Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দি পেল হর্স – ৬

    ষষ্ঠ অধ্যায়

    বিকেল চারটে বাজার পর আমরা প্রায়র কোর্ট থেকে ফিরে এলাম। রীতিমতন ভুরিভোজ খাওয়ানোর পর ভেনবলস আমাদের বাড়িখানা ঘুরে দেখালো। নিজের সংগৃহীত নানারকমের বস্তুগুলো আমাদের দেখিয়ে সে দারুণ খুশি হয়ে উঠলো—সত্যিই তার বাড়িখানা বিভিন্ন ধরনের মূল্যবান সম্পদে ভরা।

    অবশেষে ওর বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে বললাম বহু অর্থের মালিক ভেনবলস। ওই বুড়ো ঘোড়াগুলো আর আফ্রিকান মূর্তিগুলো সে কেবল শখের খাতিরে সংগ্রহ করেনি। এমন একজন প্রতিবেশী তোমরা ভাগ্যগুণে লাভ করেছো।

    —আমরা কি জানতাম না? জবাব দিলো রোডা—এখানকার বেশির ভাগ লোকজন খুবই ভদ্র স্বভাবের তবে মন্দ দৃষ্টিতে দেখলে মিস্টার ভেনবলসকে তুলনামূলকভাবে তাদের চেয়ে বেশি ভিন্ন জগতের মানুষ বলে মনে হয়।

    —আচ্ছা, এত টাকা সে কিভাবে রোজগার করছে। মিসেস অলিভার বললো, এসব টাকা তার আগে থেকেই ছিলো?

    ডেসপার্ড বিকৃতকণ্ঠে মন্তব্য করলো, যে আজকাল উত্তরাধিকার সূত্রে বিশাল আয় নিয়ে কেউ অহঙ্কার দেখায় না, দেখাতে পারেও না। মৃত্যু শুল্ক আর কর ব্যবস্থা এসব দিকে নজর রাখে। তারপর বলতে লাগলো-একজনের মুখ থেকে শুনেছিলাম জাহাজে মাল সরবরাহকারী হিসাবে জীবন শুরু করেছিলো কিন্তু মনে হচ্ছে এ ব্যাপারটা একেবারে অসম্ভব। সে তার শৈশবকাল বা তার পরিবার সম্পর্কে কেন বলেনি—মিসেস অলিভারের দিকে ঘুরে বললো, আপনার জন্য একজন রহস্যময় লোক…

    মিসেস অলিভার জানালো যে, লোকজনরা এলেন এবং অনেক কথা বলেন, জিনিস দিতে চায় কিন্তু মিসেস অলিভার দিতে চায় না…।

    পেল হর্সের বাড়িখানা অর্দ্ধেক কাঠের তৈরি। সত্যিকারের কাঠের তৈরি নকল নয়। গ্রামের সদর সড়ক থেকে একটু দূরে বাড়িখানা পিছন দিকে প্রাচীর ঘেরা বাগান, বাড়িখানা পুরানো আমলের চমৎকার বাড়ি।

    বাড়িখানা দেখে হতাশ হয়ে পড়ালাম—মুখ ফুটে কথাটা বললামও। অভিযোগ জানালাম— বাড়িখানা অশুভ না হলেও পরিবেশটা ভালোও নয়।

    —একবার বাড়ির ভিতরটা দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা কর। জিনজার বললো, গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির সদর দরজায় হাজির হলাম।

    সদর দরজাটা খুলে গেলো।

    মিস থিরজা গ্রে ঠিক সদর দরজার সামনে দাঁড়িয়েছিলো। দীর্ঘাঙ্গিনী। পুরুষালি দেহ। পরনে টুইড কোট আর স্কার্ট। চওড়া কপালের উপর ঝামরে পড়ছে রুক্ষ পাকা চুলের গোছা নীল চোখ দুটিতে তীব্র সন্ধানী দৃষ্টি।

    মহিলার অনুচ্চ কণ্ঠস্বর ধ্বনিত হলো, অবশেষে তোমরা এলে এখানে, মনে হচ্ছে তোমরা সবাই হারিয়ে যাবে এখানে।

    ওর ওই টুইডের কোট পরা দেহের পিছন থেকে মনে হচ্ছে যেন এক জোড়া চোখের সন্ধানী দৃষ্টি দরদালানের অন্ধকারের পর্দা ভেদ করে বেরিয়ে এসেছে। আজব একখানা আকারহীন মুখমণ্ডল, ঠিক যেন ভাস্করের শিল্প ঘরে ছড়ানো এক শিশু শিল্পীর তৈরি একটা মুখ। মনে পড়লো, ইতালির বাফ্লাণ্ডার্স অঞ্চলের আদিম শিল্পকৃতির মধ্যে এ ধরনের মুখের ছবি নজরে পড়ে।

    রোডা আমাদের সবাইকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললো, আমরা সবাই প্রায়র কোর্টে মিস্টার ভেনবলসের বাড়িতে লাঞ্চ সেরে এখানে এসেছি।

    মিস গ্রে জবাব দিলো, ভালো ভালো। ওখানে তো নানারকম বিলাসদ্রব্যের ছড়াছড়ি। আর ওর ইতালীয় পাচকটি ভালো রান্না করে। ওর বাড়িখানা যেন মূলবান সম্পদ সম্ভারের কোষাগার। তবে বড় অভাগা লোকটা। ওকে মাঝে মাঝে উৎসাহ দেওয়া দরকার। এখন সবাই ভিতরে এসে বসো। আমাদের এই ছোট্ট বাড়িখানা সম্পর্কেও আমরা গর্ববোধ করতে পারি। পঞ্চদশ শতাব্দী, এমনকি চতুর্দশ শতাব্দীরও কিছু কিছু সামগ্রী এখানে রয়েছে।

    নিচু ছাদ দরদালান। অন্ধকার ঘোরানো সিঁড়ি দোতলায় উঠে গেছে। একটা বিশাল ফায়ারপ্লেস রয়েছে দরদালানে। তার উপর ফ্রেমে আঁটকানো একখানা ছবি আঁকা সাইনবোর্ড। আমার দৃষ্টি অনুসরণ করে মিস গ্রে বললো—ওটা হচ্ছে এই সেকেলের সরাইখানাটার নাম

    এত কম আলোতে ওটা দেখতে পাবে না। নামটা হচ্ছে ‘দি পেল হর্স’।

    —তোমার হয়ে আমি ওটা ঝেড়ে পুছে পরিষ্কার করে দিয়েছি। জিনজার বললো, ওটা আমি পারবো। আমাকে পরিষ্কার করতে দাও। কাজ দেখে অবাক হয়ে যাবে।

    থিরজা গ্রে অভদ্রভাবে বলে উঠলো, সন্দেহ হচ্ছে। তুমি যদি ওখানা ভেঙ্গে ফেলো? জিনজার বিরক্ত হয়ে বলে উঠলো নিশ্চয়ই ভাঙ্গবো না। এই ধরনের কাজই আমার পেশা। তারপর জিনজার মার্ককে বোঝাবার জন্য বললো, লণ্ডন গ্যালারিতে কাজ করি। দারুণ মজার কাজ।

    — সেকেলের ছবি পুনর্নির্মাণের কাজ হাতে কলমে শিখতে হয়। জিনজার প্রতিবাদ জানালো, সরাইখানার নাম লেখা সাইনবোর্ড খানা নিরীক্ষণ করতে করতে বললো, আরো কিছু ফুটে উঠবে। ঘোড়ার কাছে একজন সওয়ারও থাকতে পারে।

    ওর মতন আমিও ছবিখানা নিরীক্ষণ করতে লাগলাম। অদক্ষ শিল্পীর আঁকা ছবি—ধুলোয় আবছা, একমাত্র বিশেষত্ব ছবিখানার পর্ণো হওয়ার সন্দেহটা। দুর্বোধ্য ধুলোয় ঢাকা পটভূমিতে বিবর্ণ একটা অশ্বের ছবি।

    —ওহে সিবিল, থিরজা চেঁচিয়ে বলে উঠলো—দর্শকরা আমাদের ঘোরাটা খুঁড়ে বার করতে চাইছে। ওদের এই ঔদ্ধত্য একেবারে অসহ্য।

    মিস সিবিল স্ট্যামফোবিওস একটা দরজা খুলে বেরিয়ে আমাদের কাছে এসে দাঁড়ালো। লাবণ্যময়ী দীর্ঘদেহী তরুণী। মাথায় চকচকে কালো চুলের ঢাল। মাছের মতন মুখে এক চিলতে হাসির ঝিলিক। পরণে উজ্জ্বল পান্না সবুজ শাড়ি। অবশ্য শাড়ির জন্য তার দেহের রূপলাবণ্যের কোনো হেরফের হয়নি। কণ্ঠস্বরে মৃদু কম্পমান, বললো সিবিল, আমাদের এই ঘোড়াটাকে সরাইখানার নাম লেখা সাইনবোর্ডখানা প্রথম দেখেই আমরা ভালোবেসেছিলাম। সত্যিই মনে হয় এ বাড়িখানা কিনতে এই সাইনবোর্ডখানা আমাদের প্রভাবিত করেছিলো। তাই না থিরজা? কিন্তু এখন সবাই চলো ঘরের ভিতরে গিয়ে বসে থাকি।

    আমাদের সে যে ঘরে নিয়ে এলো সেটা একখানা চারকোণা ছোট্ট ঘর। একসময় এটা হয়ত বার ছিলো। মদ বিক্রি করতো, ঘরখানা এখন মহিলাদের ব্যবহারের উপযোগী করে সাজানো গোছানো। ফুলদানিতে রাখা এক গোছা চন্দ্রমল্লিকা।

    একটু পরেই আমি বাড়ির ছোট্ট বাগানখানা ঘুরে দেখতে গেলাম। গরমের মরশুমি ফুল ফুটে আছে অজস্র। আবার যখন ঘরে ফিরে এলাম তখন টেবিলে চা দেওয়া হয়েছে। আমরা সবাই টেবিলে বসতেই খেতে দেওয়া হলো স্যান্ডউইচ আর ঘরে তৈরি পিঠে। এ বাড়ির দালানে ঢুকেই এক নজরে দেখে নেওয়া বৃদ্ধা এখন ঘরে ঢুকলো, হাতে রুপোর চা দানি। পরনে একদম সাদাসিধে গাঢ় সবুজ ঢিলা জামা। বৃদ্ধার মস্তকটা যেন একটা শিশুর অপটু হাতের কাদা দিয়ে তৈরি, আর মুখমণ্ডলে বুদ্ধিহীন আদিমতার প্রকাশ। এমন মুখখানা যে কেন আমার কাছে অশুভ মনে হয়েছিলো তার কারণ বুঝে উঠতে পারছি না।

    আচমকা নিজের উপর নিজে রাগান্বিত হলাম। একটা বদলানো সরাইখানা আর তিন জন মাঝবয়সী স্ত্রীলোককে নিয়ে কি সব ঘটে চলেছে।

    –ধন্যবাদ, বেল্লা। বললো থিরজা।

    —যা কিছু চাইছো তা কি পেয়েছো?

    অস্ফুট স্বরে জবাব ধ্বনিত হলো, হাঁ ধন্যবাদ, দরজার দিকে এগিয়ে গেল বেল্লা, কারো দিকে একবারও তাকিয়ে দেখলো না, তবে ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগেই চোখ তুলে আমার দিকে তাকালো একটি বার। তার সেই দৃষ্টিতে এমন একটা কিছু ছিলো যা দেখে চমকে উঠলাম, এবং কেন তার কারণ বুঝিয়ে বলা আমার পক্ষে কষ্টকর। তার দৃষ্টিতে ফুটে উঠেছিল দুষ্টবুদ্ধি আর একান্তভাবে জানার ইচ্ছা। বুঝতে পারলাম, কোনো রকম চেষ্টা এবং কৌতূহল ছাড়াই সে আমার মনের ভাবনার সব খবরাখবর জানতে পারছে একেবারে ঠিকঠাক।

    থিরজা গ্রে আমার মনের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করছিলো।

    —আচ্ছা মিস্টার ইস্টারব্রুক, মানুষকে বড় অপ্রতিভ করে দেয় তাই না? নরম গলায় সে বললো, আপনার দিকে নিবদ্ধ তার দৃষ্টি আমার নজরে পড়েছে।

    —ও ওখানকার স্থানীয় অধিবাসী তাই না? মনের কৌতূহল খুবই ভদ্রভাবে প্রকাশ করলাম।

    —হাঁ মনে হচ্ছে আপনাকে কেউ বলেছে যে, সে এখানকার ডাইনী রমণী। সিবিল স্ট্যামফোর্বিওসের পুঁতির মালাটা ঝন্‌ঝন্ করে কেঁপে উঠল।

    —এখন স্বীকার করুন, মিস্টার…মিস্টার…।

    —ইস্টারব্রুক।

    —হাঁ ইস্টারব্রুক। নিশ্চিত হয়ে বলছি যে, আপনি শুনেছেন যে আমরা এখানে ডাইনীবিদ্যা নিয়ে চর্চা করি। কথাটা স্বীকার করুন। জানেন তা, এ ব্যাপারে এ অঞ্চলে আমাদের নাম খুব ছড়িয়ে পড়েছে।

    —বোধহয়, কথাটা অনভিপ্রেত নয়। দারুণ একটা মজার খোরাক পেয়ে বললো থিরজা—এখানে সিবিলের অনেক দান আছে।

    খুশি মনে সিবিল বলতে লাগলো নরম গলায়—ভোজবিদ্যা সব সময় আমার মনকে আকর্ষণ করে। এমন কি খুব ছোটবেলাতেও বুঝতে পেরেছিলাম যে, আমার অস্বাভাবিক একটা শক্তি আছে। স্বতঃস্ফূর্তভাবে লেখার শক্তি আমার মধ্যে দেখা দেয়। আর এই শক্তিটা যে কি তাও আমার জানা ছিল না। একটা পেন্সিল হাতে নিয়ে কেবল বসতাম—তারপর কি যে ঘটে চলেছে তা বুঝতে পারতাম না। অবশ্য এটাও ঠিক যে, আমার কান সব সময় অতিমাত্রায় সংবেদনশীল। একবার এক বান্ধবীর বাড়িতে চা পান করবার সময় আমি আমার চেতনা হারিয়ে ফেলি। আর সেই ঘরের মধ্যে সে দিন যে একটা কিছু আজব ঘটনা ঘটেছিল তা আমি জানি। পরে অবশ্য এর খবর আমরা জানতে পারি যে, বছর পঁচিশ আগে একটা লোক খুন হয়েছিলো। ঠিক এই ঘরটায়।

    আমাদের দিকে তাকিয়ে সে মাথা নাড়লো। তার আচরণে খুশির আমেজ।

    কর্নেল ডেসপার্ড খুবই ভদ্রভাবে বিরক্তি প্রকাশ করে বললো—ভারি আশ্চর্য তো!

    —অনেক অশুভ ঘটনা এই ঘরের মধ্যেই ঘটেছে। গম্ভীর ভাবে বললো সিবিল-– তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করেছি। ইহলোকে বন্দী আত্মাদের এখানে মুক্ত করা হয়েছে।

    —এক ধরনের ধর্মীয় পরিষ্কারকরণ প্রক্রিয়া। তাই না? শুধালাম।

    সন্দেহভরা দৃষ্টিতে সিবিল বরং আমাদের দিকে তাকালো।

    —আহা, কি চমৎকার রঙীন শাড়ি তুমি পড়ে আছো। রোডা বললো। সিবিল উৎসাহভরা কণ্ঠে বলে উঠলো—হাঁ ভারতবর্ষে যখন থাকতাম তখন এই শাড়িখানা পেয়েছিলাম। খুব সুন্দরভাবে জীবন ওখানে কাটিয়ে এসেছি। জানো তো ওখানে থাকাকালীন যোগব্যায়াম করতাম। আরো অনেক কিছু শিখেছি। তবে না অনুভব করে পারছি না যে এসব বিকৃত অভ্যাস—স্বাভাবিক বা আদিম কোনোও কিছুরই কাছাকাছি একেবারেই নয়। অনুভব করি যে আদিম জীবনের শুরুর অবস্থায় লোকের ফিরে যাওয়ার একটা ইচ্ছে থাকে। মুষ্টিমেয় যে কজন রমণী হাইতিতে গিয়েছে আমি তাদের মধ্যে একজন। ওখানেই কেবল তুমি ভোজবিদ্যার মূলস্রোত দেখতে পাবে। অবশ্য কিছু কিছু দুর্নীতির বিকৃতির অনুপ্রবেশ ঘটেছে। তবে ভোজবিদ্যার মূল অস্তিত্ব এখনও হাইতিতে রয়েছে।

    কয়েক মুহূর্ত থেমে সিবিল আবার বলতে লাগলো, আমার একটা যমজ বোন ছিলো সামান্য বয়সে বড়, এ কথা জানার পর বিশেষভাবে ওরা আমাকে অনেক কিছু দেখিয়ে ছিল। যমজ শিশুদের মধ্যে যেটি অন্যটির পরে ভূমিষ্ট হয় তার মধ্যে বিশেষ ধরনের শক্তির প্রকাশ ঘটে। কথাটা ওরাই আমাকে জানিয়েছিলো। খুবই আশ্চর্যজনক ব্যাপার তাই না? ওদের মৃত্যুনৃত্য বিস্ময়কর। মৃত্যুর বর্মের প্রতীক হচ্ছে মাথার খুলি আর আড়াআড়ি করে বাঁধা হাড়। এছাড়াও কবর খোঁড়ার যন্ত্রপাতি কোদাল শাবল আর বেলচা। মৃত্যু নর্তকরা পরে কবর খোঁড়ার লোকদের মতন কালো আলখাল্লা ও লম্বা টুপি …।

    সবাই নীরবে শুনছিলো।

    সিবিল আবার বলতে লাগলো—প্রধান কর্তা হচ্ছে ব্যারন সামেদি এবং লেগবা দেব তাকে জাগিয়ে তোলে আর এই দেবতাই বাধা দূর করেন। মৃত্যুকে পাঠাও মৃত্যু ঘটানোর জন্য। অলৌকিক ধারণা, তাই না?

    বলা থামিয়ে সিবিল উঠে পড়লো এবং জানলার তাক থেকে একটা জিনিস নিয়ে এসে আবার বলতে লাগলো, এটা আপনার বাদ্যযন্ত্র। একটা লাউয়ের শুকনো খোলার উপর অনেকগুলি পুঁতি বসিয়ে এটা তৈরি। আর এই টুকরোগুলো দেখছো তো মরা সাপের শুকনো মেরুদণ্ডের হাড়ের টুকরো।

    আমরা সবাই ভদ্রভাবে ওটা দেখলাম। তবে আমাদের মনে আর কোনো উৎসাহ ছিলো না।

    সিবিল কিন্তু পরম স্নেহে তার সেই বিকট খেলনাটা বাজাতে শুরু করলো।

    —ভারি মজাদার বাজনা। খুবই ভদ্রভাবে ডেসপার্ড আওড়ালো।

    তোমাদের কাছে আমি আরো অনেক কিছু বলতে পারি…।

    ঠিক তখুনি আমার মন কিছুটা বিক্ষিপ্ত হলো। সিবিল যখন ইন্দ্রজাল, ডাকিনীবিদ্যা ও তার জ্ঞানের কথা বলছিলো, আলোচনা করছিলো মৈত্রী ক্যারিফোর, কোয়া এবং গাইড পরিবার সম্বন্ধে—তখন কথাগুলো খুবই অস্পষ্টভাবে আমার কানে এসেছিলো। একসময় থিরজা বিড় বিড় করে বলতে লাগল। তুমি এই সব একদম বিশ্বাস করো না তাই তো? কিন্তু তুমি জানো যে তোমার ধারণা ভুল, তুমি কখনো প্রতিটি ঘটনাকে কুসংস্কার, বা ভয় অথবা ধর্মীয় গোঁড়ামি বলে ব্যাখ্যা করতে পারো না। প্রাকৃতিক সত্য এবং প্রাকৃতিক শক্তিসমূহের অস্তিত্ব রয়েছে। সব সময় ডাকবে।

    —মনে হয় না এ ব্যাপারে আমার প্রতিবাদ করার কোনো কারণ আছে। জবাব দিলাম।

    —তুমি একজন বুদ্ধিমান লোক, চলো আমার লাইব্রেরি দেখবে চলো।

    ওর সাথে ঘর থেকে বাগানে বেরিয়ে এসে বাড়ির পাশ দিয়ে হাঁটতে লাগলাম।

    –পুরানো আস্তাবলটায় আমার লাইব্রেরি তৈরি করেছি। থিরজা বুঝিয়ে বললো। আস্তাবল আর বাইরের একখানা বিশাল ঘর বানানো হয়েছে। একটা পুরো দেওয়াল জুড়ে তাক তাতে সারি সারি বই সাজানো। উঠে গিয়ে দেখতে দেখতে তারিফ করে জানালাম—তুমি তো অনেক দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ যোগাড় করেছ মিস গ্রে। আমার কথা, তুমি একটা মহা সম্পদ জমা করেছো।

    —করেছি তাই না?

    তাক থেকে এক একখানা বই নামিয়ে পাতা উল্টে দেখতে লাগলাম। আমাকে পরখ করছিলো থিরজা। তার মুখে চোখে খুশির ভাব। কিন্তু তার কারণ আমার বোধগম্য হলো না।

    এক সময় থিরজা বললো—সম্পদের তারিফ যে করতে পারে তার সাথে মিশতে ভালো লাগে। বেশির ভাগ লোকই তো এসব বই দেখে হাই তোলে আর না হয় হাঁ করে তাকিয়ে থাকে।

    —মনে হয়। ডাকিনীবিদ্যা এবং জাদুমন্ত্র সম্পর্কে যা কিছু জানবার আর অভ্যাস করবার পদ্ধতি আছে তা সবই এখন তোমার আয়ত্ত্বাধীন। এর চেয়ে বেশি আর কিছু নিশ্চয় নেই। আচ্ছা, এই বিদ্যায় আজ কেন সবচেয়ে বেশি তোমার আকর্ষণ? শুধালাম।

    —এত দিনের পুরানো কথা যে, এখন সবকিছু মনে করে বলা কঠিন কাজ।

    প্রথমে একটা জিনিস হেলা ফেলা ভাবে মানুষের নজরে পড়ে, শেষে সেটাই একদিন তার সমস্ত মনটা জুড়ে বসে। আর লোকজনরা সে সব বিশ্বাস করেছিলো।

    হাসলাম।

    —যা কিছু পড়ো তা সব বিশ্বাস করো না এটা জেনে খুশি হলাম।

    —হতভাগিনী সিবিলকে দেখে তুমি আমার বিচার করতে বসো না। তোমাকে বুদ্ধিমান মনে হচ্ছে। কিন্তু তুমি ভুল করছো। অনেক দিক দিয়ে সিবিল একটা বাজে স্ত্রীলোক। সে ডাকিনীবিদ্যা, পিশাচবিদ্যা আর ভোজবিদ্যাকে মিশিয়ে এক ভয়ানক অলৌকিক কাণ্ড ঘটায়। তবে সে এক শক্তির অধিকারিণী।

    —শক্তির অধিকারিণী। শুধালাম।

    —জানি না, এ ছাড়া আর কি বলবে একে তুমি…। এমন কিছু লোক আছে যারা এই সব জগতের সাথে আজব ভৌতিক শক্তির জগতের সেতুবন্ধনের কাজ করে, সিবিল তাদের মধ্যে একজন। সে একজন সেরা মাধ্যম—তার উপর ভর হয়। টাকা পয়সা রোজগার করার জন্য সে একাজ কখনও করেনি। কিন্তু তার দান ব্যতিক্রম পর্যায়ের। যখন সে আমি আর বেল্লা…।

    —বেল্লারও আছে।

    —হাঁ বেল্লারও নিজের শক্তি রয়েছে। আমাদের প্রত্যেকের শক্তির মান বিভিন্ন। এবং দলগত হিসাবে…বলতে বলতে থামলো মিস থিরজা গ্রে।

    একটু হেসে বললাম – যাদুকর লিমিটিউ তাই না?

    —এভাবে অবশ্য বলা যায়।

    তাক থেকে একখানা বই নামিয়ে ছিলাম। সেখানকার পাতা ওলটালাম—নস্ত্রাদাম এবং তার ভবিষ্যদ্বাণী সমূহ।

    শান্ত কণ্ঠে শুধালাম—এ বইতে যা লেখা আছে তা কি বিশ্বাস করো?

    বিশ্বাস করি না। আমি জানি। বিজয়িনীর মত সে বললো।

    তার দিকে তাকিয়ে আবার শুধালাম—কিন্তু কেন? কোনো ভাবে? আর কি কারণে?

    হাত তুলে বইয়ের তাকগুলো দেখিয়ে সে বলতে লাগলো। এই যে এগুলো। এগুলোর মধ্যে রয়েছে কত গোঁজামিল, কত বাজে কথা। চমৎকার সব হাস্যকর নির্বাচিত শব্দের প্রয়োগ। লোকের মন জুড়ানোর জন্য এদের উপর খোসা জড়ানো থাকে। তুমি এবার খোসা ছাড়িয়ে নাও।

    —তোমার কথা বুঝতে পারছি বলে মনে হয় না।

    দেখো বন্ধু কেন যুগে যুগে মানুষ যাদুকরের কাছে, ঐন্দ্রজালিকের কাছে, ডাকিনীবিদ্যার চিকিৎসকের কাছে ছুটে এসেছে? এর সত্যিকারের দুটো কারণ রয়েছে। দুটি বস্তু লাভের ভয়ানক কামনায় তারা এই নরক ভোগের ঝুঁকি নিয়েছে। প্রেম রূপ বিষের পেয়ালা অথবা পেয়ালা ভরা বিষের জন্য তাদের এই কামনা।

    তাই তো তারা আসে।

    —আহা-

    —কত সরল, তাই না? প্রেম…অথবা মৃত্যু। যাকে মানুষ চায়, ভালোবাসে, কামনা করে তাকে পাওয়ার জন্য ঐন্দ্রজালিকের আশ্রয় নেয়—প্রেমের সফলতার জন্যই প্রক্রিয়া। পূর্ণিমার রাতে শুধু একবার মাত্র চুমুক দেওয়ার প্রক্রিয়া। সঙ্গে সঙ্গে শয়তান অথবা ভৌতিক বিদ্রোহী আত্মার নামোচ্চারণ। মেঝের উপর বা দেওয়ালের গায়ে খড়ির নমুনা অঙ্কন। এ সবই জানলা ঢাকার কসরৎ।

    এই এক ঢোক পানের আড়ালে যে সত্য রয়েছে তা হচ্ছে নারীসঙ্গমের মাধ্যমে তৃপ্তিলাভের কামনা।

    —আর মৃত্যু? শুধালাম।

    —মৃত্যু! এক ধরনের আজব মৃদু হাসি ফুটে উঠলো আর সেই হাসি দেখে আমার মন অস্বস্তিতে ভরে গেলো।

    থিরজা শুধালো—তুমি কি মৃত্যু সম্বন্ধে জানতে আগ্রহী?

    —কে নয় আগ্রহী? হালকা ভাবে জবাব দিলাম। আমার দিকে তীক্ষ্ণ, সন্ধানী দৃষ্টি নিক্ষেপ করে থিরজা বললো—অবাক হচ্ছি!

    অবাক হয়েও আমি তাকিয়ে ছিলাম।

    —মৃত্যু। এই পাওয়ার লড়াইয়ে প্রেমের সাফল্যের চেয়ে মৃত্যুর পাল্লাটাই বেশি ভারি। এবং তবুও অতীতে কত না ছেলেমানুষি ঘটনা ঘটেছে। এই ধর বরজিয়া সম্প্রদায় মানুষরা আর তাদের সেই বিখ্যাত গোপন বিষের কথা। জানো কি সত্যিই তারা কি কাজে এই বিষ ব্যবহার করতো? সাধারণতঃ এটা হচ্ছে সাদা আর্সেনিক বিষের গুঁড়ো। বস্তির রাস্তার সাধারণ বউরা এমন বিষের গুঁড়ো ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু এ অবস্থা থেকে আমরা এখন অনেক দূরে এগিয়ে এসেছি। বিজ্ঞান আমাদের জ্ঞানের সীমাকে বর্ধিত করেছে।

    —চিহ্ন নজরে পড়ে না এমন বিষগুলো সম্বন্ধে?

    —বিষ। ও কিছু না। ছেলেখেলার জিনিস। এখন নূতন দিগন্তের উদ্ভব ঘটেছে।

    —কি সেটা?

    —মন। মন যে কি সেই জ্ঞান-মন কি করতে পারে—মনকে দিয়ে কি করানো যায়।

    —দয়া করে আরো বলো। খুবই আকর্ষণীয় কথা বলছো তো।

    —মত এবং পদ্ধতি সুপরিচিত। আদিম সমাজে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চিকিৎসকরা এই পদ্ধতির ব্যবহার করে আসছে। যাকে তুমি হত্যা করতে চাও তাকে তোমার খুন করার প্রয়োজন নেই। তোমাকে কেবল একটা কাজ করতে হবে—তাকে বলো নিজেই মরা।

    —মৃত্যুর ওঝারা বা ভবিতব্য? কিন্তু উদ্দিষ্ট হবু নিহত ব্যক্তি যদি ইঙ্গিতে বিশ্বাস না করে তাতে কাজ হয় না।

    —তুমি বলছো ইউরোপবাসীর মনের উপর এই ইঙ্গিত কোনো কাজ করে না। আমার বক্তব্যকে সে সংশোধন করতে চাইলো–মাঝে মাঝে কাজ করে। কিন্তু যুক্তিটা তা নয়, ডাইনী ওঝারা যতদূর পর্যন্ত কখনও যায়নি আমরা আলোচনা করতে করতে সেখানে পৌঁছে গেছি। মনঃসমীক্ষকরাই আসলে পথ দেখিয়েছেন। মৃত্যুর জন্য আকাঙ্ক্ষা। প্রত্যেক মানুষের মনে এই আকাঙ্ক্ষা বিরাজ করে। এর উপরই কাজ করে। বিচার বিশ্লেষণ করে মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে।

    —এটা খুবই আকর্ষণীয় ধারণা। আমার বৈজ্ঞানিক জিজ্ঞাসু মৃদু স্বরে জানানো, তোমার বশীভূত মানুষটিকে আত্মহত্যা করার জন্য প্রভাবিত করতে হবে? এটাই কি বলতে চাইছ?

    —তোমার চিন্তা এখনও পেছনে পড়ে রয়েছে। আচ্ছা মূর্ছা রোগের কথা কি শুনেছো?

    —নিশ্চয়।

    —কাজে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা এড়াবার জন্য যে সব মানুষের গোপন অবচেতন মনে একটা ইচ্ছা জাগে তাদের মধ্যেই সত্যিকারের অসুস্থতা দেখা দেয়। এটা ভালো নয়—লক্ষণসহ, প্রকৃত দৈহিক যন্ত্রণাসহ সত্যিকারের রোগ। বহুকাল এটা চিকিৎসকদের কাছে একটা সমস্যা।

    ধীরে ধীরে বললাম—তুমি যে কি বলছো তা বুঝতে পারছি না।

    —তোমার বশীভূত মানুষটিকে ধ্বংস করতে হলে তার গোপন অবচেতন মনে শক্তির অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে দাও। আমাদের প্রত্যেকের মনের মধ্যে যে মৃত্যুর আশঙ্কা বিরাজ করছে তাকে উত্তেজিত উজ্জীবিত করে তুলতে হবে। থিরজার মনেও উত্তেজনা ক্রমে ক্রমে বাড়ছিলো। বলতে লাগলো—দেখতে পাচ্ছো না? মৃত্যু সন্ধানী আত্মার জন্যই সত্যিকারের অসুস্থতা তার দেহ মনে প্রবিষ্ট হবে। তুমি অসুস্থ হতে চাও। তুমি মরতে চাও—আর তাই তুমি অসুস্থ হয়ে পড়বে, মারা যাবে।

    এবার বিজয়িনীর ভঙ্গিতে সে মাথা ঝাঁকিয়ে সোজা হলো। সহসা আমার ভিতরটা ঠান্ডা হয়ে এলো। অবশ্য এসবই বোকামি। এই স্ত্রীলোকটির মধ্যে রয়েছে একটু ক্ষ্যাপামি… এবং তবুও…।

    আচমকা সে হেসে উঠলো। শুধালো—তুমি বোধ হয় আমার কথা বিশ্বাস করতে পারছো না, তাই না?

    —মিস গ্রে, এটা একটা জাদু করা তত্ত্বকথা – আধুনিক চিন্তাধারার সঙ্গেও এর মিল রয়েছে। তুমি কিভাবে উজ্জীবিত করে তুলবে তা প্রস্তাব করছো?

    —ওটা আমার একান্ত গোপনীয় প্রস্তাব। এটা একটা পথ। একটা উপায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }