Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    লেখক এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দি পেল হর্স – ৫

    পঞ্চম অধ্যায়

    —আঃ কি সোয়াস্তি পেলাম। গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন মিসেস অলিভার–বুঝেছি ব্যাপারটা শেষ হয়ে গেছে এবং কিছুই ঘটেনি।

    আমোদ প্রমোদে গা ঢেলে দেওয়ার সময় এটা। রোডার উৎসব সব সময় সঠিকভাবে উৎসবের মধ্য দিয়েই শেষ হয়ে থাকে। খুব ভোর থেকেই আবহাওয়ার তীব্র খামখেয়ালিপনা তাই এবারে সবার মনে ছিল দারুণ উৎকণ্ঠা। রীতিমতন তর্কাতর্কি শুরু হলো যে, খোলা জায়গায় দোকানঘরগুলো বানানো হবে কিংবা গোটা উৎসবের ব্যবস্থা করা হবে বিস্তৃত খামারবাড়ি এবং তাঁবুর মধ্যে। চা পানের ব্যবস্থা তাঁর কুটির শিল্পের দোকানঘরগুলো সম্পর্কে স্থানীয় লোকজন বেশি মাথা ঘামাচ্ছিল। বেশ বুদ্ধি খাটিয়ে রোডা সব বিবাদবিসম্বাদ মিটিয়ে ফেললো। মাঝে মাঝে রোডার খুশমেজাজী কিন্তু ছটফটে কুকুরগুলো বাইরে বেরিয়ে আসছিল।

    এই দারুণ উৎসব উপলক্ষেই কুকুরগুলো লাগাম ছাড়া বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সন্দেহ সঙ্গত। বিবর্ণ লোমের ঠাস বুনুনি পোশাকপরা এক সুদর্শনা তারকা সুন্দরীর আগমন হলো। এই আমোদ-প্রমোদ উৎসবের উদ্বোধন করে সুন্দরী মনোহরভঙ্গীতে দু-চারটে কথাও বললো। গীর্জার ছাদ বানানোর খরচ তোলবার জন্য এই উৎসবের ব্যবস্থা হলেও সুন্দরী দেশছাড়া মানুষদের আগমন নিয়ে ভাষণ দিলো। এরপর শুরু হলো উৎসব।

    ভিড় উপছে পড়লো সারি সারি বোতল সাজানো পানীয়ের দোকানে। চা পানের সময় হৈ চৈ লেগে গেল। অতিথি অভ্যাগতরা একই সঙ্গে সবাই ব্যগ্র হয়ে উঠেছিলো চা পানের জন্য তাঁবুর মধ্যে ঢুকতে।

    অবশেষে শুভ সন্ধ্যায় আবির্ভাব ঘটলো। বিস্তৃত খামার বাড়ির মধ্যে তখনও স্থানীয় নরনারীর নাচ জমজমাট হয়ে উঠেছিলো। বাজি পোড়ানো আর অগ্নি উৎসবের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু গ্রামের পরিবারগুলো এখন ক্লান্ত-তারা বাড়ির মুখে হাঁটা দিল।

    —নিজের নিজের বাড়ির খাওয়ার ঘরে টেবিলে ওরা গিয়ে বসবে আর খাবে ঠান্ডা ডিনার। ক্লান্ত একঘেয়ে সুরে দিনটা কেমনভাবে কাটলো তাই নিয়ে সবাই আলোচনায় মেতে উঠবে। সবাই সবার নিজের কথা বলবে।—অপরের কথা শোনবার ধৈর্য্য কারো নেই। এসবই কেমন এলোমেলো—কিন্তু আরামদায়ক।

    বাঁধন ছাড়া কুকুরগুলো টেবিলের নিচে মনের সুখে হাড় চিবোতে ব্যস্ত।

    —শিশু মঙ্গলের এই উৎসবে আসছে বছর আমরা আরো বেশি আনন্দ করবো।—মৃ-দু কণ্ঠে বলল রোডা।

    —শিশুদের জন্য নিযুক্ত স্কটল্যান্ডবাসী গভর্নেস মিস ম্যাকলিস্টার বললো-কিছু ব্যাপার আমার কাছে বড় তাজ্জব মনে হচ্ছে, পরপর তিন বছর মাইকেল বেন্ট্র কি করে মাটিতে পুঁতে রাখা সম্পদের হদিস পেলো। সে কি আগে থাকতে কোথায় পোঁতা হবে তার খবর পেয়েছিলো?

    —লেডি ব্রুকব্যাঙ্ক শুয়োরটা জিতে নিয়েছে, বলতে লাগলো রোডা—মনে হয় না, ও শুয়োরটা জিততে চেয়েছিলো। খেলার শেষে তাকে দারুণ লজ্জিত দেখাচ্ছিল।

    আমার ভগ্নি রোডা ও তার স্বামী কর্নেল ডেসপার্ড ঐ ডিনার পার্টিতে হাজির ছিল। আর ছিলো মিস ম্যাকলিস্টার, তার মাথাভর্তি চুল। এক যুবতী যার নাম জিনজার, মিসেস অলিভার এবং পল্লী-পুরোহিত রেভারেন্ড ক্যালের ডেল ক্যালথ্রপ আর তার স্ত্রী। পল্লী-পুরোহিত ছিল বয়স্ক আলাপী পণ্ডিত মানুষ—কথায় কথায় ধ্রুপদীয় গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি আওড়াতে পটু আর এতেই দারুণ আনন্দ লাভ করে। এর ফলে একটা লজ্জাকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। কখনও কখনও কথাবার্তার আচমকা সমাপ্তি ঘটে। এখনও অবশ্য তেমনিটাই ঘটেছে। পল্লী-পুরোহিত এমনি একটা লোক যে কেউ তার কথাবার্তা শুনে খুশি হলো কিনা তা নিয়ে সে মাথা ব্যথা করে না। সে যে উদ্ধৃতি আওড়াবার অবসর পেয়েছে এটাই তার পুরস্কার।

    টেবিলের ধারে বসে পল্লী-পুরোহিত আওড়ায়—হোরেস বলেছেন…। বাক্যালাপে সাময়িক সমাপ্তি ঘটলো। তারপর।

    একটু চিন্তিতভাবে জিনজার বললো—মনে হয় মিসেস হসফিল এক বোতল শ্যাম্পেন দিয়ে ঠকিয়ে এমন কাজ করেছে। তার ভাইপোতে ওটা পেয়েছে।

    মিসেস ডেল ক্যালথ্রপ অপ্রতিভ স্বভাবের নারী। তার চোখ দুটো বড় সুন্দর, চিন্তিত মনে মহিলা তখন মিসেস অলিভারকে বোঝাবার চেষ্টা করছিলো। আচমকা মহিলা শুধালো—এই উৎসবে কি ঘটবে বলে তোমরা আশা করছিলে?

    —হাঁ খুনটুন এ ধরনের একটা কিছু কি? মিসেস ডেন ক্যালথ্রপ কৌতূহলী হয়ে উঠল।

    —কিন্তু খুনটুন হবে কেন?

    —কোনো কারণ তো তেমন ঘটেনি। সত্যিই এটা একেবারে অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু আমি একবার একটি উৎসবে গিয়েছিলাম সেখানে এরকম ঘটনা ঘটেছিলো।

    —বুঝেছি। আর তাতে তুমি দিশাহারা হয়ে পড়েছিলে কি?

    —দারুণভাবে হয়েছিলাম।

    পল্লী-পুরোহিত ল্যাটিন ভাষা ছেড়ে আওড়ালো গ্রীক ভাষায়। সবাই নীরব।

    উৎসবের সততা সম্বন্ধে মিস ম্যাকলিস্টারের মনে কিন্তু সন্দেহ।

    —কিংস আমর্স দোকানের বৃদ্ধা মহিলা লাগ্ এখানকার স্টলের জন্য বারো ডজন মদের বোতল পাঠিয়ে ভারি খেলোয়াড়ি মনোভাব দেখিয়েছে। বললো ডেসপার্ড।

    — তীব্র কণ্ঠে শুধালাম। কিংস আর্মস দোকান?

    —আমাদের এখানকার দোকান ওটা। রোডা বলল।

    —এখানে আর কি কোনো মদের দোকান নেই? আচ্ছা তুমি কি পেল হর্সের নামে কোনো দোকানের কথা বলেছিলে। মিসেস অলিভারকে শুধালাম।

    আমার মনের আশার প্রতিক্রিয়া ঘটলো না। নির্বিকার মুখগুলো আমার দিকে ফেরানো।

    রাডা বলল, পেল হর্স মদের দোকান নয়, বলছি না…।.

    —এটা একটা পুরানো সরাইখানা, বললো ডেসপার্ড।

    —বলছি ওটা বোধ হয় হয় ষোড়শ শতাব্দীতে তৈরি হয়েছিলো। কিন্তু এখন এখানে আর কিছু নেই। একটা সাধারণ বাড়ি। তাই তো ভাবি এখন ওদের নামটা পালটানো উচিৎ।

    —না, না। কিছুতেই না। বললো জিনজার—এটার নাম ওয়েসাইড অথবা ফেরার ভিউ রাখা খুবই ছেলেমানুষি হবে। আমার ধারণা পেল হর্স নামটাই বেশি সুন্দর এবং পুরানো সরাইখানার নাম লেখা একখানা সুন্দর সাইন বোর্ডও ওখানে হলের মধ্যে ঝোলানো রয়েছে।

    —কারা সরাইখানার মালিক শুধালাম।

    —সরাইখানার মালিক হিরজা গ্রে, বললো রোডা।

    —জানি না, আজ তুমি তাকে ওখানে দেখতে পাবে কিনা। দীর্ঘদেহী মহিলা মাথায় কদমছাঁটা পাকা চুল।

    —মহিলা দারুণ হটযোগে বিশ্বাস করে, বললো ডেসপার্ড-প্রেততত্ত্ব সম্মোহন বিদ্যা আর যাদু রহস্য নিয়ে মাথা ঘামায়। ঠিক মারণ বিদ্যা নয়। তবে ওই ধরনের জিনিস, জিনজার সহসা বেদম হাসতে শুরু করলো। তারপর হাসি থামিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে বললো—ভাবছিলাম যেন মিস গ্রে মখমলের বেদীর উপর মাদাম ডি মনটেস্ প্যান বসে আছেন।

    —জিনজার। বললো রোডা—পল্লী-পুরোহিতের সামনে একথা বলো না।

    একেবারেই না, লজ্জিত পল্লী-পুরোহিত বললো – প্রাচীন লেখকরা বলেছেন…। বেশ কিছুক্ষণ পল্লী-পুরোহিত গ্রীক ভাষায় উদ্ধৃতি আওড়ালো।

    ঘরের মধ্যে নীরবতা নেমে এলো।

    একসময় আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বললাম—মিস গ্রে, আমি কিন্তু এখনও জানতে চাই ওরা কে? এবং ওদের সাথে আর কে কে আছে?

    —ওহো, একজন বন্ধু থাকে মহিলার সাথে। সিবিল স্ট্যামফোবাওস্ আমার বিশ্বাস তার উপরই অপদেবতা ভর হয়। তাকে নিশ্চয় দেখেছো। গলায় হাড় আর পুঁথির মালা পরে। মাঝে মাঝে পরিধান করে শাড়ি। কেন পরিধান করে তা ভাবতে পারছি না। ও তো কোনোদিন ভারতবর্ষে যায়নি।

    এবং তারপর রয়েছে বেল্লা, মিসেস ডেন ক্যালথ্রপ বললো—মেয়েটি ওদের রাঁধুনী। সেও ডাইনী। লিটল ডানিঙ গ্রামের মেয়ে। সে যে ভালোভাবে ডাইনীবিদ্যা রপ্ত করেছে তা গ্রামের লোক ভালোভাবে জানতো। এটা ওদের পারিবারিক বিদ্যা। মেয়েটির মা-ও ছিলো ডাইনী। সাধারণভাবে কথাগুলো আওড়ালেন মহিলা।

    বললাম—আচ্ছা মিসেস ডেন, তুমি এমনভাবে কথা বলছো যেন ডাইনী বিদ্যায় তুমি বিশ্বাস করো।

    —কিন্তু নিশ্চয় করি। ডাইনীবিদ্যার কোনো রহস্য নেই। অথবা নেই কারো কাছ থেকে সে কথা গোপন করে রাখা। এই বিদ্যা একেবারেই সাধারণ। এটা একটা পারিবারিক সম্পদ যা তুমিও উত্তরাধিকার হিসাবে পেতে চাইবে। ছেলেমেয়েদের বলতে হবে তারা যেন তাদের বিড়ালটাকে মারধোর করতে, অথবা মাঝে মাঝে লোকজন তোমার কাছে ঘরে তৈরি পনীর কিংবা জ্যাম তোমার কাছে উপহার হিসাবে পাঠাবে।

    মহিলার দিকে তাকালাম—

    আমার দু চোখে সন্দেহের কালো মেঘ জমেছে। মহিলাকে খুব আন্তরিক এবং ভাবগম্ভীর মনে হচ্ছে।

    —ভাগ্য ফেরাতে সিবিল আজ আমাদের সাহায্য করছে, বললো রোডা—জুয়া খেলার তাবুতে সে বসেছিল। আমার বিশ্বাস, একাজ সে ভালোই পারে।

    —আমাকে সে বহু টাকা পাইয়ে দিয়েছে। বললো জিনজার—টাকা আমি পেয়ে গেছি। সমুদ্রের পরে এক কৃষ্ণকায় বিদেশিনী নারী। সুদর্শনা। তার সাথী দু দুটো স্বামী আর ছটা ছেলেমেয়ে, সত্যি ভারি সাদাসিধে মেয়েটা।

    —কার্টিস মেয়েটাকে আমি হাসতে হাসতে বেরিয়ে আসতে দেখেছিলাম। রোডা বলল—এবং তার ছোকরা মরদটার সাথে মস্করা করছিলো। বলেছিল যে সমুদ্রবেলায় সেই সবেধন নীলমণি নুড়ি নয়।

    –সে কি ফিরে আসতে চায় না কি? রোডার স্বামী জানতে চাইলো।

    –হাঁ। মেয়েটা আমার কাছে কি শপথ করেছিলো তা তোমাদের কাছে ভাঙছি না। বললো সে—প্রিয়া আমার, তুমি হয়তো সে কথা পছন্দ করবে না।

    —টমের ভালোর জন্য।

    —বুড়ি মিসেস পার্কারের মন একদম বিরক্তিতে ভরে গেছে, হাসতে হাসতে বললো জিনজার।

    —মেয়েটি বললো, এসব বোকামি। তোমরা দুজনে এ কাজ কখনই করতে পারো না। কিন্তু তখন মিসেস ক্রিপস একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছিলো আমার মতন লিজি তুমি জানো যে অন্যেরা যা দেখতে পায় না মিস স্ট্যামফোর্বাওস তা দেখতে পায় এবং মিস গ্রে সে দিনটি জানে কখন মৃত্যু ঘটবে। রমণীর ভবিষ্যদ্বাণী কোনোদিন ভুল হয়নি। মাঝে মধ্যে মনে হয় আমার দেহের মধ্যে যেন একটা কিছু শিরশির করে চলেছে। এবং মিস পার্কার বললো—মৃত্যু—এক ভিন্ন বস্তু। মৃত্যু একটা দিন। এবং মিসেস ক্রিপস বললো—যা হোক আর যাই ঘটুক ওই তিনজনের মনে আমি আঘাত দিতে চাই না। আর আমি তা করবোও না।

    —খবরগুলোর মধ্যে যথেষ্ট উত্তেজনার খোরাক রয়েছে। আমার মন ওদের সাথে দেখা করতে চাইছে। মিসেস অলিভার আগ্রহ সহকারে বললো।

    কর্নেল ডেসপার্ড শপথ করলো—আমরা কাল তোমাকে তার কাছে নিয়ে যাব। ওই সেকালের সরাইখানাটা সত্যিই দেখবার মতন। সরাইখানাটার চরিত্র না বদলে ওরা সেটাকে খুব আরামদায়ক করে তুলেছে খুবই চতুর পারদর্শিতায়।

    —আমি কালই সকালবেলায় ফোন করে দেবো হিরজাকে। রোডা বললো। আমি কাল রাতে ঘুমতে পেরেছিলাম একটু হাল্কা মনে এটা আমি স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছি। পেল হর্স শব্দটা আমার কাছে অজানা এবং অশুভ বলে টানাপোড়েন চলছিল। এখন বুঝতে পারলাম যে ওটা সেরকম কিছু নয়। যদি কিনা এই পেল হর্স সম্বন্ধে আর কোথায়ও কিছু না থেকে থাকে?

    ঘুমিয়ে পড়ার আগে পর্যন্ত আমার মনের মধ্যে ধারণাটা ঘুরতে লাগলো।

    ****

    পরের দিন রবিবার। মনের মধ্যে আরাম উপভোগের নিখাদ বাসনা শুধু। একটা জলসার পর মনের যেমন অবস্থা হয় ঠিক তেমনি অবস্থা সরাইয়ের। হালকা বাতাসের ছোঁয়ায় কাত হয়ে পড়া তাঁবুগুলোর পর্দা উড়ছে—পরের দিন খুব ভোরেই খাদ্যদ্রব্য সরবরাহকারীর লোকজনরা এসে তাঁবুগুলো খুলে নিয়ে যাবে। সোমবার সকাল থেকে আমরা সবাই মিলে হিসেব নিকেশ করতে শুরু করলাম। এটাই হচ্ছে সকলের মনের ইচ্ছে—সব মিটিয়ে ফেলা ভালো।

    কাজকর্ম চুকে যাওয়ার পর বাইরে ঘুরে আসার ব্যবস্থা করলো রোডা নিজেই। তাই সবাই হাজির হলাম গীর্জায়। প্রার্থনা শুরু হয়ে গিয়েছে। মিস্টার ডেন ক্যালথ্রপ তখন ইসাইয়া থেকে পাঠ করে পাণ্ডিত্যপূর্ণ ব্যাখ্যা করেছেন।

    —কিন্তু ব্যাখ্যায় তিনি যত না ধর্মের কথা বলেছেন তার চেয়ে বেশি পারস্যের ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।

    রোডা প্রার্থনা সভা ভাঙার পর বললো, আমরা মিস্টার ভেনবলসের নিমন্ত্রণে তাঁর সাথে মধ্যাহ্নভোজ খেতে যাচ্ছি। তাকে তোমার ভালো লাগবে মার্ক। চলো সত্যিই আগ্রহ জাগানো মানুষ। সব জায়গায় ঘোরা আর সব কাজ করে, সব ধরনের আজব বস্তু সম্পর্কে তার জানাশোনার অন্ত নেই। বছর তিনেক আগে প্রায়রকোর্টে বাড়িখানা কিনেছিলো। কেনার পর যেভাবে বাড়িখানার হাল ফিরিয়ে নিয়েছেন, ততে মনে হয় বহু অর্থ খরচ করতে হয়েছে তাকে, এক সময় পোলিও রোগে ভোগার ফলে তার নিম্নাঙ্গ কুঁকড়ে গিয়েছে—তাই এখন চাকালাগানো চেয়ারে বসে সে চলাফেরা করে। বড় দুঃখজনক ঘটনা—কেননা আমার বিশ্বাস আগে দেশে দেশে ঘুরে বেড়ানো তার অভ্যাস ছিলো। এখন অবশ্য ওর পুঁজি সামান্য রোল করে চলেছে। জমেছে ধন সম্পদের পাহাড়—এসব বলছি কেননা প্রায় ভেঙে পড়া বাড়িখানা কি চমৎকার ভাবে বানিয়ে নিয়েছে। ওর বাড়িতে জাঁকালো পোশাকপরা অনেক চাকর বাকর কাজ করে। বাড়ির ঘরগুলো সাজানো গোছানোর জন্য সে খুবই গর্বিত। ‘প্রায়র কোর্ট বাড়িখানা এখান থেকে প্রায় কয়েক মাইল দূরে। আমাদের নিয়ে গাড়ি ওখানে হাজির হতে গৃহকর্তা চাকালাগানো চেয়ারে বসে নিজেই চাকা ঘুরিয়ে দালান পেরিয়ে আমাদের সম্বর্ধনা জানাতে এলেন।

    তোমরা সবাই এসেছো বলে আমার দারুণ ভালো লাগছে। আন্তরিকতার সুরে সে বললো। কাল সব কাজকর্ম শেষ হলে তোমরা নিশ্চয় ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলে। রোডা তোমাদের উৎসব খুবই সফল হয়েছে। প্রায় বছর পঞ্চাশ বয়স হবে মিস্টার ভেনবলসের। বাজপাখীর মতন শীর্ণ মুখমণ্ডল, চঞ্চুর মতন নাসিকাটা উদ্ধত ভঙ্গিতে উঁচিয়ে রয়েছে। পরনের জামাটার কলার দুধার খোলা—এটাই প্রমাণ করেছে তার মন ছিল সেকালে।

    রোডা সকলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো।

    মিসেস অলিভারের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসলো ভেনবলস।

    —কাল এই মহিলাকে আমি তার বৃত্তিমূলক কাজ করতে দেখেছি। তাঁর লেখা ছ-খানা বইয়ে তিনি সই করে দিলেন। খ্রিসমাসের ছটি উপহার। আপনি ভারি সুন্দর লেখেন, মিসেস অলিভার। আমাদের জন্য আরো বই লিখুন। আরো বেশি বেশি লিখতে পারেন না? তারপর জিনজারের দিকে তাকিয়ে সে বললো – ওহে খুকি, একটা জ্যান্ত হাঁস আমার হাতে দিয়ে দারুণ ঠকিয়েছিলে।

    তারপর আমার দিকে তাকিয়ে ভেনবলস—গত মাসের রিভিয়ু পত্রিকায় তোমার লেখা পড়েছি।

    —আমাদের মিলন উৎসবে আপনি যাওয়ায় আমরা সবাই খুব খুশি মিস্টার ভেনবলস। বললো রোডা—আপনার পাঠানো মোটা টাকার চাঁদার চেক আমরা পেয়েছি। আশা করিনি যে—আপনি সশরীরে ওখানে হাজির হবেন।

    —ওহো, এ ধরনের মিলন উৎসব আমার খুব ভালো লাগে। ইংরেজদের গ্রাম্য জীবনের এটা একটা অংশ তাই না?

    উৎসবস্থলের দোকান থেকে একটা বড় পুতুল কিনে নিয়ে বাড়ি ফিরেছি। আর মাথায় উজ্জ্বল জরিদার কাপড়ের পাগড়ি পরে এবং গলায় এক টন ওজনের কুটো মিশরীয় পুঁথির মালা ঝুলিয়ে আমাদের সিবিল আমার সম্বন্ধে যে আশ্চর্যজনক আর অবাস্তব ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলো তা শুনে এসেছি।

    —ভালোমানুষ বুড়ি সিবিল, বললো কর্নেল ডেসপার্ড—আজ বিকেলে আমরা ওখানে যাচ্ছি থিরজার চায়ের নিমন্ত্রণ রাখতে। জায়গাটি ভারি আকর্ষণীয়।

    —পেল হর্স? হ্যাঁ। আমার ধারণা এখনও ওটা সরাইখানাই রয়েছে। সব সময় মনে হয় সরাইখানাটা রহস্যে আচ্ছন্ন। আর ওটার অতীত ইতিহাস হচ্ছে অস্বাভাবিক দুষ্কৃতির ঘটনায় ভরা। যে দুষ্কৃতি চোরাচালান এমন কি তার কাছাকাছি কাজ নয়। এটা বোধ হয় পথ দস্যুদের একটা ডেরা ছিল। কিংবা ধনবান পথিকরা ওখানে রাত কাটাতো এবং তারপর থেকে আর তাদের কোনো হদিস পাওয়া যেতো না। মনে হয় এখন ওটা তিন জন বৃদ্ধার পছন্দসই বাসস্থান হয়ে উঠেছে।

    —ওহো! ওদের সম্পর্কে এমন সব কথা ভাবিনি। বললো রোডা সিবিল স্ট্যামফোবাওস সব সময় শাড়ি পরে থাকেন। তার আচার আচরণ এমন আজগুবি যে সে সব সময় লোকজনের মাথার পিছনে ক্ষীণ আলোকপ্রভা দেখতে পায়। সত্যিকারের মোহময় আকর্ষণ তাই না? সে যে তোমার মনের কথা জানে এটা তুমি নিজেই অনুভব করতে পারবে। তার অতীন্দ্রিয় দৃশ্য দেখার শক্তি সম্পর্কে নিজে কোনো কথা না বললেও ও প্রত্যেককেই বলে তার এ শক্তি রয়েছে। বেল্লার দু দুটো স্বামী করে দিয়েছে সে এখনও বুড়ি হয়নি।

    কর্নেল ডেসপার্ড কথাগুলো বললো। হাসতে হাসতে বললো ভেনবলস—ওর হয়ে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি।

    ডেসপার্ড আবার বললো—ওদের মৃত্যু সম্পর্কে প্রতিবেশীরা যে সব কথা বলে তার অশুভ ব্যাখ্যা হচ্ছে, ওরা স্বামীরা বেল্লাকে অখুশি করেছিলো—কাজেই সে তাদের দিকে তাকিয়েছিলো। তার চোখের দৃষ্টিতে ছিলো এক ধরনের দ্যুতি। এর ফলে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাদের দেহ যায় শুকিয়ে।

    —কথাটা ভুলে গেছি। ও অবশ্যই স্থানীয় ডাইনী হবে?

    —মিসেস ডেন ক্যালথ্রপও তাই বলে।

    —পঙ্গু ভেনবলস চিন্তিত মনে বললো, ডাইনীবিদ্যা তো বড় মজার ব্যাপার। সারা পৃথিবীজুড়ে এদের জাত রয়েছে। আমি যখন পূর্ব আফ্রিকায় ছিলাম…। সে সহজ গলায় মজার মজার কথা বলতে শুরু করলো এ বিষয়ে। সে বললো—আফ্রিকার জড়িবুটি দেওয়া বদ্যিদের কথা, আর বললো বোর্নিওর স্বল্প পরিচিত ধর্মীয় আচরণের কাহিনী—এবং শপথ করলো লাঞ্চ খাওয়ার শেষে সে পশ্চিম আফ্রিকার যাদুকরদের ব্যবহার করা মুখোশের কিছু কিছু নমুনা দেখাবে।

    রোডা হেসে বললো—এ বাড়িতে সব কিছুই আছে।

    সে কাঁধ নাচিয়ে বললো ঠিকই তো। কেউ যদি সবকিছু দেখতে না পায় তবে তার কাছে সবকিছু আনার ব্যবস্থা করতে হবে।

    নিমেষের মধ্যে তার কণ্ঠস্বরে বিরক্তির ভাব বোঝা গেল। নিজের পঙ্গু পা দুটোর দিকে বারেক তাকালো।

    —বিশ্বে অসংখ্য ধরনের বস্তু রয়েছে। ভেনবলস বলতে লাগলো যে আমার মনে হয় এর জন্য আমার অক্ষমতা দায়ী। অনেক কিছু আমি দেখতে চাই জানতে চাই। আমার জীবনে এর জন্য কসুর আমি কম করিনি। কখনো কখনো হয়তো করেছি এইটুকুই আমার জীবনে সান্ত্বনা।

    –আচমকা মিসেস অলিভার শুধালো এখানে কেন?

    অন্যদের মনের সহজ ভাবটুকুর সুর সামান্য যেন ছিঁড়ে গেলো, হাওয়াতে যখন কোনো একটা বিয়োগান্ত ঘটনা ভেসে বেড়ায় তখন মানুষের মনের ভাব যেন পাল্টে যায়। কেবলমাত্র মিসেস অলিভারের মনে কোনো ভাবান্তর ঘটলো না।

    ব্যাপারটা শুধু জানবার জন্য মিসেস অলিভার জিজ্ঞাসা করেছিল। তার মনের সরল কৌতূহল পরিবেশ হালকা করে তুললো।

    ভেনবলস জিজ্ঞাসার সুরে তার দিকে তাকিয়ে ছিল।

    —বলছি, মিসেস অলিভার বললো—এই গ্রামাঞ্চলে আপনি কেন বাস করতে এসেছেন। কত বস্তুর অস্তিত্ব রয়েছে, কত ঘটনা ঘটেছে দূর দূর অঞ্চলে। আপনার কি এখানে কোনো বন্ধুবান্ধব আছে?

    —না। কেন এই জায়গায় এসেছি সেটা জানতে চাইছেন বলে বলছি এখানে আমার কোনো বন্ধুবান্ধব নেই।

    তার মুখে এক টুকরো শ্লেষমিশ্রিত হাসি ভেসে উঠলো।

    অবাক মনে ভাবতে লাগলাম তার এই অক্ষমতা তার মনে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। সব দেশে দেশে স্বাধীনভাবে অবধারিতভাবে ঘুরে বেড়াবার অক্ষমতার জন্যই কি তার মন অত ক্ষতবিক্ষত? অথবা পরিবেশ বদলে যাওয়ার জন্য কি সে তুলনামূলকভাবে সত্যিকারের মহানুভবতার সাহায্যে নিজের মানসিক অবস্থাকে খাপ খাইয়ে নিয়েছে, গড়ে তুলেছে মেজাজের সমতা?

    ভেনবলস বুঝি আমার মনের ভাবনা, বুঝতে পেরেই বললো, আপনার প্রবন্ধে মহানুভবতার সম্পর্কে একটা প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য দেশগুলোতে এই শব্দটার যেসব অর্থ প্রচলিত হয়েছে সেগুলো আপনি তুলনামূলকভাবে বিচার করেছেন। কিন্তু এখানে এই ইংল্যান্ডে আজকাল একজন মহান মানব শব্দ সমূহ ব্যবহার করে আমরা কি বোঝাতে চাই?

    —বুদ্ধিজীবীদের মহানুভবতা নিশ্চয়, জবাব দিলাম, এবং সঙ্গে সঙ্গে একইভাবে নিশ্চয় বলেছি মানসিক শক্তির কথা, তাই তো?

    আমার দিকে সে তাকিয়ে রইলো, তার দৃষ্টি উজ্জ্বল এবং দ্যুতিময়।

    —আচ্ছা, দুরাত্মা বলে কি কোনো লোক সংসারে নেই? তবে কাকে মহানুভব মানব বলে বর্ণনা করা যাবে? জিজ্ঞাসা করলো ভেনবলস।

    —অবশ্যই আছে। সজোরে বলে উঠলো রোডা। নেপোলিয়ন এবং হিটলারের মতন এমন অনেক লোক রয়েছে। তাঁরা সকলে ছিলেন মহান মানব।

    —কেননা তাঁদের কর্মের ফল, তাই তো? শুধালো ডেসপার্ড—কিন্তু তাঁদের সাথে কেউ ব্যক্তিগত ভাবে পরিচিত হয়ে থাকলে তিনি প্রভাবিত হয়েছেন কি না সে সম্বন্ধে আমার মনে সন্দেহ আছে।

    জিনজার সামনে ঝুঁকে বসে নিজের ঝাঁকড়া চুলের মধ্যে আঙুল বুলাচ্ছিলো।

    —দারুণ মজাদার ভাবনা তো, বললো জিনজার-বোধহয় এমন মর্মস্পর্শী খর্বকায় রূপে বিবেচিত হওয়ার জন্য, কারণ কৃত্রিম ভঙ্গির জন্য অক্ষম ভাবে।

    রোডা দারুণ ভাবে প্রতিবাদ করলো—না একেবারেই না। তারা যদি অমন হতেন তবে তাঁরা কিছুতেই এ ধরনের কর্মফল লাভ করতে পারতেন না।

    —জানি না। মিসেস অলিভার বললো। তবে নির্বোধ একটা শিশু একটা বাড়িতে আগুন লাগাতে পারে।

    —শান্ত হোন। ভেনবলস বললো- সে ধরনের অমঙ্গলজনক বস্তুর সত্যিকারের অস্তিত্ব নেই, আজকের দিনে সে সব বস্তুর ক্রিয়াকলাপ দেখানোর চেষ্টা আমি পছন্দ করি না। জানি, পাপের অস্তিত্ব আছে। অমঙ্গলজনক ক্রিয়াকাণ্ড ঘটে। এবং পাপ খুবই শক্তিশালী। মাঝেমাঝে পাপের চেয়ে সততার শক্তি বেশি বলে প্রমাণিত হয়। কাজেই পাপ রয়েছে। তাকে চিনতে হবে—তার সাথে লড়াই করতে হবে। নইলে…। আচমকা দু’হাত ছড়িয়ে দিয়ে সে বললো—আমরা অন্ধকারে ডুবে যাবো।

    —অবশ্য শয়তানকে নিয়েই আমার কাহিনী দানা বাঁধে। মিসেস অলিভার ক্ষমা চাইলো এবং বললো–বলছি তাকে বিশ্বাস করি। কিন্তু সব সময় তার কাজকর্ম আমার কাছে ছেলেমানুষি বলে মনে হয়। তার পাগুলোতে খুর রয়েছে। আর একটা ল্যাজ আছে, আরো এমনি অনেক কিছু। মুক অভিনেতার মতো চারধারে ঘুরে বেড়ায়। অবশ্য মাঝে মাঝে আমি ভয়ঙ্কর দুষ্কৃতিদের কাহিনী লিখে থাকি। লোকজনেরা এমন কাহিনী পছন্দ করে। কিন্তু এসব দুষ্কৃতিদের ধরা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। কেউ তাকে চিনতে পারে না। আমিও তার কাহিনী আকর্ষণীয় করে তুলি—কিন্তু রহস্যের সমাধান যখন হয়ে যায় তখন মনে হয় সবটা যেন বলা হলো না। এ হচ্ছে এক ধরনের কাহিনীর শেষভাগের গুরুত্বহীনতা। এর চেয়ে ব্যাঙ্কের তহবিল তছরূপকারী কোনো ম্যানেজার অথবা স্ত্রীর হাত থেকে মুক্ত হয়ে বাচ্চাদের ধাত্রীকে শাদি করতে ইচ্ছুক স্বামীর কাহিনী লেখা খুবই সহজ আমার কথা বুঝলে তো।

    সবাই হেসে উঠলো।

    মিসেস অলিভার ক্ষমা চেয়ে নিয়ে বললো, জানি খুব গুছিয়ে বলতে পারলাম না। কিন্তু যা বললাম তা বুঝেছো তো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনা ফ্রাঙ্ক-এর ডায়েরি

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }