ্টিনিক্ষেপ করতে আরম্ভ করল, সেটার উচ্চতা কিয়সের পিরামিডের চেয়ে অনেক অনেক ফুট ওপরে অবস্থিত, আর বেলুস মন্দিরটার চেয়ে ফুট কয়েক বেশি উঁচু। অতএব সেটার উচ্চতা সম্বন্ধে অনায়াসেই ধারণা করে নেওয়া সম্ভব।

    নিচের দিকে তাকালে মাথা ঘুরে-যাওয়া উচ্চতা থেকে নিচে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখে ফ্যারীসয় চাপা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল–হ্যাঁ, কথাটা খুবই সত্য যে, কাফেররা তো এক-একজন সমুদ্র উপকূলের এক-একটা বালির কন্টার সমতুল্য। অন্যভাবে বললে, সুবিশাল প্রান্তরে পঙ্গপাল যেমন অবস্থান করে ঠিক তেমনি তারাও হাজারে হাজারে লাখে-লাখে ছড়িয়ে রয়েছে। বর্তমানে রাজার উপত্যকা তো আর রাজার নিজের উপত্যকা নেই।

    এ কী কথা! রাজার উপত্যকা তবে এখন কাদের?

    আরে কথাটা অবাক হবার মতো শোনালেও খুবই সত্য।

    ভালো কথা, রাজার উপত্যকা এখন কাদের দখলে গেছে?

    এডমিন-এর উপত্যকায় পরিণত হয়ে গেছে।

    তার কথা শেষ হতে-না-হতেই একজন যুদ্ধের সাজে সজ্জিত রোম সৈন্যের গলা শোনা গেল। সে রীতিমত কর্কশ ও হেঁড়ে গলায় চেঁচিয়ে বলতে লাগল–রৌপ্য সেকালের ঝুড়ি, এখনও ওপরে রেখে দিয়েছ কেন?

    তার কথার কোনো উত্তরই কেউ দিল না।

    সে আবার একই সরবে চেঁচিয়ে বলল–ওই রৌপ্য সেকেলের ঝুড়িটাকে নিচে, এখানে নামিয়ে নিয়ে এসো।

    মুহূর্তের জন্য থেকে কোনো উত্তর তার উদ্দেশ্যে ভেসে আসে কিনা লক্ষ করে নিয়ে রোমক সৈন্যটা পূর্বপ্রসঙ্গে জের টেনে আবার বলতে আরম্ভ করল রোমক মহাপুরুষ যে মুদ্রার নাম উচ্চারণ করতে গিয়ে ভিরমি খাওয়ার যোগাড় হয়েছিলেন, চোয়াল বেঁকে যাওয়ার জো সে অভিশপ্ত মুদ্রাগুলোসমেত ঝুড়িটাকে ওপর থেকে এখানে নামিয়ে নিয়ে এসো। তোমাদের আচরণে আমি স্তম্ভিত হচ্ছি। আমাদের প্রভু পম্পেসুসের অনুগ্রহের প্রতিদান কি তোমরা এমনভাবেই দিতে চাচ্ছ? ভুলে যেও না আমাদের প্রভু যে অসীম কৃপাবশত তোমাদের পৌত্তলিক প্রার্থনা অনুষ্ঠানে যোগদান করতে এবং প্রার্থনা শুনতে সম্মত হয়েছেন, তার বিনিময়ে তোমরা এভাবেই কৃতজ্ঞতা জানাতে উৎসাহি?

    মুহূর্তের জন্য থেমে একটু দম নিয়ে সে আবার মুখ খুলল–শোন, এখন যা বলছি মন দিয়ে শোন–সত্যিকারের দেবতা ফিবুস এক ঘণ্টা রথে চেপে। পূর্ব আকাশে সূর্যদেব উঁকি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দূর্গ-প্রাকারে জড়ো হওয়া কি তোমাদের উচিত ছিল না? ঈডিপোল! তোমাদের আচরণে আমি যারপরনাই অবাক না হয়ে পারছি না। একটা কথা, তোমাদের কি ধারণা পৃথিবীবাসী কুকুরগুলোর সঙ্গে আদান প্রদান চালাবার জন্য প্রত্যেক কুকুর শালার ভাঙ বেড়ার গালে মু থুবড়ে পড়ে থাকা ছাড়া তোমাদের কি আর কোনোই করণীয় নেই? আমার তো মনে হচ্ছে, এটাই সত্যি। কি হল, সবাই যে নীরবে হাত গুটিয়ে কাঠের পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে রইলে! যাও–ওই সেকেলে ঝুড়িটাকে নিচে নামিয়ে দাও। আমি তোমাদের বলছি, নামিয়ে দাও। আর একটা কথা, তোমাদের আজে-বাজে জিনিসগুলোর রং যেন লোভনীয় হয়, আর ওজনের দিকেও নজর রেখো, ঠিকঠাক থাকে যেন।

    এল এলোহিম! এল এলোহিম! আবেগ-উচ্ছ্বাসের সঙ্গে কথাটা পর পর দুবার উচ্চারণ করেই ফ্যারিসীয় সংজ্ঞা হারিয়ে ভূমিতে লুটিয়ে পড়ল। পরমুহূর্তেই সংজ্ঞাহীন আবস্থাতেই বার দুই কাতরে মন্দিরের দেওয়ালের গায়ে গিয়ে থামল।

    এলো এলোহিম! দেবতা জবুখ কে? কার কথা বলছে ওই পাপাত্মাটা! কে সে? তুমি বুঝি বেন লেভি, জেন্টিলদের গ্রন্থগুলো তো তুমি পড়েছ, ঠিক কি না? আর টেরাফিমদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছ। কিন্তু ওই পৌত্তলিক কী বলছে, বলতে পার? সে কি নেরুগালের সম্বন্ধে বলছে? তা যদি নাই হয় তবে কী আসিমাহ সম্বন্ধে। তা না হলে নির্ভজ অথবা টাটকির কথা। তা না হলে এড্রামালে? তা না হলে এনামালেক? তা না হলে সুকোথ বেনিথ? তা না হলে ড্রাগন? তা না হলে বেলিয়াল? তা না হলে বালপিওর? আর এদের কথা না-ই হয়ে থাকে তবে কি বলজিবাবের কথা বলছে?

    না, এদের কারো কথাই না। অবশ্যই এদের কথা বলতে চাইছে না। তবে খুবই সাবধান! সাবধান! করছ কী! দড়িটাকে আঙুলের ফাঁকে এত দ্রুত, এত বেশি পরিমাণে ছাড়ছ! কেন? অসুবিধা কি? অসুবিধা তো আছেই। দ্রুত নেমে আসা ঝুড়িটা যদি ওই মাথা বেরিয়ে থাকা পাথরগুলোর গায়ে ধাক্কা মারে তবেই সর্বনাশের চূড়ান্ত হয়ে যাবে। ঝুড়ির যাবতীয় পবিত্র মালপত্র দুম দুম করে নিচে পড়তে আরম্ভ করবে। এক সময় দেখা যাবে খালি আর ভাঙা ঝুড়িটা নিচে নেমে এসেছে।

    এক সময় নিচে অবস্থানরত জনসাধারণের মাঝখানে অতিকায় ও ভারী ঝুড়িটাকে নিচে নামিয়ে দেওয়া হলো। বেশ বড়সড় যন্ত্রপাতির সাহায্যে সেটাকে নিচে নামিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতির বুকে কুয়াশা এমন গাঢ় হয়ে জমেছিল যার জন্য গায়ে কাটা দেওয়া কাজকর্ম কারো পকেই দেখা সম্ভব হলো না। এতে সবার মনেই কিছু না কিছু আক্ষেপ তো থেকেই গেল।

    এক মিনিট দুমিনিট করে এসে আধঘণ্টা সময় পেরিয়ে গেল।

    ফ্যারিসীয় বহু নিচে অবস্থানরত স্থানে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখে কয়েক মুহূর্ত নীরবে দাঁড়িয়ে রইল।

    এক সময় চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফ্যারিসীয় বলল–এ যে দেখি বহু সময়ের ব্যাপার। আমাদের অনেক দেরি হয়ে যাবে। শেষপর্যন্ত কাঠোলিস আমাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করে দেবে দেখছি!

    তার কথা সমর্থন করে আবেল ফিত্তিম বলল–দেশে ফিরে আমাদের উপোষ করেই কাটাতে হবে দেখছি। পেটের ভাত যোগাড় করার কোনো সুযোগই থাকবে না। দাড়িতে আতর মাখা বন্ধ হয়ে যাবে, আর মন্দিরে গিয়ে সূক্ষ্ম বস্ত্র কোমরে জড়ানো পাটও ঘুচে যাবে। কী সমস্যার মুখোমুখিই যে আমাদের হতে হবে তা বে কিনারা পাচ্ছি না।

    বেন-লেভি এতক্ষণ নিজেকে কোনোরকমে সামলে সুমলে রেখেছিল। এখন আর নিজেকে সামলে রাখা তার পক্ষ সম্ভব হলো না। শেষপর্যন্ত সে গালমন্দই করে বসল এক্কেবারে যাচ্ছেতাই কাণ্ড শুরু হয়ে গেছে দেখছি! অপদার্থ, বিশ্ব বখাটে! তারা কি আমাদের মালকড়ি, মানে টাকা পয়সা হজম করে দেওয়ার ধান্ধায় আছে নাকি?

    আবেশ ফিত্তিম গম্ভীর মুখে প্রায় অস্ফুট স্বরে উচ্চারণ করল–হুম! বেন- লেভি থামল না, বলেই চলল মালকড়ি মেরে দেবার ধান্ধা যদি নাও থাকে, হায় পবিত্র মোজেস!

    কিছু সময় উত্তর্ণ হয়ে লক্ষ্য করে সে আবার মুখ খুলল–হায় পবিত্র মোজেস! তারা কি তবে গীর্জার শেঁকলগুলো ওজন করতে লেগে গেছে?

    ফ্যারিসীয় এবার আরনিজেকে সংযত রাখতে না পেরে শেষে গলা ছেড়ে চেঁচিয়ে উঠল–কী আশ্চর্য! কিছুই তো বুঝতে পারছি না। তারা শেষপর্যন্ত কোন্ ইঙ্গিত দিচ্ছে।–আর তুমি বুঝি বেন লেভি, –তুমিও টান?

    এবার গিজকরিম টানতে আরম্ভ করল। টানের চোটে ক্রমে গাঢ় হয়ে জমতে থাকা কুয়াশা ভেদ করে ভারী বোঝাটা এদিক-ওদিক দোল খেতে খেতে ওপরের দিকে উঠে যেতে লাগল।

    এক সময় এক ঘণ্টা পরে দড়িটার বিপরীত প্রান্তে কোনো একটা বস্তুকে দেখতে পাওয়া মাত্র বেন লেভি আচমকা সোল্লাসে চেঁচিয়ে উঠল।

    বুশোহ্ হে! বুশোহ্ হে! বুশোহ্ হে!

    বুশোহ্ হে! ইস্ কী লজ্জার কথা! কী লজ্জার কথা! কিন্তু এ যে দেখছি এঙ্গোড়ির বনাঞ্চল থেকে নিয়ে আসা একটা অতিকায় ভেড়া। আর এটা জোহসোকাটি উপত্যকার মতো লোমশ ভেড়া। ঘাড় কাৎ করে ভালোভাবে দেখে নিয়ে আবার একই স্বরে সে বলে উঠল–হ্যাঁ, সে রকম লোমশ ভেড়াই বটে না।

    তাকে কথাটা শেষ করতে না দিয়েই আবেশ ফিত্তিম বলে উঠল–আরে এটা তো বুড়ো ধাড়ি ভেড়া নয়, বাচ্চা একেবারেই কম বয়স। তার পায়ের ভাঁজ আর ঠোঁট বাঁকানোর রকম সকম দেখেই আমি নিঃসন্দেহ হতে পারছি–নিতান্তই একটা বাচ্চা ভেড়া।

    হুম্! ফ্যারিসীয় প্রায় অস্ফুট স্বরে উচ্চারণ করল। আবেশ ফিত্তিম পূর্ব প্রসঙ্গের জের টেনে বলে চলল–এরচোখ দুটো কী সুন্দর। একমাত্র পেক্টোরলের মুক্তার সঙ্গেই এর তুলনা চলতে পারে। না, ঠিক বলা হলো না। পেক্টোরালের মুক্তোর চেয়েও সুন্দর–অনেক বেশি সুন্দর। আর মাংসের সাদ অবশ্যই হেনের মধুর মতোই সুস্বাদু আর উপাদেয়ও বটে।

    ফ্যারিসীয় এবার আর নিজেকে সামলে রাখতে পারল না। সে বলল– এটাকে বালনের চারণভূমি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। যাক, যে কথা বলতে চাইছি– পৌত্তলিকরা কিন্তু আমাদের সঙ্গে খুবই ভালো ব্যবহার করেছে, অস্বীকার করতে পারব না।

    মুহূর্তকাল নীরব থকে ফ্যারিসীয় এবার বলল–এক কাজ করা যাক। আমরা সমস্বরে মন্ত্র পাঠ করি, আপত্তি আছে?

    মন্ত্র, অর্থাৎ স্তোত্র পাঠে কারোরই তো আপত্তি থাকার কথা নয়। ইতিমধ্যে গিজবারিম থেকে ফুট কয়েক নিচে ঝুড়িটা পৌঁছে গেল। ব্যস, ঠিক সে মুহূর্তে সচকিত হয়ে সবাই সেদিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখে দাঁড়িয়ে রইল। পরমুহূর্তেই সবাই দেখতে পেলঝুড়িটায় একটা শুয়োরের বাচ্চা দাঁড়িয়ে রয়েছে। বেশ বড়সড় আর নাদুস নুদুস একটা শুয়োরের বাচ্চা।

    ব্যাপারটা দেখামাত্র তিনজনেরই চোখ ট্যারা হয়ে যাবার যোগাড় হলো। সবাই প্রায় সমস্বরেই কাঁপা কাঁপা গলায় বলে উঠল–এবার এল এমনু! এবার এল এমনু!

    তিনজনই একই সঙ্গে কথাটা বলেই হাতের দড়ির প্রান্তটা দুম করে ছেড়ে দিল।

    ব্যস, দড়িটা আল্গা হওয়া মাত্র শুয়োরের বাচ্চাটা তর তর করে সোজা নেমে গিয়ে ফিলিস্থিনদের মধ্যে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেল।

    এল এমনু! এল এমনু!–হে পরম পিতা, তুমি আমাদের সহায় হও! হায়! এ কী কেলেঙ্কারী ব্যাপার! উফ শুয়োর! শুয়োরের মাংস! এ মাংস যে আমাদের পক্ষে জিভে ঠেকানোও সম্ভব নয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅস্কার ওয়াইল্ড গল্পসমগ্র – অনুবাদ : সুনীলকুমার ঘোষ
    Next Article মাইন ক্যাম্ফ – অ্যাডলফ হিটলার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }