Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2514 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. পরিকল্পনা

    পরিকল্পনা

    শুরু হলো আলোচনা। সেভেন ডায়ালস একমাত্র সূত্র। কিন্তু এটাকে লক্ষ্য করে এগোতে গেলে সারা দেশ তোলপাড় করতে হয়।

    –আচ্ছা সেটা না হয় ধরে নিলাম, জিমি বললো, প্রথমে যেখানে রনিকে গুলি করা হয়েছে সে জায়গাটা পরীক্ষা করতে পারি। অবশ্য পুলিস সে কাজ আগেই করে ফেলেছে।

    -আপনি অত্যন্ত আশাব্যাঞ্জক কথা বলেন। বান্ডল বলে উঠলো।

    –ধৈর্য ধরুন। সেরা গোয়েন্দারা এইভাবে এগোয়। তিন নম্বর প্রশ্ন হলো, জেরির মৃত্যু যে খুন এ ব্যাপারে আপনারা আমার সাথে একমত, তাই তো?

    -হ্যাঁ, লোরেন বললো।

    –তাহলে জেরি যদি নিজের হাতে ক্লোরাল না খেয়ে থাকে কেউ তার গ্লাসে জলের সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে। যাতে জেরি ঐ জল খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিরজীবনের মত ঘুমিয়ে পড়বে। এটা নিশ্চয়ই বাইরের কেউ করেনি। তাহলে লোকটা ঐ বাড়িতেই ছিল।

    –ঠিক বলেছেন। বান্ডল সায় দিল।

    –বাড়ির লোকজন আপনাদের বেশ পুরোনো তাই না?

    -হ্যাঁ, বান্ডল বললো, ভাড়া দেবার সময় সবাই ছিল। তবে নতুন দুএকজন ছাড়া বাকিরা সবাই রয়েছে।

    -কতজন চাকর-বাকর আছে, কারা নতুন এসেছে, কারা গেছে, তাদের নামের একটা তালিকা আপনাকে করতে হবে।

    -কিন্তু চাকরদের মধ্যে কেউ, নাকি অতিথিদের মধ্যে কেউ?

    –তিনজন মেয়ে ছিল, ন্যান্সি, হেলেন আর শকস। আর ছিল জেরি ওয়েড, আমি, বিল এভারসলে ও রনি। স্যার অসওয়াল্ড আর লেডি কুট তো ছিলেনই। তাছাড়া ছিলো পঙ্গো, যার আসল নাম বেটম্যান, স্যার কুটের সেক্রেটারি।

    এদের মধ্যে সন্দেহজনক কেউ নেই। লোরেন বললো।

    -আমারও তাই মনে হয়। বান বললো, বাড়ির চিত্রকরদের ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে। আচ্ছা, যে ঘড়িটা জানলা দিয়ে বাইরে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয় তার সঙ্গে এই ঘটনার কোনো সম্পর্ক আছে?

    -হ্যাঁ, সাতটা ঘড়ি পরপর সাজানো ছিল। জিমি বলে উঠলো। আটটা নয়। ভাবলেই কেমন লাগে। ঐরকম ঘড়ি অন্ধকার কোনো ঘরে থাকলে আমি ঢুকছি না সেই ঘরে।

    -যদি রেডিয়াম বসানো না থাকে তাহলে অন্ধকারে তো দেখতে পাবেন না। বান্ডল বললো, সে মাথা ঝাঁকিয়ে আবার বললো, আমি নিশ্চিত, এটা হবে। একটু চুপ করে আবার বললো, ঘড়িগুলো কে কিনেছিল?

    –আমরা সবাই মিলে?

    –মতলবটা কার?

    আমরা সবাই ভেবেছিলাম। আসলে জেরি ওয়েডকে কিভাবে ঘুম ভাঙিয়ে তোলা যায়, তারই শলা পরামর্শ চলছিল। অ্যালার্ম দেওয়া ঘড়ির কথা প্রথম বলেছিল পঙ্গো। আমরা রাজী হয়েছিলাম। খুব সম্ভব বিল বলেছিল, বারোটা ঘড়ি কেনার জন্য। শেষ পর্যন্ত আটটা ঘড়ি কেনা হয়। আমাদের প্রত্যেকের জন্য একটা করে, বাকি দুটো পঙ্গো আর লেডি কুটের জন্য। কিছু ভেবে চিন্তে এটা করা হয়নি। নিছক ঘটে গিয়েছিল।

    বান্ডল ঠিক মেনে নিতে পারলো না। কিন্তু চুপ করে রইলো।

    জিমি সমস্ত ঘনা গুছিয়ে বলার চেষ্টা করলো।

    -মাফিয়া গোষ্ঠীর গন্ধ রয়েছে এর মধ্যে নিঃসন্দেহে। জেরি ওয়েডের কাছে এর অস্তিত্ব ধরা পড়ে যায়। তবে এটা যে বিপজ্জনক কিছু সেটা সে বুঝতে পারেনি। অথবা পরে এমন কিছু ঘটেছিল যা ওর ধারণাকে পালটে দিয়েছিল। মনে হয় রনি ডেভেরোকে এ বিষয়ে কিছু বলেছিল। ফলে জেরিকে প্রাণ দিতে হলো। যতটুকু রনি জানতে পেরেছিল সেটাকে সম্বল করে সে এগোবার চেষ্টা করেছিল। সে-ও খুন হলো। কিন্তু ওরা দুজন যা জেনেছে আমরা কিছুই জানি না। আমাদের অন্ধকারে হাতড়াতে হাতড়াতে এগোতে হবে।

    -মনে হয় এটা ভালোই হবে। ওরা আমাদের সন্দেহ করতে পারবে না। লোরেন বললো। ফলে আমাদের বিপদের সম্ভাবনা কম হবে।

    হঠাৎ কি মনে হতে জিমি দেওয়ালে ঘড়ির দিকে তাকালো। তারপর মুখ দিয়ে একটা অস্পষ্ট শব্দ করে দরজা খুলে স্টিভেনসনকে ডাকলো মাধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা করার জন্য।

    প্রথমে ওমলেট দিয়ে খাওয়া শুরু হলো। এছাড়া রয়েছে পাখির মাংস ও হালকা একটা স্যুপ।

    খেতে খেতে কথা হচ্ছিল।

    হঠাৎ বান্ডল চিৎকার করে উঠলো।আমি একটা গাধা, ভাবতে ভাবতে কথাটা ভুলে গিয়েছিলাম।

    -কি?

    –আপনি নিশ্চয়ই কর্ডাসকে চেনেন, যার নাম জর্জ লোম্যাক্স?

    –হ্যাঁ, নামটা নিশ্চয় শুনেছি। বিল আর রনি দুজনেই বলেছিল।

    –তিনি সেভেন ডায়ালস-এর কাছ থেকে একটা সাবধানী চিঠি পেয়েছেন।

    –এটা কি সত্যি? জিমি ঝুঁকে পড়লো।

    -সত্যি, বাবাকে তিনি কথাটা বলেছেন, এবার বুঝেছেন, এটা কোনো ব্যাপার নির্দেশ করছে?

    জিমি চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে খুব ভালো ভাবে চিন্তা করলো কিছুক্ষণ। তারপর বললো, তাহলে কর্ডাসের দেওয়া পার্টিতে কিছু একটা হতে চলেছে।

    -হ্যাঁ। আমার ধারণাও তাই। বান্ডল বললো।

    এবার জিমি লোরেনের দিকে তাকিয়ে বললো, যখন বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় তখন মনে হয় জেরির বয়স ছিল কুড়ি বছর। সবাই ঐ বয়সে যুদ্ধ করেছিল। কিন্তু জেরি করেনি। ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত জেরি ইংল্যান্ডে ছিল না। ঐ সময় ও কোথায় ছিল তা কেউ জানে না। কিন্তু আমি বেশ খুঁটিয়ে দেখেছি। ও ঐ সময় জার্মানিতে ছিল। কারণ ও জার্মান ভাষা বেশ ভালো বলতে পারতো।

    লোরেনের গালদুটো লাল হয়ে উঠলো।

    জিমি আবার বলতে শুরু করলো, জেরি পররাষ্ট্র দপ্তরে চাকরি করতো। সে ছিল হাসিখুশী, বোকা বোকা গোছের। কিন্তু এটা তার ওপরের আবরণ। আমার ধারণা ভেতরে ও ঐ দপ্তরে বেশ উঁচু পদে বহাল ছিল।

    -এর থেকে কি বোঝা যাচ্ছে? বান্ডল জানতে চাইলো।

    –এটা আন্তর্জাতিক ব্যাপার। লোম্যাক্সের বাড়ির ঐ পার্টিতে নামকরা কেউ একজন থাকছে এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। বিল নিশ্চয়ই সেখানে কর্ডাসের ডান হাত হয়ে হাজির থাকবে। ও আমাকে কায়দা করে সেখানে নিয়ে যেতে পারে।

    তার আগে বিলকে তালিম দিয়ে নিতে হবে। কারণ ও এ ব্যাপারে একদম আনাড়ী।

    –আপনিই বলুন, সরল মনে জিমি বললো।

    –বিল আমাকে এক ধনী তরুণ রাজনীতিবিদ হিসাবে পরিচয় দেবে। এই সব পার্টিতে ওরা ধনীদের কবজা করতে ব্যস্ত থাকে। আমি আগামীকাল বিলের সঙ্গে ডিনারে দেখা করছি। ওর কাছ থেকে জেনে নেবো কারা কারা পার্টিতে আসছেন।

    –আপনি তো ঐ পার্টিতে থাকছেন না?

    -কার্ডস আমাকে বিষের মতো ঘেন্না করে জানি। তবে এটাও ঠিক, উপায় অনেক আছে।

    ঠিক হলো লোরেন যাবে না। বাইরে থাকবে। তাকে এখন বাড়ি গিয়ে শান্ত হয়ে বসে থাকতে হবে।

    –তাহলে ঐ কথাই রইলো, জিমি বললো, তুমি কিছু করছে না।

    –আমি কিছুই করছি না। লোরেন তীক্ষ্ণ কণ্ঠে জবাব দিলো।

    লোরেন যেমন ভীরুর মতো কথাটা উচ্চারণ করলে, বান্ডলের কাছে সেটা অস্বাভাবিক ঠেকলো।

    .

    বান্ডল গেল স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডে

    সবাই সব কথা বলে না, এটা একটা প্রবাদ বাক্য আছে। জিমি থেসিজার, বান্ডল ও লোরেনের মধ্যে কথাবার্তা হলো ঠিকই, কিন্তু তারা পরস্পরের কাছে কিছু কথা গোপন করে রেখেছে, এটা স্পষ্টতই বলা যেতে পারে।

    জিমি থেসিজারের বাড়ি থেকে বেরিয়ে বান্ডল সোজা চলে গেল স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সারে অফিসে।

    সুপারিন্টেন্ডন্ট ব্যাটল বেশ ভারিক্কি চেহারার মানুষ। গোপন রাজনৈতিক কাজকর্ম দেখা তার প্রধান দায়িত্ব। এই ধরনের একটা তদন্তের কাজে জিমি চিমনিতে বছর চারেক আগে এসেছিলেন।

    যখন বান্ডলকে সুপারিন্টেন্ডেটের ঘরে নিয়ে আসা হলো তখন তিনি জানলা দিয়ে বাইরে চড়াইপাখির খেলা লক্ষ্য করছিলেন।

    -শুভ সন্ধ্যা, লেডি এইলিস। উনি জানলা থেকে মুখ ফিরিয়ে বললেন।

    ধন্যবাদ।

    বান্ডল কোনো ভূমিকা না করে কাজের কথায় এলো।

    –স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডে লন্ডন বা তার আশেপাশে যতগোপন ডেরা আছে তার একটা তালিকা আপনাদের কাছ থেকে শুনেছি। এদের মধ্যে অনেকগুলো বিপজ্জনক বলে মনে হয় না। আপনাদের?

    এ ব্যাপারে একটা চমৎকার নিয়ম আছে। ব্যাটল বললেন। যারা যত বেশি কথা বলে, তারা তত কম বিপজ্জনক হয়ে থাকে।

    –তাই আপনারা তাদের কাজে বাধা দেন না।

    -ঠিক তাই। ওরা নিজেদের বুদ্ধির দূত বলে। সপ্তাহে যদি কোথাও গোপনে বসে রক্তের নদী নিয়ে কথাবার্তা বলে, তাহলে বাধা কোথায়। এতে আমাদের বা ওদের কারো ক্ষতি হয় না।

    -কিন্তু কখনও কখনও এমনও তো হতে পারে যে, কোনো সমিতি যা তারা চায় তার চেয়েও বেশি মারাত্মক হয়ে উঠেছে? বান্ডল প্রশ্ন করলো।

    হতে পারে।

    -সুপারিন্টেভেট ব্যাটল, আপনি এমন একটা তালিকা আমাকে দিতে পারেন…যাদের সদর দপ্তর সেভেন ডায়ালস-এ আছে?

    কথাটা শুনে ব্যাটল একটু চমকে উঠলেন। পরক্ষণে নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, লেডি এইলিন, বর্তমানে ঐ নামে কোনো জায়গা নেই। জায়গাটা আগে বেশ খারাপ ছিল। বর্তমানে বেশ কিছু অংশ ভেঙে নতুন করে তৈরি করা হয়েছে। জায়গাটা কখনোই কোনো সমিতির তীর্থক্ষেত্র নয়। তবে রোমান্টিক জায়গাও বলা যায় না।

    –ওহ! বান্ডল কি বলবে বুঝতে পারলো না।

    –আচ্ছা, এই জায়গাটার কথা আপনার মনে এলো কেন, বলতে পারেন?

    বান্ডল একটু ইতস্ততঃ করে বলে ফেললোগতকাল একজন লোককে কেউ গুলি করেছিল। আমার ভয় হচ্ছিল লোকটি আমার গাড়িতে চাপা পড়েছে ভেবে।

    –মিঃ রনি ডেভেরো কি?

    –আপনি ব্যাপারটা জানেন, অথচ কাগজে কিছু ছাপা হয়নি।

    –আমরা ঘটনাটা চব্বিশ ঘন্টা চেপে রাখতে চেয়েছিলাম। আগামীকাল সব কাগজেই এই ঘটনা প্রকাশিত হবে।

    বান্ডল বললো, উনি মারা যাওয়ার আগে সেভেন ডায়ালস কথাটা বলেছিলেন।

    মনে রাখবো।

    বান্ডল এবার অন্য পথে এগোল।

    –গতকাল আপনার কাছে একটা ভয় দেখানো চিঠি নিয়ে মিঃ লোম্যাক্স এসেছিলেন। চিঠিটা সেভেন ডায়ালস-এর লেখা।

    হতে পারে।

    বান্ডল ভাবলো, বৃথায় ওঁর সঙ্গে কথা বলছে, যেন একটা শক্ত কাঠ।

    সুপারিন্টেন্ডেন্ট ব্যাটল বললেন, আপনাকে একটা কথা বলবো, লেডি এইলিন।

    –আমি জানি, আপনি কি বলতে চান। আমি বাড়ি গিয়ে চুপ করে বসে থাকবো। আর এই ব্যাপারটা আপনাদের হাতে ছেড়ে দেবো। বান্ডল বললো, তবে মনে রাখবেন, আপনাদের মত পেশাদারী জ্ঞান বা দক্ষতা আমার নেই। কিন্তু আমি আড়ালে থেকে সব কিছু কাজ করতে পারি। সেটা ভালো করে জানবেন।

    সুপারিন্টেন্ডেন্ট ব্যাটল যেন একটু মর্মাহত হলো।

    –অবশ্য, বান্ডল বললো, আপনি যদি গোপন রহস্যময় সমিতিগুলোর ঠিকানা আমাকে না দেন।

    –নিশ্চয়ই দেবো।

    ব্যাটল চেয়ার ছেড়ে উঠে গিয়ে দরজায় মুখ বাড়িয়ে কাউকে কিছু বলে আবার নিজের জায়গায় ফিরে এলেন। বান্ডলের কেমন সন্দেহ হলো, ব্যাটলের তৎপরতা লক্ষ্য করে।

    একসময় একজন লোক একটা টাইপ করা কাগজ সুপারিন্টেন্ডন্ট ব্যাটলের হাতে দিয়ে গেল।

    কাগজটি হাতে নিয়ে ব্যাটল বললেন, নামগুলো শুনুন, ব্লাড ব্রাদার্স অব সেবাস্তিয়ান। দি উলফ হাউন্ডস, দি কমরেডস্ অপ পিস, দি কমরেডস ক্লাব, দি ফ্রেন্ডস অব অপ্রশেন, দি চিলড্রেন অব মস্কো, দি রেড স্কটল্যান্ড বেয়ারার্স, দি হেরিংস, দি কমরেডস অফ দি ফলস, এমনই আরো অনেক।

    বান্ডল চিন্তা করল, এই নামগুলো দিয়ে ওর কোনো কাজ হবে না। তাই তাকে ওগুলো দেওয়া হলো। তাই সে বললো–আপনি কি চান, সব ব্যাপারটা আপনাদের ওপর ছেড়ে দিই?

    -হ্যাঁ, আমি সেটাই চাই।

    বান্ডল উঠে দাঁড়ালো। এই শক্ত কাঠকে কিছুতেই গলানো গেল না। হঠাৎ তার একটা কথা মনে পড়লো। তুরুপের তাসের মতো কাজে লাগালেন।

    সুপারিন্টেন্ডেন্ট ব্যাটল, আমি আপনার কাজে বাধা দিতে চাই না। কিন্তু আপনি জানেন, আমি সব কিছুতেই নির্দ্বিধায় ঝাঁপিয়ে পড়ি। চার পছর আগে চিমনির ব্যাপারটার জন্য আপনি আমাকে সাহায্য করতে দিয়েছিলেন, তাই বলছি, যদি কোনো আপেশাদারের পক্ষে কিছু করার থাকে তাহলে সেই দায়িত্ব আমাকে দিন।

    সুপারিন্টেন্ডেন্ট ব্যাটল চুপ করে রইলেন খানিক্ষণ। তারপর বললেন, আপনার জন্য একটা ছোট্ট ইঙ্গিত দিচ্ছি। আপনি বলি এভারসলের সঙ্গে দেখা করুন। সেভেন ডায়াল-এর ব্যাপারে ও আপনাকে অনেক কথা বলতে পারবে। ওর কাছ থেকে জেনে নিন। আর এ নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না।

    .

    বিলের সঙ্গে ডিনার

    পরদিন সন্ধ্যায় কথামত বান্ডল এলো ডিনার খেতে। বিল ওকে দেখে খুশীতে উপচে পড়লো। সে তার খুশী নানারকম ভঙ্গী করে প্রকাশ করলো।

    -বিল, তুমি কিছুদিন ধরে কি কাজ করছিলে? বান্ডল প্রশ্ন করলো।

    –তোমাকে সেই কথাটাই বলার চেষ্টা করছিলাম। তোমার বুদ্ধি আছে যথেষ্ট। তাই তোমার সঙ্গে পরামর্শ করতে চাই। জুটেছে এক ইয়াঙ্কি মেয়ে, নাম সেন্ট মাউর। ওর আসল নাম গোল্ড স্মিথ বা আব্রোসিয়ার।

    বিলের বান্ধবীদের বায়নার ব্যাপারটা নানারকম। ওদের সংখ্যাও কম নয়। ওসব উড়িয়ে দিয়ে বান্ডল কাজের কথায় এলো, বললো–বিল, গতকাল আমি জিমি থেসিজারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। ওর সঙ্গে তোমার দেখা হয়?

    –আজই সকালে দেখা হয়েছে। বিল নিজের কথায় ফিরে এলো। জানো, বেবকে যেমন সুন্দরী দেখতে, তেমনি গুণের। অন্য মেয়েরা হিংসে করে ভীষণ।

    ইচ্ছা না থাকলেও বান্ডলকে বিলের কথা শুনতে হলো।

    –আচ্ছা বিল, জিমি কি আগামী সপ্তাহে অ্যাবীতে আমার কথা কিছু বলেছিলো?

    এতক্ষণে বিল বান্ডলের কথায় কান দিলো।

    -হ্যাঁ, কর্ডাসকে বলতে হবে সেই ধরনের অনেক কথা বলে গেল। কিন্তু ব্যাপারটা খুবই ঝুঁকির।

    –ঐটুকু ঝুঁকি নিতেই হবে। এবার বলল কারা কারা আসছে?

    –সব সাধারণ মানুষ। তবে পার্লামেন্টের সদস্য মিসেস মাকাটা থাকছেন। আর থাকছেন সেই তরুণ হাঙ্গেরির বিমান পরিবহন মন্ত্রী স্যার স্ট্যানলি ডিগবি, ও তার সেক্রেটারি টেরেন্স ও’রুরকে। এছাড়া রয়েছেন হের এবারহোর্ড, একজন বিষাক্ত জার্মান ভদ্রলোককে বার দুই লাঞ্চে নিয়ে যাওয়ার হুকুম পেয়েছিলাম আমি। তবে তার সম্পর্কে নানারকম গুজব শোনা যায়। লোকটা সারাক্ষণ দাঁত দিয়ে নিজের আঙুলের নখ কাটে।

    -ইস, কি নোংরা, বান্ডল বললো।

    –আর হ্যাঁ, স্যার অসওয়াল্ড কুট থাকবেন। লেডি কুটও আসতে পারেন।

    বান্ডলের এখন চিন্তা করার অবকাশ নেই। সময় নষ্ট করতে যে চায় না। তাই সরাসরি বিলকে প্রশ্ন করলো–বিল, সেভেন ডায়ালস-এর ব্যাপারটা কি? এ ব্যাপারে তুমি সব জানো।

    বিল তার দৃষ্টি বান্ডলের দিক থেকে সরিয়ে নিলো।

    বান্ডল বুঝলো, ও এড়িয়ে যেতে চায়। তাই বললো, এত গোপনীয়তার কি আছে, বুঝি না।

    -গোপনীয়তার কিছু নেই। মাঝে লোকের হুজুগ উঠেছিল তাই যেতো। বেশি দিন ভালোও লাগতো না।

    –জায়গাটা কি?

    বিল এবার ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেল–তার মানে? তুমি তো সেভেন ডায়ালস-এর সম্বন্ধে জানতে চেয়েছিলে, তার কথাই বললাম।

    -ওর যে ঐ নাম জানতাম না।

    —-ওটা একটা নোংরা জায়গা, টটেনহ্যাম কোর্ট রোডের দিকে। পুরানো সবকিছু ভেঙে বর্তমানে নতুন করে সবকিছু বানানো হয়েছে। তবে সেভেন ডায়ালস ক্লাবটার কোনো পরিবর্তন হয়নি। মাছ আর আলু ভাজা পাওয়া যায়। তবে কোনো অনুষ্ঠান দেখে আসার পর বেশ প্রতিক্রিয়া হয়। নানারকমের লোক আসে। বিভিন্ন রকম মজার আলোচনা হয়। সস্তায় সময় কাটাবার বেশ উপযুক্ত জায়গা।

    -বাঃ বেশ ভালোই। বান্ডল বললো, তাহলে আমরা আজ রাতে ওখানেই যাবো।

    -না না, ওখানে যাওয়া চলবে না, বিল অসহায় ভাবে কথাটা বললো। আগেই তো বলেছি, আজকাল ওখানে কেউ যায় না।

    কেউ যাক বা না যাক, আমাকে তুমি আজ রাতে ওখানে নিয়ে যাবে। কথাটা মনে রেখো, বান্ডল জেদ ধরলো, নিশ্চয়ই কোন গপন রহস্য আছে, তাই আমাকে নিয়ে যেতে তোমার আপত্তি?

    – গোপন রহস্য? ওসব কিছু নয়। বিল বলতে থাকলো, মানে, একদিন রাতে বেব সেন্ট মাউরকে নিয়ে আমি ওখানে গিয়েছিলাম।

    -তারপর? বান্ডল উদগ্রীব হয়ে উঠলো।

    -বেব গলদা চিংড়ি খাওয়ার বায়না ধরলো। একটা গলদা চিংড়ি লুকিয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম। টানাটানিতে সেটা বেরিয়ে পড়লো।

    গলদা চিংড়ির গল্প আর শেষ হয় না। অধৈর্য হয়ে বান্ডল বললো, ওসব গলদা চিংড়ির কথা বাদ দাও। তুমি জেনে রাখো, আজ আমরা ওখানে যাচ্ছি-ই।

    বিল বার বার আপত্তি জানিয়ে বান্ডলের একগুঁয়েমির কাছে হার স্বীকার করলো।

    জায়গাটা দেখে বান্ডল চমকে উঠলো, অবিকল তার ভাবনার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে সব। ১৪ নং হ্যাঁন্স্যামটন স্ট্রিটের একটি উঁচু বাড়ি। বাড়ির নম্বর বান্ডল লিখে রাখলো।

    একটা অপরিচিত লোক দরজা খুলে দিল। বান্ডলকে দেখে সে একটু চমকে উঠলো। সঙ্গে বিলকে লক্ষ্য করে একটু ধাতস্থ হলো। লোকটার লম্বা চেহারা, গায়র রঙ ফর্সা, চঞ্চল দুটি চোখ। কোথায় যেন বান্ডল এই লোকটাকে দেখেছে।

    ধোঁয়ায় ভর্তি একটা ঘরে ওরা নাচতে শুরু করলো। ধোঁয়ার জন্য ঘরটা নীলচে দেখাচ্ছিল। কিছু বিদেশী ইহুদী এছাড়া নানাধরনের মানুষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। অনেক মহিলাও ছিল, যাদের মধ্যে অনেকে প্রাচীন জীবিকা নির্বাহ করে।

    বিল দোতলার যে ঘরে জুয়া খেলা হচ্ছিল সেখানে বান্ডলকে নিয়ে গেল, সেখানেও ঐ লোকটিকে দেখে আচমকা ওর স্মরণে এলো তার পরিচয়।

    –আরে এ তো চিমনিতে কিছুদিনের জন্য ফুটম্যানের কাজ করেছিল। অ্যালফ্রেড, ভালো আছো তো? বান্ডল প্রশ্ন করলো।

    -হ্যাঁ, ভালো আছি, মাদমোয়াজেল।

    –তুমি চিমনির চাকরি কবে ছাড়লে?

    একমাস আগে। এটা ভালো চাকরি। খুব ভালো মাইনে পাই।

    ঘরে পা দিয়েই বান্ডল বুঝতে পারলো ক্লাবটির আসল বৈশিষ্ট্য। টেবিলের চারপাশে যারা জড়ো হয়েছিল তারা প্রত্যেকে জাত জুয়াড়ি নিঃসন্দেহে।

    বিল প্রায় অধঘন্টা পর অধৈর্য হয়ে বান্ডলকে নিয়ে নিয়ে নেমে এলো। মাছ ভাজা, আলু ভাজা খাওয়া হলো।– তারপর ওরা বাড়ির দিকে রওনা হলো।

    .

    .

    চিমনিতে খোঁজখবর

    বান্ডলের মেজাজ ও চরিত্র ওর বাবার ঠিক উল্টো। ওর বাবা ঠান্ডা ধরনের অলস প্রকৃতির মানুষ। বান্ডল মনে মনে তিনটে মতলব তৈরি করেছিল। একদিনেই সেগুলো করতে হবে।

    ভোরবেলা ঘুম থেকে ওঠা বান্ডলের বরাবরের অভ্যাস। সকাল সাড়ে আটটার মধ্যে প্রাতঃরাশ সেরে সে হিসপানোয় চড়ে চিমনির দিকে রওনা হলো।

    –যাক, তুই এসে আমাকে বাঁচালি। ওর বাবা ওকে দেখে খুব খুশী। টেলিফোন করতে আমার ভীষণ বিরক্তি জানিস তো। গতকাল কর্নেল মেলরোজ ইনকোয়েস্টের জন্য এসেছিলেন। আগামীকাল বেলা বারোটায় রনি ডেভেয়োর ইনকোয়েস্ট হবে। মৃতদেহ যেহেতু তুই আবিষ্কার করেছিস, অতএব সনাক্ত করার দায়িত্ব তোর। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মেলরোজ তোকে নিতে আসবে।

    -বারোটা। বান্ডল বললো, ঠিক আছে তৈরি থাকবো।

    –আর একটা কথা। জর্জ লোম্যাক্স আগামী সপ্তাহে প্যারীতে যাওয়ার কথা বলেছিল। আমি ওটা নাকচ করে দিয়েছি।

    -ভালো করেছে। কোনো উদ্ভট ব্যাপারে না জড়ানোই ভালো।

    -কেন সেরকম কিছু ঘটার আশঙ্কা আছে নাকি? আচমকা লর্ড কেটারহ্যাম আগ্রহ প্রকাশ করলেন?

    -না, তুমি তো কি যেন ভয় দেখানো চিঠির কথা বলছিলে।

    — বোধ হয় জর্জ খুন হতে চলেছে। বান্ডল, আমার কি যাওয়া উচিত?

    -তুমি বরং বাড়িতে চুপ করে বসে থাকো। আমি মিসেস হাওয়েলের সঙ্গে কথা বলবো। বান্ডল বললো।

    চিমনির আসল গৃহকত্রী হলেন মিসেস হাওয়েল। বান্ডল যখন ফ্রক পরে খেলা করতো তখন থেকে তিনি এখানে আছেন।

    বেশ অনায়াসে বান্ডল তার প্রশ্নের জবাব পেয়ে গেল মিসেস হাওয়েলের কাছ থেকে। বাড়ির চাকর-বাকরদের সম্পর্কে বান্ডল যা জানতে পারলো, তাতে ওদের সন্দেহ করার কিছু নেই। তবে লেডি কুটকে যে বেগ দিয়েছিল মিসেস হাওয়েল তা তার কথা শুনে বোঝা গেল।

    -স্যার অসওয়াল্ড কুটকে আমি কখনও দেখিনি। বান্ডল বললো।

    -খুব চালাক ভদ্রলোক। অবশ্য সমস্ত কাজ দেখাশোনা করতেন মিঃ বেটম্যান। কোন কাজ কেমন ভাবে করা উচিত সে বিষয়ে তিনি দক্ষ ছিলেন।

    বান্ডল এবার কৌশলে জেরি ওয়েডের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে আনলো।কিন্তু মিসেস হাওয়েলের কাছ থেকে নতুন কিছু আবিষ্কার করা গেল না। বান্ডল নিচে নেমে এসে ট্রেডওয়েলকে ডেকে পাঠালো।

    –ট্রেডওয়েল, আর্থার কেন এবং কবে চলে গিয়েছিলো, বলতে পারো।

    –ও একমাস আগে নিজের ইচ্ছাতেই চলে গেছে, মাই লেডি। মনে হয় ও লন্ডনে গেছে। তবে নতুন যে এসেছে, জন সে-ও ভালো কাজ করে।

    -ও কোথা থেকে এসেছে?

    –আগে জন লর্ড মাউন্ট ভারননের কাছে কাজ করতো।

    –ওর পদবী কি?

    –বাওয়ার, মাই লেডি।

    –বান্ডল চিন্তার মধ্যে ডুবে গেল। সেই অবসবে ট্রেডওয়েল ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    একটু পরেই জন ঘরে এসে ঢুকলো। বান্ডল তাকে লক্ষ্য করলো। একজন পাকা চাকর বলে মনে হয়, হাবভাব একজন দক্ষ সৈনিকের মত। কিন্তু ওর পেছন মাথার দিকটা কেমন যেন অদ্ভুত।

    বান্ডল একমনে একটা ব্লটিং পেপারে বাওয়ার নামের বানান লিখে চললো।

    হঠাৎ ওর দৃষ্টি ব্লটিং-এর এক জায়গায় আটকে গেল। ডেকে পাঠালো ট্রেডওয়েলকে।

    –ট্রেডওয়েল বাওয়ার বানানটা কি রকম? –বি.এ.ইউ.ই.আর, মাই লেডি। এটি সম্ভবতঃ সুইশ নাম। ট্রেডওয়েলকে বিদায় দিয়ে সে আবার ভাবতে লাগলো, এটা জার্মান নাম ছাড়া অন্য কিছু নয়। মাথাটা ঐরকম। তাছাড়া জেরি ওয়েড মারা যাওয়ার পনেরো দিন আগে ও চিমনিতে এসেছিল।

    বান্ডল বাবার কাছে ফিরে এলো।

    -বাবা, আমি মার্সিয়া কাকিমার কাছে যাবো।

    –এমন মতলব মাথায় এলো কেন তোর? লর্ড কেটারহ্যাম মেয়ের দিকে আশ্চর্য দৃষ্টিতে তাকালেন।

    মর্সিয়া অর্থাৎ মার্সিওনেস হলেন তার ভাই হেনরির বিধবা স্ত্রী। একসময় এই মহিলার নামডাক ছিল। পররাষ্ট্র দপ্তরের সেক্রেটারিরপদ তার ভাই পেয়েছিল। ওর স্ত্রীর গুণে এটা নিশ্চিত। আবার এদিকে লর্ড কেটারহ্যাম ভাবেন, অমন চোরের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে তার ভাই অকালে মৃত্যু হয়ে শান্তি লাভ করেছে। মহিলাটি অত্যন্ত সন্দেহজনক। কেনসিংহের গুহায় বান্ডল বোকার মতো মাথা গলাতে যাচ্ছে, বুঝে পেলেন না লর্ড কেটারহ্যাম।

    -বাবা, তোমাকে আবার বিরক্ত করছি, বান্ডল বললো, স্যার অসওয়াল্ড কি ভাবে ধনী হলেন?

    ইংল্যান্ডে যে ইস্পাতের কারখানা আছে সেটা ওর। বর্তমানে লিমিটেড কোম্পানী হয়ে গেছে। তার একটার ডিরেক্টার ওর অনুরোধে আমি হয়েছি। কাজকর্ম কিছু থাকে না। বছরে কেবল দু একবার ক্যাসন স্ট্রিটে বা লিভারপুল স্ট্রিটের বড় হোটেলে খাওয়াদাওয়া ছাড়া।

    এসব শোনার আর প্রয়োজন নেই বান্ডলের। সে লন্ডনের উদ্দেশ্যে পা বাড়ালো।

    শিশু পরিচর্যা আর ইস্পাতের সঙ্গে খাপ খায় না। অর্থাৎ মিসেস মার্কাটার সঙ্গে স্যার অসওয়াল্ডকে মেলানো যায় না। হাঙ্গেরির কাউন্টেসকে বাদ দেওয়া যায় বোধহয়। হের এবারহোর্ড হল আসল। তিনি এমন কোন কেউকেটা নন যে জর্জ লোম্যাক্স তাকে আমন্ত্রণ জানাবেন। ইস্পাত সম্রাট স্যার অসওয়াল্ড তো আছেনই

    এরকম আকাশ-পাতাল ভেবে কিছু থৈ পাওয়া যাবে না ভেবে বান্ডল তার কাকিমার সঙ্গে দেখা করতে চাইলো।

    বিশাল চেহারা লেডি কেটারহ্যামের। লন্ডনের উচ্চবিত্ত এলাকায় একটি মস্ত বড় গোমড়ামুখো বাড়িতে তিনি থাকেন।

    বাড়িতে ঢুকতেই বান্ডলের নাকে ভেসে এলো মোমবাতি, পাখির দানা আর শুকনো ফুলের গন্ধ।

    বান্ডলকে দেখে লেডি কেটারহ্যাম অবাক হলেন একটু।

    -এইলিন, তুমি হঠাৎ দারুণ আনন্দের ব্যাপার। ঠান্ডা কণ্ঠস্বর লেডি কেটারহ্যামের।

    –আমরা সবে ফিরেছি, কাকিমা। বাবা চিমনিতে এখন রয়েছেন।

    –চিমনি ভাড়া দেওয়া আমরা কোনো কারণেই পছন্দ নয়। কত ঐতিহাসিক চিহ্ন আছে ঐ বাড়িতে। একে সস্তা করে দেওয়া উচিত নয়।

    -বাবার রাজনীতি ভালো লাগে না। কিন্তু রাজনীতির মধ্যে কত ভালো ভালো ব্যাপার আছে সেটা জানতে পারলে আরো কত সুন্দর হয়।

    বান্ডল আহ্লাদে আটখানা হয়ে মিথ্যে বলে গেল কায়দা করে। লেডি কেটারহ্যাম অবাক চোখে তাকালেন।

    -তোমার ভাবনার ধরন দেখে খুব অবাক লাগছে। মনে হয় তোমার ভালো ঘরে বিয়ে হলে তুমি একসময় রাজনীতিতে বেশ চমৎকার জায়গা করে নিতে পারবে।

    -ধন্যবাদ কাকিমা। বান্ডল এবার তার দিক পরিবর্তন করলো, ভাবছিলাম, তুমি মিসেস মার্কাটকে চেনো কিনা।

    খুব চিনি। দারুণ বুদ্ধিমতী মহিলা। তবে, সাধারণতভাবে মেয়েরা পার্লামেন্টে দাঁড়াক এটা আমার পছন্দ নয়। লেডি কেটারহ্যাম বলে চললেন, অবশ্য তিনি যে কাজ করেন, তার দাম এখন খুব। ভদ্রমহিলার সঙ্গে তোমার পরিচয় হওয়া দরকার।

    বান্ডল ছদ্ম একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো, জর্জ লোম্যাক্সের বাড়ির এক পার্টিতে উনি যাচ্ছেন, আমি জানি বাবাকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন, কিন্তু যাবেন না, অবশ্য আমাকে নেমন্তন্ন করেননি। উনি মনে কবেন আমি একটা গবেট।

    ভাসুরঝির এত উন্নতি দেখে লেডি কেটারহ্যাম খুশী হলেন।

    –তুমি চিন্তা করো না এইলিন, তুমি যে বড়ো হয়েছে, এটা জর্জ লোম্যাক্স ভাবতেই পারছে না। আমি জর্জকে দিয়ে একাজ করাবোই। রাজনীতিতে অল্পবয়েসী মেয়েদের প্রয়োজন আছে, ওটা ও বুঝবে। দেশের স্বার্থে এটা দরকার।

    লেডি কেটারহ্যামের পছন্দ করা কিছু বইপত্র নিয়ে বান্ডল ব্রুক স্ট্রিটের দিকে রওনা হলো।

    জিমি থেসিজারকে ফোন করলো। রাজনীতি গুলে খাওয়া মার্সিয়া কাকিমার কথা বান্ডল জানালো। পড়ার জন্য অনেক বই দিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা জর্জের পার্টিতে নেমন্তন্ন করাচ্ছেন।

    জিমি জানালো, সে বিলকে শেষপর্যন্ত বোঝাতে পেরেছে। একগাদা কাগজপত্র দিয়েছে পড়ার জন্য। একেবারে নীরস ব্যাপার। সান্টা ফে সীমান্ত বিরোধ কেউ কোনো কালে শুনেছে নাকি সন্দেহ।

    লোরেনকে এসব না বলাই ভালো। জিমি বললো, এরকম মেয়েকে বিপদের মুখে ফেলা ঠিক নয়।

    –বোধ হয়।

    –কাল ইনকোয়েস্টে যাচ্ছেন তো?

    –হ্যাঁ, আপনি?

    –আমিও যাবো। আজই সন্ধ্যার কাগজে এককোণে খবরটা ছাপা হয়েছে। খুব হৈ চৈ পড়ে গেছে।

    -এবার পড়ায় মন দেবো, আপনি?

    –আমিও তাই। শুভরাত্রি।

    দুজনেই মিথ্যেবাদী নিঃসন্দেহে। লোরেন ওয়েডকে নিয়ে জিমি এখনই নৈশভোজে যাবে, সেটা সে ভালো ভাবে জানে। ওদিকে বান্ডল একজন সাধারণ পরিচারিকার পোশাক পরে সোজা রাস্তায় এলো। সেভেন ডায়ালস-এ যেতে বাসে না টিউবে গেলে সুবিধা হবে সেটাই ভাবছিল।

    .

    দি সেভেন ডায়ালস ক্লাব

    ১৪ নং হ্যান্সস্ট্রামট স্ট্রিটে যখন বান্ডল পৌঁছলো তখন সন্ধ্যে ৬টা। ওর উদ্দেশ্য ছিল ফুটম্যান আলফ্রেডের সঙ্গে দেখা করা। যদি তা সম্ভব হয় তাহলে বাকি কাজটা সহজ হয়ে যাবে। বেশি লোকের মুখোমুখি হতে ও চায় না।

    মেঘ না চাইতেই জল।

    দরজা খুলে সামনে দাঁড়ালো অ্যালফ্রেড।

    বান্ডল মিষ্টি হেসে বললো-শুভসন্ধ্যা, অ্যালফ্রেড।

    অ্যালফ্রেড প্রথমে চমকে উঠলো। তারপর নিজের ভুল বুঝতে পেরে বললো, শুভসন্ধ্যা, মাদমোয়াজেল। আমি আপনাকে ঠিক চিনতে পারিনি।

    বান্ডল নিজের মনে মনে ঐ পোশাকের জন্য তারিফ করলো।

    –অ্যালফ্রেড, তোমার সঙ্গে কিছু কথা বলতে চাই। কোথায় গেলে ভালো হয়? ক্লাবে এখন কারা আছে?

    -এখন কেউই নেই লেডি।

    অ্যালফ্রেড চাবি বের করে দরজা খুললো। বান্ডল ভেতরে ঢুকলো। অ্যালফ্রেড গোবেচারীর মত তার পেছন পেছন এলো।

    অ্যালফ্রেড, তুমি নিশ্চয়ই জানো, এখানে যা হয় সব বেআইনী।

    অ্যালফ্রেড ভীত পায়ে দাঁড়িয়ে রইলো।

    –এর আগে দুবার পুলিস এসেও আপত্তিকর কিছু পায়নি। কারণ মিঃ মসগোরোভস্কির চালাকি ছিল। এখানে কেবল জুয়া খেলা হয় না। অনেক কিছুই হয়, যা তোমার হয়তো জানা নেই। আমি তোমার থেকে জানতে চাই যে চিমনির চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য তুমি কত টাকা পেয়েছিলে? বান্ডল স্পষ্ট কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলো।

    অ্যালফ্রেড চুপ করে শুনছিল। সাহস সঞ্চয় করছিল মনে হয়। কয়েকবার ঢোক গিললো।

    –বলছি, মাই লেডি, যেদিন অনুষ্ঠান ছিল মিঃ মসগোরাভস্কি সেদিন কিছু লোক নিয়ে চিমনিতে এসেছিলেন। মিঃ ট্রেডওয়েলের পায়ে সেদিন পেরেক ফুটে যন্ত্রণা হচ্ছিল বলে আমাকে সব দেখাশোনা করতে হয়েছিলো। মিঃ মসগোরোভস্কি বিশ্রাম করার অজুহাতে আমার সঙ্গে কথাবার্তা বলতে থাকেন। তিনি আমাকে একশো পাউন্ড হাতের মধ্যে ধরিয়ে দিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে যেন চিমনি ছেড়ে চলে যাই এবং তার ক্লাবের দায়িত্ব নিই। ঈশ্বরের আশীর্বাদ মনে করে আমি মেনে নিলাম। বর্তমান মাইনে তিনগুণ টাকা। কথাটা মিঃ ট্রেডওয়েলকে বলতেই সব ঠিক হয়ে গেল।

    বান্ডলের সন্দেহের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে, সে মাথা নুইয়ে সায় দিলো।

    –মিঃ মসগোরোভস্কি কে?

    –এই ক্লাবটা চালান। রাশিয়ান। খুব বুদ্ধিমান লোক।

    –এর মধ্যে কোনো রহস্য আছে বলে তোমার মনে কোন সন্দেহ হয়নি?

    –রহস্য, মাই লেডি?

    –অ্যালফ্রেড, জেল খাটতে রাজী নও নিশ্চয়ই।

    –হায় ঈশ্বর, আপনি সেরকম কিছু ভাবছেন না তো?

    বান্ডল গম্ভীর ভাবে বললো–গত পরশু স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডে গিয়েছিলাম। কিছু অদ্ভুত কথা শুনলাম। তোমার সাহায্য আমার প্রয়োজন। যদি সাহায্য করো, তাহলে তার বিনিময়ে তুমি পাবে নিরাপত্তা।

    অ্যালফ্রেড রাজী হতেই বান্ডল প্রথমে সারা বাড়ি ঘুরে দেখতে লাগলো। তারপর এসে পৌঁছলো জুয়াখেলার ঘরে। চোখে পড়ে না, এমন একটা দরজা বান্ডলের দৃষ্টি এড়াতে পারলো না। তালা দিয়ে দরজাটি বন্ধ।

    দরজাটা সম্পর্কে অ্যালফ্রেড বলতে শুরু করলো,-পুলিসের ঝামেলা এড়ানোর জন্য অনেকটা দেয়াল আলমারীর মতই এই দরজা করা হয়েছে। দরজার ওপাশে একখানা ঘর আর সিঁড়ি আছে। পাশে রাস্তা। পুলিস হামলা করলে লোকেরা ঐ পথ দিয়ে পালায়।

    –আমি ভেতরে ঢুকবোই। বান্ডল উত্তেজনা অনুভব করলো।

    –আপনার পক্ষে সম্ভব নয়, মাই লেডি। চাবি রয়েছে মিঃ মসগোরোভস্কির কাছে। বান্ডল বুঝেছিল, তালাটা অত্যন্ত সাধারণ। অন্য চাবি দিয়েও খোলা যায়। বান্ডলের চাপে পরে আলফ্রেড খুঁজে নিয়ে এলো। কয়েকবারের চেষ্টার ফলে তালা খুলে গেল।

    ঘরের মধ্যে বান্ডল ঢুকলো। মাঝখানে একটা টেবিল, কয়েকখানা চেয়ার চারপাশে। ফায়ার প্লেসের দুপাশে দুটো গা-আলমারি। বিশেষ ধরনের তালা লাগানো আছে। অতএব চেষ্টা করা বৃথা।

    অ্যালফ্রেড বুঝিয়ে দিলো, সাধারণ তাক বলে মনে হয়, কখানা লেজার রয়েছে। কিন্তু ঠিক বোতামটা টিপলেই ওটা খুলে যাবে।

    ঘরের চারপাশে ও চিন্তিত মুখে দেখতে লাগলো। শব্দ নিরোধক ঘর। সাতখানা চেয়ার সাজানো। টেবিলের দুপাশে তিনটে করে আর টেবিলের মাথায় একটি।

    বান্ডলের চোখ উজ্জ্বল হয়ে উঠলো। এটাই সেই গোপন সমিতির জায়গা, ও নিশ্চিত। আপাতদৃষ্টিতে কিছু বোঝার উপায় নেই।

    –অ্যালফ্রেড, বান্ডল বললো, আমার লুকিয়ে থাকার মত একটা জায়গা তোমার ব্যবস্থা করতে হবে।

    অ্যালফ্রেড মাথা নেড়ে বললো, এ অসম্ভব, মাই লেডি। আমার চাকরি তাহলে বাঁচাতে পিরবো না।

    যখন তুমি জেলে ঢুকবে, তখন এমনিতেই চাকরি যাবে। তুমি চিন্তা করো না, কেউ কোনো কিছু জানতে পারবে না।

    বান্ডলকে এখন অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় পেয়ে বসেছে।

    বান্ডল ঝুঁকি নেবেই। সে খুব ভালো ভাবে ঘরের চারদিকে আবার তাকালো। এগিয়ে গেল দ্বিতীয় আলমারির কাছে। তালা লাগানো ছিল। বান্ডল পাল্লা খুলতেই একরাশ বাসন বেরিয়ে এলো। তাকগুলো খালি করার ইচ্ছাতে সে বললো–অ্যালফ্রেড, সময় খুব কম, তুমি একটা ট্রে নিয়ে এসে বাসনগুলো নিচে নিয়ে যাও। দাঁড়িয়ে তর্ক করলে বিপদে পড়ে যাবে।

    অগত্যা অ্যালফ্রেড বাধ্য ছেলের মত বান্ডলের আদর্শে অনুযায়ী কাজ করলো।

    তাকগুলো খুলে ফেলা যায়। বান্ডল দ্রুত হাতে তাকগুলো খুলে দাঁড় করিয়ে রেখে নিজে ভেতরে ঢুকে গেল।

    –হু, বড় ছোট, ভেতরে কাঠ হয়ে থাকতে হবে। অ্যালফ্রেড, এবার একটা তুরপুনের ব্যবস্থা করো। যদি এখানে না পাও তাহলে কিনে আনতে হবে।

    অ্যালফ্রেড দ্রুত চলে গিয়ে আবার ফিরে এলো কতগুলো যন্ত্র নিয়ে। ঐসব যন্ত্রের মধ্যে থেকে একটা বাছাই করে নিয়ে নিজের চোখ বরাবর কাঠের পাল্লায় একটা ফুটো করলো। ফুটোতে চোখ লাগিয়ে বান্ডল বললো, এতেই কাজ হবে। আমি ভেতরে ঢুকছি, তুমি তালা লাগিয়ে চাবি নিয়ে চলে যাও।

    -যদি মিঃ মসগোরোভস্কি চাবি চান?

    –কেউই চাবির জন্য মাথা ঘামাবে না। আর যদি চায় বলবে হারিয়ে গেছে। আর শোন, একটু চকোলেট এনে দাও। ওতেই কাজ হবে। সবাই চলে গেলে খুলে দিয়ো। আর একটা কথা মনে রেখো, বেশি করতে যেয়ো না, কোনো গোলমাল হলে তোমার কিন্তু রেহাই নেই।

    অ্যালফ্রেড চকোলেট রেখে দিয়ে তালা লাগিয়ে চাবি নিয়ে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }