Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প1896 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মিস মার্পল টেলস এ স্টোরি

    মিস মার্পল টেলস এ স্টোরি

    আমি মনে করি না আমি তোমাকে কখনো বলেছি কিনা–আমার প্রিয়জন–তুমি, রেমন্ড এবং তুমি জোয়ান, এবং আগ্রহের ছোট্ট ব্যবসাটা সেটা কিছু বছর আগে ঘটেছে। আমি মনে করি না কোনও কারণে গর্ব করব–অবশ্য আমি জানি যে তোমাদের মত যুবক লোকেদের সঙ্গে তুলনায় আমি মোটেই চালাক নই।–রেমন্ড অনেক আধুনিক বই লিখেছে এবং সমস্ত বইগুলো যুবক লোক এবং মহিলাদের অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে–এবং জোয়ান অনেক স্মরণীয় ছবি এঁকেছে। এই ছবিতে বর্গাগার লোকেদের তুলে ধরা হয়েছে এবং তাদের আগ্রহী স্ফীতি ছিল–খুব চালাক তুমি–আমার প্রিয়। কিন্তু রেমন্ড সবসময় বলে (দয়ার অনুভূতি নিয়ে, কারণ সে হল তার ভাইপোদের মধ্যে সহৃদয়বান)। আমি হচ্ছি আশাতীতভাবে ভিক্টোরিয়ান। আমি মি. আলমাটাডেমাকে প্রশংসা করি এবং মি. ফ্রেডারিক লেটনকেও। এবং আমি তাদের সম্বন্ধে মনে করি তারা অসহায়ভাবে, এখন আমাকে দেখতে দাও, আমি কী বলেছিলাম? ওহ, হ্যাঁ, আমি চাই না গর্বিতভাবে আবির্ভাব হতে, কিন্তু আমার কিছু করার নেই। তাই আমাকে একটুখানি আনন্দিত হয়ে থাকতে হয়, কারণ আমাকে সাধারণ ধারণা প্রয়োগ করতে হয়। আমি বিশ্বাস করি আমি সমস্যাটা সমাধান করতে পারি আমার যেটা থেকে অনেক চালাক লোককে হতবুদ্ধি করেছিল, যদিও আমার ভাবা উচিত ছিল যে পুরো জিনিসটা প্রথম থেকেই সুস্পষ্ট ছিল।

    ঠিক আছে, আমি তোমাকে আমার ছোট্ট গল্পটা বলব। যদি তুমি ভাব যে আমি গর্বিত হওয়ার জন্য খুব আগ্রহান্বিত, তাহলে তুমি অবশ্যই স্মরণ করবে যে আমি অন্ততপক্ষে একজন অনুগামী মানুষকে সাহায্য করেছিলাম, যে লোকটা অনেক দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিল।

    এই ব্যবসাটার প্রথম বিষয় হল যে–একদিন সন্ধেবেলা নটার সময় যখন গোয়েন–তোমার মনে আছে গোয়েন? আমার ছোট দাসী, যার লাল চুল ছিল, ঠিক আছে–গোয়েন ভিতরে এল এবং আমাকে বলল যে মি. পেথারিক এবং একজন ভদ্রলোক এসেছেন, আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য। গোয়েন তাদেরকে বসার ঘরে বসিয়েছে–এটা একদম ঠিকই হয়েছে। আমি তখন খাওয়ার ঘরে বসেছিলাম কারণ বসন্তের খুব সকালে আমি ভাবি এটা সময় অপচয় করা যেখানে পাশাপাশি দুটো আগুন জ্বলছে।

    আমি গোয়েনকে চেরিব্র্যণ্ডি আনার জন্য নির্দেশ দিলাম এবং তাকে কয়েকটি গ্লাসও আনতে বললাম। তারপর আমি বসার ঘরে তাড়াহুড়ো করে ছুটে গেলাম, আমি জানি না তুমি মি. পেথারিককে মনে রেখেছে কি রাখনি? সে দু বছর আগে মারা গেছে। কিন্তু তার একজন বন্ধু আছে যে অনেকবছর আগে আমার আইনসম্মত ব্যবসায় যোগদান করেছিল। এবং সে আমারও বন্ধু ছিল বটে। সে খুব তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন এবং সত্যিই একজন চালাক লোক ছিল। এখন তার ছেলে আমার ব্যবসায় যোগদান করেছে। সে খুবই ভালো ছেলে এবং খুব নিয়মানুবর্তী এবং প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব। কিন্তু কেন জানি না আমি ছেলেটির উপর তেমন বিশ্বাস রাখতে পারি না, যতটা না রেখেছিলাম মি. পেথারিক-এর উপর।

    আমি আগুনের সম্বন্ধে মি. পেথারি-ককে ব্যাখ্যা করেছিলাম এবং সে এক মুহূর্তে বলল যে সে এবং তার বন্ধু খাওয়ার ঘরে আসবে–তারপর সে তার বন্ধুর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে ছিল। যে ছিল মি. রডস। সে একজন যুবক মানুষ–বয়স চল্লিশ বছরের বেশী নয়–এবং আমি তৎক্ষণাৎ দেখলাম যে সেখানে কিছু ভুল হচ্ছে। তার রীতিনীতিগুলো নির্দিষ্ট নিজস্ব বৈশিষ্ট্যসূচক ছিল। এটাকে একজনের অভদ্র এবং অমার্জিত আচরণ বলা হত। যদি না তিনি মানুষটির দুঃখ বুঝতেন। কারণ মানুষটি মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল।

    যখন আমরা খাবার ঘরে বসলাম এবং গোয়েন চেরি ব্র্যান্ডিটা আনল, মিঃ পেথারিক তার আসার কারণ ব্যাখ্যা করল।

    মিস মার্পল, সে বলল, তুমি অবশ্যই উদাসীনতা নেওয়ার জন্য ক্ষমা করবে একজন বৃদ্ধ বন্ধুকে। আমি এখানে এসেছি তোমার সঙ্গে মন্ত্রণা বা পরামর্শ করার জন্য।

    আমি মোটেই বুঝতে পারিনি সে কি বলতে চাইছে। এবং তারপরে সে বলতে লাগলঃ

    –অসুস্থ হওয়ার কারণ একজন দুটো মত পছন্দ করে। একটি হল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে ডাকা এবং পরিবারের হাউস ফিজিসিয়ান-কে ডাকা। কিন্তু এখন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে ডাকা একটা শোভনতায় পরিণত হয়েছে। এবং এর একটা অবশ্যই খুব বড় মূল্য আছে। কিন্তু আমি জানি না আমি কতটা এ বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করব বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তার নিজের বিষয় সম্পর্কে অভিজ্ঞতা আছে-কিন্তু পরিবারের সাধারণ ডাক্তারের সম্ভবত অল্প জ্ঞান আছে। কিন্তু একটি বিশাল অভিজ্ঞতা।

    আমি এটা বলতে চেয়েছিলাম, কারণ আমার একজন যুবতী ভাইঝি তার বাচ্চাকে নিয়ে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়েছিল। যে ত্বকের অসুখে ভুগছিল। কিন্তু তার নিজস্ব হাউস ফিজিসিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেনি যাকে সে একজন বৃদ্ধ থুরথুরে লোক বলে ভাবত। কিন্তু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তাকে খরচসাপেক্ষ পরিচর্যার জন্য আদেশ দিল, কিন্তু পরে দেখা গেল যে শিশুটি মিসল রোগে ভুগছিল।

    আমি এটা উল্লেখ করেছি, যদিও আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম–এটা দেখানোর জন্য যে আমি মি. পেরিকের বক্তব্যকে উৎকর্ষতা দান করি। কিন্তু আমার কোনও ধারণাই নেই যে সে কি চাইছিল আমার কাছে।

    -যদি মি. রডস অসুস্থ হয়–আমি বললাম এবং থেমে গেলাম–কারণ নবাগত লোকটা তখন একটা ভয়ঙ্কর অট্টহাসি হাসল।

    সে বলল–আমি আশা করছি কিছু মাসের মধ্যে আমি ভাঙ্গা গলা নিয়ে মারা যাব।

    এবং তখন সমস্তই বেরিয়ে আসল যে একটা হত্যার ঘটনা ঘটেছিল বার্নচেষ্টার এটা একটা শহর, সেটা ছিল ২০ মাইল দূরে। আমি ভীত যে আমি এটাতে ঠিক সময়ে যথেষ্ট মনোযোগ দিতে পারিনি। কারণ আমি অনেক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সামিল হয়েছি। আমাদের রাজ্যের নার্সের সম্বন্ধে আমার উত্তেজনা ছিল এবং বাইরের ঘটনা যেটা একটা ভূমিকম্পের মত। একটা হত্যা ঘটেছিল বানচেস্টারে, যদিও এটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল–সেটা আমাকে উত্তেজনা উদ্রেকের পথ করে দিয়েছিল, আমি ভীত যে গ্রামগুলো এরকমই, তবুও, হোটেলে ছুরিবিদ্ধ হওয়া একটা মহিলার ঘটনা পড়ার পর মনে করতে পারি। যদিও আমি তার নাম মনে রাখতে পারিনি। কিন্তু এখন এটা মনে হয় যে এই মহিলাটি ছিল মি. রডসের স্ত্রী–এবং এটা খুব একটা খারাপ ছিল না–তাকে সন্দেহ করা হয়েছিল তার নিজের স্ত্রীকে হত্যা করার জন্য।

    সব কিছুই মি. পেথারিক স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে বলল। এটা বলে, যদিও করণার এর জুরি একটা অপরিচিত লোকের দ্বারা হত্যার আইনী কাগজগুলি নিয়ে আসল। মি. রডস-এর নির্দিষ্ট কারণ ছিল বিশ্বাস করার যে এক কিংবা দুদিনের মধ্যে তাকে সম্ভবত জেল হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হবে, এবং সে মি. পেথারিকের কাছে এসেছিল এবং তার হাতে ধরা দিয়েছিল।

    মি. পেথারিক বলতে লাগল যে তারা বিকেলে স্যার ম্যালকম ওড, কে. সির সঙ্গে পরামর্শ করেছে, তারপরে ব্যাপারটা ট্রায়াল-এ আসল যেটার দায়িত্বে ছিল স্যার ম্যালকম। সুতরাং স্যার ম্যালকমকে খুব সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়েছিল মি. রডসকে প্রতিরোধ করার জন্য।

    স্যার ম্যালকম একজন যুবক মানুষ ছিল। মি. পেথারিক বলল সে স্যার ম্যালকম তার পদ্ধতি সম্পর্কে খুব সতর্ক এবং ওয়াকিবহাল এবং সে একটা নিশ্চিত প্রতিরোধও নির্দেশ করেছে। কিন্তু এই প্রতিরোধের জন্য মি. পেথারিক সন্তুষ্ট নয়।

    -তুমি দেখ, আমার প্রিয় মহিলা সে বলল, বিশেষজ্ঞের যে মত বলেছিলাম সেটা কলঙ্কিত হয়েছে। মি. ম্যালকমকে একটা ঘটনা দাও এবং সে একমাত্র একটা লক্ষ্য দেখবে–যে প্রতিরোধটা সবাই পছন্দ করে। কিন্তু সবথেকে ভালো প্রতিরোধ মূল লক্ষ্যটাকে প্রতিরোধ করতে পারে এবং অবজ্ঞা করতে পারে এটা কোন কৈফিয়ত দিতে হবে না যে সত্যিকারে কি ঘটেছিল।

    তারপর সে কিছু দয়াপূর্ণ এবং তোমোদজনক বিষয় বলতে লাগল। এই বিষয়গুলো ছিল আমার নিজের সূক্ষ্ম বিচারবুদ্ধি এবং বিচার এবং মানুষের প্রকৃতি সম্বন্ধে আমার জ্ঞান। তারপরে আমি অনুমতি চাইলাম আমাকে একটা গল্প বলার জন্য এই বিষয়ে যাতে আমি তাদেরকে কোনও ব্যাখ্যা প্রস্তাব করতে পারি।

    আমি দেখলাম মি. রডস আমার কোনও ব্যবহারে সন্দেহ প্রকাশ করছে। এবং সে খুব বিরক্তও বটে এখানে তাকে আনার জন্য। কিন্তু মি. পেথারিক তার প্রতি কোনও লক্ষ্য করল না এবং তারপরে আমাকে মার্চ মাসের ৮ তারিখ রাতে কী ঘটনা ঘটেছিল আমাকে তা বলতে উদগ্রীব হল।

    মি. এবং মিসেস রডস বানচেস্টারের ক্রাউন হোটেলে থাকতে শুরু করেছিল। মিসেস রডস (সুতরাং আমি মি. পেথারিকের সতর্কতাপূর্ণ ভাষা থেকে সংগ্রহ করেছিলাম)। ছিল সম্ভবত একটা আতঙ্কে ছায়া, সে তাড়াতাড়ি রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল সে এবং তার স্বামী পার্শ্ববর্তী ঘর যেটাতে দরজা ছিল, সেটা অধিকারে রেখেছিল। মি. রডস প্রাগঐতিহাসিক বই লিখছিল, এবং সে পার্শ্ববর্তী একটা ঘরে ছিল কাজের জন্য। এগারটায় সময় সে তার কাগজগুলো গুছিয়ে ফেলল এবং বিছানায় যাবার জন্য প্রস্তুত হল। এটা করার আগে, সে তার স্ত্রীর ঘরে একবার টু মারল যাতে সে নিশ্চিত হয় যে, সে যা চেয়েছিল সেখানে কিছুই নেই। সে ইলেকট্রিক লাইট দেখতে পেল এবং দেখল তার স্ত্রী ছুরিকাঘাত হয়ে পড়ে আছে। সে অতন্তপক্ষে একঘণ্টা আগে মারা গেছে–বা সম্ভবত একটু বেশি হবে।

    এই অভিপ্রায়গুলি করা হয়েছিল, মি. রডের ঘরটা যেটা বারান্দায় সঙ্গে মিশেছে, সেখানে আর একটা দরজা ছিল, এই দরজাটা বন্ধ ছিল এবং ভেতর থেকে বন্ধ করা ছিল, ঘরের একটা মাত্র দরজা বন্ধ ছিল এবং চাবি দিয়ে আটকানো ছিল, মি. রডের মতে, যে ঘরে সে বসত সেখানে কেউ প্রবেশ করতে পারত না একমাত্র তার ঘরের দাসী যে তার জন্য গরম জল ভর্তি বোতল নিয়ে আসত। আঘাতের মধ্যে একটা অস্ত্র, ছুরি দেখা গেল যেটা মি. রডসের ড্রেসিং টেবিল-এর উপর রাখা ছিল। সে এটাকে কাগজের ছুরি হিসাবে ব্যবহার করত। সেখানে কোনও হাতের আঙ্গুলের ছাপ নেই।

    পরিস্থিতিটা আরো উত্তপ্ত হয়ে গেল এটার পর। সে ঘরে কেউ প্রবেশ করতে পারত না। একমাত্র মি. রডস এবং তার পরিচারিকা প্রবেশ করত।

    আমি পরিচারিকাকে জিজ্ঞাসা করলাম।

    -এটা হল আমার অনুসন্ধানের শুরু, মি. পেথারিক বলল, মেরি হিল একজন স্থানীয় মহিলা, সে ক্রাউণ এ পরিচারিকা হিসাবে ১০ বছর ধরে কাজ করছে, সেখানে কোনও কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি যে সে কেন তার ঘরের অতিথিকে আক্রমণ করতে গেল। সে সত্যিকারের অত্যধিকভাবে বোকা ছিল এবং খুব একটা প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব ছিল না, তার গল্পটা কখনই পরিবর্তন হয়নি, সে মিসেস রডসএর জন্য গরম জলের বোতল নিয়ে এসেছিল এবং বলল সে মহিলাটি তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল–এটা মনে হল যে সে ঘুমের ঘোরে আছে।

    সত্যি বলতে কি, আমি বিশ্বাস করতে পারি না, এবং আমি নিশ্চিত যে, কোন জুরিই বিশ্বাস করবে না, যে সে অপরাধ করেছে।

    মি. পেথারিক কিছু অতিরিক্ত খুঁটিনাটি উল্লেখ করতে লাগল। ক্রাউন হোটেলের সিঁড়ির মাথায় সেখানে একটা ছোট্ট লাউঞ্জ ছিল। সেখানে লোকেরা বসত এবং কফি খেত। একটা রাস্তা ডানদিকে গেছে এবং এর শেষ দরজাটা, মি. রডসদের দরজাও বটে। তারপরে গলিটা একটু বেশি ডানদিকে ঘুরে গেছে এবং কোণাটার কাছে যে দরজাটা আছে সেটা মি. রডসের ঘরে ঢোকার প্রথম দরজা। প্রত্যক্ষদর্শীরা এই দুটি দরজা খুব স্পষ্টভাবে দেখতে পাবে, প্রথম দরজা–যেটা মি. রডসদের ঘরের দিকে, সেটাকে আমি A বলে বলেছিলাম, সেটা চারজন লোক ছিল দুজন ব্যবসায়ী ভ্রমণকারী এবং দুজন বয়স্ক বিবাহিত স্বামী-স্ত্রী যারা কফি খাচ্ছিল। তাদের মতে কেউই A দরজার বাইরে কিংবা ভিতরে প্রবেশ করেনি, একমাত্র মি. রডসরা ছাড়া এবং দাসী চাকর ছাড়া। এবং B গলিতে অন্য একটা দরজা ছিল। যেখানে একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি কাজ করছিল এবং সে শপথ করে বলল যে, কেউই বামদিকের B দরজায় প্রবেশ করতে পারবে না একমাত্র তাদের চাকর ছাড়া।

    এটা সত্যিই একটা আগ্রহান্বিত এবং আকাঙ্ক্ষামূলক ঘটনা ছিল, দরজার সম্মুখে এমনভাবে তালা বন্ধ করা ছিল যে, মনে হল মি. রডস তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে। কিন্তু আমি দেখলাম মি. পেথারিক তার ক্লাইন্টের নির্দোষতা সম্বন্ধে খুব বেশি আস্থাপূর্ণ। এছাড়া মি. পেথারিক একজন খুব তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষও বটে।

    মি. রডস একটু ইতস্তত করে গল্প বলল। গল্পটা ছিল কিছু মহিলাদের নিয়ে যারা ভীতিপূর্বক চিঠি লিখে তার স্ত্রীকে পাঠিয়েছে। তার গল্পটা, আমার কাছে একটি তেমন একটা দৃঢ়তাপূর্ণ ছিল না, মি. পেথারিকের অনুরোধে সে বলতে লাগল।

    –স্পষ্টভাবে, সে বলল–আমি কখনও এটা বিশ্বাস করি না। আমি ভাবি অ্যামি সমস্তটাই করে দিয়েছে।

    মিসেস রডস, আমার দেখা মিথ্যুকদের মধ্যে একজন। সে জীবনের সমস্ত কিছুই গুছিয়ে এগিয়ে গেছে যেটা সে হাতের কাছে পেয়েছে। তার রোমাঞ্চকর ঘটনার সম্পূর্ণটা। এবং তার নিজস্ব মতো, যে তার সঙ্গে একবছরের মধ্যে ঘটেছিল সেটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। যদি সে কিছুটা কলার ছোবড়া ফেলে দিত তাহলে সে মৃত্যু থেকে হয়ত রক্ষা পেত, যদি একটা ল্যাম্পের ছায়া আগুন ধরাত। তাহলে সে জ্বলন্ত বাড়িটা থেকে মুক্তি পেতে পারত। যখন তার এই বিপদজনক পরিস্থিতি চলছে, তার স্বামী তার কথার কোন গুরুত্বই দেয়নি। তার গল্পটা মনে হয়েছিল এটা এমন একটা ঘটনা যেটার সঙ্গে একটা ঘটনার তুলনা করা যেতে পারে। যেখানে একজন মহিলার বাচ্চা মোটর দুর্ঘটনায় আঘাত পেয়েছে এবং সে সেই মহিলার প্রতি প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ-ঠিক আছে–কিন্তু মি. রডস-এর এই দিকে লক্ষ্য করেনি।

    ঘটনাটা ঘটেছিল তার বিয়ের আগে এবং যদিও মহিলাটি তাকে বিধি পড়িয়ে শুনিয়েছিল, যেটা উন্নত ভাষায় লেখা ছিল। তখন সে মহিলাকে সন্দেহ করল এগুলির পেছনে তার হাত রয়েছে কিনা সেই এরকম ঘটনা এর আগে একবার কিংবা দুবার করেছে, সে একজন উদ্ভট প্রকৃতির মহিলা, সে সবসময়ই উত্তেজনা পেতে পছন্দ করে।

    এখন, সবকিছুই আমার কাছে খুব স্বাভাবিক মনে হচ্ছে–বাস্তবিকপক্ষে আমাদের একজন যুবতী মহিলা গ্রামে আছে, সেও এইরকম ঘটনা ঘটিয়েছিল, এই সমস্ত লোকেদের বিপদ সে যখন কোনকিছু অত্যাধুনিকভাবে ঘটে তাদের কাছে, তখন কেউই বিশ্বাস করে না যে তারা সত্যি কথা বলছে। এটা আমার কাছে মনে হল যে এই ব্যাপারে কী ঘটেছিল। পুলিশ, যাদেরকে আমি জড়ো করেছিলাম, তারা বিশ্বাস করল যে মি. রিডস তার অকার্যমূলক গল্পটা তৈরি করছে যাতে সে তার উপর সন্দেহটাকে সরিয়ে ফেলতে পারে।

    আমি জিজ্ঞাসা করলাম সেখানে কি কিছু মহিলা তারা নিজেরাই কি হোটেলে বাস করছিল। এটা মনে হল যে দুজন থাকত–একজন হল মিসেস গ্ৰাণবি, যে ছিল ইঙ্গো ভারতীয় বিপত্নীক, এবং আর একজন ছিল মিস ক্যারিউমিয়ারস, যে ছিল ঘোড়ার মত কুমারী। যে তার g-এর টাকে ফেলে দিয়েছিল, মি. পেথারিকের যে অতি সূক্ষ্ম অনুসন্ধানটা ব্যর্থ হয়েছে অবৈধভাবে কাউকে প্রবেশ করানোর জন্য, যারা এই অপরাধটা দেখেছে কিংবা যাদের এই অপরাধ সম্বন্ধে কোন যোগাযোগ নেই, আমি তাদেরকে বললাম তাদের ব্যক্তিগত আভাসগুলি দিতে। সে বলল মিসেস গ্রানবির লাল রঙের চুল আছে যেটা অগোছালো। এবং তার বয়স পঞ্চাশ বছর। তার কাপড়গুলো চিত্রবৎ ছিল। সেটা দেশীয় সিল্ক দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল, মিস ক্যারুথারাস-এর বয়স চল্লিশ বছরের মত। তার কোঁকড়ানো চুল ছিল ছেলেদের মত এবং ছেলেদের মত কোট এবং স্কার্ট পরেছিল।

    –প্রিয় আমি–আমি বললাম যেটা এটাকে খুব কঠিন করে তুলেছে। মি. পেথারিক অনুসন্ধানপূর্বক তাকাল আমার দিকে। কিন্তু আমি সেই মুহূর্তে কিছু বলতে চাই নি সুতরাং আমি জিজ্ঞাসা করলাম স্যার ম্যালকম ওল্ড কী বলেছে।

    স্যার ম্যালকম; তার উওধিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার দ্বন্ধ ডাকাতে খুব সক্ষম ছিল বলে মনে হয় এবং সে প্রস্তুত ছিল কিভাবে আঙ্গুলের চিহ্নের সমস্যাকে দূর করা যায়, আমি মি. রডসকে জিজ্ঞাসা করলাম সে কি ভাবছে এবং সে বলল যে সমস্ত ডাক্তাররাই বোকা কিন্তু সে বিশ্বাস করল না যে তার স্ত্রী নিজে নিজেকে হত্যা করেছে, সে এই রকম ধরনের মহিলাই নয়-সে খুব সহজভাবে বলল এবং আমি তাকে বিশ্বাস করেছিলাম উন্নত লোকেরা কখনই আত্মঘাতী হয় না।

    আমি এক মিনিট ধরে ভাবলাম এবং তারপরে জিজ্ঞাসা করলাম। মি. রডস-এর ঘরটা কি বারান্দার দিকে, রাস্তা থেকে দেখা যায়? মি. রডস না বলল–এবং বলল সেখানে একটা হল ছিল এবং একটা বাথরুম এবং স্নানাগার ছিল। এটা ছিল শোয়ার ঘর এবং হলঘরের দরজা। সেটা বন্ধ ছিল এবং ভেতর থেকে তালা বন্ধ ছিল।

    এই ক্ষেত্রে–আমি বললাম পুরো ঘটনাটা স্মরণীয় এবং সহজ বলে মনে হচ্ছে।

    সত্যিই, তুমি জান এটা কে করেছিল–এটাই ছিল সবথেকে সহজ ঘটনা। পৃথিবীতে কেউই এটাকে এইভাবে দেখেনি।

    মি. পেথারিক এবং মি. রডস দুজনেই আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকাল যাতে আমি কিছুটা হতবাক হয়ে গেলাম।

    –সম্ভবত–মি. রডস বলল, মিস মার্পল এই কঠিন অনুভবগুলো উপলব্ধিজনক বলে ভাবে নি।

    –হ্যাঁ, আমি বললাম, আমি ভাবি আমার আছে। সেখানে চারটে সম্ভাব্য কারণ ছিল, এটা হতে পারে যে মিসেস রডস তার স্বামীর দ্বারা খুন হয়েছিল কিংবা তার পরিচারিকার দ্বারা, কিংবা নিজে আত্মঘাতী হয়েছিল, কিংবা বাইরের কোনও লোক তাকে মেরে ফেলেছিল যাকে কেউ দেখতে পায়নি, সে কখন প্রবেশ করেছিল এবং কখন বেরিয়ে গেছিল।

    –এটা অসম্ভব, মি. রডস বলে উঠল। সে বলল–কেউই আমার ঘরে প্রবেশ করেনি আমার অলক্ষ্যে, এবং যদিও কেউ ব্যবস্থা করে আমার স্ত্রীর ঘরে ঢুকত, তাহলে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি নিশ্চয়ই তাকে দেখতে পেত। এবং সেই শয়তানটা কখনই বন্ধ দরজার ভেতরে প্রবেশ করতে পারত না।

    মি. পেথারিক আমার দিকে তাকাল এবং বলল–ঠিক আছে, মিস মার্পল সে খুব উৎসাহ সহকারে বলল,

    –আমার পছন্দ করা উচিত ছিল, আমি বললাম একটা প্রশ্নটা জিজ্ঞাসা করতে চাই মি. রডস-এর পরিচারিকাকে দেখতে কেমন ছিল?

    সে বলল–সে নিশ্চিত নয়–সে ছিল লম্বা, সে ভেবেছিল, সে মনে করতে পারল না সে ফর্সা ছিল কি কালো ছিল। আমি মি. পেরিকের দিকে ঘুরে তাকালাম এবং একই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলাম।

    সে বলল–পরিচারিকা মাঝারি উচ্চতার ছিল, তার চুলগুলো খুব সুন্দর ছিল এবং তার চোখগুলো ছিল নীলরঙের এবং খুবই বেশি রঙে পরিপূর্ণ ছিল।

    মি, রডস বলল আমার থেকে তুমি ভাল লক্ষ্য করেছ পেথারিক?

    আমি অসম্মত হওয়ার জন্য ঝুঁকি নিলাম, আমি তারপর মি. রডসকে জিজ্ঞাসা করলাম–সে কি আমার ঘরে পরিচারিকার বর্ণনা করতে পারবে? কারণ সে কিংবা মি. পেথারিক কেউই এটা করতে পারবে না।

    -তুমি কি জান না এটা কি বোঝায়–আমি বললাম, তোমরা দুজনেই তোমাদের দুজনের বিষয়ে নিয়ে এসেছ এবং যে লোকটা তোমাদের প্রবেশ করতে দিয়েছিল, সে ছিল একজন পার্লারের পরিচারিকা, মি. রডসের ক্ষেত্রেও হোটেলে একই ঘটনা ঘটেছিল। সে তার পোশাক এবং উপরে আচ্ছাদন দেওয়ার জামা দেখল। তার কাজ দেখে ভীষণ অনুরক্ত হয়ে গেল। কিন্তু মি. পেথারিক এই মহিলার সঙ্গে আলাপচারিতা করেছিল একটু আলাদা পদ্ধতিতে সে মহিলাকে দেখেছিল একজন ব্যক্তি হিসাবে।

    সেইজন্যই যে মহিলা হত্যা করেছিল, তার হিসেব রাখা হল।

    যেহেতু তারা দেখতে পেয়ে ছিল না, তাই আমাকে বর্ণনা করতে হল।

    –আমি মনে করি–আমি বললাম, যে এটা কিভাবে গেছিল। পরিচারিকাটি A দরজাতে এসেছিল। তারপরে মি. রডসের ঘর অতিক্রম করে মিসেস রডসের ঘরে পৌঁছেছিল গরম জলের বোতল নিয়ে এবং তারপর B গলির মধ্যে দিয়ে হলঘরেতে চলে গিয়েছিল। আমাদের হত্যাকারীকে ডাকা হয় X বলে, সে B দরজায় এসে পৌঁছল। হলঘরের ভেতর দিয়ে, তারপরে নিজেকে লুকিয়ে রাখল, একটা নিশ্চিত কক্ষে এবং তারপর অপেক্ষা করছিল যতক্ষণ না পরিচারিকা বাইরে যায়, তারপরে সে মিসেস রডসের ঘরে প্রবেশ করল, তারপর ড্রোসিং টেবিল থেকে সরু ফলাযুক্ত ছুরি নিল (এটা দেখে মনে হল যে সে এর আগে এই ঘরটায় পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালিয়েছে)। তারপরে সে ছুরি নিয়ে বিছানার কাছে গেল। তারপর ঘুমন্ত মহিলাকে ছুরিবিদ্ধ করল। তারপর ছুরির হাতলটা মুছে ফেলল, তারপর ঘরটা বন্ধ করল এবং পালাতে গেল যেদিক দিয়ে সে প্রবেশ করেছিল। এবং তারপর ঘর থেকে বেরিয়ে চলে গেল যেখানে মি. রডস কাজ করছিল।

    মি. রডস চিৎকার করে উঠল–কিন্তু আমি তাকে দেখতে পেতাম, কিংবা ইলেকট্রিক মিস্ত্রি তাকে দেখতে পেত, সে যখন চলে যাচ্ছিল।

    -না, আমি বললাম, এখানেই তুমি ভুল করছ, তুমি তাকে মোটেই দেখনি, কারণ সে পরিচারিকার পোশাকেও ছিল না। আমি একটু ভেবে তারপরে বললাম–তুমি তোমার কাজে ব্যস্ত ছিলে–তুমি তোমার চোখের লেজুড় দিয়ে কিভাবে দেখবে যে একজন পরিচারিকা ঘরের মধ্যে ঢুকেছিল। এবং তোমার স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ করেছিল। তারপরে আবার ফিরে এসেছিল এবং তারপরে চলে গিয়েছিল। এই একই পোশাক–কিন্তু একই মহিলা ছিল না। সেইজন্যই লোকজন যারা কফি খাচ্ছিল তারা দেখেছে যে একজন পরিচারিকা ঘরের মধ্যে প্রবেশ করেছে এবং ঘর থেকে বেরিয়ে গেছে। ইলেকট্রিক মিস্ত্রিও একই কাজ করেছিল আমি হলফ করে বলতে পারি যদি পরিচারিকাটি সুন্দরী হত, তাহলে যে কোনও ভদ্রলোক তাকে দেখত–মানুষের প্রকৃতিই হল এরকম–কিন্তু যদি সে সাধারণ মধ্যবয়স্কা মহিলা হয়–ঠিক আছে–এটা পরিচারিকারই পোশাক হবে যেটা তুমি দেখেছ–শুধুমাত্র মহিলা নিজে নয়।

    মি. রডস কেঁদে বলল–সে কে ছিল?

    -ঠিক আছে, আমি বলেছিলাম–যেটা খুব কঠিন হতে চলেছে, এটা নিশ্চয়ই মিসেস গ্রানবি অথবা মিস ক্যারিউথারস হবে। মিসেস গ্রানবি এমনভাবে বলছিল যেন সে পরচুলা পরেছিল–সুতরাং সে তার নিজের চুলটাকে পরিচারিকার চুল হিসাবে পরেছিল।

    অন্যদিকে মিস ক্যারিউথারস তার ছেলেদের মত মাথা নিয়ে সহজে একটা পরচুলা পরতে পারত তার দৃশ্যটাকে উপস্থাপনা করার জন্য আমি হলফ করে বলতে পারি যে তুমি তখন খুব সহজে বুঝতে পারতে সে কে ছিল। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি যে এটা মিস ক্যারিউথারস ছিল।

    এবং সত্যিই, আমার প্রিয়রা, এটা হল এই গল্পের সমাপ্তি, ক্যারিউথারস ছিল মিথ্যা নাম, কিন্তু সে প্রকৃতপক্ষে একজন মহিলাই ছিল। তার পরিবারের মধ্যে পাগলামি ছিল। মিসেস রডস, যে একজন বেপরোয়া এবং বিপজ্জনক চালক ছিল, সে তার ছোট্ট মেয়েকে চাপা দিয়ে দিয়েছিল, এর ফলে ছোট্ট মেয়েটার মাথা কাটা গেছিল। সে তার পাগলামিটা চালাকি করে লুকিয়ে রেখেছিল। ব্যতিক্রম ছিল তার পাগলামি চিঠিগুলি। তার ইচ্ছাপূর্বক শিকারদের প্রতি সে তাকে কিছুক্ষণ ধরে অনুসরণ করছিল এবং সে তার পরিকল্পনা খুব চালাকির সঙ্গে পরিচালিত করেছিল। মিথ্যা চুল এবং পরিচারিকার পোশাক যেটা সে পার্সেলে করে পাঠিয়েছিল পরের দিন সকালে। যখন সত্যিটা উঘাটিত হল সে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল এবং সত্যিটা স্বীকার করল। সবথেকে খারাপ দিক হল এই সে এখন ব্রডমুরে পুরোপুরি মানসিক ভারসাম্যহীন। কিন্তু এটা একটা খুব চালাকিপূর্ণ পরিকল্পনামূলক অপরাধ ছিল।

    মি. পেথারিক পরে আমার কাছে এসেছিল এবং সঙ্গে এনেছিল আমার জন্য একটা সুন্দর চিঠি, মি. রডস-এর কাছ থেকে নিয়ে এসেছিল–সত্যিই এটা আমাকে লজ্জায় লাল করেছে। তারপর আমার পুরনো বন্ধু আমাকে বলল–একটা জিনিস-কেন তুমি ভাব যে এটা বেশি পছন্দসই কারথিউথাসের ক্ষেত্রে গ্রানবি থেকেও? তুমি কখনই তাদেরকে দেখনি।

    -ঠিক আছে, আমি বলেছি, এটা ছিল g-এর। তুমি বলেছিলে সে তার g টা ফেলে দিয়েছিল। এটা অনেক শিকারী লোকের দ্বারা বইতে করা হয়েছিল। কিন্তু আমি জানি না। অনেক লোক যারা এটা সত্যিকারের করেছিল–এবং নিশ্চিতভাবে কেউই ৬০ বছরের নীচে নয়, তুমি বলেছিলে এই মহিলার বয়স চল্লিশ। এই ফেলে দেওয়া g গুলো আমার কাছে একজন মহিলার মত লাগছে যে একটা অংশ সম্পাদন করেছিল এবং আরো বেশি করে করেছিল।

    আমি বলতে পারব না মি. পেথারিক এই বিষয়ে কী বলেছিল–কিন্তু সে খুব উপদেশ দিত–কিন্তু আমার কিছুই করার ছিল না, তাই আমাকে নিজের জন্য আনন্দিত হতে হয়েছিল।

    এবং এটা খুবই অসাধারণ ছিল কিভাবে জিনিসগুলো বিশ্বের সবথেকে ভালো বিষয় উৎপন্ন করেছিল, মি. রডস পুনরায় বিয়ে করেছে একজন সুন্দরী, সহানুভূতিশীল মেয়েকে–এবং তাদের একাট ছোট্ট বাচ্চা আছে এবং–তুমি কী ভাব? তারা আমাকে বলেছিল। এটা তাদের জন্য ভালো নয় কি?

    এখন অমি আশা করি যে তুমি ভাব না যে আমি অনেক পথ অতিক্রম করে আসছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }