Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যালেক্স – পিয়ের লেমেইত

    পিয়ের লেমেইত এক পাতা গল্প320 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অ্যালেক্স – ৪৫

    অধ্যায় ৪৫

    প্যারিসে ফিরেই নিজের গাড়ি নিয়ে রসি এয়ারপোর্টে চলে গেল অ্যালেক্স। নিজের পরবর্তী গন্তব্য নিয়ে অনেকক্ষণ ভাবলো। দক্ষিণ আমেরিকা যাওয়ার সামর্থ্য তার নেই, আর আমেরিকা মানেই সেখানে পুলিশের ঝামেলা। তাই আমেরিকার চিন্তা বাদ দিলো। সবদিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিলো তার জন্য উপযুক্ত জায়গা হবে ইউরোপ মহাদেশ, বিশেষ করে সুইজারল্যাণ্ড। নিজের পরিচয় লুকিয়ে থাকার জন্য সর্বোত্তম জায়গা, নানা ধরনের মানুষের আনাগোনা এখানে। মানি লন্ডারিং এর আসামী, যুদ্ধাপরাধী, খুনিদের জন্য সবসময় নিজেদের দুয়ার খোলা রাখে সুইজারল্যাণ্ড। তাই আর দেরি না করে জুরিখগামী প্লেনের টিকেট কেটে ফেললো। পরেরদিন সকাল আটটা চল্লিশ এ ফ্লাইট। কিন্তু তার অনেক আগেই এয়ারপোর্টে এসে নিজের জন্য একটা সুটকেস কেনার ইচ্ছা পোষণ করলো। এর আগে কখনোই দামি কিছু কিনেনি নিজের জন্য। দোকানে ঢুকে বেশ কয়েকটা সুটকেস নেড়ে দেখলেও শেষমেশ একটা মনোগ্রামড ট্রাভেল ব্যাগ কিনলো। ডিউটি ফ্রি শপ থেকে এক বোতল বোমোর কিনে নিলো নিজের জন্য। পেমেন্ট করলো ক্রেডিট কার্ড দিয়ে।

    কেনাকাটা শেষ হয়ে গেলে চলে গেল হোটেল ভলুবিলিসে। হোটেলের বাইরে জ্বলজ্বল করছে ‘আরাম এবং গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দেয়া হয়। একশ রুম আর একশ পার্কিং স্পেস যেন আরামের প্রতিনিধিত্ব করছে। তবে সব রুমের জন্যেই অ্যাডভান্স পেমেন্ট করতে হয়, অ্যালেক্সও তাই করলো। এবারও নিজের ক্রেডিট কার্ড কাজে লাগালো। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে হোটেলের রিসিপশনিস্টকে জিজ্ঞেস করলো, “আচ্ছা, এখান থেকে এয়ারপোর্ট যেতে কতক্ষণ লাগবে?” কিছুক্ষণ ভেবে রিসিপশনিস্ট উত্তর দিলো, “বড়জোর পঁচিশ মিনিট।” সকাল সাতটার দিকে একটা ক্যাবের জন্য বুকিং দিয়ে রাখলো সে।

    লিফটের আয়নার নিজেকে দেখলো- ক্লান্ত বিধ্বস্ত কে যেন দাঁড়িয়ে আছে।

    রাত আটটা বাজে, এটা জানার জন্য অবশ্য ঘড়ি দেখতে হলো না তার- কেননা পাশের রুম থেকে রাত আটটার খবরের শব্দ ভেসে আসছে। গোসলে যাওয়ার আগে নিজের উইগ খুলে বিছানায় রাখলো সে, এরপর কন্ট্রাক্ট লেন্স খুলে টয়লেটে ফ্লাশ করে দিলো। ব্যাগি জিনস আর সোয়েটার গায়ে চাপিয়ে, খালি ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পড়লো এবার। তবে লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করে নিচে নামলো। নিচে নেমে এক কোণায় লুকিয়ে রিসিপশন ডেস্কের দিকে চোখ রাখলো সে। রিসিপশনিস্ট চলে যাওয়ার সাথে সাথে পার্কিং এরিয়ার দিকে চলে গেল।

    বেশ কয়েকটা বিন লাইনার কিনে রেখেছিলো সে। গাড়ির বুট খুলে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলো না। চোখ গড়িয়ে পানি নেমে এলো। গাড়ির বুটে তিনটা বাক্স যার গায়ে ‘ব্যক্তিগত’ স্টিকার সাঁটা, নিজেকে অন্যকিছু ভাবার সময় না দিয়ে, বাক্সে থাকা জিনিসপত্র বিন ব্যাগে ভরতে শুরু করলো। ভেতর থেকে উঠে আসা চাপা গোঙানিকে অগ্রাহ্য করে, নিজের প্রিয় জিনিসগুলোকে একত্রিত করলো : কপিবুক, চিঠি, ব্যক্তিগত ডায়েরী, মেক্সিকান কয়েন। এতোদিন ধরে জমানো জিনিসগুলোর প্রতি আলাদা মায়া জন্মেছিলো তার। কস্টিউম জুয়েলারি, কিছু ছবি, ছোটবেলায় কেনা একটা উইগ, আর ড্যানিয়েলের দেয়া হার্ট শেপড চাবির রিং। ড্যানিয়েল ছিল তার জীবনের প্রথম ভালোবাসা। এতো সব স্মৃতি একসাথে উঠে আসায়, তার পক্ষে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে উঠলো। সোয়েটারের হাতায় একটু পর পর চোখ মুছতে লাগলো। চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করলো, কিন্তু এখন সেই শক্তিটুকুও পেলো না। গাড়ির বুটে বসে পড়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করলো। প্রতিটি জিনিস আলাদা আলাদা করে তিনটা বিন ব্যাগে ভরে ফেললো। প্রতিটা জিনিস ব্যাগে ভরার সময়, স্মৃতিগুলো যেন চিৎকার করে তাকে ডাকতে লাগলো। এমন সময় পার্কিং এরিয়ায় একটা গাড়ি আসার শব্দ পাওয়া গেল। নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে গাড়ির একপাশে চলে আসলো।

    গাড়ির বুট লক করে বিন ব্যাগ তিনটা হাতে নিয়ে পার্কিং এরিয়ার স্লাইডিং গেটের সামনে চলে এলো। গেট দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেকদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। দুএকটা গাড়ি ছাড়া রাস্তা এখন পুরোপুরি খালি। রাস্তায় বেরিয়ে বেশ কয়েকটা ডাস্টবিন চোখে পড়লো তার। হোটেলের এতো কাছেই বিন ব্যাগ ফেলতে চাইলো না। সামনের দিকে বেশ কিছুক্ষণ হাঁটার পর, একটা ডাস্টবিন চোখে পড়লো। পরিত্যক্ত ডাস্টবিনে বিন ব্যাগগুলো ছুঁড়ে দিলো, এর সাথে কাঁধে থাকা ব্যাগটাও। ঢাকনা লাগিয়ে হোটেলের পথ ধরলো। নিজেকে অনেক হালকা লাগছে তার। আর কোন পিছুটান রইলো না। অসমাপ্ত কাজটুকু আরো আগেই শেষ করে এসেছে। হোটেলে ফিরে দেখলো রিসিপশনিস্ট বসে বসে টিভি দেখছে। তাকে পাশ কাটিয়ে রুমে চলে গেল। জামা কাপড় ছেড়ে বাথটাবের উষ্ণ পানিতে নিজেকে সঁপে দিলো।

    অধ্যায় ৪৬

    মাঝে মাঝে কিছু সিদ্ধান্তের মাঝে রহস্য লুকিয়ে থাকে। এই যেমন, ক্যামিল একটু আগে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার পেছনের কারণ সে নিজেও ব্যাখ্যা করতে পারবে না।

    আজ সন্ধ্যা থেকেই এই কেস নিয়ে অনেকক্ষণ ভেবেছে। মেয়েটাকে ধরার আগে আর কত মানুষকে যে হত্যা করবে তাই ভাবছে এতোক্ষণ ধরে। তবে মেয়েটার দিকে সম্পূর্ণ মনোনিবেশ করে, আরেকটা স্কেচ করেছে একটু আগে। তাকে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জীবন্ত মনে হচ্ছে। এতোদিনে নিজের ভুলটা ধরতে পেরেছে সে। এই মেয়ের সাথে আইরিনের কোন মিল নেই। কিন্তু বারবার আইরিন আর মেয়েটাকে গুলিয়ে ফেলছিল। মিল বলতে শুধু এতটুকুই যে দুজনেই অপহরণের শিকার। আর এই কেস আবারও তাকে সেই পুরোনো স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়, আবারও সেই অপরাধবোধে ভুগতে শুরু করে সে। ঠিক একারণেই কোন গোয়েন্দাকে তার ব্যক্তিজীবন সম্পর্কিত কোন কেস দেয়া হয় না। কিন্তু তাকে এই পরিস্থিতিতে ফেলা হয়েছে। লা গুয়েন ইচ্ছে করেই এই কেসের সাথে তাকে জড়িয়ে ফেলেছে, যাতে করে নিজের ভয়ের মুখোমুখি হয়ে, সেটাকে জয় করতে পারে।

    জ্যাকেট গায়ে চাপিয়ে, জুতা পড়ে, চাবি হাতে নিয়ে বেরিয়ে পড়লো ক্যামিল। ঘুমন্ত শহরকে উপভোগ করার জন্য ধীরে ধীরে গাড়ি চালাচ্ছে।

    পঞ্চাশ মিটার সামনেই বিল্ডিংটা দেখা গেল। জানালায় হেডলাইটের আলোর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। গাড়ি থামিয়ে, হেডলাইট জ্বালিয়ে রাখলো।

    কিছুক্ষণ পর হেডলাইট বন্ধ করে, গাড়ি থেকে নেমে, বাড়িটার দিকে হাঁটা শুরু করলো। প্যারিসের চেয়ে এখানে ঠাণ্ডা কিছুটা কম। এমন পরিবেশ বেশ ভাল লাগে তার। ওইদিনের স্মৃতি আবারো মনে পড়ে গেল। হুট করেই যেন আকাশ থেকে নেমে আসছিলো হেলিকপ্টার। হেলিকপ্টারের গর্জন আর তীব্র বাতাসের বিরুদ্ধে দৌড়াতে শুরু করলো। এতোটুকুই মনে পড়ছে তার। পুরোনো স্মৃতি মনে করা বেশ কষ্টসাধ্য।

    বিল্ডিংটা একতলা। অনেক আগে একজন কেয়ারটেকার ছিলো, কিন্তু এখন কেউ থাকে না। দূর থেকে দেখতে একটা কুড়েঘরের মত লাগে, যার সামনে খোলা বারান্দা। ছোট বেলায় এই পথ ধরে কতবার হেঁটেছে ক্যামিল, তার ইয়ত্তা নেই। মায়ের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়তো সেই সময়। কিন্তু আস্তে আস্তে যতই বয়স বেড়েছে, ততই নিজেকে ঘরের মাঝে আবদ্ধ করে ফেলেছে। বাইরে কারো সাথে মিশতো না। কেননা প্রতিদিনই হাস্যরসের খোরাক হওয়াটা তার কাছে অসহণীয় হয়ে উঠেছিলো। এরজন্য কোন বন্ধুও বানানো হয়নি। আর বাড়ির পাশের বন সবসময় তার কাছে এক ভীতির নাম। এখনো এই বনে ঢুকতে ভয় লাগে তার। তবে এই পরিত্যক্ত জায়গায় প্রায়ই এসে সময় কাটায় সে। কেননা এখানেই তার মা কাজ করতো, আর এখানেই আইরিন মারা যায়।

    অধ্যায় ৪৭

    বুকের উপর আড়াআড়ি করে হাত দিয়ে হোটেল রুমে বসে আছে অ্যালেক্স। একটু পরেই তার ভাইকে ফোন করবে। তার ভাই ফোন ধরার সাথে সাথেই বলবে, “ওহ, তুমি…। বলো কী চাও এইবার?” শুরু থেকে একদম শেষতক এমন রাগান্বিত কণ্ঠেই কথা বলে যাবে। হোটেলের টেলিফোন দিয়ে ভাইকে কল করার জন্য আগে শুণ্য চাপতে হলো। এরইমাঝে হোটেলের আশেপাশে দেখা করার জন্য একটা জায়গা বেছে নিয়ে, ঠিকানা লিখে রাখলো। ফোন দেয়ার পর কিছুটা অবাক হলো, কেননা তার ভাইয়ের ফোন কখনো বন্ধ থাকে না। এমনকি রাতেও না। হয়তো কোন টানেলের ভিতর দিয়ে যাচ্ছে? অথবা কোথাও ফেলে গেছে, কে জানে? এইসব না ভেবে একটা ভয়েসমেইল দিয়ে রাখলো। “হাই, অ্যালেক্স বলছি। তোমার সাথে দেখা করাটা খুব জরুরী। আজকে রাত সাড়ে এগারোটায় ১৩৭, বোলেভার্ড জুভেনাল, উলনে তে উপস্থিত থাকবে। যদি আমার দেরি হয় তো অপেক্ষা করবে।”

    ফোন রাখার আগে আরেকটা কথা মনে পড়লো তারঃ “কিন্তু আমার যেন অপেক্ষা করতে না হয়।”

    বিছানায় শোয়ার পর টি.ভি’র শব্দে বিরক্তবোধ করলো। শুয়ে শুয়ে দিবাস্বপ্ন দেখছে সে নানান বিষয়ে, অবশ্য তার উদ্ভট দিবাস্বপ্নগুলোর পেছনে কারণও আছে। পাশের রুম থেকে এখনো শব্দ আসছে, অনেক মানুষই বোঝে না তারা কত সাউন্ড দিয়ে টি.ভি দেখছে। চাইলেই এই সাউন্ডের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে পারে সে। পাশের রুমের দরজায় নক করবে, দরজা খোলার পর দেখা যাবে তার শিকারের মতই কোন পুরুষ দাঁড়িয়ে আছে- কয়জন হয়েছে এতোদিনে? পাঁচ, ছয়, নাকি আরো বেশি? মিষ্টি হেসে তাকে বলবে, “হাই, আমি আপনার পাশের রুমেই থাকি। আমি কি ভেতরে আসতে পারি?” তার মতো সুন্দরী নারীর এমন আহ্বান কোন পুরুষের পক্ষেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব না। এরপর বিস্ময়ের ঘোর না কাটতেই আবারো বলবে, “আমাকে নগ্ন দেখতে চান?” অথবা একটু ভদ্র ভাষায় বলবে, “রুমের পর্দাটা টেনে দিন।” এই কথা শোনার পর যে লোকটার চোয়াল ঝুলে মেঝেতে পড়ে যাবে, এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই অ্যালেক্সের। কেননা অনেক পুরুষের সাথেই মেলামেশার কারণে সবাইকে চেনা আছে তার। আর যদি নিজের ধারা বজায় রাখে তাহলে লোকটাকে বলবে, “দয়া করে টি.ভি’র ভলিউমটা কমিয়ে দিন।” এরপর লোকটা তার কাছে ক্ষমা চেয়ে ভলিউম কমাতে গিয়ে যখনি নিচু হবে, তখনি আক্রমণ করে বসবে। মাথায় লাগাতার কয়েকটা আঘাত যে কাউকে নির্লিপ্ত করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। এরপর বেঁধে শুধু এসিড ঢেলে দেয়া বাকি। ব্যস, কাজ শেষ। এরপর আর টি.ভি’র সাউন্ড বাড়ানোর কেউ থাকবে না। রাতে একটা শান্তির ঘুম হবে তার।

    বিছানায় শুয়ে শুয়ে এসব চিন্তাই সে করে। পুরোনো স্মৃতিগুলো তার দরজায় এসে কড়া নাড়ছে। যে কোন উপায়েই এই লোকগুলোকে হত্যা করতেই হতো। কষ্ট পেতে পেতে এরা মারা যাচ্ছে, হাতজোড় করে প্রাণ ভিক্ষা করছে, তবুও বিন্দুমাত্র অনুশোচনা বোধ হয়নি তার। কেননা, এমন মৃত্যই তাদের প্রাপ্য ছিলো।

    হুট করেই কিনে আনা বোতলের কথা মনে পড়ে তৃষ্ণা লাগলো তার। ছোট একটা গ্লাসে বোমোর ঢেলে নিলো, কিন্তু সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলো পরক্ষণেই। গ্লাস ফেলে দিয়ে বোতল থেকেই ঢক ঢক করে গিলতে শুরু করলো। একটা সিগারেট খেতে ইচ্ছে করলো, কিন্তু আসার সময় কিনে আনা হয়নি। সিগারেট না আনার আফসোসে পুড়লো এখন। পনেরো বছর আগে খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। অবশ্য সিগারেটের প্রতি তীব্র নেশা কখনোই ছিল না তার। যুগের সাথে তাল মেলানোর জন্যেই সিগারেট ধরেছিলো সে। তার বয়সি মেয়েরা যা যা করে, সবই করার চেষ্টা করেছে সেই সময়। আর হুইস্কির প্রতিও কোন টান কখনোই ছিল না, বরং একটু খেলেই মাতাল হয়ে পড়ে। তাই খুব বেশি খায় না। গুনগুন করে গান গাইছে আর নতুন কেনা ব্যাগে জিনিসপত্র গোছাচ্ছে। সবসময় পরিপাটি আর গোছানো থাকতেই পছন্দ করে সে। যে বাসাতেই থাকুক না কেন, ঘরটাকে নিজের মত করে গুছিয়ে নেয়।

    হালকা মাথা ঘুরছে, এরইমাঝে ব্যাগ গোছানো শেষ করলো। আরেকদফা গলা ভিজিয়ে নিলো উষ্ণ তরলে। নিজের অতীত নিয়ে ভাবতে ভাবতে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়লো। ছোটবেলায় যে কেউ তাকে দেখলেই বলতো, “বাহ। মেয়েটা কত শান্ত!দেখতে কত মিষ্টি।” কিন্তু বড় হয়ে, সেই মেয়েই এমন নিষ্ঠুর কাজ করতে পারে, তা কেউ কখনো ভাবতেও পারেনি। এমনকি সে নিজেও তা ভাবেনি।

    এসব ভাবতে ভাবতে সন্ধ্যা পার হয়ে গেল।

    চুমুকের পর চুমুক দিতে দিতে একসময় বোতল খালি হয়ে গেল। একা একাই অনেকক্ষণ কান্নাকাটি করলো অ্যালেক্স। এতো দুঃখ যে তার ভেতর জমা হয়ে আছে, তা নিজেও জানতো না। চোখের জল এখনো তার ভেতরে অবশিষ্ট আছে দেখে, নিজেই খানিকটা অবাক হলো।

    পুরোনো দিনের কথা আরেকবার মনে পড়লো তার। আজ রাতটা একাকী জীবনের আরেকটি দুঃসহ রাত।

    অধ্যায় ৪৮

    কাঠের সিঁড়িতে পা দিতেই ভেঙ্গে পড়লো। অনেক কষ্টে নিজের ভারসাম্য রক্ষা করলো ক্যামিল। কিন্তু ডান পা আটকে গেছে কাঠের সিঁড়িতে। পা ছাড়ানোর চেষ্টা করতেই বেশ ব্যথা পেলো পায়ে, উপায় না দেখে বসে পড়লো। স্টুডিওর দিকে পিঠ দিয়ে বসে আছে সে, হেডলাইট তার সামনে জ্বলজ্বল করছে। ওইদিন ইমার্জেন্সী সার্ভিস আসার আগে ঠিক ওখানেই ছিলো। আস্তে আস্তে পুরোনো দিনের স্মৃতি সব মনে পড়তে লাগলো।

    এইসব মনে করে কী লাভ? বরং সময় নষ্ট ।

    দরজার দিকে ঘুরতেই দেখলো, সিলগালা করে দেয়া। কিন্তু, চিন্তার কিছুই নেই। একপাশের জানালার একটা গ্লাসও নেই, কে যেন ভেঙে ফেলেছে। ওদিক দিয়েই ভেতরে ঢোকার সিদ্ধান্ত নিলো। কিছুক্ষণ পর নিজেকে আবিষ্কার করলো বহু পরিচিত লাল টাইলসের মেঝের উপর। অন্ধকারে চোখ সয়ে যেতে কিছু সময় লাগলো।

    সাদা দেয়ালে এমন কোন জায়গা বাকি নেই, যেখানে গ্রাফিটি নেই। একটু সামনে এগুতেই চোখে পড়লো একটা ছেঁড়া ম্যাট্রেস। ছেড়া কাগজ, পোড়া মোমবাতি, খালি বোতল আর ক্যান ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মেঝেতে। ছাদের একপাশ হেলে পড়েছে, যেখান দিয়ে বনও দেখা যাচ্ছে।

    হুট করেই একটা ছবি ভেসে উঠলো তার মনে।

    আইরিন আর তার সন্তানের মৃতদেহ।

    হাঁটু গেঁড়ে বসে, কান্নায় ভেঙে পড়লো ক্যামিল ।

    অধ্যায় ৪৯

    নগ্ন হয়ে হোটেলের বিছানায় গড়াগড়ি খাচ্ছে অ্যালেক্স। আজ তার মন আনন্দে পূর্ণ। নিজের টি-শার্ট হাতে নিয়ে ঘুরাচ্ছে, আর এদিকে স্মৃতিগুলো তার চোখের সামনে এসে ভিড় করছে। টি-শার্টটা যেন তার পতাকা হয়ে উঠেছে। প্রথমেই ভেসে উঠলো ক্যাফে মালিকের কথা, তার মেদবহুল শরীর আর কোটর থেকে বেরিয়ে আসা চোখের কথা। আরো মনে পড়লে ববির কথা। এর নাম মনে থাকার কারণে কিছুটা খুশি মনে হলো তাকে। ববির কথা মনে পড়তেই টি-শার্টই হয়ে উঠলো তার অস্ত্র। কাল্পনিক ভ্রু ড্রাইভার আরেকবার ববির চোখে গেঁথে দিলো। তবে এবার যেন আরো বেশি গভীরে চলে গেল স্ক্রু ড্রাইভার। মনের আনন্দে সে এখন নাচছে। সারা ঘর জুড়ে দৌড়ে বেড়াচ্ছে আর স্মৃতিগুলোও যেন তার পিছুপিছু ছুটছে। একে একে সব শিকারকে আরেকবার হত্যা করার পরেই থামলো তার নাচ। এখন বেশ ক্লান্ত ভঙ্গিতে সোফায় বসে আছে।

    নিজের ট-শার্ট বাতাসে ছুঁড়ে দিলো যেন তাতে রক্ত লেগে আছে।

    রাত গভীর হওয়ার পর, পাশের রুম থেকে শব্দ আসাও বন্ধ হয়ে গেল। লোকটা হয়তো ঘুমিয়ে গেছে। কিন্তু পাশের রুমে তার জন্য যে আজরাইল অপেক্ষা করেছিলো, তা সে কখনোই জানবে না।

    রুমে থাকা আয়নার সামনে দাঁড়ালো। নগ্ন অবস্থায় নিজেকে দেখছে, এমন সে প্রায়ই করে। অনেকক্ষণ ধরে নিজের দিকে তাকিয়ে থাকলো, শুধু তাকিয়েই থাকলো।

    নিজেকে যতবারই এমন আয়নার সামনে দেখেছে, ততবারই কেঁদেছে। এই কান্নার উপর কখনোই নিয়ন্ত্রণ ছিল না তার।

    কেউ যেন ভেতর থেকে তাকে পরিহাস করছে।

    হুট করে একটু নিচু হয়ে, নির্দ্বিধায় বেসিনের এক কোণায় মাথা ঠুকতে শুরু করলো। নিজের সবটুকু শক্তি দিয়ে পরপর ছয়বার একই কাজ করলো এবং একই জায়গায়। আঘাতের কারণে ঠং ঠং করে আওয়াজ হতে লাগলো। শেষ আঘাতের সময় মাথাটা একটু ঘুরে উঠলো, চোখগুলো যেন বন্ধ হয়ে আসতে চাইলো। সাথে সাথে বিছানায় গিয়ে গা এলিয়ে দিলো সে। রক্তে বালিশ ভিজে যাচ্ছে। বাম হাতটা বাড়িয়ে বার্বিচুরেটের বোতল নিয়ে নিলো। পেটের উপর বোতল রেখে আরেকহাতে সবগুলো পিল নিয়ে মুখে পুড়লো। এরপরে বিছানায় থাকা হুইস্কির বোতলটা নিয়ে ঢক ঢক করে গিলতে লাগলো। যতক্ষণ শ্বাস রইলো, ততক্ষণই পান করলো হুইস্কি। বোতলটা হাত থেকে যখন পড়ে গেল, তখন অর্ধেক খালি হয়ে গিয়েছে। মেঝেতে বোতল গড়িয়ে যাওয়ার শব্দও এলো তার কানে।

    অনেক কষ্টে বমি করার তীব্র ইচ্ছাকে দমন করলো।

    চোখ গড়িয়ে পানি নেমে এলো, কিন্তু কিছুই বুঝলো না।

    শরীর এখানে থাকলেও, মন অন্য কোথাও চলে গেছে।

    আস্তে আস্তে শরীরও নিস্তেজ হয়ে গেছে, শরীরের উপরেও নিয়ন্ত্ৰণ হারালো সে। এখান থেকে ফেরার কোন পথ নেই। তার মন এখন অন্য জগতে চলে গেছে।

    যদি অন্যজগত বলে কিছু থাকে তো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্যামিল – পিয়ের লেমেইত
    Next Article আইরিন – পিয়ের লেমেইত

    Related Articles

    পিয়ের লেমেইত

    আইরিন – পিয়ের লেমেইত

    September 13, 2025
    পিয়ের লেমেইত

    ক্যামিল – পিয়ের লেমেইত

    September 13, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }