Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প186 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বারো মিনিট

    আজ ২৬ জুন। দুপুর দুটো বারো। তিরিশ তলা অফিসের কার্নিশে দাঁড়িয়ে আছেন ডক্টর অরবিন্দ মুস্তাফি। আর কয়েক সেকেন্ড পরেই তিনি ঝাঁপ দিয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করবেন। আর যে অনিবার্য ঘটনাবলির কারণে তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, তার শুরু হয়েছিল ঠিক বারো মিনিট আগে।

    দুপুর দুটো, ড. মুস্তাফির চেম্বার

    খুব ধীরে চেম্বারের দরজা খুলে গেল। উঁকি দিল সেক্রেটারি লরার মুখ। অন্যদিন ওঁর গালভরা হাসি দেখলেই ড. মুস্তাফির দিন ভালো হয়ে যায়। আজ লরার সারা মুখ ছাইবরন। মুখে ভয়ের ছাপ। বোধহয় একটু আগে কেঁদেছে, চোখদুটো ফোলা ফোলা। এরকম কিছু একটা হতে পারে সেটা আগেই আন্দাজ করেছিলেন ড. মুস্তাফি। ভিতরের উত্তেজনা না দেখিয়ে শান্ত গলাতেই বললেন, “ভিতরে এসো।” লরা প্রায় দৌড়ে ঘরে ঢুকে চেয়ারে বসেই হাঁউমাউ করে উঠল।

    “আপনি পালান, এক্ষুনি পালান ডক্টর। যেভাবে হোক আপনি পালান। ওঁরা আপনাকে খুন করবে। ভোট হয়েছিল, দুজন বাদে সবাই আপনার বিরুদ্ধেই ভোট দিয়েছে। মাধবন তো আপনাকে মারার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। ও-ই সবাইকে আপনার বিরুদ্ধে উসকাচ্ছে।”

    “ওহহ, সেন্ট্রাল কমিটির মিটিং শেষ হল বুঝি…”

    দুপুর দুটো চার, এ.সি.এ.-র মিটিং রুম

    এ.সি.এ. অর্থাৎ এলিয়েন কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের ঝাঁ চকচকে মিটিং রুমে একটু আগেই বেশ গরম গরম মিটিং শেষ হয়েছে। সিদ্ধান্ত পাশ হতে ভোট করতেই হল, কারণ ডক্টর ক্রোল আর ডক্টর গুহ প্রথম থেকেই মুস্তাফির পক্ষে সওয়াল করে যাচ্ছিলেন। তবু কর্তব্য আগে। নিয়ম, অনুশাসন আগে। সেখানে ব্যক্তিগত সেন্টিমেন্টের কোনও মানে নেই। পৃথিবী আর সংস্থার জন্য যে ক্ষতিকর, তাকে চলে যেতেই হবে।

    তিনি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা হলেও।

    এই নিয়মাবলি ড. মুস্তাফির নিজের খসড়া করা। ভাগ্যের পরিহাসে নিজের নিয়মের ফাঁদে তিনি নিজেই ধরা পড়েছেন। অন্য কেউ হলে এই মিটিং-এর দরকারই পড়ত না। সরাসরি হত্যার আদেশ দিত সেন্ট্রাল কমিটি। আগেও দিয়েছে। এতক্ষণে মুস্তাফির দেহ শোভা পেত মাটির গভীরে রাখা ক্রায়োচেম্বারে। কিন্তু হাজার হোক ড. মুস্তাফি প্রায় একা হাতে এই সংস্থা গড়ে তুলেছেন। ভিনগ্রহ থেকে পৃথিবী দখল করতে আসা প্রাণীদের বিরুদ্ধে তিনিই প্রথম জেহাদ ঘোষণা করেছিলেন। তাই এই মিটিং।

    “কী ভাবছেন ড. ক্রোল? চিন্তা করবেন না। ঠান্ডা ঘরে খুব আরামেই থাকবেন ড. মুস্তাফি”, হাসি হাসি মুখে বললেন ড. মাধবন। মূলত তাঁর উদ্যোগেই মৃত্যুদণ্ডটা এত তাড়াতাড়ি হল।

    “কিন্তু তাতে কি কোনও সুরাহা হবে মাধবন? বিশেষ করে মুস্তাফির মতো একজন ইউএফও এক্সপার্টকে হারালে…”

    ক্রোলের কথা শেষ হতে দিলেন না মাধবন। হাত তুলে থামিয়ে বেশ রূঢ় গলাতেই বললেন, “সেটা আমিও অস্বীকার করছি না। কিন্তু সেই ড. মুস্তাফি আর আজকের মুস্তাফিতে আকাশপাতাল ফারাক। কুড়িটা বছর পেরিয়ে গেছে মাঝখানে। চেহারায় বোঝা না গেলেও আসলে ওঁর ভীমরতি ধরেছে। ওঁর ভুলেই আজ আমাদের বাহান্ন জন এজেন্ট মারা গেছে। পৃথিবীর সুরক্ষা বিপন্ন। কী জবাব দেবেন তাদের পরিবারকে? সবচেয়ে বড়ো কথা, কিছুদিন বাদে আমরা আদৌ বাঁচব কি না সেটা নিয়ে ভেবেছেন?” উত্তেজনায় মাধবনের মুখ লাল হয়ে গেল।

    “মুস্তাফিকে মরতেই হবে।”

    দুপুর দুটো ছয়, ড. মুস্তাফির চেম্বার

    মাথার দুপাশের দুটো রগ চেপে ধরে বসে আছেন ড. অরবিন্দ মুস্তাফি। এ.সি.এ.-র বর্তমান প্রধান। চোখের সামনে ফ্ল্যাশব্যাকের মতো ফুটে উঠছে গত কুড়ি বছরের নানা দৃশ্য। কে ভেবেছিল এক অনামী, অখ্যাত জায়গা থেকে উঠে আসা অরবিন্দ মুস্তাফি একদিন পৃথিবীর অন্যতম সেরা সংগঠনের প্রধান হবে! কুড়ি বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম সমস্যাটা শুরু হয়। পৃথিবীর আশেপাশের গ্রহ, বিশেষ করে মঙ্গলের পরিবেশ বদলাতে থাকে দ্রুত। খুব স্বাভাবিকভাবেই মঙ্গলবাসীরা প্রতিবেশী গ্রহ পৃথিবীতে অনুপ্রবেশ শুরু করে। গোপনে। একের পর এক ইউএফও নামতে থাকে পৃথিবীর জনমানবহীন প্রান্তরে। নেভাদায়, থরে, আন্টার্কটিকায়। সেখান থেকে তারা ছড়িয়ে পড়তে থাকে বিশ্বের নানা স্থানে। এর আগেও একবার এরা এসেছিল। সেবার দুটো ভুল করেছিল ওরা। এক, বড্ড তাড়াহুড়ো করে একবারে পৃথিবী দখলের চেষ্টা করেছিল, আর দুই, পৃথিবীর জীবাণুদের বিরুদ্ধে কোনওরকম সুরক্ষা নেবার কথা ভাবেনি।

    কিন্তু এবার তাদের প্ল্যান অনেক বেশি স্থির, নির্ভুল। যাকে ইংরাজিতে অ্যাডাপ্টেশান বলে, সেই ক্ষমতা এদের অসীম। নতুন পরিবেশে মানুষের মতো চেহারা ধারণ বা ভাষা শিখতে মাত্র কয়েকদিন লাগত তাদের। তারপরেই পৃথিবীর মানুষদের সঙ্গে মিলিত হয়ে এরা বংশবিস্তারের চেষ্টা চালাত। ঠিক এখানেই প্রকৃতি তাদের সহায় হত না। এই সংকর প্রাণীরা দেখতে কদাকার, বিকৃত। চেহারা দেখেই তাদের আলাদা করা যায়। ক্রমাগত এদের সংক্রমণ থেকে পৃথিবীকে বাঁচানোর যিনি উদ্যোগ নেন, তিনি ড. মুস্তাফি। তিনিই প্রথম সরকারকে এসিএ স্থাপনের পরামর্শ দেন। সংকর প্রাণীদের দেখামাত্র হত্যার প্রস্তাবও তিনিই দিয়েছিলেন। এই সংস্থার সব নিয়ম তাঁর নিজের গড়া।

    আজ তিনি জানেন কী পরিণতি অপেক্ষা করছে তাঁর সামনে। হয়তো পৃথিবীর সামনেও।

    দুপুর দুটো আট, ড. মাধবনের চেম্বার

    “আপনারা এত সেন্টিমেন্টাল কেন হচ্ছেন, সেটাই বুঝতে পারছি না। মানলাম ইউএফও এক্সপার্ট, মানলাম সংস্থার প্রধান, কিন্তু আজ অবধি কাজের কাজটা তেমন কী করেছেন বলতে পারেন?” উত্তেজিত গলায় বলছিলেন মাধবন।

    “সে তো আপনি বলবেনই”, গলায় শ্লেষ মিশিয়ে বললেন মুস্তাফির অ্যাসিস্ট্যান্ট ড. শিশির গুহ। “আপনার প্রেসিডেন্ট হবার পথের কাঁটা তো একজনই ছিলেন। মুস্তাফি। এ কথা কে না জানে!”

    “একদম বাজে কথা বলবেন না। আর মুস্তাফি নিজে কটা মঙ্গলবাসীকে ধরেছেন বলুন তো? একটাও না। সবসময় আমরা খবর পেয়ে গেছি আর গিয়ে দেখেছি ভাঙা ইউএফও-র টুকরোটাকরা পড়ে আছে। আমি নিজের হাতে দুটোকে ধরেছিলাম একবার। মানুষের মতোই দেখতে, মনে আছে আপনার?”

    “হ্যাঁ, আর এটাও মনে আছে ইনভেস্টিগেশনের নামে আপনি অত্যাচার করে তাদের মেরে ফেলেছিলেন। আপনার যে কোনও বিভাগীয় তদন্ত হয়নি, সেটা কিন্তু মুস্তাফি স্যারের জন্যেই।”

    “আমি তখনও বলেছি, এখনও বলছি, ওরা কীভাবে মারা গেল আমি জানি না। আগের দিন রাত অবধি একেবারে ঠিক ছিল। পরদিন এসে দেখি মরে পড়ে আছে। গোটা দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই, কিচ্ছু নেই…”

    “তারপরেও আপনি এই চেয়ারেই আছেন, ক্রায়োচেম্বারে ঢোকেননি, সেটা কার জন্য জানেন তো? ড. মুস্তাফির জন্য।”

    “আর যে ক্ষতিটা করে গেলেন? সেটা তো বলছেন না… বহুদিন ধরে মঙ্গলবাসীরা চেষ্টা চালাচ্ছে, যাতে ওদের জিনের মিউটেশান ঘটানো যায়। তাহলে আর সংকর সন্তান বিকৃত হবে না। ওরা ইচ্ছেমতো চারিয়ে বসবে গোটা পৃথিবীতে। আর সেই কাজে ওরা প্রায় সফল। শুধু তাই না, আমাদের ইন্টেলিজেন্সের কাছে এটাও খবর ছিল যে ওরা এমন একটা পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে, যাতে মঙ্গল থেকে পৃথিবী যাতায়াত করতে আর ইউএফও লাগবে না। কী ভয়ানক হবে বুঝতে পারছেন? এখন তাও আমাদের রাডার ওদের গতিবিধি ধরতে পারে, তখন তাও পারবে না।”

    “এই নতুন পদ্ধতিটা কী?”

    “সেটাই তো কেউ জানে না। তদন্তের প্রায় শেষ দশায় চলে এসেছিলাম। শুধু আপনাদের মুস্তাফির একটা ভুলে…”

    দুপুর দুটো দশ, ড. ক্রোলের চেম্বার

    গম্ভীর মুখে এসিএ-র গোপন রিপোর্টটা ওলটাচ্ছিলেন ড. ক্রোল। মোটা লাল ফাইলে দুশো পাতার রিপোর্ট। শেষে লেখা, “এসিএ-র গোপন কমিটি বাহান্ন জন সবচেয়ে দক্ষ কর্মীদের নিয়ে একটা সার্চ কমিটি তৈরি করে। এর প্রধান ছিলেন ড. মাধবন। এঁদের কাজ ছিল যে ল্যাবরেটরিতে মঙ্গলবাসীরা গোপনে মিউটেশান চালাচ্ছে, সেটা খুঁজে বার করা, আর জানা কীভাবে ইউএফও ছাড়া ওরা পৃথিবীতে আসার কথা ভাবছে। এই দলের নেতা ছিল জেরেমি সন্ডার্স নামে বছর তিরিশের এক ছোকরা। সব ঠিকঠাক চলছিল, শেষ খবরে সন্ডার্স জানায় সে খবর পেয়েছে কোথায় চলছে এই এক্সপেরিমেন্ট। তবে কাউকে জানায়নি। মাধবনকেও না। একদিন দলের বাহান্ন জনকে নিয়ে অতর্কিতে হানা দিয়েছিল সেই ল্যাবে। খুব সম্ভব যোগাযোগ করতে গেছিল হেড কোয়ার্টারে। কিন্তু পারেনি। কারণ হেড কোয়ার্টারে যোগাযোগের তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি সেদিনই বদলে দিয়েছিলেন ড. মুস্তাফি। সুরক্ষার জন্য এটা প্রায়ই করা হয়। কিন্তু করার আগে দেখে নিতে হয় কেউ কোনও মিশনে আছে কি না। একটা সামিট মিটিং করতে হয়। মুস্তাফি এসব কিচ্ছু না করে আচমকা ফ্রিকোয়েন্সি বদলে দেন। ফলে সন্ডার্সের দল আর যোগাযোগ করতে পারেনি।

    পরের দিন তাদের ছিন্নভিন্ন দেহগুলো পাওয়া যায় এসিএ-র সদর দপ্তরের সামনে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ড. মুস্তাফি জানিয়েছেন, নিয়ম থাকলেও এই সামান্য কারণে মিটিং ডাকার প্রয়োজন হবে তিনি ভাবেননি। এর আগেও তিনি এই কাজ করেছেন। এবার যে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটবে তা বুঝতে পারেননি। তিনি প্রধান হলেও মাধবন তাঁকে এই মিশনের ব্যাপারে অন্ধকারে রেখেছিলেন। আগে জানা থাকলে তিনি এই কাজ কখনোই করতেন না।

    মাথা নাড়লেন ক্রোল। আর কিচ্ছু করার নেই। নিয়ম নিয়মই। মুস্তাফিকে মরতেই হবে।

    দুপুর দুটো বারো, ড. মুস্তাফির চেম্বার

    ক্লান্ত নিঃশ্বাস ফেলে ঘড়ির দিকে তাকালেন ড. মুস্তাফি। দুটো বারো। তিনি বুঝে গেছেন তাঁর জন্য ভবিষ্যৎ কী নিয়ে অপেক্ষায় আছে। নিজের হাতে গড়া এসিএ-র ক্রায়োচেম্বারে বরফের চাঁই হয়ে শুয়ে থাকতে পারবেন না তিনি। এই অপমানের মৃত্যু তাঁর জন্য নয়। চিরটাকাল যা করেছেন, আজও তাই করবেন। নিজের ভাগ্য গড়ে নেবেন নিজের হাতে। পৃথিবী থেকে বিদায় তাঁর নিজের ইচ্ছেমতোই হবে। কোনও মাধবন সেটা ঠিক করে দেবে না।

    শেষটা বড্ড অপমানের হল। এমনটা হবে কখনও ভাবেননি মুস্তাফি। কী আর করা! সবকিছু তো আর নিজের হাতে থাকে না! চেম্বার খুলে ল্যাবে ঢুকলেন তিনি। অন্ধকার ল্যাব। জানলা খুলে দিতেই এক ঝলক রোদ্দুর ঝাঁপিয়ে পড়ল ভিতরে। তিরিশ তলার ওপর থেকে গোটা শহরকে পিঁপড়ের মতো খুদে লাগছে। গুটিগুটি পায়ে জানলার কাছে দাঁড়ালেন মুস্তাফি। জোর হাওয়া বইছে। একটা চেয়ার নিয়ে কার্নিশে উঠে দাঁড়ালেন। আর কোনও ভয় নেই, কোনও খেদ নেই। অনেক হয়েছে। আর মায়া বাড়িয়ে কী লাভ? তিনি জানেন তাঁর মধ্যে বিরাট একটা পরিবর্তন ঘটে গেছে। কার্নিশে দাঁড়িয়ে দুহাত পাখির মতো মেলে দিলেন তিনি। ঝাঁপ দিলেন। নিচে নামতে থাকলেন…

    …আর তারপরেই সোঁ করে উড়ে চললেন তাঁর নিজের গ্রহ মঙ্গলের উদ্দেশে।

    লেখকের জবানি: কল্পবিজ্ঞান নিয়ে লেখা খুব একটা হয়নি। এই গল্পের আইডিয়া মূলত একটা ছবি দেখে। উইল আইজনারের আঁকা সেই ছবিতে কোটপ্যান্ট পরা এক ভদ্রলোক উড়ে উড়ে ভিনগ্রহে যাচ্ছেন। ভিনগ্রহী মানেই যে বিকট কিছু, সেই ধারণা দূর হয়েছিল সেদিনই। গল্প লেখার সময় সেটাই মাথায় ছিল আর কি…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার
    Next Article সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    January 3, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }