Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2514 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২১. স্থানীয় থানার অফিসার

    ২১.

    স্থানীয় থানার অফিসার মিঃ ওয়াকার পোয়ারোর বিশেষ পরিচিত। পোয়ারোকে দেখে তিনি বলেন–আরে মিঃ পোয়ারো বসুন? কেমন আছেন?

    –ভাল। আপনি?

    –চলে যাচ্ছে। তা ব্যাপার কী বলুন?

    বছর পনেরো আগে এখানকার অফিসার আপনি ছিলেন? সেই সময়ে একটা কেসের ব্যাপারে এসেছি।

    –হ্যাঁ, আবার গত দুবছর হল এসেছি। মনে হচ্ছে পুরোনো ঘটনা নিয়ে আপনার মনে কিছু আছে। তা ঘটনাটা কী?

    –বছক পনেরো আগে এক ভদ্রলোক মিঃ রবার্ট ট্রেন অ্যাক্সিডেন্টে মারা যান।

    –কোথায় বলুন তো?

    ভিক্টোরিয়া টার্মিনাসে। বাড়িতে একটা চাকর ছিল জোন্স। রবার্ট মারা যাবার পর সে রবার্টের শিশুকন্যাকে নিয়ে সর্বস্ব বিক্রি করে কোথায় চলে যায়। আমি তার খবর চাই।

    –এতদিনের পুরোনো ব্যাপার…তা জোন্সের কোনো ছবি আছে?

    –না।

    –কোথায় যেতে পারে বলে আপনার ধারণা?

    –ওর দেশের বাড়িতে।

    –ওর দেশের বাড়ি কোথায়?

    –সেটা জানার জন্যই তো এখানে এসেছি।

    –অবশেষে বহু খুঁজে জোন্সের দেশের নাম আর ঠিকানা পাওয়া গেল। ছবিও পাওয়া গেল। রবার্ট সবকিছু জানিয়ে গিয়েছিল। পোয়ারো সব টুকে ওয়াকারকে অনুরোধ করে ছবি নিয়ে বাড়ি ফিরে দেখে চার্লস।

    চার্লস বলে–কোথায় থাক আজকাল?

    –আগে একটু গলা ভিজিয়ে নিই। তুমিও পাবে।

    ইতিমধ্যে পানীয় এসে যায়। পোয়ারো তাতে চুমুক দেয়।

    –কাজে দারুণ ফেসে গেছি।

    সেতো দেখছি। মেরী-শার্লট রহস্য কতদূর?

    –একটু-আধটু ঘুরেছি তবে কেসে সেরকম মেরিট নেই, তাই এগোইনি।

    চার্লস চুমুক দিয়ে তুমি তো এতো দায়িত্বহীন নও। যাক তোমার ব্যাপার। আমি উঠি।

    –উঠবে? তাহলে আর আটকাবো না। পোয়ারো বুঝতে পারে চার্লস তার উত্তরে খুশী

    হয়নি। চার্লস যাবার পর পোয়ারো ফোনে জয়েন করে।

    –হ্যালো! মিঃ এমিট কথা বলছেন?

    -হ্যাঁ।

    –আমি পোয়ারো।

    –বলুন স্যার, অনেকদিন পরে আপনার ফোন পেলাম।

    –এ কদিন তেমন কোনো কাজ ছিল না হঠাৎ একটা..যাক আপনি ফ্রি আছেন?

    –আপনার জন্য সবসময় ফ্রি স্যার।

    –তাহলে এখুনি আমার অ্যাপার্টমেন্টে চলে আসুন।

    –এক্ষুনি যাচ্ছি স্যার।

    থ্যাঙ্ক ইউ।

    দুইজনে মুখোখুখি বসে, হাতে পানীয়। এমিটের বয়স ষাটের কাছে। লম্বাটে ধরনের চেহারা এবং উপস্থিত বুদ্ধি আছে। সে পোয়ারো এবং অন্য গোয়েন্দাদের নানা তথ্য সংগ্রহ করে দেয়। এ ব্যাপারে তার সুনাম আছে। আগে পুলিশে কাজ করার জন্য একাজে তার অসুবিধা হয় না।

    জোন্সের ব্যাপারে পোয়ারো এমিটকে সব বুঝিয়ে বলে–জোন্সের বয়স সাতান্ন হবে, তার সাথে একটা আঠারো বছরের মেয়ের থাকার কথা। সেই মেয়েটি কী করছে? আর জোন্সই বা কীভাবে জীবনযাপন করছে সবই আমার জানা দরকার।

    -ঠিক আছে স্যার, তাহলে উঠি।

    এমিট দিনতিনেক পরে ফিরে এসে জানায়–ওখানকার লোকজনকে জিজ্ঞেস করে জানা গেছে ওটা জোন্সের দেশ তবে ওরা বলেছে জোন্স এখানে থাকে না। শহরে কাজ করে। সমস্ত গ্রাম তন্ন তন্ন করে খুঁজেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    –তাহলে নিশ্চিন্ত যে জোন্স দেশে নেই।

    –একেবারে ঠিক কথা স্যার।

    –ঠিক আছে, আপনার বিলটা দিয়ে যাবেন।

    –এরকম কাজ মাঝেমধ্যে পেলে খুশী হবো স্যার।

    .

    ২২.

    ডেইলি হারল্ড একটি নামকরা পত্রিকা। সারা পৃথিবীতে এদের প্রতিনিধি রয়েছে। এই অফিসে মিস লরেন্স কাজ করে। বয়স পঁচিশের নিচে হলেও কাজে দক্ষ। কাজে গাফিলতি নেই, যথেষ্ট আগ্রহের সঙ্গে মিষ্টি হাসি দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়ায়।

    পোয়ারো এই লরেন্সের কাছে গেল। এর কাছ থেকে পোয়ারো যে কত সাহায্য পেয়েছে তা বলার নয়। পোয়ারো তিনতলার ঘরের সামনে গিয়ে দেখে লরেন্স একটা ফাইলে ডুবে আছে।

    লরেন্স পোয়ারোর উপস্থিতি টের পেয়ে ফাইলের থেকে দৃষ্টি পোয়ারোর দিকে করে। লরেন্সের পরনে মিনি স্কার্ট উপরে হাইনেকের সাদা সোয়েটার। মাথায় একরাশ ধূসর বব চুল।

    লরেন্স হাসে–কী খবর।

    -তুমি অমন করে হাসবে না তো, যাদু আছে।

    –যাদু? তাও তো ম্যানেজ করতে পারলাম না।

    –একথা মনে থাকবে।

    –থাকবে না। আসল কথাটা বলুন। আপনি তো আমার সঙ্গে গল্প করতে আসেননি।

    অমন বলল না ব্যথা লাগে।

    –কোথায়?

    –বুকে। আজ ডিনারে কোথায় যাবে?

    -নাইট ডিউটি ছেড়ে আমি যে আপনার সঙ্গে যাবো না তা জানেন বলেই এই অফারটা দিলেন।

    –তাহলে একদিন লাঞ্চের অফার রইল।

    –তাও নির্দিষ্ট করে বলতে পারলেন না।

    –আই অ্যাম সো সরি।

    –এবার আপনার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে পারলে ভালো হত।

    -ধন্যবাদ, শোনো, বছর পনেরো আগে মিঃ রবার্ট নামে এক ভদ্রলোক ট্রেন অ্যাক্সিডেন্টে মারা যায়। আমি জানতে চাই তোমাদের কাগজে সেই সম্বন্ধে কী বেরিয়েছে।

    –এক মিনিট। ইনডেক্স কার্ড থেকে নির্দিষ্ট কার্ডটা বার করে পোয়ারোকে দেয়।

    তাতে লেখা রয়েছে–কর্মরত অবস্থায় সিটি ব্যাঙ্কের অফিসার মিঃ রবার্ট চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করে। তবে এটা আত্মহত্যা কিনা তা নিয়ে পুলিশ সন্দেহ প্রকাশ করেছে আর তা নিয়ে খোঁজও চলছে।

    –এরপর কোনো রিপোর্ট বেরিয়েছে?

    লরেন্স রেফারেন্স কার্ডটা দেখে এসে জানায়, না। পুলিশ নিশ্চয় সন্দেহ করেনি। করলে…

    -আমারও তাই মনে হয়। তাহলে উঠি।

    –লাঞ্চটা? লরেন্স মিটি মিটি হাসে।

    –পরের বারের জন্য তোলা রইল।

    .

    ২৩.

    সিটি ব্যাঙ্কের অফিসার ছিল রবার্ট। এই ব্যাঙ্কের ম্যানেজারের সাথে পোয়ারার আলাপ নেই। তবে একজন এজেন্ট নাম ওয়েড বয়স পঁয়তাল্লিশ, বেশ ভারিকি ধরনের চেহারা তার সাথে পোয়ারোর আলাপ আছে। তারা একই স্কুলে পড়ত। ওয়েড তার ঘরে কাজে ব্যস্ত। মৃদু করাঘাতে পোয়ারো তার ঘরে প্রবেশ করে।

    -আরে পোয়ারো যে; কী ব্যাপার?

    –তোমাদের চাকরিটাই বেশ, তার সংসার ধর্ম করাই দেখছি ভালো।

    –সংসার করবে নাকি?

    –তেমন পাত্রী তোমার হাতে আছে নাকি?

    –আছে। সদ্য বিধবা প্রচুর সম্পত্তির মালিক।

    –তা তুমি একবার লড়ে যাবে নাকি?

    ইচ্ছা তো ছিল। বুড়িবউ আর ছেলে-মেয়েরা গলার কাছে অক্টোপাসের মতো আটকে আছে।

    –তা বুড়ি হল কীসে?

    –দশ বছরের পুরোনো বউ বুড়ি নয়?

    –ও, আচ্ছা ওয়েড, এখানে তোমার কত বছর চাকরি?

    –তা পনেরো-কুড়ি বছর হবে।

    –তুমি রবার্ট বলে কাউকে চেনো?

    –রবার্ট…হঠাৎ মনে পড়ে যায়।

    -হ্যাঁ, আমি তখন প্রথম জয়েন করেছি। শুনলাম আগের অফিসার, কাজে যাচ্ছিল সেই সময় চলন্ত ট্রেনের থেকে পড়ে মারা যায়। তা বন্ধু তোমার এ কৌতূহল কেন? নিশ্চয়ই এমনই এত বছরের পুরোনো ঘটনা তুমি জানতে চাইছ না?

    –একটু দরকার ছিল। আচ্ছা ওর সঙ্গে যারা কাজ করত তাদের নাম বলতে পারবে?

    দাঁড়াও ভাবতে হবে। আগে একটু কফি খাও দেখি। তারপর বলে-ম্যানেজার মিঃ উইলসন, মিঃ রবার্টের সহকর্মী।

    -তাহলে উঠি।

    –বাঃ। কাজের বেলা কাজী, কাজ ফুরোলেই পাজী?

    -বাঃ, সেই বিধবা পাত্রীটার সঙ্গে দেখা করতে হবে না? যাই মিঃ উইলসনের সঙ্গে একটু দেখা করে আসি। তার কাছে আমার আসল পরিচয়টা গোপন রাখাই ভালো।

    -তথাস্তু। কিন্তু বন্ধু কোনো কারণে আবার ফেঁসে যাবে না তো? তোমার ব্যাপারে আমার বড্ড ভয় হয়।

    -তুমি যে মহা ভীতু, চলি এবারে।

    একজন বেয়ারাকে জিজ্ঞাসা করে পোয়ারো মিঃ উইলসনের কামরায় টোকা মেরে দরজা ফাঁক করে বলল–ভেতরে আসতে পারি।

    উইলসন ইন্টারকমে কার সঙ্গে কথা বলছিল। তাই ইশারায় পোয়ারোকে বসতে বলে। তার বয়স পঞ্চাশের কাছে, ঝকঝকে চেহারা, বুদ্ধিদীপ্ত মুখ, মাঝারি গড়ন, পরনে নিখুঁত স্যুট।

    উইলসন ফোনটা নামিয়ে রাখতেই পোয়ারো বলল-আপনাকে একটু বিরক্ত করব। কথাটা কিন্তু ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নয়।

    -তাতে কী আছে? কারো ব্যক্তিগত প্রয়োজনও থাকতে পারে।

    -ধন্যবাদ, আচ্ছা মিঃ রবার্টের কথা মনে আছে? তারপর ম্যানেজার জানায় রবার্টকে কখনও ভোলা যায় না, সে তার অনেক উপকার করেছে আর দুজনে একই সঙ্গে অফিসার হয়েছে। তার কাছ থেকে রবার্টের বাড়ি কেনার শখের কথা জানা যায়। তার স্ত্রী বেঁচে থাকাকালীন কিছু টাকা তার কাছে ছিল বাকি টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তোলে বাড়ি কেনার জন্য। কিন্তু সেই টাকা কিছুদিন পর আবার ব্যাঙ্কে ফেলে দেয়। কয়েকদিন পর আবার সেই টাকা তোলে কিন্তু আর ব্যাঙ্কে রাখেনি। কার কাছে রেখেছে তা ম্যানেজার বলতে পারল না।

    –আচ্ছা, রবার্টের ব্যাপারে পুলিশি তদন্ত হয়?

    –হ্যাঁ।

    –আচ্ছা, সেদিন কী মিঃ রবার্টের কাছে টাকাকড়ি ছিল?

    –না।

    -আচ্ছা, এটা কী আত্মহত্যা হতে পারে।

    –তা হয়তো না, তবে স্ত্রী মারা যেতে ও ভীষণ আপসেট হয়ে পড়ে।

    –ও কী অন্য কোনো মেয়েকে ভালোবাসত?

    –ও ওর স্ত্রীকেই ভীষণ ভালোবাসত।

    –মিস জুলিয়েটের সঙ্গে ওর সম্পর্ক কেমন ছিল?

    –ভালোই। ওকে আমি রবার্টের মেয়েকে পড়ানোর জন্য দিই।

    –তবু একটু খুলে বলুন।

    –একজন ভদ্রমহিলার প্রতি যতটা সম্মান দেখানোর সে দেখাতে। স্ত্রী মারা যাবার পর তাকে এড়িয়ে চলত।

    –আচ্ছা, রবার্টের কোনো লইয়ার বন্ধু ছিল?

    –যতদূর জানি, না, এখানে অন্তত আসেনি। ওর একটাই কাছের বন্ধু ডিনসমেড এখানে এসেছে বহুবার।

    –টাকাটা কী অন্তরঙ্গ বন্ধুর কাছে রেখেছে?

    –না, রাখলে আমার পরামর্শ চাইত। আমি তাহলে না বলতাম। কার মনে কী আছে আগে থেকে বোঝা যায় না। আর টাকা? বউ মরে যাবার পর ও ভাবত যে ও কোনোদিন মরে যাবে।

    -ওর মেয়ের খবর কিছু জানেন?

    –শুনেছি জোন্স আর জুলিয়েটের কাছে মানুষ হচ্ছিল।

    –জোন্স মিঃ রবার্টের অ্যাপার্টমেন্ট বেচে মেয়ে নিয়ে উধাও হয়।

    –হ্যাঁ, খবরটা শুনে গিয়ে দেখি সত্যি।

    –আচ্ছা এমনও তো হতে পারে টাকাটা জোন্সের কাছে ছিল?

    হতেও পারে কারণ রবার্ট শেষের দিকে কিছুটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিল।

    –আচ্ছা, ওর মেয়ের নামটা মনে আছে?

    –না, আসলে যে যার প্রিয় নামে ওকে ডাকত।

    –আচ্ছা, সেই মেয়েকে আপনি নিশ্চয়ই দেখেছেন?

    –একবার না, বহুবার। স্ত্রী, মেয়ে নিয়ে ও বহুবার আমার বাড়ি গেছে।

    –মেয়েটির গায়ে কোনো চিহ্ন ছিল?

    –না।

    –আচ্ছা মিঃ রবার্ট মিস জুলিয়েটের কাছেও তো টাকা রাখতে পারে?

    জানি না, কিন্তু কার উপর ভিত্তি করে একথা বলছেন?

    –কারণ মিস জুলিয়েট যে একটা স্কুলে টেম্পোরারি কাজ করত আজ সে একটা কিণ্ডার গার্ডেনের মালিক।

    –হয়তো নিজের টাকা আবার লোনও তুলতে পারে।

    –ভাবছি মিস জুলিয়েটের প্রতি রবার্টের দুর্বলতা ছিল। কারণ ওর বয়সও তখন তরুণ। তাই…। ঠিক আছে মিঃ উইলসন, পরে দেখা হবে। বিরক্ত করার জন্য মাফ চাইছি।

    -আরে না না।

    .

    ২৪.

    বাড়িতে গিয়ে পোয়ারো এমিটকে ফোন করে। সে ফ্রি জেনে তাকে পোয়ারো তার ফ্ল্যাটে আসতে বলে। এমিট জানায় পনেরো মিনিটের মধ্যে সে পৌঁছোবে।

    বেলা সাড়ে এগারোটায় পোয়ারোর বৈঠকখানায় পোয়ারো আর এমিট পানীয় হাতে কথা বলছে।

    –মিঃ এমিট এখন আপনার একমাত্র কাজ জুলিয়েটকে ফলো করা।

    –ঠিক আছে।

    –তাকে অন্তত দিন তিনেক ওয়াচ করবেন। আর দেখবেন সে যেন আপনাকে সন্দেহ না করে। সে কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে কথা বলছে, স্কুলে থাকাকালীন কী করছে? কে দেখা করতে আসছে সমস্ত।

    –হুঁ। এমিট পানীয়ে চুমুক দেয়।

    -আর একটা কথা। পরবর্তী কাজের কথা জানিয়ে বলে–এসব কাজে গোপনীয়তা রেখে চলবেন। তাহলে ঐ কথাই রইল।

    –ঠিক আছে, এমিট বিদায় নেয়।

    বেলা একটায় এমিট সানরাইজ স্কুলে ঢোকে। এক মিসেস-এর সঙ্গে দেখা হলে তার কাছ থেকে জেনে নেয় জুলিয়েটের ঘর এবং তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে জুলিয়েটের ঘরে যায়। সেখানে জুলিয়েট এক ছাত্রীর মার সাথে কথা বলছিল। এমিট ভিতরে ঢুকলে, জুলিয়েট ছাত্রীর মার সঙ্গে কথা শেষ করে তাকে বিদায় দেয়।

    -বলুন।

    –আমি হেডমিস্ট্রেসের সঙ্গে দেখা করতে চাই।

    –আমিই।

    –নমস্কার।

    –নমস্কার।

    –আমি ইনকাম ট্যাক্স থেকে আসছি।

    –ও! জুলিয়েট একটু ভয় পেয়ে যায়।

    –আপনার স্কুল কতদিনের? এমিট যেন ভারিকি চালে বলে।

    –এই দশ পনেরো বছরের।

    –সে তো অনেক দিনের ব্যাপার। তা কোন ক্লাস পর্যন্ত পড়ানো হয়?

    –কিন্ডার গার্ডেন থেকে স্ট্যান্ডর্ড-টু পর্যন্ত আছে।

    –তাহলে তো মোটামুটি বড়োই স্কুল।

    –আরো কয়েকটা ঘর হলে ভালো হত।

    –হ্যাঁ ঢোকার মুখে একই ঘরে অনেক ছাত্র-ছাত্রী দেখলাম। তা আপনি কী এখানেই থাকেন?

    –হ্যাঁ। এরই সংলগ্ন বাড়িতে।

    অন্য মিস্ট্রেসরা।

    –অন্যত্র থাকে।

    –বাড়িটা তৈরি করা না কিনেছেন?

    –কিনেছি।

    –কত টাকা? তা কাগজপত্র আছে তো?

    –হ্যাঁ, লাখ টাকা দিয়ে।

    –টাকা কোথায় পেলেন?

    –আমার ছিল। একটু কফি আনতে বলি?

    –মাফ করবেন আমি ডিউটিতে এসে কিছু খাই না। আপনার কাছে টাকাটা কী করে ছিল?

    –আমি প্রথম জীবনে কয়েক বছর কাজ করেছি।

    –কোথায় কাজ করতেন?

    বেশ কয়েক বছর গভর্নের্স ছিলাম, তারপর স্কুলে কাজ করেছি আর আমার স্বামীও কিছু দিয়েছে।

    –আমরা খবর পেয়েছি আপনি মাস দুয়েক মিঃ রবার্টের বাড়িতে গভর্নেস ছিলেন, তারপর কয়েকটা স্কুলে টেম্পোরারি চাকরি করতে করতে মিঃ স্মিথকে বিয়ে করেন, তাই না?

    -হ্যাঁ, জড়তার সঙ্গে বলে।

    -মিঃ স্মিথ একটা সামান্য কারখানায় কাজ করতেন, তিনি দেখতে সুপুরুষ বলে আপনি তাকে বিয়ে করেন। কিন্তু সে বিয়ে সুখের হয়নি, শেষে বিচ্ছেদ হয়। পোয়ারোর শেখানো কথা এমিট গড়গড় করে বলতে থাকে।

    –হ্যাঁ বাকি টাকা ধার করেছি।

    –কোথা থেকে? ব্যাঙ্ক?

    –না, মানে…জুলিয়েট ইতস্তত করতে থাকে।

    –বলুন, চুপ করলেন কেন?

    –আমার এক বন্ধু দিয়েছে।

    বন্ধু? তার নাম ঠিকানা জানাবেন?

    –জানাতে অসুবিধা নেই, তবে সে আর বেঁচে নেই।

    –কত বছর আগে মারা গেছেন?

    -বেশ কয়েকবছর আগে। দয়া করে আমায় তার নাম জিজ্ঞাসা করবেন না। জুলিয়েটের গলা ভারী হয়।

    –আমি আপনার কথা বুঝতে পারছি। কিন্তু, কর্তব্যের খাতিরে নামটা আমায় জানতেই হবে।

    –মিঃ রবার্ট।

    –মিঃ রবার্ট। তা উনি কত টাকা দেন?

    –প্রায় হাজার ত্রিশ।

    –তার রিসিট নিশ্চয়ই আপনার কাছে আছে?

    হ্যাঁ, তবে লকারে আছে। জুলিয়েট নিরুপায় হয়ে মিথ্যে বলে।

    –ও! আর বাকি টাকাটা?

    –বললাম যে..

    .–আপনার রিটার্ন সাবমিট করেন?

    –না, লসে রান করছি। কী আর করবো?

    –লস? তা স্কুলের অবস্থা দেখে তো মনে হয় না।

    –উপর উপর ভালো। ভেতরটা ফাঁপা।

    –তবু আপনার কথাটা মানতে পারছি না। এতদিন রিটার্ন সাবমিট না করে অন্যায় করেছেন। এবার থেকে করবেন।

    -তার জন্য আমি লজ্জিত।

    –ও কথা বললে হবে না। তার জন্য আপনাকে কিছু পেনাল্টি দিতে হবে। খুব সহজে ছাড়া পাবেন না।

    -স্কুল লসে রান করছে, তা সত্ত্বেও?

    -সেটা প্রমাণ সাপেক্ষ। যখন ইনকাম ট্যাক্স কল করবে তখন সব কাগজপত্র নিয়ে অ্যাপিয়ার হবেন।

    -ঠিক আছে।

    উঠি।

    জুলিয়েট এমিটকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দেয় তারপর দারুণ অস্বস্তি বোধ করে।

    এমিট বাড়ি গিয়ে দ্রুত পোশাক পাল্টে নেয়। এখন তার পরনে ময়লা জামাকাপড়, গালে কাঁচা-পাকা দাড়ি, জুতোর ওপর একপ্রস্থ ধুলো মানে খুব পরিচিত মানুষও হট করে তাকে চিনতে পারবে না। এমিট আবার জুলিয়েটের স্কুলে অদূরে দাঁড়িয়ে সব লক্ষ্য করতে থাকে।

    .

    ২৫.

    -হ্যালো।

    –হ্যালো। আমি পোয়ারো বলছি।

    –স্যার, আমি উড বলছি।

    –তুমি কোথা থেকে আমায় ফোন করছ?

    স্থানীয় একটা টেলিফোন বুথ থেকে।

    –ঠিক আছে ওদের ফোন কখনও ব্যবহার করবে না। তা তোমায় কেউ সন্দেহ করছে না তো?

    –আদৌ নয় স্যার।

    –বল কী খবর?

    –স্যার, মিঃ ডিনসমেডকে কদিন বেশ গম্ভীর দেখছি।

    –কারণ কি? তোমার সঙ্গে কেমন ব্যবহার করছে?

    –মন্দ নয়। তবে মাঝেমধ্যে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন।

    –ক্ষিপ্ত? কেন?

    ব্যাবসা নাকি আরো খারাপের দিকে চলছে। ও আর ওর স্ত্রী সংসার সামলাতে নাজেহাল। আর একটা কথা লক্ষ্যণীয়–স্বামী-স্ত্রী যখন কথা বলে তখন সেখানে কেউ থাকে না। ছেলে-মেয়েও না।

    –আর ওদের কথার মধ্যে কেউ হাজির হলে?

    সঙ্গে সঙ্গে সজাগ হয়ে যায় আর প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলে অন্য কথা বলে।

    —তারা কী ধরনের আলোচনা করে শুনতে পেয়েছ?

    -না, আসলে ওরা তখন খুব চাপা স্বরে কথা বলে। নানাভাবে চেষ্টা করেছি আবার বেশি সাহসেও কুলোয় না, পাছে ধরা পড়ে যাই।

    –ঠিক বলেছ। খুব সাবধানে কাজ করতে হবে।

    –ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে অত্যন্ত মামুলি কথা বলে, যেন কথাগুলি আগে থেকেই স্থির করা।

    –জর্জের খরব কী?

    –জর্জ তো এখন আমার খেলার সাথী।

    –এখনও কী ল্যাববারেটরি নিয়ে মেতে থাকে?

    –না, আগের মতো না। এখন পড়ার পর বেশিরভাগ সময় আমার সাথেই কাটায়।

    –মেরী নিয়মিত কলেজ যাচ্ছে?

    –হ্যাঁ স্যার।

    –ওকে নিয়ে মিঃ ডিনসমেড কোথাও বেরিয়েছিলেন?

    -হ্যাঁ, একা ওকে নিয়েই গিয়েছিল। কথাচ্ছলে আমি মিস মেরীকে জিজ্ঞাসা করায় জানতে পারি ও বাবার সঙ্গে বাবার এক বন্ধুর বাড়ি গিয়েছিল।

    –আর মিস শার্লট কী এখনও পরচুলা পরেন?

    –প্রথম দেখেছি তবে এখন আর পরেন না।

    –কেন?

    –হয়তো প্রথমে ভেবেছে আমি কে দেখা দরকার তারপর নিশ্চিত হয়েই…

    –আচ্ছা সে নিয়মিত কলেজ যাচ্ছে?

    –হ্যাঁ, দুবোন একই সাথে যায়।

    –আর কোনো খবর আছে?

    –না স্যার, তবে মিস শার্লটকে কেমন নির্জীব দেখাচ্ছে।

    নির্জীব? কেন বলো তো?

    –ঠিক বুঝতে পারছি না।

    -ঠিক আছে তুমি ভালো করে ওয়াচ করে যাও। আর প্রয়োজন হলেই টেলিফোন করবে। আর ঝট করে বুথ থেকে বেরিয়ে দেখো তো কেউ তোমায় ফলো করছে কি না।

    –দেখছি স্যার।

    এমিট রিসিভার নামিয়ে হট করে বাইরে বেরিয়ে দেখে কেউ নেই। রিসিভার তুলে জানায়–না স্যার, কেউ নেই। সব ঠিক আছে।

    -তাহলে ঐ কথাই রইল।

    –আচ্ছা স্যার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }