Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যালেক্স – পিয়ের লেমেইত

    লেখক এক পাতা গল্প320 Mins Read0
    ⤶

    অ্যালেক্স – ৬০

    রিং হওয়ার সাথে সাথে ফোন ধরলো লা গুয়েন।

    “রাতটা আজকে ভালই কাটলো।”

    “কতদূর এগুলে?”

    “আপনি কোথায় এখন?” জিজ্ঞেস করলো ক্যামিল।

    সঙ্কোচ বোধ করলো লা গুয়েন, তারমানে অবশ্যই নারীসঙ্গে রয়েছে।

    “আমি কিন্তু আগেই বলেছি, আর কোন বিয়েতে সাক্ষী হিসেবে থাকতে পারবো না। কোনভাবেই না।”

    “হ্যা, আমি জানি। আর বলতে হবে না। তা ছাড়া আমি এবার তেমন কিছু করতেও যাচ্ছি না।”

    “লিখে রাখবো নাকি কথাটা?”

    “হ্যা, অবশ্যই।”

    “এখন কিন্তু আসলেই চিন্তায় ফেলে দিলেন।”

    “তোমার ওইদিকে কী অবস্থা?”

    ঘড়ির দিকে তাকালো ক্যামিল ।

    “বোনকে টাকা দিতো, ফোন পেয়ে ওই রাতেই হোটেলে গিয়েছিলো, যেখানে ওর বোনও ছিলো।”

    “ভাল। এতে কাজ হবে তো?”

    “ও নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না। এখন শুধু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে। আশা করি ম্যাজিস্ট্রেট…”

    এদিকটা আমি সামলে নিবো। তা ছাড়া উনিও এখন আমাদের পক্ষেই।”

    “তাহলে এখন সব থেকে উত্তম কাজ হবে একটু ঘুমিয়ে নেয়া।”

    *

    বাসায় ফিরে গেল ক্যামিল

    রাত তিনটা বাজে। বাসায় ফিরে দেয়ালে পেরেক ঠুকতে শুরু করে, মাঝরাতে এমন শব্দ প্রতিবেশীদের ঘুম ভেঙ্গে যায়। যদিও তার প্রতি তাদের কোন অভিযোগ নেই। পেরেক ঠুকে, মায়ের আঁকা ছবিটা দেয়ালে ঝুলিয়ে দেয়। অদ্ভুত এক প্রশান্তিতে ছেয়ে গেল তার মন।

    অফিস থেকে ফেরার পথে লুইসকে খুঁজছিলো। কিন্তু লুইস আরো আগেই বেরিয়ে গেছে। কালই তার সাথে দেখা হবে। কিন্তু কী বলবে, তাই ভাবতে লাগলো। এমন কাজের জন্য একটা ধন্যবাদ প্রাপ্য হয়ে গেছে তার। কিন্তু টাকার ব্যাপারটা এখনো তার মাথায় ঘুরছে।

    ছোট্ট অ্যালেক্সের ছবি মনে ভেসে উঠতেই, তার চোখ গড়িয়ে পানি নেমে এলো।

    গুটি গুটি অক্ষরে লেখা ছোট্ট মেয়েটার উপর পাশবিক অত্যাচারের কথা মনে পড়তেই কষ্টে বুক ভেঙে গেল।

    *

    পরবর্তি সতেরো ঘণ্টার ব্যবধানে আরো তিনবার জেরা করা হলো টমাস ভ্যাসোকে। দুইবার আরম্যান্ড, একবার লুইস। আরম্যান্ড প্রতিটি ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দিতে শুরু করলো। তুলুজে কবে কবে গিয়েছিলো তা দিন তারিখ সহ জানতে চাইলে রেগে যায় টমাস।

    “বিশ বছর আগের কথা- দুই একদিন এদিক ওদিক হলে সমস্যা কোথায়?”

    আরম্যান্ড এমনভাবে তাকালো যেন বলতে চাইছে, ‘আমার সাথে চিল্লাচিল্লি করে লাভ নেই। আমি শুধু আদেশ পালন করছি’।

    “আমার বিরুদ্ধে আপনারা কিছুই পাননি। একটা চুলও না।”

    “সেক্ষেত্রে, আপনার চিন্তা করার কিছু নেই।” মুচকি হেসে জবাব দিলো আরম্যান্ড।

    ঘড়ির দিকে তাকালো ভ্যাসো। সময় যেন কাটতে চাইছে না। কখন এখান থেকে মুক্তি পাবে।

    কিছুক্ষণ পর ক্যামিলও চলে এলো।

    “কী খবর, ক্যাপ্টেন? দিনকাল কেমন চলছে? খুব শীঘ্রই আমরা আলাদা হয়ে যাচ্ছি। আশা করি কষ্ট পাবেন না?”

    “তাড়াতাড়ি? এতো ‘তাড়াতাড়ি কেন?”

    এমন সময়ে ফোন বেজে উঠলো। আরম্যান্ড যেয়ে ফোন রিসিভ করলো। অপর প্রান্ত থেকে কিছু বলার পর ধন্যবাদ বলে ফোন রেখে দিলো সে।

    ক্যামিল এখনো ভ্যাসোর উপর থেকে চোখ সরায়নি।

    “কেবলই ম্যাজিস্ট্রেট আপনাকে পুলিশ হেফাজতে রাখার সময় আরো চব্বিশ ঘণ্টা বাড়িয়ে দিলো।” একদম শান্ত কণ্ঠে বলল ক্যামিল।

    “আমি এখনই ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে দেখা করতে চাই!” উচ্চস্বরে বলল টমাস।

    “আমি অত্যন্ত দুঃখিত, মঁসিয়ে ভ্যাসো। কিন্তু হয়েছে কি আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব একটু ব্যস্ত তো, উনি এখন আসতে পারবে না। আমরা আরো কিছুটা সময় না হয় একসাথে কাটাই। আশা করি আপনি কষ্ট পাবেন না?”

    “এরপর কী করবেন আপনি? ম্যাজিস্ট্রেটকে ভুলভাল বুঝিয়ে না হয় চব্বিশ ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে নিয়েছেন। কিন্তু এরপর? এরপর তো আমাকে ছেড়ে দিতেই হবে। কেননা, আমার বিরুদ্ধে কিছুই প্রমাণ করতে পারবেন না আপনি। আপনি আসলে…”

    শব্দ হারিয়ে ফেললো টমাস ভ্যাসো।

    তার সাহায্যে এগিয়ে এলো ক্যামিল।

    “… অসহ্যকর একজন মানুষ।”

    *

    সারাদিন পর তিনটার দিকে লুইসকে একা পেলো ক্যামিল। এরপর আর কোন দেরি না করে বলল, “ধন্যবাদ।”

    “ধন্যবাদ, লুইস।”

    আরো কিছু বলা দরকার তার। এখানেই থেমে গেলে হবে না।

    “এটা-”

    বলেই থেমে গেল লুইস। গিফটটা যে লুইস দেয়নি, তা তার মুখভঙ্গি দেখেই বুঝে ফেললো। এখানে তার কোন হাত ছিল না।

    “ধন্যবাদ? কিসের জন্য?”

    “সবকিছুর জন্য, লুইস। তোমার সাহায্য….মানে সবকিছু।”

    “তাই নাকি?” লুইস কিছুটা বিস্মিত, কেননা এভাবে ক্যামিলের কাছ থেকে ধন্যবাদ পেয়ে অভ্যস্ত না।

    *

    কিছু তথ্য যাচাই করার জন্য ভ্যাসোকে আবারো তার সেল থেকে নিয়ে আসা হলো।

    লা গুয়েনের অফিসে চলে গেল ক্যামিল। নক না করেই ভেতরে ঢুকে পড়লে খারাপ খবর এসেছে ভেবে সে আতঙ্কিত হয়ে পড়লো। হাত তুলে তাকে আশ্বস্ত করলো ক্যামিল। কেসের ব্যাপারে কথাবার্তা বলল কিছুক্ষণ। এখন শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষা করতে হবে। ক্যামিল তার মায়ের ছবির নিলামের প্রসঙ্গ তুললো।

    “কত বললে তুমি?”

    টাকার অঙ্কটা আবারো বলল ক্যামিল, যা তার নিজেরই বিশ্বাস হয় না। লা গুয়েনকে বেশ মুগ্ধ মনে হলো।

    পোট্রেটের কথা উল্লেখ করলো না ক্যামিল। কেননা নিজের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেয়েছে সে। মায়ের সে বন্ধুকে ফোন করবে বলে সিদ্ধান্ত নিলো, নিলামে ভাল লাভ হওয়ার কারণে, মায়ের এই স্মৃতি উপহার হিসেবে দিয়েছে তাকে। স্বস্তি বোধ করলো সে।

    ঠিক সাতটার সময় গুরুত্বপূর্ণ কাজটা করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো।

    এখন সাতটা বাজে, সেই মাহেন্দ্রক্ষণ চলে এসেছে।

    টমাস ভ্যাসো ক্লান্ত ভঙ্গিতে সেল থেকে অফিসে এসে বসলো। বারবার ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছে। বেশ বিধ্বস্ত দেখাচ্ছে তাকে, গত আটচল্লিশ ঘণ্টায় প্রায় ঘুমায়নি বললেই চলে। এক নির্মম সত্য তাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে।

    অধ্যায় ৬১

    “ব্যাপারটা হলো আপনার বোনের মৃত্যুর ব্যাপারে এখনও কিছু সন্দেহ রয়ে গেছে আমাদের। ওহ, সরি, সৎ বোনের ব্যাপারে।”

    কোন প্রতিক্রিয়া দেখালো না টমাস। এই প্রশ্নের পিছনে কী কারণ থাকতে পারে, তাই নিয়ে চিন্তা করতে লাগলো। সময় প্রায় শেষের দিকে বলে আর উত্তেজিত না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। নিজেকে শান্ত করে ভাবতে শুর করে বাকিটা সময় কীভাবে পার করবে। আর পরবর্তী প্রশ্নগুলোর জন্য নিজেকে প্রস্তুত করলো।

    “আচ্ছা, আপনাদের সময় আটটার দিকে শেষ হবে, তাই না?”

    “বোনের মৃত্যু নিয়ে দেখছি আপনার কোন ভ্রুক্ষেপই নেই।”

    কোন উত্তর না দিয়ে ভ্যাসো এমনভাবে সিলিঙয়ের দিকে তাকিয়ে রইলো যেন ওখান থেকে কোন অনুপ্রেরণা খুঁজছে।

    “আমি আসলে মর্মাহত। খুবই মর্মাহত। কিন্তু কী করার আছে বলুন? রক্তের বাঁধন ছিড়ে গেলে কার না কষ্ট লাগে?”

    “আমি তার মৃত্যু নিয়ে কথা বলছি না। কীভাবে মারা গেল সেটাই জানার চেষ্টা করছি।

    নড় করলো ভ্যাসো।

    “বার্বিচুরেট। আসলেই, খুবই কষ্টদায়ক আর ভয়াবহ। ওর নাকি ঠিকমতো ঘুম হতো না। বার্বিচুরেট ছাড়া ঘুমাতেই পারতো না।”

    এমনভাবে বলল যেন বোনের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। এখনও ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি।

    ওষুধের ব্যাপারটাই এমন, প্রচুর ভেবেচিন্তে খেতে হয়, তাই না? আপনার কী মনে হয়? নার্স হওয়ার কারণে যে কোন ওষুধ খুব সহজেই কিনতে পারতো অ্যালেক্স।”

    হুট করেই চিন্তামগ্ন হয়ে পড়লো ভ্যাসো।

    “কিন্তু আমি এখনও বুঝলাম না বার্বিচুরেটের কারণে মৃত্যু হয় কীভাবে? হয়তো শরীরে খিঁচুনি উঠে মারা যায় মানুষ।”

    “খুব দ্রুত সময়ে মাত্রাতিরিক্ত ডোজ দেয়ার ফলে ভিক্টিম কোমায় চলে যায়। আস্তে আস্তে শ্বাসতন্ত্র নিজের কাজ করার ক্ষমতা হারায়; ভিক্টিমের শ্বাসের সাথে সাথে বমিও চলে যায় ফুসফুসে এবং শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়।”

    একনাগারে কথা বলে বড় করে শ্বাস নিলো ক্যামিল।

    “যদি কিছু মনে না করেন, তাহলে আমরা এখন ওইরাতে ফিরে যাই যে রাতে আপনি অ্যালেক্সের হোটেলে গিয়েছিলেন। মাঝরাতের একটু পরেই তো, তাই না?”

    “আপনার তো সাক্ষী আছেই, তাদেরকেই জিজ্ঞেস করুন না?”

    “তাদের সাথে কথা হয়েছে আমাদের।”

    “কী বলল?”

    “বারোটা বিশের দিকে।”

    “তাহলে, তাই।”

    “আমাদের দু’জন সাক্ষীর চোখ ফাঁকি দিতে পারলেও, অন্য আরেকজন ঠিকই আপনাকে দেখে ফেলে। সাক্ষী আপনাকে লিফট এর জন্য অপেক্ষা করতে দেখেছে। এরপর কী হয়েছিলো তা সে জানে না। কেননা তার রুম ছিল নিচতলায়। আর আপনি তো লিফটে…”

    “না।”

    “আসলেই? কিন্ত…”

    “আমি কোথায় যাবো লিফটে?”

    “ঠিক এই প্রশ্নের উত্তর আমরাও খুঁজে বেড়াচ্ছি। আপনি কোথায় যাচ্ছিলেন।”

    অসন্তুষ্টি প্রকাশ করলো ভ্যাসো।

    “দেখুন, অ্যালেক্স ফোন করে তার সাথে দেখা করতে বলে, আমি ওর দেয়া ঠিকানায় যেয়ে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকি। ও না আসায় হোটেলে যাই, কিন্তু সেখানেও দেখি রিসিপশন ডেস্কে কেউ নেই। এরপর আমি কী করবো? দুইশটা রুমে যেয়ে দরজা নক করে বলবো, ‘আমার বোনকে দেখছেন?”

    “সৎ বোন,” শুধরে দিলো ক্যামিল।

    রাগে দাঁত কিড়মিড় করলো ভ্যাসো। না শোনার ভান করে এগিয়ে গেল।

    “তো যাই হোক, হোটেল থেকে দুইশ মিটার দূরে নিজের গাড়িতে বসে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করলাম। যে কেউ একই কাজ করতো। আমি ভেবেছিলাম রিসিপশন ডেস্কে গেস্টদের লিস্ট পাবো, সেখান থেকে অ্যালেক্সের রুমও বের করে নিবো। কিন্তু ওখানে কিছুই ছিল না। আমার আর কী করার ছিলো? তাই, এরপর বাসায় চলে যাই। এই তো।”

    “তারমানে এরপর আপনি আর কিছুই করেননি?”

    “না। আমি আর কিছুই করিনি।”

    অসন্তুষ্ট ভঙ্গিতে মাথা নাড়লো ক্যামিল।

    “কী? এতে সমস্যা কোথায়?”

    সবাই তার দিকে তাকিয়ে আছে।

    আর একবার ঘড়ির দিকে তাকালো সে। আর বেশি সময় নেই। একটু পরেই এখান থেকে বের হয়ে যেতে পারবে ভেবে মুচকি হাসলো ভ্যাসো।

    “আমি তো কোন সমস্যা দেখি না। শুধু…”

    “শুধু কী?”

    “যদি আমি ওকে খুঁজে পেতাম, তাহলে এমন কিছুই হতো না।”

    “মানে?”

    “মানে আমি খুঁজে পেলে, ওকে বাঁচাতে পারতাম।”

    “দুর্ভাগ্যজনকভাবে আপনি খুঁজে পাননি, আর বাঁচানোও যায় নি।”

    নিজের হাত প্রসারিত করলো ভ্যাসো।

    ক্যামিল নিজের কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিলো।

    “আপনার বোনের মৃত্যুর ব্যাপারে প্যাথলজিস্টের কিছু সন্দেহ আছে, মঁসিয়ে ভ্যাসো।”

    “সন্দেহ?”

    “হ্যা।”

    “কী রকম?”

    “আপনার বোনকে আসলে হত্যা করা হয়েছিলো, কিন্তু তা আত্মহত্যার মত করে সাজানো হয়েছে। আমার মতে, একদম ঠাণ্ডা মাথায় এ কাজ করা হয়েছে।”

    “এসব কী বালছাল বলছেন?” উত্তেজিত কণ্ঠে বলল ভ্যাসো।

    প্রথমত, অ্যালেক্সের আচার আচরণে মনে হয় না, আত্মহত্যা করার মত মেয়ে ও।”

    “কেমন আচার আচরণ…?”

    “জুরিখের টিকেট, গোছানো লাগেজ আর ট্যাক্সির বুকিং। আত্মহত্যা করতে যাওয়া একজনের এসব ঠিক করে রাখার কথা নয়। এছাড়াও সন্দেহ করার মত আরো কারণ আছে। মাথায় বেশ কয়েকটা গভীর ক্ষত আছে যা বাথরুমের বেসিনে আঘাত করার ফলে হয়েছে। অটোপসি রিপোর্ট এ বলা হয়েছে ক্ষতগুলো বেশ গভীর। তাই আমাদের ধারণা, এটা অন্য কেউ করেছে। ওইরাতে অ্যালেক্সের সাথে আরেকজন ছিলো।”

    “কিন্তু…কে?”

    “সত্যি বলতে, মঁসিয়ে ভ্যাসো, আমাদের বিশ্বাস আপনিই ছিলেন।”

    “কী?” চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলল ভ্যাসো।

    “আপনি বসে পড়ুন।”

    কিছু সময় পর ভ্যাসো শান্ত হয়ে বসলো।

    “আমি জানি বোনের মৃত্যু আপনার জন্য অনেক বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে, মঁসিয়ে ভ্যাসো। কিন্তু, কিছু করার নেই আমাদের। সাধারণত আত্মহত্যার ক্ষেত্রে ভিক্টিম একটা পদ্ধতি অনুসরণ করে। কেউ সিলিংয়ে ঝুলে পড়ে, কেউ জানালা থেকে লাফ দেয়, কেউ নিজের কব্জি কেটে ফেলে কিংবা অন্য কোন অংশ। আবার কেউ পিল খায়। কিন্তু একইসাথে দুইটা পদ্ধতি কেউ অনুসরণ করে না।”

    “এসবের সাথে আমার কী সম্পর্ক?”

    কথার ঝাঁঝেই বোঝা গেল এসবের সাথে তার কোন সম্পর্কই নেই।

    “ঠিক বুঝলাম না।”

    “আমি বলতে চাচ্ছি, এসবের সাথে আমার কী সম্পর্ক?”

    “সবকিছুর সাথেই আপনি জড়িত। কেননা আপনার ছাপ…”

    “ছাপ? কিসের ছাপ? বালের…”

    টেলিফোন বেজে উঠলো, কিন্তু সে থামলো না। ক্যামিল ফোন রিসিভ করলো। তাই লুইস আর আরম্যান্ডের দিকে তাকালো ভ্যাসো।

    “কোন ছাপের কথা হচ্ছে?”

    লুইস মাথা নেড়ে জানিয়ে দিলো এই ব্যাপারে তার কোন ধারণা নেই। আরম্যান্ড তো আরো আগে মুখ ঘুরিয়ে বসে আছে।

    “কোন ছাপের কথা বলছেন আপনি?” ক্যামিলকে জিজ্ঞেস করলো ভ্যাসো।

    “ওহ, আচ্ছা। অ্যালেক্সের আঙুলের ছাপের কথা বলছি।”

    “ওর আঙুলের ছাপ নিয়ে আবার কী হলো?”

    কিছুই বলল না ক্যামিল। মাঝে মাঝে তাকে বুঝে উঠা যে কারো জন্য মুশকিল।

    “আরে, আজব তো। ওই রুমে অ্যালেক্স ছিলো। ওখানে তো ওর আঙুলের ছাপ থাকাটা স্বাভাবিক।”

    হাত তালি দিয়ে ভ্যাসোর বুদ্ধির প্রশংসা করলো ক্যামিল ।

    “ঠিক এটা আমারও কথা। কিন্তু ওর আঙুলের ছাপ বেশিরভাগ পাওয়া যায় নি।” হাততালি থামিয়ে বলল ক্যামিল।

    ভ্যাসো বুঝতে পারছে এরপরেই আসবে আরেকটা প্রশ্ন। এরজন্য নিজেকে প্রস্তুত করছে।

    “রুম থেকে অ্যালেক্সের আঙুলের ছাপ খুব কম পেয়েছি আমরা, যা বেশ অস্বাভাবিক। আমাদের বিশ্বাস কেউ তার নিজের আঙুলের ছাপ মুছতে গিয়ে অ্যালেক্সেরটাও মুছে ফেলেছে। সব না, কিন্তু বেশিরভাগই। কিছু জায়গা আবার চোখে পড়ার মত। যেমন, দরজার হাতল।”

    ভ্যাসো যেন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়লো। বলার মত কিছুই খুঁজে পেলো না।

    “দেখুন, মঁসিয়ে ভ্যাসো, যে মানুষটা আত্মহত্যা করবে, সে কখনোই নিজের আঙুলের ছাপ মুছতে যাবে না।”

    কথাগুলো ঠিক যেন হজম হচ্ছে না টমাস ভ্যাসোর।

    “এরজন্যেই, আমাদের বিশ্বাস যে ওইরাতে তার সাথে অন্য কেউ ছিলো, যে এই কাজগুলো করেছে।”

    টমাসের মুখের করুণ অবস্থা দেখে, তাকে তথ্যগুলো হজম করার সময় দিলো ক্যামিল। কিছুক্ষণ পর স্কুল শিক্ষকের ভঙ্গিমায় কথা বলতে শুরু করলো।

    “আঙুলের ছাপের দিক থেকে চিন্তা করলে, হুইস্কির বোতল আবার আরেকটা সমস্যা। হুইস্কির বোতল প্রায় অর্ধেক খালি ছিলো। হুইস্কি বার্বিচুরেটের বিষক্রিয়া আরো ত্বরান্বিত করে, মৃত্যুকে করে সুনিশ্চিত। কিন্তু, সমস্যাটা হলো হুইস্কির বোতল থেকেও খুব সতর্কতার সাথে আঙুলের ছাপ মুছে ফেলা হয়েছে, আর যে টি-শার্ট দিয়ে মোছা হয়েছে তা সোফার পাশেই পড়ে ছিলো। আবার ফরেনসিক বিভাগ থেকে পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, আঙুলের ছাপ এমন চ্যাপ্টা যে কেউ হয়তো জোর করিয়ে হুইস্কি খেতে বাধ্য করেছে তাকে। এই ব্যাপারে আপনার কী মতামত?”

    “আমা…আমার কিছুই বলার নেই। আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।”

    “ওহ, কিন্তু আপনার তো জানার কথা, মঁসিয়ে ভ্যাসো। কেননা, আপনিই ওইরাতে অ্যালেক্সের সাথে ছিলেন!!”

    মোটেও না। আমি কখনোই ওখানে ছিলাম না। আমি কিন্তু আগেই বলেছি, আমি বাসায় ফিরে গিয়েছিলাম।”

    “আপনি যদি সেখানে নাই থাকতেন, তাহলে ওখানে আপনার আঙুলের ছাপ আমরা কীভাবে পেলাম, মঁসিয়ে ভ্যাসো?”

    ভ্যাসো বোবা হয়ে গেল। ক্যামিল নড়েচড়ে বসলো।

    “আমরা অ্যালেক্সের রুমে আপনার আঙুলের ছাপ খুঁজে পেয়েছি। আমাদের ধারণা আপনিই তাকে খুন করেছেন।

    তীক্ষ্ণ এক চিৎকার যেন ভ্যাসোর গলায় আটকে গেল তাই কেঁউকেঁউ করে চেঁচাতে লাগলো।

    “এটা অসম্ভব। আমি ওই রুমে এক কদমও রাখিনি। আঙুলের ছাপ কোথায় পেয়েছেন?”

    “বার্বিচুরেটের বোতলে। আপনি হয়তো মুছতে ভুলে গেছেন। এতে অবশ্য অবাক হওয়ার কিছু নেই, তাড়াহুড়োয় এমনটা হতেই পারে।”

    “বুঝতে পেরেছি! বুঝতে পেরেছি! ওই বোতল আমি দেখেছিলাম, গোলাপি পিল। আমি ধরেছিলাম। অ্যালেক্সও ছিল তখন!” গর্জন করে বলল ভ্যাসো।

    ক্যামিল ব্যাখ্যা দাবি করলো।

    “যখন অ্যালেক্সের সাথে আমার দেখা হয়েছিলো…”

    “আচ্ছা।”

    “শেষবার যখন দেখা হয়েছিলো…”

    “কবে সেটা?”

    “আমার ঠিক মনে নেই। তিন সপ্তাহ আগে নয়তো একমাস।“

    “আচ্ছা।”

    “ও আমাকে বোতলটা দেখিয়েছিলো।”

    “সত্যিই? কোথায় দেখিয়েছিলো?”

    “আমার অফিসের পাশের একটা ক্যাফেতে।”

    “বাহ, বেশ ভাল, মঁসিয়ে ভ্যাসো, আপনি আমাদের বিস্তারিত বলুন না?” আস্তে আস্তে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়ে এলো তার। তার সামনে যেন নতুন দুয়ার খুলে গিয়েছে। আবারো একটা সম্ভাবনা উঁকি দিয়েছে তার সামনে। এখন পুরো ঘটনাটা ব্যাখ্যা করতে পারবে, আর তা মানতেই হবে এই অফিসারদের। একটা বোতলের কারণে তার বিরুদ্ধে এই কেস হতে পারে না।

    “একমাস আগে অ্যালেক্স আমার সাথে দেখা করতে চায়।”

    “টাকা চেয়েছিলো?”

    “না।”

    “তাহলে কীসের জন্য এসেছিলো?”

    ভ্যাসো জানে না। আদতে অ্যালেক্স তাকে কখনোই কারণ বলেনি, তা ছাড়া তাদের এই সাক্ষাতও হুট করে শেষ হয়ে যায়। অ্যালেক্স কফি অর্ডার করলেও, বিয়ার অর্ডার করে টমাস। আর তখনই একটা বোতল বের করে অ্যালেক্স। ভ্যাসো জিজ্ঞেস করে বোতলের ভেতরে কী আছে।

    “আলেক্সকে ওই সব ছাইপাশ খেতে দেখে…”

    “বোনের স্বাস্থ্য নিয়ে তো বেশ চিন্তিত ছিলেন আপনি।”

    ঠেস মারা কথাটা শুনেও না শোনার ভান করলো ভ্যাসো। যত দ্রুত সম্ভব এখান থেকে মুক্তি চায় সে।

    “আমি বোতলটা ওর হাত থেকে কেড়ে নেই। তাই আমার আঙুলের ছাপ পাওয়া গেছে।”

    সামনে বসে থাকা অফিসারদের এখনও সন্তুষ্ট মনে হলো না। আরো কিছু জানতে চায় তারা।

    “ওষুধের নাম কী ছিলো, মঁসিয়ে ভ্যাসো?”

    “আমি নামটাম কিছু দেখিনি, বোতলটা কেড়ে নেই। খুলে দেখি, কিছু গোলাপি পিল রয়েছে সেখানে। ওকে জিজ্ঞেস করি এসব কী। ব্যস, আর কিছু না।”

    “আচ্ছা, আমি বুঝতে পেরেছি বোধহয়। দুইটা একই বোতল ছিল না। কেননা অ্যালেক্স যে পিল খেয়ছিলো ওগুলো নীল ছিলো, গোলাপী না।”

    “এর মানে কী?”

    “এর মানে হচ্ছে দুইটা আলাদা বোতল ছিলো।”

    “না। না। না! এভাবে বললে হবে না।”

    “চলুন একটু পিছনে ফিরে যাই। অ্যালেক্সকে হত্যা করার শক্ত কারণ ছিল আপনার, কেননা সে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করছিলো। একবার বিশ হাজার ইউরো নিয়ে নিয়েছিলো, হয়তো সামনে আরো নেয়ার পরিকল্পনা ছিলো। আপনার স্ত্রীকে মিথ্যা বলে আপনি বাসা থেকে বের হন। আপনার মতে, আপনি এরকম জায়গায় যান, যেখানে আপনাকে কেউ দেখেনি। এরপর হোটেলে যান, যেখানে দু’জন আপনাকে দেখেছে।”

    “কিন্তু এর কোনটাই আমাকে অপরাধী প্রমাণ করে না!”

    “কিন্তু কারণ তো আমরা পেয়েই গেছি, কোন অ্যালিবাই নেই, আবার রহস্যজনকভাবে আপনি অপরাধস্থলে উপস্থিত ছিলেন। এর সাথে আরো যোগ করা যায়, অ্যালেক্সের মাথায় যে আঘাত ছিল তা তার নিজের পক্ষে করাও সম্ভব না, আবার ঘটনাস্থল থেকে আঙুলের ছাপও মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। এরপর আর কী বলার…”

    “না! না! এতোটুকুই যথেষ্ট না…”

    “আচ্ছা। ঠিক আছে, মানলাম। কিন্তু আমরা তো আপনার ডি.এন.এ পেয়েছি ওখান থেকে, মঁসিয়ে ভ্যাসো।”

    ভ্যাসো একদম বোকা বনে গেল।

    “অ্যালেক্সের লাশের পাশেই আমরা একটা চুল খুঁজে পেয়েছি। আপনার ডি.এন.এ’র সাথে তা মিলে যায়। প্রমাণ মুছে ফেলার সময় হয়তো এটা খেয়াল করেননি।”

    ক্যামিল তার সামনে দাঁড়ালো।

    “তো, মঁসিয়ে ভ্যাসো, আপনার কী মনে হয়, ডি.এন.এ কি যথেষ্ট হবে দোষী সাব্যস্ত করার জন্য?”

    হতবাক হয়ে গেল টমাস ভ্যাসো। মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লো। হাত পা যেন অসাড় হয়ে এলো তার। হুট করেই উঠে দাঁড়ালো আর বলল,

    “ও এটা ইচ্ছা করে করেছে…”

    এতো আস্তে করে বলল যেন নিজেকেই নিজে বলছে, কিন্তু কথাটা সামনে থাকা অফিসারদের উদ্দেশ্য করে বলা।

    “এই সব কিছু করেছে আমাকে ফাঁসানোর জন্য…তাই না?”

    হুট করে যেন একটা ঝাঁকি খেলো সে। কথা বলার সময় সারা শরীর কেঁপে উঠছে। অন্য যে কোন কেস হলে, যে কোন পুলিশ অফিসারের পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি দেখাতো। কিন্তু এখন তেমন কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না কারো মাঝে। লুইস কেস ফাইল নিয়ে পড়ে আছে। আর আরম্যান্ড পেপারক্লিপ দিয়ে নখ খুঁচিয়ে যাচ্ছে। তবে ক্যামিল কেবল মজা পেতে শুরু করেছে। তাই সে এগিয়ে এলো।

    “আমি অ্যালেক্সকে মেরেছিলাম….”

    কণ্ঠে কোন প্রাণ নেই তার। ক্যামিলের দিকে তাকিয়ে একনাগাড়ে কথা বলে চললো।

    “ক্যাফেতে পিল নিতে দেখে আমি ওর সাথে রাগারাগি করি। এরপর আমাকে শান্ত করতে অ্যালেক্স আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। তখন আমার চুলে ওর আংটি আটকে যায়। এরপর হাত টান দিলে আমার চুলও উঠে আসে কয়েকটা। তখন আমি ওকে থাপ্পড় মারি। আমার চুল…”

    হতবুদ্ধিকর অবস্থা থেকে জেগে উঠলো ভ্যাসো।

    “শুরু থেকেই আমাকে ফাঁসানোর জন্য এমন ফাঁদ পেতেছে, তাই না?”

    চারপাশে সাহায্যের জন্য তাকালো। কিন্তু ক্যামিল, লুইস, আরম্যান্ড কেউই সাড়া দিলো না।

    “পুরো ঘটনাটাই ওর সাজানো এবং অনেকদিন ধরে নিখুঁতভাবে সাজিয়েছে। আপনারা তো বুঝতে পারছেন, তাই না? জুরিখে যাবার টিকেট, গোছানো সুটকেস, ট্যাক্সির বুকিং সবই সাজানো, যাতে পুলিশ ধারণা করে ও পালাতে চাইছিলো, আত্মহত্যার কোন ইচ্ছাই ছিল না। আর আমার সাথে এমন জায়গায় দেখা করার ব্যবস্থা করে যেখানে আমাকে কেউ দেখবে না, বেসিনে নিজের মাথা ঠুকে, নিজের আঙুলের ছাপ মুছে ফেলে, আমার আঙুলের ছাপওয়ালা বোতল ফেলে রাখে, আর একটা চুল মেঝেতে ফেলে দেয়…”

    “কিন্তু আমাদের বিশ্বাস ঠিক এর উল্টোটাই ঘটেছে। আর আপনার কথা প্রমাণ করা বেশ কষ্টসাধ্য। অ্যালেক্স আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলো, আর আপনি ওর থেকে মুক্তি চাচ্ছিলেন, তাই মোক্ষম সুযোগ বুঝে তাকে হত্যা করেন। ডি.এন.এ আর আঙুলের ছাপ তারই প্রমাণ।”

    কিছুক্ষণের জন্য নীরবতা নেমে এলো। এরপর মুখ খুললো ক্যামিল।

    “আপনার জন্য একটা ভালো খবর, আরেকটা খারাপ খবর আছে। ভালো খবর হলো পুলিশ হেফাজতে থাকার সময় শেষ হয়েছে, আর খারাপ খবর হলো খুনের দায়ে আপনাকে গ্রেফতার করা হলো।”

    “আমি খুন করিনি! আপনি জানেন, আমি খুন করিনি। আপনি জানেন, এটা ওর সাজানো নাটক, তাই না?”

    এবার সরাসরি ক্যামিলের দিকে তাকিয়ে বলল, “আপনি শুরু থেকেই জানতেন খুনটা আমি করিনি!”

    “আপনি তো আবার হিউমারের খুব ভক্ত। আমারও কিন্তু এই ব্যাপারে প্রতিভা আছে টুকটাক। যাওয়ার আগে আপনাকে বলি, অ্যালেক্স কিন্তু আপনাকে একদম বোল্ড আউট করে দিলো।”

    “আর হ্যা, আপনাকে দু-দিন পুলিশ হেফাজতে রাখার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। কিন্তু কী করবো বলুন ডিএনএ টেস্ট করতে একটু সময় লাগে তো। তাই দুইদিন রাখতে বাধ্য হয়েছি। আশা করি কিছু মনে করবেন না,” বলল ক্যামিল ।

    অধ্যায় ৬২

    লুইস করিডোর ধরে হাঁটা শুরু করলো, আরম্যান্ড ঠিক তার পেছনেই হাঁটছে। গায়ে এখনো সেই জরাজীর্ণ পোশাক।

    ক্যামিল নিজের অফিস রুমে গিয়ে আঠারো হাজার ইউরোর একটা চেক লিখলো। তার হাত কাঁপছে। এরপর নিজের ফাইলপত্র নিয়ে করিডোরের দিকে চললো। কিছুক্ষণ পর তাকে আরম্যান্ডের ডেস্কের সামনে দেখা গেল। তার সামনে আরম্যান্ড দাঁড়িয়ে আছে।

    “নাও, এটা তোমার জন্য।” চেকটা আরম্যান্ডের দিকে বাড়িয়ে দিলো ক্যামিল।

    টাকার অংক দেখে ইংরেজী ও অক্ষরের মত মুখ হা হয়ে গেল আরম্যান্ডের। নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলো না।

    “না। না। স্যার, আমি এটা নিতে পারবো না,” বলল আরম্যান্ড। “আরে, কেন নয়? এটা তোমার উপহার। আমার পক্ষ থেকে ছোট একটা উপহার।”

    “ওহ। আপনি আসলেই অনেক ভাল মানুষ, স্যার।”

    আরম্যান্ডকে আজকে বেশ খুশি মনে হলো এতোগুলো টাকা একসাথে পেয়ে।

    *

    “বেশ ভাল কাজ দেখিয়েছো তোমরা,” এই বলে লা গুয়েনের সাথে হাত মেলালো ম্যাজিস্ট্রেট।

    একটু সামনে ক্যামিল দাঁড়িয়ে আছে। সেদিকে এগিয়ে গেল ম্যাজিস্ট্রেট ভিডার্ড।

    “কম্যান্ড্যান্ট…”

    মাথা ঝাঁকালো ক্যামিল।

    “ভ্যাসো হয়তো এটাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করবে, আর আসল সত্য উদ্ঘাটনের দাবি জানাবে…”

    “হ্যা, আমিও এমনটাই শুনেছি,” বলল ভিডার্ড

    কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে কিছু একটা ভাবলো।

    “কোনটা সত্য আর কোনটা সত্য নয়, এটা কে দেখতে যাবে? সত্যের চেয়েও বড় বিষয় হলো ন্যায়বিচার। আর আমি সেটাই নিশ্চিত করবো। এতে হবে না?”

    ক্যামিল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলো।

    ম্যাজিস্ট্রেট ভিডার্ড, লা গুয়েন, ক্যামিল- সবাই একে অপরের দিকে তাকিয়ে প্রশান্তির হাসি দিলো। এতোদিনের সাধনার পর এই কেস সমাধান হয়েছে। আর প্রকৃত অপরাধীর সাজার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্যামিল – পিয়ের লেমেইত
    Next Article আইরিন – পিয়ের লেমেইত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }