Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাস্ট্রোফিজিকস : সহজ পাঠ – নীল ডিগ্র্যাস টাইসন ও গ্রেগরি মোন

    গ্রেগরি মোন এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডার্ক এনার্জি

    ৬. ডার্ক এনার্জি

    ছোটবেলায় মাইটি মাউস নামের কার্টুন চরিত্রটা আমাকে আকর্ষণ করত প্রবলভাবে। তীক্ষ্ণ দাঁতের একটা ইঁদুর, কিন্তু সব সময় সফল হতো। তার কণ্ঠটাও ছিল দারুণ, অপেরার মতো। এই ছোট্ট ইঁদুরটা গান গাইতে পারত। তার বুকটা ছিল ব্যারেলের মতো চওড়া ও অবিশ্বাস্য রকম শক্তিশালী। এমনকি সে উড়তেও পারত।

    কৌতূহলী এক বালক হিসেবে আমি অবাক হয়ে ভাবতাম, মাইটি মাউস কীভাবে উড়ে বেড়ায়। তার তো কোনো পাখা নেই। কিংবা তার বেল্টের নিচে কোনো প্রপেলার বা জেট ইঞ্জিনও লুকানো নেই। কিন্তু গায়ে আস্তিনহীন জামা থাকে। ওই সময়ের আরেকজন বিখ্যাত উড়ন্ত হিরো ছিল সুপারম্যান। তার গায়েও থাকত এ রকম আস্তিনহীন জামা। আমি ভাবলাম, এটাই কি তাহলে আসল রহস্য? তাহলে কি ওড়ার ক্ষমতা নির্ভর করে গায়ের জামাকাপড়ের ওপর?

    অচিরেই একটা তত্ত্ব খাড়া করি আমি। সেটা হলো : আস্তিনহীন জামা পরার কারণে মানুষ আর ইঁদুর ওড়ার ক্ষমতা পায়।

    তখনো আমি বিজ্ঞানী হয়ে না উঠলেও এভাবে চিন্তা করতে শুরু করে দিই। বিজ্ঞান শুধু তত্ত্বের মাধ্যমেই সাফল্য পায় না, তত্ত্বগুলোকে পরীক্ষা করে দেখতে হয়। কাজেই আমার ধারণাটা পরীক্ষা করে দেখার জন্য একটা পরীক্ষার বন্দোবস্ত করার দরকার ছিল। আমার একটা আস্তিনহীন জামা ছিল। সেটা গলার চারদিকে বেঁধে লাফ দিলাম যতটা দূরে সম্ভব।

    ওই জামা পরে কতটা দূরত্ব পার হতে পারলাম, তা মেপে দেখলাম।

    এরপর জামাটা গা থেকে খুলে আরেকবার লাফ দিলাম। এবারও লাফের দূরত্ব মাপলাম।

    কিন্তু দুটোর মধ্যে কোনো পার্থক্য খুঁজে পেলাম না।

    তার মানে, ওই জামা পরে আমি লাফ দিয়ে বেশি দূর যেতে পারিনি। সত্যি বলছি, উড়তে পারিনি আমি। কিন্তু এখান থেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পেলাম : বিজ্ঞানে একটা তত্ত্বকে পরীক্ষা থেকে পাওয়া প্রমাণের সঙ্গে মিলতে হবে। তা না হলে, তত্ত্ব বা ধারণাটা ঠিকঠাক করতে হবে, কিংবা ছুড়ে ফেলে দিতে হবে আবর্জনার ঝুড়িতে। আমি অনুমান করেছিলাম, আস্তিনহীন জামার কারণে মানুষ আর ইঁদুর উড়তে পারে। কিন্তু লাফ দেওয়ার পরীক্ষার সঙ্গে ওই ধারণাটা মেলেনি। কাজেই আমার তত্ত্বটাকে বাতিল করতেই হলো। তারপর মানবজাতি যেভাবে উড়তে শেখে, মানে এরোপ্লেন নামের বড় একটা যন্ত্র দিয়ে, সেটাই মেনে নিলাম।

    মাঝে মাঝে সবচেয়ে খেপাটে তত্ত্বগুলোকেও পরীক্ষামূলক যাচাইয়ে টিকে থাকতে হয়। আলবার্ট আইনস্টাইন গবেষণাগারে পা রাখেননি বললেই চলে। তিনি ছিলেন খাঁটি তাত্ত্বিক। প্রকৃতি কীভাবে কাজ করে, সে সম্পর্কে যেসব বিজ্ঞানী বিভিন্ন ধারণার জন্ম দেন, তাঁদের বলা হয় তাত্ত্বিক বিজ্ঞানী। থট এক্সপেরিমেন্ট বা মানস পরীক্ষায় তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। এই প্রক্রিয়ায় তোমার কল্পনাশক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন রহস্যের সমাধানের চেষ্টা করতে পারো।

    ষোলো বছর বয়সে আইনস্টাইন ভেবেছিলেন, তিনি যদি একটা আলোকরশ্মির পাশাপাশি দৌড়ান, তাহলে ব্যাপারটা কেমন হবে। অবশ্যই সেটা অসম্ভব। আমরা আগেই কসমিক স্পিড লিমিট বা মহাজাগতিক গতিসীমার কথা বলেছি। কিন্তু এই উদ্ভট ধারণা নিয়ে বেশ কয়েক বছর চিন্তা করেন আইনস্টাইন। এটিই একসময় তাকে জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতার দিকে নিয়ে যায়।

    মহাবিশ্ব কীভাবে কাজ করে, তা নিয়ে মডেল তৈরি করেন আইনস্টাইনের মতো তাত্ত্বিকেরা। এসব মডেল ব্যবহার করে তাঁরা ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারেন। কোনো মডেল যদি অকার্যকর হয়, তখন পর্যবেক্ষক বা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞানী ভবিষ্যদ্বাণী আর প্রমাণের মধ্যে অমিল খুঁজে বের করেন। ছোটবেলায় ওড়া নিয়ে আমি যে মডেল তৈরি করেছিলাম, তাতে জোর দিয়েছিলাম যে আস্তিনহীন জামা মানুষ আর ইঁদুরকে বাতাসে ভেসে থাকতে সাহায্য করে। এরপর মডেলটা পরীক্ষা করে দেখি আমি। কোনো উন্নত যন্ত্রপাতি ছাড়াই আবিষ্কার করি, আমার তত্ত্ব আর প্রমাণের মধ্যে কোনো মিল নেই। আমি হতাশ হয়েছিলাম বলা বাহুল্য। কিন্তু বিজ্ঞানীরা যখন দেখেন আরেক গবেষকের মডেলেও এসব ভুল রয়েছে, তখন তাঁরা সাধারণত বেশ উত্তেজিত হন। আমাদের সবার কাজটা আসলে অনেকটা অন্যদের হোমওয়ার্কে খুঁত খুঁজে বের করার মতো।

    আইনস্টাইন সর্বকালের অন্যতম শক্তিশালী এবং সুদূরপ্রসারী একটা তাত্ত্বিক মডেল দাঁড় করেন। সেটি হলো তাঁর ‘জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভি’ বা ‘সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব’। মহাকর্ষের প্রভাবে মহাবিশ্বের সবকিছু কীভাবে চলাফেরা করে এবং মহাকর্ষ কীভাবে খোদ স্থানকে আকৃতি দেয়, তা বিস্তারিত বলা হয়েছিল এই মডেলে। সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব এমন সব ভবিষ্যদ্বাণী করেছে, যা বিজ্ঞানীরা এখনো পরীক্ষা করে দেখেন।

    দুটি কৃষ্ণগহ্বর সংঘর্ষে লিপ্ত হলে কী হবে, তা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন আইনস্টাইন। তিনি বললেন, তাদের শক্তি নিঃসরণ করা উচিত। আর সেই শক্তিটা হবে মহাকর্ষ তরঙ্গরূপে, যা মহাবিশ্বজুড়ে চলাচল করবে। পানির ভেতর দিয়ে চলার বদলে এই মহাকর্ষ তরঙ্গ সৈকতে সার্ফিংয়ের তরঙ্গের মতো চলাচল করে। ফলে খোদ স্থানে ঢেউ বয়ে যায়। আরও দারুণ ব্যাপার হলো, অনেক আগে বহুদূরের দুটি কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষের কারণে যে মহাকর্ষ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়েছিল, তা শনাক্ত করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। এভাবে আরেকবার সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছেন আইনস্টাইন।

    কয়েক বছর পর পর আইনস্টাইনের তত্ত্বকে আরও ভালো কোনো পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করে দেখেন গবেষণাগারের বিজ্ঞানীরা I প্রতিবারই তত্ত্বটা সঠিক বলে প্রমাণিত হয়। আইনস্টাইন শুধু ক্লাসের সবচেয়ে স্মার্ট ছেলে ছিলেন না, তিনি ছিলেন সর্বকালের সবচেয়ে স্মার্ট মানুষদের একজন। কিন্তু তিনিও একটা ভুল করেছিলেন।

    *

    আইনস্টাইনকে ভুল প্রমাণ করতে সেকালে মরিয়া হয়ে উঠেছিল কিছু মানুষ। তাঁর গবেষণা নিউটনের ধারণাগুলোয় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল। তাই ব্যাপারটা নিয়ে বৈজ্ঞানিক মহলের কিছু মানুষ মোটেও খুশি ছিল না। তাঁদের মধ্যে এক দল একত্র হয়ে ১৯৩১ সালে একটা বই প্রকাশ করেন। বইয়ের শিরোনাম : আইনস্টাইনের বিরুদ্ধে একশ জন লেখক। আইনস্টাইন একসময় বইটা সম্পর্কে জানতে পারলেন। প্রতিক্রিয়ায় বললেন, তিনি যদি ভুল হয়ে থাকেন, তাহলে মাত্র একজন লেখকই যথেষ্ট।

    মহাকর্ষ সম্পর্কে আগের যেকোনো চিন্তাভাবনার চেয়ে একেবারে আলাদা ছিল সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব। সাধারণ আপেক্ষিকতামতে, ভারী বস্তু তার চারপাশের স্থানকে বাঁকিয়ে দেয়। তাই স্থান ও কালের বুনন বক্র হয়ে যায় বা টোল খায়।

    একটা আপেলের মতো ছোট ভরের ওপর এ প্রভাব অতি সামান্য। কিন্তু গ্রহ বা নক্ষত্রের মতো বড় কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে স্থান এতই বেঁকে যায় যে সেখানে সরলরেখাও বাঁকা। আমার সাবেক এক শিক্ষক ছিলেন জন আর্চিবল্ড হুইলার। বিশ শতকের মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ তিনি। একবার তিনি বলেছিলেন, “বস্তু স্থানকে বলে দেয় কীভাবে বক্র হতে হবে। আর স্থান বস্তুকে বলে কীভাবে চলাচল করতে হবে।’

    আইনস্টাইন মহাকর্ষের এই নতুন সংস্করণ যেভাবে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন, তা বস্তুকে সরলভাবে প্রভাবিত করে না। মহাকর্ষ যেহেতু স্থানকে বাঁকিয়ে দেয়, তাই মহাকর্ষের শক্তি আলোকেও বাঁকিয়ে দেবে। ফলে কোনো বড় ও ভারী বস্তুর চারপাশের আলো সরলরেখায় না গিয়ে একটা বক্র পথ অনুসরণ করবে। আইনস্টাইনের মডেলে দুই ধরনের মহাকর্ষের বর্ণনা ছিল। এর মধ্যে একটি আমাদের পরিচিত : পৃথিবী আর বাতাসে ছুড়ে দেওয়া বলের মধ্যে যে আকর্ষণ কাজ করে, কিংবা সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যকার আকর্ষণ। কিন্তু সাধারণ আপেক্ষিকতা আরেক ধরনের রহস্যময় প্রতিমহাকর্ষ চাপের ভবিষ্যদ্বাণীও করে।

    বর্তমানে আমরা জানি, আমাদের মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে। আমাদের ছায়াপথ আরও দূরে ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু সেকালে আমাদের মহাবিশ্ব যে কেবল অস্তিত্বের বাইরেও অন্য কিছু করে, তা ছিল সবার কল্পনাতীত। এমনকি আইনস্টাইনও মনে করতেন, মহাবিশ্বের অবশ্যই স্থিতিশীল হওয়া উচিত। নইলে সেটা বড় হতে থাকবে, নয়তো সংকুচিত হয়ে যাবে। কিন্তু মহাবিশ্ব সম্পর্কে তাঁর মডেলেই ইঙ্গিত ছিল যে মহাবিশ্বের প্রসারিত বা সংকুচিত হওয়া উচিত। কিন্তু তিনি ধরে নিলেন, সেটা নিশ্চয়ই ভুল। কাজেই নিজের সমীকরণে নতুন একটা রাশি যোগ করলেন তিনি। একে বলা হয় কসমোলজিক্যাল কনস্ট্যান্ট বা মহাজাগতিক ধ্রুবক।

    আইনস্টাইনের মডেলে মহাজাতিক ধ্রুবকের একমাত্র কাজ ছিল মহাকর্ষের বিরুদ্ধে কাজ করা। মহাকর্ষ যদি গোটা মহাবিশ্বকে একটা দানবীয় ভরের দিকে টানার চেষ্টা করে, তাহলে মহাজাগতিক ধ্রুবক তাকে ঠেলে আলাদা করে দিত।

    কিন্তু এতে শুধু একটা সমস্যা ছিল।

    সমস্যাটা হলো, কেউই কোনো দিন প্রকৃতিতে এ রকম কোনো বল দেখেনি।

    এভাবে আইনস্টাইন শেষ পর্যন্ত প্রতারিত হলেন।

    *

    আইনস্টাইন তাঁর তত্ত্বটি প্রণয়ন করার ১৩ বছর পর মার্কিন জ্যোতিঃপদার্থবিদ এডুইন পি হাবল আবিষ্কার করলেন, মহাবিশ্ব মোটেও স্থিতিশীল নয়। সে সময় বহুদূরের কিছু ছায়াপথ নিয়ে গবেষণা করছিলেন হাবল। তাঁর গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, এসব ছায়াপথ এক জায়গায় স্থির হয়ে বসে নেই। সেগুলো আমাদের কাছ থেকে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, হাবল বিশ্বাসযোগ্য কিছু প্রমাণও দেখালেন, যেসব ছায়াপথ যত দূরে, সেগুলো আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কাছ থেকে সরে যাচ্ছে তত দ্রুত হারে। সহজ কথায়, মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে।

    হাবলের এই গবেষণার কথা জানতে পেরে ভীষণ বিব্রত হলেন আইনস্টাইন। এটা আসলে তাঁর নিজেরই ভবিষ্যদ্বাণী করা উচিত ছিল। এরপর তাঁর সমীকরণ থেকে মহাজাগতিক ধ্রুবকটা ছুড়ে ফেলে দিলেন তিনি। এরপর বললেন, এটা তাঁর জীবনের ‘সবচেয়ে বড় ভুল’। কিন্তু ঘটনা এখানেই শেষ নয়। কয়েক দশক পর, এই মহাজাগতিক ধ্রুবকটা আবারও ফিরিয়ে আনলেন তাত্ত্বিকেরা। তাঁরা প্রশ্ন তুললেন, তাঁদের ধারণাগুলো এমন মহাবিশ্বের মতো কেন হবে, যেখানে সত্যি সত্যিই একটি রহস্যময় প্রতিমহাকর্ষ বল আছে।

    ১৯৯৮ সালে আইনস্টাইনের সেই সবচেয়ে বড় ভুলটা কবর থেকে শেষবারের মতো টেনে বের করে আনল বিজ্ঞান।

    ওই বছরের শুরুর দিকে লক্ষণীয় একটা ঘোষণা দিল জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানীদের প্রতিযোগী দুই দল। সুপারনোভা বা অতিনবতারা নামের বিস্ফোরণুখ নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করছিল উভয় দলই। জ্যোতির্বিদেরা জানেন, সুপারনোভাদের আচরণ কেমন হবে, তারা কতটা উজ্জ্বল হয়ে জ্বলবে এবং তাদের কতটা দূরে থাকা উচিত।

    এই বিস্ফোরন্মুখ নক্ষত্র বা সুপারনোভা ১৯৮৭এ জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানে খুবই নামকরা। এ ধরনের নক্ষত্র আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে।
    এই বিস্ফোরন্মুখ নক্ষত্র বা সুপারনোভা ১৯৮৭এ জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানে খুবই নামকরা। এ ধরনের নক্ষত্র আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে।

    কিন্তু এই সুপারনোভাগুলো ছিল একেবারে আলাদা।

    প্রত্যাশার চেয়েও অনেক অনুজ্জ্বল ছিল সেগুলো।

    এর কেবল দুটি ব্যাখ্যা হওয়া সম্ভব। হয় জ্যোতিঃপদার্থবিদেরা আগে যেসব বিস্ফোরণুখ নক্ষত্র নিয়ে গবেষণা করেছেন ওই বিশেষ সুপারনোভাগুলো তাদের চেয়ে আলাদা, নয়তো তাদের দূরত্ব বিজ্ঞানীদের অনুমানের চেয়েও অনেক দূরে। আর তারা যদি অনেক দূরে হয়ে থাকে, তাহলে মহাবিশ্ব নিয়ে আমাদের মডেলগুলোতে আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ত্রুটি আছে।

    বিজ্ঞানীরা কি প্রতিযোগিতা করেন?
    হ্যাঁ! খুব বেশি। অ্যাথলেট বা দাবা চ্যাম্পিয়নদের মতো আমাদের মধ্যে প্রতিযোগী মনোভাব আছে। সাধারণত বিজ্ঞানে কেউই হারতে চায় না। চার্লস ডারউইন একসময় জানতে পারলেন, আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস নামের আরেক বিজ্ঞানী কিছু ধারণা বিকশিত করেছেন, যা তাঁর নিজের মতো। তাই তিনি তাড়াহুড়ো করে নিজের ধারণাগুলো প্রকাশ করে ফেলেন। সেটিই এখন তাঁর বিবর্তন তত্ত্ব নামে পরিচিত। কোনোভাবেই ওয়ালেসকে ওই তত্ত্বের প্রথম কৃতিত্ব দিতে চাননি তিনি। বিজ্ঞানের যেকোনো শাখার ক্ষেত্রে এটা সত্য। তবে আমার মতামত হলো, মহাবিশ্ব আমাদের সবার জন্য অনেক অনেক বড়। এখানে গবেষণা করার মতো প্রচুর বিষয় রয়েছে।
    জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানীদের যে দুটি দল এসব সুপারনোভা নিয়ে গবেষণা করেছিল, তাদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে উভয় দলই নোবেল পুরস্কার পেয়েছিল। বিজ্ঞানজগতে এটা হলো টাই করা বা সমানসংখ্যক পয়েন্ট পাওয়ার সমতুল্য।

    হাবলের গবেষণার মাধ্যমে জানা গিয়েছিল, মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে। কিন্তু এসব সুপারনোভা ইঙ্গিত করছে, মহাবিশ্ব আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক দ্রুত বেগে প্রসারিত হচ্ছে। আর আইনস্টাইনের সেই মহাভুল বা মহাজাগতিক ধ্রুবক ছাড়া এই অতিরিক্ত প্রসারণের কোনো সহজ ব্যাখ্যা নেই। ধ্রুবকটাকে আবারও আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতায় ফিরিয়ে আনলেন জ্যোতিঃপদার্থবিদেরা। এবার মহাবিশ্ব নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গেল।

    সুপারনোভাগুলো যেখানে ছিল, এবার দেখা গেল সঠিক জায়গাতেই আছে। কাজেই আইনস্টাইন আসলে সঠিক ছিলেন।

    এমনকি তিনি যখন নিজেকে ভুল ভেবেছিলেন, তখনো আসলে সঠিক ছিলেন।

    *

    এই দ্রুতগামী সুপারনোভা আবিষ্কারটা ছিল মহাবিশ্বজুড়ে মহাকর্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা অদ্ভুতরকম নতুন বল শনাক্তের প্রথম প্রমাণ মহাজাগতিক ধ্রুবক আসলে সত্যি এবং এর জন্য আরও ভালো নাম দেওয়ার দরকার পড়ল। এখন একে বলা হয় ডার্ক এনার্জি বা গুপ্তশক্তি

    আধুনিককালে সবচেয়ে নিখুঁত পরিমাপে দেখা গেছে, গুপ্তশক্তি হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। মহাবিশ্ব গড়ে উঠেছে পদার্থ আর শক্তির সমন্বয়ে। মহাবিশ্বের সব ভর-শক্তি যোগ করলে দেখা যায়, ডার্ক এনার্জি বর্তমানে মহাবিশ্বের ৬৮ শতাংশের জন্য দায়ী। অন্যদিকে ডার্ক ম্যাটার বা গুপ্তবস্তুর পরিমাণ ২৭ শতাংশ। আর মহাবিশ্বে আমাদের পরিচিত সাধারণ পদার্থের পরিমাণ মাত্র ৫ শতাংশ।

    সাধারণ যেসব পদার্থ আমরা দেখি, অনুভব করি আর গন্ধ পাই, সেগুলো মহাবিশ্বের অতি সামান্য এক টুকরোমাত্র।

    গরম কোকোয়ার মতো মহাবিশ্ব। একদম ওপরে উইপড ক্রিম আর সিনামনসহ এক কাপ গরম কোকোয়া। কোকোয়ার পরিমাণ ৬৮ শতাংশ, উইপড ক্রিম ২৭ শতাংশ এবং সিনামন হলো মাত্র ৫ শতাংশ।
    গরম কোকোয়ার মতো মহাবিশ্ব। একদম ওপরে উইপড ক্রিম আর সিনামনসহ এক কাপ গরম কোকোয়া। কোকোয়ার পরিমাণ ৬৮ শতাংশ, উইপড ক্রিম ২৭ শতাংশ এবং সিনামন হলো মাত্র ৫ শতাংশ।

    গরম কোকোয়ার মতো মহাবিশ্ব। একদম ওপরে উইপড ক্রিম আর সিনামনসহ এক কাপ গরম কোকোয়া। কোকোয়ার পরিমাণ ৬৮ শতাংশ, উইপড ক্রিম ২৭ শতাংশ এবং সিনামন হলো মাত্র ৫ শতাংশ।

    *

    তাহলে এই রহস্যময় বলটা আসলে কী? উত্তরটা কেউ জানে না। তবে সবচেয়ে ভালো যে অনুমানটি পাওয়া গেছে, সেটা হলো, ডার্ক এনার্জি স্থানের শূন্যতা দিয়ে গঠিত। চতুর্থ অধ্যায়ে আমরা শুধু ইন্টারগ্যালাকটিক স্পেসের বিপদ নিয়ে আলোচনা করিনি, বরং মহাজাগতিক ওই শূন্য মরুভূমিতে যেসব ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আছে, সেগুলোও বলেছি। কণা ও তাদের বিপরীত সঙ্গী জোড়া হুট করে অস্তিত্বে চলে আসে এবং তারপর পরস্পরকে ধ্বংস করে ফেলে। এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি জোড়া বাইরের দিকে কিছুটা চাপ সৃষ্টি করে। হয়তো মহাবিশ্বে সংঘটিত এসব ছোট ছোট চাপ একত্র করলে, তুমি শেষ পর্যন্ত এমন পরিমাণ বল পাবে, যা ডার্ক এনার্জির শক্তির জন্য যথেষ্ট।

    এটা একটা যৌক্তিক ধারণা। দুর্ভাগ্যক্রমে, তুমি ভ্যাকুয়াম প্রেশার বা শূন্য চাপের মোট পরিমাণ হিসাব করলে সেটি অবিশ্বাস্য রকম বড় পাওয়া যায়। সেটা এতই বড় হয় যে তা আমাদের হিসাব করা ডার্ক এনার্জির মোট মানের চেয়েও অনেক বেশি। আমার সেই মাইটি মাউস পরীক্ষার সঙ্গে তুলনা করলে, বিজ্ঞানের ইতিহাসে এটা তত্ত্ব আর পর্যবেক্ষণের মধ্যে অনেক বড় একটা ফারাক। কাজেই শূন্য চাপ কোনোভাবেই ডার্ক এনার্জির শক্তির উৎস হতে পারে না।

    হ্যাঁ, এ সম্পর্কে আমাদের কাছে কোনো ব্লু নেই।

    তবে কথাটা পুরোপুরি সত্য নয়। ডার্ক এনার্জি এখন পর্যন্ত প্রণয়ন করা মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের সবচেয়ে ভালো মডেল থেকে উঠে এসেছে। সেটা হলো আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা। এটা হলো মহাজাগতিক ধ্রুবক। ভবিষ্যতে ডার্ক এনার্জি সম্পর্কে যেটাই আবিষ্কার হোক না কেন, আমরা এরই মধ্যে জানি, এই শক্তি কীভাবে মাপতে হয়। আমরা জানি, মহাবিশ্বের অতীতে, বর্তমানে ও ভবিষ্যতে এর প্রভাব কীভাবে অনুমান করতে হয়।

    ক্লু না থাকাটা রোমাঞ্চকর কেন?
    এ মুহূর্তে তুমি হয়তো খেয়াল করেছ যে আমি এখানে ‘ক্লুলেস’ বা ‘সূত্র নেই’ কথাটি একাধিকবার ব্যবহার করেছি। মানুষ প্রায়ই ভাবে যে বিজ্ঞানীরা অহংকারী এবং নিজেদের ব্যাপারে সব সময় নিশ্চিত থাকেন। কিন্তু মহাবিশ্বের কাছ থেকে কঠিন সব প্রশ্নে বিব্রত হতে আমরা ভালোবাসি। ক্লুলেস হতে ভালোবাসি আমরা। এটা খুবই রোমাঞ্চকর ব্যাপার। এ কারণেই আমরা প্রতিদিন কাজ করতে ছুটে যাই। একজন বিজ্ঞানী হিসেবে তোমাকে অজ্ঞতাকে বা না জানাটাকে সানন্দে গ্রহণ করা শিখতে হবে। তুমি যদি সব উত্তর জেনে যাও, তাহলে তোমার আর কাজ করার কোনো কিছুই বাকি থাকবে না। তখন তোমাকে সম্ভবত স্রেফ ঘরে বসে থাকতে হবে।

    এখনো এ শিকার অভিযান চলছে। আমরা এখন জানি, ডার্ক এনার্জি সত্যি সত্যিই আছে। এর গোপন বিষয়গুলো খুঁজে পেতে প্রতিযোগিতা শুরু করেছেন বেশ কয়েক দল জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী। হয়তো তাঁরা একদিন সফলও হবেন। কিংবা এর জন্য আমাদের হয়তো সাধারণ আপেক্ষিকতার বদলে দরকার হবে বিকল্প কোনো তত্ত্বের। ডার্ক এনার্জির জন্য হয়তো ভবিষ্যতে নতুন কোনো তত্ত্ব আবিষ্কৃত হবে। সে জন্য যে বুদ্ধিমান মানুষটির দরকার, তিনি হয়তো এখনো জন্মই নেননি। কিংবা কে জানে, ভবিষ্যতের সেই জিনিয়াস হয়তো এখন এই বইটি পড়ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ফারাও’স সিক্রেট – ক্লাইভ কাসলার ও গ্রাহাম ব্রাউন
    Next Article শ্রীকৃষ্ণকীর্তন – চণ্ডীদাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }