Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2514 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. বেল বাজার সঙ্গে

    ০২.

     ২৩ শে ডিসেম্বর।

    বেল বাজার সঙ্গে সঙ্গে ট্রেসিলিয়ান এগিয়ে গেল। সে এমনিতেই একটু শ্লথ; আবার বেল বেজে উঠল। মনে মনে বিরক্ত হল সে, লোকটা যে কী তার ঠিক নেই ভদ্রলোকের বাড়িতে কীভাবে বেল বাজাতে হয় তাও জানে না। সে তাড়াতাড়ি গিয়ে দরজার কাঁচে চোখ রেখে দেখল। তার অনুমানই ঠিক। লোকটার চেহারায় একটা কাঠখোট্টা ভাব। মুখে এতটুকু মিষ্টতা নেই। চেহারাটা তার বিশাল, মাথায় স্নাউট টুপি। দরজা খুলতেই সে আগন্তুককে দেখতে পেল। সামনাসামনি দেখলে তার পোষাকের মধ্যে একটা নোংরা ভাব একটা ঔদ্ধত্য ভাব দেখা যাবে।

    আগন্তুক তাকে বলে–তুমি ট্রেসিলিয়ান না?

    ট্রেসিলিয়ান এক বুক নিঃশ্বাস নিয়ে আগন্তুককে ভালোভাবে দেখল। হ্যাঁ সেই চোখ, সেই নাক, বহু বছর আগে সে মানুষটিকে দেখেছিল। তখন সে আরো বেশী ঔদ্ধত্যপূর্ণ ছিল। সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলে-মিঃ হ্যারি।

    হ্যারি হেসে বলল–তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে, আমাকে দেখে তুমি শক পেয়েছ কেন তুমি কী আমার আসা পছন্দ করোনি?

    -হ্যাঁ স্যার, নিশ্চয়ই স্যার।

    –তাহলে তুমি আমাকে দেখে আশ্চর্য হয়ে গেলে কেন?

    দুতিন পা পিছিয়ে গিয়ে সে বাড়িটাকে ভালো করে দেখল। তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল সেই পুরোনো কুৎসিত ম্যানসন।–আমার বাবা কেমন আছেন ট্রেসিলিয়ান?

    -স্যার, তিনি অনেকটা পঙ্গুর মতো আছেন। তিনি তার নিজের ঘরেই থাকেন, বড়ো একটা বাইরে বেরোতে চান না। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতা থাকলেও মনের দিক থেকে তিনি সতেজ।

    হ্যারি ভেতরে ঢুকে জিজ্ঞাসা করলেন–পুরোনো পাপী, আমার ভাই অ্যালফ্রেড কেমন আছেন?

    –তিনি এখন খুব ভালো আছেন।

    হ্যারি দাঁত বের করে হাসল-আশাকরি আমায় দেখার জন্য সে উঁচিয়ে আছে।

    –বাউণ্ডুলেটা আবার ফিরে এসেছে। মনে রেখো ভালো মানুষটি সেজে বসে আছে। মনে রেখো এ সবকিছুই তার অপছন্দ। আমি হলফ করে বলতে পারি সে সুস্থ হয়ে থাকুক অ্যালফ্রেড তা চায় না। একটু থেমে সে বলে–আঙুল দেখিয়ে তিনি বলেন এই পথে তিনি সেখানে যাবেনই।

    সে মাথা নেড়ে ট্রেসিলিয়ানকে অনুসরণ করল ড্রইংরুমে যাবার জন্য। হ্যারি বলল–তুমি এখন তোমার কাজে যেতে পারো ট্রেসিলিয়ান। দেখি মিঃ এবং মিসেস অ্যালফ্রেডকে খুঁজে পাই নাকি?

    হ্যারি ড্রইংরুমে ঢুকতে গিয়ে থমকে দাঁড়ালো। হঠাৎ সে জানলার ধারে একটি মেয়েকে বসে থাকা অবস্থায় দেখতে পেল। মেয়েটির কালো চুল, সুন্দর মুখের দিকে তাকাতে গিয়ে তার চোখ দুটো বিস্ময়ে থমকে দাঁড়ালো।

    সে বলে উঠলো-হায় ঈশ্বর। তুমি কী আমার বাবার সপ্তম এবং পরমাসুন্দরী স্ত্রী?

    পিলার তার দিকে এগিয়ে এসে বলল–আমি পিলার এস্ট্রাভাডোস; তুমি নিশ্চয় আমার মায়ের ভাই, হ্যারি মামা।

    হ্যারি মেয়েটির দিকে ভালো করে তাকিয়ে বলল–ও, তাহলে তুমি জেনির মেয়ে।

    –তাহলে কেন তুমি আমাকে তোমার বাবার সপ্তম স্ত্রী কী না জিজ্ঞাসা করলে?

    হ্যারি হেসে বলল–আমার মনে হয় ওর সরকারী স্ত্রী একজনই। পিলার তোমাকে মৌসেলিয়ামে দেখে মনে হচ্ছিল তুমি যেন একটা সুন্দর ফুলের কুঁড়ি।

    -কি যেন একটা বললে মৌস?

    -হ্যাঁ, ঠিক তাই। তুমি একটা মিউজিয়াম ছাড়া আর কী? এখানে যতসব বাজে জিনিষ ভর্তি।

    পিলার অত্যন্ত আহত কণ্ঠে বলল–আমার তো তা মনে হয় না। আমার মনে হয় সব জিনিষগুলো সুন্দর, কার্পেটগুলো অতি উচ্চমানের আর ফার্নিচারগুলোও।

    হ্যারি দাঁত বের করে বলল–তুমি ঠিককথাই বলেছ। পিলারের দিকে চেয়ে সে বলল তোমাকে এর মাঝে দেখে লাথি মেরে বের করে দেওয়ার লোভটা সামলাতে পারছি না।

    লিডিয়াকে ছুটে আসতে দেখে হ্যারি চুপ করে গেল।

    -হ্যারি তুমি কেমন আছো? আমি লিডিয়া, অ্যালফ্রেডের স্ত্রী।

    হ্যারি লিডিয়ার বুদ্ধিদীপ্ত মুখটা ভালো করে দেখে নিয়ে বলল-লিডিয়া তুমি ভালো আছো তো?

    লিডিয়াও তাকে ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। সে চিন্তা করে দেখল-রুক্ষ স্বভাবের মনে হল তাকে। যদিও সে শ্যামবর্ণীয়, তবু তাকে আমি অবিশ্বাস করব।

    এ ব্যাপারে আমার কোনো ধারণাই নেই। যদি না তুমি তাকে দেখলে তার ভেতর কোনো পরিবর্তন দেখতে পাবে কী না।

    –আর সব ভায়েরা ইংল্যাণ্ড শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

    –না তারা সকলে খ্রীস্টমাসের জন্য এখানে এসে উপস্থিত হয়েছে।

    হ্যারি স্তম্ভিত হয়ে গেল। তার মানে এটা একটা পারিবারিক মিলনের ব্যবস্থা। তা ঐ বুড়ো লোকটির সংবাদ কী? আগে তো তিনি মানুষের অনুভূতির মর্যাদা দেননি, এরকম ভাবে কারো জন্য তিনি মাথা ঘামাননি। এখন নিশ্চয়ই ওনার অনেক পরিবর্তন ঘটেছে।

    -লিডিয়া বলে–তাই তো মনে হয়।

    পিলার চোখ দুটো বড় বড় করে আশ্চর্য হয়ে চেয়ে রইল।

    জর্জের খবর কী? পকেট থেকে আধ পেনি বের করতে হলে এখানো কী আগের মতো হৈ চৈ করে?

    লিডিয়া উত্তরে বলে–জর্জ এখন পার্লামেন্টের সদস্য–ওয়েস্টারিংহ্যামের।

    –কি বললে? ঐ পাজীটা এখন পার্লামেন্টের সদস্য। ঈশ্বর ওকে ক্ষমা করুন। হ্যারি শব্দ করে হেসে উঠল।

    একটা সময় তার হাসি থেমে গেল। আর কারো পদশব্দ শুনতে পায়নি সে।…

    অ্যালফ্রেড কখন যে চুপ করে তার পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে তা সে টেরও পায়নি। সে শুধু শান্ত হয়ে হ্যারিকে দেখছিল।

    হ্যারি মিনিট কয়েক দাঁড়িয়ে থাকার পর এক-পা তার দিকে এগিয়ে গেল। তার ঠোঁটে একটুকরো হাসি ফুটে উঠল। সে বলল–কেন তুমি অ্যালফ্রেড নও?

    অ্যালফ্রেড মাথা নেড়ে বলল–হ্যালো হ্যারি।

    তারা একে অপরের দিকে চেয়ে রইল। লিডিয়া জোরে নিঃশ্বাস নিল। কী অবাস্তব ঘটনা। দুটো কুকুরের মতো, তারা একে অপরের দিকে তাকিয়ে আছে।

    পিলারের চোখ দুটো আরো বড় বড় হল। সে নিজের মনে চিন্তা করল, তারা ওরকম ভাবে একে অপরের দিকে চেয়ে না থেকে কেন দুজনে দুজনকে জড়িয়ে ধরছে না? ইংরেজরা অবশ্য তা করে না। কিন্তু তারা তো বলতে পারে, তবে কেন কেবল একে অপরের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে?

    শেষকালে হ্যারিই মুখ খুলল,–অনেকদিন পর আবার বেশ আনন্দ পেলাম।

    -আমারও তাই মনে হয়। বহু বছর তুমি বাইরে ছিলে।

    হ্যারি এমন ভাবে চোয়ালে আঙুল ঠেকাল যে তাকে দেখে মনে হল সে যেন যুদ্ধের জন্য তৈরী। সে বলল–হ্যাঁ, আমি আমার বাড়িতে ফিরে এসে খুব খুশী।

    সাইমন লী বলে ওঠেন–আমার খালি মনে হয় আমি খুব বাজে লোক ছিলাম। তিনি চেয়ারের উপর হেলান দিয়ে বসলেন। তার পাশে বসেছিলেন নাতনী পিলার।

    মনে হয় তিনি মেয়েটি ছাড়া নিজের সাথে আরো কথা বলতে চাইছেন। কিন্তু কী ভেবে আবার চুপ করে গেলেন।

    তিনি বলেন–আচ্ছা, আমি যে খুব বাজে লোক ছিলাম, সে সম্বন্ধে তোমার মতামত কী পিলার?

    পিলার কাঁধ নাচিয়ে বলল–সবমানুষই খারাপ। একথা নানেরা বলেন। তাই জন্য তাদের সবার জন্য আমার প্রার্থনা করা উচিত।

    সাইমন হেসে বলেন–কিন্তু আমি যে সবার থেকে খারাপ কাজ করে এসেছি। তার জন্য আমার এতটুকু অনুশোচনা হয় না। একেবারেই তা হয় না। আমি প্রতিটা মিনিট নিজে উপভোগ করছি। সবাই বলে বয়স হলে তোমার অনুশোচনা হবে। ওসব শুধু আমাকে দেওয়া সান্ত্বনা। আমার অনুশোচনা হয় না। আমি অনেক ভালো ভালো পাপ করেছি। আমি চুরি করা, লোক ঠকানো, মিথ্যা বলা..কী না করেছি আমি।…হা ঈশ্বর। এছাড়া, সর্বদা মেয়েদের সঙ্গও আমার ভালো লাগত। একদিন একজন আমাকে একটা কথা বলেছিল। একজন আরব চীফের চল্লিশটা ছেলে ছিল তার দেহরক্ষী, সবকটাই প্রায় এক বয়সের। আহা! চল্লিশটার ব্যাপার যদিও আমি কিছু জানি না তবুও আমি হলফ করে বলতে পারি যদি আমি বাচ্চার কথা ভাবতাম তাহলে খুব সহজেই বেশ কিছু দেহরক্ষী জন্ম দিতে পারতাম। পিলার তুমি নিশ্চয়ই অন্য কিছু ভাবছ? তুমি কী আঘাত পেলে?

    -না, আমি কেন আঘাত পেতে যাবো, সব পুরুষরাই সবসময়েই মেয়েদের কামনা করে। আমার পিতাও সেই কারণে সেইরকমই ছিলেন। আর সেইজন্যই তাদের স্ত্রীরা কখনই সুখী হয় না। এবং তার জন্যই চার্চে গিয়ে প্রার্থনা জানায়।

    বৃদ্ধ সাইমন ভ্রু কুঁচকিয়ে বলে–আমি এডেলডাকে সুখী করিনি। তিনি নিজের কাছে কৈফিয়ত দেওয়ার মত বলল, হায় ঈশ্বর মেয়েছেলে জাতটা যেন কেমন। এডেলডাকে যখন আমি বিবাহ করি তখন সে হাসিখুশীতে ভরা ছিল। কিন্তু বিবাহের পর সে সম্পূর্ণ বদলে গেল। সর্বক্ষণ সে খালি কাদত। এখানেই এডেলডার দুর্বলতা সে যদি একবার আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করত। কিন্তু কোনোদিন একবারের জন্যও সে তা করেনি। আমার বিশ্বাস আমি তাকে বিয়ে করে স্থিতি হতেই চেয়েছিলাম। মনে আশা ছিল–একটা সুখী পরিবার গড়ে তুলব এবং আমার পুরোনো জীবন পরিত্যাগ করব।

    তার কণ্ঠস্বর বন্ধ হয়ে এল। তিনি তার বুকের আগুনের দিকে চেয়ে রইলেন।

    –ঈশ্বর যে সুখী পরিবার গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম সেটা কেমন পরিবার? বলে সে দুঃখের হাসি হেসে উঠল।

    -আমার ছেলেদের দিকে তাকিয়ে দেখ তাদের একটাও মানুষ হয়নি। কেন? তারা কী ধমণীতে রক্তের স্বাদ পায়নি? তারা বৈধ না অবৈধ জানি না। যেমন প্রথমেই ধরা যাক অ্যালফ্রেডের কথা। অ্যালফ্রেডের সঙ্গ আমার কাছে একঘেঁয়ে এবং ভয়ঙ্কর লেগেছে। সে তার কুকুরের চোখ দিয়ে আমার দিকে চেয়ে থাকে। আমি তাকে যে কাজই বলি না কেন ও ঠিকই করে দেবে। হায় ঈশ্বর কী বোকা সে। ডেভিড অবশ্য সবসময়ই বোকা ছিল। স্বপ্নে পাওয়া মানুষের মতো। ও আসলে ঠিক ওর মায়ের মতো ছিল। সে তার জীবনে একটাই ভালো কাজ করেছে। সুন্দরী একটি মেয়েকে বিবাহ করেছে। তিনি চোয়াল থেকে হাতটা নামিয়ে চেয়ারের উপর রাখলেন। হ্যারি অবশ্য এদের থেকে আলাদা এবং সবচেয়ে বুদ্ধিমান ছেলে। সে যে এখন জীবিত আছে সেটা খুবই আনন্দের।

    পিলার তার কথায় সায় দিল।

    -হা সে খুব সুন্দর ছেলে, মন খুলে সে হাসতে পারে। আমি তাকে খুব ভালোবাসি।

    বয়স্ক লোকটি পিলারের দিকে তাকিয়ে বললেন–হ্যারিই আমার উপযুক্ত ছেলে। তার মেয়েদের সঙ্গে একটা গোপন সম্পর্ক ছিল। আমার জীবনটাও খুব ভালো ছিল। সবকিছুই পর্যাপ্ত পরিমাণে ছিল।

    পিলার বলে উঠল–আমাদের স্পেনে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে। সেটা এইরকম–ঈশ্বর বলেছেন তোমার যা পছন্দ নিয়ে নাও তার দাম দিয়ে দাও।

    –এটাই ভালো। তোমার যা পছন্দ নিয়ে নাও..আমি তাই করেছি। আমার সারা জীবন যখন যা মনে হয়েছে…

    –হঠাৎ পিলার গম্ভীর গলায় বলে উঠল–তার দাম দিয়েছিলেন?

    সাইমনের মুখের হাসি মিলিয়ে গেল–এ তুমি কী প্রশ্ন করছ?

    -ঠাকুরদা আমি প্রশ্ন করছি–আপনি তার দাম দিয়েছিলেন?

    তিনি আস্তে আস্তে বললেন–আমি জানি না। তিনি তার মুঠো করা হাতটা চেয়ারে ঠুকে বললেন-তুমি একথা কেন বলতে গেলে নাতনী?

    পিলার উত্তরে বলল–আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি।

    সাইমন বললেন-তুমি একটি শয়তানের বাচ্চা।

    পিলার ঠাণ্ডা গলায় বলল–আপনিই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

    -হ্যাঁ, তুমি আমার কন্যা জেনিয়ার মেয়ে। তোমার সঙ্গে আমার রক্তের সম্পর্ক আছে। আর তাছাড়া, অনেকদিন তোমার মতো সুন্দরী যুবতী দেখিনি তাই।

    পিলার মুচকি মুচকি হাসছিল।

    সাইমন বলে উঠলেন–কিন্তু মনে রেখো তুমি আমাকে বোকা বানাতে পারবে না। আমি জানি তুমি কেন এতক্ষণ ধরে ধৈর্য ধরে আমার পাশে বসেছিলে–শুধু আমার টাকার লোভে। অথবা তুমি তোমার ঠাকুর্দাকে ভালোবাসার ভান করো।

    না, আমি আপনাকে ভালোবাসিনা আপনাকে অপছন্দ করি। এটা সত্য এবং আপনার বিশ্বাস করা উচিত। আমি ভালো করেই জানি আপনি তোক ভালো নন। আমি সেটা পছন্দ করি আর এটাও ঠিক আপনি বাড়ির অন্য সব লোকেদের চেয়ে খাঁটি। এছাড়া, আমার যেটা সবচেয়ে পছন্দ যে, আপনি অনেক দেশ ভ্রমণ করেছেন। যাকে বলে অ্যাডভেঞ্চারস লাইফ।

    –জানো পিলার, আমাদের মধ্যে জিপসির রক্ত আছে যাকে বলে ভবঘুরে বা যাযাবর। তবে হ্যারি ছাড়া আর কারো ওপর এ প্রভাব পড়তে দেখিনি। দরকার হলে আমি ধৈর্য ধরতে পারি। আমার যে ক্ষতি করেছে তাকে ধরার জন্য পনেরো বছর অপেক্ষা করে আছি। এটাই লী বংশের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। আমি পনেরো বছর পরে সুযোগ পেয়েছি তাকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি। তিনি খুব হাল্কা ভাবে হাসলেন।

    পিলার প্রশ্ন করল–ঘটনাটা নিশ্চয়ই দক্ষিণ আফ্রিকায় ঘটেছিল?

    হ্যাঁ, খুব ভালো দেশ। বিয়ের পাঁচ বছর পর আমি সেখানে ফিরে গিয়েছিলাম।

    -কিন্তু বিয়ের বহুবছর আগেও আপনি ওখানে থাকতেন।

    –হ্যাঁ।

    –আমাকে সেই সম্বন্ধে কিছু বলুন।

    তিনি কাহিনীটা বলতে শুরু করলেন। পিলার অবাক হয়ে কাহিনীটা শুনতে লাগল। তারপর তিনি একটা বড় আলমারীর কাছে এগিয়ে গেলেন লাঠিতে ভর দিয়ে। আলমারীর পাল্লাটা খুলে হরিণের চামড়ার ব্যাগটা খুলে পিলারের করুণ মুখের দিকে চেয়ে রইলেন–এগুলো কী জান? অখচিত সব হীরের টুকরো। এখন এগুলো এ অবস্থায় পাওয়া যায়। এগুলো কাটার পর আসল হীরে বেরিয়ে পড়বে। তখনি সেগুলো চমকে দেবে, ঝলসে উঠবে।

    পিলার বাচ্চা মেয়ের মতো অবাক হয়ে বলল-ও আমি অবিশ্বাস করি।

    তিনি খুব মজা পেলেন, বললেন,-এ একেবারে খাঁটি হীরে।

    —খুব দামী?

    কয়েক হাজার পাউণ্ড হবে। এগুলো বড় বড় হীরে। নয় কিংবা দশ হাজার ধরতে পারো।

    –এগুলো বিক্রি করছেন না কেন?

    –আমার টাকার প্রয়োজন নেই তাই। আমি এগুলোকে আমার কাছেই রেখে দিতে ভালোবাসি।

    তিনি আবার ঐগুলোকে আলমারীতে রেখে দিলেন এবং হারবারিকে ডাকলেন–এসো।

    হারবারি ভেতরে এসে বলে–চা তৈরী।

    হিলডা বলে উঠল–তাহলে সত্যিই তুমি এখানে এলে ডেভিড। আমি তোমায় কত খুঁজেছি। ঘরটা ভীষণ ঠাণ্ডা। চল এখান থেকে চলে যাই।

    ডেভিড তার কথায় কান না দিয়ে একটা চেয়ার দেখিয়ে বলল–এই সেই চেয়ার, যেখানে আমাদের মা সবসময় বসে থাকতেন। এটা তেমনি তাই আছে; শুধু রঙটা একটু চটে গেছে। ডেভিড বলে চলল–তিনি সবসময় এখানে বসে থাকতেন আর আমাদের বই পড়ে শোনাতেন। আমি তখন বছর ছয়েকের শিশু ছিলাম।

    হিলডা তার হাত ধরে টেনে নিয়ে চলল–চলো, ড্রইংরুমের দিকে যাওয়া যাক। এখন ওরা কোথায় আছে, চায়ের সময় হয়ে গেছে।

    ডেভিড বহুদিন পর পিয়ানোটার ওপর হাত রাখল, তার খুব সখ ছিল পিয়ানো বাজানোর। কিছুক্ষণ বাজাবার পর হঠাৎ সে উঠে দাঁড়াল। সে খুব কাঁপছিল। হিলডা দৌড়ে তার কাছে গেল।

    –কী হয়েছে ডেভিড?

    –না না, তেমন কিছু নয়। ডেভিড উত্তরে বলল।

    কর্কশভাবে বেলটা বেজে উঠল দরজার কাঁচ দিয়ে বাইরে তাকাতেই ট্রেসিলিয়ানের স্ত্র জোড়া কুঁচকে উঠল বাইরে দাঁড়ানো আগন্তুককে দেখে। সে কপালে হাত দিয়ে চিন্তা করল। মনে হয় সবকিছুই যেন দ্বিতীয়বার ঘটে। এর আগে আরো একবার এরকম ঘটনা ঘটে থাকবে। সে নিশ্চিত মনে করে দরজা খুলে দিল।

    তারপরই দরজার ওপারে থাকা ভদ্রলোক জিজ্ঞাসা করেন–এটা কী মিঃ সাইমন লীর বাড়ি?

    -হা মহাশয়।

    –ওনার সঙ্গে আমি একটু সাক্ষাৎ করতে চাই।

    ঠিক তক্ষুনি ট্রেসিলিয়ানের মনের স্মৃতিতে একটা অস্পষ্ট স্মৃতি ভেসে উঠল। বহুদিন ধরে সে এই গলার স্বর শুনে এসেছে। মিঃ লী তখন ইংল্যাণ্ডে থাকতেন।

    ট্রেসিলিয়ান দ্বিধা চিত্তে মাথা নেড়ে বলল–কিন্তু স্যার মিঃ লী যে এখন অথর্ব। তিনি এখন খুব একটা লোকের সংগে দেখা-সাক্ষাৎ করেন না। আপনি যদি আপনার দরকারটা

    তাকে বাধা দিয়ে আগন্তুক বলল–ঠিক আছে আপনি শুধু মিঃ লীকে এটা দিয়ে আসুন। বলে পকেট থেকে একটা খাম বের করে তার হাতে দিল।

    –ঠিক আছে।

    কাগজটা খামের ভেতর থেকে পড়তে গিয়ে সাইমন লী অবাক হয়ে গেলেন। তার স্ত্র জোড়া কুঁচকে উঠল ঠিকই তবুও তিনি হেসে উঠলেন। বললেন–সবদিক দিয়েই তাহলে ভালোই হল।

    এই মূহুর্তে আমি এবেনেজাপকারের কথাই ভাবছিলাম। সে আমার পার্টনার ছিল কিম্বারলীতে। তার ছেলে এসেছে এখন।

    স্টিফেন ফারকে খুব নার্ভাস লাগছিল। ওর কথা বলার সময় দক্ষিণ আফ্রিকার একটা টান লক্ষ্য করা যাচ্ছিল।

    –তুমিই তাহলে এদের ছেলে। তোমাকে দেখে আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। বুড়ো পিলারের দিকে তাকিয়ে বলল–আমার নাতনী, পিলার এস্ট্রাভাডোস।

    পিলার গম্ভীর স্বরে বলল–কেমন আছ তুমি?

    ফার মেয়েটির আন্তরিকতা দেখে মুগ্ধ হয়ে গেল। মিস এস্ট্রাভাডোস, তোমার পরিচয় জানতে পেরে আমি খুব খুশী হলাম।

    পিলার ধন্যবাদ জানাল।

    সাইমন কী বলল–বস স্টিফেন, বড় দিনের সময় তোমার কিন্তু আমাদের সঙ্গে থাকতে হবে। অবশ্য যদি তোমার অন্য কোনো প্ল্যান না থাকে।

    না না, আমার তেমন কিছু নেই এবং আমার পছন্দও নয়।

    বুড়ো পিলারের দিকে তাকিয়ে বলল–সব ঠিক হয়ে যাবে, লিডিয়া বল আমাদের একজন অতিথি এসেছে।

    পিলার চলে যেতেই সাইমন লী তার কাছ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা দেশটার খবর নিতে থাকে।

    কিছুক্ষণ পর লিডিয়া ঢুকতেই সাইমন লী ওর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলল–এ আমার এক বন্ধুর ছেলে। আমাদের সঙ্গে বড়দিনের উৎসব উপভোগ করতে চায়। তার জন্য একটা ঘরের ব্যবস্থা করো।

    আগন্তুককে ভালো করে দেখে নিয়ে লিডিয়া বলে–অবশ্যই।

    সাইমন বলে–এটি আমার পুত্রবধূ।

    –এইরকম পারিবারিক উৎসবে আমার একটু অস্বস্তি হচ্ছে।

    সাইমন বলল–কেন বাছা, তুমি তোমাকে আমাদের পরিবারের একজন ভাবার চেষ্টা করো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }