Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প186 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ মেষ

    ঘরটা বেশ পরিষ্কার, ওম ওঠা, ভারী পর্দা টানা। দুটো টেবিল ল্যাম্পের একটা এধারে, অন্যটা ওধারে জ্বলছে। টেবিলের পাশে সাইডবোর্ডে দুটো লম্বাটে গেলাস। তাতে সোডা আর বরফকুচি ভরা।

    মেরি মালোরি তাঁর স্বামীর বাড়িতে আসার অপেক্ষা করছেন। মাঝে মাঝেই ঘাড় ঘুরিয়ে দেখছিলেন কটা বাজে। তবে উৎকণ্ঠায় নয়, উত্তেজনায়। তাঁর স্বামীর বাড়িতে পৌঁছাবার ক্ষণটি এগিয়ে আসছে যে! মিসেস মালোরির মুখে মৃদু হাসি। তাঁর আঙুলগুলো সেলাইতে ব্যস্ত। আর মাত্র তিন মাস— মা হতে চলেছেন মেরি। তাঁর নরম ঠোঁট, চোখের পাতা, গালের চকচকে ভাব, সবকিছুতেই যেন সেই আনন্দ ছড়িয়ে পড়ছে।

    পাঁচটা বাজতে দশ। রোজকার মতো আজও কাঁকুরে রাস্তায় গাড়ির টায়ারের আওয়াজ পেলেন মেরি। গাড়ির দরজা দড়াম করে বন্ধ হল। মৃদু পায়ের শব্দ আর দরজা খুলে ঘরে ঢুকলেন তিনি, যাঁর জন্য এত আয়োজন।

    “হ্যালো ডার্লিং”, মেরি বললেন।

    “হ্যালো”, উত্তর এল শুকনো গলায়।

    মেরি তাঁর স্বামীর কোটটা খুলে নিয়ে আলমারিতে গুছিয়ে রাখেন। টেবিলের ধারের সেই লম্বাটে গেলাস দুটোতে ড্রিংকস বানালেন। একটা স্বামীর হাতে ধরিয়ে অন্যটা নিজে নিয়ে চেয়ারে দোল খেতে লাগলেন মেরি। আজ তাঁর স্বামীকে কেমন যেন অচেনা লাগছে। অন্যমনস্ক। গম্ভীরও।

    “খুব ক্লান্ত লাগছে তোমার?”

    “হ্যাঁ। আমি সত্যিই খুব ক্লান্ত”, বলেই প্রায় এক চুমুকে গোটা পানীয়টা গলায় ঢেলে দিলেন তাঁর স্বামী। এমনটা তো ও কখনও করে না! মেরি শঙ্কিত হলেন।

    “দাঁড়াও, তোমাকে আর একটা ড্রিংক বানিয়ে দিই”, তাঁর সাধের চেয়ার থেকে প্রায় লাফিয়ে উঠে পড়লেন মেরি।

    “তুমি বসো। আমি বানাচ্ছি।”

    মেরি আড়চোখে খেয়াল করলেন এবার মদে সোডার পরিমাণ বড্ড কম। প্রায় নেই বললেই চলে। অদ্ভুত অস্বস্তিকর একটা মাপ।

    “আমি তোমার চপ্পলটা নিয়ে আসি।”

    “না।”

    “এটা একদম ঠিক না। তোমার মতো একজন সিনিয়র পুলিশ অফিসারকে এরা নিত্যদিন দৌড় করিয়ে মারে…”

    অন্যদিক থেকে কোনও উত্তর এল না। মেরি আবার মাথা নিচু করে সেলাই শুরু করলেন। গোটা ঘর নিস্তব্ধ। শুধু কাচের গায়ে বরফের টুকরো লেগে টুংটাং শব্দ হচ্ছে।

    “ডার্লিং, আমি বরং তোমার জন্য একটু চিজ বানিয়ে আনি। আসলে আজ বিষ্যুদবার তো, ভেবেছিলাম বাইরে খেতে যাব… তাই…”

    “দরকার নেই।”

    “না, মানে তুমি যদি খুব ক্লান্ত থাকো তবে বাদ দাও। ফ্রিজে প্রচুর মাংস আছে, চিজ আছে, আমরা নাহয় আজ ঘরেই কিছু বানিয়ে খেয়ে নেব”, বলে ঘাড় কাত করে মুচকি হাসলেন মেরি।

    অন্যদিক থেকে কোনও সাড়া এল না।

    “যাই হোক, একটু চিজ আর চটপটিভাজা তো নিয়ে আসি।”

    “দরকার নেই। বললাম তো।”

    “তাহলে আজ রাতে খাবেটা কী?” একটু আমতা আমতা করেই মেরি বললেন, “ভেড়ার মাংসের চপ? নাকি পর্ক বানাব? যা বলবে। সব মজুত আছে ফ্রিজে।”

    “কিচ্ছু লাগবে না। বাদ দাও।”

    “কিন্তু কিছু তো একটা খাবে? আচ্ছা তুমি বলো, আমি রেঁধে দিচ্ছি”, বলেই উঠে দাঁড়ালেন মেরি।

    “তুমি চুপ করে বসো। বসতে বলছি তো।” অদ্ভুত গলায় নির্দেশ এল।

    এবার কেমন একটা অজানা ভয় মেরিকে চেপে ধরতে লাগল।

    “যা বলছি তাই করো। বসো এই চেয়ারে”, তাঁর স্বামীর গলায় অদ্ভুত আদেশের সুর।

    বাধ্য মেয়ের মতো চেয়ারে বসে অবাক চোখে তাঁর স্বামীর দিকে তাকিয়ে রইলেন মেরি। তাঁর স্বামী মদের গেলাসটা আবার এক চুমুকে শেষ করে ভুরু কুঁচকে মেঝের দিকে তাকিয়ে।

    “শোনো, তোমাকে একটা কথা বলব।”

    “কী কথা?”

    মুখের প্রতিটা পেশি শক্ত। দৃষ্টি নিচে। মেরি খেয়াল করে দেখলেন তাঁর স্বামীর বাঁ চোখটা যেন একটু কাঁপছে।

    “হয়তো শুনে তুমি একটু আহত হবে, কিন্তু আমি ভেবে দেখলাম সোজা কথাটা সোজাভাবে বলে ফেলাই ভালো। পষ্ট কথায় কষ্ট নেই।”

    কথাটা বলতে বেশিক্ষণ লাগল না। চার মিনিট কি পাঁচ মিনিট বড়োজোর। মেরি পাথরের মূর্তির মতো স্থির হয়ে স্বামীর প্রতিটা কথা শুনছিলেন, কিন্তু একটা শব্দও তাঁর মাথায় ঢুকছিল না।

    “তবে হ্যাঁ, তোমায় ছেড়ে দিলেও তোমার দায়িত্ব অস্বীকার করছি না আমি। মাসে মাসে কিছু মাসোহারা পাঠাব, তাতে তোমার দিব্যি চলে যাবে। তুমি আবার এ নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করে অনর্থ বাধিয়ো না।”

    মেরির গোটাটাই একটা বাজে রসিকতা বলে মনে হচ্ছিল। নিশ্চয়ই তিনি স্বপ্ন দেখছেন। এখুনি জেগে উঠবেন। তড়াক করে চেয়ার ছেড়ে উঠে “আমি এখুনি খাবার বানিয়ে আনছি” বলে রান্নাঘরে ছুটলেন মেরি। এবার আর তাঁর স্বামী তাঁকে বাধা দিলেন না।

    রান্নাঘরে গিয়ে তাঁর মনে হল হাত পা যেন আর নিজের বশে নেই। মাথা ঘোরাচ্ছে। ভয়ানক বমি পাচ্ছে। তিনি কলের পুতুলের মতো স্যুইচ অন করলেন, বাতি জ্বালালেন, ডিপ ফ্রিজ খুললেন আর সেখান থেকে বার করে আনলেন ব্রাউন পেপারে মোড়া লম্বাটে একটা জিনিস— ঠান্ডায় জমে শক্ত হয়ে যাওয়া একটা ভেড়ার ঠ্যাং। ঠিক হ্যায়। আজ বরং ভেড়ার মাংসই রান্না হবে। তার আগে জলের ধারার নিচে রেখে এটাকে নরম করা দরকার। দুই হাতে গদার মতো সেই ঠ্যাংটা ধরে বসার ঘরে ঢুকলেন মেরি।

    “হা ভগবান! তোমায় বললাম না, আজ রাতে আমি এখানে খাব না। বেরোব এখুনি।” মেরির পায়ের শব্দ শুনে পিছন ফিরেই গর্জে উঠলেন তাঁর স্বামী।

    মেরি কোনও উত্তর দিলেন না। সোজা তাঁর স্বামীর পিছনে হেঁটে এসে একটুও না থেমে বিশাল সেই জমে যাওয়া ভেড়ার ঠ্যাংটা মাথার ওপরে তুলে সজোরে নামিয়ে আনলেন তাঁর স্বামীর খুলি বরাবর। লোহার ডান্ডা দিয়ে মারলেও আঘাত এতটা মারাত্মক হত না। খুব ধীরে ধীরে এক পা এক পা করে পিছিয়ে এলেন মেরি। মজার ব্যাপার, আঘাতের পরও চার পাঁচ সেকেন্ড দেহটা তেমনই খাড়া রইল। অল্প দুলল। তারপর সটান কার্পেটে লুটিয়ে পড়ল। নাকের সামনে হাত দিয়ে মেরি দেখলেন নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে।

    “যাক”, বিড়বিড় করে মেরি বললেন, “তাহলে আমি ওঁকে খুন করেই ফেললাম।”

    এবার খুব দ্রুত ভাবতে থাকলেন মেরি। পুলিশের বউ তিনি। এই খুনের শাস্তি যে কী, তা তাঁর থেকে ভালো কেউ জানে না। তাও তিনি মেনে নিতেন। কিন্তু যে সন্তান এখনও পৃথিবীর আলো দেখেনি তার জন্য তাঁকে বাঁচতে হবে। ঠান্ডা মাথায় ভেড়ার ঠ্যাংটা রান্নাঘরে নিয়ে গেলেন মেরি। জলে ধুয়ে, পাত্রে রেখে, সোজা পুরে দিলেন আভেনে। আভেনের নবটা উসকে দিতে ভুললেন না। হাত ধুয়ে সিঁড়ি বেয়ে বেডরুম। সেখানে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে যত্ন করে গালে পাউডার বোলালেন। ঠোঁটে লাগালেন রক্তলাল লিপস্টিক। হাসবার চেষ্টা করলেন। অদ্ভুত লাগল। আবার চেষ্টা করলেন।

    “হ্যালো স্যার”, জোর গলায় বলতে গিয়ে নিজের কানেই বেসুরো ঠেকল। আবার চেষ্টা করলেন।

    “আমাকে কিছু আলু দেবেন তো স্যাম। আর হ্যাঁ, এক প্যাকেট মটরশুঁটি।”

    এতক্ষণে ঠিকঠাক হয়েছে। হাসি আর গলার আওয়াজ। দুটোই একেবারে স্বাভাবিক। আরও বেশ কয়েকবার বলা মকশো করে নিলেন মেরি। তারপর সিঁড়ি বেয়ে নেমে, ওভারকোট চাপিয়ে, পিছনের দরজা, বাগান পেরিয়ে সোজা বড়ো রাস্তায়।

    তখনও ছটা বাজেনি। কিন্তু দোকানে দোকানে আলো জ্বলে উঠেছে।

    “হ্যালো স্যার”, একগাল হেসে বললেন তিনি।

    “আরে মিসেস মালোরি যে! কেমন আছেন বলুন।”

    “আমাকে কিছু আলু দেবেন তো স্যাম। আর হ্যাঁ, এক প্যাকেট মটরশুঁটি।”

    স্যাম পিছন ফিরে আলু আর মটরশুঁটি গোছাতে লাগল।

    “আর বলেন কেন, প্যাট্রিক আজ অফিস থেকে ফিরে বেজায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। বলছে বাইরে খেতে যাবে না। আমরা তো প্রতি বিষ্যুদবার বাইরে খেতে যাই। রাঁধতে গিয়ে দেখি ঘরে সব সবজি বাড়ন্ত।”

    “মাংস লাগবে মিসেস মালোনি?”

    “না না, ফ্রিজে মস্ত বড়ো একটা ভেড়ার ঠ্যাং আছে।”

    “ওহহ।”

    “আসলে ঠান্ডা মাংস আবার আমার তেমন পোষায় না, কিন্তু এখন আর উপায় কী? ওটাই রাঁধব। ঠিক আছে না?”

    “আরে হ্যাঁ হ্যাঁ। এই নিন বড়ো বড়ো চন্দ্রমুখী আলু দিয়েছি। মাংস হল, সবজি হল, আর শেষপাতের ডেজার্ট বাকি থাকে কেন? ডেজার্টে কী করছেন?”

    “আপনিই বলুন।”

    “একটা বড়ো দেখে চিজকেক নিয়ে যান। আপনার স্বামীর পছন্দই হবে।”

    “জব্বর আইডিয়া। চিজকেক প্যাট্রিকের দারুণ পছন্দ।”

    সব প্যাক হয়ে গেলে একমুখ হাসি ছড়িয়ে মেরি বললেন, “অনেক ধন্যবাদ স্যাম। গুড নাইট।”

    এবার একটু পা চালিয়ে বাড়ি ফিরলেন মিসেস মালোনি।

    হাজার হোক, তাঁর স্বামী সারাদিন খাটাখাটনির পর বাড়ি ফিরেছেন। তাঁকে তো রান্না করে খাওয়াতে হবে, নাকি! কিন্তু দরজা খুলেই যে দৃশ্য তিনি দেখবেন তা এতটাই অপ্রত্যাশিত যে ভাবলেও শিউরে উঠতে হয়। তবে তিনি তো কিছু দেখবেন বলে ভাবছেন না। তিনি শুধু তাঁর ক্ষুধার্ত স্বামীর জন্য সবজি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর চলনবলনও সেইরকমই হওয়া উচিত। নিজেকেই নিজে বলতে বলতে চললেন মেরি। পিছনের দরজা দিয়ে গুনগুন করে গাইতে গাইতে ঢুকেই হাঁক পাড়লেন, “প্যাট্রিক! তুমি কী করছ সোনা?” হাতের প্যাকেটটা টেবিলে রেখে এবার তিনি বসার ঘরে ঢুকলেন। সেখানে মেঝেতে মুখ থুবড়ে পড়ে আছেন তাঁর স্বামী। এতকালের ভালোবাসা। তিনি দৌড়ে গেলেন সেই দেহের কাছে। কেঁদে উঠলেন বুকফাটা আর্তনাদে। তারপর কোনওক্রমে ফোনের কাছে গিয়ে পুলিশ স্টেশনে ডায়াল করে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, “শিগগির! দয়া করে শিগগির আসুন। প্যাট্রিক মারা গেছে!”

    “কে বলছেন?”

    “মিসেস মালোনি, প্যাট্রিক মালোনির স্ত্রী।”

    “বলেন কী! প্যাট্রিক মারা গেছে!”

    “আজ্ঞে তাই তো মনে হচ্ছে”, ফোঁপাতে ফোঁপাতে বললেন মেরি, “মেঝের ওপর পড়ে আছে। দেখে মনে হচ্ছে দেহে প্রাণ নেই।”

    “এখুনি আসছি আমরা।”

    খানিকক্ষণের মধ্যেই গারি এসে হাহির। গাড়ি থেকে যে দুজন নেমে এলেন তাঁরা দুজনেই মেরির পূর্বপরিচিত। এঁরা প্যাট্রিকের সহকর্মী। মেরি ছুটে গিয়ে জ্যাক নুনানকে জাপটে ধরে হাউহাউ করে কাঁদতে লাগলেন। জ্যাক তাঁকে খুব যত্ন করে একটা চেয়ারে বসিয়ে দিলেন। অন্যজন, ওম্যালি, তখন মৃতদেহটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছিল।

    “ও কি সত্যিই মারা গেছে?” ডুকরে উঠলেন মেরি।

    “তাই তো মনে হচ্ছে। কী হয়েছিল বলুন তো?”

    খুব সংক্ষেপে মেরি তাঁর বিবৃতি দিলেন। কীভাবে সামান্য সময়ের জন্যে সবজি কিনে ফিরে এসেই তিনি এই দৃশ্য দেখলেন। এই ফাঁকে নুনান মৃতদেহের খুলিতে চাপ বাঁধা একদলা রক্ত দেখতে পেয়ে ওম্যালিকেও দেখালেন। এরপর একে একে নানাধরনের মানুষ আসতে শুরু করল। এক ডাক্তার, দুই গোয়েন্দা (যাদের একজনকে আবার মেরি আগে থেকে চেনেন), ফটোগ্রাফার, ফিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সপার্ট, সবাই মৃতদেহকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ফিসফিস করে কথা বলছিল। গোয়েন্দারা মেরিকে প্রচুর প্রশ্ন করলেও তাতে নম্রতার কমতি ছিল না। মেরি বললেন একদম শুরু থেকে। যখন উনি সেলাই করছিলেন। প্যাট্রিক এলেন। ক্লান্ত প্যাট্রিক বাইরে খেতে যেতে না চাওয়ায় মেরি ঘরেই রান্না করবেন বলে ঠিক করেন। সবজি না থাকায় তাঁকে দোকানে যেতে হয়।

    “কোন দোকান?”

    মেরির উত্তর শুনে গোয়েন্দা তাঁর সহকারীকে ফিসফিস করে কিছু বলতেই সে একছুটে বেরিয়ে গেল। প্রায় পনেরো মিনিট বাদে যখন ফিরল তখন তার হাতের কয়েক তাড়া কাগজে কীসব যেন নোট নেওয়া। মেরি তাঁর অবিশ্রান্ত ফোঁপানির মধ্যেও শুনতে পেলেন চাপা গলার আওয়াজ, “হ্যাঁ… একেবারে স্বাভাবিক ব্যবহার… বেশ খুশি খুশিই ছিলেন… রান্না করবেন বলছিলেন… মটরশুঁটি… চিজকেক… না, না, ওঁর পক্ষে অসম্ভব…”

    ডাক্তার চলে গেলে দুজন এসে প্যাট্রিকের লাশটা স্ট্রেচারে করে নিয়ে গেল। সবাই চলে গেলেও দুই পুলিশ আর গোয়েন্দা গেলেন না। নুনান অবশ্য বললেন দরকার হলে মেরি এই কদিন তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে পারেন। মেরি রাজি হলেন না।

    “আপনি বরং একটু বিশ্রাম নিন”, বলে তাঁরা গোটা বাড়ি তল্লাসি আরম্ভ করলেন। মাঝে নুনান এসে খবর দিলেন মেরির স্বামীর মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে, আর সেই আঘাতেই প্যাট্রিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা সেই মার্ডার ওয়েপনটা খুঁজছেন। তাঁদের বিশ্বাস আততায়ী সেটা নিয়ে পালিয়েছে অথবা আশেপাশেই কোথাও ফেলে রেখে গেছে।

    “সেই পুরোনো গল্প, বুঝলেন মিসেস মালোরি, মার্ডার ওয়েপনটা যদি একবার হাতে পাই, তবে খুন কে করেছে সেটা ধরা কোনও ব্যাপারই না।”

    পরে গোয়েন্দা দুজন তাঁকে বারবার জিজ্ঞেস করছিলেন বাড়িতে কোনও ভারী লোহার স্প্যানার বা ফুলদানি আছে কি না। মেরি জানালেন ফুলদানি নেই, তবে গ্যারাজে স্প্যানার থাকতেও পারে। অতএব খোঁজ চলল। মাঝে মাঝেই কাঁকুরে পথে বুটের আওয়াজ। জানলার কাচে টর্চের আলো। মেরি বুঝলেন তদন্ত চলছে জোরকদমে।

    রাত নটা। তখন সবাই বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। সার্জেন্ট নুনান রান্নাঘরে ঢুকেই চিৎকার করে বললেন, “আরে মিসেস মালোনি, আপনার আভেন তো অন করা, আর ভিতরে মাংসও দেখতে পাচ্ছি!”

    “ওঃ কী অবস্থা! আমি ভুলেই গেছিলাম ওটার কথা!”

    “আভেন বন্ধ করে দেব?”

    “অনেক ধন্যবাদ জ্যাক। তবে আমার একটা উপকার করবেন?”

    “বলুন। যদি সম্ভব হয়…”

    “আপনারা সবাই প্যাট্রিকের প্রিয় বন্ধু। আপনারাই খুঁজে বার করবেন কে আমার প্যাট্রিককে এভাবে খুন করল। কিন্তু এখন নটা বেজে গেছে। আপনাদের খিদেও পেয়েছে নিশ্চয়ই। আপনাদের না খাইয়ে রাখলে ওর আত্মা শান্তি পাবে না। ভেড়ার মাংসটা সদ্য রাঁধা। আপনারা কজন মিলে ওটা খেয়ে নিন না কেন!”

    “না না, ছি ছি, এমন অবস্থায় খাওয়া…”

    “প্লিজ জ্যাক। আমি আপনাকে অনুরোধ করছি। আমি নিজে আজ কিছুই খেতে পারব না। কিন্তু আপনারা না খেয়ে থাকলে আমি দুঃখ পাব। একটু খেয়ে নিয়ে আবার কাজ শুরু করুন। এটুকু অনুরোধ রাখুন আমার।”

    খানিক আমতা আমতা আমতা করে চারজনই রাজি হলেন। হাজার হোক, খিদেও পেয়েছে জব্বর। রান্নাঘরে বসে ওঁরা খাচ্ছিলেন আর আলোচনা করছিলেন। খোলা দরজা দিয়ে তাঁদের গলা মিসেস মালোরির কানে আসছিল।

    “আর একটু নাও চার্লি।”

    “এই, একেবারে শেষ করে ফেলো না।”

    “উনি শেষ করতেই বলেছেন। তাতেই নাকি উনি খুশি হবেন।”

    “দাও তবে আর-একটু।”

    “কী দিয়ে যে প্যাট্রিককে মারল সেটাই মাথায় আসছে না। খুলিটা ফেটে একেবারে চৌচির হয়ে গেছে।”

    “খুঁজে পাওয়া খুব একটা কঠিন হবে না। এ জিনিস তো আর কেউ হাতে নিয়ে ঘুরবে না”, বলে ঢেঁকুর তুলল একজন।

    “আমার মনে হয় এই বাড়িতেই কোথাও সেই মার্ডার ওয়েপনটা আছে। হয়তো আমাদের নাকের ঠিক তলাতেই। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি না। কী বলো জ্যাক?” মাংসের হাড়ে কামড় বসিয়ে বলল একজন।

    অন্য ঘরে মিসেস মালোনি নিজের অজান্তেই অদ্ভুত খিলখিলিয়ে হেসে উঠলেন।

    অনুবাদকের জবানি: রোয়াল ডাল-কে বিশ্বের সেরা গল্পকথক বলে মনে করেন অনেকে। কিশোরদের জন্য মাতিল্ডা, চার্লি অ্যান্ড দি চকোলেট ফ্যাক্টরি সহ দারুণ দারুণ সব বই লিখেছেন। তবে বড়োদের গল্পের মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় Lamb to the Slaughter। হিচকক নিজে এই কাহিনির টেলি চিত্রায়ন করেছিলেন। তাই এই কাহিনি অনুবাদের লোভ সামলানো মুশকিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার
    Next Article সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    January 3, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }