Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা – নিমাই ভট্টাচার্য

    নিমাই ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প128 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. সতী সাধ্বী নারীর জীবনে সিঁথির সিন্দুর

    সতী সাধ্বী নারীর জীবনে সিঁথির সিন্দুর সব চাইতে গর্বের ধন; রাজধানীর সামাজিক জীবনে ফ্রেণ্ডস কলোনীতে বাস করা তার চাইতে অনেক বেশী গর্বের, অনেক বেশী সম্ভ্রমের। ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভের ছেলেমেয়েরা অশোকা হোটেলে সাঁতার কাটতে যায়, জিমখানা ক্লাবে টেনিস খেলে, কিন্তু ফ্রেণ্ডস কলোনীর ছেলেমেয়েদের এত বিড়ম্বনা সহ্য করতে হয় না। সামনের লনের বাঁ দিকে টেনিস কোর্ট, ভিতরের লনের ডান দিকে সুইমিং পুল অনেক বাড়ীতেই পাওয়া যাবে। সারা ফ্রেণ্ডস কলোনীতে একটি দোতলা বাড়ী নেই, কিন্তু কোন বাড়ীর দক্ষিণাই হাজার চারেকের নীচে নেই বললেই চলে। বাংলা সরকারের হেড এ্যাসিস্ট্যান্টের চাইতে এখানকার বাবুর্চির মাইনে বেশী, ডেপুটি সেক্রেটারীর চাইতে ভাল পোষাক পরে, অনেক ভাগ্যবান সেক্রেটারীর চাইতে বেশী দেশ ঘুরছে।

    ফ্রেণ্ডস কলোনীর বাসিন্দাদের নাম খবরের কাগজের প্রথম পাতায় পাওয়া যায় না। মাঝে-মাঝে আইন-আদালতের কলমে বা কোম্পানীর নোটিশের মধ্যে পাওয়া যায়। এরা অনেকেই মন্ত্রীদের বক্তৃতা পড়েন না, কিন্তু ফিনান্স মিনিষ্ট্ৰী বা উদ্যোগ ভবনের আণ্ডার সেক্রেটারীদের জন্মদিন পালন করেন লুকিয়ে লুকিয়ে।

    রাজধানী দিল্লীতে যখন ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদের তীর্থক্ষেত্র ছিল তখন গলফ, লিঙ্ক জোড়বাগ–ডিফেন্স কলোনী–ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভ বা ফ্রেণ্ডস কলোনর জন্ম হয়নি, তিন-চার কি পাঁচ হাজার টাকা বাড়ী ভাড়া দেবার প্রশ্ন ওঠেনি। দেশের হাওয়া বদলের সঙ্গে সঙ্গে, সোস্যালিজমের ঝড় ওঠবার পর ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভ ফ্রেণ্ডস কলোনীর সৃষ্টি হলো, হাজার-হাজার টাকা বাড়ী ভাড়া দেবার খদ্দেরেরও অভাব ঘুচল।

    দিল্লীর সমাজ-জীবনের এ হেন ফ্রেণ্ডস কলোনীতে মিঃ কাপুরও বাস করতেন। যাঁরা দূর থেকে তাকে দেখেছেন, দেখেছেন ফ্রেণ্ডস কলোনীর জীবনকে, তারা জানেন, বিশ্বাস করেন কাপুর সাহেবের জীবনে শুধু আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে। দিল্লীর মানুষ বিশ্বাস করে ফ্রেণ্ডস কলোনীর জীবনে কোন দুঃখ, কোন হতাশা, কোন দীর্ঘ নিঃশ্বাস থাকতে পারে।

    কিন্তু ফ্রেণ্ডস কলোনীর কাপুর সাহেব জীবনের শেষ দিনগুলিতে চোখের জলের বন্যা বইয়েছেন, বুকের মধ্যে অসহ্য জ্বালা উপলব্ধি করেছেন। শুধু কি তাই? মানুষ দেখলে ভয় পেয়েছেন, সুন্দরী যুবতী দেখলে শিউরে উঠেছেন, মদের গেলাস দেখলে ছুটে পালিয়েছেন। রাত্রিতে ঘুমিয়েও শান্তি পাননি কাপুর সাহেব। ঘুম ভেঙ্গে মনে পড়েছে অতীত দিনের স্মৃতি। তিরিশ বছরের অতীত স্মৃতির জমাট বাঁধা অন্ধকার ভেদ করে ঘরে এসেছেন রায়বাড়ীর ছোট-বৌ………

    …বিলেত থেকে ফেরার পর আমাকে বর্ধমান, চট্টগ্রাম, বরিশাল ঘুরিয়ে প্রথম ইণ্ডিপেন্টে চার্জ দিল খুলনায়। আজকের মত তখনকার দিনে ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটদের অত ঝামেলা পোহাতে হতো না। আইন শৃঙ্খলা করাই ছিল প্রথম ও প্রধান কাজ। খুলনায় এসব ঝামেলা একটু কমই ছিল এবং প্রথম কয়েকটা মাস ভালই কাটল। কিন্তু তারপর এক অতি বর্ধিষ্ণু গ্রামে পর পর দুটি খুন হওয়ায় পরিস্থিতি বেশ একটু জটিল হলো। গোয়েন্দা বিভাগের তদন্তে মনে হলো স্বদেশীওয়ালাদের কাজ নয়। সরকার ঠিক নিশ্চিন্ত হতে পারলেন না। আমার উপর আদেশ হলো একটু ব্যক্তিগত নজর রাখতে। কমাস আরো কেটে গেল।

    এরপর একদিন নিমন্ত্রণ এলো ঐ গ্রামের উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী সভায় সভাপতিত্ব করতে। নিমন্ত্রণ গ্রহণ করলাম। ঠিক করলাম ঐ গ্রামে কয়েক দিন থাকব, কিন্তু কাউকে জানালাম না।

    যথারীতি অন্যান্য ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটদের মতো আমারও থাকার ব্যবস্থা হলো রায়বাড়ী। মহাসমারোহে আমাকে অভ্যর্থনা করা হলো। কয়েক হাজার গ্রামবাসীর সামনে বায়বাড়ীর তিন বাবু ও তিন গিন্নী আমাকে নতুন জামাই-এর চাইতেও অনেক বেশী সমারোহে বরণ করলেন। ছোটবাবু বেশ সৌখীন মানুষ; সন্ধ্যার পর একটু নাচ-গানেরও আয়োজন করেছিলেন।

    পরের দিন সকালে পুরস্কার বিতরণী সভায় সভাপতিত্ব করলাম। সভার শেষে স্কুলের জন্য সরকারী তহবিল থেকে পাঁচ হাজার টাকা দান করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করায় গ্রামের আপামর সাধারণ আমার মহানুভবতায় মুগ্ধ হলো।

    বিকেলবেলায় গ্রাম দেখতে বেরুলাম। সবাই ভেবেছিলেন সন্ধ্যার আগেই আমি শহরের দিকে রওনা হবে। কিন্তু বেড়িয়ে এসে জানালাম, গ্রামটাকে ভালবেসে ফেলেছি। কদিন থেকে যাব। রায়বাবুদের বললাম, তাছাড়া পর পর দুটি দারোগা খুন হওয়ায় গ্রামের লোকের মনে একটু আতঙ্ক দেখা দিয়েছে, সুতরাং আমি থাকলে হয়তো তাদের আস্থা ফিরে আসবে।

    মুহূর্তের মধ্যে দৃষ্টিটা ঘুরিয়ে নিলাম। মনে হলো ছোটবাবু ও ছোট গিন্নীর কপালে চিন্তার রেখা ফুটে উঠেছে। কিন্তু মুখে অবশ্য সবাই অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করলেন।

    কাপুর সাহেব তার অতীত জীবনের কথা বলতে গিয়ে একটু পায়চারী করে নিলেন। একটু হাসলেন, একটু ভাবলেন, একটু যেন তলিয়ে গেলেন।…

    জানো জার্নালিস্ট, ছোটবাবু জমিদারীর জরুরী কাজে গ্রামান্তরে গেলেন সে রাত্রে। যাবার সময় ছোট-বৌকে বিশেষ করে অনুরোধ করে গেলেন আমার দেখাশুনা করতে।

    একটু পরেই এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেল। গ্রামের দুচারজন গণ্যমান্য ব্যক্তি কাপুর সাহেবের সঙ্গে আলাপ করে বিদায় নিলেন।

    ছোট-বৌ নিজে তদারক করে কাপুর সাহেবকে ডিনার খাইয়ে বিদায় নিলেন। যাবার সময় বলে গেলেন, আমি ঐ বারান্দার কোণার ঘরে থাকব। যদি কোন দরকার হয়, বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে ডাকবেন।

    -না না কিছু দরকার হবে না, আপনি এবার বিশ্রাম নিতে যান।

    হাসিমুখে হাত জোড় করে নমস্কার করে ছোট-বৌ বিদায় নিলেন। বারান্দার ঝড় লণ্ঠনগুলো নিবিয়ে দিয়ে চাকরবাকরের দলও বিদায় নিলো। আরো কিছুক্ষণের মধ্যে সারা জমিদার বাড়ীই নিঝুম হয়ে পড়ল। সারা দিনের অসংখ্য মানুষের কলকোলাহল রাত্রির নিস্তব্ধতার মধ্যে হারিয়ে গেল।

    টিপটিপ বৃষ্টি আর জলো-হাওয়ার বেশ একটু ঠাণ্ডা আমেজ ছিল সে রাত্রে। ঘুমটা বেশ জমে উঠেছিল, কিন্তু হঠাৎ ভয়ে চমকে উঠলেন কাপুর সাহেব। সারা আকাশ ভরে বিদ্যুৎ চমকে উঠল। পায়ের দিকের জানলা দিয়ে একঝলক আলো ছড়িয়ে পড়ল সারা ঘরে।

    কাপুর সাহেব ধড়মড় করে উঠে বসলেন, প্রায় হাঁপাতে হাঁপাতে জিজ্ঞাসা করলেন, কি ব্যাপার? আপনি?

    সে রাত্রের প্রতি মুহূর্তের কাহিনী শোনার নয়, শোনাবারও নয়। প্রখ্যাত জমিদার রায়বাড়ীর ছোট-বৌ সেদিন সে রাত্রে ধীরে ধীরে কিভাবে তার দেহের, মনের, সংস্কারের, ঐতিহ্যের বন্ধন খুলে দিয়ে ছিলেন, সে কাহিনীর পূর্ণ বৃত্তান্ত আজও বলতে গেলে কাপুর সাহেবের গলা শুকিয়ে আসে, চোখ-মুখ-কান লাল হয়ে ওঠে।

    আমার দিক থেকে দৃষ্টিটা ঘুরিয়ে নিলেন কাপুর সাহেব। ছোট টিবেটিয়ান কুকুরটাকে কোলে তুলে নিয়ে আদর করতে করতে বললেন, জার্নালিস্ট, তুমি আমার ছেলের বয়সী, মুশকিল সেইখানে…

    কয়েক মুহূর্তের জন্য আবার একটু তলিয়ে গেলেন কাপুর সাহেব।

    …ধীরে ধীরে তিলে তিলে একটু ছোঁয়া, একটু হাসি, একটু আদর, একটু ভালবাসার খেলা খেলে ছোট-বৌ আমাকে গ্রাস করল। আমার সমস্ত কাণ্ডজ্ঞান পুড়ে ছারখার হয়ে গেল, আমার বিদ্যা-বুদ্ধি, ন্যায় অন্যায় জ্ঞান বিদায় নিল।

    ভোরবেলায় হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেলে নিজের বিছানায় ছোট-বৌকে দেখে চমকে উঠলেন কাপুর সাহেব। ছোট বৌ কিন্তু চমকে ওঠেনি।

    …ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব, এ বাড়ীর কর্তারা নিজের বাড়ীতে নিজের স্ত্রীর সঙ্গে সারাদিন ভালবাসার অভিনয় করেন কিন্তু সন্ধ্যার অন্ধকার হতে না হতেই খাঁচা ছেড়ে উড়ে যায়। একটু মুচকি হেসে বলেছিল, কিন্তু এ বাড়ীর গিন্নীরাও সন্ন্যাসিনী নয়।

    দুপুরবেলায় খাওয়া-দাওয়া করেই শহরে যাবার পরিকল্পনা ছিল কাপুর সাহেবের, কিন্তু সুরমা-মাখা বাঁকা চোখের হাসি দিয়ে ছোট বৌ তাঁর সব পরিকল্পনা বানচাল করে দিয়েছিলেন। আরো কটি রাত্রি রায়বাড়ীর অতিথিশালায় ছিলেন তিনি। রাত্রির অন্ধকারে দেহের, মনের সমস্ত বন্ধন যখন শিথিল হয়েছিল, তেমনি এক দুর্বল মুহূর্তে ছোট-বৌ বলেছিলেন, রাত্রের অন্ধকারে যখন আমরা শিকারের খোঁজে বেরিয়ে থাকি, তখন কোন বাধা-বিপত্তি গ্রাহ্য করা সম্ভব হয় না। রায়বাড়ীর বাবু বা গিন্নীদের হাতে দুচারজন ভাগ্যবান প্রজার স্বর্গবাস হওয়া আশ্চর্যের কিছু নয়।

    কাপুর সাহেব একথার তাৎপর্য বুঝেছিলেন; বুঝেছিলেন ইদানীংকালের দুটি খুনের রহস্য। দুর্বলতাবোধ করেছিলেন রহস্য উদ্ধারের কাজে এগুতে।

    সেই হলো শুরু।

    পরবর্তী কালে কর্মব্যপদেশে প্রায় সারা ভারতবর্ষ ঘুরেছেন কাপুর সাহেব। অর্থ, প্রতিপত্তি, মর্যাদার জন্য কাঙাল হয়ে কত অসংখ্য মানুষ এসেছেন তাঁর কাছে। একটা লাইসেন্স, পারমিট, বে-আইনী কাজ করে অন্যায়ভাবে অর্থ উপার্জনের জন্য মানুষকে অমানুষ হতে দেখেছেন তিনি। প্রথম প্রথম বিবেক বিদ্রোহ করেছে, মন সায় দেয়নি। ছোট-বৌ-এর স্মৃতিকে নিতান্তই একটা দুর্ঘটনা বলে মনে করেছিলেন কাপুর সাহেব। সে স্মৃতি তিনি মুছে ফেলেছিলেন মন থেকে। নিষ্ঠাবান স্বামীরূপে, স্নেহশীল ও দায়িত্বশীল পিতারূপে তিনি সারা সংসারের প্রিয় হয়েছিলেন। কিন্তু দিনে দিনে, তিলে তিলে অদৃশ্য ক্ষয়রোগের মতো সমাজের মানুষ তার সমস্ত সুখ কেড়ে নিয়েছে, আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে সারা সংসারে। স্ত্রীর ভালবাসা, পুত্রের শ্রদ্ধা হারিয়েছেন তিনি।

    কাপুর সাহেব বারান্দা থেকে লনে নেমে একটু পায়চারী করে গোটাকতক ক্রিসানথিমাম্ ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলে দিলেন মাটিতে।

    …তুমি ভাবতে পারবে না জার্নালিস্ট, মানুষ অর্থের জন্য, নারীর জন্য কত নীচ, কত জঘন্য, কত অশ্লীল হতে পারে। ইন্সপেকশনের জন্য বেরিয়ে ডাকবাংলোয় আশ্রয় নিয়েছি, বিশ্রাম নেবার জন্য ফরেস্টে গিয়েছি, নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে বন্ধুর বাড়ী গিয়েছি, সব জায়গায় ব্যবসা দারের দল আমার জন্য একটি নৈবেদ্য প্রস্তুত রেখেছে। মন বিদ্রোহ করেছে, কিন্তু দেহকে সংযত করতে পারিনি। রাগে-আক্রোশে ইচ্ছায় অনিচ্ছায় এইরকম আগুন নিয়ে খেলা খেলতে খেলতে আমি নিজেকে হারিয়ে ফেললাম। আর হারালাম নিজের সংসার। আমার স্ত্রী পুত্রকে নিয়ে বিদায় নিলেন আমার সংসার থেকে। সে আজ বিশ বছরের কথা। এই বিশ বছরে আমি যতটা তলিয়ে গেছি, যতটা নীচে নেমেছি, আমার পুত্র ঠিক ততটাই উঁচুতে উঠেছে। ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটিতে সে আজ নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে সিনিয়র লেকচারার, কিন্তু তাকে নিয়ে আমার গর্ব করার কোন অধিকার নেই।

    কাপুর সাহেব গড় গড় করে আরো অনেক কথা বলেছিলেন। আমি থামাতে চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পারিনি।

    …অনেক জায়গা ঘুরে শেষে দিল্লীতে এসে ভেবেছিলাম একটু স্বস্তি পাব, নিজেকে রক্ষা করতে পারব। কিন্তু অদৃষ্ট বিরূপ; ভারত বর্ষের সর্বত্র রাত্রের অন্ধকারের সুড়ঙ্গপথে সবার অলক্ষ্যে লুকিয়ে-চুরিয়ে যে কারবার, যে লেন-দেন হয়, রাজধানী দিল্লীতেই সেই লেন-দেন প্রায় প্রকাশ্যে হবার অফুরন্ত সুযোগ।

    লিয়াজো অফিসার আর থার্ডপার্টিদের কৃপায় লাঞ্চ-ডিনার ককটেল রিসেপশনের অভাব নেই। এদের অনেকের কৃপায় সন্ধ্যার স্তিমিত আলোকে জোড়বাগ-গলফ লিঙ্ক–ডিফেন্স কলোনী–সুন্দর নগরের অনেক ফ্ল্যাটে, বিংশ শতাব্দীর অপ্সরীদের আবির্ভাব হয়।

    কাপুর সাহেব বলতেন, পারভারশনের মধ্যে একটা আকর্ষণ আছে, পৈশাচিক আনন্দের মধ্যে একটা নেশার আমেজ পাওয়া যায়। তার সঙ্গে আছে অর্থ। এই ত্র্যহস্পর্শের টানে নেমে এসেছে সর্বস্তরের নারী।

    রাজধানী দিল্লীর নৈশ অভিযানের অন্যতম নায়ক ছিলেন আমাদের কাপুর সাহেব। কিন্তু হঠাৎ একদিন দীর্ঘদিনের ইতিহাসের মোড় ঘুরল, কাপুর সাহেবের কাহিনীর ওপর যবনিকা নেমে এলো।

    পর পর তিন দিন ছুটি ছিল। ডেরাডুনে চাওলাদের অতিথিশালায় তিনটি দিন উপভোগ করার জন্য মিঃ চাওলার সঙ্গে কাপুর সাহেব ভোরবেলায় চলে গেলেন ডেরাডুন। লাঞ্চের পর বিশ্রাম করে সন্ধ্যার মুখোমুখি ফিয়েটে করে দুজনে চলে গেলেন মুসৌরী। ডিনার খেয়ে ফিরতে ফিরতে রাত প্রায় দশটা বেজে গেল। চাওলা সাহেবের গাড়ী গেট দিয়ে ঢুকতে না ঢুকতেই হঠাৎ লাইট ফিউজ হয়ে গেল।

    কাপুর সাহেবের সন্তোষ বিনোদনের জন্য একটি নৈবেদ্যের আয়োজন করেছিলেন বুদ্ধিমান চাওলাসাহেব। গাড়ী থেকে নেমে বারান্দায় উঠতেই তিনি মিহি সুরে দুজনকে অভ্যর্থনা করলেন। চাঁদের আবছা আলোয় চাওলাসাহেব পরিচয় করিয়ে দিলেন, কমলা, মীট মাই গুড এ্যাণ্ড রোমান্টিক ফ্রেণ্ড ববি কাপুর! ঐ আবছা আলোতেই তিনজনেই দু-এক পেগ হুইস্কী খেয়ে একটু গল্পগুজব করলেন।

    ইতিমধ্যে চাকর-বাকরের দল ছুটাছুটি করেও, একটা ইলেকট্রিক মিস্ত্রী জোগাড় করতে পারল না। কাপুর সাহেব টিপ্পনী কেটে বললেন, দি ইলেকট্রিসিয়ান উইল নট টার্ন আপ বিফোর টু-মরো মর্নিং।

    কয়েক মিনিট বাদেই টেলিফোন বেজে উঠল। এক বন্ধু সন্দর্শনের জন্য চাওলাসাহেব বিদায় নিলেন। প্রতিশ্রুতি দিলেন আধ ঘণ্টার মধ্যে ফিরে আসার। বিশ বছর আগে হলে কাপুর সাহেব বিশ্বাস করতেন, ইলেকট্রিসিয়ান এসে আলো জ্বালাবে আর চাওলাসাহেব আধ ঘণ্টার মধ্যে ফিরবেন। আজ জানেন, এ-সবই মিথ্যে, সবই উপলক্ষ্য মাত্র।

    লনে বসে আরো পেগ দুই হুইস্কী খেয়ে নিলেন দুজনে। তার পরের কাহিনী নতুন কিছু নয়। বাকী রাতটুকুর জন্য কমলার বুকে আশ্রয় নিলেন কাপুর সাহেব।

    ভোরবেলার দিকে ঠাণ্ডার আমেজ লাগায় ঘুম ভেঙ্গে গেল। ঘুমে অচৈতন্য প্রায় বিবস্ত্র কমলাকে পাশে দেখে চমকে উঠলেন কাপুর সাহেব। খুব ভাল করে দেখে নিলেন। হ্যাঁ, কপালের কাটা দাগটা ঠিকই আছে, বাঁ দিকের গালের তিলটাও। কাপুর সাহেবের সারা শরীরটা কেঁপে উঠল। বিন্দু বিন্দু ঘামে সারা শরীরটা ভিজে উঠল। কমলার গলা পর্যন্ত একটা চাদর টেনে দিয়ে খুব ভাল করে সারা মুখটা দেখে নিলেন। প্রায় বছর দশেক আগে দেখেছিলেন এই মুখ, বড় পছন্দ হয়েছিল। আদর করে ঘরে তুলে এনেছিলেন এক অনুজ প্ৰতিমের বধুরূপে।…ভাইয়ের থেকেও বেশি, দু যুগের ওপর তাঁরই কাছে থেকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সেই ছেলে। সংসারের বিচিত্র গতিতে আর দেখা হয়নি। কোন সন্দেহের কারণ ছিল না, তবুও আলতো করে হাতের আংটিটা দেখলেন, ভ্যানিটি ব্যাগটা দেখে নিলেন। সব সংশয়ের অবসান।

    হাতের কাছে রিভলবার থাকলে নিশ্চয়ই গর্জে উঠত। হয়তো দুটি প্রাণই দেহছাড়া হতো। কিন্তু তা হয়নি। কাপুর সাহেব চোরের মতো লুকিয়ে পালিয়ে এসেছেন দিল্লী। চাকুরীতে ইস্তফা দিয়ে ফ্রেণ্ডস কলোনীর বাড়ীতে বন্দী করেছেন নিজেকে।

    মাঝে মাঝে আমি গিয়েছি। টুকটাক কথাবার্তা। কিন্তু তার সংযত আচরণের মধ্যেই কেমন যেন একটা চঞ্চলতা লক্ষ্য করেছি। বড় অসহায় মনে হয়েছে কাপুর সাহেবকে। তারপর আর কদিন যেতে পারিনি। কাজের চাপে টেলিফোন করাও হয়নি।

    সেদিন শনিবার। পার্লামেন্ট নেই। ভেবেছিলাম একটু বেলা পর্যন্ত ঘুমোবো। কিন্তু ভোরবেলায় ঘুম ভাঙাল কাপুর সাহেবের চাকর রামলোচন সিং। গাড়ী নিয়ে ছুটে গেলাম। আমাকে দেখেই জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বললো, বাবুজী, সাহেব দাবাই পিকে গুজর গ্যায়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য
    Next Article এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নিমাই ভট্টাচার্য

    মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    ডিপ্লোম্যাট – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেয়সী – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }