Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    লেখক এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. সারা ঘরে মুহূর্তে স্তব্ধতা

    সারা ঘরে মুহূর্তে স্তব্ধতা নেমে এল। ইনসপেক্টর জ্যাপের কণ্ঠস্বরে সকলের চমক ভাঙলো। পোয়ারোকে জ্যাপ ধন্যবাদ জানিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন সব সাক্ষীরা বিশ্বাসযোগ্য কিনা।

    পোয়ারো জানাল সাক্ষীদের নাম ঠিকানা সে লিখে রেখেছে। জ্যাপ জানালেন তিনি পোয়ারোর কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ মিঃ ইঙ্গলথর্পপঁকে গ্রেপ্তার করলে কেলেঙ্কারির একশেষ হত।

    এবার ইনসপেক্টর ইঙ্গলথর্পের দিকে তাকিয়ে বললেন তিনি ইঙ্গলথর্পের কাণ্ড দেখে অবাক হয়েছেন, জানতে চাইলেন কেন তিনি তদন্তের সময় ঐ ব্যাপারটা বলেননি।

    পোয়ারো বলল, আসলে বাজারে একটা দারুণ গুজব চলছিল বলেই তিনি বলতে পারেননি। ইঙ্গলথর্প পোয়ারোকে বাধা দিয়ে উত্তেজিত কণ্ঠে বললেন যে সে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিদ্বেষ প্রসূত।

    পোয়ারো বলে উঠল, মিঃ ইঙ্গলথর্প আবার কোনো কেলেঙ্কারীতে জড়িয়ে পড়তে চাননি। ইঙ্গলথর্প বললেন সত্যিই তাই। তিনি তার প্রিয় পত্নী এমিলিকে কবরস্থ করার আগে আবার কোনো বাজে গুজবের শিকার হতে চাননি।

    ইনসপেক্টর জ্যাপ বললেন খুনের দায়ে ধরা পড়ার চেয়ে ওরকম হাজারটা গুজবে জড়ানো অনেক ভালো। জ্যাপ ইঙ্গলথর্পপকে এও বলেন যাতে তিনি পোয়ারোকে ধন্যবাদ জানান কারণ তিনি থাকলেই ইঙ্গলথর্প গ্রেপ্তারির হাত থেকে রেহাই পেতেন না। ইঙ্গলথর্প স্বীকার করলেন যে তিনি বোকার মত কাজ করেছেন।

    জ্যাপ এবার জনকে বললেন তিনি মিসেস ইঙ্গলথর্পের ঘরটা একবার দেখতে চান, তবে এজন্য জনকে ব্যস্ত হতে হবে না, পোয়ারোই তাকে সব দেখিয়ে দেবে। এছাড়া তিনি চাকর বাকরদের কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান।

    সবাই ঘর থেকে বেরিয়ে এলে পোয়ারো আমাকে ইশারা করে ওর পেছনে যেতে বলল। সিঁড়ির কাছে যেতেই পোয়ারো আমার হাত ধরে টেনে বলল আমি যাতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঐ বাড়িটার অন্য দিকটাতে বড়ো দরজাটার পাশে গিয়ে দাঁড়াই। সে ওখানে না পৌঁছনো পর্যন্ত আমি যেন এতটুকু না নড়ি, এ ব্যাপারে সে সাবধান করে দিল।

    পোয়ারোর কথাবার্তা আমার কিছুই বোধগম্য হল না। তবুও ওর কথামতো বড়ো দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। পোয়ারো কি আমাকে শেষ পর্যন্ত পাহারা দেবার জন্য পাঠাল তা বুঝে উঠলে পারলাম না। বহুক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে উল্টোপাল্টা ভাবতে লাগলাম, কাউকে কোথাও দেখলাম না।

    প্রায় মিনিট কুড়ি পরে পোয়ারোর দেখা পেলাম। সে জানতে চাইল আমার নজরে কিছু পড়েছে কিনা। আমি জানালাম না। পোয়ারো এবার বলল আমি নিশ্চয়ই কোনো ভারী কিছু পড়ার শব্দ শুনেছি, আমি জানালাম কোনো আওয়াজ শুনিনি। পোয়ারো হতভম্ব হয়ে গেল, বলল সেটা কি করে সম্ভব হতে পারে। হাত দিয়ে সামান্য ধাক্কা দিয়ে সে একটা টেবিল ফেলে দিয়েছে।

    পোয়ারোকে দেখে বুঝতে অসুবিধা হল না যে সে কোনো পরীক্ষা করতে চেয়েছিল, সফল না হাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে। আমি তাকে বেশি উত্তেজিত হতে বারণ করলাম।

    হঠাৎ জানলার বাইরের দিকে তাকাতেই ডঃ বরস্টিনকে দেখতে পেলাম। আমি পোয়ারোর দৃষ্টি আকর্ষণ করালাম সেদিকে। পোয়ারো বিড়বিড় করে বলল নোকটা বড় বেশি চালাক। আমি বললাম বরস্টিনকে আমার রীতিমত শয়তান বলে মনে হয়। পোয়ারোকে আমি মঙ্গলবার রাতের সেই দৃশ্যটার কথা বললাম, সারা শরীরে কাদা মাখা অবস্থায় বরস্টিনকে কেমন লাগছিল তার বর্ণনা দিলাম। একথাও বললাম যে বরস্টিন ঐ কাদামাখা পোশাকে ঘরের ভেতরে আসতে চাইছিলেন না, ইঙ্গলথর্প তাকে জোর করায় তিনি ভেতরে আসেন। তখন আমাদের রাতের খাওয়াদাওয়া হয়ে গিয়েছিল।

    পোয়ারো কথাগুলো শুনে আমার ওপর আচমকা ঝাঁপিয়ে পড়ে আমার কাধ ধরে ঝাঁকুনি দিল।

    আমি তার এই হাবভাবে চমকে গেলাম। পোয়ারো জিজ্ঞাসা করল আমি কেন তাকে একথা আগে বলিনি। আমি বললাম এই সামান্য ব্যাপারটা যে তাকে জানানো উচিত সেটা আমার একটুও মনে হয়নি। আমি ভেবেছিলাম ব্যাপারটা খুব একটা দরকারী নয়।

    পোয়ারো বলল ব্যাপারটা সত্যিই খুব দরকারী। সে বলতে লাগল ডাঃ বরস্টিন তাহলে খুনের ঘটনার রাতে এই বাড়িতেই ছিল এই তথ্যটা জানার জন্য তার সব ধারণা বদলে গেল।

    কোনোদিন পোয়ারোকে এত উত্তেজিত হতে দেখিনি। সে বলল আর দেরি করা উচিৎ নয়। জনকে তার এই মুহূর্তে দরকার।

    জনকে ধূমপানের ঘরে পাওয়া গেল। পোয়ারো সোজা ঘরে ঢুকে জনকে বলল একটা বিশেষ প্রয়োজনে তাকে একবার ট্যাডমিনস্টারে যেতে হবে। সেজন্য একটা গাড়ি তার দরকার।

    জন সঙ্গে সঙ্গে ঘন্টা বাজিয়ে লোক ডেকে গাড়ির ব্যবস্থা করে দিলে আমরা তৎক্ষণাৎ ট্যাডমিনস্টারের দিকে রওনা হলাম।

    আমি ব্যাপারটা কি জানতে চাইলাম। কিছুদূর যাওয়ার পর পোয়ারো আমাকে মাথা খাটাতে বলল। তারপর আবার নিজেই বলতে শুরু করল যে মিঃ ইঙ্গলথর্প ছাড়া পাওয়ার পর সমস্ত চিন্তাধারণাটাই বদলে গেছে। এখন জানতে হবে মিঃ ইঙ্গলথর্পের ছদ্মবেশে কে দোকান থেকে স্ট্রিকনিন কিনেছিল। মিসেস ক্যাভেণ্ডিস ছাড়া সকলকেই এই ব্যাপারে সন্দেহ করা যেতে পারে। মিসেস ক্যাভেণ্ডিস ঐ সময়ে আমার সঙ্গে টেনিস খেলছিলেন।

    আরোও একটা জিনিষ জানতে হবে, সেটা হল মিঃ ইঙ্গলথর্প কফির কাপটা জলঘরে রেখে গেছিলেন ঐ কাপটা শেষ পর্যন্ত কে মিসেস ইঙ্গলথর্পের ঘরে পৌঁছে দেয়। এছাড়া কাপটা যতক্ষণ হলঘরে টেবিলে ছিল কে কে ঐ ঘরে এসেছিল। পোয়ারো জানাল আমার কাছে সব কথা শুনে সে নিশ্চিত যে মিসেস ক্যাভেণ্ডিস এবং সিনথিয়া কফির কাছে মোটেই যাননি।

    পোয়ারো এবার আত্মগতভাবে বলে যেতে লাগল একটা ব্যাপার তার কাছে খুবই চিন্তার বলে মনে হচ্ছে–অ্যালফ্রেড ইঙ্গলথর্পপকে যে আর সন্দেহের তালিকায় রাখা হচ্ছে না সেটা হত্যাকারী বুঝতে পারলে সাবধান হয়ে যাবে। পোয়ারো হঠাৎ আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল আমার কাউকে সন্দেহ হচ্ছে কিনা।

    আমি একটু ইতস্ততঃ করতে লাগলাম, বুঝে উঠতে পারলাম না কি উত্তর দেব। তবুও আমি অভয় হয়ে বললাম আমার মনে হচ্ছে মিস হাওয়ার্ড অনেক কিছু গোপন করেছেন। মিস ওয়ার্ড যেহেতু ঘটনার দিন অকুস্থল থেকে অনেক দূরে ছিলেন সেজন্য তাকে আমরা সন্দেহের তালিকায় ফেলছি না। কিন্তু উনি স্টাইলস্ থেকে মাত্র পনেরো মাইল দূরে ছিলেন, ঐ পথ গাড়িতে মাত্র আধ ঘণ্টাতেই যাওয়া যায়, সেই রাত্রে মিস হাওয়ার্ড যে স্টাইলসে ছিলেন না সেকথা কেই বা বলতে পারে।

    পোয়ারো মৃদু হেসে বলল সে বলতে পারে যে মিস হাওয়ার্ড সেই রাতে স্টাইলসে ছিলেন না, কারণ মিস হাওয়ার্ড যে হাসপাতালে কাজ করে পোয়ারো সেখানে ফোন করেছিল। আমি শুনে অবাক হলাম। পোয়ারো জানাল ফোন করে সে জানতে পেরেছে। মঙ্গলবার বিকালে মিস হাওয়ার্ড কাজে ব্যস্ত ছিলেন, কয়েকজন রোগী আসায় তিনি রাতে থাকতে চেয়েছিলেন এবং রাত্রেও কাজ করেছিলেন। সুতরাং তার সম্বন্ধে আর সন্দেহের অবকাশ রইল না।

    এবার পোয়ারো আমার ওপর একটা কাজের ভার দিল, বলল, লরেন্স ক্যাভেণ্ডিসের সঙ্গে দেখা হলে আমি যেন তাকে বাড়তি কফির কাপটা খুঁজে বের করতে বলি এবং এও বলি যে তাহলে আর কোনো চিন্তা থাকবে না।

    দারুণ অবাক হয়েই পোয়ারোর কথার পুনরাবৃত্তি করলাম। পোয়ারো বলল আমি যাতে ঠিক এইভাবেই কথাটা লরেন্সকে বলি। আমি কথাটার অর্থ জানতে চাইলাম। পোয়ারো আমাকে চিন্তা করে দেখতে বলল।

    কথাটা বলতে বলতে আমরা ট্যাডমিনস্টারে পৌঁছে গেলাম। পোয়ারো একটা রাসায়নিক পরীক্ষাগারের সামনে গাড়িটাকে দাঁড় করিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল। পোয়ারো ফিরে আসতেই আমি জানতে চাইলাম ওখানে তার কি দরকার ছিল।

    পোয়ারো জানাল শোবার ঘর থেকে যে কোকোটা পাওয়া গেছিল সেটা সে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য দিতে গেছিল। আমি খুব অবাক হয়ে বললাম ঐ কোকো তো ডঃ বরস্টিন পরীক্ষা করেছেন। পোয়ারো বলল ব্যাপারটা সে জানে, তবুও আরেকবার পরীক্ষা করলে তো কোনো ক্ষতি নেই।

    এরপর পোয়ারো আর কোনো কথা বলল না, একেবারে চুপ করে গেল।

    পরদিন মিসেস ইঙ্গলথর্পের অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হল। তার পর দিন সোমবার–বেশ দেরি করেই সকালে চায়ের আসরে হাজির হলাম। খাওয়ার সাথে সাথেই জন আমাকে আড়ালে টেনে বলল মিঃ ইঙ্গলথর্প সেদিন সকালেই বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। জন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বলল এবার তারা সত্যিই হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে। জন আরও জানাল যে মিসেস ইঙ্গলথর্প অর্থাৎ তার মা বাড়িটা মিঃ ইঙ্গলথর্পপকে দিয়ে যাননি।

    আমি জিজ্ঞাসা করলাম যে এই বাড়িটা রাখতে তার কোনো অসুবিধা হবে কিনা। জন বলল সেরকম কোনো অসুবিধা হবে না, তবে মৃত্যু কর দিতে হবে। তাহলেও তার বাবার রেখে যাওয়া টাকার অর্ধেকটাই তাদেরই থাকছে। লরেন্সও আপাতত তার কাছেই থাকবে, কারণ তারও একটা অংশ আছে।

    ইঙ্গলথর্প বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে শুনে সকলকেই বেশ খুশী বলে মনে হতে লাগল। দুর্ঘটনাটা ঘটে যাওয়ার ফলে বাড়ির আবহাওয়াটা খুব ভারী হয়ে পড়েছিল। সম্ভবতঃ সেদিনই সকলে বেশ ফুর্তির সঙ্গে প্রাতঃরাশ সারলো। শুধুমাত্র লরেন্সকেই অদ্ভুত গম্ভীর আর চিন্তিত মনে হতে লাগল।

    সংবাদপত্রগুলোও এই দুর্ঘটনার বিবরণ ছেপে দিয়ে বেশ মেতে উঠেছিল। বাড়ির প্রায় সকল সদস্যের কথাই কাগজের পাতায় মুখরোচকভাবে পরিবেশন করা হচ্ছিল। পুলিশও কিছু সূত্র পেয়েছে বলে লেখা হচ্ছিল। আসলে যুদ্ধের হুজুগে ভাটা পড়ায় এই ঘটনাটা বেশ আলোচনার খোরাক হয়ে উঠেছিল। সংবাদদাতারা তো সময়ে অসময়ে স্টাইলসের লোকজনকে বিরক্ত করে ছেড়েছে। সুযোগ পেলেই বাড়ির সকলের ছবি তুলতে শুরু করল। এছাড়া স্কটল্যাণ্ড ইয়ার্ডের গোয়েন্দারাও আসা যাওয়া করছে বারবার, প্রশ্নের পর প্রশ্ন করে যাচ্ছে–সব মিলিয়ে প্রাণান্তকর এক অবস্থা।

    সেদিন প্রাতঃরাশের পর একটা বিচিত্র ঘটনা ঘটল। ডরকাস হঠাৎ আমার কাছে এসে বলল তার কিছু কথা বলার আছে। আমি জানতে চাইলাম, ব্যাপারটা কি? সে জিজ্ঞাসা করল পোয়ারোর সাথে আমার আর দেখা হবে কিনা। আমি মাথা নেড়ে সায় দিতেই ও আবার বলল, পোয়ারো জানতে চেয়েছিল মিসেস ইঙ্গলথর্পের কোনো সবুজ রঙের পোশাক আছে কিনা।

    আমি বেশ আগ্রহান্বিত হয়ে জানতে চাইলাম সে পোশাকটা খুঁজে পেয়েছে কিনা। ডরকাস জানাল সে খুঁজে পায়নি, তবে চিলেকোঠার ঘরে একটা মস্ত বড় সিন্দুক রাখা আছে যাতে অনেক রকম পোশাক আছে। সবাই সিন্দুকটাকে পোশাকের বাক্স বলে। তাই তার ধারণা ঐ সিন্দুকে একটা সবুজ রঙের পোশাক থাকতেও পারে। এই কথাটা আমি যাতে পোয়ারোকে বলি সেজন্য ডরকাস আমাকে অনুরোধ করল। আমি তাকে বলব বলে আশ্বস্ত করলাম।

    ডরকাসের দেওয়া খবরটা পোয়ারোকে এখনই জানানো দরকার মনে করে ওর খোঁজে বের হলাম। বেশি দূর যেতে হল না, রাস্তার মাঝেই পোয়ারোর সঙ্গে দেখা হল। খবরটা তাকে বলতেই সে সিন্দুকটা দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠল।

    আবার আমরা দুজনে বাড়িতে ঢুকলাম। হলঘরে কাউকে দেখতে পেলাম না। সোজা আমরা চিলেকোঠার ঘরে উপস্থিত হলাম। বড়ো একটা সিন্দুক দেখতে পেলাম, খুব সুন্দর পেতলের কাজ করা সিন্দুকটা। ভেতরে বিভিন্ন ধরনের বিচিত্র পোশাক বোঝাই রয়েছে। পোয়ারো পোশাকগুলো এক এক করে বাইরে স্তূপীকৃত করতে লাগল। দুএকটা হাল্কা সবুজ রঙের পোশাক পেলেও পোয়ারো সন্তুষ্ট হল না।

    হঠাৎ পোয়ারো সিন্দুকের মধ্যে আঙ্গুল তুলে আমাকে দেখতে বলল। দেখলাম প্রায় খালি সিন্দুকটার একেবারে তলায় একগোছা কালো কুচকুচে দাড়ি পড়ে আছে। পোয়ারো দাড়িটা হাতে নিয়ে ভালো করে দেখে বলল সেটা একেবারে নতুন বলে মনে হচ্ছে। কিছুক্ষণ দেখার পর সব কিছু আবার ঠিকমত রেখে দিল।

    তারপর উঠে দাঁড়িয়ে কোনো কথা না বলে সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগল। আমিও পেছনে পেছনে নামলাম। পোয়ারো সোজা ভাড়ার ঘরে ঢুকলো। সেখানে ডরকাস কিছু রুপোর বাসনপত্র একমনে মুছে ঝকঝকে করে রাখছিল।

    ডরকাস তাকাতেই পোয়ারো বলল তার দেওয়া খবর পেয়েই সে সিন্দুকটা দেখে এল, সেখানে সত্যিই অনেক সুন্দর পোশাক রয়েছে। পোয়ারো জিজ্ঞাসা করল ঐ পোশাকগুলো সকলে ঘন ঘন ব্যবহার করে কিনা।

    ডরকাস জানাল আজকাল আর তেমন ব্যবহার হয় না। শুধু মাঝে মাঝে যখন সকলে পোশাক বিচিত্রা অনুষ্ঠান করেন তখন ব্যবহার হয়। ডরকাস বলল তখন বেশ মজা হয়–একবার মিঃ লরেন্স পারস্যের শাহ সেজেছিলেন, খুব মজা করে ছুরি হাতে লরেন্স নাকি ডরকাসকে বলেছিল তাকে না রাগাতে, রাগলেই সে এক কোপে মাথা দু-ফাঁক করে দেবে। ডরকাস আরও জানাল যে মিস সিনথিয়া এক খুনে গুণ্ডা সর্দার সেজেছিলেন, অত সুন্দরী মেয়েটাকে যে কী ভয়ানক দেখাচ্ছিল তা সে বলে বোঝাতে পারবে না।

    পোয়ারো বলল তাহলে ঐ সন্ধ্যাগুলো তাদের বেশ ভালোই কাটত। সে জিজ্ঞাসা করল, মিঃ লরেন্স সিন্দুকে রাখা কালো দাড়িটা লাগিয়েছিল কিনা।

    ডরকাস হেসে মাথা নেড়ে জানাল মিঃ লরেন্স তার কাছ থেকে খানিকটা কালো উল নিয়েছিলো দাড়ি বানাবার জন্য।

    পোয়ারো ঘর থেকে বেরিয়ে আপন মনেই বলল তাহলে ঐ দাঁড়ির ব্যাপারটা ডরকাস জানে না।

    আমি জানতে চাইলাম পোয়ারো কি এটাকে সেই দাড়িটা বলে ভাবছে। পোয়ারো মাথা নেড়ে সায় দিল এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করল ওটা যে বেশ ছুঁচলো করে ছাঁটা হয়েছে সেটা আমি লক্ষ্য করেছি কিনা। আমি বললাম আমি তো সে রকম কিছু লক্ষ্য করিনি। পোয়ারো বলল কেউ ওটা মিঃ ইসলথর্পের দাড়ির মত করে হেঁটেছে, ওতে দু-এক গাছা চুলও লেগে রয়েছে।

    আমি আশ্চর্য হয়ে বললাম সিন্দুকের মধ্যে ওটা কে রাখতে পারে?

    পোয়ারো বলল, ঐ সিন্দুকের মধ্যে দাড়িটা যে রেখেছে সে খুবই বুদ্ধিমান। দাড়িটা ওখানে রেখে সে যে কেশিলের আশ্রয় নিয়েছে তার ফলে কেউ তাকে সন্দেহ করতে পারবে না। পোয়ারো এও বলল যে এবার আমাদের আরও বুদ্ধির পরিচয় দিতে হবে, কিন্তু এমন ভাব। দেখাতে হবে সে যেন আমাদের বুদ্ধির পরিমাপ করতে না পারে।

    এবার পোয়ারো বলল এই বাড়িতে তার একজন সহযোগী দরকার। আমি অসন্তুষ্ট হয়ে বললাম যে আমিই তো আছি। পোয়ারো বলল আমাকে ছাড়াও আরো একজনকে দরকার। পোয়ারোর কথাতে আমি মনে খুব আঘাত পেলাম। পোয়ারো সম্ভবত ব্যাপারটা বুঝতে পেরেই গভীর দৃষ্টি মেলে আমার দিকে তাকালো, বলল আমি তার উদ্দেশ্যটা বুঝতে পারিনি, আসলে আমি তার সঙ্গে যে কাজ করছি তা–সকলেই জানে, এমন আরেকজনকে দরকার সে আমাদের সঙ্গে নেই।

    আমি ব্যাপারটা বুঝলাম, জনকে দিয়ে কাজ হবে কিনা জিজ্ঞাসা করলাম।

    পোয়রো বলল জনকে দিয়ে হবে না। হঠাৎ দেখলাম মিস হাওয়ার্ড এদিকে আসছেন।

    পোয়ারো বলল, মিস হাওয়ার্ডই তার সহযোগী হবার কাজটা ঠিকমতো করতে পারবেন।

    পোয়ারোর অনুরোধ শুনে মিস হাওয়ার্ড কয়েক মিনিট কথা বলতে রাজী হলেন। আমার মনে হল ভদ্রমহিলা পোয়ারোকে তেমন আমল দিতে চাইছেন না। আমরা একটা ঘরে ঢুকে বসতেই পোয়ারো দরজাটা বন্ধ করে দিল।

    মিস হাওয়ার্ড তাড়া দিলেন। পোয়ারো বলল তার একটা জিজ্ঞাসা আছে এবং সে মিস হাওয়ার্ডের কাছ থেকে সঠিক উত্তর প্রত্যাশা করছে। মিস হাওয়ার্ড জানালেন তিনি মিথ্যে কথা বলেন না। পোয়ারো প্রশ্ন করল হাওয়ার্ড কি বিশ্বাস করেন যে মিসেস ইঙ্গলথর্পকে ওর স্বামীই বিষ খাইয়েছেন। মিস হাওয়ার্ড বললেন এ ব্যাপারে তিনি স্থির নিশ্চিত যে অ্যালফ্রেডই এমিলিকে বিষ খাইয়েছে।

    পোয়ারো জানাল সে হাওয়ার্ডের কথা না হয় মানল। কিন্তু তার প্রশ্ন মিস হাওয়ার্ড কেন ইঙ্গলথর্পকে দোষী মনে করছেন। হাওয়ার্ড বললেন এটাই সত্যিই তাই।

    পোয়ারো মৃদু হেসে বলল আসলে মিস হাওয়ার্ড মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে চান যে ইঙ্গলথর্পপই অপরাধী। কিন্তু তার অবচেতন মন বলতে চায় ঐ অপরাধ সে করেনি। এর ফলে তিনি একটা মানসিক দ্বন্দ্বের শিকার হয়ে পড়েছেন।

    মিস হাওয়ার্ড যেন পোয়ারোর কথাগুলো মন্ত্রমুগ্ধের মত শুনল, তারপরে চিৎকার করে বলে উঠল পোয়ারো যা বলছে সব মিথ্যা।

    পোয়ারো কোনো কথা না বলে শুধু গম্ভীরভাবে মাথা নাড়ল।

    মিস হাওয়ার্ড বললেন পোয়ারো যাতে তার সাহায্য না চায়, কারণ সে সাহায্য করতে পারবে না। পোয়ারো বলল সে সাহায্য চাইছে না, তার অনুরোধ মিস হাওয়ার্ড যেন শুধু তার সহযোগী হয়ে থাকেন।

    মিস ওয়ার্ড জিজ্ঞাসা করলেন তাকে সহযোগী হয়ে কি কাজ করতে হবে? পোয়ারো তাকে শুধু চোখ কান খুলে ল করতে বললেন।

    মিস হাওয়ার্ড মাথা নেড়ে বললেন তাতে তার কোনো আপত্তি নেই। তিনি মনে প্রাণে চান ন্যায় তোক। একথা বলে তিনি ধীরে ধীরে ঘরের বাইরে চলে গেলেন।

    ওর গমনপথের দিকে পোয়ারো কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। তারপর অস্ফুট স্বরে বলল মহিলার হৃদয় আর বুদ্ধি দুই আছে তাই সে তাকে সহযোগী হিসাবে বেছে নিয়েছে।

    মিস হাওয়ার্ড ও পোয়ারোর এই দীর্ঘ কথোপকথনের কিছুই আমার মাথায় ঢুকল না। পোয়ারোকে একথাটা জানাতে ও খুবই অবাক হল। আমি তাকে অনুরোধ করলাম ব্যাপারটা আমাকে বুঝিয়ে দিতে। পোয়ারো বলল সে আমাকে বোঝাতে পারবে না। কারণ সে চায় এই গোপনীয়তা তার আর মিস হাওয়ার্ডের মধ্যে থাকুক।

    এই কাজটা যে রীতিমত অন্যায় একথা না বলে আমি পারলাম না।

    পোয়ারো বলল সে কোনো কিছুই আমার কাছে গোপন করেনি, সব ব্যাপারই আমার জানা শুধু আমাকে এর থেকে সিদ্ধান্ত তৈরি করে নিতে হবে। পোয়ারোর কথার কোনো উত্তর দিলাম না। মনে মনে এই ভেবে দুঃখ হল যে পোয়ারো আমার কোনো মূল্যই দিতে চায় না। স্থির করলাম যদি কোনো সূত্র খুঁজে পাই তাহলে তা পোয়ারোকে জানাব না। একেবারে শেষে তাকে আশ্চর্য করে দেব। অনুভব করলাম যে নিজেকে এবার একটু জাহির করা দরকার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনা ফ্রাঙ্ক-এর ডায়েরি

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }