Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাস্ট্রোফিজিকস : সহজ পাঠ – নীল ডিগ্র্যাস টাইসন ও গ্রেগরি মোন

    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এলিয়েনের চোখে পৃথিবী দেখতে কেমন

    ১১. এলিয়েনের চোখে পৃথিবী দেখতে কেমন

    বহুদূরের কোনো এলিয়েন দলের কাছে পৃথিবী কীভাবে আবির্ভূত হয়, তা বুঝতে হলে পৃথিবী থেকে ওপরে এবং বাইরে গিয়ে আমাদের গ্রহটি দেখতে হবে। তুমি পৃথিবীর এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা পর্যন্ত জোরে দৌড়াও, সাঁতার কাটো, হাঁটো বা তোমার বাইক চালাও না কেন, তুমি আমাদের গ্রহের সীমাহীন বস্তুর জোগানের ক্লোজআপ দৃশ্য উপভোগ করতে পারো। তুমি হয়তো দেখেছ একটা মাকড়সা তার জালের ভেতর একটা মথকে আটক করছে, একটা পাতা থেকে এক ফোঁটা পানি গড়িয়ে পড়ছে, একটা হারমিট ক্র্যাব দ্রুতবেগে বালুর ওপর দিয়ে ছুটে যাচ্ছে কিংবা কোনো টিনএজারের নাকে একটা ব্রণ উঠেছে।

    ভূপৃষ্ঠের কথা যদি বলি, খুঁটিনাটি ব্যাপারে পৃথিবী সমৃদ্ধ। তোমাকে শুধু দেখতে হবে। এখন ওপরের দিকে যাওয়া যাক। ক্ৰমে ওপরের দিকে উঠতে থাকা এরোপ্লেনের জানালা দিয়ে ভূপৃষ্ঠের এই বিস্তারিত দৃশ্য হারিয়ে যেতে থাকে। কোনো ক্ষুধার্ত মাকড়সা আর দেখা যায় না। আতঙ্কিত কাঁকড়াও নয়। কোনো ব্রণও নয়। প্ৰায় সাত মাইল উচ্চতায় ওঠার পর তোমার নিজের শহরটাকেই চেনা কঠিন হয়ে পড়ে। তুমি মহাকাশের যত ওপরে উঠবে, ততই ভূপৃষ্ঠের বিশদ দৃশ্যপট হারিয়ে যেতে থাকবে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন প্রায় ২৫০ মাইল ওপরের কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে। অবশ্য এর একটা জানালা দিয়ে তুমি হয়তো দিনের বেলা প্যারিস, লন্ডন, নিউইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলেস শহর খুঁজে পাবে। কিন্তু সেটা কেবল সম্ভব তুমি যদি ভূগোল জানো। তুমি মহাকাশ থেকে গিজার গ্রেট পিরামিড দেখতে পাবে না। এমনকি দেখতে পাবে না চীনের মহাপ্রাচীরও।

    তুমি যদি চাঁদের পৃষ্ঠে দাঁড়াও, তাহলে নিউইয়র্ক, প্যারিস এবং পৃথিবীর বাকি উজ্জ্বল শহরগুলো ঝিকঝিক করতেও দেখতে পাবে না। কারণ, পৃথিবী থেকে তখন তোমার দূরত্ব হবে এক মিলিয়ন মাইলের চার ভাগের এক ভাগ। কিন্তু তখনো তুমি ঠান্ডা বাতাসের পুঞ্জ এবং আবহাওয়ার অন্যান্য প্রধান রূপ আমাদের গ্রহজুড়ে ছুটে যেতে দেখতে পাবে। ধরা যাক, তুমি মঙ্গল গ্রহে চলে গিয়েছ। পৃথিবীর সঙ্গে এই গ্রহটির সবচেয়ে নিকটতম দূরত্ব প্রায় ৩৫ মিলিয়ন মাইল। সেখান থেকে বড় একটা টেলিস্কোপের ভেতর দিয়ে বিশাল তুষারের টুপি পরা পর্বতের সারি এবং পৃথিবীর মহাদেশের কিনারা দেখা যাবে। কিন্তু এগুলোই সব, আর কিছু নয়। আমাদের শহরগুলো দেখতে পাবে না।

    টুকরো তথ্য
    মহাকাশ থেকে কি চীনের মহাপ্রাচীর দেখা যায়? না! মহাপ্রাচীর কয়েক হাজার মাইল লম্বা হলেও, এর প্রশস্ততা মাত্র ২০ ফুট। যুক্তরাষ্ট্রের হাইওয়ের চেয়েও অনেক সরু। তাই অনেক উঁচুতে উড়ে যাওয়া এরোপ্লেন থেকে মহাপ্রাচীর কোনোমতে দেখতে পাওয়া যায়।

    ছবিটি তুলেছিল মহাকাশ অনুসন্ধানী নভোযান ভয়েজার ১। এতেই প্রথমবার পৃথিবী ও চাঁদকে এক ফ্রেমে দেখা যাচ্ছে। নভোযানটি নেপচুনের কক্ষপথ ছাড়িয়ে চলে যাওয়ার পর আরেকটি ছবি তুলেছিল। অত দূর থেকে পৃথিবীকে শুধু একটা ‘পেল ব্লু ডট' বা মলিন নীল বিন্দুর মতো দেখা গিয়েছিল।
    ছবিটি তুলেছিল মহাকাশ অনুসন্ধানী নভোযান ভয়েজার ১। এতেই প্রথমবার পৃথিবী ও চাঁদকে এক ফ্রেমে দেখা যাচ্ছে। নভোযানটি নেপচুনের কক্ষপথ ছাড়িয়ে চলে যাওয়ার পর আরেকটি ছবি তুলেছিল। অত দূর থেকে পৃথিবীকে শুধু একটা ‘পেল ব্লু ডট’ বা মলিন নীল বিন্দুর মতো দেখা গিয়েছিল।

    তিন বিলিয়ন মাইল দূরে নেপচুন ছাড়িয়ে যাওয়ার পর খোদ সূর্যকেই অনেক ম্লান দেখা যায়। পৃথিবী থেকে আমাদের দেখা সূর্যের তুলনা করলে, নক্ষত্রটিকে এক হাজার ভাগ ম্লান দেখা যায়। তাহলে পৃথিবীর কী অবস্থা দাঁড়ায়? এটা সঙ্গে একটা ফুটকির মতো দেখা যায়, এটা কোনো ম্লান নক্ষত্রের চেয়ে বেশি উজ্জ্বলতা থাকে না। কিন্তু তা-ও সূর্যের তীব্রতার মধ্যে হারিয়ে যায়।

    আমাদের কাছে একটা প্রমাণ আছে। ১৯৯০ সালে ভয়েজার ১ নভোযান নেপচুনের কক্ষপথ ছাড়িয়ে একটু দূর থেকে পৃথিবীর একটা ছবি তুলেছিল। আমাদের গ্রহটিকে গভীর মহাকাশ থেকে মোটেও মনোমুগ্ধকর কিছু মনে হয়নি। মার্কিন জ্যোতিঃপদার্থবিদ কার্ল সাগান একে বলেছিলেন ‘পেল ব্লু ডট’ বা মলিন নীল বিন্দু আর সেটাই ছিল অনেক বেশি। তুমি যদি ভয়েজার ১-এর পাঠানো ছবিটা একনজর দেখো, তাহলে তুমি হয়তো বুঝতেও পারবে না যে ওখানে পৃথিবী আছে।

    তাহলে অনেক অনেক দূর থেকে কোনো মাথামোটা এলিয়েন যদি তাদের সবচেয়ে উন্নত মানের টেলিস্কোপ দিয়ে আকাশ স্ক্যান করে, তাহলে কী হবে? পৃথিবীর কোন দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য তারা শনাক্ত করতে পারবে?

    নীলচে বৈশিষ্ট্য। এটিই হবে প্রথম এবং সবার আগে। পৃথিবীর পৃষ্ঠতলের তিন ভাগের দুই ভাগের বেশি পানি দিয়ে ভরা। শুধু প্রশান্ত মহাসাগর একাই গ্রহটির পুরো একটা দিক জুড়ে রয়েছে। এই এলিয়েনরা কখনো যদি আমাদের গ্রহের রং শনাক্ত করতে পারে, তাহলে তারা হয়তো এটাও অনুমান করতে পারবে যে এই নীলের সবটুকুর উৎস আসলে পানি। তারা হয়তো পানির সঙ্গেও পরিচিত হবে। পানি শুধু জীবনধারণে সহায়তাই করে না, সেই সঙ্গে মহাবিশ্বে এটিই সবচেয়ে প্রাচুর্যময় অণুগুলোর মধ্যে একটি।

    এলিয়েনদের কাছে যদি সত্যিই শক্তিশালী যন্ত্রপাতি থাকে, তাহলে তারা শুধু মলিন নীল বিন্দু ছাড়াও আরও কিছু ব্যাপার দেখতে পাবে। তারা দেখতে পাবে মহাসাগরের উপকূলরেখা। এটিই জোরালোভাবে ইঙ্গিত করবে যে এই গ্রহের পানি তরল। কারণ, জমাটবাঁধা পানির গ্রহে কোনো উপকূল থাকে না। আর স্মার্ট এলিয়েনরা নিঃসন্দেহে জানবে, কোনো গ্রহে তরল পানি থাকার মানে হলো, সেখানে প্রাণের অস্তিত্বও থাকতে পারে।

    এই এলিয়েনরা হয়তো পৃথিবীর মেরু অঞ্চলের আইস ক্যাপও দেখতে পারবে। এগুলো তাপমাত্রা পরিবর্তনের সঙ্গে বাড়ে ও সংকুচিত হয়। ভূপৃষ্ঠ গবেষণা করে ও প্রধান স্থল অংশ কতটা সময় ধরে ঘোরে এবং আবারও দৃষ্টিসীমায় আসে তা শনাক্ত করে তারা হয়তো বুঝতে পারবে, প্রতি ২৪ ঘণ্টায় আবর্তিত হচ্ছে আমাদের গ্রহটি। এভাবে আমাদের দিনের দৈর্ঘ্য জানতে পারবে তারা। হয়তো আমাদের প্রধান আবহাওয়া চক্রের আসা-যাওয়াও দেখতে পাবে এলিয়েনরা। আমাদের মেঘ নিয়েও তারা গবেষণা করতে পারবে।

    এবার বাস্তব অবস্থা পরীক্ষা করে দেখা যাক।

    আমাদের সবচেয়ে কাছের এক্সোপ্লানেট বা বহিঃসৌরগ্রহটিকে পাওয়া যাবে আমাদের প্রতিবেশী নক্ষত্র ব্যবস্থা আলফা সেন্টরিতে। জানিয়ে রাখি, এক্সোপ্লানেট বা বহিঃসৌরগ্রহ হলো সূর্য ছাড়া অন্য কোনো নক্ষত্রের চারপাশে ঘূর্ণমান একটি গ্রহ। আলফা সেন্টরি অবস্থান আমাদের কাছ থেকে চার আলোকবর্ষ দূরে। অর্থাৎ একটা আলোকরশ্মি চার বছরে যে দূরত্ব পাড়ি দেয়, সেটাই হলো চার আলোকবর্ষ বা লাইট ইয়ার। আলো কিন্তু এই চলার পথে কোথাও জ্বালানি নেওয়ার জন্য কিংবা বাথরুম করার জন্য থামে না। প্ৰতি ঘণ্টায় আলো প্রায় ৬৭০ মিলিয়ন মাইলের বেশি পথ পাড়ি দেয়। কাজেই চার আলোকবর্ষ দূরের আলফা সেন্টরিতে আমাদের প্রতিবেশীর অবস্থান আসলে অনেক অনেক দূরে।

    এরাই আমাদের সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী। বিজ্ঞানীরা যেসব এক্সোপ্লানেট আবিষ্কার করেছেন, সেগুলোর বেশির ভাগ আমাদের কাছ থেকে কয়েক ডজন আলোকবর্ষ দূরে। পৃথিবীর উজ্জ্বলতা

    আমাদের সবচেয়ে কাছের যে গ্রহটি একটি নক্ষত্রকে ঘিরে ঘুরছে, সেটা আছে এখানে। নক্ষত্রটির নাম আলফা সেন্টরি। সূর্যের পর আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র। আমাদের থেকে সিস্টেমটি চার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। আলফা সেন্টরির উজ্জ্বলতায় ঢাকা পড়েছে গ্রহটি।
    আমাদের সবচেয়ে কাছের যে গ্রহটি একটি নক্ষত্রকে ঘিরে ঘুরছে, সেটা আছে এখানে। নক্ষত্রটির নাম আলফা সেন্টরি। সূর্যের পর আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র। আমাদের থেকে সিস্টেমটি চার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। আলফা সেন্টরির উজ্জ্বলতায় ঢাকা পড়েছে গ্রহটি।

    এমনিতেই সূর্যের তুলনায় এক বিলিয়ন ভাগের এক ভাগ মাত্ৰ। কাজেই সেখানকার কোনো এলিয়েনের পক্ষে আমাদের গ্রহকে দৃশ্যমান আলোক টেলিস্কোপ দিয়ে সরাসরি দেখতে পাওয়া খুব কঠিন। এটা অনেকটা বিশাল কোনো সার্চলাইটের কাছে একটা জোনাকি পোকা খুঁজে বের করার মতো। সুতরাং কোনো এলিয়েন যদি আমাদের খুঁজে পায়, তার মানে হবে, তারা ইনফ্রারেডের মতো কোনো অদৃশ্য আলো দিয়ে আমাদের খোঁজ করেছিল। দৃশ্যমান আলোতে সূর্যের আলোর উজ্জ্বলতায় পৃথিবী হারিয়ে গেলেও, ইনফ্রারেডে ওই উজ্জ্বলতায় আমাদের ঝাপসা করে দেয় না। কিংবা এমনও হতে পারে, একেবারেই ভিন্ন কোনো কৌশল অবলম্বন করেছে তাদের ইঞ্জিনিয়াররা।

    *

    আমি ধারণা করছি, তুমি এর আগে তোমার কোনো বন্ধুর ছবি তোলার সময় ছবিটা নষ্ট করে দিয়েছ। একে বলা হয় ফটোবম্বিং। রুচিসম্মত জ্যোতিঃপদার্থবিদেরাও এ ধরনের প্রচলিত প্রাঙ্ক করার লোভ সামলাতে পারেন না। দূরের গ্রহগুলো খুঁজে পেতে আমরা যে কৌশল ব্যবহার করি, তার সঙ্গে ফটোবম্বিংয়ের কিছু মিল আছে। এলিয়েনরা যেমন অনেক দূরে থেকে পৃথিবীকে দেখার জন্য কষ্ট করে, তেমনি দূরের কোনো গ্রহকে সরাসরি দেখা আমাদের জন্যও অনেক কঠিন কাজ। কাজেই নাসা এমন একধরনের টেলিস্কোপের নকশা করেছে এবং বানিয়েছে, যা অতিক্ষুদ্র গ্রহকে খুঁজে বের করে। কৌশলটা এমন, যেন তারা পার্শ্ববর্তী নক্ষত্রের ওপর ফটোবম্বিং করছে। এই টেলিস্কোপের নাম কেপলার।

    কেপলার টেলিস্কোপ এমন সব নক্ষত্র দেখেছে, যাদের মোট উজ্জ্বলতা নিয়মিতভাবে কিছুটা কমে যায়। এসব ক্ষেত্রে কেপলার দেখে যে কোনো নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা কমল কি না। অতি সামান্য হলেও। এর কারণ হতে পারে, তার নিজের গ্রহগুলো সরাসরি ওই মাতৃনক্ষত্রের সামনে দিয়ে অতিক্রম করছে। অনেকটা তোমার আর তোমার বন্ধুর ছবিতে উড়ে আসা ছোটখাটো কোনো উৎপাতের মতো। এই পদ্ধতিতে তুমি খোদ গ্রহটিকে দেখতে পারবে না। এমনকি নক্ষত্রটির পৃষ্ঠতলের কোনো বৈশিষ্ট্যও তোমার চোখে ধরা পড়বে না। কিন্তু দেখতে পাবে যে সেখানে কিছু একটা আছে। এভাবে কয়েক হাজার এক্সোপ্লানেট আবিষ্কার করেছে কেপলার। এদের মধ্যে কয়েক শ আছে এমন নক্ষত্র ব্যবস্থা, যেখানে আমাদের নিজেদের মতো অনেকগুলো গ্রহ আছে।

    বিস্ময়কর কেপলার টেলিস্কোপ। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা কয়েক হাজার নতুন গ্ৰহ আবিষ্কার করেছেন। এদের কোনোটিতে কি প্রাণের অস্তিত্ব আছে?
    বিস্ময়কর কেপলার টেলিস্কোপ। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা কয়েক হাজার নতুন গ্ৰহ আবিষ্কার করেছেন। এদের কোনোটিতে কি প্রাণের অস্তিত্ব আছে?

    পৃথিবী শনাক্ত করতে এই কৌশলটি কাজে লাগাতে পারে এলিয়েনরা। সূর্য পর্যবেক্ষণ করে এর উজ্জ্বলতা কিছুটা কমে যাওয়া শনাক্ত করতে পারবে তারা। কারণ, তখন আমাদের গ্রহটি আমাদের স্থানীয় নক্ষত্র এবং তাদের মধ্যবর্তী স্থানটি অতিক্রম করবে। চমৎকার, তাই না? তারা পৃথিবীর অস্তিত্ব আবিষ্কার করবে, কিন্তু আমাদের ভূপৃষ্ঠে কী হচ্ছে, সেসব সম্পর্কে তারা কোনো কিছুই জানতে পারবে না।

    সে ক্ষেত্রে রেডিও ওয়েভ এবং মাইক্রোওয়েভ হয়তো তাদের সহায়তা করবে। হয়তো আমাদের দিকে আড়ি পাতা ফাস্ট (FAST) টাইপের কোনো টেলিস্কোপ থাকবে এলিয়েনদের কাছে। ৫০০ মিটার দৈর্ঘ্যের বিশালাকৃতির এই টেলিস্কোপটি চীনে স্থাপন করা হয়েছে। এ সম্পর্কে নবম অধ্যায়ে আলোচনা করেছি। তারা যদি সেটি করতে পারে এবং যদি সঠিক ফ্রিকোয়েন্সিতে তা টিউন করতে পারে, তাহলে তাদের কাছে আমরাই আবির্ভূত হব আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল উৎস হিসেবে। আমাদের আধুনিক রেডিও, মোবাইল ফোন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, গ্যারেজ ডোর ওপেনার, কার ডোর আনলকার এবং যোগাযোগ স্যাটেলাইট—সব কটিই সংকেত নিঃসরণ করছে। আমরা দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যে জ্বলজ্বল করছি। তাই ওই এলিয়েনরা যদি সঠিক টেলিস্কোপ আর ডিটেক্টর ব্যবহার করে, তাহলে তাদের কাছে অসাধারণ প্রমাণ মিলবে যে এখানে কোনো অস্বাভাবিক কিছু একটা ঘটছে। পৃথিবীকে দেখতে বেশ মজার পার্টির মতো মনে হবে।

    *

    রহস্যময় রেডিও সিগন্যালে একবার বিভ্রান্ত হয়েছিলেন আমাদের বিজ্ঞানীরাও। সেবার তাঁরা বিস্মিত হয়ে আবিষ্কার করলেন, এলিয়েনরা সম্ভবত তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। আকাশে শক্তিশালী রেডিও তরঙ্গের কোনো উৎস পাওয়া যায় কি না, তার খোঁজ চলছিল ১৯৬৭ সালে। তখন চরম অস্বাভাবিক কিছু একটা আবিষ্কার করে বসলেন জ্যোতিঃপদার্থবিদ অ্যান্টোনি হিউয়িশ এবং তাঁর দল। অনেক দূরের কোনো একটা বস্তু প্রতি সেকেন্ডের কিছুটা বেশি সময় পরপর নির্দিষ্টভাবে স্পন্দিত হচ্ছিল। সেটা প্রথম খেয়াল করেন হিউয়িশের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থী জোসেলিন বেল।

    কে পুরস্কার পেল?
    পালসার আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানীরা কৃতিত্ব দেন জোসেলিন বেলকে (তিনি এখন জোসেলিন বেল ব্রুনেল)। কিন্তু সে জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তাঁর বস অ্যান্টোনি হিউয়িশকে। ১৯৭৭ সালে বেল ব্রুনেল জোরালোভাবে জানান, এই অবজ্ঞাপূর্ণ আচরণের জন্য তিনি হতাশ হন। কিন্তু অন্য অনেকে বলেন, তিনি যদি মেয়ে না হতেন, তাহলে পুরস্কারটা পেতেন। পালসার আবিষ্কারে তাঁর অবদান ও চলমান অন্যান্য গবেষণার কারণে বেল ব্রুনেল আরও অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। পাশাপাশি বিজ্ঞানে নারীদের বড় সমর্থক তিনি।

    এ থেকে মনে করা হলো, এই সিগন্যাল আসছে অন্য কোনো সভ্যতা থেকে। এভাবে গোটা মহাকাশে তাদের কার্যকলাপের প্রমাণ পাঠাচ্ছে তারা। নিশ্চয়ই কোনো এলিয়েন। যার রেডিওভিত্তিক সংস্করণ ‘হেই, আমরা এখানে!’ অবশ্য বেলের জন্য এ ভাবনাকে অনিবার্য বলা চলে। এতে বেশ হতাশা বোধ করলেন বেল। সে সময় তিনি গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জনের চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু এসব লিটল গ্রিন মেন এবং তাঁদের সিগন্যাল বেশ ঝামেলা পাকাচ্ছিল। কয়েক দিনের মধ্যে বেল আবিষ্কার করলেন, আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির অন্যান্য জায়গা থেকেও এ রকম পুনরাবৃত্ত সিগন্যাল পাওয়া যাচ্ছে। বেল এবং অন্য বিজ্ঞানীরা এবার বুঝতে পারলেন, তাঁরা কোনো এলিয়েনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেননি, বরং আসলে নতুন ধরনের একটা মহাজাগতিক বস্তু আবিষ্কার করেছেন। অর্থাৎ পুরোপুরি নিউট্রন দিয়ে তৈরি একটা নক্ষত্র আবিষ্কার করেছেন তাঁরা। নক্ষত্রটা প্রতিটি ঘূর্ণনের সময় একটা রেডিও ওয়েভের স্পন্দন দেয়। (চ্যাপস্টিকের টিউবের ভেতর এক শ মিলিয়ন হাতি ঢোকালে যেমন ঘনত্ব হয়, নক্ষত্রটাও সে রকম ঘনত্বের বস্তু।) হিউয়িশ এবং বেল যুক্তিসংগতভাবে এর নাম দিলেন পালসার। ফলে বেলের ঝুলিতে শুধু গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিই নয়, সঙ্গে পেলেন বিশ শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের কৃতিত্বও।

    *

    এলিয়েনদের ব্যাপারে নাক গলানোর কিংবা আমাদের ওপর কোনো উন্নত ভিনগ্রহবাসীদের আরও নজরদারির অন্য উপায়ও আছে। ভিনগ্রহবাসীরা আমাদের গ্রহের আলো পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পারে, পৃথিবী এবং তার চারপাশে কোন ধরনের অণু আছে। কোনো গ্রহে যদি উদ্ভিদ ও প্রাণী থাকে, তাহলে তার বায়ুমণ্ডল একটা দিক দিয়ে বেশ সমৃদ্ধ হবে। একে আমরা বলি বায়োমার্কার। ম্যাজিক মার্কারের সঙ্গে আবার বিষয়টাকে গুলিয়ে ফেলো না। যা-ই হোক, এই অণুগুলো অনেকটা ব্লুর মতো কাজ করবে। কোনো গ্রহের বায়োমার্কার থাকার মানে হলো, বিজ্ঞানীরা জানেন সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব আছে। আশপাশে প্রাণের অস্তিত্ব থাকলে এসব অণু সমৃদ্ধ হয়।

    পৃথিবীতে মিথেন এ রকম একটি বায়োমার্কার। প্রাকৃতিক উৎস যেমন গাছপালা পচে মিথেন তৈরি হয়। বাকি অংশ তৈরি হয় মানুষের কার্যকলাপের কারণে। যেমন জ্বালানি তেল উৎপাদন, ধান চাষ, নর্দমা ব্যবস্থা ও গবাদিপশুর ঢেকুর ও বায়ুনির্গমন।

    হ্যাঁ, গরুর বায়ুনির্গমনের কারণে এলিয়েনরা কোনো একদিন হয়তো আমাদের খুঁজে পাবে। অবশ্য আমাদের এলিয়েনদের জন্য সবচেয়ে ভালো চিহ্ন হতে পারে, বায়ুমণ্ডলে ভাসমান মুক্ত অক্সিজেন। মহাবিশ্বের তৃতীয় প্রাচুর্যময় মৌল হলো অক্সিজেন। এটি রাসায়নিকভাবেও সক্রিয়। মাধ্যমিক স্কুলের নাচের আসরে যে বাচ্চাটি যে কারও সঙ্গে নাচ শুরু করে দেয়, তার পারমাণবিক সংস্করণ হলো অক্সিজেন। হাইড্রোজেন, কার্বন, নাইট্রোজেন, সিলিকনসহ আরও অনেক পরমাণুর সঙ্গে বন্ধন তৈরি করতে পারে অক্সিজেন। আবার নিজের সঙ্গেও বন্ধন তৈরি করতে পারে এরা। এই অণুটি নিঃসঙ্গ ও মুক্ত থাকতে একদম পছন্দ করে না।

    কাজেই এলিয়েনরা যদি অক্সিজেনকে মুক্তভাবে ভাসমান অবস্থায় দেখে, তাহলে তারা হয়তো অনুমান করবে, কোনো কিছু এদের মুক্ত করে দিচ্ছে। এখানে পৃথিবীতে আমরা জানি, সে জন্য জীবসত্তা দায়ী। গাছপালা যে প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলোকে জ্বালানি হিসেবে মঙ্গল গ্রহে সামান্য পরিমাণ মিথেন আছে। অন্যদিকে প্রচুর পরিমাণ মিথেন আছে শনির চাঁদ টাইটানে। এই মিথেনের উৎস কী, তা নিয়ে এখন তর্কে মেতেছেন বিজ্ঞানীরা। এই মিথেন কোথা থেকে এসেছে? সেটার উৎস নিশ্চয়ই কোনো মহাজাগতিক গরু নয়। টাইটানে এমন একটা নদী আছে, যেখানে মিথেন প্রবাহিত হচ্ছে। গোটা হ্রদটাই এই বায়োমার্কারে ভরা।

    টাইটানে কি গরু আছে?
    রূপান্তর করে, তাকে বলা হয় ফটোসিনথেসিস বা সালোকসংশ্লেষণ। এই প্রক্রিয়ায় সাগর-মহাসাগর এবং বায়ুমণ্ডলে মুক্ত অক্সিজেন তৈরি হয়। বাতাসের এই মুক্ত অক্সিজেনই মানুষ এবং আক্ষরিক অর্থে প্রাণিজগতের প্রতিটি জীবজন্তুকে বেঁচে থাকতে সহায়তা করে।

    আমরা পার্থিব মানুষ এরই মধ্যে জেনে গেছি, অক্সিজেন ও অন্যান্য বায়োমার্কার বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এলিয়েনদের এই সবকিছুর কারণ নিজেদেরই খুঁজে বের করতে হবে। তারা যদি সিদ্ধান্তে আসে যে এসব ব্লু আসলে জীবসত্তার অস্তিত্বের নিশ্চিত প্রমাণ, তাহলে তারা হয়তো ভাবতে বসবে, ওই প্রাণীরা বুদ্ধিমান কি না। মাঝেমধ্যে আমি নিজেকেও এই প্রশ্ন করি।

    কিন্তু সত্যিই কি বাইরে কোথাও কোনো এলিয়েন আছে? তারাও কি গোটা মহাবিশ্ব তন্ন তন্ন করে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে বেড়াচ্ছে? প্ৰথম এক্সোপ্লানেট আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে। আর এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন সেই সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার হাজারে। বিজ্ঞানীরা এখন মনে করেন, শুধু আমাদের এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতেই পৃথিবীর সমান আকৃতির গ্রহের সংখ্যা প্রায় চার বিলিয়ন। বাইরের কোথাও থেকে কেউ বা কোনো কিছু হয়তো আমাদের তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    Next Article আমি বীরাঙ্গনা বলছি – নীলিমা ইব্রাহিম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }