Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    লেখক এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. পোয়ারোর কৃতিত্ব

    পোয়ারোকে নিয়ে সত্যি আর পারা যায় না। ও আমাকে খুব বোকা বানিয়েছে। মনে মনে খুব রাগ হল, তাই ওকে জিজ্ঞাসা করলাম কেন ও এভাবে আমাকে ঠকিয়েছে।

    পড়ার ঘরে বসে আমরা কথা বলছিলাম। কয়েকটা দিন যেভাবে কাটল। জন ছাড়া পেয়েছে। মেরীর সঙ্গে তার পুনর্মিলন ঘটেছে। অ্যালফ্রেড ইঙ্গলথর্প আর মিস হাওয়ার্ড পুলিশের হেফাজতে–এসবই পোয়ারোর কৃতিত্ব।

    আমার অভিযোগ শুনে পোয়ারো বেশ কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে রইল। তারপর একসময় বলল সে আমাকে ঠকায়নি, আমি নাকি নিজেই ঠকে গেছি। তার কারণ আমার মনটা খুব সরল। মনের ভার আমি গোপন রাখতে পারি না। পোয়ারো যদি তার ধারণার কথা আমাকে আগে বলত তাহলে মিঃ ইঙ্গলথর্প আমার মুখ দেখে কিছু আঁচ করে ফেলত আর তাকে কোনোদিনই ধরা সম্ভব হত না। সেজন্য পোয়ারো আমাকে কিছু বলেনি।

    পোয়ারোর কথা শুনে আমার রাগটা একটু কম। আমি বললাম তবু সে তো আমাকে একটু আকারে ইঙ্গিত আভাস দিতে পারত।

    পোয়ারো কলল সে আমাকে অনেকবারই আভাস দিয়েছে। যেমন সে জনকে অপরাধী বলে ভাবেনি বলেই বার বার বলেছিল জন ছাড়া পাবে বলেই তার ধারণা। আবার এও বলেছিল হত্যাকারীকে ধরা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এছাড়া বলেছিল মিঃ ইঙ্গলথর্পকে এখনই গ্রেপ্তার করা উচিৎ হবে না।

    আমি বললাম তাহলে কি পোয়ারো প্রথম থেকেই মিঃ ইঙ্গলথর্প কে সন্দেহ করেছিল।

    পোয়ারো মাথা নেড়ে বলল প্রথমেই তার মনে হয়েছিল মিসেস ইঙ্গলথর্পের মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে তার স্বামী। কিন্তু মিঃ ইঙ্গলথর্পের বিরুদ্ধে প্রমাণগুলো এত প্রকট হয়ে দাঁড়াচ্ছিল যে একসময় পোয়ারোর মনে হয়েছিল মিঃ ইঙ্গলথর্প বোধ হয় হত্যাটা করেননি। সেজন্য পোয়ারোর ধারণা চিন্তাভাবনা সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছিল।

    পোয়ারো বলতে লাগল সে যতই মিঃ ইঙ্গলথর্পপকে আড়ালে রাখতে চাইছিল ততই তিনি গ্রেপ্তার হওয়ার জন্য তৎপর হয়ে পড়ছেন। তারপর যখন সে দেখল রেইকসের সঙ্গে মাখামাখিটা ওর নয় জনের তখনই পোয়ারো নিশ্চিত হল।

    আমি জানতে চাইলাম কি করে সে এতটা নিশ্চিত হল।

    পোয়ারো বলল যদি ইঙ্গলথর্পের সঙ্গে মিসেস রেইকসের কোনো ঘনিষ্ঠতা থাকত তাহলে ওঁর চুপ করে থাকার একটা অর্থ হয়, কিন্তু জানা গেল জন রেইকসের প্রতি আকৃষ্ট আর গ্রামের সকলেই ব্যাপারটা জানে তখনই মিঃ ইঙ্গলথর্পের মৌনতার অন্য রকম অর্থ দাঁড়ায়। পোয়ারো বুঝতে পেরেছিল ইঙ্গলথর্পের কলঙ্কের ভয় ছিল না। তিনি যেনতেন প্রকারে গ্রেপ্তার হতে চান। সেই মুহূর্ত থেকে পোয়ারো স্থির করে ফেলল কিছুতেই ওকে গ্রেপ্তার হতে দেবে না।

    আমি বললাম মিঃ ইঙ্গলথর্প শুধু শুধু কেন গ্রেপ্তার হতে চাইছিলেন বুঝতে পারছি না।

    পোয়ারো আমাকে বুঝিয়ে বলল আমাদের দেশের আইনটাই এরকম। একবার ছাড়া পেয়ে গেলে সেই একই অপরাধের জন্য একজনের দুবার বিচার করা যায় না। লোকটা সেজন্যই কিছু বানানো সাক্ষ্য নিজের বিরুদ্ধে তৈরি করে যাতে সহজে গ্রেপ্তার হতে পারে। আর তাহলেই সারা জীবনের মত নিশ্চিন্ত।

    এবার আমি জানতে চাইলাম মিঃ ইঙ্গলথর্প কি করে একই সময়ে অজুহাতের ব্যবস্থা করল আবার ওষুধের দোকান থেকে স্ট্রিকনিনও কিনল।

    পোয়ারো আমার কথা শুনে অবাক হয়ে প্রশ্ন করল আমি এসব কি বলছি। আমি কি এখনও জানি না যে মিস হাওয়ার্ড স্ট্রিকনিন কিনতে দোকানে ঢুকেছিল।

    আমি হাঁ হয়ে গেলাম। পোয়ারো বলল এই কাজটা করতে মিস হাওয়ার্ডকে এতটুকু বেগ পেতে হয়নি। ওকে বেশ লম্বাই বলা যায়, তার ওপর ওর গলার স্বরটাও পুরুষালী। তাছাড়া মিঃ ইঙ্গলথর্প আর মিস ওয়ার্ড মামাতো পিসতুতো ভাই বোন, দুজনের মধ্যে তাই যথেষ্ট মিল রয়েছে। সেজন্য ব্যাপারটা খুবই সহজ হয়ে গেছে।

    ব্রোমাইডের ব্যাপারটা কি জানতে চাইলাম।

    পোয়ারো বলতে লাগল। তার ধারণা এই ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে মিস হাওয়ার্ডই আসল উদ্যোক্তা। তিনি একসময় বলেছিলেন তার বাবা ডাক্তার ছিলেন। হয়ত সেই সূত্রেই ওষুধ বানানো শিখেছিলেন তিনি, নয়ত বা সিনথিয়ার পড়ার বই ঘেঁটে মিস হাওয়ার্ড ব্রোমাইডের ব্যাপারটা জেনেছিলেন। এও জেনেছিলেন যে স্ত্রিকনিন দিয়ে তৈরি ওষুধের মধ্যে ব্রোমাইড মিশিয়ে দিলে স্ত্রিকনিন ব্রোমাইডের স্ফটিক জমা হয়।

    মিসেস ইঙ্গলথর্প মাঝে মাঝে ঘুমের ওষুধ খেতেন রাত্রিবেলা। ব্রোমাইড পাউডারের পুরিয়া সেজন্য রাখা থাকত। কেটসের দোকান থেকে ওর ওষুধের বোতল এলে ঐ বোতলে দু-এক পুরিয়া ব্রোমাইড পাউডার মিশিয়ে দিলেই কাজ হয়ে যাবে। কেউ জানতেও পারবে না–কারণ মৃত্যুটা অন্তত পনেরো দিন আগে তো হচ্ছে না। মিস হাওয়ার্ড ইতিমধ্যে একটা ঝগড়ার ব্যবস্থা পাকা করে ফেলবেন এবং বাড়ি ছেড়েও চলে যাবেন। তার অনুপস্থিতিতে কেউ তাকে সন্দেহ করবে না।

    সন্দেহটা জনের ওপর ফেলার ব্যবস্থাও ওরা পাকা করে রেখেছিল, ওর হাতের লেখা নকল করে দোকান থেকে স্ট্রিকনিন কিনে।

    পোয়ারোর কথাগুলো শুনে সত্যিই আমি বিস্মিত হয়ে গেলাম।

    পোয়ারো বলে যেতে লাগল, সোমবার মিসেস ইঙ্গলথর্পের শেষ ওষুধের দাগটা খাবার কথা। সেজন্য মিঃ ইঙ্গলথর্প সন্ধ্যাবেলা ছটার সময় এমন ব্যবস্থা করলেন যাতে অনেকেই তাকে গ্রামের থেকে বেশ দূরে কোথাও দেখে।

    মিস হাওয়ার্ডও ইতিমধ্যে মিসেস রেইসকে নিয়ে একটা কাল্পনিক গুজবও তৈরি করে রেখেছেন। সন্ধ্যা ছটার সময় মিস হাওয়ার্ড মিঃ ইঙ্গলথর্পের ছদ্মবেশে দোকান থেকে কুকুরের জন্য স্ট্রিকনিন কিনলেন। সইটা করলেন মিঃ ইঙ্গলথর্পেরই নামে জনের হাতের লেখা নকল করে।

    জন কোনো অজুহাত হাজির যাতে করতে না পারে সেজন্য মিস হাওয়ার্ড জনেরই লেখা নকল করে একটা চিরকূট লিখলেন জনের কাছে। এর ফলেও জনও অনেক দূরের এক নির্জন জায়গায় যেতে বাধ্য হল। সব কিছুই পরিকল্পনা মাফিক চলল। মিস হাওয়ার্ড মিডলিংহ্যাম ফিরে গেলেন, অ্যালফ্রেড ইঙ্গলথর্পপও স্টাইলসে ফিরলেন। সুতরাং ধরা পড়ারও আর সম্ভাবনা রইল না।

    পরিকল্পনাটা একটু গোলমাল হয়ে গেল, যখন মিসেস ইঙ্গলথর্প সোমবার রাত্রে ওষুধ খেতে ভুলে গেলেন। এর ফলে মিঃ ইঙ্গলথর্পপও সবচেয়ে মারাত্মক ভুলটা করে বসলেন। মিসেস ইঙ্গলথর্প বাইরে বেরিয়ে যেতেই উনি তার দুষ্কর্মের সঙ্গী মিস হাওয়ার্ডকে চিঠি লিখতে বসলেন। কারণ তার মনে ভয় হল পাছে পরিকল্পনা মাফিক কাজ না হওয়ায় মিস হাওয়ার্ড ঘাবড়ে যায়। সেদিন মিসেস ইঙ্গলথর্প হয়ত একটু তাড়াতাড়িই বাড়ি ফিরেছিলেন। মিঃ ইঙ্গলথর্প তাই ধরা পড়ার ভয়ে চিঠিটা ডেস্কের মধ্যে চাবি দিয়ে রেখে দিলেন। তার ভয় হল ঘরের মধ্যে থাকলে হয়ত ডেস্কটা খুলতে হতে পারে আর তাহলেই স্ত্রীর চোখে চিঠিটাও পড়ে যেতে পারে। তাই মিঃ ইঙ্গলথর্প তাড়াতাড়ি বাগানে চলে গেলেন। তার একবারও মনে হল না যে তার স্ত্রী ডেস্কটা খুলতে পারেন।

    মিসেস ইঙ্গলথর্প ডেস্কটা খুললেন এবং চিঠিটা দেখে ফেললেন। ফলে মিঃ ইঙ্গলথর্প আর মিস হাওয়ার্ডের গোপন ষড়যন্ত্রের ব্যাপারটাও তার অজানা রইল না। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ ব্রোমাইডের কথাটা উনি বুঝতে পারলেন না। স্বামীকে কিছু বলবেন না স্থির করে মিসেস ইঙ্গলথর্প আইনজ্ঞের কাছে চিঠি লিখে পরদিন দেখা করতে বললেন এবং উইলটাও নষ্ট করে ফেলবেন ঠিক করলেন। শুধু ঐ মারাত্মক চিঠিটা রেখে দিলেন।

    আমি বললাম তাহলে ঐ চিঠিটার জন্য মিঃ ইঙ্গলথর্প তার স্ত্রীর নথীব্যাগটা জোর করে খুলেছিলেন।

    পোয়ারো বলল ঠিক এরকমই ঘটেছে। মিঃ ইঙ্গলথর্প এই মারাত্মক ঝুঁকিটা নিতে বাধ্য হয়েছিলেন, ঐ চিঠিটা না থাকলে ওর ধরা পড়ার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না।

    আমি জিজ্ঞাসা করলাম, চিঠিটা হাতে আসার সঙ্গে সঙ্গে ইঙ্গলথর্প ওটা নষ্ট করে ফেললেন না কেন।

    পোয়ারো বলল ওরকম মারাত্মক ঝুঁকি উনি নিতে চাননি। চিঠিটা নিজের কাছে রাখলেও সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

    আমি পোয়ারোকে বললাম ব্যাপারটা ঠিক আমার বোধগম্য হচ্ছে না। পোয়ারো এবার আমাকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দেবার জন্য বলতে শুরু করল। আমাদের সেদিন ওখানে উপস্থিত হওয়ার মিনিট পাঁচেক আগে ইঙ্গলথর্প চিঠিটা পেয়েছিলেন। এর আগে অ্যামি সিঁড়ি বঁট দিচ্ছিল। সুতরাং বারান্দার ডানদিকে কেউ গেলেই ওর নজরে পড়তো। ইঙ্গলথর্প অন্যদিকের দরজা দিয়ে ঘরে ঢুকলেন। তাড়াতাড়ি নথী ব্যাগটা খুলতে গিয়ে দেখলেন চাবিটা কাছে নেই। মহাবিপদে পড়লেন তিনি। কিন্তু চিঠিটা যে তাকে পেতেই হবে, তাই চাবির বদলে একটা ছুরি দিয়ে তালাটায় চাপ দিয়ে নথীব্যাগটা খুললেন, কাগজপত্র ঘেঁটে আসল চিঠিটা উদ্ধার করলেন।

    এবার কাগজটা রাখা নিয়ে সমস্যা দেখা দিল। চিঠিটা যদি নিজের কাছে রাখেন তাহলে ঘর থেকে বেরোনোর সময় কেউ দেখতে পেয়ে যদি তাকে খানাতল্লাশ করে তাহলে তো সর্বনাশ হবে। দিশেহারা হয়ে গেলেন কাগজটা কোথায় রাখবেন ভেবে। বাজে কাগজের ঝুড়িতে ফেললে হবে না। কেউ ওগুলো পরীক্ষা করতে পারে। তাহলে কী করা যায় চিন্তা করতে লাগলেন মিঃ ইঙ্গলথর্প।

    হঠাৎ উপায়ন্তর না দেখে কাগজটাকে তিনটে সরু ফালি করে তিনি ছিঁড়ে ফেললেন। তারপর দলা পাকিয়ে তাপচুল্লীর তাকের ওপরের ফুলদানীর মধ্যে ঢুকিয়ে দিলেন।

    আমি বললাম তাহলে ঐ কাগজের টুকরোগুলো বরাবরই ফুলদানীর মধ্যে ছিল।

    পোয়ারো মাথা নাড়ল। আর ওখান থেকে ওগুলো উদ্ধার করতে পারার জন্য আমার কাছে ঋণী। আমি কথাটা অর্থ বুঝতে না পেরে বোকার মত তাকিয়ে রইলাম। পোয়ারো আমাকে মনে করিয়ে দিল সেদিন আমি তাকে বলেছিলাম তাপচুল্লীর তাকের খেলনাগুলো নাড়াচাড়া করার সময় আমার হাত খুব কাঁপছিল। এই কথাটা শুনেই পোয়ারোর মনে একটা কথা আসে যে তাপচুল্লীর ওপরের তাকের খেলনাগুলো তো গোছানো থাকারই কথা কিন্তু তাহলে সে সেগুলো গুছিয়ে রাখছিল কেন, নিশ্চয়ই সেগুলো অগোছালো অবস্থায় ছিল। তার মানে কেউ ওখানে হাত দিয়েছিল।

    আমি বললাম সবই বুঝতে পারছি। তবে মিঃ ইঙ্গলথর্প তো অনেক সুযোগই পেয়েছিলেন কাগজগুলো সরিয়ে নেবার।

    পোয়ারো বলল ইঙ্গলথর্প যাতে তা করতে না পেরে সেই ব্যবস্থা সে আগে থেকে করে রেখেছিল। আমি জানতে চাইলাম কিভাবে ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

    পোয়ারো জিজ্ঞাসা করল আমার মনে আছে কিনা যে সে বাড়ির মধ্যে সবাইকে চিৎকার করে জানাচ্ছিল বলে আমি তাকে বকাবকি করেছিলাম। আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম। পোয়ারো বলল সে বুঝেছিল তার সামনে একটি মাত্র রাস্তাই আছে। অবশ্যই তখন সে জানত না যে ইঙ্গলথর্প দোষী কি না। আর দোষী হলে কাগজটা নিশ্চয়ই ওর কাছে নেই, অন্য কোথাও লুকানো আছে, এই সময় বাড়ির সকলকে একটু সতর্ক করে দিতে পারলেই ইঙ্গলথর্পের পক্ষে আর কারও নজর এড়িয়ে কাগজটা পাওয়া সম্ভব হবে না। সবাই তখন ওকে সন্দেহের চোখে দেখছিল। তার ওপর তার এই চিৎকার শুনে অন্ততপক্ষে দশজন সৌখিন গোয়েন্দা তার ওপর অনবরত নজর রাখছিল। ফলে ইঙ্গলথর্পের পক্ষে কাগজটা নষ্ট করা সম্ভব হল না। ফুলদানীর মধ্যে ওটা রেখেই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হল।

    আমি বললাম মিস হাওয়ার্ড তো কাগজটা সরিয়ে ফেলতে পারতেন।

    পোয়ারো বলল মিস হাওয়ার্ড এই কাগজটার কথা জানতেনই না। আসলে ওরা দুজনে কখনও কথা বলবে না বলে ঠিক করে রেখেছিল। ওদের আচরণে সকলে ভাবত ওরা পরস্পরের মহাশত্রু। জন ক্যাভেণ্ডিসের যতক্ষণ পর্যন্ত না বিচার হচ্ছে ততক্ষণ ওরা কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি। পোয়ারো বলল সে মিঃ ইঙ্গলথর্পের ওপর নজর রেখেছিল যদি ওরা কোথাও দেখা করে। কিন্তু লোকটা এত ধুরন্ধর যে এসবের ধার দিয়েও যায়নি। কাগজটা এতদিন যেমন ফুলদানীতে ছিল আরও কিছুদিন থাকতে পারত। কিন্তু আমার সেই হঠাৎ মন্তব্য শুনে পোয়ারো ছুটে গিয়ে এই মহামূল্যবান সূত্রটা আবিষ্কার করে। এজন্য সে আমাকে ধন্যবাদ দিতে লাগল।

    এবার আমি প্রশ্ন করলাম পোয়ারো কখন থেকে মিস হাওয়ার্ডকে সন্দেহ করতে শুরু করেছিল।

    পোয়ারো বলল যখন তদন্তের সময় সে লক্ষ্য করল যে মিস হাওয়ার্ড মিসেস ইঙ্গলথর্পের চিঠিটা লেখার ব্যাপারে মিথ্যা কথা বলছেন তখন থেকে মিস হাওয়ার্ড সন্দেহের তালিকায় এলেন।

    আমি বললাম চিঠিটাতো আমিও পড়েছি কিন্তু কোনো গলদ তো আমার চোখে পড়েনি। পোয়ারো বলল মিসেস ইঙ্গলথর্পের হাতের লেখা বেশ পরিচ্ছন্ন। প্রত্যেকটি শব্দের মাঝে বেশ ফঁক থাকে। এবার চিঠিটার একদম পরে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে ১৭ই জুলাই কথাটা একটু বিসদৃশ।

    আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না। পোয়ারো ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলল, চিঠিটা আদৌ ১৭ই তারিখে লেখা হয়নি, লেখা হয়েছিল ৭ই তারিখে। মিস হাওয়ার্ড চলে যাবার পরের দিন। ৭ই কথাটার আগে একটা ১ বসিয়ে ওটাকে ১৭ই করা হয়েছে।

    মিস হাওয়ার্ড এরকম কেন করলেন জিজ্ঞাসা করলাম। পোয়ারো বলল সে প্রথমে এটা বুঝতে পারছিল না। পরে এটারও সমাধান সে করতে পেরেছে। পোয়ারো বলল যেহেতু মিস হাওয়ার্ড ও মিঃ ইঙ্গলথর্প মামাতো পিসতুতো ভাই-বোন সেহেতু মিস হাওয়ার্ড খুন না করলেও ইঙ্গলথর্পের সহচরী হতে কোনো বাধা নেই। আসলে ওদের মতলব ছিল ঐ সরল বৃদ্ধাকে বিয়ে করে এই উইল লিখিয়ে নেওয়া তারপর সুযোগ সুবিধা মতো ওঁকে খুন করে ফেলা। এরপর বাকি জীবন ওঁরই টাকাতে বাইরে কোথাও পালিয়ে গিয়ে আরামে জীবন কাটানো।

    ইঙ্গলথর্পের ওপর যতক্ষণে সকলের সন্দেহ পড়ার ততক্ষণে মিস হাওয়ার্ড সম্পূর্ণ ব্যবস্থা পাকা করে ফেলবেন–এই ছিল তাদের পরিকল্পনা।

    মিস হাওয়ার্ড যখন মিডলিংহ্যাম থেকে এলেন তখন কেউ কোনো সন্দেহ করল না। সুযোগমত জনের ঘরে ঐ স্ট্রিকনিন লুকিয়ে রাখলেন। সিন্দুকের মধ্যে দাড়ির গোছাও রেখে দিলেন। ওগুলো যে সময়মত কারও চোখে পড়বে একথা তার জানা ছিল।

    আমি বললাম ওরা জনের ওপর দোষ চাপাতে গেল কেন, লরেন্সের ওপরও চাপাতে পারত। আর লরেন্সের হাবভাবও বিশেষ সুবিধের লাগছিল না।

    পোয়ারো বলল আমি সেই কারণটা জানি না বলেই একথা বলছি। আসলে লরেন্স ভেবেছিল সিনথিয়াই অপরাধী। আমি বললাম এটা কখনই সম্ভব নয়। পোয়ারো বলল যে অসম্ভব না হওয়ার কিছু নেই। সিনথিয়া ব্রোমাইড পাউডার তৈরি করেছিলেন। ডরকাস বলেছিল যে সিনথিয়া পুরুষের ছদ্মবেশ নিতে পারদর্শী। সুতরাং ওর বিরুদ্ধেই সকলের চেয়ে বেশি সন্দেহ পড়েছে।

    পোয়ারো বলতে লাগল, সেই দুর্ঘটনার রাতে লরেন্স তার মার ঘরে ঢুকে খুব ভয় পেয়েছিল। আমি বললাম একথাটা তো আমিই তাকে বলেছিলাম। পোয়ারো মাথা নেড়ে বলে যেতে লাগলেন লরেন্সের সেইসময় নজরে পড়েছিল সিনথিয়ার ঘরে ঢোকার দরজাটার দিকে, এটা ভোলা ছিল।

    আমি বললাম লরেন্সই তো বলেছিল দরজাটা বন্ধ ছিল।

    পোয়ারো বলল সেজন্যই তো বুঝতে পারা গেল যে লরেন্স সিনথিয়াকে বাঁচাতে চাইছেন।

    আমি জিজ্ঞাসা করলাম বাঁচাতে চাইছে কেন। পোয়ারো বলল লরেন্স সিনথিয়ার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন।

    কথাটা শুনে আমি হো হো করে হেসে উঠলাম, বললাম আমি ভালো ভাবেই জানি লরেন্স সিনথিয়াকে এতটুকু পছন্দ করে না।

    পোয়ারো মৃদু হেসে জানতে চাইল আমি একথা কি করে জানলাম। আমি বললাম সিনথিয়া নিজেই বলেছে লরেন্সের পছন্দে-অপছন্দে ওর কিছু যায়-আসে না। পোয়ারো বলল স্ত্রীয়াশ্চরিত্রম্ বোঝা দুষ্কর।

    আমি যেন কথাটা বিশ্বাস করতে পারলাম না। পোয়ারো বলল এতে অবাক হবার কিছু নেই। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যেত যে সিনথিয়া যখনই জন ক্যাভেণ্ডিসের সঙ্গে হেসে কথা বলেছে তখন লরেন্স ভয়ানক অসন্তুষ্ট হয়েছেন। এর কারণ লরেন্স ভেবেছিলেন সিনথিয়া জনের সঙ্গে প্রেম করছে। সেজন্য যখন লরেন্স দেখলেন ওর মা বিষের দ্বারা মারা গেছেন, তখনও ওর ধারণা হল সিনথিয়া অনেক কিছু জানে। কথাটা ভেবে লরেন্স প্রচণ্ড রেগে গেলেন তাই প্রথমেই কফির কাপটা গুঁড়িয়ে ফেললেন যাতে ওর তলানি আর পরীক্ষা করা না যায়। এরপর থেকেই উনি বলতে লাগলেন মিসেস ইঙ্গলথর্পের মৃত্যুটা স্বাভাবিক।

    আমি জিজ্ঞাসা করলাম তাহলে বাড়তি কফির কাপের ব্যাপারটা কি।

    পোয়ারো বলল সে নিশ্চিতভাবে জানত যে মিসেস ক্যাভেণ্ডিসই কফির কাপটা লুকিয়েছেন। তাসত্ত্বেও সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সে লরেন্সকে ঐ কাপটা খুঁজতে বলেছিল। লরেন্সও দেখল এরকম একটা কাপ খুঁজে বের করতে পারলে ওর প্রেমিকার ওপর থেকে সব সন্দেহ দূর হয়ে যাবে। এবং বাস্তবে তাই ঘটেছে।

    এবার আমার মনের আরেকটা প্রশ্ন পোয়ারোকে করলাম সেটা হল মিসেস ইঙ্গলথর্প মারা যাবার সময় যা বলেছিলেন সেগুলোর কি অর্থ? পোয়ারো বলল সেগুলো তার স্বামীর প্রতি দোষারোপ ছাড়া কিছু নয়।

    আমি বললাম শেষ পর্যন্ত তাহলে সব ভালোভাবেই মিটল। জনের সঙ্গে মেরীর মিলন ঘটল।

    পোয়ারো বলল এজন্য তাকে ধন্যবাদ দিতে। আমি জানতে চাইলাম কেন তাকে ধন্যবাদ দিতে হবে।

    পোয়ারো বলল এরকম একটা ঘটনা ঘটল বলেই ওরা পরস্পরের কাছাকাছি আসার সুযোগ পেল এবং মিলন সম্ভব হল। জন ক্যাভেণ্ডিস যে তার স্ত্রীকে খুব ভালোবাসতেন তা লক্ষ্য করলেই বোঝা যায়। মেরীরও ভালোবাসার অভাব ছিল না কিন্তু সামান্য ভুল বোঝাবুঝিই ওদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করেছিল। মেরী ভালো না বেসেই জনকে বিয়ে করেছিলেন–জন একথা জানত। তবুও সে কখনই মেরীর ওপর জোর করে ভালোবাসা চাপাতে দেয়নি। শুধু ওরা পরস্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছিল।

    আর ঠিক সেই মুহূর্তেই মেরীর মনে প্রেম জেগে ওঠে। কিন্তু ওদের অহমিকাই পরস্পরের কাছে আসার পথে দুস্তর বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এরই ফলস্বরূপ জন মিসেস রেইকসের সঙ্গে অন্তরঙ্গ হলেন আর মেরী ডঃ বরস্টিনের সঙ্গে বন্ধুত্বের ভান করলেন।

    পোয়ারো একটা অদ্ভুত কথা শোনাল। ইচ্ছে করলেই সে জন ক্যাভেণ্ডিসকে তাড়াতাড়ি মুক্তি দেবার ব্যবস্থা করতে পারত। কিন্তু মেরীর কথা ভেবেই সে তা করেনি। যে চরম বিপদের মধ্য দিয়ে তাদের যেতে হয়েছে সেটা না হলে ওদের মত দাম্ভিক স্বামী-স্ত্রীর পুনর্মিলন কখনও সম্ভব হত না।

    আমি অবাক বিস্ময়ে পোয়ারোর মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। ঐ ছোটখাটো মানুষটাকে কত বড়, কত মহৎ মনে হচ্ছে। মনে মনে ভাবলাম সত্যি পোয়ারো ছাড়া আর কারও পক্ষে এ কাজ করা সম্ভব নয়। খুনের কিনারা করতে গিয়ে সে প্রেমের পুনরুজ্জীবন ঘটাল।

    পোয়ারো বোধহয় আমার মনের কথাটা বুঝতে পেরেছিল। হাসি মুখে তবু জানতে চাইল আমি এত কি ভাবছি।

    আমি প্রত্যুত্তরে শুধু একটু হাসলাম।

    হঠাৎ দরজায় টোকার শব্দ ফিরে তাকিয়ে দেখলাম সিনথিয়া দাঁড়িয়ে আছে। আমি তাকে ঘরের ভেতরে আসার জন্য অভ্যর্থনা জানালাম। সিনথিয়া ঘরের ভেতরে এলেও বসতে রাজী হল না। সে বলল আমাদেরকে সে একটা কথা বলতে এসেছে।

    আমি বললাম কি সেই কথা।

    হঠাৎ একটু ইতস্ততঃ করল সিনথিয়া, তারপর তাড়াতাড়ি বলল আমরা নাকি ভীষণ ভালো। এরপর আমাকে আর পোয়ারোকে একটু আদর করেই এক দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    ঘটনার আকস্মিকতায় দারুণ অবাক হলাম। সিনথিয়ার কাছে আদর পাওয়ার মজাটা যেন মাটি হয়ে গেল এত খোলাখুলি হওয়ায়।

    পোয়ারো জিজ্ঞাসা করল আমি কিছু বুঝেছি কিনা। আসল ব্যাপারটা হল সিনথিয়া এবার বুঝতে পেরেছেন লরেন্স আর ওকে অপছন্দ করছেন না।

    আমি কিছু বলতে গেলাম। পোয়ারো আমাকে বাধা দিয়ে বলল আর কিছু বলার নেই। মঁসিয়ে লরেন্সও এসে গেছেন।

    আমি পেছন ফিরতেই দরজার পাশে লরেন্সকে দেখতে পেলাম। পোয়ারো তাকে। অভিনন্দন জানাল। পোয়ারোর কথায় লরেন্সের মুখটা লাল হয়ে উঠল। আমতা আমতা করে একটু হাসল শুধু।

    আমার মনে হল সত্যি প্রেমে পড়লে মানুষ বোধ হয় এরকম বোকা হয়ে যায়। সিনথিয়ার সুন্দর মুখটা মনের পর্দায় ভেসে উঠল। আমার বুক চিরে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল।

    পোয়ারো জানতে চাইল আমার কিছু হয়েছে কিনা। আমি বললাম কিছুই হয়নি। তারপর হঠাৎ বলে ফেললাম মেরী ও সিনথিয়া দুটো মেয়েই খুব ভালো।

    পোয়ারো মজা করে বলল ওদের দুজনের কেউ আমার জন্য নয়। সে আমাকে হতাশ হতে বারণ করল। আবার নতুনভাবে কোথাও ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য আহ্বান জানাল।

    আমার মনের কথা এভাবে বুঝতে পারল দেখে আমি সম্মোহিতের মত পোয়ারোর দিকে তাকিয়ে রইলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনা ফ্রাঙ্ক-এর ডায়েরি

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }