Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডগার অ্যালান পো রচনাসমগ্র / অনুবাদ : জাকির শামীম

    লেখক এক পাতা গল্প1512 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য কনভারসেসন অব ইরোজ অ্যান্ড চারমিয়ান

    ইরোজ বলল–আমাকে কেন ইরোজ নামে সম্বোধন করছ?

    চারমিয়ান বলল–হ্যাঁ, এখন থেকে তোমাকে এ নামেই সম্বোধন করা হবে। মনে কর, তোমার ফেলে-আসা পৃথিবীর নামটা হারিয়ে গেছে। আমি নিজের যেমন পৃথিবীর নামটাকে ভুলে যেতে আগ্রহি, তোমাকেও তাই করতে হবে। শোন, এখন থেকে আমার নাম হবে, চারমিয়ান। এ নামেই আমাকে সম্বোধন করবে, বুঝলে।

    ইরোজ বার কয়েক এদিক-ওদিক চোখ বুলিয়ে নিয়ে বলল–কিন্তু আমার তো মনে হচ্ছে না যে, আমি স্বপ্নে বিভোর হয়ে রয়েছি।

    না, এখন আর স্বপ্ন বলে কোনোকিছুর অস্তিত্ব নেই। এখন শুধুই রহস্য আর রহস্য। তোমার মধ্যে প্রাণের অস্তিত্ব বর্তমান, যুক্তির উপস্থিতি দেখে আমার যে কী আনন্দ হচ্ছে, তা আর বলার নয়! তোমার চোখের ওপরের ছায়ার আস্তরণ অপসারিত হয়ে গেছে। মনকে শক্ত কর, জোর আন আর মন থেকে ভয়-ডরকে দূরে সরিয়ে দাও ইরোজ। এতদিন তুমি গভীর ঘোরের মধ্যে ছিলে, তোমার ভাগে যে দিন কয়টা ভাগে পড়েছিল, এখন আর সে অবস্থা নেই। তোমাকে কাল দীক্ষা দিয়ে তৈরি করে নেব।

    দীক্ষা!

    হ্যাঁ, দীক্ষা। তোমার মধ্যে যে আশ্চর্য অস্তিত্ব বর্তমান–কেবলই আনন্দ আর বিস্ময়।

    দেখ, যাকে তুমি ঘোর বলছ, তা আমার মধ্য থেকে কেটে গেছে। আগেকার সে জমাটবাধা ভয়ঙ্কর অন্ধকারও বিদায় নিয়েছে। দুর্বলতাও আর নেই। ভয়ঙ্কর আওয়াজটাও আর শুনতে পাচ্ছি না। তবুও যেন সবকিছু কেমন ওলট পালট হয়ে যাচ্ছে, ঘুলিয়ে যাচ্ছে। আমার এ-নতুন অস্তিত্বের ক্ষীণ উপলব্ধি আমার ভেতরে যেন প্রতিনিয়ত সূঁচ ফুটিয়ে চলেছে।

    চারমিয়ান ক্ষীন হেসে বলল–শোন, মাত্র দিন কয়েকের মামলা। কয়েকদিন এরকম হবার পর সবকিছু কেটে গিয়ে স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। তুমি এখন কী মর্মান্তিক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছ, তা মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছি। ওই একই অবস্থায় আমিও ছিলাম। কবে? কতদিন আগে? পৃথিবীর হিসাব অনুযায়ী দশ বছর আগেকার কথা। আজও কিন্তু আমার সবকিছু স্পষ্ট মনে আছে। তবে একটা কথা কিন্তু খুবই সত্য যে, দুঃখ-যন্ত্রণা সহ্য করতে পেরেছ বলেই তোমার পক্ষে এখানে আসা সম্ভব হয়েছে।

    ইরোজ সবিস্ময়ে বলল, এখানে! এখানে বলতে তাকে কথাটা শেষ করতে না দিয়েই চারমিয়ান বলে উঠল–এ জায়গাটার নাম আইদেন।

    কি বললে, আইদেন!

    হ্যাঁ, এটা তো আইদেন নামেই পরিচিত।

    আইদেন! আমার সবকিছু কেমন গোলমাল হয়ে যাচ্ছে, চারমিয়ান। সবকিছু কেমন তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। জানার জগতে অজানা আধিপত্য বিস্তার করছে। রহস্যময় ভবিষ্যৎ এসে মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে আনন্দঘন নিশ্চিত বর্তমানে। অসহ্য! রীতিমত অসহনীয় ব্যাপার।

    কেন? এ কথা বলছ কেন? অসহ্য কেন?

    এত বোঝা সইতে পারা আমার পক্ষে নিতান্তই অসহনীয় হয়ে পড়েছে চারমিয়ান।

    আমার কথা শোন ইরোজ–

    তাকে কথাটা শেষ করতে না দিয়েই ইরোজ বলে উঠল–কী? কোন কথা?

    তুমি এসব অবান্তর ভাবনা-চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দাও। এপ্রসঙ্গে তোমার সঙ্গে কাল কথা বলব–আজ নয়।

    কেন? কাল কেন? আজ নয় কেন?

    কারণ, আজ তোমার মন বড়ই চঞ্চল। আজ কেবলমাত্র স্মৃতিমন্থন করে যাও, তবেই মনে স্বস্তি আসবে, শান্তি পাবে। আর দেখবে উত্তেজনা প্রশমিত হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আর একটা কথা–।

    কী? কীসের কথা বলতে চাইছ?

    ভুলেও যেন এদিক-ওদিক তাকাতে চেষ্টা কোরো না। এমনকি সামনেও তাকাবে না। কেবলমাত্র পিছনের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখ। আমি কিন্তু তোমার মুখ থেকেই মহাপ্রলয়ের ভয়ঙ্কর ঘটনাটার খুঁটিনাটি বিবরণ শুনতে চাই। যার ফলে তোমাকে এখানে আসতে হয়েছে। হাজির হয়েছ আমাদের সবার মাঝখানে। ইরোজ, কোনো দ্বিধা না করে আমার কাছে সবকিছু খোলসা করে বলো। পিছনে ফেলে-আসা পৃথিবীর চেনা-জানা ভাষা আর ভঙ্গিতে কথা বল, যে পৃথিবী ভয়ঙ্কর লোমহর্ষক ঘটনা-দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে চিরদিনের মতোই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। সে পৃথিবীর কথা শোনাও যা আর না শোনাও তাই। ইরোজ, যে পৃথিবীর ভাষার মাধ্যমে তুমি আমার কাছে সব বৃত্তান্ত খুলে বলো।

    প্রলয়,মহাপ্রলয়ই বটে। আর লোমহর্ষক ব্যাপার-স্যাপারই বটে। গায়ের হিম হয়ে যাওয়ার মতো মহাপ্রলয়ঙ্কর কাণ্ড! সে কী স্বপ্ন, না কী সত্যি।

    সত্যি হলেও তা কিন্তু পুরোপুরি স্বপ্নেরই মতো। তবে এখন কিন্তু সে-স্বপ্ন টুটে গেছে ইরোজ। একটা কথা ভালো করে ভেবে বল তো।

    কী? কোন কথা

    আমাকে দেখে তোমার কি মনে হয় আমি দুঃখ-যন্ত্রণায় দগ্ধ হচ্ছি? ভালো করে ভেবে বল তো, তাই মনে হয় কী?

    এখন তা মনে হচ্ছে না সত্য। কিন্তু শেষের সেদিনের কথা খুব বেশি করে আর ভীষণভাবে মনে পড়ছে চারমিয়ান।

    কোন ব্যাপারটার ইঙ্গিত দিচ্ছ বলতো ইরোজ?

    শোক তাপের জমাটবাধা ঘন কালো মেঘের আস্তরণ তোমার বাড়ির মাথায় তখন ভেসে বেড়াচ্ছিল!

    কেবলমাত্র শেষের সে দিনটার কথাই বা বলছ কেন ইরোজ? সব শেষের যে ভয়ঙ্কর মুহূর্তটার কথা খুলে বলে নিজের মনকে হালকা কর। পৃথিবী জুড়ে রীতিমত প্রলয়ঙ্কর কাণ্ড, মহাপ্রলয়ের মহা বিপর্যয় উলঙ্গনাচ পৃথিবী জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছিল। ব্যস, একুটুই কেবলমাত্র এটুকই আজ মনে আছে। তারপর কি কি ঘটনা ঘটেছিল, কিছুই স্মৃতির পটে আনতে পারছি না।

    তবু বলছি, চেষ্টা কর, চেষ্টা করে দেখ কিছু স্মৃতিতে আনতে পার, কি না।

    খুবই অস্পষ্টভাবে হলেও মনে পড়ছে, পৃথিবীর মানুষ জাতটা থেকে ছিটকে বেরিয়ে এসে কবরের অন্ধকার অতলগহ্বরে। তখন যে কী দুর্ভোগ, কী অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করেছিলাম যা তোমাকেও দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করতে হয়েছে, তার জন্য মোটেই মনের দিক থেকে তিলমাত্রও তৈরি ছিলাম না। যে সব দুর্ভোগকে কোনোরকম পূর্বজ্ঞান দিয়ে কল্পনাতেও আনা সম্ভব নয়। অথচ ভবিষ্যতের কথা বলার সামান্যতম জ্ঞানও আমার ছিল না।

    ইরোজ সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল–ঠিকই বলেছ তুমি। প্রতিটা মানুষের ব্যক্তিগত দুর্ভোগের কথা আগে থেকে বিন্দু-বিসর্গও জানা সম্ভব হয়নি। তবে একটা কথা কিন্তু খুবই সত্য যে, মানুষের চরম দুর্গতি কিভাবে আসবে তা নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বহুদিন আগেই যথেষ্ট হিসাব-নিকাশে মেতে ছিলেন, বহু তথ্যই দিয়ে গেছেন।

    সত্য। শতকরা একশো ভাগ সত্য কথাই বলেছ।

    তবে একটা কথা, চারমিয়ান, তুমি যখন আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে দূরে সরে এলে তখন থেকেই কিন্তু পণ্ডিতরা মতামত ব্যক্ত করতে শুরু করেছিলেন না।

    কোন মতামতের কথা বলছ চারমিয়ান?

    জ্ঞানীরা বলতে শুরু করেছিলেন, ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে পবিত্র গ্রন্থে যা-কিছু বলা আছে তা দেখছি এখন থেকে ফলতে শুরু হয়ে গেছে? ধ্বংসের আগুনে সৃষ্টি কি ধ্বংস হয়ে যাবে? সবকিছু কি সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়েই যাবে? সে ভয়ঙ্কর আগুনটা লাগবে কিভাবে অর্থাৎ কোন উপায়ে যে পৃথিবীটা ধ্বংস হবে এ প্রসঙ্গে বড় বড় জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জ্ঞান-বুদ্ধি আর বিচার-বিশ্লেষণ ক্ষমতার মধ্যেও প্রথমাবস্থা থেকেই ফাঁক থেকে গিয়েছিল।

    জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস ছিল, ধূমকেতুতে আগুনের ভয়-ভীতি নেই। সেগুলোর অর্থাৎ মহাকাশে অবস্থানরত সে সব বিভীষিকার মোটামুটি একটা ঘনত্ব হিসাব নিকাশের মাধ্যমে জানা সম্ভব হয়েছিল।

    ধূমকেতুগুলো মহাকাশে বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহদের আশপাশ দিয়ে ধেয়ে যায় খুবই সত্য কিন্তু তারা অবশ্যই গ্রহ বা উপগ্রহগুলোর কারো চেহারায় কোনোই পরিবর্তন ঘটিয়ে দিয়ে যায় না। শুধু কি এ-ই? এমনকি তাদের কক্ষপথেরও পরিবর্তন ঘটানো তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না।

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ধূমকেতুগুলো কি দিয়ে গঠিত, তাই না? তারা অবশ্যই বায়বীয় পদার্থের সম্বন্বয়ে গঠিত। তারা যদি আচমকা পৃথিবীকে ধাক্কা মারে, অর্থাৎ পৃথিবীর ওপর আছড়ে পড়ে তবে পৃথিবীর সামান্যতম ক্ষতিও করতে পারবে না–এ বিশ্বাসই আমরা করেছিলাম।

    তবে ধূমকেতু আর পৃথিবীর মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধতে পারে বা ধূমকেতু পৃথিবীর ওপর কোনোদিন হুমড়ি খেয়ে পড়তে পারে এরকম আশঙ্কা কোনোদিনই আমাদের মনে দানা বাঁধেনি।

    কেন আমরা এরকম আশঙ্কার শিকার হইনি? এর কারণও রয়েছে অনেকই। কেন? কারণ, আমাদের তো জানাই ছিল, মহাকাশের ছন্নছাড়া বাউণ্ডুলে পর্যটকদের শরীরটা কোন্ কোন্ মালমশলা দিয়ে তৈরি। তাদের পেটে যে আগুন তৈরির মাল মশলা থাকা সম্ভব এমন কোনো কথা আমাদের মনে কোনোদিনই জাগেনি। আর জাগবেই বা কি করে? আমরা এমন কোনো ব্যাপার যে নিতান্তই অসম্ভব ও অবাস্তব বলেই আমাদের ধারণা ছিল।

    কিন্তু একটা ব্যাপার ভেবে দেখ। মানুষ বিস্মিত হতে, বিস্ময়ের ঘোরে ডুবে থাকতে পছন্দ করে। তারা অসম্ভব কিছুর কল্পনায় মজে থাকতেই সবচেয়ে বেশি আগ্রহি। তখন কী যে তুলকালাম কাণ্ড বেঁধে গিয়েছিল তা আর বলার নয়। ধূমকেতু ধেয়ে আসছে খবরটা চাউর হয়ে যাওয়ামাত্র কিছুসংখ্যক মানুষ ভয়ে রীতিমত জড়সড় হয়ে গিয়েছিল খুবই সত্য। আর অধিকাংশ মানুষ অস্বাভাবিক উত্তেজনার শিকার হয়ে বুকভরা অবিশ্বাস নিয়ে আকাশ পর্যবেক্ষণে মেতে গিয়েছিল।

    কাগজ-কলম নিয়ে জোর হিসাব-নিকাশ শুরু হয়ে গিয়েছিল। ফলাফলও তখনই নির্ণয় হয়ে গিয়েছিল। হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছিল, ধূমকেতুর আঁচ পৃথিবীর গায়ে কমবেশি লাগবেই লাগবে। দু-তিনজন দ্বিতীয় শ্রেণির জ্যোতির্বিজ্ঞানী মন্তব্য করেছিলেন, ওই ছন্নছাড়া বাউণ্ডুলেটা অভাগা পৃথিবীটাকে গোত্তা মারার জন্যই ধেয়ে আসছে।

    কিন্তু সাধারণ মানুষের মনে সংশয়ের অন্ত ছিল না। এর কারণও ছিল যথেষ্টই। কোন জ্যোতির্বিজ্ঞানী সে হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে কতটুকু জানতে পেরেছেন–এটাই ছিল তাদের মনের দানা-বাঁধা সংশয়ের কারণ।

    আর এ রকম সংশয় আর আতঙ্কের জন্যই সাধারণ মানুষ তেমন সন্ত্রস্ত হতে পারেনি। কেবলমাত্র অনুসন্ধিৎসু নজর মেলে আকাশের দিকে চেয়ে চেয়ে তারা দিন রাতের একটা বড় ভগ্নাংশই কাটিয়ে দিত।

    পর পর সাত-আটটা দিন একই রকমভাবে আকাশ-পর্যবেক্ষণ পর্ব দারুণভাবে চলল। কিন্তু আতঙ্কের আঁধার সে ধূমকেতুটা আবছা ঘোলাটে ভাব নিয়ে দেখা দিয়ে আবার নজরের আড়ালে চলে গেছে। তার নিজের অংশটাও আবছা, ছায়া-ছায়া ভাবে দেখা গেছে। মাঝে-মধ্যে খুব সামান্যই রঙ পাল্টেছে।

    ব্যাপারটা ওই রকমভাবে ঘটে যাওয়ার পর পণ্ডিতরা নড়ে চড়ে বসলেন। তারা আসল ব্যাপারটা ফাঁস করলেন। এবারই সাধারণ মানুষ জানতে ও বুঝতে পারল প্রকৃত ঘটনাটা কি ঘটতে চলেছে।

    প্রকৃত ঘটনাটা সম্বন্ধে কিছু আঁচ পাওয়ার পরও কিন্তু প্রায় সবাই দো-মনা অবস্থার মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে লাগল, অর্থাৎ পণ্ডিতদের বক্তব্য বাস্তবরূপ পেতে পারে, আবার না-ও পেতে পারে।

    দ্বিতীয় শ্রেণির পণ্ডিতরা হিসাব-নিকাশের ফলে গৃহীত যে সিদ্ধান্তের কথা ব্যক্ত করেছেন–ধুমকেতু আচমকা সংঘর্ষের ফলে পৃথিবীতে তুলকালাম কাণ্ড ঘটিয়ে তছনছ করে দিতে পারে। সাধারণ মানুষ কিন্তু এ-ভবিষ্যদ্বাণীর ওপর আদৌ তেমন আস্থা রাখতে পারেনি।

    দ্বিতীয় শ্রেণির পণ্ডিতদের ভবিষ্যদ্বাণীর ওপর আস্থা রাতে না পারার কারণ ছিল, প্রথম সারি পণ্ডিতরা যুক্তির মাধ্যমে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন, এমন একটা অসম্ভব ব্যাপার ঘটা সম্ভব নয়–কিছুতেই নয়।

    বহুদিন ধরেই ধুমকেতুগুলো গ্রহরাজ বৃহস্পতির আশপাশ দিয়ে আসা-যাওয়া করছে। প্রত্যেক ধূমকেতুর মাথা অর্থাৎ অগ্রভাগ আমাদের জানা সবচেয়ে বিরল গ্যাসের চেয়েও অনেক হালকা। একটা কথা আমার মাথায় কিছুতেই আসছে না

    ইরোজকে কথাটা শেষ করতে না দিয়েই চারমিয়ান বলে উঠল–কী কোন্ কথা?

    ইরোজ কপালের চামড়ায় চিন্তার ভাঁজ এঁকে বলে উঠল–কথাটা হচ্ছে, এতদিন বৃহস্পতি উপগ্রহদের কোনো ক্ষতিই যখন হয়নি তখন আমাদের এ পৃথিবীর ক্ষতি কীভাবে হতে পারে? আমার তো মনে হয় এরকম আশঙ্কার কোনো কারণই থাকতে পারে না।

    জনগণের মন থেকে আতঙ্কের মেঘ কেটে গেল। তারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল।

    গির্জার মহামান্য ধর্মগুরুরা বাইবেল খুলে বসলেন। তারা সাধারণ মানুষকে বাইবেলের বাণী শোনাতে লাগলেন। ফায়দা কিন্তু কিছুই হলো না। জনসাধারণের মনে তারা ভীতি সঞ্চার করতে পারলেন না। তারা জোর প্রচার চালালেন–আগুনে পৃথিবী জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। ধ্বংসের সাক্ষাদূত আগুনকে বয়ে নিয়ে আসবে।

    চমৎকার! চমৎকার কথাই বটে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, একটা কথা তো আবালবৃদ্ধবণিতারই জানা আছে।

    চারমিয়ান অত্যন্ত আগ্রহ প্রকাশ করে বলে উঠল–কী? কীসের ইঙ্গিত দিতে চাইছ?

    বলছি কি, ধুমকেতুর জঠরে যে আগুনের লেশমাত্রও নেই, এ-কথা তো একটা শিশুরও জানা আছে।

    এবার কী বলছি শোন, ধূমকেতুর আবির্ভাব অশুভ লক্ষণ। তার আবির্ভাবে পৃথিবীর বুকে যে মড়ক লাগে তাতে কিছুমাত্রও সন্দেহের অবকাশ নেই। কেবলমাত্র মড়ক বা ঠিক হবে না, ঘোরতর যুদ্ধও বাঁধে পৃথিবীর বুকে। যা বলে বলুক গে না। যত্তসব কুসংস্কার। ওসব কুসংস্কারে কে-ই বা কান দিচ্ছে।

    তবে কথা হচ্ছে, এমন অতিকায় একটা আকাশ-দৈত্য পৃথিবীর মাথার ওপর দিয়ে বহাল তবিয়তে পুচ্ছ নাচাতে নাচাতে দিব্যি চলে গেলে পৃথিবীর গায়ে কিছুটা অন্তত আঁচ তো লাগতেই পারে। আর এটাই তো স্বাভাবিক। পৃথিবীর বুকে যে পরিবর্তনটুকু দেখা যাবে তা হচ্ছে, যৎকিঞ্চিৎ ভৌগোলিক পরিবর্তন তো ঘটাই স্বাভাবিক, আবহাওয়ার পরিবর্তন কিছু না কিছু হতেই পারে আর একই কারণে গাছগাছালির লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়াটাও কিছুমাত্র অস্বাভাবিক নয়।

    কিন্তু এতকিছু সত্ত্বেও একটা কথা জোর দিয়েই বলা চলে, পৃথিবীর বুকে যা-ই ঘটুক না কেন, বড় রকমের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা কিন্তু নেই। একটু-আধটু পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা তো বলামই।

    এরকম বহু যুক্তি-তর্কের মধ্য দিয়েই ধূমকেতুর চেহারার পরিবর্তন ঘটে গেল। সবাই তার চেহারা সম্বন্ধে যা-কিছু ভেবেছিল, জল্পনা-কল্পনা করেছিল, বাস্তবে দেখা গেল সবই ভুল। সবাই নিজনিজ জ্ঞান-বুদ্ধি অনুযায়ী তার দৈহিক গড়নের যে বিবরণ এতদিন দিয়েছে, কার্যত দেখা গেল, তার চেহারার সঙ্গে সে সবের কিছুই মিলছে না। ধূমকেতুটা ক্রমেই এগিয়ে আসতে লাগল। সেটা যতই পীথবীর কাছাকাছি আসতে লাগল ঝাপসা ভাবটা কেটে গিয়ে ততই স্পষ্টতর হয়ে উঠতে লাগল। তার চেহারাটা সবার চোখের সামনে আরও বড় হয়ে উঠল। তার অতিকায় দেহটা চকচকে ঝকঝকে হয়ে উঠতে লাগল। ব্যাপারটা চাক্ষুষ করেই পৃথিবীর যত মানুষ, সবাই যেন কেমন মিইয়ে গেল। এমনটা হওয়া তো বিচিত্র কিছু নয়। এতদিনের ভাবনা চিন্তা জল্পনা কল্পনা যদি হঠাৎ করে এমন নস্যাৎ হয়ে যায় তবে তো স্বাভাবিকভাবেই তাদের মুখ ফ্যাকাশে বিবর্ণ হয়ে উঠতে বাধ্য।

    ইতিপূর্বে পৃথিবীবাসী তো আরও বার কয়েক ধূমকেতুর আবির্ভাব চাক্ষুষ করেছে। কিন্তু আজকের ধুমকেতুটার সঙ্গে সেগুলোর সাদৃশ্য তো খুঁজে পাওয়া যাবে না, সম্ভবও নয়। কারণ, এর আগে তো কোনো ধূমকেতু এমন বিশাল দেহ নিয়ে আমাদের চোখের সামনে আত্মপ্রকাশ করেনি।

    এতদিন পৃথিবীর বড় বড় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা যত্তসব আজেবাজে মন্তব্য করে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করে দিয়েছে। যারা এরকম মন্তব্য করেছিলেন, তারা বর্তমানে ধূমকেতুটাকে চাক্ষুষ করে রীতিমত শিউরে উঠলেন।

    ধ্বংসের সাক্ষাৎ অবতার বিচিত্র দেহধারী অতিকায় ও ভয়ঙ্কর ধূমকেতুটাকে চোখের সামনে দেখামাত্র তাদের হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া দ্রুততর হয়ে গেল। মস্তিষ্কের কন্দরে কন্দরে ঘোরতর কালো ছায়া দেখা দিল, ছেয়ে ফেলল।

    উফ্! কী সর্বনাশা চেহারা রে বাবা! সবার মনই যারপরনাই বিষিয়ে উঠল। বড় রকমের একটা অঘটন যে ঘটতে চলেছে তাতে আর কারো মনে এতটুকু সন্দেহ রইল না। পৃথিবী তোলপাড় না হয়ে যাচ্ছে না। কারণ, অতি দ্রুত আগুনের অতিকায় গোলার রূপ নিয়েছে মহাকাশের বিভীষিকা। তার সুবিশাল দেহটা দিগন্ত জুড়ে লেলিহান অগ্নিশিখা ছড়িয়ে দিয়ে অনবরত দাপিয়ে চলেছে। কী ভয়ঙ্কর দৃশ্য!

    এ জীবনটা রক্ষা পাবে নাকি, শেষ হয়ে যাবে, এরকম দোটানা মনোভাবটা একদিন কেটে যাওয়ায় মানসিক স্বস্তি ফিরে পেলাম।

    একদিন নিঃসন্দেহ হলাম, আমরা ধূমকেতুর আওতায় এসে গেছি। মানসিক অস্থিরতা কেটে গিয়ে স্থিরতা ফিরে এলো। দেহ-মনে বল ফিরে পেলাম। মন থেকে জমাটবাধা আতঙ্ক কেটে যাওয়ায়, স্বস্তি ফিরে পাওয়ায় এবার সহজভাবেই লক্ষ্য করলাম গাছগাছালির মধ্যেও পরিবর্তন আসছে। গাছে গাছে সবুজপাতার এমন বিচিত্র সমারোহ এর আগে তো কোনোদিন নজরে পড়েনি। আর রঙ-বেরঙের ফুল, এতসব কুঁড়ির মেলা তো কোনোদিনই এর আগে দেখতে পারেনি। নিঃসন্দেহ হতে পারলাম, আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটতে আরম্ভ করেছে।

    পণ্ডিতদের কথা মনের কোণে বার বার উঁকি দিতে লাগল।

    তারা তো ঠিকই বলেছিলেন। এরকমটা যে ঘটবে তার পূর্বাভাস তো তারা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন।

    তারপর বুঝতে পারলাম, ধূমকেতু কিভাবে পৃথিবীকে গোত্তা মারবে–মাথায় হাঁড়ি চাপিয়ে, সেটা একদিন না একদিন পৃথিবীর সঙ্গে ঠোকাঠুকি লাগিয়ে দেবে।

    ব্যস, আর যাবে কোথায়, কথাটা চাউর হতেই পৃথিবীর মানুষ আতঙ্কে পৌণে মরা হয়ে যাবার জোগাড় হলো। আতঙ্কের যন্ত্রণায় তাদের মুখের রক্ত নিমষে নিঃশেষে কোথায় উবে গেল। মুখে আশ্রয় করল পাত্রতার ছাপ।

    অব্যক্ত যন্ত্রণা নিরবচ্ছিন্নভাবে জনসাধারণের মধ্যে দুটো কারণে স্থায়ীভাবে আশ্রয় নিল। প্রথমত বুক, বিশেষ করে ফুসফুস ও তার ধারে কাছে খিচুনি শুরু হয়ে গেছে; আর দ্বিতীয়ত অসহনীয় উপায়ে চামড়া শুকিয়ে কুঁকড়ে যেতে শুরু করেছে। আসলে এর পরিণামের কথা কল্পনা করেই মানুষের মনে আতঙ্ক ক্রমেই গভীর থেকে গভীরতর হতে শুরু করেছে।

    আমাদের তো ভালোই জানা আছে, যে সব উপাদানের সমন্বয়ে বাতাসের সৃষ্টি তাদের মধ্যে অক্সিজেনের উপস্থিতি শতকরা একশোভাগ আর নাইট্রোজেন ঊনআশি ভাগ। অক্সিজেন ছাড়া প্রাণের অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায় না আর আগুনও জ্বলতে পারে না। অর্থাৎ নাইট্রোজেনের পক্ষে প্রাণকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

    আবার যদি অক্সিজেনের পরিমাণ অস্বাভাবিক রকম বেড়ে যায় তবে অতিরিক্ত জীবনীশক্তি মানুষকে উত্তাল-উদ্দাম আর মাতালে পরিণত করে ছাড়বে। তারপর আমরা ঠিক এমনটাই ঘটতে দেখেছি।

    আর নাইট্রোজেন যদি পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, তবে? দুম করে প্রলয়কাণ্ড ঘটে যাবে, দাউ দাউ করে লেলিহান জিহ্বা বিস্তার করে চোখের পলকে পৃথিবীকে গ্রাস করে ফেলবে।

    আমাদের অন্তিম মুহূর্তটাকে আমাদের চরমতম আতঙ্কের আধার মূর্তিমান ধূমকেতুর টকটকে লাল অগ্রসরমান আকৃতির প্রত্যক্ষ করলাম।

    ঠিক একদিন পরই দুর্ভাগ্য চরমতম রূপ নিয়ে হাজির হলো। বায়ুর নির্দিষ্ট উপাদানগুলোর অতি দ্রুত পরিবর্তন ঘটতেই পৃথিবীর সর্বত্র, প্রতিটা আনাচে কানাচে অবস্থিত মানুষগুলোর রীতিমত নাভিশ্বাস শুরু হয়ে গেল। ধমনী ধমনীতে লাল রক্তের স্রোত দ্রুত থেকে দ্রুততর হয়ে পড়ল।

    মানুষের স্বভাবের আকস্মিক পরিবর্তন ঘটতে শুরু করল। প্রত্যেকে ভয়াবহ প্রলাপে আচ্ছন্ন হয়ে প্রতিটা মুহূর্ত আচ্ছন্ন হয়ে পড়ল।

    হাত দুটো কয়েক মুহূর্তের মধ্যে আড়ষ্ট হয়ে পড়ল। শক্তি যেন একেবারে কর্পূরের মতো উবে গেল। আড়ষ্ট হাত দুটোকে ওপরে, আকাশের লাল গোলকটার দিকে তুলে ধরলাম সত্য। কিন্তু নিষ্কৃতি পেলাম না কিছুতেই।

    বেশিক্ষণ নয়, মুহূর্তের জন্য ফ্যাকাশে, খুবই ম্লান বিষণ্ণ আলো চরাচর ছেয়ে ফেলল। আর সে স্লান আলো সবকিছুকে বিদীর্ণ করে দিয়ে গেল।

    তারপর–হ্যাঁ তারপর মুহূর্তেই স্বয়ং ঈশ্বরই যেন তারস্বরে চিৎকার করে উঠলেন–সে রকম তীব্র আওয়াজ কেউ এর আগে কোনোদিন শুনতে পায়নি। ব্যস, তার পরমুহূর্তেই ইথারে সে আগুন ফেটে পড়ল, যে ইথারের মধ্যে আমাদের অস্তিত্ব বর্তমান। লেলিহান সে আগুনের শিখা বাস্তবিকই বর্ণনার অতীত। আর সেই শেষ, সব শেষ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅস্কার ওয়াইল্ড গল্পসমগ্র – অনুবাদ : সুনীলকুমার ঘোষ
    Next Article মাইন ক্যাম্ফ – অ্যাডলফ হিটলার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }