Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাস্ট্রোফিজিকস : সহজ পাঠ – নীল ডিগ্র্যাস টাইসন ও গ্রেগরি মোন

    গ্রেগরি মোন এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগের উপায় কী

    ২. এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগের উপায় কী

    ধরা যাক, কোনো এলিয়েন সভ্যতার খোঁজে আমরা অন্য আরেকটা গ্রহে নেমেছি। ওই এলিয়েনদের কোনো কিছুই হয়তো আমাদের মতো হবে না। তাদের পায়ের সংখ্যা হতে পারে তিনটা। কিংবা কে জানে, কোনো পা না-ও থাকতে পারে। তাদের চামড়া হতে পারে ঘিনঘিনে পিচ্ছিল ও রক্তবর্ণের। এমনকি ন্যাকেড মোল ইঁদুরের চেয়েও কুৎসিত হতে পারে। কে জানে, তারা চমৎকার নাচও জানতে পারে। আমরা আসলে এসবের কিছুই জানি না। শুধু একটা বিষয় নিশ্চিত জানি, আমাদের বিশ্বে প্রকৃতির যেসব নিয়মকানুন আছে, তাদের বিশ্বেও একই নিয়মকানুন প্রযোজ্য।

    বিজ্ঞানে এই ধারণাকে বলা হয় ইউনিভার্সালিটি অব ফিজিক্যাল লজ। অর্থাৎ পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলোর সর্বজনীনতা।

    তুমি যদি এলিয়েনদের সঙ্গে কথা বলতে চাও, তাহলে বাজি ধরতে পারো, তারা ইংরেজি বা ফরাসি কিংবা মান্দারিন ভাষায় কথা বলতে পারবে না। আবার তাদের সঙ্গে হাত মেলানোকে তারা আন্তরিক শুভেচ্ছা, নাকি ভয়ানক অপমান হিসেবে মনে করবে, তা-ও আমরা জানি না। কিন্তু তাদের সভ্যতা যদি উন্নত হয়ে থাকে, তাহলে আমাদের পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো ঠিকই বুঝতে পারবে। এলিয়েনরা খাটো হোক বা লম্বা হোক, ঘিনঘিনে হোক বা তা না হোক, মহাকর্ষ সম্পর্কে তাদের জ্ঞান থাকবে। কাজেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, বিজ্ঞানের ভাষা ব্যবহার করা।

    *

    বৈজ্ঞানিক যেসব সূত্র আমাদের মহাবিশ্বকে সংজ্ঞায়িত করে ও আকার দেয়, সেগুলো মহাবিশ্বের সব জায়গায় একই রকম। তোমার বাড়ির পেছনের উঠান থেকে মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠ এবং তা ছাড়িয়ে সব জায়গার জন্যই সূত্রগুলো সত্য। এমনকি ছায়াপথের বহু দূরের পটভূমিতে যে স্টার ওয়ার্স মুভি বানানো হয়েছে, সেগুলোতেও এসব সূত্রে অবিচল থাকা উচিত। কারণ, সবচেয়ে দূরবর্তী ছায়াপথগুলোও আসলে আমাদের মহাবিশ্বেরই অংশ।

    ভৌত বা পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো যে সর্বজনীন, তা একসময় বিজ্ঞানীরাও জানতেন না। মানে ১৬৬৬ সালের আগপর্যন্ত এটা জানা ছিল না কারও। কিন্তু ওই বছর মহাকর্ষ সূত্র লিপিবদ্ধ করেন আইজ্যাক নিউটন নামের এক ভদ্রলোক। মহাকর্ষ কীভাবে কাজ করে, সে রকম একটা রেসিপি বলা যায় একে। এর আগে কেউ জানত না, বা ভাবতেও পারেনি যে বৈজ্ঞানিক সূত্রগুলো আমাদের বাড়িতে আর মহাবিশ্বের সব জায়গায় একই রকম। নিজ নিজ ক্ষেত্রে পৃথিবীর পার্থিব জিনিসপত্র এবং স্বর্গীয় বা মহাকাশের স্বর্গীয় বস্তু (যেমন নক্ষত্র ও গ্রহগুলো) চলাফেরা করত।

    আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গার নিয়মকানুন বা সূত্র বদলে যেতে পারে। যেমন তোমার বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্টে স্নিকার পায়ে দিয়ে সব জায়গায় ঘুরে বেড়াতে পারো। তাতে হয়তো কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তোমার বন্ধুর বাড়িতে গেলে হয়তো সেখানকার নিয়ম মেনে চলতে হবে। তোমাকে জুতা খুলে ফেলতে হতে পারে দরজার কাছে। কারণ, যাতে সব জায়গায় ধুলো বা কাদা ছড়িয়ে না পড়ে। মহাবিশ্বও হয়তো সেভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলে একসময় মনে করতেন বিজ্ঞানীরাও। মানে একেক জায়গায় একেক নিয়ম। কিন্তু নিউটন আবিষ্কার করলেন, মহাবিশ্ব আসলে অন্যভাবে কাজ করে। অর্থাৎ মহাবিশ্বের সব জায়গায় একই নিয়ম খাটে।

    *

    ১৬৬৫ সালে ভয়াবহ সংক্রামক রোগ প্লেগ ছড়িয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ডের লন্ডন শহরে। এ রোগ থেকে বাঁচতে লোকজন শহর ছেড়ে পালাতে শুরু করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেন স্যার আইজ্যাক নিউটনও। লিঙ্কনশায়ারে গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি। শহরে থেকে দূরে এসে বেশ সময় ছিল নিউটনের হাতে। তাই সেই অবসরে কিছু চিন্তাভাবনা শুরু করলেন। বাগানের দিকে তাকিয়ে তিনি ভাবলেন, পাকা আপেলকে গাছ থেকে নিচের দিকে টেনে আনে কোন ধরনের বল? আপেলগুলো সোজাসুজি মাটিতে এসে পড়ে যায় কেন? ১৬৬৬ সালের মধ্যে এই প্রশ্নটা তাঁকে মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করতে সহায়তা করল।

    নিউটনের বুদ্ধিদীপ্ত কাজের কারণে সেবার বোঝা সম্ভব হলো, মহাকর্ষ শুধু সামান্য আপেলকেই মাটিতে টেনে নামায় না। তিনি আবিষ্কার করলেন, চাঁদকে পৃথিবীর চারপাশের কক্ষপথে আটকে রাখে ওই মহাকর্ষ বল।

    নিউটনের আপেল।
    নিউটনের আপেল।

    শুধু তা-ই নয়, দেখা গেল, সূর্যের চারপাশের গ্রহ, উল্কা আর ধূমকেতুও নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রের মাধ্যমে।

    আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে কয়েক শ বিলিয়ন নক্ষত্রকে মহাবিশ্বে ছিটকে পড়া থেকে রক্ষা করছে এই বলটাই।

    এই পরিসরে পৌছানোর মতো সূত্র শুধু একমাত্র মহাকৰ্ষই নয়, নিউটনের পর থেকে বিজ্ঞানীরা আরও বেশ কিছু ভৌত সূত্র আবিষ্কার করেছেন। সেগুলোও প্রয়োগ করা যায় মহাবিশ্বের সব জায়গায়। ভৌত সূত্রগুলোর এই সর্বজনীনতা চমৎকার সব আবিষ্কার করতে বিজ্ঞানীদের সহায়তা করেছে। তাই এখন আমরা বহুদূরের নক্ষত্র ও গ্রহ নিয়ে গবেষণা করতে পারি। সেই সঙ্গে বুঝতেও পারি, তারাও একই সূত্র অনুসরণ করছে।

    স্যার আইজ্যাক নিউটন বুঝতে পারেন, মহাকর্ষ শুধু গাছ থেকে আপেলই টেনে নামায় না, সেই সঙ্গে পৃথিবীর চারপাশের কক্ষপথে চাঁদকেও আটকে রাখে।
    স্যার আইজ্যাক নিউটন বুঝতে পারেন, মহাকর্ষ শুধু গাছ থেকে আপেলই টেনে নামায় না, সেই সঙ্গে পৃথিবীর চারপাশের কক্ষপথে চাঁদকেও আটকে রাখে।

    নিউটনের পর উনিশ শতকের জ্যোতির্বিদেরা এই ধারণা ব্যবহার করে নির্ণয় করলেন যে পৃথিবীতে যেসব মৌল পাওয়া যায়, সূর্যও ঠিক একই মৌল দিয়ে গঠিত। এর মধ্যে রয়েছে হাইড্রোজেন, কার্বন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, ক্যালসিয়াম ও লোহা। এমনকি সূর্যের আলোতে নতুন একটা মৌল দেখতে পেলেন জ্যোতির্বিদেরা। সূর্যেই সেটা প্রথম খুঁজে পাওয়ার কারণে নতুন পদার্থটির নাম রাখা হলো হিলিয়াম। আসলে গ্রিক ভাষায় সূর্যের আরেক নাম হেলিয়স। সে কারণে নতুন মৌলটির নাম এ রকম। হিলিয়াম হলো পর্যায় সারণির প্রথম এবং একমাত্র মৌল, যার আবিষ্কার হয়েছে পৃথিবীর বাইরে। এ মৌলের ফলে অনেক দিন পর বার্থডে পার্টির ধরন পাল্টে গেল। কারণ, একসময় বাচ্চারা আবিষ্কার করে বসল, বেলুন থেকে এই গ্যাস একটু গিলে নিলে তাদের কণ্ঠস্বর কার্টুন চরিত্রগুলোর মতো তীক্ষ্ণ হয়ে যায়।

    *

    এতক্ষণে বোঝা গেল, এই সূত্রগুলো আমাদের সৌরজগতে কাজ করে। কিন্তু গোটা ছায়াপথে তা একইভাবে কাজ করে কি?

    কিংবা গোটা মহাবিশ্বে?

    কিংবা ১ মিলিয়ন বা কয়েক বিলিয়ন বছর আগেও কি সেগুলো এভাবে কাজ করত?

    ধাপে ধাপে সূত্রগুলো পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে।

    জ্যোতির্বিদেরা দেখতে পেয়েছেন, পার্শ্ববর্তী নক্ষত্রগুলোও তৈরি হয়েছে হাইড্রোজেন ও কার্বনের মতো পরিচিত গাঠনিক একক দিয়ে পরে বাইনারি স্টার বা যুগ্ম তারা নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে। যুগ্ম তারা হলো, এমন এক জোড়া তারা, যারা একটা আরেকটাকে কেন্দ্র করে পাক খায়। বক্সিং রিংয়ের ভেতর ফাইটাররা ইতস্তত করে যেভাবে পরস্পরকে ঘিরে পাক খায়, অনেকটা সে রকম। এই যুগ্ম তারা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে আরেকবার মহাকর্ষের প্রভাব আবিষ্কার করছেন জ্যোতির্বিদেরা। নিউটনের আপেলগাছ থেকে যে সর্বজনীন বল আপেল মাটিতে ফেলে দেয়, কিংবা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া কোনো বাচ্চাকে বাস্কেটবল ডাঙ্কিং করতে বাধা দেয়, সেই একই সূত্রের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এই যুগ্ম তারাদের চলাফেরা অনুমান করতে পেরেছেন।

    কাজেই এসব সূত্র এখানেও কাজ করে, আবার বহুদূরেও কাজ করে। কিন্তু আমরা কীভাবে জানব, এটা সব সময়ের জন্য সত্য? এসব সর্বজনীন সূত্র কি ১ মিলিয়ন বছর আগেও কার্যকর ছিল?

    এর উত্তর হলো, হ্যাঁ। আমরা এটা জানি, কারণ অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্টরা অতীতেও উঁকি দিয়ে দেখতে পারেন।

    তুমি যখন একটা টেলিস্কোপে মঙ্গল গ্রহের দিকে তাকাও, তখন তুমি যে লাল গ্রহটা দেখো, সেটা আসলে ওই মুহূর্তের নয়। পৃথিবী ও মঙ্গল গ্রহের মাঝখানের দূরত্ব সব সময় বদলে যাচ্ছে। তবে ধরে নেওয়া যাক, তাদের মাঝখানের দূরত্ব গড়ে ১৪০ মিলিয়ন মাইল। তার মানে, কোনো আলোকে আমাদের কাছে এসে পৌঁছাতে এই ১৪০ মিলিয়ন মাইল পথ পাড়ি দিতে হবে। আলোর জন্য এই পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে প্রায় ১২ মিনিট। আলো যেহেতু তোমার টেলিস্কোপে এসে পৌছাতে ১২ মিনিট লাগছে, তাই তুমি আসলে ১২ মিনিট আগের মঙ্গল গ্রহ দেখতে পাচ্ছ।

    কাছাকাছি থাকা দুটি শক্তিশালী নক্ষত্রকে মহাকর্ষ যখন টানে, তার ফলাফল তখন হয় ভয়াবহ। শিল্পীর কল্পনায় যুগ্ম তারা।
    কাছাকাছি থাকা দুটি শক্তিশালী নক্ষত্রকে মহাকর্ষ যখন টানে, তার ফলাফল তখন হয় ভয়াবহ। শিল্পীর কল্পনায় যুগ্ম তারা।
     মঙ্গল গ্রহ থেকে আমাদের টেলিস্কোপে আলো এসে পৌঁছাতে সময় লাগে প্ৰায় ১২ মিনিট। কাজেই আমরা আসলে প্রায় ১২ মিনিট আগের মঙ্গল গ্রহ দেখতে পাই।
    মঙ্গল গ্রহ থেকে আমাদের টেলিস্কোপে আলো এসে পৌঁছাতে সময় লাগে প্ৰায় ১২ মিনিট। কাজেই আমরা আসলে প্রায় ১২ মিনিট আগের মঙ্গল গ্রহ দেখতে পাই।

    অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্টদের কাছে অনেক বড় বড় টেলিস্কোপ আছে। এগুলো দিয়ে আমরা আরও অনেক দূরের বস্তু নিয়ে গবেষণা করতে পারি। আর আমরা মহাকাশের যত দূরে দেখব, ততই পেছনের সময় দেখতে পাব।

    আমি জানি, তুমি কী ভাবছ : ওয়াও।

    আসলেই তা-ই। এটাই প্রশংসাযোগ্য প্রতিক্রিয়া।

    আমরা বহুদূরের নক্ষত্র ও ছায়াপথ নিয়ে কথা বলি আলোকবর্ষ বা লাইট ইয়ারের হিসাবে। অর্থাৎ কোনো বস্তু থেকে আমাদের টেলিস্কোপে আলোকরশ্মি আসতে যে সময় লাগে, তার হিসাবে। কাজেই আমরা যখন ৫ বিলিয়ন দূরের কোনো ছায়াপথ নিয়ে গবেষণা করি, তার মানে ওই ছায়াপথ থেকে আমাদের কাছে আলো আসতে সময় লেগেছে ৫ বিলিয়ন বছর।

    একটা টেলিস্কোপ।
    একটা টেলিস্কোপ।

    অন্য কথায়, আমরা যে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ দেখতে পাচ্ছি, সেটা আসলে পাঁচ বিলিয়ন বছর আগেকার।

    আক্ষরিক অর্থেই আমরা এভাবে সময়ের পেছনে উঁকি দিতে পারি। আমরা মহাবিশ্বের সবচেয়ে দূরের বস্তুও খুঁজে পাই। সেগুলোর বয়স কয়েক বিলিয়ন বছর। ওই সব বস্তুকেও আমাদের বর্তমানের সূত্রগুলো মেনে চলতে দেখা গেছে। একদম শুরু থেকেই মহাবিশ্বের সবকিছু সর্বজনীন সূত্র কঠোরভাবে মেনে চলছে।

    *

    অবশ্য ভৌত সূত্রের সর্বজনীনতার মানে এই নয় যে মহাবিশ্বে যেসব ঘটনা ঘটে, তার সবকিছু পৃথিবীতেও ঘটতেই হবে। এসব সূত্র সব জায়গায় একই রকম—এ কথার মানে এই নয় যে সব জায়গাতেই সবকিছু করা সম্ভব। যেমন আমি বাজি ধরে বলতে পারি, রাস্তায় কোনো ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরকে তুমি কখনো শুভেচ্ছা জানাও না।

    অবিশ্বাস্য রকম অতিঘন কোনো নক্ষত্রকে মহাকর্ষ যখন চুপসে দেয়, তখন মহাবিশ্বের এই দানবীয় বস্তু কৃষ্ণগহ্বর গঠিত হয়। সে সময় ওই নক্ষত্রের কেন্দ্রের দিকে সব পদার্থ শুষে নিতে থাকে মহাকর্ষ। তাতে এককালে নক্ষত্রটি যে স্থানে আলো নিঃসরণ করত, সেখানে একটা গর্তের সৃষ্টি হয়। এসব কৃষ্ণগহ্বরের চারপাশের মহাকর্ষ বল এত শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে সেখান থেকে আলোও আর বেরিয়ে আসতে পারে না। এ রকম মহাজাগতিক কোনো গর্ত যদি কখনো সত্যি সত্যি রাস্তায় উদয় হয়, তাহলে শুধু তুমিই নও, আরও অনেকে তার শিকারে পরিণত হবে। গোটা গ্রহটা তখন ঘূর্ণিপাকের ভেতর পড়বে এবং স্রেফ অদৃশ্য হয়ে যাবে।

    কিন্তু কৃষ্ণগহ্বর যত শক্তিশালীই হোক না কেন, তারাও প্রকৃতির সূত্র মেনে চলে।

    *

    মহাবিশ্বের সর্বত্র শুধু ভৌত সূত্রগুলোই প্রয়োগ করা যায়, ব্যাপারটা আসলে তেমন নয়। এসব সূত্র কিছু সংখ্যা বা রাশির ওপর নির্ভর করে, যাদের বলা হয় কনস্ট্যান্ট বা ধ্রুবক। কোন সূত্র কী করবে, তা অনুমান করতে এই ধ্রুবক বিজ্ঞানীদের সহায়তা করে। যেমন মহাকর্ষ ধ্রুবকের জন্য ব্যবহার করা হয় ইংরেজি বড় হাতের জি (G) বা বিগ জি। প্রদত্ত কোনো পরিস্থিতিতে কোনো স্থানের মহাকর্ষ কতটা শক্তিশালী হবে, তা নির্ণয় করতে বিজ্ঞানীদের সাহায্য করে এটি। যেমন মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে মহাকর্ষের পরিমাণ নির্ণয় করতে আমরা বিগ জি ব্যবহার করতে পারি। অবশ্য সব ধ্রুবকের মধ্যে আলোর গতি সবচেয়ে বিখ্যাত। চাঁদে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত অ্যাপোলো মিশনের সময় নভোচারীদের চাঁদে উড়ে যেতে প্রায় তিন দিন সময় লেগেছিল। কিন্তু নভোচারীরা যদি আলোর গতিতে চলত, তাহলে পৃথিবী থেকে চাঁদ পর্যন্ত ওই দুই হাজার চার শ মাইল পথ পেরোতে ১ সেকেন্ডের একটু বেশি সময় লাগত। তাহলে প্রশ্ন জাগতে পারে, তাহলে নভোচারীরা কেন আলোর গতিতে চাঁদে গেল না? আসলে ওই গতিতে চলা অসম্ভব।

    এখনো কোনো পরীক্ষাতে কোনো বস্তুকে কোনোভাবে আলোর গতিতে চালানো যায়নি

    আমরা যত দ্রুতই চলি না কেন, কখনো আলোর এই গতিসীমা পেরোতে পারব না।

    দৃশ্যত সব ধরনের অসম্ভবকে সব সময় জয় করেছে মানবজাতি। অথচ আমরা আমাদের প্রকৌশলী ও উদ্ভাবকদেরও ছোট করে দেখেছি। মানুষ একসময় বলাবলি করত, আমরা নাকি কখনো আকাশে উড়তে পারব না। এমনকি আমরা কখনো চাঁদেও যেতে পারব না, কিংবা পরমাণুকে ভাঙতে পারব না—এমনও বলত অনেকে। তারপর আমরা এই তিনটি কাজই করতে পেরেছি। কিন্তু এর কোনো ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত কোনো ভৌত সূত্র আমাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

    চাঁদে যাওয়া কঠিন বটে, কিন্তু অসম্ভব নয়।

    তবে ‘আমরা কখনো আলোর গতিসীমা পার হতে পারব না’—এই দাবি একেবারেই ভিন্ন ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী। এটি এসেছে সময় পরীক্ষিত ভৌতনীতি থেকে। মহাবিশ্বে হয়তো এমন কোনো স্পিড লিমিট বা গতিসীমার সাইন থাকতে পারে, যেখানে লেখা থাকবে : আলোর গতি : এটা শুধু ভালো একটা ধারণাই নয়, এটা একটা আইন।

    কোনো এলিয়েন যত উন্নত বা বুদ্ধিমান হোক না কেন, তারাও কখনো আলোর গতিসীমা পার হতে পারবে না। তারাও সম্ভবত এই ধ্রুবকের সঙ্গে পরিচিত। মহাবিশ্ব নিয়ে আমাদের সব বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পরিমাপ ও পর্যবেক্ষণ ইঙ্গিত করে যে বিগ জি থেকে শুরু করে আলোর গতির মতো প্রধান ধ্রুবকগুলো কখনো সময় বা স্থান পাল্টে গেলেও বদলে যায় না। একইভাবে যেসব ভৌত সূত্রে এসব ধ্রুবক ব্যবহার করা হয়, সেগুলোও বদলে যায় না।

    *

    আমাকে হয়তো খুব বেশি নিশ্চিত দেখাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা আসলে সবকিছু জানেন না। আবার আমরা সবকিছুতে একমতও হই না। আমরাও খুব তর্কবিতর্ক করি অনেকটা ভাইবোনদের মতো। কিন্তু আমরা যখন তর্কবিতর্ক করি, তখন আমাদের যুক্তিগুলো নিবদ্ধ থাকে ধারণার প্রতি এবং মহাজাগতিক যেসব ঘটনা আমরা বুঝতে পারি, সেগুলোর প্রতি।

    যখন কোনো সর্বজনীন ভৌত সূত্র জড়িত থাকে, তখন বিতর্কটা সংক্ষিপ্ত হওয়ার গ্যারান্টি থাকে।

    তারপরও সবাই ওই ধারণাটি বোঝে না।

    কয়েক বছর আগে ক্যালিফোর্নিয়ার প্যাসাডেনার এক ডেজার্ট শপে আমি একটা গরম কোকোয়া খাচ্ছিলাম। অবশ্যই উইপড ক্রিমসহ অর্ডার করেছিলাম সেটা। আমার টেবিলে কোকোয়া আসার পর আমি উইপড ক্রিম নামের কোনো বস্তু দেখতে পেলাম না। ওয়েটারকে ডেকে বললাম, আমার কোকোয়ায় কোনো উইপড ক্রিম দেওয়া হয়নি। সে জোর গলায় বলল, আমি ওটা দেখতে পাচ্ছি না, কারণ তা গ্লাসের নিচে ডুবে গেছে।

    কিন্তু উইপড ক্রিমের ঘনত্ব কম। মানুষ যেসব পানীয় পান করে, সেসব তরলের ওপর এই ক্রিম ভেসে থাকে। এমনকি হট চকলেটের ওপরও ওটা ভাসে। তুমি মহাবিশ্বের যে প্রান্তেই যাও না কেন, বেশি ঘনত্বের তরলের ওপর কম ঘনত্বের পদার্থ ভেসে থাকবে। এটা একটা সর্বজনীন আইন বা ইউনিভার্সাল ল।

    কাজেই ওই ওয়েটারকে আমি দুটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা প্রস্তাব করলাম : হয় আমার হট কোকোয়াতে কেউ উইপড ক্রিম দিতে ভুলে গেছে, নয়তো পদার্থবিজ্ঞানের সর্বজনীন আইন এই রেস্টুরেন্টের ক্ষেত্রে আলাদা। আমার কথা বিশ্বাস করল না ছোকরা। তাই তার দাবির সত্যতা প্রমাণ করতে একদলা উইপড ক্রিম বয়ে আনল। আমার হট কোকোয়াতে একবার বা দুবার দ্রুত ওঠানামা করার পর উইপড ক্রিমটা ওপরে ভেসে উঠল। তারপর সেখানেই ভাসতে লাগল।

    ভৌত সূত্রের সর্বজনীনতা নিয়ে তোমার কি এর চেয়ে ভালো কোনো প্রমাণের দরকার আছে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ফারাও’স সিক্রেট – ক্লাইভ কাসলার ও গ্রাহাম ব্রাউন
    Next Article শ্রীকৃষ্ণকীর্তন – চণ্ডীদাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }