Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যানিমেল ফার্ম – জর্জ অরওয়েল

    জর্জ অরওয়েল এক পাতা গল্প95 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অ্যানিমেল ফার্ম – ৭

    সাত

    শীতকালটা দুর্যোগ বয়ে নিয়ে এল। তুষার ঝড় আর শিলাবৃষ্টি চলল ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত। নতুন করে উইণ্ডমিলের কাজ শুরু করল জন্তুরা। এজন্য কঠোর পরিশ্রম করছে সবাই। তারা জানে, বাইরের পৃথিবীর হিংসুটে মানুষগুলো তাদের কার্যকলাপ উদগ্রীব হয়ে দেখছে। ব্যর্থ হলে তাদের কাছে মুখ দেখানোর জো থাকবে না।

    মানুষের বিশ্বাস, স্নোবল উইণ্ডমিল ধ্বংস করেনি। উইণ্ডমিল ধসেছে ঝড়ে। কারণ, দেয়ালটার গাঁথুনি যথেষ্ট মজবুত ছিল না। জন্তুরা বিশ্বাস করল না সে কথা। তবুও এবার দেয়ালটা আগের আঠারো ইঞ্চির বদলে তিনফুট পুরু করে গাঁথা হলো। তার মানে, আগের চেয়ে দ্বিগুণ পাথরের প্রয়োজন। তুষারে চুনাপাথরের খনি ঢেকে গেল, ফলে কাজ এগোল না। জন্তুরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছিল। ঠাণ্ডা ও খিদেয় তারা ক্লান্ত, শুধু বক্সার ও ক্লোভারের কোন ক্লান্তি নেই।

    স্কুয়েলার জন্তুদের উৎসাহ দেবার জন্য মাঝে মাঝে শ্রমের মর্যাদার ওপর—লম্বা-চওড়া বক্তৃতা দিত। কিন্তু জন্তুরা তার বক্তৃতার চেয়ে বরং বক্সার-ক্লোভারকে দেখেই বেশি উৎসাহ পেত। জানুয়ারি মাসে খাদ্যাভাব দেখা দিল। দৈনিক খাদ্যের বরাদ্দ কমিয়ে দেয়া হলো। ঘোষণা করা হলো, এরপর থেকে রেশনে শস্যের বদলে আলু দেয়া হবে। কিন্তু আলুগুলো ভালমত ঢেকে রাখার পরও পচে গেছে, খুব অল্প সংখ্যকই আছে খাওয়ার যোগ্য। ক’দিন পর কেবল খড় ও খৈল ছাড়া আর কিছুই রইল না। সবাই বুঝল, সামনের দিনগুলো কাটাতে হবে অনাহারে।

    খাদ্যাভাবের ব্যাপারটা মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা জরুরী হয়ে পড়ল। এমনিতেই উইণ্ডমিলের ব্যাপারটা নিয়ে নানা রকম কেচ্ছা ছড়িয়েছে। গুজব রটেছে, জন্তুরা দুর্ভিক্ষ আর রোগে মারা যাচ্ছে, নিজেরা মারামারি করছে, স্বজাতির মাংস খাচ্ছে এবং শিশু হত্যার মত জঘন্য কাজ করছে। নেপোলিয়ন বোঝে, আসল অবস্থার কথা জানাজানি হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। সে বুদ্ধি আঁটল, মি. হুয়িম্পারের মাধ্যমে মানুষের ধারণা বদলে দেয়া হবে

    খামারের অন্য জন্তুদের সাথে ভদ্রলোকের কোন সম্পর্ক নেই। একদিন একদল ভেড়া আইনজীবীর সাথে দেখা করে জানাল, খামারে কোন খাদ্যাভাব নেই। নেপোলিয়নের নির্দেশে আগেই খালি ব্যারেলগুলো বালি দিয়ে ভর্তি করে তার ওপর খানিকটা শস্য ছড়িয়ে রাখা হয়েছিল। মি. হুয়িম্পার গুদাম পরিদর্শন করে শস্যের ভরা ব্যারেল দেখে বাইরের পৃথিবীকে জানালেন—জন্তু খামারে খাদ্যের কোন অভাব নেই।

    জানুয়ারির শেষ দিকে খাদ্যাভাব তীব্র হয়ে উঠল। শিগগিরই খাদ্য জোগাড় না হলে জন্তুদের অনাহারে থাকতে হবে, আজকাল আর নেপোলিয়ন জন্তু সমক্ষে আসে না। সময় কাটায় ফার্ম হাউসে। কুকুরগুলো ফার্ম হাউসের চারদিকে ঘুরে ঘুরে পাহারা দেয়। মাঝে মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যখন বাইরে আসে, তখন তাকে ঘিরে থাকে কুকুরগুলো। এখন আর রোববারের সভায়ও তাকে দেখা যায় না। সবাই কাজের নির্দেশ নেয় স্কুয়েলারের কাছ থেকে।

    এক রোববারে স্কুয়েলার ঘোষণা করল, এখন থেকে মুরগির ডিম বিক্রি করা হবে, নেপোলিয়ন সপ্তাহে চারশো ডিম সরবরাহের চুক্তি করেছে। এই ডিম বিক্রির অর্থে খাদ্য কেনা হবে। ঘোষণা শুনে মুরগিরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ল। একথা তাদের আগেও জানানো হয়েছে। কিন্তু কেউ ভাবেনি, সত্যিই এর প্রয়োজন হবে। মুরগিরা এসময় আসন্ন বসন্ত কালের জন্যে বাচ্চা ফোটাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এসময় ডিম বিক্রি মুরগি হত্যার সামিল। তারা এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করল। তিনটে কালো মুরগির নেতৃত্বে সংগঠিত হলো তারা।

    জোনসের বিতাড়ণের পর এই প্রথম বিদ্রোহ দেখা দিল জন্তু খামারে। মুরগিরা ছাদের ওপর উড়ে উড়ে ডিম পাড়তে শুরু করল। ছাদে পড়ার সাথে সাথে ভেঙে যেত ডিমগুলো। বিদ্রোহী মুরগিদের শায়েস্তা করার জন্য ঘোষণা করল নেপোলিয়ন, এখন থেকে মুরগিদের খাবার বন্ধ। কেউ যদি তাদের খেতে দেয়, তবে তার শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। এই আদেশ যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কিনা, কুকুরেরা সেদিকে লক্ষ রাখল। পাঁচদিন অনাহারে থাকার পর মুরগিরা নতি স্বীকার করল।

    এরই মধ্যে মারা গেল নয়টি মুরগি। মৃতদেহগুলো পুঁতে ফেলা হলো বাগানের ধারে। সবাই জানল, রোগে ভুগে মারা গেছে মুরগিগুলো। মি. হুয়িম্পার এসবের কিছুই জানলেন না। কেবল চুক্তি অনুযায়ী সপ্তাহে চারশো ডিমের চালান গ্রহণ করলেন। এর মধ্যে স্নোবলের আর কোন খবর মেলেনি। শোনা যায়, সে আশপাশের কোন খামারেই আত্মগোপন করে আছে। জন্তু খামারের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে।

    নেপোলিয়ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, খামারের প্রায় দশ বছরের পুরানো বীচ্ গাছের গুঁড়িটা বিক্রি করে দেবে। ফ্রেডরিক ও পিলকিংটন, দু’জনেই কেনার আগ্রহ দেখালেন, ফ্রেডরিকের সাথে রফায় পৌঁছালে শোনা যায়, স্নোবল আত্মগোপন করেছে ফক্সউডে। আর পিলকিংটনের সাথে আলাপ করলে জানা যায়, স্নোবল আশ্রয় নিয়েছে পিঞ্চফিল্ড ফার্মে।

    বসন্তের শুরুতে একটা আতঙ্কের খবর ছড়িয়ে পড়ল, স্নোবল রোজ রাতে জন্তু খামারে হানা দেয়! জন্তুদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেল। স্নোবল খাবার চুরি করে, গরুর দুধ দুইয়ে নিয়ে যায়, ডিম ভেঙে রাখে, বীজতলা—এমনকি গাছের ফলও নষ্ট করে। কোথাও কোন গোলমাল হলে নিশ্চিতভাবে ধরে নেয়া হয় এটা স্নোবলের কাজ। যদি জানলার কাঁচ ভাঙে বা নালাগুলো বুজে যায়, তবে বোঝা যায় স্নোবল এসেছিল রাতের বেলা। একদিন গুদাম ঘরের চাবি হারিয়ে গেল। সবাই ধরে নিল, স্নোবল নির্ঘাত কুয়োয় ফেলে দিয়েছে চাবিটা।

    অনেক খোঁজাখুঁজির পর তা পাওয়া গেল বস্তার নিচে। কিন্তু তাতে কারও বিশ্বাস টলল না। শীতকালে বুনো ইঁদুরের উপদ্রব বেড়ে গেল। সবাই বলল, স্নোবলের সাথে ইঁদুরের গোপন যোগাযোগ আছে। এরকম উৎপাত কিছুদিন চলার পর তদন্তের নির্দেশ দিল নেপোলিয়ন। কুকুরের শোভাযাত্রা সহকারে খামার পরিদর্শনে বের হলো সে, অন্যেরা একটু দূরত্ব রেখে তাকে অনুসরণ করল। মাটি শুঁকে শুঁকে স্নোবলের চিহ্ন খোঁজার চেষ্টা করল সবাই। সর্বত্রই খোঁজা হলো—বার্ন, গোয়াল, মুরগির খোঁয়াড়, সবজি খেত কিছুই বাদ গেল না। সব জায়গাতেই স্নোবলের উপস্থিতির নিদর্শন মিলল।

    খানিকক্ষণ পরপরই নেপোলিয়ন চিৎকার করে জানান দিচ্ছিল, ‘স্নোবল এখানে এসেছিল, আমি তার গায়ের গন্ধ পাচ্ছি।’ প্রতিবার স্নোবলের নাম উচ্চারণের সাথে সাথে কুকুরগুলো রক্ত হিম করা গলায় ডেকে উঠল। জন্তুরা ভয়ে অস্থির। মনে হচ্ছিল, স্নোবল বোধহয় বাতাসের সঙ্গে মিশে তাদের ঘিরে আছে। বিকেলে বার্নে সভা ডাকা হলো। স্কুয়েলারের থমথমে মুখ দেখে সবাই বুঝল, কোন খারাপ খবর আছে।

    ‘বন্ধুরা,’ অস্থির ভঙ্গিতে লেজ নাড়ল স্কুয়েলার। ‘একটা ভয়ঙ্কর কথা শোনা গেছে। স্নোবল মানুষের সাথে যোগ দিয়ে খামারটা আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়ার চক্রান্ত করছে। সে এখন ফ্রেডরিকের আশ্রয়ে আছে। আমরা জানতাম, সে বিদ্রোহ করেছিল নিজের উচ্চাশা পূরণের জন্য। আসলে তা নয়, সে শুরু থেকেই জোনসের হয়ে কাজ করত। কিছু সদ্য আবিষ্কৃত গোপন দলিল থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। আর গোশালার যুদ্ধে আমাদের পরাজয়ের দিকে ঠেলে দেবার ব্যাপারে তার ব্যর্থ চেষ্টার কথা তো সবার জানা।

    জন্তুরা একেবারেই বোকা বনে গেল। কথাগুলো তারা বিশ্বাস করতে পারল না। সবারই মনে আছে, গো-শালার যুদ্ধে স্নোবল বীরত্বের সঙ্গে লড়েছে। জোনসের গুলিতে সে আহতও হয়েছিল, কিন্তু তারপরেও পিছু হটেনি। কারও মাথায় এল না, কি করে স্নোবল জোনসের পক্ষ নিয়েছিল! স্বল্পভাষী বক্সারও বোকা হয়ে গেল। পা মুড়ে, চোখ বুজে খানিকক্ষণ চিন্তা করে বলল, ‘আমি এসব বিশ্বাস করি না। স্নোবল যুদ্ধে বীরের মত লড়েছে। আমরা তাকে “প্রথম শ্রেণীর জন্তুবীর” উপাধিতে ভূষিত করেছিলাম, তাই না?’

    ‘পুরো ব্যাপারটা আমরা ভুল বুঝেছিলাম। গোপন দলিল থেকে জানা গেছে, সে বরাবরই আমাদের বিপক্ষে ছিল।’

    ‘যুদ্ধে সে মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিল,’ প্রতিবাদ করল বক্সার। ‘সবাই দেখেছে, তার গা থেকে রক্ত ঝরছিল।’

    ‘সেটাও ছিল তার পরিকল্পনার অংশ, চিৎকার করল স্কুয়েলার। জোনসের গুলি তার গায়ে কেবল আঁচড় কেটেছিল। সে নিজে গোপন দলিলে লিখেছে একথা। তোমরা চাইলে দলিলগুলো দেখতে পারো, অবশ্য যদি পড়তে পারো। স্নোবলের পরিকল্পনা ছিল, সঠিক মুহূর্তে শত্রুদের সঙ্কেত দিয়ে নিজের গা বাঁচানো। সফলও হয়েছিল প্রায়, কিন্তু আমাদের নেতা কমরেড নেপোলিয়নের কারণে তার সব পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। সবার নিশ্চয়ই মনে আছে, জোনসের দলবল উঠানে ঢুকে পড়তেই স্নোবল উল্টোদিকে দৌড় দিয়েছিল এবং অনেকেই তাকে অনুসরণ করেছিল? সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল, মনে হচ্ছিল পরাজয় নিশ্চিত। এমন সময় কমরেড নেপোলিয়ন জোনসের পা কামড়ে ধরে চিৎকার করে উঠেছিলেন, ‘মানুষেরা ধ্বংস হোক’ বলে, তোমাদের তো সে সব মনে থাকার কথা, লাফাতে লাফাতে বলল স্কুয়েলার।

    তার কথা শুনে জন্তুদের মনে হলো, পুরো ঘটনাটা তাদের চোখের সামনে ভাসছে। মনে পড়ল, সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে স্নোবল পালাবার চেষ্টা করেছিল। কেবল বক্সারের বিশ্বাস টলল না। ‘স্নোবল শুরুতে মোটেই বিশ্বাসঘাতকতা করেনি,” সে ঘোষণা করল। ‘গোশালার যুদ্ধে তার ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয় ছিল।

    ‘আমাদের নেতা কমরেড নেপোলিয়ন, ধীরে ধীরে টের পেয়েছেন, স্নোবল শুরু থেকেই আমাদের বিপক্ষে ছিল,’ জানাল স্কুয়েলার।

    ‘হয়তো,’ বলল বক্সার। কমরেড নেপোলিয়ন যখন বলেছেন তখন তাই সত্য।’

    ‘এটাই আসল সত্য।’ সবাই লক্ষ করল, বক্সারের দিকে কুৎসিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে স্কুয়েলার। চলে যাবার আগে আবেগপূর্ণ গলায় সে বলল, আমি সবাইকে চোখ কান খোলা রাখতে অনুরোধ করছি। আমার ধারণা, আমাদের ভেতর স্নোবলের গুপ্তচর লুকিয়ে আছে।’

    চারদিন পর বার্নে সভা ডাকা হলো। সবাই উপস্থিত হবার পর গলায় মেডেল ঝুলিয়ে কুকুর পরিবেষ্টিত হয়ে এল নেপোলিয়ন (সম্প্রতি নেপোলিয়ন নিজেকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর জন্তুবীর উপাধিতে ভূষিত করেছে)। পুরো সভা স্তব্ধ, নেপোলিয়নের উপস্থিতি প্রমাণ করে—নির্ঘাত খারাপ কিছু ঘটেছে। সবাইকে দেখে নিয়ে দৃঢ় ভঙ্গিতে দাঁড়াল নেপোলিয়ন। নাক দিয়ে অদ্ভুত শব্দ করল, সেই শব্দ শুনে কুকুরগুলো ছুটে গেল শুয়োরদের দিকে। চারটে শুয়োরের কান কামড়ে ধরে টেনে নিয়ে এল নেপোলিয়নের সামনে।

    শুয়োরগুলোর কান থেকে রক্ত বের হতে লাগল দর দর করে। গন্ধে যেন উন্মাদ হয়ে উঠল কুকুরেরা। সবাইকে চমকে দিয়ে এরপর তারা আক্রমণ করল বক্সারকে। আক্রমণ ঠেকাতে খুর দিয়ে একটা কুকুরকে মাটিতে ঠেসে ধরল বক্সার। বাকিগুলো ভয়ে লেজ গুটিয়ে পালিয়ে গেল। কুকুরটাকে মেরে ফেলবে, না ছেড়ে দেবে-নেপোলিয়নের কাছে জানতে চাইল সে। ছেড়ে দেবার হুকুম দিল নেপোলিয়ন। ছাড়া পেয়ে চিৎকার করতে করতে পালিয়ে গেল কুকুরটা।

    ভয়ে কাঁপছিল শুয়োর চারটে, তাদের চোখে মুখে অপরাধী ভাব। এরা হলো সেই শুয়োর, যারা ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার দাবি তুলেছিল। তারা স্বীকার করল, স্নোবলের সাথে তাদের গোপন যোগাযোগ আছে। তার আদেশেই তারা উইণ্ডমিল ধ্বংস করেছে। জন্তুখামার ফ্রেডরিকের হাতে তুলে দেবার পরিকল্পনাও ছিল তাদের। স্বীকারোক্তি শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে কুকুরগুলো ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের ওপর, দেহ থেকে শুয়োরগুলোর মস্তক আলাদা করে ফেলল। হিম গলায় জানতে চাইল নেপোলিয়ন, আর কেউ তাদের অপরাধ স্বীকার করতে চায় কিনা।

    ডিম বিদ্রোহের নেতৃত্বদানকারী তিন মুরগি এগিয়ে এল। স্বীকার করল, স্বপ্নে স্নোবল তাদের বিদ্রোহের নির্দেশ দিয়েছিল। শুয়োরদের মত একই পরিণতি হলো তাদেরও। এরপর এগিয়ে এল হাঁসের দল, তারা খাবার চুরি করেছিল। একটা ভেড়া স্বীকার করল, সে খাবার পানিতে প্রস্রাব করেছিল। আরও জানাল, স্নোবলের প্ররোচনায় তারা নেপোলিয়নের অনুগত এক বৃদ্ধ ছাগলকে পুড়িয়ে মেরেছে। একের পর এক অপরাধ স্বীকার ও বিচারের পালা চলল। নেপোলিয়নের পায়ের কাছে জমে উঠল মৃতদেহের স্তূপ। রক্তের গন্ধে ভারী হয়ে উঠল বাতাস

    বিচার শেষ হলো। শুয়োর আর কুকুর ছাড়া সবাই ধীরে ধীরে সভাস্থল ত্যাগ করল। সবার মন বিষণ্ণ-বিধ্বস্ত। জানে না, কিসে তারা বেশি মর্মাহত—জন্তুদের বিশ্বাসঘাতকতায় নাকি তাদের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে! আগের দিনগুলোতেও রক্তপাতে তারা বিষণ্ণ হয়ে উঠত। কিন্তু আজ নিজেদের মাঝে ঘটে যাওয়া রক্তপাতের ঘটনায় তারা আহত হয়েছে অনেক বেশি। জন্তুরা উইণ্ডমিলের গোড়ায় একে অপরের গা ঘেঁষে বসে পড়ল—যেন উষ্ণতার সন্ধান করছে।

    ক্লোভার, বক্সার, মুরিয়েল, বেনজামিন, হাঁস-মুরগি সবাই। কেবল বেড়াল নেই। সভা শুরুর পর থেকে আর তাকে দেখা যায়নি। সবাই স্তব্ধ, কেবল বক্সারই স্বাভাবিক। সে উদ্দেশ্যহীনভাবে এদিক সেদিক তাকাচ্ছিল, লেজ নাড়িয়ে কিছু বলার চেষ্টা করল, ‘আমার কিছু বিশ্বাস হচ্ছে না। কোথাও কোন গোলমাল আছে। বেশি কাজ করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। কাল থেকে আমি পুরো এক ঘণ্টা আগে উঠে কাজ শুরু করব।’

    পরদিন একাই বিশাল দু’খণ্ড চুনাপাথর গুঁড়ো করল সে। রাত নামার আগেই পাথরের টুকরোগুলো এনে জড়ো করল টিলার গোড়ায়। টিলার গোড়া থেকে পুরো খামারটা দেখা যায়। বিস্তৃত ফসলের খেত চলে গেছে বড় রাস্তা পর্যন্ত, ঘেসো মাঠ, পানির চৌবাচ্চা, ফসলের খেত—কচি সবুজ গম জন্মেছে সেখানে, ফার্ম হাউসের লাল টালির ছাদ, চিমনির কুণ্ডলী পাকানো ধোঁয়া। বসন্তের সুন্দর বিকেল, ঘাস আর ঝোপগুলো বিকেলের সোনা রোদে ঝলমল করছে।

    সবিস্ময়ে উপলব্ধি করল জন্তুরা—এই খামারটা তাদের! একেবারেই তাদের নিজস্ব সম্পত্তি, তাদের ভালবাসার পুণ্যভূমি। ক্লোভারের চোখ দুটো জলে ভরে এল। যদি বলতে পারত, তবে সে বলত—এজন্য তারা মানুষের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেনি। বুড়ো মেজরের সে রাতের স্বপ্নে এরকম নৃশংস রক্তপাতের কথা ছিল না। তার আঁকা সোনালি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ছিল খিদে ও কষ্টমুক্ত জন্তু জগতের স্বপ্ন।

    যেখানে সবাই সমান, সবাই সাধ্যমত পরিশ্রম করবে, সবলরা দুর্বলদের রক্ষা করবে—সেইরাতে সে যেমন দু’পায়ের মাঝখানে অসহায় হাঁসের বাচ্চাদের জন্য আশ্রয় রচনা করেছিল, তেমনি নিরাপদ হবে তাদের এই জগৎ। তবে এমন কেন হলো? কেন কেউ মনের কথা মুখ ফুটে বলতে পারে না? হিংস্র কুকুর গর্জায় চারদিকে, বন্ধুদের রক্তাক্ত দেহ মাটিতে লুটায়! তার নিজের মনে তো কখনও অবাধ্যতার চিহ্ন ছিল না। আর কোন কথা বুঝুক বা নাই বুঝুক, একটা কথা সে খুব ভাল বোঝে, কোনভাবেই আর জোনসের যুগে ফেরা চলবে না। যাই ঘটুক না কেন, সে আগের মতই বিশ্বস্ত থাকবে। নেপোলিয়নের সব নির্দেশ মেনে চলবে আর যথাসাধ্য পরিশ্রম করবে।

    এরপর ‘বিস্টস অভ ইংল্যাণ্ড’ গাইতে শুরু করল ক্লোভার। অন্য জন্তুরাও গলা মেলাল তার সঙ্গে। নিচু স্বরে, বিষণ্ন সুরে—এই সুরে গানটা তারা আর কখনও গায়নি। গান গাওয়া শেষ হতেই তিনটে কুকুরসহ হাজির হলো স্কুয়েলার। অত্যন্ত জরুরী একটা কথা বলতে এসেছে সে। কমরেড নেপোলিয়ন এক বিশেষ আদেশ জারি করেছেন, তা হলো, আজ থেকে ‘বিস্টস অভ ইংল্যাণ্ড’ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    জন্তুরা স্তব্ধ হয়ে গেল। ‘কেন?’ আর্তনাদ করে উঠল মুরিয়েল।

    ‘এ গানের আর কোন প্রয়োজন নেই,’ কঠোর গলায় বলল স্কুয়েলার। ‘এটা ছিল বিদ্রোহের গান, বিদ্রোহ শেষ হয়েছে বহুদিন আগে। বিশ্বাসঘাতকরাও নির্মূল হয়েছে। ভেতরের বাইরের সব শত্রুই শেষ। এ গান আমাদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখিয়েছিল, সেই স্বপ্ন আজ সফল। তাই এই গানের আর কোন প্রয়োজন নেই।

    ভয় পাওয়া সত্ত্বেও কেউ কেউ প্রতিবাদ করতে চেয়েছিল। কিন্তু স্কুয়েলারের বক্তব্য শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে ভেড়াগুলো ভ্যা ভ্যা করে উঠল—‘চারপেয়েরা বন্ধু, দু’পেয়েরা শত্রু।’ বেশ কিছুক্ষণ চলল তাদের চিৎকার। ততক্ষণে জন্তুরা প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে ফেলেছে।

    ‘বিস্টস অভ ইংল্যাণ্ড’ এরপর আর কখনও শোনা যায়নি। প্রতি রোববার এর বদলে শুয়োর কবি মিনিমাস রচিত একটা গান গাওয়া হত। গানটা এরকম:

    ‘অ্যানিমেল ফার্ম, অ্যানিমেল ফার্ম
    নেভার থ্রো মি শ্যাল্ট দাউ কাম টু হার্ম!’

    কিন্তু কেন যেন এই গান ‘বিস্টস অভ ইংল্যাণ্ড’-এর মত জন্তুদের হৃদয়ে ঝঙ্কার তোলে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article১৯৮৪ (নাইন্টিন এইটি-ফোর) – জর্জ অরওয়েল
    Next Article শ্যামাঙ্গীর ঈশ্বর সন্ধান – জর্জ বার্নাড শ

    Related Articles

    জর্জ অরওয়েল

    অ্যানিমেল ফার্ম – জর্জ অরওয়েল

    November 7, 2025
    জর্জ অরওয়েল

    ১৯৮৪ (নাইন্টিন এইটি-ফোর) – জর্জ অরওয়েল

    August 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }