Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাস্ট্রোফিজিকস : সহজ পাঠ – নীল ডিগ্র্যাস টাইসন ও গ্রেগরি মোন

    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶

    ওপরে তাকাও, চিন্তায় বড় হও

    ১২. ওপরে তাকাও, চিন্তায় বড় হও

    ছেলেবেলায় শেখা কঠিন সত্যগুলোর মধ্যে একটা ছিল এ রকম, তুমি আসলে এই মহাবিশ্বের কেন্দ্র নও। আমার পঞ্চম জন্মদিনের কথা এখনো মনে আছে। আমার মা দোকান থেকে বাসায় ফিরে একটা কেকের মাঝখানে একটা মোমবাতি গুঁজে দিলেন। মোমবাতিটার আকৃতি ছিল ৫ সংখ্যার মতো। তা দেখে অবাক হয়ে গেলাম আমি। ভাবলাম, তার মানে, দোকানের লোকজনও জানে, আজ আমার বয়স পাঁচ বছর হতে যাচ্ছে! তারা শুধু আমার জন্য এই মোমবাতি বানিয়েছে এবং তা রেখেও দিয়েছিল।

    আমি অনেকটা এ রকমই ভেবে বসেছিলাম। আমার মাথায় কখনো আসেনি যে বিশ্বের অন্য শিশুরাও পাঁচ বছরে পা দিয়েছে কিংবা শিগগিরই পা দেবে। কাজেই ও রকম মোমবাতি দোকানে অনেক ছিল। তাহলে নক্ষত্র আর ছায়াপথের সঙ্গে এর সম্পর্ক কী?

    অ্যাস্ট্রোফিজিকস আমাদের শিক্ষা দেয় যে আমরা মহাবিশ্বের কেন্দ্ৰ নই।

    আরও শেখায়, আমাদের মহাবিশ্বটা হয়তো একমাত্র মহাবিশ্ব নয়। এটা আমাদের একটা মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়।

    কিন্তু এভাবে কে ভাবতে পারে? এই মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে কে জীবন উদযাপন করার সুযোগ পায়? নিশ্চয়ই তাঁরা কৃষিশ্রমিক নন, যাঁদের শুধু নিজের পরিবারের ভরণপোষণ করার জন্য এক কাজ থেকে আরেকটা কাজের পেছনে অবিরাম ছুটে যেতে হয়, সেসব কৃষকরা তো এটা পারেন না। কারখানার শ্রমিকরাও পারেন না, যাঁরা অতি সামান্য পারিশ্রমিকের বিনিময়ে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি তৈরির কাজ করেন। আবার নিঃসন্দেহে কোনো গৃহহীন মানুষও নন তাঁরা, সামান্য একমুঠো খাবারের খোঁজে যাঁদের নোংরা আবর্জনা ঘাঁটতে হয়। আসলে এসব করার জন্য আয়েশি সময়ের দরকার। শুধু বেঁচে থাকার লড়াইয়ের পেছনে সময় ব্যয় করে এসব করা সম্ভব নয়। কিংবা সে জন্য তোমাকে তরুণ হতে হবে। যথেষ্ট আরামদায়ক অবস্থার দরকার হবে, যাতে তোমাকে খাদ্য কিংবা নিরাপত্তা নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা করতে না হয়। সেই সঙ্গে প্রিয় অ্যাপস বা টেক্সট মেসেজ কিংবা নেটফ্লিক্সের সর্বশেষ সিরিজ থেকে চোখ সরিয়ে বাইরের আকাশের নক্ষত্রের দিকে তাকানোর ইচ্ছা থাকতে হবে।

    তারপরও মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য গোপন এক মূল্য দিতে হয়। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সময় দ্রুতগতিসম্পন্ন চাঁদের ছায়ার পেছনে কয়েকটি মুহূর্ত কাটানোর জন্য আমি যখন হাজারো মাইল ভ্রমণ করি তখন মাঝে মাঝে পৃথিবী আমার দৃষ্টির আড়ালে চলে যায়। আমাদের প্রসারণশীল মহাবিশ্ব সম্পর্কে যখন ভাবি, মহাবিশ্বের চারমাত্রিক স্থান ও কালের চাদরের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ছায়াপথগুলো পরস্পরের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, তখন মাঝেমধ্যে আমি ভুলে যাই যে অসংখ্য মানুষ এই পৃথিবীতে খাদ্যহীন, আশ্রয়হীনভাবে হেঁটে বেড়াচ্ছে। আর এদের মধ্যে তোমাদের মতো শিশুদের সংখ্যাও অনেক।

    গ্রহাণুদের, ধূমকেতুর ও গ্রহদের প্রতিটিই মহাকর্ষের পরিচালনায় মহাজাগতিক ব্যালে ড্যান্সার। আমি যখন গ্রহাণুদের, ধূমকেতুর ও গ্রহদের কক্ষপথ অনুসরণ করি, তখন প্রায়ই ভুলে যাই, অনেক মানুষই দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল, মহাসাগর ও ভূমির নাজুক পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াকে স্বীকার করে না।

    আবার মাঝেমধ্যে আমি ভুলে যাই, যারা নিজেরা চলতে-ফিরতে পারে না, তাদের ক্ষমতাবান মানুষেরা সহায়তা করতে পারলেও সেটি প্রায় বিরল একটি ঘটনা। মাঝেমধ্যে আমি এসব কথা ভুলে যাই। কারণ, এই বিশ্ব আমাদের হৃদয়ে, আমাদের মনে এবং আমাদের বেঢপ আকৃতির ডিজিটাল মানচিত্রে যত বড় হোক না কেন, মহাবিশ্ব তার চেয়েও অনেক অনেক বড়। অনেকের কাছে এটা হয়তো হতাশাজনক ভাবনা, কিন্তু আমার জন্য সেটা মুক্তির।

    আমি নিশ্চিত, বয়স্করা তোমাকে মাঝেমধ্যে বকাঝকা করেন। তাঁরা বলেন, তোমার সমস্যাগুলো তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। হয়তো তাঁরা তোমাকে মনে করিয়ে দেন যে বিশ্ব তোমাকে কেন্দ্র করে ঘোরে না। কিন্তু ওই কথাটা আমাদের বড়দের নিজেদেরও বলা উচিত।

    এখন এমন একটি বিশ্বের কথা কল্পনা করো যেখানে সবাই, বিশেষ করে ক্ষমতাবান ও প্রভাবশালী মানুষেরা উদার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মহাবিশ্বে আমাদের অবস্থানের কথা ভাবে। এতে আমাদের সমস্যাগুলো এমনভাবে কমে যাবে যে সেগুলো আর কখনো হয়তো দেখাই যাবে না। তাতে আমরা নিজেদের ছোট ছোট পার্থিব বিভিন্নতার জন্য যুদ্ধ ও তর্কবিতর্ক নয়, বরং সেগুলোকে উদযাপন করতে পারব।

    *

    নিউইয়র্ক শহরে ২০০০ সালের জানুয়ারিতে নতুনভাবে পুনর্নির্মাণ করা হেইডেন প্লানেটারিয়ামে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য স্পেস শো দেখানো হয়েছিল। সেটার শিরোনাম ছিল ‘পাসপোর্ট টু দ্য ইউনিভার্স’। এতে প্লানেটারিয়াম থেকে দর্শকদের ভার্চুয়ালি খাড়াভাবে শূন্য উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল মহাবিশ্বের কিনারা ছাড়িয়ে আরও দূরে। চলতি পথে দর্শকেরা পালাক্রমে পৃথিবী দেখতে পান, তারপর আমাদের সৌরজগৎ, পরে দেখেছিলেন মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কয়েক শ বিলিয়ন নক্ষত্র। ছোট হতে হতে মহাকাশের এসব বস্তু একসময় প্লানেটারিয়ামের গম্বুজে প্রায় অদৃশ্য কিছু বিন্দুতে পরিণত হয়।

    প্লানেটারিয়াম উদ্বোধনের এক মাসের মধ্যে এক অধ্যাপকের কাছ থেকে একটা চিঠি পেলাম আমি। যেসব জিনিসে মানুষের মধ্যে তুচ্ছতার অনুভূতি জন্মায়, তিনি সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। কেউ যে এমন কোনো ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ হতে পারেন, তা আমার জানা ছিল না। তিনি চাচ্ছিলেন, ওই স্পেস শোর আগে ও পরে দর্শকদের মধ্যে এখানকার প্রশাসন যেন একটা জরিপ চালায়। জরিপের উদ্দেশ্য, যাতে প্রদর্শনীটি দেখার পর তাদের বিষাদের গভীরতা বোঝা যায়। তিনি লিখেছেন, ‘পাসপোর্ট টু দ্য ইউনিভার্স’ দেখে তাঁর ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হয়েছে।

    কিন্তু সেটা কীভাবে সম্ভব? প্রতিবার এই স্পেস শোটা দেখার পর (এবং আমাদের বানানো অন্যগুলোও যখন দেখি), আমার জীবন্ত আর উচ্ছ্বসিত ও ঐক্যবোধের এক অনুভূতি জন্মায়। একই সঙ্গে তিন পাউন্ডের মানুষের মস্তিষ্ক দিয়ে আমরা মহাবিশ্বে নিজেদের অবস্থান নির্ণয় করতে পেরেছি, সেটা জেনে আমার মধ্যে জন্ম নেয় একধরনের বিশালত্বের অনুভূতি।

    আমি বলতে চাই, আমি নই, বরং সেই অধ্যাপকই প্রকৃতিকে ভুলভাবে পড়ছেন। শুরু থেকেই তাঁর অহংবোধ অযৌক্তিকভাবে অনেক বেশি। তাঁর এ রকম ভাবনার পেছনে আছে এই ধারণা—মহাবিশ্বে মানবজাতি সবকিছুর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    সহকর্মীদের প্রতি সব রকম বিনয়ের সঙ্গে বলছি, সমাজের শক্তিশালী দলগুলোই আমাদের অধিকাংশকে এভাবে ভাবতে বাধ্য করে। আমি নিজেও একসময় এভাবে ভাবতাম। কিন্তু সে ভাবনা বদলে গিয়েছিল বায়োলজি ক্লাসে এসে। সেখানে শিখেছিলাম, পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যতসংখ্যক মানুষ এসেছে, তার চেয়েও অনেক বেশি অতিক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়া থাকে ও কাজ করে আমার দেহে ছোট্ট একটা অংশে। এ ধরনের তথ্য আপনাকে অনন্ত দুবার ভাবাবে যে কে বা কী আসলে দায়িত্বে রয়েছে।

    আমি জানি তুমি কী ভাবছ : আমরা ব্যাকটেরিয়ার চেয়ে স্মার্ট |

    এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই, আমরা পৃথিবীর অন্যান্য দৌড়াতে পারা, হামাগুড়ি দিতে পারা কিংবা পিছলে যেতে সক্ষম যেকোনো জীবিত জীবজন্তুর চেয়ে অনেক বেশি স্মার্ট। কিন্তু ঠিক কতটা স্মার্ট? আমরা খাবার রান্না করে খাই। কবিতা ও গান রচনা করি। শিল্প ও বিজ্ঞান চর্চা করি। গণিতেও আমরা বেশ ভালো। তুমি যদি গণিতে খারাপও হও, তারপরও সবচেয়ে স্মার্ট শিম্পাঞ্জির চেয়েও তুমি অনেক ভালো। একটি শিম্পাঞ্জি অনেক বড় ভাগ অংক করতে পারে না।

    কিন্তু মহাজাগতিক দৃষ্টিতে আমরা হয়তো স্মার্ট নই। এমন কোনো জীবের কথা কল্পনা করো, যাদের চিন্তা করার ক্ষমতার সঙ্গে আমাদের তুলনা করলে আমাদেরটা হবে শিম্পাঞ্জির মতো। এ ধরনের একটি প্রজাতির কাছে আমাদের সর্বোচ্চ মানসিক দক্ষতাও খুব তুচ্ছ বলে মনে হবে। তাদের বাচ্চাকাচ্চারা হয়তো সিসিমপুরে এবিসি শেখার বদলে কলেজ লেভেলের গণিত শিখবে। এলিয়েনদের প্রিস্কুল থেকে মাত্রই বাসায় ফেরা ছোট্ট টিমির চেয়ে আইনস্টাইন হয়তো মোটেও স্মার্ট ছিলেন না।

    শিম্পাঞ্জির সঙ্গে আমাদের জিনের পার্থক্য যৎসামান্য। জিন হলো এমন এক ধরনের কোড, যা মানবশিশুকে বাড়ার সময় পূর্ণবয়স্ক হিসেবে রূপান্তরিত করে। হ্যাঁ, আমরা কিছুটা বেশি স্মার্ট। কিন্তু আমরা আসলে বাকি প্রকৃতির মধ্যে সাধারণ এক প্রজাতি, যাদের অবস্থান এর ওপরে বা নিচে নয়, বরং এর ভেতরেই। আমরা কী দিয়ে তৈরি, জানতে চাও? মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি আবারও এমন একটি বড় উত্তর দেয়, যা হয়তো তুমি ভাবতেও পারবে না। মহাবিশ্বের রাসায়নিক উপাদানগুলো উচ্চ ভরের নক্ষত্রগুলোর চুল্লির আগুনে তৈরি হয়। সেগুলো তৈরি হয় একটা বিপুল বিস্ফোরণে নক্ষত্রগুলোর জীবন শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে। এভাবে নক্ষত্রগুলো তাদের পোষক বা মাতৃ ছায়াপথকে তারা জীবনের রাসায়নিক ভান্ডারে সমৃদ্ধ করে। আর এর ফলাফল? মহাবিশ্বের চারটি সাধারণ ও রাসায়নিকভাবে সক্রিয় মৌল—অর্থাৎ হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ও নাইট্রোজেন। এগুলোই আবার পৃথিবীর জীবনের জন্য চারটি সবচেয়ে সাধারণ মৌল। এই মহাবিশ্বে আমরা শুধু সাদামাটাভাবে বাস করি না।

    মহাবিশ্বও আমাদের ভেতরে বাস করে। বলা হয়ে থাকে, আমরা সম্ভবত এই পৃথিবীর কেউ নই। বিজ্ঞানীরা এমন সব তথ্য উদ্‌ঘাটন করেছেন, যা তাঁদের—আমরা কে আর আমরা কোথা থেকে এসেছি—সে সম্পর্কে আমরা যা ভাবি, তা নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।

    প্রথমত, আমরা আগেই দেখেছি, বড়সড় কোনো গ্রহাণু একটি গ্রহে আঘাত হানলে সেই সংঘর্ষের শক্তির কারণে চারপাশের এলাকা ছিন্নভিন্ন হয়ে ছিটকে উঠতে পারে। সেখান থেকে মহাকাশে পাথর নিক্ষিপ্ত হতে পারে। তোমার বিছানায় ছোট একটা খেলনা ছুড়ে দিলে, সেটা যেমন লাফ দিয়ে ছিটকে ম্যাট্রেসে পড়ে যায়, ব্যাপারটা অনেকটা সে রকম। তোমার প্রভাব থেকে আসা শক্তি খেলনাটাকে বাতাসে লাফ দিয়ে উঠতে সাহায্য করে। একইভাবে গ্রহাণুরাও এত বেশি শক্তি নিয়ে পৃথিবীতে আঘাত করতে পারে যে গ্রহটার পৃষ্ঠ থেকে পাথর ছিটকে মহাকাশে চলে যেতে পারে। তারপর এই পাথরগুলো মহাকাশে চলতে চলতে অন্য আরেকটি গ্রহের পৃষ্ঠতলে নেমে আসতে পারে।

    দ্বিতীয়ত, জীবনের ক্ষুদ্র রূপ বা অণুজীবেরাও কঠিন পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। মহাকাশ ভ্রমণের সময় বৈরী তাপমাত্রা চাপ ও বিকিরণ সহ্য করতে পারে তারা। এই গ্রহাণুর সংঘর্ষে এমন পাথুরে উৎক্ষেপণ যদি জীবসম্পন্ন কোনো গ্রহে সংঘটিত হয়, তাহলে আণুবীক্ষণিক জীবগুলো ওই পাথরের খাঁজে ও ছোট ছোট ফাটলের মধ্যে নিরাপদে টিকে যেতে পারে।

    তৃতীয়ত, সম্প্রতি প্রমাণ পাওয়া গেছে যে আমাদের সৌরজগৎ গঠনের কিছু সময় পর মঙ্গল গ্রহ আর্দ্র ছিল। এমনকি সম্ভবত জীবনের টিকে থাকার উপযোগীও ছিল গ্রহটা। একত্র করা এসব সাক্ষ্য-প্রমাণ আমাদের জানায়, মঙ্গল গ্রহে প্রাণের সূচনা হওয়া সম্ভব। পরে সেখান থেকে কোনো পাথরে ভর করে পৃথিবীতে প্রাণের বীজ বপন হয়েছিল। কাজেই কে জানে, সব পৃথিবীবাসী ‘হয়তো’ মঙ্গলবাসীদের বংশধর।

    *

    শতাব্দীর পর শতাব্দীজুড়ে মহাজাগতিক আবিষ্কারগুলো আমাদের নিজস্ব ভাবমূর্তির নিচে নামিয়ে দিয়েছে। আমরা একসময় ভাবতাম, এই মহাবিশ্বে আমাদের পৃথিবী অনন্য। এরপর একসময় জ্যোতির্বিদেরা জানলেন, পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘূর্ণমান অন্যান্য গ্রহের মতোই সাধারণ একটা গ্রহমাত্র। ঠিক আছে, কিন্তু এরপর আমরা ভাবতে শুরু করলাম, মহাকাশে সূর্য হচ্ছে অনন্য এক বস্তু। একসময় আমরা জানতে পারলাম, রাতের আকাশের অগণিত নক্ষত্রের মধ্যে সূর্যও সাধারণ একটা নক্ষত্রমাত্র।

    বেশ। কিন্তু তারপর আমরা অনুমান করে বসলাম, আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি পুরো মহাবিশ্বে অনন্য।

    কিন্তু না। একসময় আমরা প্রমাণ করলাম, রাতের আকাশে অগণিত ঝাপসা আলোগুলো মহাবিশ্বের অন্যান্য গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ, যা আমাদের জানা মহাবিশ্বের পটভূমিতে বিন্দু বা ফুটকির মতো দেখায়।

    এখন কত সহজে অনুমান করা যায়, এই সব মিলিয়ে একটাই মহাবিশ্ব। যদিও আধুনিককালে উদ্ভূত কিছু বিশ্বসৃষ্টিতত্ত্ব আরও কিছু সম্ভাবনার কথা বলে। এ ধারণামতে, আমাদের মহাবিশ্ব হলো, অনেক মহাবিশ্বের মধ্যে মাত্র একটা। অর্থাৎ অনেক বড় কোনো মাল্টিভার্সের মধ্যে একটা সামান্য অংশমাত্র।

    *

    মহাবিশ্ব সম্পর্কে মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি বেরিয়ে আসে মৌলিক জ্ঞান থেকে। এখানে তুমি কতটুকু জানো, সেটাই শেষ কথা নয়। মহাবিশ্বে আমাদের অবস্থানের মূল্য নির্ধারণে সেই জ্ঞান প্রয়োগের জন্য লাগে বিচক্ষণতা ও অন্তজ্ঞানও। এর স্বাভাবিক ধর্ম পরিষ্কার :

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিজ্ঞানের অগ্রগতির শেষ সীমা থেকে আসে। অবশ্য এটি এককভাবে শুধু বিজ্ঞানীদের সম্পদ নয়। এর অধিকার সবার।

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিনীত।

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি আধ্যাত্মিক, তবে তা ধর্মীয় নয়।

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের ছোট ও বড়কে উপলব্ধি করতে শেখায়। আমাদের উপলব্ধি করতে শেখায়, মহাবিশ্বের শুরু হয়েছিল অতিক্ষুদ্র একটা সময়ে। এই বাক্যটি শেষ হতে যতটুকু সময় লাগে, তার চেয়েও ছোট ছিল সেই সময়টি। কিন্তু সেই মহাবিশ্ব এখন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে বহু বিলিয়ন আলোকবর্ষজুড়ে।

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি অসাধারণ ধারণার দিকে আমাদের মন খুলে দেয়। তবে সেগুলো আমাদের মস্তিষ্ককে এমনভাবে খুলে দেয় না, যাতে আমাদের মস্তিষ্ক বিবশ, নির্বোধ হয়ে পড়ে এবং যা বলা হয়, তাই বিশ্বাস করে ফেলে।

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি এই মহাবিশ্বের দিকে আমাদের চোখ খুলে দেয়। তবে আমাদের চোখ মহাবিশ্বকে যত্নের সঙ্গে প্ৰাণ ধারণকারী এক শক্তি হিসেবে দেখে না। দেখে, একটি শীতল, নিঃসঙ্গ ও ভয়ংকর জায়গা হিসেবে, যা অপরিসীম শূন্যতা ও বিপদ সৃষ্টিকারী সব রকম বস্তুর মাধ্যমে নিমেষেই জীবনকে ধ্বংস করে দিতে পারে। এটা আমাদের সব মানুষের মূল্য ও গুরুত্ব বুঝতে সহায়তা করে। এমনকি আমাদের বিরক্তিকর ভাইবোন বা নিপীড়নকারী সহপাঠীর মূল্য ও গুরুত্ব বুঝতে শেখায়।

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি পৃথিবীকে একটি নীল বিন্দু হিসেবে দেখায়। যেটি বিশাল মহাকাশের ভেতরে দিয়ে ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু এই বিন্দুটি অতিমূল্যবান। কারণ, এ মুহূর্তে এটাই আমাদের একমাত্র আবাসস্থল। এটা আমাদের বিরল ও আনন্দদায়ক গ্রহটিকে যত্ন নিতে উৎসাহিত করে।

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহ, চাঁদ, নক্ষত্র ও নেবুলার ছবিতে সৌন্দর্য খুঁজে পায়। সেই সঙ্গে মহাকর্ষ এবং অন্য যেসব সর্বজনীন সূত্র তাদের পরিচালনা করে, তাদের তারিফও করে।

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের পারিপার্শ্বিকতার চৌহদ্দি পেরিয়ে বাইরে দেখার সক্ষমতা দেয়। আমাদের বুঝতে শেখায়, জীবন আসলে অর্থ, জনপ্রিয়তা, পোশাক, খেলাধুলা কিংবা ক্লাসের গ্রেডের চেয়েও আরও বেশি কিছু।

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, মহাকাশ অনুসন্ধান কোনো প্রতিযোগিতার বিষয় হওয়া উচিত নয়। বিভিন্ন দেশের পরস্পরের বিরুদ্ধে পরবর্তী বড় অর্জন নিয়ে প্রতিযোগিতা করা উচিত নয়। বরং মহাজাগতিক অনুসন্ধান হলো, সব জাতি একসঙ্গে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার খোঁজ করবে।

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের জানায়, জীবনের সব রূপ বিরল। আবার আমরা অতীতে যা ভাবতাম, তার চেয়েও পৃথিবীর অন্যান্য ধরনের জীবসত্তার সঙ্গে আমাদের অনেক মিল রয়েছে। হয়তো ভবিষ্যতে আবিষ্কৃত হবে, এমন কোনো জীবসত্তার সঙ্গেও আমাদের মিল থাকবে।

    -মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের দেখায় যে যেসব পরমাণু ও কণা দিয়ে আমাদের দেহ গড়ে উঠেছে, তা গোটা মহাবিশ্বে ছড়িয়ে আছে। এরা আমাদের অন্য সবার মতো করে গড়ে তুলেছে।

    *

    কিছু মহাজাগতিক সত্য আমাদের সামনে এখনো অনাবিষ্কৃত পড়ে আছে। তা নিয়ে যদি দিনে একবার সম্ভব না হয়, তাহলে সপ্তাহে অন্তত একবার ভাবার সময় দিতে পারো। এসব রহস্য সমাধান হওয়ার জন্য একজন বুদ্ধিমান চিন্তাবিদের আগমনের অপেক্ষায় আছে। অপেক্ষায় আছে কোনো বুদ্ধিদীপ্ত পরীক্ষা কিংবা সৃজনশীল কোনো মহাকাশ অভিযানের। আমরা হয়তো আরও ভেবে দেখতে পারি, এসব আবিষ্কার একদিন কীভাবে পৃথিবীর জীবনযাত্রা পাল্টে দেবে।

    পৃথিবীতে আমাদের অবস্থানের সময় সংক্ষিপ্ত। এই ক্ষুদ্র সময়ে অনুসন্ধানের সুযোগ পাওয়ার জন্য আমাদের নিজেদের ও আমাদের বংশধরদের কাছে এদিক থেকে আমরা ঋণী। এর আংশিক কারণ, কাজটা বেশ মজার। সে জন্যই আমরা মঙ্গল গ্রহে নভোচারী পাঠাই কিংবা রোবট পাঠাই ইউরোপা বা তারও দূরের কোনো জায়গায়।

    তবে এর পেছনে এর চেয়ে মহৎ আরেকটা কারণও রয়েছে। যেদিন মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানের বিকাশ থেমে যাবে, সেদিন আমরা আগের সেই ছেলেমানুষি দৃষ্টিভঙ্গিতে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ব। তখন আমরা হয়তো ভেবে বসতে পারি, মহাবিশ্ব আমাদের চারপাশে ঘুরছে। গোটা বিশ্বে একটামাত্র পাঁচের মতো জন্মদিনের মোমবাতি আছে টাইপের চিন্তা হবে সেটা। এই সংকীর্ণ ভাবনা মানুষের জ্ঞান ও সত্যের প্রতি অন্বেষাকে থামিয়ে দিতে পারে। কাজেই আমি এমন কোনো কাজ করতে তোমাকে উৎসাহিত করছি, যাতে ভবিষ্যতে এমন কিছু কখনো না ঘটে। মানবজাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে কোনো আতঙ্কের মধ্যে নয়, বরং মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি আমরা কতটা পরম মমতায় আঁকড়ে ধরতে পারব, তার ওপর।

    শব্দকোষ

    অ্যান্টিম্যাটার : বস্তু বা পদার্থ হলো, যারা জায়গা দখল করে। যেমন প্রোটন, ইলেকট্রন ও অন্যান্য মৌলিক কণা। এসব কণার প্রতিপদার্থ জোড়াও আছে। সেগুলো সব দিক থেকে কণার বিপরীত ধর্মের। প্রতিকণা বা প্রতিবস্তু সাধারণত খুব বেশি সময় টিকে থাকতে পারে না। কোনো প্রোটন যখন তার প্রতিকণার জোড়া বা প্রতিপ্রোটনের সঙ্গে মিলিত হয়, তখন তারা পরস্পরকে ধ্বংস করে ফেলে এবং শক্তি নিঃসৃত হয়।

    গ্রহাণু: এই মহাকাশীয় পাথরগুলো সূর্যের চারপাশে ঘোরে। এদের আকার ক্ষুদ্র পাথরকণা থেকে শুরু করে খুদে গ্রহের সমান হতে পারে।

    পরমাণু : তুমি যা কিছু দেখো, স্পর্শ করো ও গন্ধ শোঁকো, তার সব পরমাণু দিয়ে তৈরি। এদের মধ্যে একটা নিউক্লিয়াস থাকে, যাকে বলা হয় কেন্দ্র। একটি পরমাণুর কেন্দ্রে অন্তত একটি ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন থাকে এবং অন্তত একটি ইলেকট্রন থাকে, যা নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘোরে। মহাবিশ্বের সবচেয়ে সরলতম ও প্রাচুর্যময় পরমাণুটির নাম হাইড্রোজেন। একমাত্র হাইড্রোজেন ছাড়া বাকি সব পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রনকণাও থাকে।

    মহাবিস্ফোরণ: মহাবিশ্বের জন্ম হয়েছিল মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাংয়ের মাধ্যমে। তখন মহাবিশ্বের সব পদার্থ ও শক্তি অকল্পনীয় রকম অতিক্ষুদ্র একটা জায়গায় ঘনীভূত অবস্থায় ছিল। এই ক্ষুদ্র বিন্দুটি বাইরের দিকে হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়ে ধীরে ধীরে সৃষ্টি হয়েছে আমাদের গ্যালাক্সি, নক্ষত্র এবং গ্রহ ও জীবসত্তা।

    ধূমকেতু : সৌরজগতের এই ভ্রমণকারী বরফ ও ধূলিকণা দিয়ে তৈরি। ধূমকেতু শৌখিন ও প্রফেশনাল জ্যোতির্বিদদের প্রিয় বস্তু। কোনো ধূমকেতু সূর্যের একটি নির্দিষ্ট সীমার কাছে এলে বরফ গলে যায়। তখন ধূমকেতুর পেছনে গ্যাস ও ধূলির একটা দৃশ্যমান লেজ দেখা যায়।

    মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণ: মহাবিশ্বের আদিম সময়ে যে আলো ছড়িয়ে পড়েছিল, তা এখনো আমাদের চারপাশে বিরাজ করছে। এই আলো গোটা বিশ্বজগতে জ্বলজ্বল করছে। মহাবিস্ফোরণের পর থেকে মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে। কাজেই এই আলোও প্রসারিত হয়ে দীর্ঘ তরঙ্গে রূপান্তরিত হয়েছে। তাই সেটা এখন আমাদের চোখে দৃশ্যমান নেই, তা পরিণত হয়েছে মাইক্রোওয়েভে। এই মাইক্রোওয়েভ আমরা চোখে দেখতে না পেলেও আমাদের টেলিস্কোপ তা পরিমাপ করতে পারে। এভাবে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, আদিম মহাবিশ্বে ঠিক কী ঘটেছিল।

    মহাজাগতিক রশ্মি: কসমিক রে বা মহাজাগতিক রশ্মি। এই অতিশক্তিশালী রশ্মি গোটা মহাবিশ্বে ছড়িয়ে আছে। এই রশ্মির অতিক্ষুদ্র কণাগুচ্ছের মধ্যে ভয়াবহ শক্তি আটকে আছে। মানুষের জন্য মহাজাগতিক রশ্মি ক্ষতিকর হতে পারত। কিন্তু পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল আমাদের একটা নিরাপদ বেষ্টনী দিয়েছে।

    কসমস : আমাদের বিশাল, বিস্ময়কর ও রহস্যময় মহাবিশ্বের আরেক নাম কসমস। বিশেষ একটা বিজ্ঞানবিষয়ক টিভি সিরিজের শিরোনামও কসমস।

    ডার্ক এনার্জি : মহাবিশ্বের যে রকম প্রসারণ থাকার কথা ছিল, তার চেয়েও বেশি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে বলে মনে হয়। মহাবিশ্বে মহাকর্ষ এবং পদার্থের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে এটা জানা গেছে। একটা রহস্যময় বল মহাবিশ্বের প্রসারণ নিয়ন্ত্রণ করছে। একে বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন ডার্ক এনার্জি বা গুপ্তশক্তি।

    ডার্ক ম্যাটার : দূরের ছায়াপথ এবং ছায়াপথ গুচ্ছ গবেষণা করে জ্যোতিঃপদার্থবিদেরা দেখতে পেয়েছেন, সম্ভবত একটা অজানা, অদৃশ্য পদার্থ নক্ষত্রগুলোকে দলবদ্ধ অবস্থায় ধরে রেখেছে। কিন্তু আমরা এই পদার্থ বা বস্তুকে দেখতে পাই না। বিজ্ঞানীরা একেই বলেন ডার্ক ম্যাটার বা গুপ্তবস্তু। ওটা আসলে কী, তা যদি তুমি জানতে পারো, তাহলে আমাকে দয়া করে জানিয়ো।

    বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় বল : মহাবিশ্বের চারটি প্রধান বা মৌলিক বলের মধ্যে একটি হলো বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় বল। এ বলটি অণুগুলোকে একত্রে আটকে রাখে এবং পরমাণুর ধনাত্মক চার্জযুক্ত কেন্দ্রের চারপাশের কক্ষপথে ইলেকট্রনকে ধরে রাখে।

    ইলেকট্রন : ঋণাত্মক বা নেগেটিভ চার্জযুক্ত একটি কণা। আমরা যতটুকু জানি, ইলেকট্রনকে আর কোনো ছোট অংশে ভাঙা যায় না। কাজেই একে আমরা বলি মৌলিক কণা বা ফান্ডামেন্টাল পার্টিকেল।

    মৌল : পরমাণু বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। সেটা নির্ভর করে তার নিউক্লিয়াসে প্রোটনসংখ্যার ওপর। ১১৮টি মৌল দিয়ে গঠিত পর্যায় সারণিতে মহাবিশ্বে আমাদের জানা সব টাইপের পরমাণুর বর্ণনা করা হয়েছে।

    এক্সোপ্লানেট : সূর্য বাদে অন্য কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘোরা যেকোনো গ্রহকে বলা হয় এক্সোপ্লানেট বা বহিঃসৌরগ্রহ (বা বাহ্যগ্রহ)। সবচেয়ে কাছের এক্সোপ্লানেটটাও আমাদের কাছ থেকে চার আলোকবর্ষ দূরে। অর্থাৎ এই দূরত্ব পাড়ি দিতে আলোর লাগবে চার বছর। এ পর্যন্ত কয়েক হাজার বহিঃসৌরগ্রহ আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এদের কোনোটি কি জীবন ধারণের উপযোগী?

    গ্যালাক্সি : মহাকর্ষের অধীনে একত্রে আটকা পড়া একদল নক্ষত্র, গ্যাস, ধূলিকণা ও ডার্ক ম্যাটার।

    মহাকর্ষ : মহাবিশ্বের চারটি মৌলিক বলের মধ্যে একটি। মহাকর্ষ শুধু তোমার পা’কে মাটির সঙ্গে আটকেই রাখে না, আরও অনেক কিছু করে। আইনস্টাইনকে ধন্যবাদ। কারণ, তাঁর কারণে আমরা জানতে পেরেছি, মহাকর্ষ আসলে স্থানকে বাঁকিয়ে দেয়, সরলরেখাকে বাঁকিয়ে বক্ররেখায় পরিণত করে।

    আন্তমহাজাগতিক স্থান : এটি হলো গ্যালাক্সিদের মাঝখানে অন্ধকার বিস্তৃতি। প্রথম নজরে একে শূন্য বলে মনে হয়। কিন্তু এখানে আসলে গ্যালাক্সি থেকে ছিটকে পড়া ভবঘুরে নক্ষত্র ও অতি উত্তপ্ত গ্যাস আছে। চতুর্থ অধ্যায় পড়ে দেখো।

    লেপটন : মহাবিশ্বে প্রথম উদয় হওয়া দুই ধরনের কণার মধ্যে একটি। লেপটনরা নিঃসঙ্গ। এরা একসঙ্গে গুচ্ছবদ্ধ হয়ে থাকতে পছন্দ করে না। লেপটনের জন্য ভালো ও সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো ইলেকট্রন।

    আলোকবর্ষ : জ্যোতিঃপদার্থবিদেরা আসলে অনেক বিপুল দূরত্ব নিয়ে কাজ করেন। সে কারণে কিলোমিটার বা মাইল একক তাদের জন্য যথেষ্ট বড় নয়। তাই এসব এককের বদলে আলোকবর্ষ বা লাইট ইয়ার ব্যবহার করেন তাঁরা। এই একক হিসেবে, আলো এক বছরে যে দূরত্ব পাড়ি দেয়, সেটা এক আলোকবর্ষ। আলো প্রতি সেকেন্ডে পাড়ি দেয় ৩ লাখ কিলোমিটার বা ৩০ কোটি মিটার।

    বস্তু বা পদার্থ : যা জায়গা দখল করে, তাকে বস্তু বা পদার্থ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে তুমি ও তোমার চারপাশের সবকিছু। সেই সঙ্গে সবকিছু গাঠনিক একক অতিক্ষুদ্র কোয়ার্ক ও লেপটনও পদার্থ।

    নিউট্রন : পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে থাকে। নিউট্রন তৈরি হয় কোয়ার্ক দিয়ে, কিন্তু এর কোনো চার্জ থাকে না। মহাবিশ্বের অন্যতম চমকপ্রদ বস্তু হলো নিউট্রন স্টার। নিউট্রন স্টার আসলে নিউট্রন ঠাসাঠাসি অবস্থায় থাকে।

    নিউক্লিয়াস : পরমাণুর কেন্দ্রকে বলা হয় নিউক্লিয়াস। হাইড্রোজেন বাদে সব কটির পরমাণুর কেন্দ্র প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে গঠিত।

    ফোটন : আলোকশক্তির তরঙ্গের মতো প্যাকেট।

    প্রোটন : পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে থাকা ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা। প্রোটন তিনটি কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি। মহাবিশ্বের জন্মের প্রায় প্রথম সেকেন্ডে প্রোটনদের উদ্ভব হয়েছিল। মহাবিশ্বের সরলতম ও সবচেয়ে সহজলভ্য মৌল হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াসে একটিমাত্র প্রোটন থাকে।

    পালসার : একধরনের নিউট্রন স্টার। এরা স্পন্দিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আলোর বিম নিঃসরণ করে। অনেকটা মহাজাগতিক বাতিঘর হিসেবে কাজ করে পালসার।

    কোয়ার্ক : মৌলিক কণা। অর্থাৎ কোয়ার্ককে তার চেয়ে ক্ষুদ্র কণায় ভাঙা যায় না। এই কণা ছয় ধরনের হয়। মহাবিশ্বের শুরুর দিকে লেপটনসহ যেসব কণা বা পদার্থ উদ্ভূত হয়েছিল, তার মধ্যে এরা অন্যতম। কোয়ার্ক ছাড়া আমরা প্রোটন, নিউট্রন তথা কোনো পরমাণু পেতাম না। অর্থাৎ কোনো কিছুই থাকত না।

    শক্তিশালী বল : চারটি মৌলিক বলের মধ্যে একটি। শক্তিশালী বা সবল বল প্রোটন ও নিউট্রনকে নিউক্লিয়াসের মধ্যে একত্রে আটকে রাখে। চারটি বলের মধ্যে এই বলটিই সবচেয়ে শক্তিশালী। তবে এ বল শুধু খুবই ছোট দূরত্বে কাজ করে।

    দুর্বল বল : যে মৌলিক বল তেজস্ক্রিয় ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ করে, সেটিই হলো দুর্বল নিউক্লিয়ার বল। তেজস্ক্রিয় ক্ষয়প্রক্রিয়ায় পরমাণু ভেঙে যায় এবং পদার্থের কিছু অংশ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। অন্যান্য তিনটি বল বড় ও ছোট ধরনের পদার্থকে একত্রে ধরে রাখে, কিন্তু দুর্বল বল ধীরে ধীরে তা ভেঙে ফেলে।

    ওয়ার্মহোল : আইনস্টাইনের মহাকর্ষের অদ্ভুত এক পরিণতি হলো ওয়ার্মহোল। তার আবিষ্কৃত বক্র স্থান ও কাল থেকে এটি পাওয়া যায়। এ ধারণামতে, মহাবিশ্ব তার নিজের ওপরই বেঁকে যেতে পারে। এভাবে মহাবিশ্বের দুটি জায়গার মধ্যে একটা টানেলের মতো সংক্ষিপ্ত পথ তৈরি করে। একেই বলা হয় ওয়ার্মহোল। এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো টানেল কেউ আবিষ্কার করতে পারেনি। তবে আইনস্টাইনসহ নামকরা অনেক বিজ্ঞানী এই ধারণাটা বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখকদের কাছেও ওয়ার্মহোল প্রিয় একটা হাতিয়ার।

    পরিভাষা

    অবলাল বা অবলোহিত আলো Infrared Light

    অতিবেগুনি রশ্মি UV বা Ultraviolet Light

    অক্সিজেন Oxygen

    অণু Molecule

    অণুজীব Microorganism

    অদৃশ্য আলো Invisible Light

    অলিম্পাস মনস Olympus Mons

    আপেক্ষিকতা Relativity

    আলোর গতি Light Speed

    ইউরেনিয়াম Uranium

    ইউরোপা Europa

    ইরিডিয়াম Iridium

    ইলেকট্রন Electrons

    উল্কা Meteors

    এক্স-রশ্মি বা এক্স-রে X-Rays

    এক্সোপ্লানেট বা বহিঃসৌরগ্রহ Exoplanet

    ওর্ট মেঘ Oort Cloud

    ওয়ার্মহোল Wormholes

    কণা ত্বরক যন্ত্র Particle Accelerators

    কৃষ্ণগহ্বর বা কৃষ্ণবিবর Black hole

    কার্বন Carbon

    কোমা ক্লাস্টার Coma cluster

    কোয়ার্ক Quark

    কোয়াসার Quasar

    কেন্দ্রবিমুখী বল Centrifugal force

    গামা রশ্মি Gamma Ray

    গ্যাসীয় মেঘ Gas Cloud

    গোলক Sphere

    গোল্ডিলকস জোন Goldilocks Zone

    গ্রহ Planet

    গ্রহাণু Asteroid

    চার্জ বা আধান Charge

    জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী বা অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট Astrophysicist

    পজিট্রন Positron

    পর্যায় সারণি Periodic Table

    পারমাণবিক বোমা Atomic bomb

    পরমাণু Atom

    পারদ (মৌল) Mercury (Element )

    পালসার Pulsar

    প্যালাডিয়াম Palladium

    প্ল্যাঙ্ক যুগ Planck Era

    প্লুটো Pluto

    প্লুটোনিয়াম Plutonium

    পৃষ্ঠটান Surface Tension

    প্রতিবস্তু Antimatter

    ফোটন Photon

    বামন ছায়াপথ Dwarf galaxy

    বায়ুমণ্ডল Atmosphere

    বায়োমার্কার Biomarker

    বুধ (গ্রহ) Mercury (Planet )

    বুদ্ধিমান জীবসত্তা Intelligent life

    বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় বল Electromagnetic force

    বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় বর্ণালি Electromagnetic spectrum

    বেতার তরঙ্গ Radio Wave

    ব্যাকটেরিয়া Bacteria

    বৃহস্পতি গ্রহ Jupiter

    ভিনগ্রহবাসী বা এলিয়েন Alien

    ভৌত সূত্র Physical law

    মহাকর্ষ Gravity

    মহাবিশ্ব Universe

    মহাবিস্ফোরণ Big bang

    মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েব পটভূমি বিকিরণ Cosmic microwave background

    মহাজাগতিক রশ্মি Cosmic rays

    মহাজাগতিক ধ্রুবক Cosmological constant

    মাইক্রোওয়েভ এনার্জি Microwave Energy

    মিথেন Methane

    মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা Milky Way

    মৌলিক বল Fundamental Force

    তরঙ্গদৈর্ঘ্য Wavelength

    তত্ত্ব Theory

    তাপমাত্রা Temperature

    থোরিয়াম Thorium

    দুর্বল বল weak Force

    ধূমকেতু Comet

    ধ্রুবক Constant

    নাইট্রোজেন Nitrogen

    নিউটনের সূত্র Newton’s Law

    নিউট্রিনো Neutrino

    নিউট্রন Neutron

    নিউট্রন নক্ষত্র Neutron Star

    নিউক্লিয়াস Nucleus

    নেপচুন Neptune

    নেপচুনিয়াম Neptunium

    টাইটেনিয়াম Titanium

    টাইটেনিয়াম অক্সাইড Titanium Dioxide

    ডার্ক এনার্জি বা গুপ্তশক্তি Dark energy

    ডার্ক ম্যাটার বা গুপ্তবস্তু Dark matter

    ডাইনোসর Dinosaur

    হাইড্রোজেন Hydrogen

    হ্যালির ধূমকেতু Halley’s Comet

    হিলিয়াম Helium

    যুগল তারা Binary star

    লোহা Iron

    লেপটন Lepton

    লিথিয়াম Lithium

    লোহিত দানব Red Giant

    সর্পিল ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি Spiral Galaxies

    সালোকসংশ্লেষণ Photosynthesis

    সিলিকন Silicon

    সোডিয়াম Sodium

    সুপারনোভা বা অতিনবতারা Supernovas

    সৌরজগৎ Solar System

    রেডিও টেলিস্কোপ Radio Telescope

    শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্র Conservation of energy law

    শূন্যতার শক্তি Vacuum Energy

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    Next Article আমি বীরাঙ্গনা বলছি – নীলিমা ইব্রাহিম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }