Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2514 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. হোটেলের অতিথি

    যষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ৬.১

    হোটেলের অতিথি তালিকার নামগুলো কর্নেল ওয়েস্টন সশব্দে পড়লেন।

    ইনসপেক্টর বললেন, মনে হয় মাস্টারম্যান ও কাওয়ান পরিবার দুটো বাদ দেওয়া যায়। আজ সকালে ওরা খাবার সঙ্গে নিয়ে দিনভর নৌকাভ্রমণে বেরিলয়েছিলেন। অ্যান্ড্রু বাস্টন ওদের নৌকা করে নিয়ে যায়। তার কাছেই আমরা মিসেস ক্যাসল-এর কথা যাচাই করে নিতে পারবো।

    ওয়েস্টন বললেন, আমারও তাই ধারণা। অবশিষ্টদের মধ্যে কোনো ইঙ্গিত দিতে পারেন, মঁসিয়ে পোয়ারো।

    ভাসা ভাসা ভাবে দেওয়া সম্ভব। গার্ডেনাররা মধ্যবয়স্ক বিবাহিত দম্পতি, আচরণে হাসিখুশী এবং ভ্রমণবিলাসী। সুতরাং নজরে পড়ার মতো কিছু নেই–মিঃ রেডফার্ন বয়সে তরুণ, মহিলাদের কাছ প্রলোভনের বস্তু, প্রতিদ্বন্দ্বী সাঁতারু। ভালো টেনিস খেলোয়াড় ও প্রথম শ্রেণীর নাচিয়ে। তাঁর স্ত্রী শান্ত প্রকৃতির, তিনি স্বামীর প্রতি যথেষ্ট অনুরক্ত। তার মতো বুদ্ধি কিন্তু আর্লেনা মার্শালের ছিলো না।

    ইনসপেক্টর বললেন, মোহের কাছে বুদ্ধির কোনো গুরুত্ব থাকে না বলেই মনে হয়।

    হয়তো থাকে না। কিন্তু মিসেস মার্শাল সম্পর্কে মোহাচ্ছন্ন হলেও মিঃ রেডফার্ন প্রকৃতপক্ষে তার স্ত্রীকেই ভালোবাসেন।

    তিনি আবার বলতে লাগলেন। মেজর ব্যারী ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিক। নারীসৌন্দর্যের পূজারী। দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর কাহিনীর কথক মিঃ হোরেস ব্ল্যাট একজন ধনী ব্যক্তি। কিন্তু কেউই তাকে তেমন পছন্দ করে না। তাছাড়া মিঃ ব্ল্যাটের কোথাও একটা গোলমাল রয়েছে নিশ্চিত।

    এরপর রোজামন্ড ডার্নলি। তার প্রতিষ্ঠানের নাম রোজামন্ড লিমিটেড। তিনি একজন বিখ্যাত পোশাক বিশেষজ্ঞ। তিনি ক্যাপ্টেন মার্শালের একজন পুরোনো বন্ধু।

    ওয়েস্টন বললেন, বলেন কি? তাই নাকি?

    হ্যাঁ, তবে মাঝে কয়েকবছর তাদের দেখা হয়নি।

    পোয়ারো একটু থেমে আবার বলতে লাগলেন, মিস স্টার সম্পর্কে আমি কিঞ্চিৎ আশঙ্কিত। তার কণ্ঠস্বর পুরুষ সাদৃশ্য। আচরণে রূঢ় হলেও আন্তরিকতা আছে। নৌকা বাইতে ভালোবাসেন এবং গলফ খেলায় পারদর্শিনী।

    ওয়েস্টন বললেন, এরপর বাকি রইলেন ধর্মযাজক স্টিফেন সেন্ট। কে এই ধর্মযাজক? ব্যস, আমাদের লিস্ট শেষ। কিন্তু বন্ধুবর আপনাকে বেশ চিন্তিত মনে হচ্ছে।

    কারণ আজ সকালে মিসেস মার্শাল যখন ভেলা নিয়ে রওনা হন তখন আমাকে জানান তার কথা কাউকে না জানাতে। ভেবেছিলাম তিনি সম্ভবত প্যাট্রিক রেডফার্নের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন, তাই তিনি চান না তার গতিবিধি সম্পর্কে তার স্বামী অবহিত হোক। কিন্তু তিনি চলে যাওয়ার পরই ক্যাপ্টেন মার্শাল সমুদ্রতীরে এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, প্রায় একই সঙ্গে প্যাট্রিক রেডফানও ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে মিসেস মার্শালের খোঁজ নেয়। তাহলে আজ সকালে, আর্লেনা মার্শাল কার সঙ্গে দেখা করতে যান?

    ইন্সপেক্টর কলগেট বললেন, আপনার বক্তব্য সমর্থন করছি। লন্ডন অথবা অন্য কোনো জায়গা থেকে আসা জনৈক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির সঙ্গে

    এরকুল পোয়ারো মাথা নেড়ে বললেন, ইতিমধ্যে আপনার কাল্পনিক ব্যক্তির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে। তাহলে মার্শাল কার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন?

    পোয়ারো মাথা নেড়ে বললেন, সুন্দরী শ্রেষ্ঠা মেল অথবা নিউটনের মতো মানুষ–এই দুজনের ক্ষেত্রে আরোপিত নিঃসঙ্গ বন্দীজীবন-এর যে পার্থক্য, তা নিয়ে এক জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ লিখেছিলেন এক ব্যক্তি। আর্লেনা মার্শালের নিঃসঙ্গতায় স্থান নেই, পুরুষের প্রশংসায় সর্বদা প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু কে সেই ব্যক্তি।

    .

    ৬.২

    কার্নেল ওয়েস্টন বললেন, এখন জবানবন্দীগুলো সেরে নেওয়া প্রয়োজন, তাহলে আমাদের কাজের সুবিধে হবে। প্রথমে তাহলে মার্শাল মেয়েটিকেই ডাকা যাক।

    লিন্ডা মার্শাল অগোছালো ভঙ্গীতে এলো, শ্বাসপ্রশ্বাস দ্রুত। লিন্ডাকে দেখে এক অদ্ভুত স্নেহের আবেগ অনুভব করলেন কর্নেল ওয়েস্টন। বেচারী মেয়েটা এই কচি বয়সে ভীষণ মানসিক আঘাত পেয়েছে।

    আপনাকে এ অবস্থায় বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত-মিস লিন্ডা। আপনার ভয়ের কোনো কারণ নেই। আমরা শুধু চাই, আপনি যেটুকু জানেন, আমাদের খুলে বলুন।

    তার মানে–আর্লেনা সম্পর্কে?

    হ্যাঁ, আজ সকালে তাকে দেখেছেন?

    না। কারণ আর্লেনা বরাবরই বেলায় নিচে নামে।

    ওয়েস্টন বললেন, আজ সকালে উঠে আপনি কি কি করেছিলেন, আমাদের একটু খুলে বলুন।

    হা, প্রথমে স্নান সেরে তারপর প্রাতঃরাশ সেরে মিসেস রেডফার্নের সঙ্গে গাল কোভে যাই।

    কটার সময় আপনারা রওনা হয়েছিলেন?

    সাড়ে দশটার মিনিট তিনেক আগেই রওনা হয়ে যাই।

    পোয়ারো বললেন, গাল কোভে আপনারা কি করলেন?

    আমি গিয়ে সোজা তেল মেখে সূর্যস্নানে মন দিই। আর মিসেস রেডফান আপন মনে ছবি আঁকেন। তারপর আমি সমুদ্রে স্নান করতে নামি। আর ক্রিস্টিন হোটেলে ফিরে যান টেনিস খেলার জন্য পোশাক পালটে প্রস্তুত হতে।

    সেই সময়টা আপনার মনে আছে।

    কখন, যখন মিসেস রেডফার্ন হোটেলে ফিরে যান?-পৌনে বারোটা। আমি ঘড়ি দেখেছিলাম।

    যে ঘড়িটা আপনি এখন পরে আছেন?

    হা।

    ঘড়িটা একবার দেখতে পারি?

    লিন্ডা ওর মণিবন্ধ এগিয়ে ধরলো। ঘড়িটা মিলিয়ে হেসে বললেন, সেকেন্ড পর্যন্ত নির্ভুল… আচ্ছা–মিসেস রেডফার্ন যাওয়ার পর আপনি স্নান করতে নামেন? তারপর হোটেলে ফিরলেন কখন? প্রায় একটা নাগাদ। আর ফিরেই শুনলাম–আর্লেনা-মারা গেছে…

    আশাকরি সম্মায়ের সঙ্গে মানিয়ে চলতে আপনার–ইয়ে–মানে অসুবিধা হতো না।

    না-হতো না।

    পোয়ারো বলেন, আপনি কি তাকে পছন্দ করতেন?

    হ্যাঁ–আর্লেনা আমার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতো।

    ওয়েস্টন বললেন, ভালো কথা। কখনও কখনও ঈর্ষা–সংসারে অশান্তির কারণ হয়। ধরুন মেয়ে ও বাবার মধ্যে মধুর সম্পর্ক। বাবা নতুন বিয়ে করাতে মেয়ে একটু বিরক্ত বা ক্ষুব্ধ হলেও হতে পারে। নিশ্চয়ই আপনার ক্ষেত্রে তা হয়নি? আমার ধারণা, আপনার বাবা ইদানীং তার স্ত্রীকে নিয়ে একটু বেশিই ব্যস্ত ছিলেন।…

    আমি ঠিক জানি না।

    মিস লিন্ডা, এবারের প্রশ্নটা খুব ভেবেচিন্তে উত্তর দিন। আপনার সম্মাকে কে খুন করতে পারে? এ ব্যাপারে আমাদের সাহায্য হয় এমন কিছু কি আপনি জানেন?

    অনেক ভেবে বললো, না, আর্লেনাকে কে খুন করতে চেয়েছে জানি না, অবশ্য মিসেস রেডফান ছাড়া।

    কিন্তু কেন?

    কারণ তার স্বামী আর্লেনার প্রেমে পড়েছিলেন। হয়তো তার মনে হতো আর্ণেনা মরে গেলে ভালো হয়–এই চিন্তা আর সত্যি খুন করা এক জিনিষ নয়। তাছাড়া, মিসেস রেডফার্নের পক্ষে এ ধরনের কাজ করা অসম্ভব, মানে তিনি উগ্র প্রকৃতির নন।

    পোয়ারো বললেন, আমি আপনার সঙ্গে একমত। মানসিক আবেগসঞ্জাত কোনো ঝায় তিনি বিচলিত হবেন না–যদিও সর্বদা একটা ঘৃণা মায়াবী মুখমণ্ডল তার চোখের সামনে ভেসে বেড়াচ্ছে–অথবা অনুভব করছেন নিজের আক্রোশে মুষ্টিবদ্ধ হাত–তা সত্ত্বেও তিনি বিচলিত হবেন না

    কাঁপা স্বরে লিন্ডা বললো, আমি তাহলে এখন যাই। আপনাদের আর কিছু জিজ্ঞাসা আছে?

    হ্যাঁ, যাবেন। আপনার সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।

    কর্নেল ওয়েস্টন হাফ ছেড়ে বললেন, বড় বিশ্রী আমাদের এই পুলিসের চাকরি। ওর বাবা ও সত্যয়ের সম্বন্ধে প্রশ্ন করতে নিজেকে খুব ছোট লাগছিলো। খুন সবসময়েই খুন। এক্ষেত্রে লিন্ডাই একমাত্র ব্যক্তি যার পক্ষে সমস্ত ঘটনার চরিত্র জানা সম্ভব।

    পোয়ারো বললেন, আমিও সেরকম অনুমান করি।

    ওয়েস্টন বললেন, ওর কাছ থেকে আমরা খুব কম কথাই জানতে পেরেছি। শুধু রেডফার্ন মহিলাটির একটা অ্যালিবাই পাওয়া গেলো।

    পোয়ারো বললেন, মিসেস রেডফার্নকে সন্দেহভাজনের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ দৈহিক ও মানসিক দিক থেকে কাউকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা তার পক্ষে অসম্ভব। তাছাড়া তার হাতের গড়ন অস্বাভাবিক রকম হালকা ও ছোট।

    কলগেট বললেন, মঁসিয়ে পোয়ারের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত। মিসেস রেডফার্নকে আমরা স্বচ্ছন্দে বাদ দিতে পারি। ডাঃ নিসডন বলেছেন যে দুটো হাতের চাপে শ্বাসরোধ হয়ে মিসেস মার্শাল মারা গেছেন, তাদের হাতের গড়ন মোটেই হালকা ও ছোট নয়।

    ওয়েস্টন বললেন, এবারে তাহলে রেডফার্নদের ডাকা যাক।

    .

    ৬.৩

    ইতিমধ্যে প্যাট্রিক রেডফার্ন পুরোপুরি সামলে উঠছে।

    আপনিই মিঃ প্যাট্রিক রেডফার্ন! তা মিসেস মার্শালের সঙ্গে আপনার পরিচয় কতদিনের?

    তিন মাসের;

    ক্যাপ্টেন মার্শাল বলেছেন, একটা ককটেল পার্টিতে মিসেস মার্শালের সঙ্গে আপনার প্রথম আলাপ হয়।

    হা–প্রথম পরিচয় এইভাবেই হয়।

    ক্যাপ্টেন মার্শালের অজান্তে আপনাদের কি দেখা-সাক্ষাৎ প্রায়ই হতো?

    রক্তিম মুখে রেডফার্ন বললো। হ্যাঁ, তবে তিনি জানতেন কি না–তা আমি বলতে পারছি না।

    পোয়ারো বললেন, আশা করি আপনার স্ত্রীও এ সম্পর্কে কিছু জানতেন না?

    আমি ওকে একদিন কথায় কথায় বলেছিলাম, বিখ্যাত আর্লেনা স্টুয়ার্টের সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে।

    ওয়েস্টন বললেন, আপনাদের এই দ্বীপে দেখা হওয়ার কথা কি আগে থাকতেই ছিলো?

    দেখুন–ব্যাপারটা আজ না হয় কাল জানাজানি হবেই। আর্লেনার জন্যে আমার বিচারবুদ্ধি হিতাহিতজ্ঞান সবই যেন লোপ পেয়েছিলো–ও চেয়েছিলো আমিও এই দ্বীপে বেড়াতে আসি–ওর অনুরোধ এড়াতে পারিনি। পুরুষদের ওপর ওর প্রভাব ছিলো এতই মারাত্মক।

    পোয়ারো বললেন, যা, তিনি ছিলেন পুরুষদের কাছে আকর্ষণের বস্তু-রূপোলী জলকন্যার মতো।

    আপনাদের সঙ্গে আমি খোলাখুলি আলোচনা করছি–আর্লেনা আমাকে যেন আচ্ছন্ন করে রেখেছিলো। ও সেই ধরনের মেয়ে যারা কোনো পুরুষদের দেহ-মন জয় করার পর তার সম্পর্কে উদাসীন হয়ে পড়ে। আজ সকালে, পিক্সি কোভের সৈকতে, আমি যখন ওর মৃতদেহ আবিষ্কার করি তখন মনে হয়েছিলো–যেন আমার মাথায় সারা আকাশ ভেঙে পড়েছে।

    পোয়ারো ঝুঁকে বললেন, আর এখন?

    যা সত্যি, সবই আপনাদের বললাম। আর্লেনার মৃত্যুর সঙ্গে এ সবের তো আর কোনো যোগাযোগ নেই। আর এ ব্যাপারটা আলোচিত হলে আমার স্ত্রী ভীষণ কষ্ট পাবে। আপনারা ভাবছেন, এতদিন আমার স্ত্রীর খেয়াল কোথায় ছিল। কিন্তু বিশ্বাস করুন আমি ওকে ভীষণ ভালোবাসি। আর অন্য ব্যাপারটা নিছক একটা পাগলামো-পুরুষরা মাঝে মাঝে মোহাচ্ছন্ন হয়ে ভুল করে করুণ কণ্ঠে বললেন, এ কথাগুলো যদি আপনাদের বিশ্বাস করাতে পারতাম।

    পোয়ারো বললেন, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি।

    ধন্যবাদ

    কর্নেল ওয়েস্টন বললেন, ইয়ে–মানে, আপনাদের এই অন্তরঙ্গতার সঙ্গে খুনের কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যক্ষ যোগাযোগ থাকতে পারে। হয়তো এই দৃষ্টিকোণ থেকেই আমরা খুনের উদ্দেশ্যটাকে প্রতিষ্ঠা করতে পারবো।

    হ্যাঁ, মিঃ রেডফার্ন। ক্যাপ্টেন মার্শাল সম্ভবত এ ব্যাপারটা হঠাৎই জানতে পারবেন।

    আপনি বলতে চান, তিনি তখন সব দেখেশুনে তার স্ত্রীকে খুন করেছেন?

    কেন, কথাটা আপনার কখনও মনে হয়নি?

    না,-আশ্চর্য। কথাটা আমি একবারও ভাবিনি। মার্শাল অতি শান্তমানে এটা সম্ভব বলে, ভাবতে পারছি না।

    ওয়েস্টন বললেন, আচ্ছা ব্যাপারটা তার স্বামীর কানে যাবে ভেবে তিনি কি কোনো অস্বস্তি অনুভব করতেন?

    ও চাইতো না, ওর স্বামী এ নিয়ে কোনোরকম সন্দেহ করুক।

    মাপ করলেন, মঁসিয়ে রেডফার্ন, এ প্রসঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা কখনও ওঠেনি?

    না। মার্শালকে বিয়ে করে ও পুরোপুরি সন্তুষ্ট ছিলো। মার্শাল বলতে গেলে একজন রহিস আদমী–জমিদার–তাছাড়া পয়সাকড়িও আছে। ওর অনুগামী হতভাগ্য, অপদার্থ, মোহাবিষ্ট পুরুষদের তালিকায় আমি ছিলাম সর্বশেষ সংযোজন-নিছক সময় কাটানোর জিনিস। সব বুঝেও আমি ওর প্রতি আকর্ষিত ছিলাম…।

    আচ্ছা মিঃ রেডফার্ন, আজ সকালে কি মিসেস মার্শালের সঙ্গে আপনার দেখা করবার কথা ছিলো?

    না, সকালবেলা আমাদের সাধারণতঃ সৈকতে দেখা হতো। ভেলায় চড়ে সমুদ্রে আমরা ভেসে বেড়াতাম। আজ সকালে তাকে বেলাভূমিতে না দেখে ভীষণ অবাক হয়েছিলাম। কারণ ভেবে পাচ্ছিলাম না।

    যদি তিনি অন্য কারো সঙ্গে দেখা করবার ব্যবস্থা করে থাকেন, তাহলে সেই একজন কে, আপনি জানেন?

    রেডফার্ন মাথা নাড়লো।

    আপনি একান্তে তার সঙ্গে কোথায় সাক্ষাৎ করতেন?

    গালকোভে, বিকেলের দিকে ভীড় কম থাকে তাই।

    পিক্সি কোভ কখনও যাননি।

    না। কারণ, পিক্সি কোভটা দ্বীপের পশ্চিম দিকে হওয়ায় পড়ন্ত সূর্যের আলো সেখানে অনেকক্ষণ থাকে। আর সেখানে নির্জনতা নেই। কোনো কোনো সুন্দর রাতে, নৈশভোজের পর আমরা দ্বীপের অনেক অজানা অংশে পায়চারি করে বেড়িয়েছি।

    ওয়েস্টন বললেন, এ অঞ্চলের কাছাকাছি তার কোনো বন্ধুবান্ধব ছিলো?

    উঁহু, সেরকম কেউ বোধ হয় ছিলো না।

    মিঃ রেডফার্ন, খুব ভেবেচিন্তে উত্তর দিন এবার। মিসেস মার্শালকে আপনি লন্ডনে থাকতেই চিনতেন তাই তার বন্ধুবৃত্তের মধ্যে এমন কেউ কি আছে যার মনে মিসেস মার্শালের প্রতি বিদ্বেষ ভাব ছিলো? হয়তো এমন কেউ, যাকে স্থানচ্যুত করে আপনি মিসেস মার্শালের মনে জায়গা করে নিয়েছেন?

    না। সেরকম কাউকে মনে পড়ছে না।

    তাহলে কোনো অজ্ঞাত পরিচয় খুনী–জনৈক বিকৃত মানসিকতার ব্যক্তি, যে ঘটনাচক্রে স্থানীয় অঞ্চলে উপস্থিত ছিলো।

    রেডফার্ন বলে উঠলো, আমার বিশ্বাস এই সম্ভাবনাটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক।

    উঁহু। এই ঘটনাটা ঠিক “পড়ে যাওয়া শিকার” ধরনের নয়। বিশেষ করে পিক্সি কোভ জায়গাটা যখন রীতিমতো দুর্গম। হয়তো সেই লোকটাকে কংক্রীট সেতু পেরিয়ে হোটেলের পাশ দিয়ে গোটা দ্বীপটা অতিক্রম করে মই বেয়ে পিক্সি কোভে নামতে হয়েছে-নৌকো বেয়ে নয়তো সে সমুদ্রের দিক থেকে এসেছে।

    আপনি বলছেন তিনটে সম্ভাবনা রয়েছে

    হ্যাঁ, কারণ প্রথম সম্ভাবনা এই দ্বীপে মাত্র দুজন ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের এই খুনের পেছনে জোরালো উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রথম জন তার স্বামী। দ্বিতীয়জন আপনার স্ত্রী।

    আমার স্ত্রী ক্রিস্টিন! এ খুনের পেছনে ক্রিস্টিনের হাত রয়েছে। আপনার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত ক্রিস্টিন! যা একেবারে অবিশ্বাস্য হাস্যকর।

    তবুও মিঃ রেডফার্ন, ঈর্ষা, বড় সাংঘাতিক।

    কিন্তু ক্রিস্টিন এ ধরনের মেয়েই নয়। হয়তো ও অসুখী–কিন্তু ওর মধ্যে এতটুকু উগ্রভাব নেই। আর তাছাড়া এ সন্দেহ অযৌক্তিক। কারণ আর্লেনা ক্রিস্টিনের চেয়ে দ্বিগুণ শক্তিশালী ছিলো। তার ওপর পাহাড়ের গায়ে ঝোলানো এই মইটা বেয়ে সমুদ্রতীরে নামা ওর পক্ষে সম্ভব নয়। ওঃ পুরো ব্যাপারটাই একটা অবাস্তব, উদ্ভট কল্পনা।

    হ্যাঁ, অবাস্তব হলেও আমাদের সর্বপ্রথম বিচার করতে হবে খুনের উদ্দেশ্য এবং সুযোগ।

    .

    ৬.৪

    রেডফার্ন চলে যেতেই পুলিসপ্রধান মন্তব্য করলেন, তার স্ত্রীর যে একটা নিশ্চিদ্র অ্যালিবাই রয়েছে সে সম্পর্কে তিনি কি বলেন সেটাই আমার শোনার ইচ্ছে ছিলো। ব্যাপারটা তাকে জোরালো ঝাঁকুনি দিয়েছে।

    এরকুল পোয়ারো বললেন, রেডফার্ন যেসব যুক্তিতর্ক রেখেছেন। তাদের গুরুত্ব অ্যালিবাইয়ের চেয়ে কম নয়।

    হ্যাঁ, সে কথা মানছি– ক্রিস্টিন ও কাজ করেননি। আর তার দৈহিক শক্তির দিক থেকে তো একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে মার্শালও নির্দোষ।

    কলগেট কেশে বললেন, আমার মনে হয়, তিনি যদি স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা আগেই করে থাকেন তাহলে চিঠিগুলো আগে থাকতে টাইপ করে রাখাটা তার পক্ষে অসম্ভব নয়।

    কথাটা মন্দ নয়, ব্যাপারটা আমাদের খোঁজ করে

    ক্রিস্টিন রেডফার্ন ঘরে ঢুকলেন শান্তভাবে। পরনে দুধসাদা টেনিস ফ্রক এবং হাল্কা নীল সোয়েটার। তার মুখে সাহস ও শুভ বাস্তব বুদ্ধির ছোপ। পোয়ারো মাথা দোলালেন।

    কর্নেল ভাবলেন, চমৎকার মহিলা। অবশ্য ছেলেটার বয়সও অল্প। বসুন, মিসেস রেডফার্ন। প্রত্যেককে তাদের সকালবেলার গতিবিধি সম্পর্কে বিশদভাবে প্রশ্ন করা হচ্ছে, অবশ্য সেটা পুলিসি নথিভুক্ত করার জন্য।

    এরকুল পোয়ারো বললেন, প্রথমে বলুন আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনি কি করেছেন?

    আজ সকালে উঠে প্রাতঃরাশ সারতে যাওয়ার পথে আমি লিন্ডা মার্শালের ঘরে গিয়ে ওর সঙ্গে গাল কোভে যাওয়ার কথা ঠিক করি। সাড়ে দশটায় নিচে হলঘরে আমরা দেখা করবো কথা হয়।

    আপনার স্বামী তো প্রাতঃরাশেই স্নান সারেন; আপনি প্রাতঃরাশের আগে স্নান করেননি?

    না। আমি একটু শীতকাতুরে। রোদের তাপে সমুদ্র বেশ গরম না হওয়া পর্যন্ত আমি জলে নামি না।

    আচ্ছা, আপনি যখন লিন্ডা মার্শালের ঘরে যান, তখন কটা বাজে।

    সাড়ে আটটা বা একটু বেশি হবে।

    মিস মার্শাল কি তখন ঘুম থেকে উঠেছিলেন?

    হ্যাঁ, ও কোথায় যেন বেরিলয়েছিলেন, ফিরে এসে বললো, ও নাকি স্নান করতে গিয়েছিলো।

    তারপর?

    তারপর নিচে থেকে প্রাতঃরাশ সেরে ছবি আঁকার সরঞ্জাম নিয়ে আমরা হোটেল ছেড়ে বেরিলয়ে পড়ি।

    তখন কটা বাজে?

    সাড়ে দশটা হবে। তারপর গালকোভে গিয়ে দ্বীপের পূর্বদিকে, সমুদ্রের কোণ ঘেঁষে যে জায়গাটা আছে সেখানে গিয়ে আয়েস করে বসে ছবি আঁকতে শুরু করি আর লিন্ডা সূর্যস্নানে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

    আপনারা ফিরলেন কখন?

    পৌনে বারোটা নাগাদ। কারণ বারোটায় আমার টেনিস খেলার কথা ছিলো।

    আপনার সঙ্গে ঘড়ি ছিলো?

    না, আমি লিন্ডাকেই সময় জিজ্ঞেস করেছিলাম। তারপর ছবি আঁকার সরঞ্জাম নিয়ে হোটেলে ফিরে আসি। আর লিন্ডা সমুদ্রে স্নান করতে নামে।

    আপনি সৈকত ছেড়ে আসার আগেই কি লিন্ডা মার্শাল জলে নেমেছিলেন?

    একটু ভেবে দেখি। ও সমুদ্রতীর ধরে ছুটে গেলো। আমি বাক্স বন্ধ করে উঠে দাঁড়ালাম-হ্যাঁ, ফিরে আসার সময় ওর জলে ঝাঁপিয়ে পড়ার শব্দ শুনেছিলাম।

    এ নিয়ে আপনার কোনো সন্দেহ নেই তো মাদাম? বলে যান মিসেস রেডফার্ন–তারপর?

    আমি হোটেলে ফিরে খেলার পোশাক পরে টেনিস কোর্টে গিয়ে অন্যান্যদের সাথে দেখা করি।

    অন্যান্যরা বলতে?

    ক্যাপ্টেন মার্শাল, মিঃ গার্ডেনার এবং মিস ডার্নলি। আমরা দু সেট শেষ করে সবে তৃতীয়টা ধরেছি। এমন সময় খবরটা এলো-মানে মিসেস মার্শালের মৃত্যু সংবাদটা।

    পোয়ারো বললেন, খবরটা শুনে আপনার কি মনে হলো?

    খবরটা শুনে–ঘটনাটা একটা জঘন্য বীভৎস ব্যাপার বলে মনে হয়েছিলো।

    ক্রিস্টিন চকিত নয়নে পোয়ারোর দিকে তাকায়। ওর দৃষ্টিতে অনুরোধের ইশারা।

    মাদাম, বুদ্ধিমতী বিচারবুদ্ধিসম্পন্না মহিলা হিসেবে বলছি। মিসেস মার্শাল কি ধরনের মহিলা ছিলেন, সে সম্পর্কে কিছু যদি বলেন।

    আপনি কি বলতে চান সেটা আমি বুঝতে পেরেছি। মিসেস মার্শালের আকস্মিক মৃত্যুতে আমি অবাক হইনি বরং আকস্মিক আঘাত পেয়েছিলাম। কিন্তু উনি ছিলেন সেই ধরনের মহিলা

    পোয়ারো বললেন, সেই ধরনের মহিলা যাদের জীবনে এই পরিণতিই স্বাভাবিক…হ্যাঁ মাদাম, আজ সারা সকাল এ ঘরে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ও চরম সত্য বক্তব্য এটা। মাদাম, মৃতা মিসেস মার্শাল সম্পর্কে আপনি সত্যি সত্যি কি ভাবেন, বলুন তো।

    কিন্তু আমি কিই বা বলবো? উনি ছিলেন সেই ধরনের মহিলা যারা আমার মতে একেবারে অপদার্থ। ওর মন বলে কিছু ছিলো না। বুদ্ধি তো দূরের কথা। শুধু ভাবতেন পুরুষ, পোশাক ও প্রেম। উনি ছিলেন সমাজের এক স্বার্থপর পরগাছা মাত্র। পুরুষের কাছে ওর আকর্ষণ ছিলো ওর একমাত্র গুণ। ওর মতো চরিত্রের মেয়েরাই ব্ল্যাকমেল–ঈর্ষা প্রভৃতি নোংরা আবেগসংক্রান্ত জঘন্য ব্যাপারে জড়িয়ে পড়ে। মানুষের নিচ প্রবৃত্তিকে জাগিয়ে তুলতে ওর জুড়ি ছিলো না…।

    তিনি সামনে ঝুঁকে বললেন, মিসেস রেডফার্ন। মিসেস মার্শালের কথা বলতে গিয়ে আপনি হঠাৎ ব্ল্যাকমেল শব্দ উল্লেখ করলেন কেন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }