Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আওরঙ্গজেব : ব্যক্তি ও কল্পকথা – অড্রি ট্রুসকে

    লেখক এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶

    পুনশ্চ : মধ্য যুগের ফারসি সাহিত্য পাঠ নিয়ে নোট

    আওরঙ্গজেবের জীবন ও রাজত্ব বিশাল বিস্তৃত নথিপত্রে বিন্যস্ত হয়ে রয়েছে। ইতিহাস, রাজকীয় আদেশ, খবর প্রতিবেদন, চিঠিপত্র, ভ্রমণকাহিনী ও অন্যান্য দলিল-দস্তাবেজে (এগুলো মূলত লেখা হয়েছে ফারসি ভাষায়) মধ্য যুগের ভারতবর্ষীয় এ সম্রাটকে নিয়ে লিখিত ভাষ্যের বিশাল ভাণ্ডার সৃষ্টি করেছে। তবে ইতিহাসবিদেরা এই প্রাচুর্যপূর্ণ আর্কাইভের সুষ্ঠু ব্যবহার করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।

    আওঙ্গজেব সম্পর্কিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও ইতিহাসে ইতিহাসবিদদের প্রবেশগম্যতার অভাব রয়েছে। অসংখ্য নথিপত্র কখনো ছাপা সংস্করণের মুখ না দেখে পাণ্ডুলিপির লাইব্রেরিগুলোতে অবহেলিতভাবে পড়ে আছে। দক্ষিণ এশিয়া ও ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এসব লাইব্রেরিতে যাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞদের বিপুল সময় ও অর্থের প্রয়োজন হয়। আবার অনেক স্থান ফটোগ্রাফির ওপর এমন বিধিনিষেধ রয়েছে যে সেগুলোর আর্কাইভ সামগ্রীর সত্যিকারের ব্যবহার প্রায় অসম্ভব। এছাড়া ভাষাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ । আওরঙ্গজেব সাম্রাজ্যের সরকারি প্রশাসনিক ভাষা ফারসি হওয়ায় এ ভাষাতেই মোগলদের বেশির ভাগ ইতিহাস লেখা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান ভারতে এটি বিদেশী ভাষা । অনেক ইতিহাসবিদের মূল ফারসি পাণ্ডুলিপিগুলো বাদ দিয়ে এর বদলে ইংরেজি অনুবাদের ওপর নির্ভর করার কারণ প্রয়োজনের তাগিদ ও এগুলোর প্রাপ্তি সহজলভ্য হওয়া। এই দৃষ্টিভঙ্গি লাইব্রেরি সামগ্রীর ব্যবহার ব্যাপকভাবে হ্রাস করে। আবার মোগল পাণ্ডুলিপিগুলোর অনেক অনুবাদের মান প্রশ্নবোধক। ভুল অনুবাদ ও সংক্ষিপ্তকরণ রয়েছে ভয়াবহ মাত্রায়। ভুল বা বিভ্রান্তিকর অনুবাদের কিছু কিছু বেশ সুবিধাজনকভাবেই অনুবাদকদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যবহৃত হয়েছে। বিশেষ করে উপনিবেশ যুগের অনুবাদগুলোর কথা বিশেষভাবে বলা যায়। এসব অনুবাদে ইন্দো-মুসলিম সম্রাটদের সবচেয়ে খারাপভাবে উপস্থাপন করতে চাওয়া হয়েছিল যাতে তাদের তুলনায় ব্রিটিশদেরকে শ্রেষ্ঠ মনে হয়। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো ইলিয়ট ও ডসনের হিস্টরি অব ইন্ডিয়া, অ্যাস টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ান্স। এসব বই ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ সম্পর্কে জানার বিশাল উৎস হলেও মোগল ভারতবর্ষ সম্পর্কে ভ্রান্ত চিত্র উপস্থাপন করে ।

    এমনকি বিশেষজ্ঞরা আওরঙ্গজেব আমলের নথিপত্র দেখার ও পাঠের যদি সুযোগ পানও তখন বড় ধরনের বাধা হিসেবে সামনে আসে এসবের ব্যাখ্যা। কাফি খান (মুন্তাখাব আল-লুবাব) ও মুসতাইদ খানের (মাসির-ই আলমগির মতো আওরঙ্গজেব শাসনকালবিষয়ক তথাকথিত প্রধান প্রধান ইতিহাসবিদের অনেকে লিখেছেন আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর অনেক পরে এবং তারা কয়েক দশক আগে সংঘটিত ঘটনাগুলো পুনঃগঠনের জন্য স্মৃতিকথা ও জনশ্রুতির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করেছেন। এ ধরনের ব্যবস্থার ফলে অগোচরে অনিচ্ছাকৃত ভুল তাদের রচনায় প্রবেশ করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্যের সন্ধান পাওয়া গেলে এসব গ্রন্থকে তুলনা করে ভুলগুলো শনাক্ত করা যায়। এমনকি রাজাদেশ ও চিঠিপত্রসহ যেসব নথিপত্র অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য মনে হয়, সেগুলোও প্রায়ই ঘটনাটি সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর চিত্র সৃষ্টি করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, অনেক নির্দেশ কখনো কার্যকর করা হয়নি ।

    অধিকন্তু, মধ্য যুগের অনেক লেখক যথার্থ তথ্য প্রাপ্তি নিয়ে আচ্ছন্নতায় থাকতেন না। বরং এর বিপরীতে আওরঙ্গজেবের আমলে ইতিহাসবিদদের মধ্যে আদর্শ কৌশল ছিল অতীতকে ভ্রমাত্মকভাবে উপস্থাপন করা। এসব ইতিহাসবিদ তারিখ (ফারসি ঘরানার ইতিহাস রচনা) লেখার সময় অতীতকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরার মতোই বাধিত থাকতেন সাহিত্যিক লক্ষ্য হাসিলের জন্য। সাহিত্যিক প্রয়োজনের আলোকে ইতিহাস পরিবর্তন করা ছাড়াও কাফি খানের মতো লেখকেরা ব্যাপক বাগাড়ম্বড়তার আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের এ কৌশল আমাদেরকে তাদের পক্ষপাতিত্বের কথা প্রকাশ করলেও বিশেষ রাজকীয় সিদ্ধান্তটি গ্রহণের নেপথ্য কারণটি অন্ধকারে রেখে দিয়েছেন। অবশ্য এ ধরনের স্তরে স্তরে থাকা অংশগুলো প্রাক-আধুনিক ঐতিহাসিক ভাষ্যগুলোকে বাতিল করে দেয় না। তবে মোগল ইতিহাস দায়িত্বশীলতার সাথে পুনঃনির্মাণের জন্য আমাদেরকে এসব তথ্যের সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক উভয় মান বিচার করে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে ।

    বেশির ভাগ আধুনিক ইতিহাসবিদ ফারসি-মাধ্যমের মোগল ইতিহাসের সাথে ইউরোপিয়ান ভ্রমণকাহিনী, হিন্দি ও অন্যান্য স্থানীয় ভাষার রচনাবলী ও (সাধারণভাবে সবচেয়ে কম) সংস্কৃত গ্রন্থরাজিসহ অন্যান্য ভাষার প্রাক-আধুনিক গ্রন্থরাজিকে পরিপূরক হিসেবে গ্রহণ করেন। এসব গ্রন্থে প্রায়ই কল্পনা ও বাস্তবতার মিশ্রণ দেখা যাওয়ায় এগুলোও একই ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করে। ইউরোপিয়ান ভ্রমণকাহিনীগুলোর প্রতি বিশেষ মনোযোগ লাভ করে, কারণ মোগল সাম্রাজ্যবিষয়ক অনেক বিশেষজ্ঞ এখনো বুঝতে পারছেন না এসব রচনা আসলে বাস্তব তথ্যের সাদাসিধে বর্ণনা নয়, বরং এগুলো বিশেষ শ্রেণির পাঠকদের (এবং প্রায়ই পুঁজিবাদী বাজার) সামনে রেখে প্রণীত কৌশলী ভাষ্য ।

    আধুনিক ইতিহাসবিদেরা ইতিহাসের বই-পত্রগুলো পাঠ করেন কঠোরতার সাথে। এর মানে হলো, আমরা এসব বই-পত্রকে সেগুলোর বৃহত্তর সামাজিক ও সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে স্থাপন করি, গুরুত্ব বিচার করি, প্রমাণ মূল্যায়ন করি, একটি পাণ্ডুলিপিকে অন্যটির সাথে তুলনা করি। ইতিহাসবিদেরা পেইন্টিংস, ভবনরাজি, মুদ্রার মতো প্রমাণগুলোও বিবেচনা করেন। চূড়ান্তভাবে, ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব, প্রতিষ্ঠান বা ঘটনার ব্যাখ্যা করার জন্য ইতিহাসবিদেরা একটি নিয়মসম্মতভাবে ধারাবাহিক ভাষ্য নির্মাণের জন্য প্রাথমিক নথিপত্রগুলো তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে বিবেচনা করেন। ইতিহাস নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করার ব্যাপক অবকাশ আছে, তবে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রায়ই হয় গঠনমূলক। কিন্তু আওরঙ্গজেবের ঐতিহাসিক নথিপত্রগুলো সংগ্রহ, আত্মস্ত করা ও বোধগম্য করার প্রক্রিয়া খুব সহজ নয়।

    জীবনীমূলক প্রবন্ধ

    আওরঙ্গজেবের এই জীবনীগ্রন্থের ভিত্তি হলো প্রাক-আধুনিক ও আধুনিক উভয় সময়ের পূর্ববর্তী বিশেষজ্ঞদের রচনাবলী। এরপর আমার বিবেচনায় আনা গ্রন্থগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। আমি একই সাথে আওরঙ্গজেব অধ্যয়নের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রগুলোর কয়েকটি সম্পর্কে সারসংক্ষেপও দিয়েছি। আমি পাণ্ডুলিপির আর্কাইভগুলো খুব কমই ব্যবহার করেছি, আমার প্রাথমিক নথিপত্র নিয়ে গবেষণা প্রধানত ছাপানো সংস্করণের ওপর নির্ভরশীল ছিল। উদ্ধৃতি ও অন্যান্য বিশেষ তথ্যের জন্য আগ্রহী পাঠকেরা এই অংশের পর থাকা নোটের ওপর নজর বুলাতে পারেন।

    —

    আমি আগেই উল্লেখ করেছি, ফারসি ইতিহাসগুলো– আওরঙ্গজেব আলমগিরবিষয়ক আমাদের বিপুল ঐতিহাসিক সম্পদরাশির মূল কাঠামো গঠন করেছে। আওরঙ্গজেবের প্রাথমিক জীবনের প্রধান প্রধান ঘটনা শাহ জাহান আমলের ইতিহাসগুলোতে নথিবদ্ধ হয়ে আছে। এসবের মধ্যে আমি এই গ্রন্থে আব্দুল হামিদ লাহোরির পাদশাহনামা, ইনায়েত খানের শাহজাহাননামা, মোহাম্মদ সালিহ খামবুর আমল-ই-সালিহ, তাবাতাবাইয়ের শাহজাহাননামা থেকেও তথ্য সংগ্রহ করেছি।

    আওরঙ্গজেবের আমলে অনেক লোক ইতিহাস রচনা করেছেন। মোহাম্মদ কাজিমের আলমগিরনামা, সম্পাদনা খাদিম হোসাইন ও আবদুল হাই (কলকাতা, ১৮৬৮), আওরঙ্গজেবের শাসনকালের প্রথম ১০ বছরের তথ্য দেয়। এটিই ওই সময়ের একমাত্র সরকারি রাজকীয় ইতিহাস। বখতওয়ার খানের (মৃত্যু ১৬৮৫) মিরাত আল-আলম একটি সার্বজনীন ইতিহাস, যা আওরঙ্গজেব আমলের প্রথম দশকের ঘটনাবলীতে সমৃদ্ধ। সাজিদা আলভি তার পার্সপেকটিভস অন মোগল ইন্ডিয়া গ্রন্থে (করাচি, ২০১২) উল্লেখ করেছেন, বখতওয়ার খানের বইটি এখন খুবই কম পাঠ করা হয়, কিন্তু এ বইয়ে আলমগিরনামায় না পাওয়া অনেক তথ্যের সন্ধান মেলে। আকিল রাজি খানের (মৃত্যু ১৬৯৬/৭) ওয়াকিয়াত-ই আলমগিরি হলো উত্তরাধিকার যুদ্ধের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ভাষ্য। আমি মৌলভি জাফর হাসানের সংস্করণটি (দিল্লি, ১৯৪৬ ) ব্যবহার করেছি। এছাড়া হাতিম খানের আলমগিরনামা, মোহাম্মদ মাসুমের তারিখ-ই শাহ শুজাই, আবুল ফজল মামুরির তারিখ-ই আওরঙ্গজেবের মতো অপ্রকাশিত ফারসি ইতিহাস গ্রন্থ রয়েছে। আমি এ বইটি লেখার কাজে এসব গ্রন্থের সহায়তা নিতে পারিনি ।

    আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর কয়েক দশকের মধ্যে লেখকেরা অনেক ইতিহাস রচনা করেছেন। কাফি খানের মুন্তাখাব আল-লুবাব (আনুমানিক ১৭৩০) ও সাকি মুস্তাইদ খানের মাইসির-ই আলমগির (১৭১০) অনেক ইতিহাসবিদের কাছে খুবই প্রিয়। এর আংশিক কারণ বই দুটির মইনুল হক (করাচি ১৯৭৫) ও যদুনাথ সরকারের (কলকাতা, ১৯৪৭) ইংরেজি সংস্করণ পাওয়া যায়। এছাড়া বই দুটিতে আওরঙ্গজেবের পুরো আমলের তথ্য থাকার কারণেও জনপ্রিয় পরবর্তীকালে লেখা হওয়ায় এবং আওরঙ্গজেবের নীতিপরায়ণ প্রকাশ্য ভাবমূর্তির ওপর জোর দেওয়া বাগাড়ম্বড়াতার কারণে বই দুটির ব্যাপারে আমি একদিকে যেমন সতর্ককতা অবলম্বন করেছি, অন্য দিকে অন্যান্য সূত্রের সাথে তুলনা করেছি। আমি কাফি খানের ইলিয়ট ও ডাওসনের অনুবাদের সাথে ভিন্ন মত প্রকাশ করছি। জনপ্রিয়তার কারণে আমি যদুনাথ সরকারের মাইসির-ই আলমগিরির অনুবাদের কথা উল্লেখ করেছি। তবে পাঠকদের সতর্ক থাকতে হবে যে যদুনাথের অনুবাদটি অসম্পূর্ণ, এতে ভুল রয়েছে (এই অনুবাদ নিয়ে আরো কিছু তথ্যের জন্য টিলম্যান কুলকের ‘অ্যা মোগল মুনসি অ্যাট ওয়ার্ক’ ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট, পিএইচডি থিসিস, ২০১৬], ১০-১৫, ২০-২২ দেখা যেতে পারে)।

    ভীমসেন স্যাক্সেনার তারিখ-ই দিলখুশা দাক্ষিণাত্যের ঘটনাবলীর একটি অমূল্য ভাষ্য। আমি একটি ব্রিটিশ লাইব্রেরি পাণ্ডুলিপির (অর, ২৩) সাথে যদুনাথ সরকারের অনুবাদ তুলনা করেছি এবং কয়েকটি পৃষ্ঠার পুনঃঅনুবাদ করেছি। নগর ব্রাহ্মণ ও যোধপুরের মোগল বেসামরিক কর্মকর্তা ঈশ্বরদাস লিখেছেন ফুতুহাত-ই আলমগিরি, আনুমানিক ১৭০০ সালে (যদুনাথ সরকার ভুল করে সালটি উল্লেখ করেছেন ১৭৩০)। ফুতুহাতে (ভাদোদারা, ১৯৯৫) নিশ্চিতভাবেই কিছু ঐতিহাসিক ভুল আছে, তবে তা সত্ত্বেও এমন কিছু বিবরণ আছে, যা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। স্বল্প ব্যবহৃত মিরাত-ই-আহমদি (১৭৫৪) গ্রন্থে আওরঙ্গজেবের গুজরাত আমলের কথা বলা হয়েছে। শাহ নওয়াজ খানের মাইসির আল-উমারা, সম্পাদনা আবদুর রাহিম ও মির্জা আশরাফ আলী (কলকাতা, ১৮৮৮-৯১), ১৭৮০ সাল পর্যন্ত মোগল অভিজাতদের সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত দেয়। এছাড়া রয়েছে এইচ বেভারিজ ও বেনী প্রাসাদ (পাটনা, ১৯৭৯) অনূদিত মাইসির আল-উমারাও।

    ফারসি ভাষার ইতিহাস ছাড়াও আমি ভূষণের শিবরাজভূষণের (অনুবাদের জন্য অ্যালিসন বাচকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি) মতো বইগুলোসহ সীমিত পরিসরে হিন্দি সাহিত্য ব্যবহার করেছি। আমি জ্ঞান চন্দ্রের সহযোগিতায় জৈন ভাষায় লিখিত বই দেখিছি (এই বিষয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হলো মোহাম্মদ আকরাম লারি আজাদের রিলিজিয়ন অ্যান্ড পলিটিক্স ইন ইন্ডিয়া (দিল্লি, ১৯৯০], ২৩৪-৩৭)। আমি সহায়তার মাধ্যমে শিখ সামগ্রীও কিছুটা ব্যবহার করেছি। আওরঙ্গজেবের জীবনের আরো ব্যাপকভিত্তিক জীবনী রচনার জন্য অন্যান্য হিন্দি গ্রন্থ বিশেষ করে রাজপুত দরবারের গ্রন্থগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া লক্ষ্মীপতির অবদুল্লাকরিত ও নৃপতিনিতিগরবিতাভৃত্তের মতো সংস্কৃত সামগ্রীর সহায়তাও গ্রহণ করা যায়। এগুলোতে আওরঙ্গজেবের মৃত্যু পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাগুলো রয়েছে ।

    ইতিহাসবিদদের জন্য ইউরোপিয়ান ভ্রমণকাহিনীগুলো আওরঙ্গজেবের ভারতবর্ষ সম্পর্কে অনেক আগে থেকেই নির্ভরযোগ্য উৎস। বিশেষ করে নিকোলাও মানুচির স্টোরিয়া ডি মোগর, (অনুবাদ উইলিয়াম আরভিন, লন্ডন, ১৯০৭-০৮), ফ্রাসোয়া বার্নিয়ারের ট্রাভেলস ইন দি মোগল আম্পায়ার (অনুবাদ আর্চিবল্ড কনস্টাবল ও ভিনসেন্ট স্মিথ, অক্সফোর্ড, ১৯১৪) ও জ্যা-বাস্তাইজ টাভারনিয়ারের ভয়েজ (অনুবাদ ভি. বল, লন্ডন, ১৮৮৯)-এর কথা বিশেষভাবে বলা যেতে পারে। এখানে আমি জেমেলি ক্যারেরি, পিটার মুন্ডি, উইলিয়াম নরিস, জন অভিঙ্গটন ও জ্যা ডি থেভেনটের মতো কিছুটা কম জনপ্রিয় ভাষ্যের উদ্ধৃতি দিয়েছি। বিদেশী পর্যটকেরা মোগলদের নিয়ে বড় ধরনের অন্তঃদৃষ্টি তুলে ধরেছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা প্রায়ই কোনো কারণ ছাড়াই ভারতীয় নথিপত্রের চেয়ে ইউরোপিয়ান গ্রন্থগুলোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, ইউরোপিয়ান পর্যটকেরা কিভাবে কল্পকাহিনী ও বাস্তবতার মধ্যে গোলকধাঁধার সৃষ্টি করেছেন তা না বুঝেই

    —

    আমি আওরঙ্গজেবের চিঠিপত্রের মাধ্যমে তাকেই তার সম্পর্কে কিছুটা বলার সুযোগ দিয়েছি। এসব চিঠিপত্র ওই সময়ের অনেক মোগল ইতিহাসে তাকে যেভাবে চিত্রিত করা হয়েছে সেই ছবির চেয়ে ভিন্ন ব্যক্তি হিসেবে তাকে উপস্থাপন করে। আওরঙ্গজেব অনেক চিঠি লিখেছিলেন ফারসি ভাষাতে, সম্ভবত দুই হাজার এখনো টিকে আছে। এগুলো নিয়ে বেশ কয়েকটি সঙ্কলন প্রকাশিত হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে আদব-ই আলমগিরি, কালিমাত-ই তাইবিয়াত, রাকাইম-ই কারিম ও রুকাত-ই আলমগিরি (আমি ব্যাপকভাবে বিলিমোরিয়ার ইংরেজি অনুবাদ ব্যবহার করেছি, তবে মূল ফারসি ভাষার কাছাকাছি ভাষ্যই প্রয়োগ করেছি। আমি দস্তার আল-আমল আগাহি ও আহকামই-আলমগিরির (এটি আর যদুনাথ সরকারের অ্যানিকডোটেস অব আওরঙ্গজেব নামে প্রকাশিত গ্রন্থটি এক নয়) মতো অপ্রকাশিত সঙ্কলন ব্যবহার করিনি। যদুনাথ সরকারের অ্যানিকডোটেস (কলকাতা, ১৯১৭) প্রলুব্ধ সৃষ্টিকারী গ্রন্থ, এতে আওরঙ্গজেব সম্পর্কে টুকরা টুকরা অনেক রসাল কাহিনী আছে। এতে অবশ্য অনেক ভুল তথ্যও রয়েছে। যদুনাথ সরকারও তা স্বীকার করেছেন, কিছু কিছু পাদটীকায় কয়েকটি ঘটনার সত্য ভাষ্যও উল্লেখ করেছেন। আমি যদুনাথ সরকারের অ্যানিকডোটেস সতর্কতার সাথে ব্যবহার করেছি, আওরঙ্গজেবের কথিত দ্বিতীয় উইল (দেখুন, অ্যানিডোটেস, ৫১-৫৫) এবং এ জাতীয় অনেক সম্ভাব্য বানোয়াট ভাষ্য পুরোপুরি বাদ দিয়েছি।

    আওরঙ্গজেবের বক্তব্য ফরমান (রাজকীয় আদেশ) আকারে এবং সেগুলোর রাজোচিত সমান্তরাল নিশান আকারেও আমাদের কাছে এসেছে। আমি হিন্দু মন্দির ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ব্যাপারে বিশেষভাবে নির্ভর করেছি জ্ঞান চন্দ্রের আওরঙ্গজেবের ফরমানবিষয়ক প্রবন্ধগুলোর ওপর। এ ব্যাপারে এস এ আই তিরমিজির মোগল ডকুমেন্টস (দিল্লি, ১৯৯৫)-এর ওপর নজর বুলিয়েছি।

    আওরঙ্গজেবের আমলের সংবাদ প্রতিবেদনগুলো (আখবারাত) এখনো অনেক আর্কাইভে টিকে আছে। অবশ্য এই গ্রন্থে সেগুলোর সীমিত ব্যবহার হয়েছে। আমি অন্যান্য বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনের মাধ্যমেই সেগুলোর সাথে পরিচিত হয়েছি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মনিষ ফারুকি তার প্রিন্সেস অব দি মোগল এম্পায়ারে (ক্যাম্ব্রিজ, ২০১২) আখবারাত-ই দারবার-ই মাওলা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছেন। এটি আছে কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব ইন্ডিয়ায় ৷

    —

    আওরঙ্গজেবের ওপর মাধ্যমিক সাহিত্য বিপুল, তবে যতটা ধারণা করা যেতে পারে, তার চেয়েও ভাসা ভাসা। ঊনিশ শতকে মন্টস্টুয়ার্ট ইলফিনস্টোন (১৮৪১) ও স্ট্যানলি লেন-পুলের (১৮৯৩) রচিত আওরঙ্গজেবের জীবনী ছাপা থাকলেও তা সেকেলে হয়ে পড়েছে। আমি এখানে এ জাতীয় গ্রন্থের ওপর নির্ভর করিনি। আত্ম-প্রতিষ্ঠিত ইতিহাসবিদ যদুনাথ সরকার (১৮৭০-১৯৫৮) বিশ শতকে আওরঙ্গজেবের ওপর সবচেয়ে বেশি গবেষণামূলক কাজ করেছেন । তিনি আওরঙ্গজেবের আমলের অনেক ইতিহাস ও চিঠিপত্র সঙ্কলন ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন, আওরঙ্গজেবের ওপর অনেক বই প্রকাশ করেছেন। এসবের মধ্যে রয়েছে অমূল্য পাঁচ খণ্ডের হিস্টরি অব আওরঙ্গজেব (১৯১২-২৪)। দীর্ঘ সময় ধরে তিনিই ছিলেন আওরঙ্গজেবের ওপর শেষ কথা। যদুনাথ সরকারের সর্বাত্মক প্রয়াসের পরের কয়েক দশকে তুলনামূলকভাবে অনেক কম সংখ্যক বিশেষজ্ঞ এই বাদশাহকে নিয়ে লিখেছেন। বিশেষজ্ঞরা ধীরে ধীরে আওরঙ্গজেবকে অধ্যায়নে ফিরে গেছেন, যদুনাথ সরকার যেভাবে উপস্থাপন করেছেন, তারা বাদশাহকে দেখতে পেয়েছেন ভিন্নভাবে। আমরা সবাই যদুনাথ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ হলেও তার বিশ্লেষণ ব্যাপকভাবে সাম্প্রদায়িকতাপূর্ণ এবং অনেক সময় তাতে ঐতিহাসিক বস্তুনিষ্ঠতার অভাব দেখা যায়। যারা যদুনাথ সরকারের পদ্ধতি ও কৃতিত্ব নিয়ে চিন্তা করতে চান, তাদের উচিত হবে দিপেশ চক্রবর্তীর দি কলিং অব হিস্টরি : স্যার যদুনাথ সরকার অ্যান্ড হিস এম্পায়ার অব ট্রুথ (শিকাগো, ২০১৫) বিবেচনা করা।

    আরো সাম্প্রতিক সময়ে আওরঙ্গজেবের ওপর গবেষণা বেড়েছে, আমি এই রচনায় তা গ্রহণ করেছি। আমি ওপরে যেসব বিশেষজ্ঞের নাম উল্লেখ করেছি, তার বাইরে নিম্নোক্তদের লেখা ছিল বিশেষভাবে ফলপ্রসূ : এম আতাহার আলী, সতীশ চন্দ্র, এস এম আজিজুদ্দিন হোসাইন, ইরফান হাবিব, হারবান্স মুখিয়া ও জন রিচার্ডস। আরো অনেক বিশেষজ্ঞ আওরঙ্গজেবের শাসকালের বিশেষ বিষয় সম্পর্কে লিখেছেন। আমার লেখায় তাদের তথ্য ব্যবহার করেছি। এসবের মধ্যে রয়েছেন : ক্যাথেরিন অ্যাশর (স্থাপত্য), রিচার্ড ইটন (মন্দির অবমাননা),

    লুই ফেঞ্চ (শিখদের সাথে সম্পর্ক), ইউহানান ফ্রিডম্যান (সরহিন্দি নিষিদ্ধকরণ), যশ গোম্যান্স (যুদ্ধ ও দাক্ষিণাত্যের বছরগুলো), স্টুয়ার্ট গর্ডন (মোগল-মারাঠা সঙ্ঘাত), বি এন গোস্বামী (হিন্দু সন্ন্যাসী), জে এস গ্রেওয়াল (ফতোয়া-ই আলমগিরি), রবার্ট হ্যাঁলিসে (রাজপুতদের সাথে সম্পর্ক), শালিন জৈন (জৈনদের সাথে সম্পর্ক), হেইদি পাওয়েলস (কেশব দেব মন্দির), ক্যাথেরিন বাটলার স্কোফিল্ড (নি ব্রাউন, সঙ্গীত) ও তাইমিয়া জামান (ভীমসেন স্যাক্সেনা)। বিনয় লালের ওয়েবসাইটটি (Manas; http://www.sscnet.wcla.edu/southasia/) আওরঙ্গজেবের শাসনকালের বেশির ভাগ বিতর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত, সহজবোধ্য প্রবন্ধ রয়েছে। মোগল ইতিহাসের বেশ কিছু পর্যালোচনায় বৃহত্তর মোগল প্রকল্পে আওরঙ্গজেবের খাপ খাওয়ানোর বিষয়টি দেখানো হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে মাইকেল এইচ ফিশার, অ্যা শর্ট হিস্টরি অব দি মোগল এম্পায়ার (লন্ডন, ২০১৬), জন এফ রিচার্ডস, দি মোগল এম্পায়ার (ক্যাম্ব্রিজ, ১৯৯৩), ফ্রান্সিস রবিনসন, দি মোগল এম্পেস অ্যান্ড দি ইসলামিক ডাইনাস্টিকস অব ইন্ডিয়া, ইরান অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়া, ১২০৬-১৯২৫ (নিউ ইয়র্ক, ২০০৭)।

    এ বইটি লেখার সময় সুপ্রিয়া গান্ধী (দারা শুকোহ), ইয়াল রাইস (পেইন্টিং) ও বেশ কয়েকজন সহকর্মীর অপ্রকাশিত ও প্রকাশিতব্য গ্রন্থ থেকে সহায়তা গ্রহণ করার সুবিধা পেয়েছি। এছাড়া সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ২০১৪ ইউরোপিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর সাউথ-এশিয়ান স্টাডিজ কনফারেন্সে হেইদি পাওয়েলসের আয়োজিত আওরঙ্গজেববিষয়ক প্যানেলের অনেক লেখকের রচনাও দেখেছি। বর্তমান সময়ে আওরঙ্গজেব একটি নতুন করে সৃষ্টি হওয়া ব্যাপক আগ্রহের বিষয়। অনেক বিশেষজ্ঞ শিগগিরই তার ওপর অনেক মাধ্যমিক পর্যায়ের সামগ্রী উপহার দিতে চলেছেন ।

    —

    আওরঙ্গজেববিষয়ক নথিপত্রের ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিয়ে বলা শেষ দুটি কথা হলো যথাক্রমে প্রাচুর্যতা ও স্বল্পতা। আওরঙ্গজেব ইতোমধ্যেই সম্ভবত সবচেয়ে প্রামাণিক মোগল সম্রাটে পরিণত হয়েছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও আখবারাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ অনেক নথিপত্রে প্রবেশগম্যতা গবেষকদের জন্য কঠিন। তাছাড়া আওরঙ্গজেববিষয়ক নতুন নতুন সামগ্রী নিয়মিত আত্মপ্রকাশ করছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সম্রাটের একটি তরবারি ২০১১ সালে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাবার্ড থেকে চাঞ্চল্যকরভাবে বের হয়েছে। বেসরকারি বাজারে প্ৰামাণিক সামগ্রী আত্মপ্রকাশ করছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০১৪ সালে ক্রিস্টিসে আওরঙ্গজেবের ইস্যু করা একটি ফরমান ২৭,৫০০ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে। আওরঙ্গজেবের ওপর যারা গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চান, তাদের নথিপত্রের অভাবে ভুগতে হবে না ।

    অবশ্য সৌখিন পাঠক ও গবেষক উভয়কেই ঐতিহাসিক প্রমাণ ও নিয়মসম্মত ঐতিহাসিক দাবির প্রকৃতি সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। যেসব ব্যক্তি হিন্দু-মুসলিম সঙ্ঘাতের সন্দেহমূলক আধুনিক পরিভাষায় আওরঙ্গজেবের কথিত বর্বরতার ‘প্রমাণ’ উত্থাপন করার দাবি করে থাকেন, তারা প্রায়ই জাল নথিপত্র ও নির্লজ্জ ভুল অনুবাদসহ বিদ্বেষপ্রসূত মিথ্যাচার করছেন। যারা আওরঙ্গজেবের নিন্দা করেন, তাদের অনেকেরই ইতিহাসের নিয়মানুবর্তিতা সম্পর্কে কোনো প্রশিক্ষণ নেই, এমনকি প্রাক-আধুনিক ফারসি ইতিহাস কিভাবে পড়তে হয়, সে সম্পর্কে মৌলিক দক্ষতা পর্যন্ত নেই। লোকরঞ্জক পরিমণ্ডলে বন্যার মতো ছেয়ে যাওয়া আওরঙ্গজেব-সম্পর্কিত সাম্প্রদায়িক ভাষ্য নিয়ে সংশয়প্রবণ হতে হবে। এই জীবনী রচনা করা হয়েছে ঐতিহাসিক ব্যক্তি ও সম্রাট আওরঙ্গজেব আলমগির সম্পর্কে আমাদের মধ্যে বিরাজমান খুবই হালকা জ্ঞানের গভীরতা বাড়ানোর জন্য ।

    কৃতজ্ঞতাস্বীকার

    আমি এই সংক্ষিপ্ত বইয়ে অনেক ঋণের কৃতিজ্ঞতাস্বীকার করছি। অনেকেই তাদের অপ্রকাশিত গ্রন্থের তথ্য আমাকে জানিয়েছেন, ছবি দিয়ে সাহায্য করেছেন, এই বইয়ের প্রাথমিক পাণ্ডুলিপি পাঠ করেছেন। তাদেরকে উচ্ছ্বসিতভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আর সব মতামত, যুক্তি ও ভ্রান্তি কেবল আমার একার।

    ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম ঘৃণিত ব্যক্তি আওরঙ্গজেবকে নিয়ে লেখালেখি করা কোনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নয়। এ ব্যাপারে আমি বিশেষ ঋণ স্বীকার করছি। আমি বইটি লিখব কিনা তা নিয়ে যখন দ্বিধায় ছিলাম, তখন যারা আমাকে উপদেশ দিয়েছিলেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আপনি জানেন, কে আপনি আর আমি খুবই কৃতজ্ঞ ।

    আওরঙ্গজেবের জীবন ও শাসনকালের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ

    ১৬১৮ : জন্ম

    ১৬৩৩ : পাগলা হাতির মোকাবিলা

    ১৬৩৪ : প্রাপ্ত বয়স পূর্তি উদযাপন

    ১৬৩৭ : প্রথম বিয়ে

    ১৬৫৩-৫৪ : শিল্পী হিরাবাইয়ের সাথে রোমান্স

    ১৬৫৭ : প্রথম স্ত্রী দিলরাস বানু বেগমের ইন্তিকাল

    ১৬৫৭ : শাহজাহানের অসুস্থ হয়ে পড়া, উত্তরাধিকার লড়াই শুরু

    ১৬৫৭ : সম্রাট হিসেবে প্রথম অভিষেক অনুষ্ঠান

    ১৬৫৮ : সম্রাট হিসেবে দ্বিতীয় অভিষেক অনুষ্ঠান

    ১৬৫৯ : দারা শিকোহর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    ১৬৬১ : মুরাদ বকসের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    ১৬৬৩ : রাজা রঘুনাথের মৃত্যু

    ১৬৬৬ : শাহজাহানের ইন্তিকাল

    ১৬৬৬ : মোগল দরবার থেকে শিবাজির পলায়ন

    ১৬৬৭ : ফতোয়া-ই-আলমগিরির রচনা শুরু

    ১৬৬৯ : সম্রাটের ঝরোকা দর্শন প্রথা বাতিল

    ১৬৬৯ : বেনারসের বিশ্বনাথ মন্দির ধ্বংস

    ১৬৭৩-৭৪ : লাহোরে বাদশাহি মসজিদের নির্মাণকাজ সমাপ্ত

    ১৬৭৫ : তেজ বাহাদুরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    ১৬৭৯-৮০ : রাঠোর-সিসোদিয়া বিদ্ৰোহ

    ১৬৭৯ : জিজিয়া কর পুনঃপ্রবর্তন

    ১৬৭৯ : মোগল অভিজাতদের মধ্যে হিন্দু প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি শুরু

    ১৬৮০ : শিবাজির মৃত্যু

    ১৬৮১ : যুবরাজ আকবরের বিদ্রোহ

    ১৬৮১ : আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য যাত্রা

    ১৬৮৫-৮৬ : বিজাপুর অবরোধ

    ১৬৮৭ : গোলকোন্ডার পতন

    ১৬৮৯ : শম্ভুজির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    ১৯৯৮ : জিনজির (গিনগি) পতন

    ১৭০৪ : নির্বাসনে যুবরাজ আকবরের মৃত্যু

    ১৭০৪ : দাক্ষিণাত্যে জিজিয়া করে ছাড়

    ১৭০৫ : অমর সিংয়ের ফারসি রামায়ণ আওরঙ্গজেবকে উৎসর্গ

    ১৭০৭ : আওরঙ্গজেবের ইন্তিকাল

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – অজেয় রায়
    Next Article ঈশ্বরের বাগান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }