Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাস্ট্রোফিজিকস : সহজ পাঠ – নীল ডিগ্র্যাস টাইসন ও গ্রেগরি মোন

    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আলো আসুক

    ৩. আলো আসুক

    সুপারম্যানের সঙ্গে আমার একবার দেখা হয়েছিল। অবশ্য ঘটনাটি ঘটেছিল একটা কমিক বইয়ের পাতায়। কিন্তু সে অনুভূতিটা ছিল একদম বাস্তবের মতো। ‘স্টার লাইট, স্টার ব্রাইট’ শিরোনামের ওই বিশেষ সংখ্যায় ম্যান অব স্টিল তথা সুপারম্যান মঙ্গল গ্রহে একদল আগ্রাসী এলিয়েনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে ব্যস্ত ছিল। এমন সময় সে একটু বিরতি নেয়। যুদ্ধটা জাস্টিস লিগের বন্ধুদের হাতে ছেড়ে দিয়ে হুট করে পৃথিবীতে ফিরে আসে। এর একমাত্র কারণ, সে একটা তারা দেখতে চেয়েছিল।

    এ রকম সুপারহিরোই আমার পছন্দের।

    তুমি যদি সুপারম্যানের কথা না জানো, তাহলে বলি, তার গায়ের চামড়া বুলেটপ্রুফ, চোখ থেকে লেজাররশ্মি ঠিকরে বের হয়, আর সে উড়তেও পারে। এ ছাড়া আরও কিছু বিস্ময়কর ক্ষমতা আছে তার। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, সে এলিয়েন। তার জন্ম পৃথিবীতে নয়, ক্রিপটন নামের একটা গ্রহে। সেখান থেকে একটা নভোযানে চড়ে সে শৈশবে পৃথিবীতে এসেছিল। মহাকাশে তার সেই দীর্ঘ যাত্রার পর যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসের একটা মাঠে এসে নামে সে। সেখানে তার নতুন অভিভাবকদের সঙ্গে দেখা হয়। তারা হলেন জোনাথান ও মাথা কেন্ট। এরপর তাদের সঙ্গেই জীবন কাটাতে থাকে সুপারম্যান।

    এখানে দেখো, কোনো নক্ষত্র বিস্ফোরিত হওয়ার পর কী ঘটে। তার ভেতরের সবকিছু ছায়াপথের চারদিকে উগরে দেয়।
    এখানে দেখো, কোনো নক্ষত্র বিস্ফোরিত হওয়ার পর কী ঘটে। তার ভেতরের সবকিছু ছায়াপথের চারদিকে উগরে দেয়।

    অবশ্য সুপারম্যান যখন পৃথিবীর দিকে আসছিল, তখনই ধ্বংস হয়ে যায় ক্রিপটন গ্রহ। সেটা কীভাবে ঘটেছিল, তা নিয়ে কমিকস ও মুভিতে ভিন্ন ধরনের গল্প দেখতে পাওয়া যায়। তবে স্টার লাইট, স্টার ব্রাইট-এ ক্রিপটনের সূর্যটা পরিণত হয় একটা সুপারনোভায়। ফলে বিস্ফোরিত হয় নক্ষত্রটা। সুপারম্যানের আবাসস্থল গ্রহটি এই প্রক্রিয়ায় স্রেফ ভাজা ভাজা হয়ে যায়।

    ওই কমিক সংখ্যায় আমার নিজেরও একটা চরিত্রে আছে। সেখানে আমার গোঁফ ছিল। আবার আমার প্রিয় অ্যাস্ট্রোনমি থিমের পোশাকও পরেছিলাম। সেটা ছাড়াও ওই সংখ্যায় আমার অবদান ছিল, আমাদের গ্যালাক্সিতে সুপারম্যানের বাড়ি কোথায় হতে পারে, তা শনাক্ত করা। আমার সহায়তা কামনা করেছিলেন কমিকসের লেখক। সামান্য কিছু গবেষণার পর করভাস নক্ষত্রমণ্ডলে আমি একটা চমৎকার প্রতিবেশী খুঁজে বের করি। পৃথিবী থেকে তার দূরত্ব প্রায় ২৭ আলোকবর্ষ। আবারও বলছি, এই দূরত্ব থেকে একটা আলোকরশ্মি পৃথিবী থেকে এসে পৌঁছাতে সময় লাগবে ২৭ বছর।

    আমি করভাসকে সুপারম্যানের বাড়ির ঠিকানা হিসেবে বেছে নিই। কারণ, এর আলো আমাদের কাছে এসে পৌঁছাতে ২৭ বছর সময় লাগে। এভাবে সুপারম্যান পূর্ণবয়স্ক হয়ে ওঠার আগপর্যন্ত ওই নক্ষত্রমণ্ডলের আলো আমাদের কাছে পৌঁছাবে না।
    আমি করভাসকে সুপারম্যানের বাড়ির ঠিকানা হিসেবে বেছে নিই। কারণ, এর আলো আমাদের কাছে এসে পৌঁছাতে ২৭ বছর সময় লাগে। এভাবে সুপারম্যান পূর্ণবয়স্ক হয়ে ওঠার আগপর্যন্ত ওই নক্ষত্রমণ্ডলের আলো আমাদের কাছে পৌঁছাবে না।

    কাজেই এককথায় বলা যায়, সেটা অনেক দূর।

    সুপারম্যান প্রথম যখন পৃথিবীতে যাত্রা করে, তার নভোযান তাকে আলোর চেয়েও বেশি গতিতে বয়ে এনেছিল। হ্যাঁ, এমনটা হওয়া একেবারেই অসম্ভব। আগের অধ্যায়ে এ ব্যাপারে আমরা কথা বলেছি। কিন্তু তারা যেহেতু বুদ্ধিমান এলিয়েন, তাই তারা হয়তো জানে, কীভাবে ওয়ার্মহোল বানাতে হয় এবং তার ভেতর দিয়ে ভ্রমণ করতে হয়। এই ওয়ার্মহোলের ভেতর দিয়ে শর্টকাট পথে তুমি মহাবিশ্বের যেকোনো জায়গায় ইচ্ছামতো চলে যেতে পারবে।

    এভাবে পৃথিবীতে এসে পৌঁছাল সুপারম্যান। কিন্তু তাদের সূর্যটা বিস্ফোরিত হওয়ার মুহূর্তের আলোকে মহাকাশের ভেতর দিয়ে স্বাভাবিক গতিতে আসতে হয়েছে। তত দিনে পৃথিবীতে বড় হয়ে উঠেছে সুপারম্যান। সে কৃষিকাজ শিখেছে, তার বর্তমান দেশের রাজধানীর নাম মুখস্থ করেছে। এমনকি নিজের ভেতর বিশেষ ক্ষমতাও আবিষ্কার করেছে সে। ওদিকে বিস্ফোরিত নক্ষত্রটা থেকে আলো তখনো মহাকাশের বিপুল দূরত্ব পাড়ি দিচ্ছে।

    বড় হয়ে সে মেট্রোপলিসের দিকে চলে গেল। এ শহরটা আমার জন্মশহর নিউইয়র্ক সিটির একটা সংস্করণমাত্র। ওই শহরে গিয়ে সে ম্যান অব স্টিল হিসেবে বেশ নাম কামাল। তখনো মহাকাশের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিচ্ছে ওই নক্ষত্রটির আলো।

    সুপারম্যান একসময় লুইস লেনের প্রেমে পড়ল। তখনো ওই আলো পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়নি।

    আক্রমণকারী এলিয়েনদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে সুপারম্যান যখন মঙ্গল গ্রহে গেল, তখন ওই নক্ষত্রের ফোটন অবশেষে পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসে। নক্ষত্রটা পৃথিবী থেকে ২৭ আলোকবর্ষ দূরে। সুপারম্যানের জন্মের সময় সেটি বিস্ফোরিত হয়েছিল। এ কারণে সুপারম্যানের ২৭ বছর বয়সে ওই সুপারনোভার আলো অবশেষে ধরা পড়ে আমাদের টেলিস্কোপে।

    ওয়ার্মহোল
    আলবার্ট আইনস্টাইনের বড় কিছু আইডিয়ার মধ্যে একটা হলো মহাকর্ষ আসলে স্থানের আকার বদলে দেয়। অর্থাৎ সরলরেখাকে পরিণত করে বক্ররেখায়। কিন্তু এ ধারণাকে যদি অনেকটা প্রসারিত করা যায়, তাহলে মহাবিশ্বের পুরো একটা অংশকে বাঁকিয়ে দূরবর্তী দুটি স্থানকে পরস্পরের কাছাকাছি আনা সম্ভব। কিছু সময়ের জন্য আমাদের মহাবিশ্বকে এক টুকরো কাগজ বলে মনে করো। তুমি যদি এই কাগজের এক কোনায় একটা পৃথিবীর ছবি আঁকো, তাহলে কাগজের উল্টো দিকে একটা বৃত্ত আঁকো, যেটা ক্রিপটন বোঝাবে। এই দুটি গ্রহের মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত পথ হবে সরলরেখা, তাই না? এর উত্তর সাধারণভাবে হ্যাঁ। কিন্তু মহাকর্ষ যদি এই সমতল মহাবিশ্বকে বাঁকিয়ে ফেলে এবং কাগজটা দলা পাকানোর পর দুটি গ্রহ যদি পরস্পরের স্পর্শ করার দূরত্বে আসে, তাহলে তাদের সংক্ষিপ্ত পথ পাল্টে যাবে। একে একটা ব্রিজ বা সেতু হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন আইনস্টাইন। একেই এখন বলা হয় ওয়ার্মহোল। স্থানের ভেতর এটা এমন এক ধরনের টানেল, যা দূরবর্তী দুটি বিন্দুকে সংযুক্ত করে। ওয়ার্মহোলের অস্তিত্ব সত্যিই আছে কি না, আমরা তা জানি না। কিংবা ওয়ার্মহোলের ভেতর দিয়ে কোনো স্পেসশিপে ভ্রমণ করতে গেলে তোমার দেহের সব পরমাণু ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে কি না, আমরা তা-ও জানি না। তবে সায়েন্স ফিকশন লেখকেরা এর ভেতর দিয়ে ভ্রমণের কথা লিখতে ভালোবাসেন।

    ঠিক এ সময় ম্যান অব স্টিল তাড়াহুড়ো করে হেইডেন প্লানেটারিয়ামে এসে আমার সঙ্গে দেখা করে। এই কাহিনিতে আমার কমিকস ভার্সন সবকিছু ব্যবস্থা করে দেয়, যাতে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপটা করভাসের দিকে তাক করা যায়। যাতে টেলিস্কোপে নক্ষত্রটার যতটা সম্ভব বেশি দৃশ্যমান ও অদৃশ্য আলো ধরা যায়।

    এই মানুষটার জন্য সেটা ছিল ভয়াবহ দুঃখের মুহূর্ত। শেষ পর্যন্ত সে নিশ্চিতভাবে জানতে পারল, তার নিজ গ্রহ একটা সুপারনোভার কারণে স্রেফ ভাজা ভাজা হয়ে গেছে। কিন্তু জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে সেটা অন্যতম অদ্ভুত জিনিসের নিখুঁত চিত্রণ। এমনকি প্রকৃতির জন্যও সে কথা সত্য। আমরা এরই মধ্যে এই ধারণা সম্পর্কে জেনে গেছি। কিন্তু আরেকবার বিষয়টা খতিয়ে দেখা যাক। কোনো উৎস থেকে আমাদের টেলিস্কোপে আলো আসতে সময় লাগে। কাজেই আমরা যখন কোনো কিছুর দিকে তাকাই বা যখনই কোনো বস্তু থেকে আমাদের চোখে আলো এসে পড়ে, তখন আসলে ওই বস্তুকে তার অতীতে দেখতে পাই। ওই অতীতে আসলে যাত্রা শুরু করেছিল ফোটনগুলো। মহাকাশের যত দূরে আমরা দেখি, সেখান থেকে আমাদের কাছে আলো আসতে তত বেশি সময় লাগে। তাই আমরা তত বেশি আগের সময় দেখতে পাই।

    আমি আর সুপারম্যান ওই কমিক বইয়ে যেমনটা করেছিলাম, অর্থাৎ ২৭ বছর পেছনের সময়ে দেখা অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্টদের জন্য সাধারণ একটা ঘটনা। বর্তমানে টেলিস্কোপ ও ডিটেক্টর ব্যবহার করে কয়েক বিলিয়ন বছর আগের অতীত দেখতে পাই আমরা। মহাবিশ্বের সূচনালগ্নের প্রায় কাছাকাছি সময় দেখতে পারি। সে জন্য অবশ্য দুজন বিজ্ঞানীকে ধন্যবাদ দিতে হবে। তাঁরা হলেন আর্নো পেনজিয়াস ও রবার্ট উইলসন। দুর্ঘটনাবশত বিশ শতকে জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম সেরা আবিষ্কারটা করেছিলেন এই দুই বিজ্ঞানী।

    *

    ১৯৬৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরিজে কাজ করতেন পেনজিয়াস ও উইলসন। সেটি ছিল আসলে এটিঅ্যান্ডটি (আমেরিকান টেলিফোন অ্যান্ড টেলিগ্রাফ) কোম্পানির একটা গবেষণা শাখা। এই একই কোম্পানি বর্তমানে ওয়্যারলেস ও স্মার্টফোন সার্ভিস দিয়ে থাকে। এ ব্যাপারে ৯ম অধ্যায়ে আমরা আরও বিস্তারিত কথা বলব। কিন্তু আকাশ বিভিন্ন ধরনের আলোকশক্তিতে পরিপূর্ণ। এর কিছু আমাদের পরিচিত রংধনুর রঙের মতো দৃশ্যমান। অন্যগুলো অদৃশ্য। তবে এর সব কটিই আসলে তরঙ্গ। এসব আলোর মধ্যে প্রধান পার্থক্য তাদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বা ওয়েভলেংথে। একটা তরঙ্গ তার একটা শীর্ষবিন্দু থেকে আরেকটা শীর্ষবিন্দুতে যেতে যে দূরত্ব পাড়ি দেয়, সেটাই তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য। রেডিও তরঙ্গ পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে শিংয়ের মতো দেখতে একটা বিশাল আকারের অ্যানটেনা বানিয়েছিল এটিঅ্যান্ডটি।

    মহাবিশ্বের জন্ম সম্পর্কে জানতে বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরিজে এই অ্যানটেনা ব্যবহার করেছিলেন বিজ্ঞানীরা।
    মহাবিশ্বের জন্ম সম্পর্কে জানতে বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরিজে এই অ্যানটেনা ব্যবহার করেছিলেন বিজ্ঞানীরা।

    বিশালাকৃতির অ্যানটেনাটা আকাশের দিকে তাক করলেন পেনজিয়াস ও উইলসন। কিন্তু যন্ত্রটা যখনই তাক করা হোক না কেন, সেটা আরেক ধরনের আলো ধরতে লাগল। সেটা ছিল মাইক্রোওয়েভ। বর্তমানে বেশির ভাগ মার্কিনের রান্নাঘরে মাইক্রোওয়েভ ওভেন আছে। এর মাধ্যমে এই দীর্ঘ, অদৃশ্য, নিম্নশক্তির তরঙ্গ দিয়ে প্লাবিত করে রান্না বা খাবার গরম করা যায়। কিন্তু এই দুই বিজ্ঞানী তাঁদের অ্যানটেনায় সব সময় এই মাইক্রোওয়েভ খুঁজে পাচ্ছিলেন কেন?

    বিভ্রান্ত হলেন পেনজিয়াস আর উইলসন।

    পৃথিবী ও মহাকাশে ওই তরঙ্গের সম্ভাব্য উৎস খুঁজতে লাগলেন তাঁরা। প্রায় প্রতি তরঙ্গের ক্ষেত্রেই তাঁরা ব্যাখ্যা করতে পারলেন, আলোটা কোথা থেকে আসছে। কিন্তু রহস্যই রয়ে গেল এই মাইক্রোওয়েভ। অ্যানটেনাটা কোন দিকে তাক করা আছে, তাতে কিছু যায় আসে না। বিজ্ঞানীদ্বয় মহাকাশের সব দিকেই ওই তরঙ্গের খোঁজ পেলেন। ডিটেক্টরে কোনো সমস্যা হলো কি না, স্বভাবত তা-ই ভাবলেন তাঁরা। তাই অ্যানটেনার ভেতর আঁতিপাঁতি করে অনুসন্ধান চালালেন। সেখানে পাওয়া গেল একটা কবুতরের বাসা। আবার অ্যানটেনাটাও সাদা বস্তু দিয়ে ঢেকে গেছে।

    শিং আকৃতির অ্যানটেনায় কবুতরের সাদা মল।
    শিং আকৃতির অ্যানটেনায় কবুতরের সাদা মল।

    মানে কবুতরের মল।

    কবুতরের মলে অ্যানটেনার ডিশের অধিকাংশ অংশ ঢেকে গিয়েছিল। কাজেই রহস্যময় মাইক্রোওয়েভের কারণ এই নোংরা অ্যানটেনাও হতে পারে। ওই মল পরিষ্কার করলেন পেনজিয়াস আর উইলসন। কবুতরগুলোকে বাসা বানানোর জন্য অন্য কোনো জায়গা খুঁজে নিতে উৎসাহিত করলেন। এরপর আবারও পরীক্ষা করে দেখলেন যন্ত্রপাতিগুলো।

    এবার অবশ্য সংকেতটা বেশ কমে গেল, কিন্তু পুরোপুরি দূর হলো না। কাজেই বোঝা গেল, পুরোটা দোষ ওই কবুতরদের নয়। কিন্তু তারপরও এই দুই বিজ্ঞানীর কাছে এই রহস্যময় আলোর কোনো ব্যাখ্যা ছিল না।

    এদিকে একদিন তাঁদের কাজের কথা শুনতে পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের রবার্ট ডিকের নেতৃত্বে একদল পদার্থবিদ। কিন্তু পেনজিয়াস আর উইলসনের চেয়ে অন্তত একটা ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ছিলেন তাঁরা। কারণ, এই বিজ্ঞানী দল নিশ্চিতভাবে জানতেন, ওই অদ্ভুত আলো বা তরঙ্গ কোথা থেকে আসছে।

    পেনজিয়াস ও উইলসনের সমস্যাটার উৎপত্তি আসলে কবুতরের মল ছিল না।

    আসলে দুর্ঘটনাক্রমে নিজেদের অজান্তে আদিম মহাবিশ্ব থেকে আসা আলো আবিষ্কার করে বসেছিলেন এই দুই বিজ্ঞানী।

    *

    বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের পর দ্রুতবেগে প্রসারিত হচ্ছিল আমাদের মহাবিশ্ব।

    এ বিশ্বজগতে অসংখ্য রহস্যময় নিয়মকানুন আছে। যার কথা আমরা আগে আলোচনা করেছি। এর মধ্যে একটা নিয়ম বলে, শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না। এ নিয়মটা ল অব কনজারভেশন অব এনার্জি বা শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি নামে পরিচিত। নিয়মটা তুমি ভাঙতে পারবে না। সত্যি বলছি। আমাদের বর্তমান মহাবিশ্বের সব শক্তি মহাবিস্ফোরণের সময়েও ছিল। মহাবিশ্ব বড় হতে থাকায় এসব শক্তি বড় থেকে আরও বড় স্থানে প্রসারিত থাকে। অতিবাহিত প্রতিটা মুহূর্তেই মহাবিশ্ব আরও একটু বড় হচ্ছিল। আরও একটু শীতলও হচ্ছিল। সেই সঙ্গে আরও একটু অস্পষ্ট বা অনুজ্জ্বল হয়ে উঠছিল

    ৩৮০,০০০ বছর ধরে সবকিছু এভাবে ঘটছিল।

    এই আদিম সময়ে তোমার মিশন যদি হতো মহাবিশ্বের চারদিকে দেখা, তাহলে তুমি তা করতে পারতে না। তোমাকে এমন ফোটন দেখতে হবে, যারা এই মহাজাগতিক যাত্রা সম্পন্ন করতে পেরেছে। কিন্তু এ সময় ফোটনগুলো খুব বেশি দূর যেতে পারত না। তুমি বাড়ি ছেড়ে বাইরে যাওয়ার সময় তোমার বাবা-মা কি কখনো তোমাকে দরজায় আটকে দিয়েছেন? তাঁরা তোমাকে মনে করিয়ে দিয়েছেন যে তুমি ঘরের কাজ শেষ করোনি কিংবা হোমওয়ার্ক অবহেলা করেছ? ফোটনের জীবনটাও অনেকটা এ রকম ছিল। মহাবিশ্বের সেই সময়ে ইলেকট্রনরা বারবার তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ওই সময় যাত্রা শুরু করতে পারেনি তারা। আর ফোটনগুলো কোথাও যেতে না পারার কারণে কোনো কিছু দেখাও সম্ভব ছিল না। মহাবিশ্ব সব দিকেই দেখতে তখন ছিল উজ্জ্বল কুয়াশার মতো।

    তবে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার পর ক্রমেই আরও ধীরে ধীরে চলাচল করতে লাগল কণাগুলো। ক্রমান্বয়ে ইলেকট্রনগুলো এতই ধীরগতির হয়ে গেল যে তাদের পাশ দিয়ে যাওয়া কোনো প্রোটনের খপ্পরে আটকা পড়ল তারা। এভাবে ইলেকট্রন ও প্রোটন একত্র হওয়ার পর আমরা পেলাম পরমাণু।

    কিন্তু এর সঙ্গে কবুতরের মলের সম্পর্ক কী?

    প্রোটনরা এই ইলেকট্রনগুলো আঁকড়ে ধরার পর ফোটনদের বাধা দেওয়ার মতো আর কিছুই থাকল না। তারা মুক্ত হয়ে মহাবিশ্বের বাধাহীন পথে অবিরাম ছুটে বেড়াতে লাগল।

    বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় বর্ণালি
    বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় বর্ণালি

    মহাবিশ্বে ফোটনগুলো অবিরাম ছোটার সময় মহাবিশ্ব ক্রমে প্রসারিত ও শীতল হতে থাকে। এতে ফোটনগুলো ক্রমেই হতে লাগল দুর্বল থেকে দুর্বলতর। প্রথমে তারা এত শক্তিশালী ছিল যে তাদের দেখা যেত। আমরা যখন কোনো ছাপা বই বা ইলেকট্রনিক বইয়ের কোনো পৃষ্ঠার দিকে তাকাই, তখন আমাদের চোখ এ ধরনের ফোটন গ্রহণ করে। কয়েক মিলিয়ন থেকে কয়েক বিলিয়ন বছর ধরে বিপুল দূরত্ব পাড়ি দিয়ে এই ফোটনগুলো একসময় শীতল হয়ে গেল। তাদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রসারিত হয়ে গেল এবং রূপান্তরিত হলো দীর্ঘ, নিম্নশক্তির মাইক্রোওয়েভে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া এসব ফোটনকে আমরা বলি কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড বা মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণ।

    কিছুটা অভিনব বৈজ্ঞানিক নাম শুনে বিভ্রান্ত হয়ো না। দানবীয় আকৃতির একটা মাইক্রোওয়েভ ওভেন মহাকাশের কোথাও ভেসে বেড়াচ্ছে, তেমনটাও ভেবে বোসো না। এই কসমিক ব্যাকগ্রাউন্ড আসলে চোখধাঁধানো, তাপদগ্ধ আদিম মহাবিশ্ব থেকে আসা অবশিষ্ট আলো।

    আর ওই আলোকে নিজেদের অ্যানটেনার ডিশে ধরতে পেরেছিলেন পেনজিয়াস আর উইলসন। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর আগের মহাবিশ্বকে দেখতে পেয়েছেন।

    এ ঘটনা ঘটার কয়েক দশক আগে এই কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ডের অস্তিত্বের কথা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন রাশিয়ায় জন্ম নেওয়া মার্কিন পদার্থবিদ জর্জ গ্যামো। প্রিন্সটনের রবার্ট ডিক এবং তাঁর সহকর্মীরা যখন জানতে পারলেন, পেনজিয়াস ও উইলসন একটা অদ্ভুত সংকেত আবিষ্কার করেছেন, তখন তাঁরা বুঝতে পারলেন—এ কথার মানে কী। আসলে তাঁরা নিজেরাও কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ডের প্রমাণ খুঁজছিলেন। সবকিছুই খাপে খাপে মিলে গেল। এমনকি সংকেতটাও আসছিল মহাকাশের সব দিক থেকে।

    এক দশকের বেশি সময় পর, ১৯৭৮ সালে কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানের সর্বোচ্চ সম্মান নোবেল পুরস্কার পান পেনজিয়াস আর উইলসন।

    জর্জ গ্যামো
    জর্জ গ্যামো ছিলেন প্রভাবশালী কসমোলজিস্ট। এ ছাড়া তিনি ছিলেন সফল একজন শিক্ষক। তাঁর এক শিক্ষার্থী ছিলেন ভেরা রুবিন। ডার্ক ম্যাটার বা গুপ্তবস্তু নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেন ভেরা রুবিন। এই রহস্যময় বস্তু দূরবর্তী ছায়াপথগুলোকে একত্রে আটকে রেখেছে। শিশু- কিশোরদের জন্য বইও লিখেছেন গ্যামো। একটা সিরিজের চরিত্রের নাম ছিল মি. টম্পকিন্স। এসব সিরিজে তিনি সব ধরনের অদ্ভুত বৈজ্ঞানিক অভিযান চালান। একটা জায়গায় মি. টম্পকিন্স একটা ইলেকট্রনে পরিণত হন। অনেকটা আদিম মহাবিশ্বের কণাগুলোর মতো। এরপর একটা অ্যান্টিম্যাটার বা প্রতিকণা জোড়া, অর্থাৎ পজিট্রনের সঙ্গে মিলিত হয়ে তিনি নিশ্চিহ্ন হয়ে যান। চরম এক সমাপ্তি।

    এটা কি ঠিক হলো?
    পেনজিয়াস আর উইলসন টেলিস্কোপে যা দেখতে পেয়েছেন, তা আসলে কী—সেটা বুঝতে সহায়তা করেন বিজ্ঞানী রবার্ট ডিক। কিন্তু তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি। এটা একদম অন্যায্য বলে মনে হয়। কিন্তু নোবেল পুরস্কার সাধারণত একটা আবিষ্কারের জন্য দেওয়া হয়। কোনো তাত্ত্বিক বিজ্ঞানী যদি কী পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করেন, আবিষ্কারে অংশগ্রহণ করেন কিংবা অন্যদের বলেন কী খুঁজতে হবে, তাহলে তিনি হয়তো পুরস্কারটার ভাগ পেতে পারেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে পেনজিয়াস আর উইলসন কসমিক মাইক্রোওয়েভ প্রথমে খুঁজে পান। কাজেই পুরস্কারটা পেয়েছেন স্রেফ তাঁরা দুজন।

    *

    আমরা কীভাবে জানলাম যে কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশনের ব্যাপারে আমরা সঠিক?

    এলিয়েনদের দৃষ্টিভঙ্গিতে বিষয়টা দেখা যাক। মনে আছে তো, মহাবিশ্বের দূরের কোনো জায়গা থেকে আমাদের কাছে আলো পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে। গভীর মহাকাশের দিকে তাকালে আমরা আসলে সময়ের পেছনে দেখতে পাই। কাজেই বহুদূরের কোনো গ্যালাক্সিতে বুদ্ধিমান বাসিন্দা যদি আমাদের টেলিস্কোপে ওই ফোটনগুলো আসার আগেই কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ডের তাপমাত্রা মাপতে চাইত, তাহলে তাদের ফলাফলটা আমাদের পরিমাপের চেয়ে কিছুটা বেশি আসত। কারণ, তারা তুলনামূলকভাবে আমাদের চেয়ে একটা তরুণ, ছোট ও উত্তপ্ত মহাবিশ্বে বসবাস করে।

    তুমি নিজেও এই ধারণাটা পরীক্ষা করে দেখতে পারো।

    সায়ানোজেন অণু মাইক্রোওয়েভের সংস্পর্শে এলে উত্তেজিত হয়। এখানে উত্তেজিত বলতে বোঝাতে চাচ্ছি এই অণুর চারপাশের কক্ষপথে ইলেকট্রনগুলো লাফিয়ে ভিন্ন কোনো স্তরে চলে যায়। কিন্তু তুমি যদি তাদের নাচের এই ছবি তুলতে চাও, তা-ও পারবে। উষ্ণ মাইক্রোওয়েভ শীতল মাইক্রোওয়েভের তুলনায় সায়ানোজেন অণুকে একটু বেশি উত্তেজিত করে। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে আমরা যেসব সায়ানোজেন দেখি তার সঙ্গে দূরের তরুণতর গ্যালাক্সিগুলোর সায়ানোজেনের তুলনা করে দেখেছেন জ্যোতিঃপদার্থবিদেরা। এসব গ্যালাক্সির বয়স কম হওয়ার কারণে সায়ানোজেনগুলো উষ্ণ মাইক্রোওয়েভের সংস্পর্শে আসে। কাজেই সেগুলো অনেক বেশি উত্তেজিত হওয়া উচিত পর্যবেক্ষণেও তারা ঠিক এটাই ঘটতে দেখেছেন।

    অবিশ্বাস্য ব্যাপার, তাই না?

    কিন্তু এসব ব্যাপার মজার হওয়া উচিত কেন? কারণ, মহাবিশ্ব কীভাবে গড়ে উঠেছিল—এটা সেই সমৃদ্ধ চিত্রটির জোগান দেয়। পেনজিয়াস ও উইলসনের পর কসমিক ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশনের বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি করতে আরও সেনসিটিভ বা সংবেদনশীল যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছেন অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্টরা। দেখা গেছে, এই মানচিত্র পুরোপুরি মৃসণ নয়। এতে কিছু দাগ আছে, যা গড় মানের চেয়ে কিছুটা উত্তপ্ত ও কিছুটা শীতল। মানচিত্রে তাপমাত্রার এই পার্থক্য গবেষণা করে আমরা নির্ধারণ করতে পারি, আদিম মহাবিশ্ব দেখতে কেমন ছিল এবং পদার্থগুলো কখন গুচ্ছকারে একত্র হতে শুরু করেছিল

    এই কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড আমাদের বলে যে মহাবিশ্ব কীভাবে আচরণ করবে এবং কীভাবে প্রসারিত হবে। তবে কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড এটাও উদ্ঘাটন করেছে যে মহাবিশ্বের বেশির ভাগ অংশ এমন বস্তু দিয়ে গঠিত, যার সম্পর্কে আমরা এখনো কিছুই জানি না। এক রহস্য বটে। এই দুটি রহস্য নিয়ে আলোচনা করব ৫ম ও ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে।

    পাঠক, সাবধান। আমাদের কাহিনি শিগগিরই গুপ্ত রহস্যের দিকে মোড় নিতে যাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    Next Article আমি বীরাঙ্গনা বলছি – নীলিমা ইব্রাহিম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }