Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প186 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্ন্যাপচ্যাট

    ডাকবাক্সটায় ধুলো পড়েছে অনেকদিন হল। আজকাল আর খোলাই হয় না। তবু সেদিন অফিস ফেরতা কী একটা উঁকি মারতে দেখে বাক্সের জং ধরা ছিটকানিটা খুলেই ফেলল অর্ণব। আর খুলতেই চিঠিটা বেরিয়ে এল। গোলাপি খামের চিঠি। উপরে লাল লাল গোলাপের ছবি আঁকা। এককালে আর্চিস কোম্পানি এইরকম খাম বেচত। এই খামে কে চিঠি দেবে ওকে? উপরে ওর নাম ঠিকানা লেখা। হাতে নিয়ে বুঝল ওজনদার বেশ।

    সুজাতা লিখেছে? কিন্তু ওপরের হাতের লেখা সুজাতার না। আর যাবার আগে সুজাতা যা লিখে গেছিল, তাতে ও আবার ফিরে আসবে, সে সম্ভাবনা কম। কে জানে কোথায়, কার সঙ্গে, কী নাম ভাঁড়িয়ে নতুন সংসার পেতেছে! শুধু যাবার আগে সর্বস্বান্ত করে দিয়ে গেছে অর্ণবকে।

    দরজা খুলে ঘরে ঢুকে পাখা চালিয়ে দিল অর্ণব। সারাদিনের জমাট গরম হাওয়া নেমে আসছে নিচে। মোবাইলে হোয়াটসঅ্যাপে প্রায় গোটা পঞ্চাশ মেসেজ। সেদিনের প্রেস কনফারেন্সটার পর প্রচুর লোকে জানতে চাইছে। হতে পারে উদ্বেগ। তবে গসিপটাই আসল বোধহয়। অর্ণবের কপাল বেয়ে দরদর করে ঘামের ফোঁটা নামতে থাকে। জামা প্যান্ট খুলে বারমুডা পরে খাটের ওপর বসে চিঠিটা খুলল সে। জেরক্সের সস্তা সাদা এ-ফোর পাতায় ডটপেনে লেখা চিঠি। বেশ কয়েকপাতা জোড়া। হাতের লেখা দেখে বোঝাই যাচ্ছে খামের ঠিকানাটাও এই হাতেই লেখা। চিঠিটা এইরকম—

    মাননীয় শ্রী অর্ণব দাশগুপ্ত,

    হরিপুর, অশোকনগর।

    পিন— ৭৪৩২২২

    “মাননীয় অর্ণববাবু,

    আপনি আমাকে চিনবেন না। আর এখন যা পরিস্থিতি, তাতে আমার নিজের নাম বলাও সমীচীন বোধ করছি না। আপনি পুলিশকে আমার নাম বলে দেবেন। আমার পুলিশে বড্ড ভয়। এই চিঠি আমি হয়তো কোনও দিনও লিখতাম না। কিন্তু সেদিন স্টার আনন্দে আপনাকে দেখলাম। আপনার সাক্ষাৎকার দেখলাম। সাংবাদিকের সামনে অবলীলায় আপনি আমায় চোর বলে দিলেন মশাই! এতদিন তো বেশ চুপচাপ ছিলেন। আজ কার অনূপ্রেরণায় আপনি খামখা এতগুলো সাংবাদিকের সামনে, দেশের সামনে আমাকে মিথ্যে অপবাদ দিলেন? আমি চোর না অর্ণববাবু। আমি আবার বলছি, আমি চোর না। জানি সুজাতা আপনার জমানো সব টাকা নিয়ে ছয় মাস আগে আমার সঙ্গে পালিয়েছিল। আপনার পকেট এখন প্রায় গড়ের মাঠ। কিন্তু সেজন্য আমি দায়ী নই। আসল ঘটনা না জেনে জনসমক্ষে আমাকে চোর বললে তো আমায় প্রতিবাদ করতেই হবে। আপনার জানা উচিত ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল।

    আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন, যে আপনার স্ত্রী অতি মুখরা একটি মহিলা। সারাদিন বকবক বকবক করেই যাচ্ছে। কোনও কিছুতেই ক্ষান্তি নেই। কিন্তু মজার ব্যাপার কী জানেন, ওর এই কথা শুনেই ওর প্রেমে পড়েছিলাম। আসলে পরের বউ হলে যা হয় আর কি! আর দেখতে শুনতেও… বলতে কী নিতান্ত মন্দ নয় আপনার স্ত্রী। বছর দেড়েক আগের কথা। তখন সদ্য সদ্য সুকন্যার সঙ্গে আমার সম্পর্কটা শেষ হয়েছে। আমি বুঝে গেছিলাম ও আর কোনও দিন আমার জীবনে ফিরে আসবে না। তাই সঙ্গী খুঁজতে স্ন্যাপচ্যাটে একটা অ্যাকাউন্ট খুলেছিলাম। বেকার ছেলে। ফ্রি জিও। দেখতে শুনতে মন্দ নই। একদিন আচমকা একটা রিকোয়েস্ট এল। সুইট সুজি। তখনও আমি ভাবতাম, ওখানে যেসব মহিলার রিকোয়েস্ট আসে, তারা সব ফেক আইডি। এটাও সেরকমই কিছু একটা। প্রথমদিকে পাত্তা দিইনি জানেন। কিন্তু আপনি তো সুজাতাকে চেনেন। যদি একবার কোনও কিছু মাথায় ঢোকে, তবে সেটা পেয়েই ছাড়বে। প্রথমে বিরক্ত হতাম। তারপর ভালো লাগতে শুরু করল। দিনে চার ঘণ্টা, পাঁচ ঘণ্টা টানা কথা হত। তবে হ্যাঁ, এটুকু বলি, এর জন্য ওকে পুরোপুরি দোষ দেওয়া যায় না। আপনার অফিসের যা চাপ! আপনি সময় দিতেন না বলেই বেচারি স্ন্যাপচ্যাটে অ্যাকাউন্ট খুলেছিল। প্রথম প্রথম টাইপ করে চ্যাট, তারপর ভয়েস চ্যাট। সেখানে ওর গলা শুনে প্রথমবারই প্রেমে পড়েছিলাম, জানেন। কী মিষ্টি গলা, আর কী দারুণ কথা বলতে পারে! দারুণ গানও জানে। অনেক রাতে আপনি যখন ওর পাশে ঘুমিয়ে পড়েছেন, ও তখন ফিসফিস করে আমায় গান শোনাত। আমার খুড়তুতো দিদির মতো। দিদি আমার চেয়ে পাঁচ বছরের বড়ো ছিল। আমরা রাতে একসঙ্গে শুতাম। আমার যখন তেরো, একদিন রাতে দেখি ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসছে। দিদি আমার মুখটা নিয়ে চেপে ধরেছে ওর নরম বুকে। ও বুকে “রোজ সেন্ট” মাখত। তার সঙ্গে ঘামের গন্ধ মিশে অদ্ভুত এক গন্ধ আমায় আচ্ছন্ন করে রেখেছিল। তারপর কী হয়েছিল ঠিক মনে নেই। কদিন বাদে কেমন করে যেন কাকিমা জেনে গেছিল। কাকা আমাকে খুব মেরেছিল। দিদিকেও। দিদির বিয়ে ঠিক করে দিয়েছিল।

    ধুসস, এসব কথা আপনাকে কেন বলছি? আপনাকে বরং সুজাতার কথা বলি। সুজাতা বলত আর আমি শুধু শুনে যেতাম। ও বলত আপনি ওকে একদম সময় দেন না, ঘুরতে নিয়ে যান না, বাড়িতে এসে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েন, বিছানার কোলবালিশটাও আপনার চেয়ে গরম… এইসব আগডুম বাগডুম কথা। আমি ওর কথায় বিশ্বাস করতাম। নিজের মতো যতটা পারি প্রবোধ দিতাম। ভয়েস চ্যাটে আমাদের আলোচনা ধীরে ধীরে উত্তাপ ছড়াতে লাগল। তারপর একদিন ভিডিও চ্যাটে ও আমাকে নিজের সব কিছু খুলে দেখাল। কিছু মনে করবেন না, বিয়ের তিন বছর পরেও কোনও মহিলার এত আঁটসাঁট শরীর আমি আগে দেখিনি। দেখেই বোঝা যায়, খুব বেশি ব্যবহার হয়নি। আমি আর কী করি! নিজেকে ওর সামনে মেলে দিলাম। মানে সুজাতার অনুরোধেই। আর তা দেখে ও আপনাকে নিয়ে যা যা বলেছিল, সেসব বলে আর লজ্জায় ফেলতে চাই না। এভাবেই সব চলছিল। ভার্চুয়াল। কথাও ছিল কোনও দিন দেখা করব না। কিন্তু ওই যে বলে না, উপায় থাকলে ইচ্ছে হয়। এমন কপাল, ঠিক সেই সময় অফিসের কী একটা কাজে আপনি এক সপ্তাহের জন্য পাটনা গেলেন।

    সুজাতাও আমাকে আপনার হরিপুরের বাড়িতে ডেকে নিল। আপনার বাড়িটা বেশ ভালো। একটেরে। আশেপাশে প্রতিবেশীদের ঝামেলা নেই। কে এল, কে গেল, কিচ্ছু বোঝা যায় না। সন্ধ্যার পর ঢুকতাম, ভোর ভোর বেরিয়ে আসতাম। সারারাত আপনার বিশাল ডবলবেড খাটে, সেই হলুদের উপর লাল গোলাপফুল আঁকা বেডকভারে শুয়ে আমরা কী কী করেছি আপনি ভাবতেও পারবেন না। এটা বলতে পারি, সুজাতাকে সন্তুষ্ট করা মুশকিল। আপনার অপারগতা আমি বুঝি। তবে হ্যাঁ, ওই কটা দিন সুজাতা দারুণ খুশি ছিল। ওকে এত খুশি আমি আগে দেখিনি। ফিরে এসে আপনিও নাকি অবাক হয়ে গেছিলেন ওর খুশি দেখে! সত্যি মিথ্যা জানি না মশাই, ও আমাকে বলেছিল। আর যদি সেটা হয় তাহলে তো আমার একটা বড়ো “থ্যাঙ্কু” প্রাপ্য। আর তার বদলে আমাকে আপনি চোর বদনাম দিলেন!!

    আপনার অফিসে কাজ বাড়তে লাগল আর আমাদের দেখা হওয়াও। মাঝে মাঝেই ও শপিং-এর নাম করে চলে আসত বারাসাতে। সোজা গিয়ে ঢুকতাম সিনেমা হলে। কোনও নামী সিনেমা হল না। এই আইনক্সের বাজারে যে কটা ঝড়তিপড়তি হল আছে, তাদের একটায়। ওখানে বক্স নামে অদ্ভুত একটা জিনিস আছে। প্লাইউডের পার্টিশন দিয়ে ছোটো ছোটো ঘরের মতো। ভিতরে সবাই দুজন দুজন বসে। কী সিনেমা চলছে, কে খবর রাখে! কিন্তু এটা আমার পছন্দের ছিল না। এসব সিনেমা হলে নাকি পুলিশের রেইড হয়, আর আপনি তো জানেন, আমি পুলিশে কত ভয় পাই।

    সমস্যা এল অন্য জায়গা থেকে। সুজাতার মাথায় পোকা নড়ল। একদিন বলল সত্যিই এভাবে লুকিয়ে লুকিয়ে প্রেম করা যায় না। ও নাকি পালিয়ে যাবে। তাও আবার আমার সঙ্গে! আমার তো মাথায় বাজ। এই মহিলা বলে কী! আমি এমনিতেই কাঠবেকার। খাব কী আর খাওয়াব কী? কিন্তু আপনার ওই জেদি বউ আমার একটা কথা শুনলে তো… বলল টাকাপয়সা নাকি কোনও সমস্যাই না। সব ব্যবস্থা হয়ে যাবে। আপনি নাকি ওকে দারুণ বিশ্বাস করেন। আপনাদের সেভিংস অ্যাকাউন্টটাও নাকি জয়েন্ট ইত্যাদি প্রভৃতি। কিন্তু আমাদের দরকার ছিল আরও টাকা। ও আপনাকে বোঝাল ব্যবসা করবে। শাড়ির। নাম দেবে “সুজাতার সম্ভার”( এখানে বলে রাখি, এই নামটা কিন্তু আমার ঠিক করা)। আপনিও অফিস থেকে লোন নিলেন। পঞ্চাশ লাখ টাকার। নতুন অফিস হবে। শো-রুম হবে। তাই বাড়ি খোঁজার একটা নাটকও হয়েছিল বোধহয়। আপনিও কাজ ফেলে দুদিন গেছিলেন, যতদূর জানি। কিন্তু এখানে আবার জানিয়ে রাখি, এর একটাও কিন্তু আমার প্ল্যান না। তলে তলে নিউ ব্যারাকপুরের কাছে একটা বাড়ি কেনার চক্রান্ত চলছিল, সেটা আপনি জানতেন না। আমি জানতাম। লোকাল নেতাদের টাকা খাইয়ে কম দামে আমিই বাড়িটার ব্যবস্থা করেছিলাম। আজকাল এমন বাড়ি পাওয়া মুশকিল। সামনে অনেকটা জায়গা ফাঁকা। ঘাসের সবুজ লন। যেন মখমলের কার্পেট। দেখেই ঠিক করেছিলাম বাগান করব। আমার বাগানের খুব শখ। সেই ছোটোবেলা থেকে। গোলাপ বাগান। লাল গোলাপ। একটা লাল গোলাপ গাছ ছিল আমার। ছোটো ছোটো লাল লাল গোলাপফুলে গোটা গাছ ঢাকা। রোজ জল দিতাম। মাঝে মাঝে গোবর সার দিতাম। খোল পচা দিতাম। নাম রেখেছিলাম “লালমোহন।” ফেলুদার গল্পের মতন। যেদিন খুড়তুতো দিদির বিয়ে হল, ওরা লালমোহনকে কেটে ফেলল। কত কাঁদলাম। কেউ শুনল না। রেগে গিয়ে দিদির বাসরঘরের জানলা দিয়ে খাটে জ্বলন্ত মোমবাতি ফেলে দিয়েছিলাম। পুলিশ এসেছিল। সবাইকে জিজ্ঞাসা করল। আমাকেও। কাকা বলল, “ও-ই করেছে।” পুলিশ কাকার বন্ধু। আমাকে দোতলার ঘরে নিয়ে গিয়ে ল্যাংটো করে মারল। রুল দিয়ে। চারদিন উঠে বসতে পারিনি।

    যাক গে সেসব কথা, সেই বাড়ি দেখে তো বাগান করব ঠিক করলাম। সুজাতাকে বললাম। কোনও উৎসাহ দেখাল না মাইরি! কেমন বউ আপনার? ফুল ভালোবাসে না। ফুল আর শিশু যারা ভালোবাসে না, তারা বড্ড নিষ্ঠুর হয়। মানুষ খুন করতে পারে। আমার মন দমে গেল। কিন্তু তখন দেরি হয়ে গেছে। আর নতুন করে ভাবার আর সময় নেই। আমরা পালালাম। পালিয়ে প্রথম দুইমাস নাম ভাঁড়িয়ে কোথায় ছিলাম বলব না। আপনি তাহলে আমায় চিনে ফেলবেন। আমার পিছনে পুলিশ লাগাবেন। আমার পুলিশে বড্ড ভয়। যাবার আগে সুজাতা আপনাকে একটা চিঠি লিখে গেছিল। তাতে আপনাকে যৌন অক্ষম বলে যা যা লেখা ছিল, কোনও পুরুষমানুষ চাইবে না সে চিঠি অন্যের হাতে যাক। আমি জানি, পুরুষমানুষ সব সহ্য করতে পারে, কিন্তু তাকে কেউ নপুংসক বলে গালি দেবে সেটা সহ্য করতে পারে না। আমি এটাও জানতাম ওই চিঠি কোনও দিন দিনের আলো দেখবে না। চিঠির বয়ান আমারই। যদিও লিখেছিল সুজাতা। আপনি এই নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করেননি। পুলিশকে জানাননি। ঠিক করেছেন। বউ পালিয়েছে এটা কি ঢাকঢোল পিটিয়ে বলার মতো খবর?

    সব ঠান্ডা হতে আমরা নিউ ব্যারাকপুরের ওই বাড়িতে থাকা শুরু করলাম। পালাবার আগেই গোলাপের চারা লাগিয়েছিলাম। সেগুলো বেশ বড়ো হয়ে লাল লাল ফুল দিত। কী সুন্দর গন্ধ! আমার খুড়তুতো দিদির বুকের গন্ধের মতো। কেন জানি না, সুজাতা বদলাতে থাকল। দিনরাত খিটখিট করত। মাথা গরম করত। ঝগড়া করত। ঠিক যেমনটা সুকন্যা করত বলে আমার সঙ্গে ব্রেক আপ হয়েছিল। আমি বারবার সুজাতাকে বলতাম ফুলে হাত না দিতে। গাছে হাত না দিতে। ও শুনত না। গাছ থেকে ফুল ছিঁড়ে ছিঁড়ে খোঁপায় লাগাতে চাইত। দু-একবার ঝগড়া করেছি। কিছু বললেই শুরু হত সেই বকবক বকবক। মাথার পোকা নড়ে যায়। শুরু হলে থামতেই চাইত না। ভয় দেখাত। বলত আমায় নাকি ফাঁসিয়ে দেবে। পুলিশে সব জানিয়ে দেবে। আমিও কেঁচো হয়ে যেতাম। আমার ওপর ওর টান শেষ হয়ে গেছিল। আপনার থেকে চুষে নেওয়া টাকাও তখন প্রায় শেষ। এমন সময় কী এক চাকরি নিল কে জানে। দেখলাম বাড়িতে অন্য পুরুষ ঢুকছে। ওদের কাউকে আমি চিনি না। ওরা ঢুকলে আমি বাগানে বেরিয়ে আসতাম। গোলাপ গাছে জল দিতাম। খোল পচিয়ে দিতাম। চা-পাতা ধোয়া জল দিতাম। আমি বেরিয়ে এলেই দরজা বন্ধ হয়ে যেত। রাতে আমরা আলাদা শুতাম। আলাদা ঘরে।

    গত মাসের কুড়ি তারিখ বাড়াবাড়ির চূড়ান্ত হল। আমি এক প্যাকেট বিড়ি কিনতে স্টেশনে গেছি। একটু এদিক ওদিক ঘুরে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরেছি। গেটের ভিতরে পা দিতেই চমকে উঠলাম। আমার সব গোলাপ গাছ ফাঁকা। একটাও ফুল নেই। ঘরে ঢুকে দেখি আপনার বউ সুজাতা নিউ মার্কেট থেকে বড়ো বড়ো পিতলের ফুলদানি কিনে এনেছে। তাতে লম্বা লম্বা ডাঁটির সব গোলাপফুল কেটে কেটে সাজাচ্ছে। কিছু ফুল ওর পায়ের চাপে চটকে গেছে। অদ্ভুত এক লালচে তরল মেঝেতে দাগ তৈরি করেছে। আমি হতভম্বের মতো তাকিয়ে রইলাম। মুখ ভেটকে সুজাতা বলল, “এত ওভাররিঅ্যাক্ট করার কিছু নেই। কাল আমার বস মিঃ গুপ্ত আসবেন। বিশাল বড়োলোক। ঘরটা সাজিয়ে রাখতে হবে তো! আর শোনো কাল দুপুর দুপুর কোথাও বেড়িয়ে এসো। রাতের আগে এসো না।” আমার মাথা কাজ করছিল না। আমার চোখের সামনে লাল লাল চটকানো কিছু মৃতদেহ। আমার সন্তানদের মৃতদেহ। চোখের সামনে গোটা পৃথিবী দুলে উঠল।

    আমি সেই রাতেই ওই বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছি। আমার সন্তানদের মৃতদেহের মাঝে এক মুহূর্ত কাটানো আমার পক্ষে অসম্ভব। আশা করি সত্যিটা আপনি এতদিনে জানলেন। যদি আপনি ভদ্রলোক হন, তবে দয়া করে আর-একটি প্রেস কনফারেন্স করে এই মিথ্যে চুরির দায় থেকে আমাকে মুক্তি দিন।

    আপনার মঙ্গল হোক।

    ইতি

    আপনার অপরিচিত এক হতভাগ্য।

    পুনঃ- আমি যে সত্যিই চোর না তার প্রমাণ আমি দিতে পারি। আপনার যতটুকু টাকা অবশিষ্ট আছে, সব একটা গোলাপ কাঠের বাক্সে পুরে রেখেছি। বাক্সটা আপনিই সুজাতাকে বিবাহবার্ষিকীতে উপহার দিয়েছিলেন। বাড়ির সামনে বাগানের পাশের মাটিটা খুঁড়লে সুজাতার সঙ্গে ওই বাক্সটাও পাবেন।

    একটু খেয়াল রাখবেন এই খোঁড়াখুঁড়ি করতে গিয়ে আমার গাছগুলোর যেন কোনও ক্ষতি না হয়। ওরা আমার সন্তানসম।

    ভালো থাকবেন। আমিও ভালো আছি। মাসখানেক হল স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে এক বিধবা মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি। মহিলা দারুণ সুন্দরী। সবই ভালো, কিন্তু সুকন্যা আর সুজাতার মতো এও বড্ড বেশি বকবক করে।

    লেখকের জবানি: ফেসবুকে কিছুদিন আগে একটা খবর দেখেছিলাম। এক বিবাহিত মহিলা ফেসবুক ফ্রেন্ডের জন্য স্বামীকে ত্যাগ করেছেন। স্বামীর বক্তব্য দোষটা সেই প্রেমিকের। সে নাকি টাকার জন্য তাঁর স্ত্রীকে ফুসলিয়েছে। তখনই মনে হয়েছিল ব্যাপারটা তো এমন নাও হতে পারে। ধরি মহিলা স্বেচ্ছায় ঘর ছাড়লেন। এবার তাঁদের কী হল? এইসব ভাবতে ভাবতে আচমকা এই প্লটটা মাথায় এল। লিখে ফেললাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার
    Next Article সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    January 3, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }