Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাস্ট্রোফিজিকস : সহজ পাঠ – নীল ডিগ্র্যাস টাইসন ও গ্রেগরি মোন

    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমাদের সৌরজগতের প্রতিবেশী

    ১০. আমাদের সৌরজগতের প্রতিবেশী

    একটা এলিয়েন যদি আমাদের সৌরজগতের দিকে তাকায়, তাহলে সে হয়তো একসময় সিদ্ধান্তে আসবে যে এটা দেখতে শূন্য। সূর্য, সব কটি গ্রহ এবং তাদের উপগ্রহগুলো আসলে সৌরজগতের অতি অল্প জায়গা দখল করে রেখেছে। কিন্তু আমাদের সৌরজগৎ খালি বা শূন্য নয়। অবশ্য জায়গা ঠাসাঠাসি করে থাকা বস্তুতে পরিপূর্ণও নয়। গ্রহগুলোর মাঝখানের জায়গায় রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খণ্ড খণ্ড পাথর, নুড়ি, আইস বল, ধূলি, চার্জিত কণার স্রোত এবং দূরে ছোড়া অনুসন্ধানী যান।

    আমাদের সৌরজগৎ অতটা খালি নয়। কারণ, পৃথিবী নিজের কক্ষপথের ভেতর দিয়ে ছোটার সময় প্রতিদিন কয়েক শত টন উল্কার বাধাবিপত্তি ঠেলে নিয়ে যায়। এদের বেশির ভাগ বালুদানার চেয়ে বড় নয়। এদের বেশির ভাগ আবার পৃথিবীর ওপরের বায়ুমণ্ডলে জ্বলে-পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়। বাতাসের এই স্তরটা পৃথিবীর চারদিকে ঘিরে থাকে। উল্কাগুলো বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে এত বেশি শক্তি নিয়ে ধাক্কা খায় যে,

    ভয়েজার ১ ও ভয়েজার ২
    এই নভোযান দুটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল ১৯৭৭ সালে। এরপর থেকে সেগুলো মহাকাশের ভেতর দিয়ে ছুটে চলেছে। ২০১২ সালে আমাদের সৌরজগতের সীমা ছাড়িয়ে চলে যায় ভয়েজার ২। মানুষের বানানো কোনো যানের ক্ষেত্রে এটাই ছিল প্রথম কোনো ঘটনা। এখানে ভয়েজার ১ দেখা যাচ্ছে। এটিও পিছিয়ে নেই। এর অগ্রগতি সম্পর্কে জানা যাবে নিচের লিংকে : https://voyager.jpl.nasa.gov/mission/status/

    ভয়েজার ১
    ভয়েজার ১

    সেগুলো এর সংস্পর্শে এলেই বাষ্পীভূত হয়ে যায়। এটা আমাদের জন্য ভালো। বাতাসের এই প্রতিরক্ষা চাদর ছাড়া আমাদের পূর্বপুরুষেরা হয়তো মহাকাশের পাথরের আঘাতে অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে যেত। সেটা ঘটলে আমরা ইনস্ট্রাগ্রামে কোনো পোস্ট দেওয়ার জন্য এত দূর পর্যন্ত বিকশিত হতে পারতাম না।

    গলফ সাইজের চেয়ে বড় আকৃতির উল্কা প্রায়ই বাষ্পীভূত হওয়ার আগে ছোট ছোট খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। তারপরও বড় আকৃতির উল্কাপৃষ্ঠ বায়ুমণ্ডলের ভেতর সংঘর্ষের চিহ্ন বহন করে। তা না হলে সেগুলো ভূপৃষ্ঠে অক্ষত পাওয়া যেত। পৃথিবীর আদিম ইতিহাসে এত বেশি আবর্জনা বর্ষিত হয়েছে যে ওই সব সংঘর্ষের শক্তি বা উত্তাপের কারণে আমাদের গ্রহের বাইরের শক্ত স্তর বা ভূত্বক গলে গেছে।

    এ রকম বিপুল পরিমাণ স্পেস জাঙ্কের মাধ্যমে আমাদের চাঁদ গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন প্রমাণ ইঙ্গিত করে যে মঙ্গল গ্রহের সমান একটা বস্তু আমাদের তরুণ গ্রহের ওপর আছড়ে পড়েছিল। এই বিপুল সংঘর্ষে ধূলিকণা এবং পাথর পৃথিবীর চারপাশের কক্ষপথে উঠে গিয়েছিল। এই আবর্জনা পর্যায়ক্রমে একত্র হয়ে গঠন করেছে আমাদের প্রিয় নিম্ন ঘনত্বের চাঁদ।

    মহাকাশ থেকে আসা পাথরের বোমাবর্ষণ শুধু পৃথিবী নয়, অন্যান্য গ্রহ বা উপগ্রহেও হয়। চাঁদ ও বুধের পৃষ্ঠতলের খাদ বা ক্রেটার অতীতকালের সংঘর্ষের সাক্ষ্য দেয়। মহাকাশ সব আকারের পাথরে পরিপূর্ণ। মঙ্গল গ্রহ, চাঁদ ও পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো উচ্চ গতিসম্পন্ন বস্তু আঘাত করলে আঘাতের ফলে এসব পাথর ছিটকে মহাকাশে বেরিয়ে যায়। মঙ্গলের প্রায় এক হাজার টন পাথর প্রতিবছর পৃথিবীতে বর্ষিত হয়। হয়তো একই পরিমাণ পাথর চাঁদ থেকে পৃথিবীতে আসে। কাজেই আমরা হয়তো চাঁদের পাথর সংগ্রহ করে আনার জন্য সেখানে নভোচারী না পাঠালেও পারতাম। কারণ, এমনিতেও প্রচুর পরিমাণ পাথর সেখান থেকে পৃথিবীতে আসে।

    *

    সৌরজগতের বেশির ভাগ গ্রহাণু থাকে প্রধান গ্রহাণুবলয়ে বা অ্যাস্টরয়েড বেল্টে। এই বলয়টির অবস্থান মঙ্গল গ্রহ ও বৃহস্পতির কক্ষপথের মাঝখানে মোটামুটি সমতল একটা অঞ্চলে। এর আকৃতি একটা সত্যিকারের বেল্টের চেয়ে বরং একটা চ্যাপ্টা ডোনাটের মতো। সৌরজগতের ছবিতে এই এলাকাটি প্রায়ই তালগোল পাকানো, আঁকাবাঁকা পথে ছুটে চলা পাথরে আঁকা হয়। এসব গ্রহাণুর যেকোনো একটি দল হয়তো কোনো একদিন পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে। দলটিতে হয়তো থাকবে কয়েক হাজার গ্রহাণু। এদের বেশির ভাগই আমাদের গ্রহকে এক শ মিলিয়ন বছরের মধ্যে আঘাত করবে। ১ কিলোমিটারের বড় লম্বা কোনো গ্রহাণু অনেক অনেক বেশি শক্তি নিয়ে আমাদের পৃথিবীকে আঘাত করতে পারে; যাতে পৃথিবীর সব স্থলচর প্রাণীর বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    মহাকাশের পাথর থেকে টাকা
    বেশির ভাগ উল্কা মহাসাগরে ছড়িয়ে পড়ে। কারণ, পৃথিবীর পৃষ্ঠতলে ৭২ শতাংশই পানি। কিন্তু উল্কাখণ্ড সংগ্রহ করা অনেকের কাছেই একটা দারুণ অভ্যাস। মাঝেমধ্যে তা ব্যয়বহুলও বটে। এক উল্কাশিকারি একবার একে বলেছিল, ‘আকাশ থেকে নেমে আসা টাকা’। আসলে ভালো স্পেস রক থেকে তুমি কিছু টাকা আয়ও করতে পারো। ২০১২ সালে এক লোক চাঁদ থেকে আসা একগাদা পাথর বিক্রি করেন ৩৩০,০০০ মার্কিন ডলারে।

    সেটা বেশ খারাপ ব্যাপার হবে বলা বাহুল্য।

    পৃথিবীর জীবসত্তার জন্য হুমকি নিয়ে আসে ধূমকেতুও। ধূমকেতুর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হ্যালির ধূমকেতু। এটি প্রায় ৭৫ বছর পর পর আমাদের রাতের আকাশে দেখা দেয়। বরফ আর

    পাথরের এই বিশাল পিণ্ডটি আমাদের পৃথিবীর চেয়ে পুরোনো। ধূমকেতুটি সর্বশেষ দেখা দিয়েছিল ১৯৮৬ সালে। সেটা যদি আমাদের পৃথিবীতে আঘাত হানত, তাহলে তার বলের পরিমাণ হতো ১০ মিলিয়ন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সমান।

    এটাও খুব খারাপ ব্যাপার হতো।

    হ্যালির ধূমকেতু। এটি পর্যবেক্ষণ করা বেশ আনন্দের। কিন্তু আমরা চাই না যে ধূমকেতুটা পৃথিবীর খুব কাছে আসুক। সেটা খারাপ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
    হ্যালির ধূমকেতু। এটি পর্যবেক্ষণ করা বেশ আনন্দের। কিন্তু আমরা চাই না যে ধূমকেতুটা পৃথিবীর খুব কাছে আসুক। সেটা খারাপ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

    কিন্তু হ্যালির ধূমকেতু ২০৬১ সালের আগে আমাদের কাছে আর ফিরে আসবে না। এমনকি আমাদের সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়ার মতো তত কাছেও আসবে না। তুমি যদি তখন বেঁচে থাকো এবং চাঁদের কোনো হোটেলে যাওয়ার জন্য বা বাড়ির রোবট মেরামতে খুব বেশি ব্যস্ত না থাকো, তাহলে আমার পরামর্শ হলো, একটা ভদ্রগোছের টেলিস্কোপ খুঁজে বের করো।

    কুইপার বেল্ট আমাদের পার্শ্ববর্তী নক্ষত্রের দূরত্বের অর্ধেক পর্যন্ত প্রসারিত। এই বলয় ছাড়িয়ে একদল ধূমকেতুর বসবাস। এদের বলা হয় ওর্ট ক্লাউড। এই অঞ্চল আসলে দীর্ঘমেয়াদি ধূমকেতুর জন্য দায়ী। এদের কক্ষপথ এতই বড় যে সূর্যের চারপাশে একটা ঘূর্ণন সম্পূর্ণ করতে একটা মানুষের জীবনকালের চেয়েও বেশি সময় লেগে যায়। ১৯৯০-এর দশকে দুটি উজ্জ্বল ধূমকেতু এসেছিল ওর্ট ক্লাউড থেকে। এদের নাম ছিল হেল-বব এবং হায়াকুটেক। খুব শিগগির তারা ফিরে আসবে না। কাজেই তাদের দেখার সুযোগ হারিয়েছ তুমি। কিন্তু তোমাকে নিশ্চিত করে বলতে পারি, দুটোই ছিল বিস্ময়কর হায়াকুটেক এতই উজ্জ্বল ছিল যে তাকে দুরবিন ছাড়াই নিউইয়র্ক শহরের টাইম স্কয়ারের মাঝখান থেকেও দেখা যেত।

    *

    সর্বশেষবার আমি গুনে দেখেছি, সৌরজগতে বিভিন্ন গ্রহ মিলিয়ে ৫৬টি উপগ্রহ আছে। এরপর একদিন সকালে ঘুম থেকে জেগে জানতে পারলাম, শনির চারপাশে আরও ডজনখানেক উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে। এ ঘটনার পর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, এখন থেকে আর উপগ্রহের সংখ্যার কোনো খোঁজখবর রাখব না। এখন আমি শুধু এটুকুই জানতে চাই যে এসব উপগ্রহের কোনোটা ভ্রমণ কিংবা গবেষণার জন্য মজার হবে কি না। আমার ধারণা, অন্তত বেশ কয়েকটি উপগ্রহ এ তালিকায় স্থান পাবে। কিছু মানদণ্ডে সৌরজগতের উপগ্রহগুলো তার গ্রহগুলোর চেয়েও অনেক বেশি চিত্তাকর্ষক।

    টাইটান হলো আমার দ্বিতীয় প্রিয় গ্রহের সবচেয়ে বড় চাঁদ। এতে নদীর প্রবাহ আছে। সেগুলো আবার বিশালাকার হ্রদে গিয়ে পড়েছে। এই হ্রদের তরল হলো মিথেন, পানি নয়। এই উপগ্রহটি নিয়ে গবেষণা করতে আমরা সেখানে নভোযান পাঠিয়েছি। কিন্তু নিবিড়ভাবে দেখতে পেলে, সেখানে যে আরও মজার মজার বিষয় আবিষ্কৃত হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

    বৃহস্পতি গ্রহের চারপাশে যেসব চাঁদ ঘুরছে, তার মধ্যে একটি আমার প্রিয়। এই সিস্টেমে অদ্ভুত সব ঘটনা দেখা যায়। বৃহস্পতির সবচেয়ে কাছের উপগ্রহটির নাম আইও। সৌরজগতে এ জায়গায় আগ্নেয়গিরি সবচেয়ে সক্রিয়। এ চাঁদটি এত উত্তপ্ত যে সেখানে ঘুরতে যাওয়া সম্ভব নয়। বৃহস্পতির আরেকটি চাঁদের নাম ইউরোপা। এটি বরফ দিয়ে মোড়া। কাজেই এটাও ছুটি কাটানোর জন্য ভালো কোনো জায়গা নয়। কিন্তু ভিনগ্রহের জীবসত্তার জন্য আমাদের যে অনুসন্ধান, সেটা বিচার করলে সৌরজগতে এটাই সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা। জীবসত্তার খোঁজে কখনো যদি দ্বিতীয় কোনো জায়গার খোঁজ করতে হয়, তাহলে এটাই সেই জায়গা।

    প্রথম দর্শনে জ্যোতিঃপদার্থবিদেরা হয়তো জীবনধারণের জন্য ভালো জায়গা হিসেবে ইউরোপাকে বেছে নেবেন না। সাধারণত আমরা এমন গ্রহ বা উপগ্রহের খোঁজ করি, যার অবস্থান গোল্ডিলকস জোনে। এ বিষয়ে প্রথম অধ্যায়ে আলোচনা করেছি। ওই ছোট্ট স্বর্ণকেশী মেয়েটি খুব গরম বা খুব ঠান্ডা পরিজ খেতে পছন্দ করত না। জীবনধারণের জন্য যোগ্য গ্রহ সম্পর্কেও জ্যোতিঃপদার্থবিদদের অনুভূতি একই রকম। আমরা এমন একটা এলাকার খোঁজ করি, যেটা মাতৃনক্ষত্রের খুব কাছেও নয়, আবার খুব দূরেও নয়। নক্ষত্রের খুব কাছে থাকলে গ্রহটির পৃষ্ঠতলের সব পানি বাষ্পীভূত হয়ে যাবে। আর আমরা জানি, জীবসত্তার জন্য পানি অতি দরকারি। কিন্তু মাতৃনক্ষত্র থেকে গ্রহ বা উপগ্রহটা বেশি দূরেও হতে পারবে না। মানে ইউরোপার মতো। তাহলে পানি জমাট বেঁধে যাবে। জায়গাটাও হয়ে যাবে খুব ঠান্ডা। আমরা এমন গ্রহ খুঁজে বের করার চেষ্টা করি, যেটা খুব গরমও নয়, আবার খুব ঠান্ডাও নয়।

    ইউরোপার অবস্থান গোল্ডিলকস জোনের বাইরে। এর জমাটবাঁধা পৃষ্ঠতল কোনো প্রাণের বেঁচে থাকার উপযোগী বলে মনে হয় না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে ইউরোপার সূর্যের প্রয়োজন হয় না। উপগ্রহটি বৃহস্পতির চারপাশে ঘোরার সময় এর আকৃতি বদলে যায়। বৃহস্পতির চারপাশে ঘোরার সময় গ্রহটির মহাকর্ষ টান উপগ্রহটিকে সংকুচিত করে এবং ছেড়ে দেয়। সংকোচন ও ছেড়ে দেওয়ার এই প্রক্রিয়ায় উপগ্রহটি আসলে ইউরোপায় শক্তির জোগান দেয়। এতে বরফে ঢাকা মহাসাগরের নিচের পানি উষ্ণ হয়ে ওঠে। এই গরম পানি কোটি কোটি বছর ধরে সেখানে ছিল না, তা ভাবার কোনো কারণ নেই। আমরা যদি পৃথিবীর বাইরে অন্য কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পাই, তাহলে পরবর্তী গন্তব্য হওয়া উচিত ইউরোপাই।

    মিশন ইউরোপা
    আমরা সবাই ইউরোপায় যেতে চাই। তবে পর্যায়ক্রমে। সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানের আবিষ্কারগুলো অসাধারণ। কিন্তু প্রথমে কিছু বিস্ময়কর ইঞ্জিনিয়ারিং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। প্রথমত, ওই চাঁদে একটা নভোযান পাঠাতে হবে। এরপর ওই নভোযান বা ওর ভেতরে আঁটানো সম্ভব তার চেয়ে ছোট একটা নভোযান কক্ষপথ থেকে ইউরোপার জমাটবাঁধা পৃষ্ঠে অবতরণ করবে। আমাদের আইস ফিশিং করতে হবে। ওখানকার মহাসাগরের ওপরের বরফের স্তর সম্ভবত এক মাইল পুরু। একটা টানেল খুঁড়ে বা ড্রিল করে নিচের পানির কাছে পৌঁছাতে হবে। পরের মিশনের জন্য আরেকটা অনুসন্ধানী যান বা সাবমেরিনের মতো যান প্রয়োজন হবে, যা দিয়ে পানির চারপাশে সাঁতার কাটতে ও তথ্য সংগ্ৰহ করতে পারবে। তারপর তথ্যগুলো পাঠাতে পারবে পৃথিবীতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা বিজ্ঞানদের কাছে। এটা অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ। কিন্তু কল্পনা করে দেখো, আমরা এ অভিযান থেকে কী পেতে পারি।

    *

    ঐতিহ্যগতভাবে গ্রহগুলোর নামকরণ করা হয়েছে রোমান দেবতাদের নামে। উপগ্রহগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে গ্রিক পুরাণের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের নামে। চিরায়ত দেবতারা জটিল সামাজিক জীবনে বসবাস করত। কাজেই এমন চরিত্রের অভাব নেই। এই নিয়মের একমাত্র ব্যতিক্রম দেখা যায় ইউরেনাসের চাঁদগুলোর ক্ষেত্রে। এসব চাঁদের নাম দেওয়া হয়েছে ব্রিটিশ নাটক ও কবিতা থেকে। ইউরোপা ও আইওর বদলে সেখানে খুঁজে পাবে পাক আর এরিয়েলকে। এই দুই পরির দেখা পাওয়া যায় শেক্সপিয়ারের নাটকগুলোতে। আগেই বলেছি, উইলিয়াম হার্শেল অদৃশ্য আলো আবিষ্কার করেছিলেন। আবার তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যিনি ১৭৮১ সালে এমন একটা গ্রহ আবিষ্কার করেন, যেটা আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না। গ্রহটাকে তৎকালীন রাজার নামে নামকরণ করতে প্রস্তুত ছিলেন তিনি। এই রাজার অধীনে তিনি বিশ্বস্তভাবে দায়িত্ব পালন করতেন। হার্শেল যদি সে কাজে সফল হতেন, তাহলে গ্রহের তালিকা পড়তে হতো এভাবে : বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি এবং জর্জ। সৌভাগ্যক্রমে এর কয়েক বছর পর ক্ল্যাসিক্যাল নাম ইউরেনাস বা আকাশের দেবতার নামে গ্রহটির নামকরণ করা হয়।

    *

    আমাদের সৌরজগতের সব কটি গ্রহ এবং উপগ্রহের নাম দেওয়া হয়ে গেছে। কিন্তু অসংখ্য গ্রহাণুকে চিহ্নিত করা এখনো বাকি। আবিষ্কারকেরা তাঁদের ইচ্ছামতো গ্রহাণুদের নাম দিতে পারেন। আমি নিজেও এখন সৌরজগতের ওই সব আবর্জনার কিছু অংশের জন্য দায়ী। ২০০০ সালের নভেম্বরে প্রধান গ্রহাণুবলয়ে ১৯৯৪ কেএ আবিষ্কার করেন ডেভিড লেভি এবং ক্যারোলিন শুমেকার। আমার সম্মানে ওই গ্রহাণুর নামকরণ করা হয়েছে ১৩১২৩ টাইসন। এর মাধ্যমে আমি সম্মানিত হয়েছি সত্য। কিন্তু এটা নিয়ে খুব বেশি আত্মতুষ্টির কিছু নেই। কারণ, অনেকগুলো গ্রহাণুর পরিচিত কিছু নাম আছে। যেমন জোডি, হ্যারিয়েট ও থমাস এমনকি মার্লিন, জেমস বন্ড এবং সান্তার নামেও গ্রহাণু আছে। এখন কয়েক লাখ গ্রহাণুর নামকরণ করতে গেলে শিগগিরই হয়তো আমাদের নাম দেওয়ার ক্ষমতা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। সেদিনটি আসুক বা না আসুক, আমি জেনে খুশি যে গ্রহগুলোর মাঝখানের জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো আমার মহাজাগতিক ভগ্নাবশেষটি নিঃসঙ্গ নয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    Next Article আমি বীরাঙ্গনা বলছি – নীলিমা ইব্রাহিম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }