Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাস্ট্রোফিজিকস : সহজ পাঠ – নীল ডিগ্র্যাস টাইসন ও গ্রেগরি মোন

    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমার প্রিয় কিছু মৌল

    ৭. আমার প্রিয় কিছু মৌল

    এক মিডল স্কুলে পড়ার সময় আমার শিক্ষককে একবার একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিলাম আমি। ভেবেছিলাম, রাসায়নিক মৌলের পর্যায় সারণি নিয়ে ওটা সহজ-সরল একটা প্রশ্ন। বেশির ভাগ বিজ্ঞানের ক্লাসরুমের দেয়ালে তুমি একটা পিরিয়ডিক টেবিল বা পর্যায় সারণির পোস্টার ঝোলানো দেখতে পাবে। একনজর দেখে ভুলক্রমে একে জটিল-কঠিন কোনো বোর্ড গেম বলে ভেবে বসতে পারো। কিন্তু এটা আসলে কোনো খেলা নয়। মহাবিশ্বের ১১৮টি মৌলিক পদার্থ বা পরমাণুর ধরন সম্পর্কে আমাদের জানায় এই পর্যায় সারণি।

    যা-ই হোক, আমার শিক্ষককে জিজ্ঞেস করলাম, এসব মৌল আসে কোথা থেকে।

    তিনি জবাব দিলেন, পৃথিবীর কঠিন ভূত্বক থেকে।

    উত্তরটা মেনে নিলাম। নিঃসন্দেহে স্কুলের ল্যাবে এগুলোর জোগান সেখান থেকেই আসে। কিন্তু এই উত্তরটা আমার জন্য যথেষ্ট ছিল না। আমি জানতে চাচ্ছিলাম, পৃথিবীর ভূত্বকে এই মৌলগুলো কীভাবে জমা হয়। হ্যাঁ, আমিই ছিলাম সেই ছেলে, যে ক্লাসে অনেক প্রশ্ন করত। এ জন্য যাকে অনেকেই পছন্দ করত না। তবে আমি খুঁজে বের করেছিলাম যে এই উত্তরটা অবশ্যই জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত কিছু একটা হবে। মৌলগুলো অবশ্যই মহাকাশের কোথাও তৈরি হয়। কিন্তু এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য তোমার কি মহাবিশ্বের ইতিহাস জানাও দরকার?

    মৌলের পর্যায় সারণি

    মৌলিক পদার্থের পর্যায় সারণি।
    মৌলিক পদার্থের পর্যায় সারণি।

    হ্যাঁ, আসলে তা জানতেই হবে।

    সাধারণ পদার্থগুলো তৈরি হয় প্রোটন, নিউট্রন ও ইলেকট্রন কণা দিয়ে। প্রোটন ও নিউট্রন পরমাণুর একটা অংশে একত্রে গুচ্ছবদ্ধ হয়ে থাকে। তাদের একত্রে বলা হয় পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা পরমাণুকেন্দ্ৰ। অন্যদিকে এই নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বাইরে ঘুরপাক খায় ইলেকট্রন। এই কণাগুলোকে একত্রে যোগ করলে যেটি পাওয়া যাবে, তাকে বলা হয় অ্যাটম বা পরমাণু। একটা মৌল আসলে এক বা একাধিক একই ধরনের পরমাণু, যেখানে একই সংখ্যক ও একই ধরনের কিছু কণা থাকে। সবচেয়ে সরলতম মৌলের নাম হাইড্রোজেন। এতে একটামাত্র প্রোটন আর একটামাত্র ইলেকট্রন থাকে। এক বা একাধিক হাইড্রোজেন পরমাণু একত্রে যুক্ত হয়ে গঠন করে হাইড্রোজেন মৌল।

    হাইড্রোজেন হলো প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা মাত্র তিনটি মৌলের মধ্যে একটা। একে আমরা ল্যাবে বা কোনো পরীক্ষায় তৈরি করি না। এই মৌলটি তৈরি হয়েছিল বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের সময়। বাকিগুলো তৈরি হয়েছিল বিস্ফোরন্মুখ নক্ষত্রের কেন্দ্রের উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপের ভেতর। এসব মৌলের একধরনের গাইড হিসেবে কাজ করে পর্যায় সারণি, যা বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। কিন্তু তারপরও বিজ্ঞানীরাও একে ড. সসের কল্পিত জীবজন্তুর উদ্ভট কোনো চিড়িয়াখানার মতো না ভেবে পারেন না। মোট কথা, এই মৌলগুলো অবিশ্বাস্য রকম অদ্ভুত

    এই তালিকায় সোডিয়াম নামের একটা বিষাক্ত ধাতু রয়েছে। একে তুমি মাখনের মতো চাকু দিয়ে কেটে ফেলতে পারবে। আবার তালিকার এক জায়গায় তুমি খুঁজে পাবে ক্লোরিন। এটা গন্ধযুক্ত মারাত্মক একটা গ্যাস। পর্যায় সারণি আমাদের বলে যে এই দুটি বিপজ্জনক মৌল একত্র হয়ে অন্য একটা পদার্থ বা যৌগ তৈরি করতে পারে। শুনতে হয়তো ভয়াবহ ব্যাপার বলে মনে হবে। কিন্তু তুমি যদি এই দুটি মৌলকে এক করো, তাহলে তৈরি হবে সোডিয়াম ক্লোরাইড। এটি আসলে আমাদের কাছে বেশি পরিচিত খাবার লবণ হিসেবে।

    কিংবা হাইড্রোজেন আর অক্সিজেনের কথা ধরা যাক। প্রথমটা হলো বিস্ফোরক গ্যাস। আর দ্বিতীয়টা বিভিন্ন পদার্থ পুড়তে সহায়তা করে। কোনো আগুনে অক্সিজেন যোগ করলে তা আরও বেশি করে জ্বলে ওঠে। কিন্তু তবু পর্যায় সারণি আমাদের বলে, এই দুটি মৌল একত্রে জোড় বাঁধতে পারে। হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন জোড় বাঁধলে তুমি পাবে তরল পানি; যা কিনা আগুন নিভিয়ে দেয়।

    এ রকম অসংখ্য বিস্ময়ে ভরা পর্যায় সারণি। আমরা প্রতিটি মৌল নিয়ে অনেক অদ্ভুত আর বিস্ময়কর গুণাবলির কথা বলতে পারি। কিন্তু তুমি হয়তো বুঝতে পেরেছ, আমি নক্ষত্রের দিকে মনোযোগ দিতে বেশি আগ্রহী। কাজেই একজন অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্টের চোখ দিয়ে পর্যায় সারণি ঘুরে দেখানোর অনুমতি চাইছি তোমার কাছে।

    মহাবিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মৌল

    সবচেয়ে হালকা ও সরল মৌল হলো হাইড্রোজেন। এর পুরোটাই তৈরি হয়েছিল মহাবিস্ফোরণের সময়। এটি ছাড়াও বাকি আরও ৯৪টি মৌল প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। কিন্তু পরিমাণের দিক থেকে তাদের মধ্যে হাইড্রোজেনের আধিপত্য। মানবদেহের প্রতি তিনটি পরমাণুর মধ্যে দুটিতেই হাইড্রোজেন রয়েছে। গোটা মহাবিশ্বের প্রতি ১০টি পরমাণুর মধ্যে ৯টিই হাইড্রোজেন পরমাণু। প্রতিদিন প্রতি সেকেন্ডে ৪.৫ বিলিয়ন টন দ্রুতগতির হাইড্রোজেন কণা পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে। আর ঘটনাটা ঘটছে আমাদের সূর্যের অগ্নিগর্ভ উত্তপ্ত কেন্দ্রে। এই সংঘর্ষ থেকে বেরিয়ে আসছে বিপুল শক্তি, যা সূর্যকে জ্বলতে সহায়তা করে।

    একটি হাইড্রোজেন পরমাণু
    একটি হাইড্রোজেন পরমাণু

    ভাইস প্রেসিডেন্ট

    জন্মদিনের পার্টিতে হিলিয়ামের ভূমিকা আছে। তাই এই মৌলটিকে তোমার চেনার কথা। গ্যাস হিসেবে হিলিয়াম প্রায় হাইড্রোজেনের মতোই বাতাসে ভাসে। কিন্তু আগেই বলেছি, হাইড্রোজেন হলো ভয়াবহ রকম বিস্ফোরক। কোনো জন্মদিনের পার্টিতে বেলুনে হাইড্রোজেন গ্যাস ভরা থাকলে, তা খুবই বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। কোনো বেলুন যদি তখন জন্মদিনের মোমবাতির ওপর এসে পড়ে, তাহলে সেখানে উপস্থিত কেউই বাঁচতে পারবে না। এ কারণে আমরা হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে বেলুন ভরি। এরপর এই অদ্ভুত গ্যাসটা শুষে নিয়ে কথা বললেই মিকি মাউসের কণ্ঠের মতো মনে হয়।

    হিলিয়াম পরমাণু
    হিলিয়াম পরমাণু

    হিলিয়াম হলো মহাবিশ্বের দ্বিতীয় সরলতম ও দ্বিতীয় প্রাচুর্যপূর্ণ মৌল। হাইড্রোজেনের মতো হিলিয়ামও তৈরি হয়েছিল মহাবিস্ফোরণের সময়। কিন্তু নক্ষত্রের ভেতরও হিলিয়াম তৈরি হয়। মহাবিশ্বে হিলিয়ামের পরিমাণ হাইড্রোজেনের মতো অত বেশি নয়। কিন্তু তারপরও মহাবিশ্বের অন্য সব মৌল একত্রে যোগ করলে যা দাঁড়ায়, তার চেয়েও হিলিয়ামের পরিমাণ চার গুণ বেশি 1

    দুর্ভাগ্যজনক অবশিষ্টাংশ

    নিউক্লিয়াসে তিনটি প্রোটন নিয়ে লিথিয়াম হয়ে উঠেছে মহাবিশ্বের তৃতীয় সরলতম মৌল। হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের মতো লিথিয়ামও তৈরি হয়েছিল মহাবিস্ফোরণের সময়। আবার এই মৌলটি বিগ ব্যাং থিওরি যাচাই করতে বিজ্ঞানীদের সহায়তা করে। বিগ ব্যাং মডেল অনুসারে, মহাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তে প্রতি এক শ পরমাণুর মধ্যে লিথিয়ামের পরিমাণ একটার বেশি হওয়া উচিত নয়। এখন পর্যন্ত কোনো গ্যালাক্সি খুঁজে পাওয়া যায়নি, যেখানে লিথিয়ামের পরিমাণ এই সীমার চেয়ে বেশি। এটি আমাদের ভবিষ্যদ্বাণী এবং টেলিস্কোপে পাওয়া প্রমাণের সঙ্গে খাপে খাপে মিলে যায়। এতে প্রমাণিত হয় যে আসলে মহাবিশ্বের শুরু হয়েছিল একটা বড় বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে।

    লিথিয়াম
    লিথিয়াম

    জীবনদায়ী মৌল

    কার্বন মৌলকে সব জায়গায় খুঁজে পাওয়া যায়। কার্বন তৈরি হয়েছিল নক্ষত্রগুলোর ভেতর। এরপর নক্ষত্রের পৃষ্ঠতলে উঠে এসে ছড়িয়ে পড়ে ছায়াপথে। অন্য যেকোনো মৌলের চেয়ে কার্বন দিয়ে অনেক বেশি অণু তৈরি করা যায়। অতিক্ষুদ্র গাছপালা ও পোকামাকড় থেকে শুরু করে বিশালদেহী রাজকীয় হাতি কিংবা পপ স্টারদের মানুষের মতো আমাদের চেনাজানা জীবনেরই জন্য এটি অন্যতম প্রধান উপাদান। সেলেনা গোমেজও কার্বনভিত্তিক জীবনের একটা রূপ!

    কার্বন পরমাণু
    কার্বন পরমাণু

    কিন্তু যেসব জীবরূপ সম্পর্কে আমরা এখনো কিছু জানি না, তাদের ব্যাপারটা কী? মহাবিশ্বের কোথাও যদি কোনো এলিয়েন প্ৰাণ থাকে, যারা হয়তো কার্বন ও অক্সিজেনের বদলে অন্য কোনো মৌল দিয়ে গঠিত? সিলিকনভিত্তিক জীবনের রূপটা কেমন হবে? সিলিকনভিত্তিক এলিয়েনদের নিয়ে গল্প লিখতে পছন্দ করেন বিজ্ঞান কল্পকাহিনির লেখকেরা। অন্য গ্রহের জীবনরূপ কেমন হতে পারে, তা নিয়ে যেসব বিজ্ঞানী সময় ব্যয় করেন, তাঁদের বলা হয় এক্সোবায়োলজিস্ট। এই বিজ্ঞানীরা সিলিকনভিত্তিক জীবনরূপের সম্ভাবনার কথাও বিবেচনা করেন। অবশ্য শেষ পর্যন্ত আমাদের ধারণা, বেশির ভাগ জীবনের রূপও হবে কার্বন দিয়ে তৈরি। কারণ, মহাবিশ্বে সিলিকনের চেয়ে কার্বনের পরিমাণ অনেক অনেক বেশি

    ভারী মৌলরা

    আমাদের গ্রহের অগ্নিময় কেন্দ্রের চারপাশে একটা খোলস আছে। একে বলা হয় ভূত্বক। পৃথিবীর এই ভূত্বকের বড় একটা অংশ দখল করে আছে অ্যালুমিনিয়াম। প্রাচীনকালের মানুষ অ্যালুমিনিয়াম সম্পর্কে কিছু জানত না। ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজে এই মৌলটি পছন্দ করি। কারণ, পলিশ করা অ্যালুমিনিয়ামকে প্রায় নিখুঁত আয়না বানাতে ব্যবহার করা যায়। আলোকে বিবর্ধিত ও ফোকাস করতে টেলিস্কোপের ভেতরে আয়না থাকে। ফলে দূরের বস্তুগুলো অনেক ভালোভাবে দেখতে পারেন জ্যোতিঃপদার্থবিদেরা। বর্তমানের প্রায় সব টেলিস্কোপে অ্যালুমিনিয়ামের আবরণ দেওয়া হয়।

    টাইটেনিয়াম
    টাইটেনিয়াম

    আরেকটি ভারী মৌল হলো টাইটেনিয়াম। গ্রিকদের শক্তিশালী দেবতা টাইটানের নামে নামকরণ করা হয়েছে মৌলটির। অ্যালুমিনিয়ামের চেয়ে দুই গুণেরও বেশি শক্তিশালী টাইটেনিয়াম। সামরিক বিমান, কৃত্রিম হাত-পা এবং ল্যাক্রোস স্টিকে (একধরনের খেলার জন্য ব্যবহৃত লাঠি) টাইটেনিয়াম ব্যবহার করা হয়। জ্যোতিঃপদার্থবিদদের জন্যও এ মৌলটি ভালো সঙ্গী।

    মহাবিশ্বের বেশির ভাগ জায়গায় কার্বনের চেয়েও অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি। এ ধরনের অণু একা একা থাকতে পারে না। তাই কার্বন পরমাণু মুক্ত অক্সিজেন পরমাণুর সঙ্গে যুক্ত হয়। সব কটি কার্বন একটা বা দুটো অক্সিজেন পরমাণুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাওয়ার পরও কিছু অক্সিজেন অন্য মৌলের সঙ্গে বন্ধন তৈরি করার জন্য বেঁচে যায়। অক্সিজেন যখন টাইটেনিয়ামের সঙ্গে বন্ধনে যুক্ত হয়, তখন ফলাফল হিসেবে পাওয়া যায় টাইটেনিয়াম অক্সাইড।

    নির্দিষ্ট কিছু নক্ষত্রে জ্যোতিঃপদার্থবিদেরা টাইটেনিয়াম অক্সাইড শনাক্ত করেছেন। সম্প্রতি একদল বিজ্ঞানী নতুন একটা গ্রহ আবিষ্কার করেছেন, যা টাইটেনিয়াম অক্সাইডে ঢাকা। আমাদের টেলিস্কোপগুলোর যন্ত্রাংশগুলোতে সাদা রং মাখা থাকে, যাতে টাইটেনিয়াম অক্সাইড থাকে। নক্ষত্র আর অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তু থেকে আসা আলোকে তীক্ষ্ণ করতে এই যৌগ সহায়তা করে।

    স্টার কিলার

    লোহা মহাবিশ্বের সাধারণ কোনো মৌল নয়। তবে এটা হয়তো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভারী নক্ষত্রগুলোর ভেতরে ক্ষুদ্র মৌলগুলোর মধ্যে অনবরত সংঘর্ষ হচ্ছে। এভাবে সংযুক্ত হচ্ছে সেগুলো। হাইড্রোজেন পরমাণু পরস্পরের সঙ্গে প্রবল ধাক্কা খেয়ে চিড়েচ্যাপ্টা হয়ে তৈরি করে হিলিয়াম মৌল। এরপর হিলিয়াম, কার্বন, অক্সিজেন ও অন্যান্য মৌল সংযুক্ত হতে থাকে। একসময় নক্ষত্রের ভেতরের পরমাণুগুলো যথেষ্ট বড় হয়ে গঠন করে লোহা বা আয়রন। এই মৌলের নিউক্লিয়াসে থাকে ২৬টি প্রোটন। এ ছাড়া থাকে অন্তত একইসংখ্যক নিউট্রনও। হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াসে থাকে একটিমাত্র প্রোটন। তাই হাইড্রোজেনের সঙ্গে তুলনা করলে লোহা অনেক ভারী বা বড় মৌল।

    লোহা
    লোহা

    লোহার পরমাণুর ভেতরের প্রোটন ও নিউট্রন যেকোনো মৌলের তুলনায় সবচেয়ে কম শক্তিশালী। তবু এটি রূপান্তরিত হয়ে যেতে পারে বেশ সরল ও উত্তেজিত অন্য কিছুতে। এরা নিষ্ক্রিয় হওয়ার কারণে শক্তি শোষণ করতে পারে। সাধারণত তুমি যদি কোনো পরমাণুকে ভেঙে ফেলো, তাহলে তা থেকে শক্তি নিঃসৃত হবে বা বেরিয়ে আসবে। একইভাবে তুমি যদি দুটি পরমাণুকে একত্র করে নতুন কোনো মৌল তৈরি করো, তাহলেও সেখান থেকে শক্তি বেরিয়ে আসবে।

    কিন্তু লোহা অন্য মৌলগুলোর মতো নয়। তুমি যদি লোহার পরমাণুকে ভেঙে আলাদা করো, তাহলে তারা শক্তি শোষণ করবে।

    আবার তুমি যদি লোহাকে একত্র করে নতুন কোনো মৌল তৈরি করো, তাহলেও তারা শক্তি শোষণ করবে।

    নক্ষত্রদের কাজ হলো শক্তি তৈরি করা। যেমন আমাদের সূর্য হলো একটা শক্তি তৈরির কারখানা। সৌরজগৎজুড়ে শক্তিশালী ফোটনে ভরে আছে। কিন্তু অতি ভারী কোনো নক্ষত্র যখন তাদের কেন্দ্রে লোহা তৈরি করতে শুরু করে, তখন তারা পৌঁছে যায় মৃত্যুর দুয়ারে। অনেক বেশি লোহা তৈরি হওয়া মানে শক্তি অনেক কমে যাওয়া। আর কোনো শক্তির উৎস ছাড়া নক্ষত্রটি তার নিজের ভরের চাপে সংকুচিত হতে থাকে এবং সবশেষে বিস্ফোরিত হয়। তখন নক্ষত্রটি এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এক বিলিয়ন সূর্যের মতো উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। লোহাকে ধন্যবাদ। কারণ, নক্ষত্রের কেন্দ্রে রান্না হওয়ার পর এভাবে এসব মৌল মহাবিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে আরও বেশি নক্ষত্র ও গ্রহের বীজ সরবরাহ করে ওরাই।

    ডাইনোসর ধ্বংসকারী

    পর্যায় সারণিতে সবচেয়ে ভারী মৌলগুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইরিডিয়াম। ভূপৃষ্ঠে এই মৌলটি বিরল, কিন্তু এর একটা পাতলা ও বিস্তৃত স্তর রয়েছে। এ স্তরটি আমাদের গ্রহটির অতীত সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয়। ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে মাউন্ট এভারেস্ট আকৃতির একটা গ্রহাণু আছড়ে পড়েছিল আমাদের পৃথিবীতে। এতে সংঘর্ষস্থলটা স্রেফ বাষ্পীভূত হয়ে যায়। তারপর স্যুটকেসের চেয়ে বড় আকারের সব স্থলচর প্রাণী ক্রমেই মরে যায়। কাজেই ডাইনোসরদের বিলুপ্ত হওয়ার কারণ সম্পর্কে তোমার পছন্দের তত্ত্ব যেটাই হোক না কেন, বাইরের মহাকাশ থেকে আসা একটা বড় আকৃতির গ্রহাণু ওই সব তত্ত্বের মধ্যে শীর্ষে থাকা উচিত।

    ইরিডিয়াম পরমাণু
    ইরিডিয়াম পরমাণু

    ইরিডিয়াম পৃথিবীপৃষ্ঠে বিরল হলেও বড় আকৃতির ধাতব গ্রহাণুতে সুলভ। মহাকাশের বিশাল আকৃতির কোনো পাথর যখন পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে, তখন তার ভেতরের ইরিডিয়াম বিস্ফোরিত হয়ে ফেটে বেরিয়ে এসে বিশালাকৃতির মেঘ তৈরি করে। এই বিস্ফোরণের ফলে গোটা গ্রহে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে ইরিডিয়াম পরমাণু। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা মাটির নিচে খুঁড়ে ৬৫ মিলিয়ন বছর আগের ভূপৃষ্ঠ কেমন ছিল, তা নিয়ে গবেষণা করেন। তাঁরা দেখেছেন, এই মৌলের পাতলা একটা স্তর সব জায়গায় ছড়িয়ে আছে।

    দেবতারা

    পর্যায় সারণির কিছু মৌলের নামকরণ করা হয়েছে গ্রহ আর গ্রহাণুদের নামানুসারে। আবার ওই সব গ্রহ ও গ্রহাণুর নাম দেওয়া হয়েছে রোমান দেবতাদের নামে। উনিশ শতকের শুরুতে মঙ্গল গ্রহ আর বৃহস্পতির মাঝখানে দুটি বস্তু আবিষ্কার করেন জ্যোতির্বিদেরা। বস্তু দুটি সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। এদের একটির নাম দেওয়া হয় সেরেস। সেরেস হলো ফসল কাটার দেবী। দ্বিতীয়টির নাম দেওয়া হয় রোমান জ্ঞানের দেবীর নামে—প্যালাস। সেরেস আবিষ্কারের পর প্রথম যে মৌল আবিষ্কৃত হয়, তার নাম দেওয়া হলো সিরিয়াম। আর প্যালাস আবিষ্কারের পর প্রথম যে মৌলটি আবিষ্কৃত হলো, জ্যোতির্বিদেরা তার নাম দিলেন প্যালাডিয়াম। মুভিতে আয়রনম্যান স্যুটকে শক্তি দিতে এবং তার বাইরের অবকাঠামো বানাতে প্যালাডিয়াম মৌলটি ব্যবহার করছিলেন টনি স্টার্ক। (দুঃখিত, এটা পুরোটাই কল্পনা। বাস্তবে প্যালাডিয়াম থেকে প্রায় অন্তহীন শক্তি পাওয়া যায় না। সে তুলনায় প্লুটোনিয়াম অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে। কিন্তু এই মৌলটা খুবই তেজস্ক্রিয়। কাজেই এ মৌলের কারণে আয়রনম্যান ভয়াবহভাবে অসুস্থ হয়ে যাবে কিংবা বিশ্বকে বাঁচানোর আগে নিজেই মারা পড়বে। )

    প্যালাডিয়াম
    প্যালাডিয়াম

    মার্কারি বা পারদ হলো রুপালি ধাতু, যা কক্ষ তাপমাত্রায় তরল। এই মৌলটির নাম রাখা হয়েছে দ্রুতগতির রোমান বার্তাবাহক দেবতা মার্কারির নামে। থোরিয়াম নামটি অনুপ্রাণিত হয়েছে থর থেকে। পূর্ব ইউরোপের বজ্রবিদ্যুতের স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেবতা হলো থর। থর আর আয়রনম্যান যে ভালো বন্ধু হবে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ, তারা একটা মৌলিক বন্ধন শেয়ার করে।

    পারদ
    পারদ

    শনি বা স্যাটার্ন আমার প্রিয় গ্রহ (আসলে আমার প্রথম প্রিয় গ্রহ হলো পৃথিবী। তারপর শনিগ্রহ।)। এ গ্রহের নামে কোনো মৌলের নামকরণ করা হয়নি। তবে ইউরেনাস, নেপচুন আর প্লুটোর নামে মৌল আছে। এরা সবাই রোমান পুরাণের দেবতা। যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করা প্রথম যে পারমাণবিক বোমাটি বানানো হয়েছিল, তার প্রধান উপাদান ছিল ইউরেনিয়াম। আমাদের সৌরজগতে ইউরেনাসের পরে আসে নেপচুন। একইভাবে পর্যায় সারণিতেও ইউরেনিয়ামের পর আসে নেপচুনিয়াম।

    ইউরেনিয়াম মৌল
    ইউরেনিয়াম মৌল

    পর্যায় সারণির পরের মৌলটি হলো প্লুটোনিয়াম। এই মৌলটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না। তবে একটা পারমাণবিক বোমা বানানোর জন্য এটা যথেষ্ট পরিমাণে কীভাবে বানানো যায়, সে প্রক্রিয়া জেনে গেছেন বিজ্ঞানীরা। প্লুটোনিয়াম দিয়ে বানানো প্রথম বোমাটি জাপানের নাগাসাকি শহরে ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। জাপানের হিরোশিমা শহরে ইউরেনিয়াম দিয়ে বানানো বোমাটি ফেলা হয়। এর ফলে দ্রুত সমাপ্তি ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের। নির্দিষ্ট ধরনের অল্প পরিমাণ প্লুটোনিয়াম ভবিষ্যতে নভোযানের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে, যা সৌরজগতের বাইরে ভ্রমণ করতে পারবে।

    প্লুটোনিয়াম মৌল
    প্লুটোনিয়াম মৌল

    তাহলে সৌরজগতের কিনারায় এবং তা ছাড়িয়ে রাসায়নিক মৌলের পর্যায় সারণিতে আমাদের মহাজাগতিক ভ্রমণ আপাতত এখানেই শেষ। অবশ্য কিছু মানুষ রাসায়নিক পদার্থ পছন্দ করে না। কারণটা আমি এখনো বুঝতে পারি না। হয়তো রাসায়নিকের নামগুলো তাদের কাছে বিপজ্জনক বলে মনে হয়। কিন্তু ঘটনা সে রকম হলে কোনো রসায়নবিদকে দোষ দেওয়া উচিত, কোনো রাসায়নিক মৌলকে নয়। ব্যক্তিগতভাবে রাসায়নিক পদার্থ আমার বেশ পছন্দ। আমার প্রিয় তারকারা, আর সেই সঙ্গে আমার প্রিয় বন্ধুরাও তৈরি হয়েছে এসব পদার্থ দিয়ে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    Next Article আমি বীরাঙ্গনা বলছি – নীলিমা ইব্রাহিম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }