Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আওরঙ্গজেব : ব্যক্তি ও কল্পকথা – অড্রি ট্রুসকে

    লেখক এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আওরঙ্গজেবের উত্তরাধিকার

    আওরঙ্গজেবের পর

    স্রষ্টা ছাড়া আর কারো নেই ভবিষ্যতের জ্ঞান;
    যদি কেউ বলে সে তা জানে, তবে তাকে বিশ্বাস করো না!
    –বাবা মুসাফির (মৃত্যু ১৭১৪) নকশবন্দিয়া সুফি দরবেশ, আওরঙ্গজেবের ছেলেদের মধ্যকার উত্তরাধিকার লড়াই নিয়ে মন্তব্য

    আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর কয়েক দশকের মধ্যে মোগল সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ে । আওরঙ্গজেব-পরবর্তী সময়ে মোগলদের পতন যত দ্রুত বা সামগ্রিক হয়েছিল বলে যে ধারণা দেওয়া হয়ে থাকে, সাম্প্রতিক সময়ের গবেষণাগুলোতে দেখা যাচ্ছে, বিষয়টি মোটেই তেমন ছিল না। তবে এমনকি অতি সূক্ষ্ম তারতম্যকে অনুমোদন করা হলেও বলতে হবে, আওরঙ্গজেবের পর মোগল সাম্রাজ্যের ক্রমাগত পতন বেশ অবাক করা ।

    সম্রাটের তিন জীবিত ছেলে একে অপরের বিরুদ্ধে উত্তারাধিকার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন। দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে তার দ্বিতীয় ছেলে মোয়াজ্জেম যুদ্ধে অপর দু’জনকে- আযম ও কাম বখশ- হত্যা করেন। তিনি বাহাদুর শাহ নাম ধারণ করে মোগল সিংহাসনে আরোহণ করেন। আপাত দৃষ্টিতে সবকিছুই স্বাভাবিক বলে মনে হতে থাকে। উত্তরাধিকার লড়াই ছিল প্রত্যাশিত এবং তা সাধারণত মোগল শক্তিকে নতুন করে উজ্জীবিত করত। কিন্তু এবার এই পরবর্তী ধাপে তা না হয়ে বরং মোগল সাম্রাজ্যে গভীরভাবে শিকড় গেড়ে থাকা সমস্যাগুলো বিপর্যয় সৃষ্টি করে ।

    আওরঙ্গজেবের কাছ থেকে মোগল রাষ্ট্রের অখণ্ডতার প্রতি চলমান অনেক হুমকি উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করেছিলেন বাহাদুর শাহ। উত্তরে জাট ও শিখেরা সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, দক্ষিণে মারাঠারা ফুঁসছিল, অকার্যকর করের ফলে কোষাগার ফাঁকা হয়ে পড়ছিল, রাজপুতেরা বিদ্রোহ করছিল। বাহাদুর শাহের সিংহাসনে আরোহণের পর এসব সমস্যার আরো অবনতি ঘটে। কারণ মোগল কর্তৃত্বের প্রতি নতুন করে চ্যালেঞ্জ জানাতে অনেকেই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছিল। কিন্তু বাহাদুর শাহ তার বাবার মতো ছিলেন না। তিনি মোগল সার্বভৌমত্বের বিরোধিতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন ।

    উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মারওয়ারের রাঠোর রাজপুত পরিবার (তারা ৩০ বছর আগে আওরঙ্গজেবের সময় ব্যর্থ বিদ্রোহ করেছিল) আবারো চেষ্টা করে মোগল নিয়ন্ত্রণ ছুঁড়ে ফেলে দিতে। রাঠোরের শাসক অজিত সিং যোধপুর থেকে মোগল বাহিনীতে বিতাড়িত করেন, এমনকি নগরীতে রাজকীয় দখলদারিত্বের সময় নির্মাণ করা মসজিদগুলো পর্যন্ত ধ্বংস করেন। বাহাদুর শাহ যোধপুর পুনর্দখল করেন। কিন্তু অজিত সিং অল্প সময়ের মধ্যেই মারওয়ারের জন্য বর্ধিত স্বাধীনতা লাভ করেন। এর অন্যতম কারণ ছিল বাহাদুর শাহ তখন পাঞ্জাবে শিখ-নেতৃত্বাধীন একটি বিদ্রোহের দিকে মনোযোগ সরিয়ে নিয়েছিলেন। এটিও ছিল আওরঙ্গজেবের আমল থেকে রয়ে যাওয়া আরেকটি অস্থিরতা।

    বাহাদুর শাহ মারা যান ১৭১২ সালে, তার বাবার মৃত্যুর মাত্র পাঁচ বছর পর। এরপর মোগল সাম্রাজ্য দ্রুত গতিতে ভেঙে পড়ে। ১৭১২ থেকে ১৭১৯ সাল পর্যন্ত সাত বছরে অল্প ব্যবধানে উত্তরসূরি হিসেবে শাসন করেছিলেন চারজন। আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর ১৩ বছরের মধ্যে পাঁচজন বাদশাহ মোগল সিংহাসনে বসেছিলেন, অথচ আগের ১৫০ বছরে রাজত্ব করেছিলেন মাত্র চারজন। বস্তুত, এ ধরনের অস্থিতিশীলতার কারণে মোগল রাজপরিবার অভিজাতদের ওপর থেকে কর্তৃত্ব হারিয়ে ধারাবাহিক কর আদায়সহ রাষ্ট্র পরিচালনার স্বাভাবিক কার্যক্রম পর্যন্ত চালাতে পারছিল না। রাজকীয় প্রশাসনে দুর্নীতি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়, অনেক এলাকা মোগল রাষ্ট্র থেকে আলাদা হয়ে পড়ে ।

    —

    ইরানি যুদ্ধবাজ নেতা নাদির শাহ ১৭৩৯ সালে দিল্লি লুণ্ঠন করেন, মোগল গর্ব হিসেবে টিকে থাকা সবকিছু পদদলিত করেন। নাদির শাহ মোগল সম্রাট মোহাম্মদ শাহকে পণবন্দী করে রাখেন, আর তার সৈন্যরা দিল্লিবাসীর ওপর গণহত্যা চালায়, এর বিপুল সম্পদরাশির কোষাগার লুণ্ঠন করে। দুই মাস পর নাদির শাহ ইরান ফিরে যাওয়ার সময় সাথে করে ময়ূর সিংহাসন ও কোহিনূর হীরাসহ মোগল সার্বভৌমত্বের মহামূল্যবান প্রতাঁকের অনেক কিছু নিয়ে যান। হামলার অল্প সময় পর চিত্রিত নাদির শাহের একটি ছবিতে তাকে ভারী অলংকার, আক্ষরিকভাবেই লুণ্ঠিত মোগল সম্পদে সজ্জিত অবস্থায় দেখা যায় । নাদির শাহের হামলার পর মোগল সাম্রাজ্য সত্যিকার অর্থে আর আগের অবস্থায় ফিরতে পারেনি। ওই সময়ের এক মুসলিম বুদ্ধিজীবী বিষয়টিকে বলেছেন এভাবে : ‘দিল্লির সালতানাত হয়ে পড়েছেন শিশুর খেলনা ।’

    ঊনিশ শতকের মধ্যভাগ নাগাদ মোগল সাম্রাজ্য নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল। তারপর ১৮৫৮ সালে সিপাহি বিদ্রোহের পর ব্রিটিশরা একটি আদালত কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের পতন ঘোষণা করে। তবে ওই পর্যায় পর্যন্ত ‘সাম্রাজ্য’ ছিল কেবল নামে। ১৭৫০-এর দশকের শেষ দিক থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভূমির মালিকানা, সেনাবাহিনী ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতাসহ সত্যিকারের সার্বভৌমত্বের প্রায় সব বিষয় করায়ত্ত করে ইতোমধ্যেই ক্ষয়ে পড়া মোগল সাম্রাজ্য আরো নিঃশেষ করে ফেলেছিল। সর্বশেষ বাদশাহর আগের জন্য তথা দ্বিতীয় আকবর শাহ (শাসনকাল ১৮০৬-৩৭) জীবন্ত জাদুঘর প্রদর্শন সামগ্রীতে পরিণত হয়েছিলেন, ব্যয়ভার মেটানোর জন্য দরবারে বিদেশী পর্যটকদের দর্শনদানের বিনিময়ে ফি গ্রহণ করতেন ।

    —

    কোন কারণে মোগল শক্তির পতন হলো বা ঠিক কখন মোগল সাম্রাজ্য মেরামতের অযোগ্য হয়ে ভেঙে পড়তে শুরু করল তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তবে বেশির ভাগ ইতিহাসবিদ মনে করেন, আওরঙ্গজেব আংশিকভাবে হলেও দায়ী। এটি একটি অদ্ভূত যুক্তি। কারণ আওরঙ্গজেবই মোগল সাম্রাজ্যকে ভৌগোলিকভাবে সর্বোচ্চ অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে আওরঙ্গজেবের সাফল্য হয়তো তার বিনাশও ছিল। তিনি সম্ভবত মোগল সাম্রাজ্যকে খুব বেশি দূর পর্যন্ত বিস্তৃত করে ফেলেছিলেন। ফলে সম্প্রসারণশীল রাজকীয় সম্পদ শিথিল হয়ে আসছিল, পুরো ব্যবস্থাই ভেঙে পড়ার মুখে পড়ে গিয়েছিল ।

    আরো সংশয়পূর্ণ বিষয় হচ্ছে, কেউ কেউ উপস্থাপন করেছেন যে আওরঙ্গজেবের কঠোর নীতিপরায়ণতাই ছিল মরণ আঘাত। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আওরঙ্গজেবের ওপর বিশ শতকের সবচেয়ে বেশি গবেষণামূলক কাজ করেছেন যে যদুনাথ সরকার, তিনি তার নিজস্ব নাটকীয় কায়দায় এভাবে বলেছেন, ‘[আওরঙ্গজেবের আমলে] মোগল আল হেলাল পূর্ণিমার চাঁদের পূর্ণতা পায় এবং তারপর দৃশ্যমানভাবেই ক্রমশ ক্ষীণজ্যোতি হতে শুরু করে।’ যদুনাথ সরকার তার পাঁচ খণ্ডের হিস্টরি অব আওরঙ্গজেবসহ এই সম্রাটকে নিয়ে লেখা অনেক গ্রন্থে আওরঙ্গজেবের দর্শন ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি তার শেষ বৃহৎ গ্রন্থটি শুরু করেছেন এই বলে যে ‘আওরঙ্গজেবের জীবন হলো একটি দীর্ঘ ট্রাজেডি, অদৃশ্যমান অপ্রতিরোধ্য ভাগ্যের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তির ব্যর্থ সংগ্রামের কাহিনী, যুগের শক্তিতে কিভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী মানবীয় উদ্যোগ ব্যর্থ হতে পারে তার উপাখ্যান।’ যদুনাথ সরকারের কাছে আওরঙ্গজেব ছিলেন ট্রাজিক ব্যক্তিত্ব। অধিকন্তু, অন্যান্য উপনিবেশিক-আমলের চিন্তাবিদের মতো যদুনাথ সরকারও আওরঙ্গজেবকে মনে করতেন ধর্মান্ধ (এবং সে কারণেই ‘মোগল আল হেলাল’)। তিনি মনে করেছিলেন, ইসলামের একটি বিশেষ ধারার প্রতি তার নিবেদিতপ্রাণ থাকার কারণে সাম্রাজ্যে চরম বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছিল।

    বর্তমান সময়ের খুব কম ইতিহাসবিদই যদুনাথ সরকারের মোগল সাম্রাজ্যের পতনের ধর্মভিত্তিক ব্যাখ্যাকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করছেন। কিন্তু তবুও সাধারণ মানুষের মধ্যে এটি লোকরঞ্জক বিষয়ই হয়ে রয়েছে। এর আংশিক কারণ, এটি আখ্যানগত সমস্যা, ঐতিহাসিক নয়। নীতিবাদী গল্পকথনে কোনো শক্তিশালী, সমৃদ্ধ রাষ্ট্রের পতনের জন্য কোনো ব্যক্তিকে দায়ী করার মধ্যে মানবীয় আকাঙ্ক্ষা পূরণের আবেদন রয়েছে। মুসলিম দুরাত্মারা বর্তমান সময়ে বিশেষভাবে চটকদার জিনিস, এটিই ধার্মিক আওরঙ্গজেবকে আকর্ষণীয় বলির পাঠায় পরিণত করেছে। এর বিপরীতে, আধুনিক ইতিহাসবিদেরা একগুচ্ছ সামাজিক, রাজস্ব, প্রশাসনিক কারণ উল্লেখ করেছেন, যা মোগল শক্তিকে দুর্বল করে ফেলেছিল। এ ধরনের পরিব্যাপ্ত, পদ্ধতিভিত্তিক ব্যাখ্যা ইতিহাসের জন্য উপাদেয় হলেও বাজারের গল্পকথকদের জন্য মুখরোচক নয় ।

    খোলামেলাভাবে বলা যায়, আওরঙ্গজেব-পরবর্তী মোগল ভারতবর্ষ সম্পর্কে আমরা খুবই কম জানি। আমরা তার শাসনকালের সাথে সম্পর্কিত অনেক বিষয়ের ব্যাপারে এখনো অন্ধকারে রয়ে গেছি। মোগল রাষ্ট্র ফাঁপায় পরিণত করতে তার ভূমিকার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হলে এসব প্রাসঙ্গিক বিষয় জানা দরকার। তবে আওরঙ্গজেব দূর দৃষ্টিতে দেখতে পেয়েছিলেন যে তিনি একটি তিক্ত উত্তরাধিকার রেখে যাচ্ছেন। তিনি শেষ বয়সে লেখা তার চিঠিপত্রে প্রায়ই মোগল সাম্রাজ্যের সামনে অন্ধকার দিন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যদিও সাম্রাজ্যের পতনমুখ গতি বদলে দিতে নিজেকে ক্ষমতাহীন দেখতে পেয়েছিলেন।

    —

    মোগল সাম্রাজ্যের পতনের সূচনার জন্য আওরঙ্গজেবকে সম্ভাব্য দায়ী করার বিষয়টি সরিয়ে রেখে আমরা কিভাবে এই জটিল, অনেক সময় সাংঘর্ষিক চরিত্রের সম্রাটের দীর্ঘ, অসম শাসনকালকে মূল্যায়ন করতে পারি? আধুনিক মানদণ্ডের আলোকে রাষ্ট্রীয় সহিংসতা, ব্যক্তি স্বাধীনতা ও সহিষ্ণুতা নিয়ে আওরঙ্গজেবের সমালোচনা করার মধ্যে অন্তঃদৃষ্টির অবকাশ থাকে সামান্যই । কিন্তু তার সময়ের অন্যান্য শাসকের সাথে, বিশেষ করে পূর্ববর্তী মোগল সম্রাটদের সাথে তিনি কিভাবে তুলনীয় তা আরো ফলপ্রসূভাবে জানতে চাইতে পারি ।

    আওরঙ্গজেব তার পূর্ববর্তী যেকোনো মোগল সম্রাটের চেয়ে, অন্তত অনেক মোগল প্রথার প্রতিষ্ঠাতা আকবরের পর থেকে, অনেক বেশি মোগল রীতিনীতি ভেঙেছেন। কিন্তু কিছু শিল্পকলার ওপর থেকে রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা হ্রাস করা, দাক্ষিণাত্যে সরে যাওয়া, জিজিয়া কর পুনঃপ্রবর্তনের মতো অনেক পরিবর্তন সাধন সত্ত্বেও আওরঙ্গজেব মোগল প্রশাসনিক, সামরিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির দিক থেকে বিপুলভাবে ধারাবাহিকতাই রক্ষা করে গেছেন। তিনি আকবরের মতো আন্তঃসংস্কৃতির পথিকৃত ছিলেন না (হয়তো ভারত সম্রাজ্যের ষষ্ট শাসক হিসেবে তিনি এর প্রয়োজন আছে বলেই মনে করতেন না)। কিন্তু আওরঙ্গজেব ফতোয়া-ই-আলমগিরির মতো বিশাল মাত্রার বুদ্ধিবৃত্তিক প্রকল্পের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন, কয়েকটি ফারসি রামায়ণ তাকে উৎসর্গ করা হয়েছে। শাহ জাহানের সমমানের মহান নির্মাতা ছিলেন না আওরঙ্গজেব, কিন্তু তবুও যদি লাহোরের বাদশাহি মসজিদ বিবেচনা করা হয়, তবে তিনি খুব পিছিয়েও থাকবেন না। বর্তমানে বেশির ভাগ লোক যেমনটা মনে করে, তার চেয়েও মোগল পূর্বসূরীদের সাথে অনেক বেশি সমরূপ ছিলেন তিনি।

    আওরঙ্গজেব তারপরও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলেন, বিশেষ করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতি তার গতানুগতিক উদ্বেগ ও তার সামরিক নৈপূণ্যের দিক থেকে। নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, পূর্ববর্তী মোগল শাসকেরাও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন। এক্ষেত্রে জাহাঙ্গীরের কথা বলা যেতে পারে । যে কেউ যাতে সম্রাটের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে, সেজন্য জাহাঙ্গীর আগ্রা দুর্গ থেকে নদীর কিনারা পর্যন্ত ৬০টি ঘণ্টা-সংবলিত একটি বিশাল ‘ন্যায়বিচারের শিকল’ ঝোলানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। আওরঙ্গজেবের কাছে ন্যায়বিচার ছিল অনেক কম প্রদর্শনীর বিষয়। তিনি অসৎ প্রশাসকদের দমন করা ও নিরাপদে ধর্মীয় উৎসবের নিশ্চয়তা দানকেই বুঝতেন ন্যায়বিচার। অবশ্য সম্রাটের ইচ্ছা সত্ত্বেও আওরঙ্গজেবের প্রশাসন দুর্নীতির মতো জঘন্য কাজ করত। অধিকন্তু, আওরঙ্গজেব তার সারা জীবনে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও মধ্য যুগের অন্য অনেক রাজার মতো তিনিও বারবার চির অতৃপ্ত রাজনৈতিক শক্তির জন্য তার ঘোষিত মূল্যবোধের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন।

    আওরঙ্গজেব ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দারুণ দক্ষ সামরিক কৌশলবিদ । তিনিই সম্ভবত ছিলেন মোগল ধারায় সবচেয়ে সুদক্ষ জেনারেল। তিনি দীর্ঘস্থায়ী উত্তরাধিকার লড়াইয়ের মাধ্যমে ময়ূর সিংহাসন জয় করেছিলেন। কয়েক প্ৰজন্ম ধরে মোগলদের কাম্য দাক্ষিণাত্য তিনি জয় করেছিলেন। কিন্তু তারপরও প্রবীণ আওরঙ্গজেব যেকোনোভাবেই হোক না কেন, দক্ষিণ ভারতে তার পথ হারিয়েছিলেন, লক্ষ্যহীনভাবে দুর্গগুলো দখল করছিলেন, বৃদ্ধ বাদশাহ ও দুর্বল যুবরাজদের কাছ থেকে সুযোগ গ্রহণে ইচ্ছুক প্রশাসকদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান হারে নির্বিষ হয়ে ওঠেছিলেন।

    আওরঙ্গজেবের শাসনকাল যদি ২০ বছর সংক্ষিপ্ত হতো, জাহাঙ্গীর (তিনি শাসন করেছিলেন ২২ বছর) বা শাহ জাহানের (তিনি শাসন করেছিলেন ৩০ বছর) কাছাকাছি সময় পর্যন্ত শাসন করতেন, তবে আধুনিক ইতিহাসবিদেরা হয়তো তাকে ভিন্নভাবে বিচার করতেন। কিন্তু আওরঙ্গজেবের শেষ দশকগুলোতে ছেলেদের শৃঙ্খলিত করা, ক্রমবর্ধমান হারে স্ফীত হয়ে ওঠা প্রশাসনের ওপর নির্ভরশীল থাকা, বাজে পরামর্শপুষ্ট যুদ্ধে নিয়োজিত হওয়া ছিল তার জট পাকানো উত্তরাধিকারের বিশাল অংশ। ফলে আমাদের জন্য রেখে যাওয়া হয়েছে বিপুল উচ্চাভিলাষ ও মোগল ভারতের বাস্তবতার মধ্যে অপূরণীয় ব্যবধানে জর্জরিত একজন জটিল মানুষ ও রাজার মিশ্রণ মূল্যায়ন ।

    আওরঙ্গজেবকে শৃঙ্খলমুক্ত করা

    সময়, পরিস্থিতি, ইতিহাস আমাকে যা বানিয়েছে, আমি অবশ্যই তাই, তবে তারপর আমি তার চেয়েও বেশি কিছু। আমরা সবাইই তাই ।
    –জেমস ব্যান্ডউইন, আমেরিকান লেখক, ১৯৫৫

    আওরঙ্গজেবের লোকরঞ্জক স্মৃতির সাথে ঐতিহাসিক সম্রাটের রয়েছে স্রেফ ঝাপসা সাদৃশ্য। এই অমিল থাকার বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়া দুটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ। একটি কারণ হলো উত্তপ্ত সাম্প্রদায়িক ধারণার প্রশমন করা এবং অপরটি হলো ঐতিহাসিক গবেষণাকে শৃঙ্খলমুক্ত করা ।

    আওরঙ্গজেবের লোকরঞ্জক খ্যাতির ফলে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই মোগল অতীত নিয়ে রাজনৈতিক ইন্ধনযুক্ত ভাষ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আগেই বলা হয়েছে, আওরঙ্গজেবের দুই ভাষ্যই (ধর্মান্ধ আওরঙ্গজেব ও ধার্মিক আওরঙ্গজেব) প্রকাশ্য ধারায় পরিণত হয়েছে। ধর্মান্ধ আওরঙ্গজেবের চিত্রটি বিশেষভাবে বিভ্রান্তিকর ও ধ্বংসকারী। এতে হিন্দু ও হিন্দুবাদকে ধ্বংস করতে আগ্রহী উগ্র আওরঙ্গজেবের চিত্র আঁকা হয়। মুসলিমবিরোধী ভাবাবেগ বাড়াতে ও ভারতীয় মুসলিমদেরকে বিপজ্জনক বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিত্রিত করতে ভারতের রাজনীতিবিদ ও অন্যরা এই ধারণা প্রচার করে। আওরঙ্গজেবকে বিশুদ্ধ মুসলিম (উর্দু কবি মোহাম্মদ ইকবাল, মৃত্যু ১৯৩৮, তাকে ‘ভারতের মূর্তি গৃহে ইব্রাহিম’ হিসেবে অবহিত করেছিলেন) হিসেবে চিত্রিত করাও সমস্যাসঙ্কুল। এভাবে উপস্থাপনের ফলে এই ধারণা সৃষ্টি করে যে মুসলিমরা প্রধানত তাদের বিশ্বাসের মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত হয়, আর ইসলাম হলো মৌলিকভাবে হিন্দু ধর্মের চেয়ে আলাদা। ভারতবর্ষের জন্য এই ধারণার অর্থ হলো এই যে মুসলিমেরা পুরোপুরি ভারতীয় হতে পারে না, আর পাকিস্তানে তারা ধারণা দেয় যে সব মূল্যবান নাগরিককে অবশ্যই ইসলামের সংকীর্ণ ধরনের সংজ্ঞায় থাকতে হবে।

    —

    আওরঙ্গজেবকে নিয়ে প্রচলিত লোকরঞ্জক ধারণা কেন বাতিল করার জরুরি, তার দ্বিতীয় কারণ হলো, যাতে আমরা তাকে ইতিহাসের পরিভাষায় বুঝতে পারি। আওরঙ্গজেব ছিলেন তার সময়ের মানুষ, আমাদের সময়ের নয়। আমি যুক্তি দিয়েছি যে আওরঙ্গজেব ন্যায়বিচার নিয়ে তার আদর্শের আলোকে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, নিজের রাজনৈতিক ও নৈতিক আচরণের (আদব ও আখলাক) প্ৰতি দায়বদ্ধ ছিলেন, রাজনৈতিক প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ করেছেন। আওরঙ্গজেবের বিশ্ববীক্ষা তার নিজের ধর্মভক্তি ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া মোগল সংস্কৃতির মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছিল। হিন্দু-মুসলিম সঙ্ঘাত (আধুনিক সময় এ ধারণাটিতে আচ্ছন্ন) তার স্বার্থের অনুকূলে ছিল না, বরং তিনি তার ধারণার আলোকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মোগল ঐতিহ্য সমুন্নত রাখা এবং উপমহাদেশজুড়ে তার মুষ্ঠি সম্প্রসারণ করার দিকে নজর দিয়েছিলেন।

    কিন্তু তারপরও আওরঙ্গজেব সহজে সংক্ষিপ্ত করাকে প্রতিহত করেন। তিনি ছিলেন প্রবল বৈপরীত্যপূর্ণ ও ধাঁধাময় এক ব্যক্তিত্ব। আওরঙ্গজেব নিয়ম অনুসরণে পুরোপুরি আচ্ছন্ন ছিলেন। এমনকি রাস্তাঘাটের নিরাপত্তা নিয়েও সর্বক্ষণ অস্থির থাকতেন। কিন্তু বাবাকে বন্দী করা ছাড়া তার কাছে আর কোনো উপায় দেখতে পাননি, অবশ্য এই কারণে এশিয়ার একটি বড় অংশে তিনি সমালোচিত হয়েছেন। তিনি দারা শুকোহসহ তার পরিবার সদস্যদের হত্যা করতে কিংবা শত্রুদের টুকরা টুকরা করে কাটতেও (এই যেমন শম্ভুজির ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থেই) দ্বিধা করেননি। আবার তিনি নিজ হাতে টুপি সেলাই করতেন, ধার্মিক জীবনযাপন করার আকাঙ্ক্ষা লালন করতেন। খারাপ প্রশাসক, পচা আম, অপদার্থ ছেলেদের প্রতি ক্রুদ্ধ হতেন তিনি। তিনি ছিলেন সঙ্গীতের সমঝদার, এমনকি গায়িকা হিরাবাইয়ের প্রেমেও পড়েছিলেন। কিন্তু মধ্যবয়সের শুরুতে তিনি নিজেকে সঙ্গীত শিল্পের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও শেষ বয়সে আরেক সঙ্গীতশিল্পী উদয়পুরির সঙ্গ উপভোগ করতেন। তিনি বিশ্বের বৃহত্তম মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন, অথচ নিজের কবরের জন্য অচিহ্নিত একটি স্থান বেছে নিয়েছিলেন। তিনি মোগল সাম্রাজ্যকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মাত্রায় সম্প্রসারিত করলেও নিজেকে চরম ব্যর্থ মনে করতেন ।

    আওরঙ্গজেব ছিলেন রহস্যময় সম্রাট। অধিকন্তু, আওরঙ্গজেবের শাসনকাল সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত ইতিহাসবিদ কাফি খান তাকে পারস্য ঐতিহ্যের কিংবদন্তিপ্রতীম শাসক জামশিদের সাথে তুলনা করে বলেছেন, ‘জামশিদের সমমানের একজন শাসকের ৫০ বছরের শাসনকালের প্রধান ঘটনাগুলোর সারাংশ টানার চেষ্টা সাগর থেকে এক কলস পানি নেওয়ার মতো।’ এই উৎসুক্য সৃষ্টিকারী সম্রাট এবং যে সাম্রাজ্য তিনি শাসন করেছেন, সে সম্পর্কে অনেক কথা বলা এখনো বাকি রয়ে গেছে। কল্পকথার আওরঙ্গজেবের আবরণটি পরিষ্কার করার পরই আমরা কেবল মধ্য যুগের ভারতবর্ষের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র সম্রাট আওরঙ্গজেবের মুগ্ধতা সৃষ্টিকারী ধাঁধার মুখোমুখি হতে পারি ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – অজেয় রায়
    Next Article ঈশ্বরের বাগান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }