Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2514 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২১. অ্যান মারিসো

    ২১.

     অ্যান মারিসো

    পরদিন সকালে মিঃ ফার্নে পোয়ারোর ঘর খুঁজে প্রাণোচ্ছলভাবে জানালেন যে, লন্ডনে থাকতে খুঁজে পাওয়ার তার বক্তব্যের শেষ পর্যন্ত বুঝতে পেরেছে। তিনি প্রথমে অসম্ভব মনে করলেন তার বাঁকানলের সম্পর্কে একটা যে সূত্র খুঁজে পেয়েছেন।

    তিনি বলতে চান খুনী ফেলে দিতে চায়নি কারণ সে চেয়েছিল বাঁকানলটা আমাদের চোখে পড়ুক। চমৎকার, পোয়ারো বললেন, ফার্নে বললেন যে বিষাক্ত তীর ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু বাঁকানল ব্যবহার করা হয়নি। খুনী এমন কিছু ব্যবহার করেছেন যেটা মানুষ মুখে ঢোকায়। এখানে দুটো জিনিসের ওপর তার সন্দেহ। একটা লেডি হরবেরিলর সিগারেট হোল্ডার দুজনে যে টেবিলের ওপর কতকগুলো কুরদিপ নল ছিল।

    মঁসিয়ে ফার্নে বললেন যে, তিনি দুটো জিনিসই কারো সন্দেহ না জাগালে বেঁধে রাখা যায়। পোয়ারো তাকে ঠিক পথে এগোচ্ছেন বললেন। ভীমরুলের কথা বলতে বললেন। ফার্নে হাকরে বললেন যে, এতো ভীমরুল কোথা থেকে আসছে তা বুঝতে পারছেন না।

    হঠাৎ টেলিফোন বেজে উঠল, বললো যে তাকে জানানো হল ওখানে ফার্নে আছে। ফার্নে থিকের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলেন মাদাম গিজেলের মেয়ে তার উত্তরাধিকার দাবী করতে সেখানে এসেছে। উনি বোধ হয় আমেরিকা থেকে এসেছেন। থিকের কথা মঁসিয়ে পোয়ারোকে জানালেন। তিনি তাকে সাড়ে এগারোটায় আবার আসতে বলেছেন। তিনি বলছেন, আমরা তার কাছে যাব। তাই পোয়ারো যাবার আগে মিস গ্রেকে চিঠি লিখে রেখে যেতে চান। তিনি লিখলেন জরুরী কারণে আমাকে বাইরে যেতে হচ্ছে। যদি জ্যা জ্যাপ কোনো কারণে দেখা করতে আসে একটু দেখবেন। বোম আর মোজার কথা বললেন, কিন্তু প্রাগৈতিহাসিক মৃৎশিল্প সম্পর্কে এখনও কোনো কথা বলবেন না। তিনি আপনার প্রশংসা করেন কিন্তু খুব বুদ্ধিমান তিনি।

    পোয়ারো এবার উঠে সেই মেয়েটির সঙ্গে দেখা করতে চান। তিনি বললেন যে খুব শীঘ্রই তিনি সবকিছু বুঝতে পারবেন।

    থিকো পোয়ারো ও ফার্নেকে আনন্দে অভিনন্দন জানালেন। থিকো বললেন, গতকাল একটা চিঠি পেয়েছি আজ সকালে ভদ্রমহিলা এসে হাজির, তার বয়স ২৪ বছর। নাম মিসেস রিচার্ডস। কারণ তিনি বিবাহিতা ভদ্রমহিলা তার পরিচয় প্রমাণ করার জন্য আর একটা বিবাহ চুক্তি অনুলিপি লেখা ছিল। জর্জ লেম্যান (অবিবাহিতা) আর মেরি মারসো দুজনেই কুইবেকের বাসিন্দা, তাদের মধ্যে বিবাহ চুক্তি। তারিখ ১৯১০ সালের মাথা তাদের মেয়ে অ্যান মারিসো লেম্যানের লেখা জন্মবৃত্তান্ত লেখা প্রমাণ পত্র এবং আরও নানারকম কাগজপত্র রয়েছে। ফার্নে বললেন যে এটা মাদাম গিজেলের প্রথম জীবনের উপর কিছুটা আলোকপাত করেছে।

    থিকো বললেন যে, এর থেকে তিনি যা আন্দাজ করেছেন, মেরি মারিসোর সঙ্গে লেম্যান লোকটির সঙ্গে পরিচয় হয় এবং তার বিবাহের পর দুশ্চরিত্র লোকটি তার স্ত্রীকে ফেলে পালায়। তিনি তখন কুমারী অবস্থায় নাম ব্যবহার করেন। কুইবেকের ইনস্টিটিউট এই শিশুটিকে পালন করে। মিসেস লেম্যান একটি লোকের সঙ্গে ফ্রান্সে চলে আসেন। তিনি শিশুটির জন্য প্রতি মাসে পঞ্চাশ টাকা পাঠাতেন এবং শেষকালে তিনি একটি মোটা অঙ্কের টাকা পাঠান। সেটা শিশুর ২১ বছর পূর্ণ হলে তাকে দেওয়া হবে। মেয়েটিকে জানানোর জন্য তারা বিভিন্ন কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। মনে হয় এর কোনো একটা ইনিস্টিটিউট দ্যা মেরী অধ্যক্ষার চোখে পড়ে। তিনিই মিসেস রিচার্ডসকে জানান। এই রিচার্ডস হলেন ডেট্রয়েট থেকে আসা একজন আমেরিকান যার যন্ত্রপাতি তৈরি করা পেশা। তিনি প্রখ্যাত ও আমেরিকাতে আছেন। মিসেস রিচার্ডস তার মায়ের মৃত্যুর সম্পর্কে কিছু বলতে পারবেন না। কারণ তার মায়ের কুমারী জীবনের নাম তিনি জানেন না।

    ফার্নে এই ভদ্রমহিলার আসাতেই তদন্ত সম্পর্কে কিছু আশাবাদী নন। তিনি তার সন্দেহের তালিকায় তিনজনকে রেখেছেন। সেখানে পোয়ারো চারজনকে রেখেছেন।

    তাদের দুজনের কথাবলার মাঝে তারা খবর পেলেন মাদাম গিজেলের কন্যা এসেছেন, তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হল তাদের। গিজেলের গায়ের রঙ কালো হলেও তিনিও খুব সুন্দরী যুবতী। তিনি জানালেন যে, এ ব্যাপারে তার অনুমান ঠিক। মেয়ের শর্তময় কারণ তিনি নিজেকে অনাথ বলে মনে করেন। কারণ গিজেল তাকে করুণা করছেন বলে তার বিশ্বাস। তিনি বলেন যে তিনি আঠারো বছর বয়সে ইনস্টিটিউট ছেড়ে যান। তিনি নানা পেশায় ছিলেন। তার সঙ্গে স্বামীর প্রথম পরিচয় লাইনে। তাকে কানাডা যেতে হওয়ায় তিনি সেখানে যান। তিনি এখন সেখানেই যাচ্ছেন। তার ফরাসি উচ্চারণ বেশ সাবলীল, তাকে ইংরেজ না ভেবে ফরাসি বলে মনে হয়। তিনি কাগজে পড়েছিলেন কিন্তু জানতেন এটা তার মার মৃত্যু সংবাদ, মাদাম এঞ্জোলা তাকে বলেন এবং এরপর তিনি ফিকোর ঠিকানা জেনেছেন।

    ফানে চিন্তিতভাবে মাথা নাড়লেন, একটা কারণ হলো যে মিসেস রিচার্ডস এতে খুব সাহায্য করতে পারবেন না। পোয়ারো একে নকল ভাবছেন না। তবে তার অন্য কারোর মুখ মনে পড়ছে। ফার্নে কৌতূহলী হয়ে তাকালেন। ফার্নের মতে পোয়রো হারানোনা মেয়েটিকে নিয়ে চিন্তা করছেন বলে তার একথা মনে হচ্ছে। পোয়ারো মনে করেন যে মাদাম মারা যেতে যার সবথেকে লাভ হবে তিনি ওই মেয়ে। এ ব্যাপারে সবথেকে বেশি জড়িত যদি এই মেয়েটি হয় তাহলে সন্দেহ কোথায়? ওই প্লেনে তিনজন মহিলা ছিলেন। তাদের একজন সুপরিচিত, কিন্তু আর দুজন মাদামের সহকারিণী যখন বলেছেন যে মাদামের স্বামী তখন তিনি নিশ্চিত যে বাকি দুজনের মধ্যে একজন তার কন্যা, মিস হরবেরিল একটু সন্দেহজনক ও মিস জেনকে বলেছেন যে তিনি অনাথ আশ্রমে মানুষ হয়েছেন। পোয়ারোর কথায় সহমত হলেন না ফানে, তবে পোয়ারোর মতে তিনি সহজ কল্পনার মধ্যে এগোচ্ছেন।

    ফার্নে পোয়ারোর ডেস্কে একটা মিনিট পড়ে থাকতে দেখে বলেন যে তিনি লেডি হরবেরিল, ট্যুপের কুরলিশনল, ব্রায়ানের বাঁশি লক্ষ করেছেন তবে তার ব্রায়ানকে সন্দেহ হয় না। অভ্যর্থনা ডেস্কের দিকে চোখ পড়তেই দেখা গেল সেখানে ডাঃ ব্রায়ানের মুখটা।

    ডাক্তার মিস্টার পোয়ারোর সঙ্গে কথা বলছিলেন। তিনি তাকে জানালেন তার কোনো রোগী নেই। তিনি অসম্ভব শান্ত সংযত ভঙ্গিতে কথা বলছিলেন। তিনি পদত্যাগ করেছেন কারণ তার নাম কাটা যাওয়ার আগেই তার পেশা তাকে প্রচুর আনন্দ দিলেও তিনি নিজেই সেই পদ ছেড়ে দিয়েছেন। পোয়ারোকে ডাক্তার জানালেন তিনি তার এক রোগিণীকে বিবাহ করছেন যাকে তার স্বামী খুব দুঃখ দিয়েছেন। তারা বিয়ের পর ফিনিয়োত যেতে চান। তার বাঁশি হল তার বন্ধু যখন তিনি একা থাকেন। পোয়ারো তার জীবনের সৌভাগ্য কামনা করলেন।

    পোয়ারো কুইবেকে একটা ট্রাঙ্কল করেছিলেন।

    .

    ২২.

     একটা ভালো নখ

    ফার্নে বললেন যে, তিনি কি এবার উত্তরাধিকারী মেয়েটার পেছনে ঘুরবেন। পোয়ারো বললেন তা নয়। তিনি নিয়মে চলতে চান। পরের কাজে হাত দেওয়ার আগে তাকে আগের কাজ শেষ করতে হবে। জেন ও ফার্নেকে যেতে অনুরোধ করে তিনি অন্যত্র গেলেন।

    ফার্নে জেনকে অ্যান রিচার্ডস সম্পর্কে জানালেন। সবই বলা হয়ে গেছে এমন সময় পোয়ারো এসে বললেন তিনি মাদাম অ্যার্তোলিকের সঙ্গে কথা বলছিলেন। তিনি বলেছেন যে মাদামের মেয়ে ইনস্টিটিউট জ্যা মেরিতে মানুষ হয়েছে, তার মা এক মদ্য ব্যবসায়ীর সঙ্গে কুইবেক ত্যাগ করেন। মেয়ের উপর যাতে ঐ প্রভাব না পড়ে সেইজন্য ওই সময়ে তিনি চলে যান। তিনি টাকা নিয়মমাফিক পাঠালেও মেয়ের সঙ্গে দেখা করেননি। অ্যান মরিমে ইনস্টিটিউট ছেড়ে নখ পালিশের কাজ নেন। মাদাম অ্যাঞ্জেলি তিনি খুব বেশি চিঠিপত্র লিখতেন না। মাদাম দুবার নিজে খবর নিতেন। মাদাম বিচারবিভাগীয় তদন্তের কথা পড়ে ভেবেছিলেন এই মেরি মারিসোই খুব সম্ভবতঃ কুইবেকের মেরি মারসো।

    মাদাম গিজেলের স্বামী নামক ইতর লোকটি জর্জ লেম্যান বিশ্বযুদ্ধের গোড়ার দিকে চিহ্নিত হয়। হঠাৎ জেনের একটা নখ ভেঙ্গে যেতে তিনি বলেন যে ওটা ঘষে নিতে হবে। পোয়ারো বললেন তার মনে পড়ে গেছে অ্যান মারিসের মুখটা, এত চেনা মনে হয়েছিল। কারণ লেডি হরবেরিলর তার সহচারিণীকে একটা উকো আনতে বলেছিলেন। অ্যান মারিসোই তার নাম ছিলো।

    .

    ২৩.

     আমার ভয় করছে

    হঠাৎ এই ঘটনা আবিষ্কারে অ্যান মারিসো ঘটনাস্থল থেকে বহু দূরে ছিলো না বরং একেবারে ঘটনাস্থলে হাজির হলো।

    জেনও মনে করতে পারলেন যে তার নাম ছিল ম্যাডেলিন যাকে প্লেনের কামরায় পেছনের দিক থেকে একটা লাল সাজের বাক্স আনতে বলেছেন। ফার্নে বললেন তার মা যেখানে বসেছিলো ঠিক তার পাশ দিয়েই গিয়েছিলো। ফার্নে বললো যে খুনের উদ্দেশ্য এবং সুযোগ সবকিছু থাকা সত্ত্বেও কেন মেয়েটিকে সন্দেহ করা হয়নি। চাকর দুটো, অন্য যাত্রীরা সেটা লক্ষ্য করেননি, প্লেনটা সবে ছেড়েছে, তার প্রায় ঘণ্টাখানেক পরেও গিজেল বেঁচেছিলেন।

    ফার্নে বললেন যে, বিষের প্রতিক্রিয়া পরে হতে পারে। এটা হতে পারে যে মিঃর পোয়ারো স্বীকার করেন বিষের প্রতিক্রিয়া দেরিতে হওয়া অসাধারণ ব্যাপার। এর বৈশিষ্ট্যগুলো বোঝ দরকার। ফার্নে বললেন, আমাদের ভবিষ্যত কর্মপন্থা নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। তার মনে হয় এ মুহূর্তে অ্যান মারিসোকে সন্দেহ জাগানো ঠিক হবে না। তিনি যে তাকে চিনতে পেরেছেন এ কথা সে একেবারেই জানে না। তার সমস্ত কথাই সত্যি বলে মেনে নিয়েছি। দুটা জিনিস তার কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে, সুযোগ এবং উদ্দেশ্য। আমাদের আরও একটা জিনিস প্রমাণ করতে হবে। অ্যান মারিসোর কাছে সত্যি কোনো সাপের বিষ ছিল কিনা। এরপর অবশ্য সেই আমেরিকান লোকটির ব্যাপার আছে যে বাঁকানল কিনেছিলো এর স্থলে পেরো ঘুষ দিয়েছিলো। এ নিশ্চয়ই তার স্বামী রিচার্ডস, যে কামরায় থাকে।

    পোয়ারো খানিক চিন্তা করে বললেন যে অ্যান মারিসো হয় অপরাধী নয় একেবারে অজ্ঞ। যদি অজ্ঞই হন তাহলে মিথ্যা কেন বললেন, তিনি হরবেরিলর পরিচারিকা তা কেন গোপন করলেন। পোয়ারো বললেন, কেন যে তার অপরাধ তার মিথ্যের সঙ্গে খাপ খায় না। এতে ভিত্তি পাওয়া যাচ্ছে বটে। যদি ভিত্তি সত্যি হয় তাহলে অ্যান মারিসোর আদৌ ওই প্লেনে থাকার কথা নয়। একটা সহজ সমাধান হয় যে পরে যখন আবার জট পাকিয়ে গেল তখন ফানে আবার রেগে গেলেন। জেন ভাবলো যে, উনি কি বোঝাতে চাইছেন তার মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারছি না। পোয়ারো এবার একটা টেলিফোন করলেন এখানে, স্কোয়ার্ডে লেডি হরবেরিলর বাড়িতে।

    তিনি লেডি হরবেরিলকে একটা প্রশ্ন করতে চান তবে তা অ্যান মারিসো সম্পর্কে নয়। তিনি যখন লেডি হরবেরিলকে ফোনে জিজ্ঞাসা করলেন যে তিনি যখন কোথাও যান তার পরিচারিকা কি তার সঙ্গে প্লেনে যায় না ট্রেনে যায়। মাদাম জানালেন তার পরিচারিকা সাধারণত ট্রেনে বা জাহাজে যান। গিজেলের খুন হওয়ার দিন লেডি হরবেরিল একেবারে শেষ মুহূর্তে ঠিক করেন যে ম্যাডেলিন তার সঙ্গে প্লেনেই চলুক। কিন্তু সে ট্রেনে যায় এবং সে এখন কাজ ছেড়ে চলে গেছে।

    লেডি মাদামের সব কথা শুনতে পেরে পোয়ারোর সব কথা জেনে ফার্নের সঙ্গে কোনো দেরি না করে অ্যান মারিসোর হোটেলের দিকে যেতে থাকে। এইজন্য ফার্নে অবাক হয়ে উঠতে তিনি বললেন তার ধারণা যদি ঠিক হয় তাহলে অ্যান মারিলো ভয়ানক বিপদের সম্মুখীন, পোয়ারো এ ব্যাপারে ভীত। তার ট্যাক্সিটা প্রায় ঘন্টায় ৪০ মাইল বেগে চলেছে। ফার্নে দুর্ঘটনার ভয় করলে এবং সেক্রেটারিকে কিছু না জানিয়ে আমার জন্য অভদ্রতা ভাবলেন কিন্তু পোয়ারো জীবন মরণের প্রশ্নে ভদ্রতা অভদ্রতার ধার ধারেন না।

    অ্যান মারিসো হোটেলে তাড়াতাড়ি যেতে গিয়ে একজনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। তিনি হলেন অভিনেতা রেমন্ড ব্যায়াকেল। ফার্নে পোয়ারো এই হটকারী সিদ্ধান্তে খুশী নয়। পোয়ারো তাকে এ ব্যাপারে অভয় দিলেন। তিনি বললেন, যে মাদাম রিচার্ডস এখানে আছে কিনা তা খোঁজ নিতে হবে। তাহলে বোঝা যাবে তার কোনো ক্ষতি হয়নি। তখন তারা পরবর্তী কর্মপন্থা স্থির করবেন। হোটেলে তারা জানতে পারলেন যে, মাদাম বেশ কিছুক্ষণ আগে (৩০ মিনিট) চলে গেছেন। ঠিকানা কিছু রেখে যাননি। তিনি আগে বলেছিলেন যে, সপ্তাহখানেক থাকবেন কিন্তু পরিকল্পনার বদলের জন্য তিনি চলে গেছেন।

    আরো প্রশ্ন করা হল কুলী, লিফ্ট চালকদের। দারোয়ানের বক্তব্য অনুসারে জানা গেল এক ভদ্রলোক মহিলার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন, তিনি ছিলেন না। তারপর যখন তাদের দেখা হয় তারা একসঙ্গে খেয়ে একটা ট্যাক্সিতে তার মালপত্র তুলে দিতে বলেন। দারোয়ান বলেন যে ভদ্রমহিলা একাই উত্তর দিকের স্টেশনে গেছেন।

    ফার্নে আন্দাজ করলেন বেলা দুটোর গাড়িতে ইংল্যান্ডে যাচ্ছেন। এটা ধাপ্পাবাজি হতে পারে। তিনি তার আগে বুলেন স্টেশনে ফোন করতে চান।

    বিকাল ৫টা হোটেল লাউঞ্জে জেন বই পড়ছিলেন। পোয়ারো এসে দাঁড়ালেন। বুলেন স্টেশনে একজন মহিলাকে প্রথম শ্রেণির কামরায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে, তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন। তিনি অ্যান মারিসো। পুলিশ আত্মহত্যা মনে করে ও পোয়ারো তাই মনে করেন। তার মনে হয় বাঁচার জন্য সাহস পাননি বোধহয় তিনি। তিনি কেন আত্মহত্যা করলেন? কয়েকটি কাজ দিয়ে প্যারিসে ছেড়ে চলে গেলেন। জেন দুবার জা জ্যাপের সঙ্গে দেখা করেছে এবং জেন যে তার সঙ্গে প্যারিসে যাচ্ছে তা বলতে জেন তা এড়িয়ে গেছে। পাঁচদিন পর টেলিগ্রাম করে তাকে ইংল্যান্ড ফিরিয়ে আনা হল। নরম্যান গেল ভিক্টোরিয়া বিমানবন্দরে তার সঙ্গে দেখা করলেন।

    নরম্যান বেশ ভীত। কাগজে মিসেস রিচার্ডস-এর মৃত্যুর সংবাদ ছাপানো হয়েছিল। তবে তার সঙ্গে খুনের কোনো সম্পর্ক ছিল না। নরম্যানের মনে হয় খুনের ব্যাপারে মেয়েকে সন্দেহ করতে পারা যায় এক্ষেত্রে ব্যাপারটা যদি সাধারণ মানুষের মধ্যে ঠিকভাবে তুলে ধরা না হয় তাহলে তাদের মতো নির্দোষ লোকদের কি হবে তা অচিন্ত্যনীয়।

    পোয়ারো, মিঃ ক্ল্যান্সি, জ্যাপ সকলকে ডিনারে নিমন্ত্রণ করা হলো। পোয়ারো নানা গল্প করছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে তিনি ঠিকভাবে এগোচ্ছেন। পোয়ারো বললেন তার কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে, বলতে গিয়ে গোড়ার কথায় নিয়ে যেতে চান। তিনি বললেন যে প্রমিউথিস বিমানে প্যারিস থেকে ক্রয়ডন যাবার দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় ফিরে যাচ্ছেন। তিনি ক্রয়ডন পৌঁছাবার আগেই যখন মাদাম খুন হয় তখন অপরাধ, মৃত্যু সম্পর্কে তার কেমন সন্দেহ হয়। এ বোধহয়। তার বলার জন্য, এই গুণ দুভাগে বিভক্ত। যেখানে মৃত্যুর ব্যাপারে করণীয় আছে। যেখানে মৃত্যুর ব্যাপারে করণীয় নেই, যদিও শেষের ব্যাপারটা খুব কম ঘটে। তবু তিনি দেখছেন মৃত্যুর গন্ধ তিনি পান। ডাঃ ব্রায়ান পরিচারকের কথা মেনে নিয়ে নিজে পরীক্ষা করে মৃত বললেন কিন্তু তখন জাপ বলছিলেন যে ভদ্রমহিলা ভীমরুমেলর কামড়ে মারা গেছেন। প্রমাণ হিসাবে তিনি ভীমরুল দেখিয়েছিলেন। প্লেনের মধ্যে ভীমরুল থাকা সত্ত্বেও ভদ্রমহিলার গলায় যে দাগটা ছিল তার সঙ্গে এই যুক্তি একেবারেই ঠিক যে তিনি ভীমরুলের কামড়ে মারা যান। আসলে ওটা একটা কাটা যা আদিবাসীরা ব্যবহার করে যাতে হলুদ কালো ফেসো জড়ানো থাকে।

    মিঃ ক্ল্যান্সি এরপর কাটা সম্পর্কে তার জ্ঞান জানান। পোয়ারো এরপর বলেন যে, তিনি খুব অবাক হয়েছিলেন খুনীর দুঃসাহস দেখে। তাকে আরো দুটো জিনিস উৎসুক করেছিল। একটা ভীমরুল থাকার সুবিধা দুই বাঁকানল খুঁজে পাওয়া। শুধুমাত্র কাঁটাটা থাকলে সেটা খুঁজে বার করা অসুবিধে হত। কিন্তু দোকানের লেবেলের কিছু অংশ সমেত বাঁকানল থাকা এটা অন্য ব্যাপার। এতে বোঝা যায় খুনী চেয়েছিল বাঁকানল নজরে পড়ুক। কিন্তু কারণ হচ্ছে যদি একটা বিষাক্ত তীর একটা বাঁকানল একসঙ্গে পাওয়া যায় তাহলে স্বভাবতই এই ধারণা হয় বাঁকানল থেকে তীর ছুটে গিয়ে খুন হয়েছে সুতরাং আসলে ওইভাবে খুন করা হয়েছিল। এটা পরিষ্কার, বিষাক্ত তীর যখন মৃত্যুর কারণ সেটা গলায় লাগানোর বিশ্বস্ত উপায় হল হাত দিয়ে ফোঁটানো। তাই তিনি সবদিক বিচার করে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন মাদাম গিজেলের পাশে দাঁড়িয়ে কেউ একাজ করেছে। প্রথমেই সন্দেহ যায় দুজন পরিচারকের উপর। তাছাড়া মিঃ ক্ল্যান্সি বলে গিয়েছিলেন। আর তার যতদূর মনে হয় মিঃ ক্ল্যান্সি প্রথমে বাঁকানলের কথা বলেন। মিঃ ক্ল্যান্সি ভয় পেলেন ও প্রতিবাদ করতে যাওয়ায় পোয়ারো বলেন তার কথা এখনো শেষ হয়নি। পোয়ারো আবার বললেন, যে তিনজন সন্দেহভাজন মিবেল্য, ডেভিস ও ক্ল্যান্সি, কিন্তু তারা যে খুশী নন তা প্রমাণের জন্য তিনি ভীমরুল নিয়ে পড়লেন। তার মনে হয় কফি দেওয়ার আগে কেউ ওটাকে লক্ষ্য করেনি এটা কেমন অস্বাভাবিক! খুনী বোঝাতে চেয়েছে মাদাম গিজেল হার্টফেল করে মারা গেছেন। এটা প্রমাণ করার সাফল্য নির্ভর করবে। খুনী যদি ওই কথাটাকে ভীমরুলের মতো দেখতে কার এবং তাই করা হয়েছিল তা সন্দেহাতীত, তাহলে বোঝা যাচ্ছে খুনী মাদাম গিজেলের টেবিলের কাছে গিয়েছিলো, কাঁটাটা ফুটিয়ে দিয়েছিলো এবং সত্যিকারের ভীমরুল ছেড়ে দিয়েছিলো। এবং বিষের প্রভাবে ভদ্রমহিলার মৃত্যু সন্দেহ হয়। গিজেলের চিৎকার প্লেনের আওয়াজে শোনা যায়নি। ভীমরুল ভো ভো করায় মনে হয়েছে ভীমরুলের কামড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। এটাকে তিনি পরিকল্পনা বলে এটা বলেন যে খুনী বাঁকানলটা সরিয়ে দিতে চায়নি। কিন্তু কাটা সকলের চোখে পড়তে তার পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। এক্ষেত্রে তার তত্ত্ব অনুযায়ী তিনজন সন্দেহভাজন ভাবে, চতুর্থ আর যোজনকে ধরা যায় তিনি সঁসিয়ে জা দুপ তিনি ভীমরুলের কামড়ে মৃত্যুর তত্ত্ব খাড়া করেছেন। তিনি সন্দেহভাজন করেছেন কারণ তিনি মাদামের সামনে বলেছিলেন এবং তার খুন করার এত সাহস হবে না। তিনি ভীমরুলের সমস্যা নিয়ে লেগে পড়লেন। খুনী প্লেনে ভীমরুল নিয়ে এসে থাকে এবং বিশেষ মুহূর্তে সেটা ছেড়ে দেয় তাহলে তার কাছে এমন কোনো বাক্স ছিলো, যাতে সে এটা রেখেছিল। তাই সবার সঙ্গের জিনিসগুলো দেখার এত উৎসাহ।

    তিনি বললেন এ বিষয়ে যখন সন্দেহ করেন তখন নরম্যান গেল-এর পকেটে ব্রায়ান এন্ড মে কোম্পানির একটা ভাগ ছিল ও তার একটা কেসে একটা জিনিস পেয়েছে। নরম্যান হতভম্ব হলেন।

    পোয়ারো বললেন, ওই কথা ছেড়ে তিনি অন্য চারকে সন্দেহ করেন। দুজন পরিচারক, ক্ল্যান্সি, গেল; তিনি বলেছেন খুনের উদ্দেশ্য ছিল। এবিষয়ে একমাত্র সেই মেয়েটিই খুনী হতে পারে যে তার মায়ের সম্পত্তির অধিকারিণী হতে পারত, প্রমিউস বিমানের মধ্যে একজন ছিলেন যিনি গিজেলের সঙ্গে মেলামেশা করতেন, তিনি হলেন লেডি হরবেরিল। লেডি হরবেরিলর ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যটি পরিষ্কার। তিনি আগের দিন গিজেলের সঙ্গে দেখা করে ও তার বন্ধু অভিনেতা ব্যারাক্রে অ্যামেরিকান সেজে বাঁকানল কেনেন। সেই হয়তো গিজেলকে বেলা বারোটায় প্লেনে ব্যবস্থা করার জন্য এয়ারলাইন্সে পাঠাবার জন্য ঘুষ দিয়েছিলেন।

    আসলে ঘটনাটা ছিল অন্য। পোয়ারো নরম্যান গিজেলকেই খুনী বলে মনে করেছেন। কারণ সবসময়েই তিনি গিজেলের কন্যা বা উত্তরাধিকারিণীর কথা ভেবেছেন। প্রথমে তিনি মিস জেনকে তার উত্তরাধিকারিণী বলে মানলেন। পরে তিনি তার নাম জেনে তাকে সন্দেহের তালিকা থেকে বাদ দেন। মিসেস গিজেলের মৃত্যুতে মিঃ গেলের সবথেকে ক্ষতি হয় কারণ এটা তিনি লেখা দেখিয়ে বলেছেন। তা হতে পারে কেননা পোয়ারো বলতে চান যে নিজের মধ্যে সবার প্রবণতা তাকে নিজেকে জাহির করা। তিনি নরম্যান গেলের সন্দেহভাজন যাতে না হন তাকে তিনি বিচারের কাজে নেন। এজন্য তাকে মিসেস হরবেরিলর বাড়িতে পাঠানোর জন্য ছদ্মবেশ নিতে বলেন। গেল প্রথমে এমন করে সেজে এসেছিলেন তা অবাস্তব, তাই এরপর যখন ভালো করে সাজে, লেডি চিনতে পারেননি। এই সময় পোয়ারো মাদাম জেনকে গেলের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য তাকে তার সেক্রেটারি নিযুক্ত করেন। প্লেনের সেই মেয়েটি যখন উত্তরাধিকারিণী হিসেবে এলো তখন তিনি চিনতে পারলেন এবং এটা সঠিক কিনা তা মাদাম হরবেরিলর ফার্নের মাধ্যমেই তিনি প্রমাণ পেলেন। তিনি বুঝলেন মেয়েটি তার কাছে সব মিথ্যে বলেছিল।

    মেয়েটি যদি দোষী হয় তাহলে তার সহকারী কে এটা ভাবতে শুরু করে। নরম্যান অধৈর্য হয়ে বলেন যে তাহলে কখন তিনি সন্দেহ ত্যাগ করেন যে তিনি খুনী। পোয়ারো তিনিই যে খুনী সেটা জানিয়ে বলেন যে তিনি যে তার বাঁচার জন্য এই পেশায় এসেছেন এটা ঠিক, কিন্তু সেটা তার ব্যাবসায় নামেন তার পদবীটাই গ্রহণ করেন। তার আসল পদবী হল লিওস। গত শীতকালে নাইসে অ্যান মারিসের সঙ্গে দেখা হয়। তার মনে অ্যানের কথা শুনে লোভ জাগে। তিনি জানতে পারেন মাদাম গিজেলের সঙ্গে হরবেরিলর একটা যোগাযোগ আছে। এই খুনের পরিকল্পনা গেল এমনভাবে করলেন যাতে হরবেরিল ওপরের পক্ষে তার পরিকল্পনা সব ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু অ্যান মারিস যখন প্লেনে গেলেন তখন একটু গোলমাল হয়ে যায়। তখন তার পরিকল্পনা একটু জট পাকিয়ে গেল। তার মূল পরিকল্পনা ছিল অ্যান মারিসো যেহেতু তার উত্তরাধিকার দাবী করবে সুতরাং তার অজুহাতটা একেবারে পাকাঁপোক্ত হওয়া চাই। সে যখন ট্রেনে বা জাহাজে রয়েছে তখন খুনের সময় তার প্লেনে থাকার প্রশ্ন ওঠে না। সুতরাং অজুহাত পাকা এবং এরপরেই আপনি তাকে বিয়ে করলেন এবং শেষ পর্যন্ত তা আর হলো না। তিনি একটা ভুল করলেন। তিনি টাকা এবং ভালোবাসার পাত্রী দুটোকেই পেতে চাইলেন। তাই তিনি অ্যান মারিসোকে এই বলে ভয় দেখালেন সে যদি নিজের পরিচয় দিয়ে দাবী নিয়ে যায় তাহলে পুলিশ তাকে খুনী বলে সন্দেহ করবে। সুতরাং তাকে বুঝিয়ে রটারডামে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করলেন।

    অ্যান মারিসো সেদিন প্যারিসে গিয়ে তার উত্তরাধিকার দাবী করবে বলে আপনি দিন ধার্য করে দিয়েছিলেন, সেটা আমার প্যারিসে যাওয়ার দিনের সঙ্গে আকস্মিক ভাবেই মিলে গেল। মিস গেল সঙ্গে গেছিল, এটা তার পরিকল্পনার সঙ্গে খাপ খেললো না। তিনি মাদামের সঙ্গে দেখা করতে চান কিন্তু তিনি সফল হননি। উনি দেখলেন যে অ্যান উকিলের সঙ্গে দেখা করে আবার পোয়ারোর সঙ্গে দেখা করেছে তখন তিনি খুব ভয় পেলেন। তার ইচ্ছে ছিল স্ত্রীর সম্পত্তি হস্তগত করা তাই বিয়ের পর দুজনের নামে উইল করা হল। এরপর তার কানাডা যাবার কথা ছিল এবং তার কিছুদিন পর ইংল্যান্ডে ফিরে যাবার কথা ছিল।

    নরম্যান গেল এসব গাঁজাখুরি সম্পর্কে পাত্তা দিতে চাইলেন না। তখন পোয়ারো বললেন যে তার হাতে প্রমাণ আছে যে টাকা তিনি গিজেলের আমলের কাছে এসে কাজটা করেন। পোয়ারো বললেন যে তিনি একটা লিলেন ডাক্তারী কোট নিয়ে এসেছেন, এটার সঙ্গে পরিচারকের কোটের সাদৃশ্য ছিল। আসলে ঘটনা এরকম ঘটেছিল। কফি দিয়ে পরিচারক দুজন যখন সামনের কামরায় চলে গেলো, তখন তিনি এ ঘরে গিয়ে লিলেনের কোটটা এগিয়ে দিলেন, তারপর গালের উপর তুলো চামড়ে নিয়ে পাশের ভাড়ার ঘর থেকে একটা কফির চামচ হাতে নিলেন এবং চামচ হাতে পরিচারকের মতো ব্যস্ত পায়ে মাঝের রাস্তা ধরে গিজেলের টেবিলে এসে তার গলায় কাঁটা ফুটিয়ে ভীমরুলটা উড়িয়ে দিলেন। আবার দ্রুত পায়ে প্রসাধন ঘরে এসে কোট খুলে রেখে ধীরেসুস্থে নিজের আসনে ফিরে এলেন। তাকে কেউ নজর করেনি। জেন তাকে লক্ষ্য করেন কারণ সে তখন নিজের প্রসাধন করতে ব্যস্ত ছিল।

    গেল ব্যঙ্গ করলে তিনি বলেন যে, গেল একটা আখের খামারে কাজ করতেন। যেটা দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিল এটা পোয়ারো আবিষ্কার করে। সেখানে আসল নাম রিচার্ডস নামেই তিনি কাজ করতেন। তার ছবি রেডিও টেলিফোন ও রটারডামে পাঠানো হয়। দুই জায়গাতেই সনাক্ত হলেন।

    নরম্যান এবার একটু ভয় পেয়ে গেলেন। পোয়ারো বললেন, তিনি অ্যান মারিসোকে টেলিগ্রাম করেন এবং পরিপ্রেক্ষিতে যখন অ্যান তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন তখন তিনি ভয় পেয়ে যান এবং তিনি ভয় পান এই ভেবে যে অ্যান তার সব কথা পোয়ারোকে বলে দিয়েছেন। তাই তিনি ট্রেনের কামরায় তাকে সাইট্রিক অ্যাসিড খাইয়ে দেন এবং খালি শিশিটা গুঁজে দিয়ে চলে আসেন এবং শিশির গায়ে আঙ্গুলের ছাপ ছিল। কিন্তু তখন হঠাৎ গেল বলে উঠলেন, তিনি দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন। তখন প্রমাণ হয়ে যায় যে নরম্যান আসল খুনী।

    ব্যাটা খুদে ভণ্ড, বলে উঠলেন গেল, তার পর গেলকে গ্রেপ্তার করা গেল।

    পোয়ারোকে মিঃ ক্ল্যান্সি বললেন যে তার জীবনের সব থেকে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা এটা। এটাতে পোয়ারো জ্যাপকে তার কৃতিত্ব থেকে খাটো করতে চান। পোয়ারো বললেন যে কানাডাতেও এক মেয়েকে খুনের ব্যাপারে অভিযুক্ত গেল।

    জেনের জন্য দুজনেই সমব্যথা প্রকাশ করলেন। নরম্যান গেলের লাফালাফিতে কতগুলো ছবি ছড়িয়ে গেছিল। মাদাম ভেনেসিয়া কার এবং লর্ড হরবেরিল ছবি দেখে পোয়ারো বললেন অচিরেই এদের দুজনের সম্পর্ক বিবাহের রূপ নেয়। তিনি মিস জেন গ্রে এবং মঁসিয়ে জ্যা জ্যাপকে বিবাহ দিতে চান।

    এর একমাস পরে জেন পোয়ারোর সঙ্গে দেখা করতে এসে বলেন যে আপনাকে আমার ঘৃণা করা উচিত।

    পোয়ারো বললেন যে তার ধারণা আপনি যে ধরনের মেয়ে; মূখের স্বর্গে বাস করার থেকে সত্যের মুখোমুখি হবার সাহস রাখে জেনের প্রেম ভালোবাসায় রুচি নেই।

    পোয়ারো জ্যাঁ দ্যুপদের থেকে টাকা পাঠিয়েছেন এবং জেনকে তাদের সঙ্গে প্যারিসে পাঠাতে চান এবং এরজন্য তিনি জেনকে জিজ্ঞাসা করলেন তিনি ছবি আঁকতে পারেন কিনা, জেন বললেন যে এই বিষয়ে তাকে তিনি করুণা করছেন না তো। তিনি স্কুলে বেশ ভালোই ছবি আঁকতেন।

    জেন বললেন যে, প্রাগৈতিহাসিক মৃৎশিল্প দেখতে উৎসাহী। দরজার কাছে গিয়ে জেন ফিরে এলেন। ঠিক এই ব্যাপারে আপনি দয়ালু না হতে পারেন, কিন্তু আপনার আমার প্রতি তাও নেই। তার মাথার মাঝখানে একটা চুম্বন দিয়ে তিনি বেরিয়ে গেলেন।

    লক্ষ্মী মেয়ে-পোয়ারো নিজের মনেই বললেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }