Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. ভৌতিক প্রতিচ্ছবি

    ভৌতিক প্রতিচ্ছবি

    কারোর চুরুট চাওয়ার পর আমি চকিতে লোকটার দিকে ফিরে তাকালাম। পরক্ষণেই আমি ওকে চিনতে পারলাম। বছর পঁয়ত্রিশ-এর ব্রিসবেন। মাথায় জফুটের মতো, হয়তো একটু বেশি হবে। বেশ দোহারা চেহারাটি, বেশ চওড়া কাঁধ। হাতের পেশী এত শক্ত যে বাদাম ভেঙে ফেলতে পারে। বুকটা ইস্পাতের মতো কঠিন। ভেতর থেকে খুবই শক্তিশালী। আয়ত নীল চোখ, খাড়া নাক এবং পাতলা গোঁফ, পরিষ্কার চিবুক, সব মিলিয়ে চেহারাটা পুরুষালী। ব্রিসবেন যখন কথা বলে তখন সবাই একমনে তার কথা শোনে।

    সে বলছিল যে, সে সমুদ্র ভীষণ ভালোবাসে। সে একজন ভদ্রলোককে জানত যে বিশেষ একটা বাস ধরার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা ব্রডওয়েতে অপেক্ষা করতো। সেও তার মতো আটলান্টিক পাড়ি দেবার জন্য একটা বিশেষ জাহাজের জন্য অপেক্ষা করতো। সেটার নাম ছিল কামশ্চাকা। সেটা তেমনি বড় এক সুন্দর। নানা ধরনের সুযোগসুবিধা ও অসম্ভব দ্রুতগতির জন্য সেটা তার প্রিয় ছিল। জীবনে একবারই তার সঙ্গে কামশ্চাকা বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। তারপর থেকে আর তার ছায়া মাড়ায়নি।

    গ্রীষ্মের এক উষ্ণ সকালে যে কোন কারণে দেরী করে ফেলে। তখন জাহাজ ছাড়তে মাত্র কয়েক মিনিট বাকি। আসন না থাকলেও পূর্ব পরিচয়ে সে একটা টিকিট জোগাড় করে। একজন পরিচিত স্টুয়ার্ট দেখে মাঝপথে ধরতে সে বলল, ১৩৫ নং বার্থ।

    বিস্ময়ে একেবারে স্তব্ধ হয়ে স্টুয়ার্ট মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর আমার পোর্টমানটা ও লম্বা কালো ওভারকোট আর কম্বলটা তুলে নিলো। তার মুখের অভিব্যক্তি সে কোনোদিন ভুলবে না। তাকে দেখে তার মনে হলো যে সে হয়তো কেঁদে ফেলবে নয়তো আমার হাত থেকে পোর্টমানটা ফেলে দেবে। কেঁদে ফেললে কিছু হবে না কিন্তু পোর্টমাল্টা ফেলে দিলে খুবই ক্ষতি হবে। কেননা ওর মধ্যে তার বন্ধু বান পিকিনসের দেওয়া দুবোতল শেরী আছে।

    এগিয়ে ও নিচু গলায় বলল যে, আসুন আমি দেখিয়ে দিচ্ছি। হারমিস যেন একটা নেশার ঝোঁকে রয়েছে। আমি নিঃশব্দে ওকে অনুসরণ করলাম, ১৩৫ নং বার্থটা জাহাজের পেছনে বাঁ-পাশে, অন্যান্য জাহাজের নিজস্ব বা নিভৃত কেবিনগুলো যেমন হয় এটা ঠিক সেই রকম। এতে উল্লেখযোগ্য কোনো বৈশিষ্ট্য নেই।

    এটা নিচের বার্থ তাই চওড়া বেশি ওপরের বার্থের থেকে। এখানে বহুবার যাতায়াত করেছি, কখনও নিচের কেবিনে থাকতে হয়নি। আমার মনটা প্রথম থেকেই খিঁচড়ে ছিল, সমুদ্র ঝঝির সোঁদা গন্ধে আমার দম বন্ধ হচ্ছিল।

    লটবহর নামিয়ে হারমিস এমন মুখ করে তাকিয়ে ছিল যেন তার খুব দরকারী কাজ আছে। আমি তাকে ভালো বকশিস দিতে সে বলল যে, সে ভালো বার্থের জন্য চেষ্টা করবে। মুদ্রাটা পকেটে পুরতে তার মুখটা এমন হলো যাতে আমি অবাক হলাম। মনে মনে ভাবলাম যে হয়তো ওদের বকশিসের হার বেড়ে গেছে তাই ও সামান্য কটা টাকায় খুশী হয়নি। আমার মনে হলো মাল পেটে পড়লে ওর মেজাজটা ঠিক হবে। কিন্তু আমার অনুমান যে কত ভুল ওর প্রতি যে অবিচার আমি করেছিলাম।

    সারাদিনে উল্লেখযোগ্য কোনো ঘটনা ঘটলো না। আমরা বন্দর ছেড়ে যাত্রা শুরু করি। আবহাওয়া ভারী চমৎকার ছিল। যাত্রার প্রথম দিন সবাই সমুদ্রকে ভালোবাসে এবং হালকা পায়ে ঘুরে বেড়ায়। টেবিলে আড্ডা বসেছিল আবার ফাঁকাও হলো। ফায়ার আইল্যাণ্ড পেরোবার পর ভারী চমৎকার একটা ঝিরঝিরে হাওয়া বইছিল। চোখে পড়ছিল তিমি ও ভাসমান তুষার শিলা। কিন্তু যারা আটলান্টিক বহুবার পার করেছেন তাদের কাছে এসব কোনো নতুন মনে হবে না। তাদের কাছে সব চাইতে আনন্দদায়ক ডেকের কুর্সিতে গা এলিয়ে ধূমপান করা।

    সেদিন ভীষণ ক্লান্তি বোধ করাতে নিচের কেবিনে আসতে আমার কেবিনে আর একজন সহযাত্রীর দেখা পেলাম, যার আমার মতো একটা পোর্টমানটা রয়েছে, ওপরের বার্থে সুন্দর করে গোছানো একটা ভাঁজ করা কম্বল, ছড়ি আর ছাতা। আমার স্বাধীনভাবে যাওয়া হবে না ভেবে দুঃখ পেলাম।

    আমি ডাকলাম লোকটা কখন ঢুকল, এবং ঢুকলো যখন এত তাড়াতাড়ি কি করে ঘুমিয়ে পড়লো। দেখে মনে হলো যে লোকটা বেশ লম্বা, রোগা, ফ্যাকাশে চেহারা। বালি রঙের কটা চুল, ধূসর চোখ। পুরানো ধাঁচের একটু বেশি পোশাক পরা, সব মিলিয়ে ভদ্রলোকের উপস্থিতি যেন কেমন সন্ধিগ্ধ।

    এইধরনের চরিত্রের বাস ওরাল কীটে, আঙ্গলাইসে যে একের পর এক শ্যাম্পেন উড়িয়ে চলেছে। এই ধরনের চরিত্রের সঙ্গে প্রায়ই দেখা হবে ঘোড়দৌড়ের মাঠে, এধরনের দুটো-একটা চরিত্রকে আমি এড়িয়ে চলাই পছন্দ করি। আমি ওর আগে শোবো, এবং ওর পরে উঠবো বা তার বিপরীত কাজ করবো। কারণ ওর সঙ্গে আলাপ করার আমার প্রবৃত্তি নেই। দূর থেকে ওর কার্যবিধির ওপর নজর রাখব। তা করতে হয়নি কারণ প্রথম রাতের পর ১০৫ নং, ওকে দেখিনি।

    বেশ গাঢ় ঘুমোচ্ছিলাম। হঠাৎ মাঝখানে এটা প্রচণ্ড শব্দে ঘুম ভেঙে গেল। শব্দ শুনে মনে হলো যে আমার সহযাত্রী ওপরের বার্থ থেকে মেঝেতে লাফিয়ে পড়েছে। পরক্ষণেই ছিটকিনি খোলার শব্দ শোনা গেল। সঙ্গে সঙ্গে দরজা খোলার আওয়াজ। তারপর প্যাসেজে দ্রুত ছুটে যাওয়া পায়ের শব্দ কানে এলো। কেন জানি না জাহাজটা বেশ জোরে দুলছিল এবং প্রতি মুহূর্তে মনে হচ্ছে এই মুহূর্তে হুমড়ি খেয়ে পড়বে। জাহাজের ক্যাচকেচে আওয়াজ আমাদের উত্যক্ত করে তুললো। তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে উঠে আমি দরজা ভেজিয়ে শুয়ে পড়লাম। অনেকক্ষণ ঘুমিয়ে আমি উঠলাম। যখন উঠলাম তখন বেশ অন্ধকার।

    বেশ স্যাঁতসেতে আবহাওয়া–আমার শীত করতে লাগল। আমি ভাবলাম যে কাল ক্যাপ্টেনের কাছে প্রতিবাদ জানাব যে সমুদ্র ঝঝির গন্ধের জন্য। আমি সহযাত্রীর আওয়াজ শুনতে পেলাম এবং তার জন্য আমি কিছু করলাম না কারণ আমি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলাম।

    ঘুম ভাঙল পরের দিন ভোরে। জাহাজটা ভীষণ দুলছিল। বেশ ঠান্ডা লাগছিল। কিন্তু জুন মাসে কেন যে এত শীত করছিল কে জানে। কম্বলের ভেতর দিয়ে পোর্টফোলিওর দিকে তাকাতে অবাক হয়ে গেলাম। ওটা খোলা ছিল। আমি বন্ধ করে ওপর দিকে তাকিয়ে দেখলাম সেই ভদ্রলোক মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছেন। আমি এই সুযোগে কেটে পড়তে চাইলাম। তাই আমি তাড়াতাড়ি পোশাক পাল্টে ডেকে চলে এলাম। তখন সাতটা বাজে। দেখলাম, এক ডাক্তার রেলিং-এ ভর দিয়ে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে আছেন। যিনি জাতিতে আইরিশ। কালো চুল এবং টলটলে নীল দুটো চোখ।

    তার সঙ্গে আমার কথা হচ্ছিল। আমি যখন বললাম ১০৫ নং বার্থের ওই স্যাঁতসেতে ঘরটা আমার; তখন তিনি যেভাবে দেখলেন সেটা একটা অদ্ভুত লাগল। ডাক্তার বললেন যে, নিচের ওই কেবিনটা সম্পর্কে অনেক অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। আমি বললাম এই নিয়ে আমারও অভিযোগ কম নয়। যে এইখানে আলো বাতাস অত্যন্ত কম। অবশ্য ডাক্তার আমাকে ভয় পাওয়াতে চাইছিলেন না। স্যাঁতসেতে কুয়াশায় আমার খুব একটা অসুবিধা হবে না। ডাক্তার আমাকে সহযাত্রী সম্পর্কে প্রশ্ন করলে আমি বললাম যে, একজন ছিলেন, তবে তাকে ঠিক সুবিধার মনে হচ্ছিল না। সে মাঝ-রাত্তিরে দরজা খুলে বেরিয়ে গেছিল।

    ডাক্তার বললেন যে সে কি আবার ফিরে এসেছিল। আসলে আমি দেখিনি কেননা শীতে আমি কম্বলের নিচে ছিলাম। সকালে উঠে আমি পোর্টফোলিওটা খোলা দেখি।

    ডাক্তার বললেন যে, সম্প্রতি নানাকারণে জাহাজটির দুর্নাম ঘটেছে এবং তিনি আমাকে তার কেবিনে যেতে অনুরোধ করলেন।

    আমি অবাক হলাম জাহাজ সম্পর্কে ওভাবে বলাতে। আমি ডাক্তারবাবুকে ধন্যবাদ জানালাম। আমার জানতে ইচ্ছে করছিল তিনি কেন জাহাজ সম্পর্কে এটা বললেন। তবে ঘর ঝাড়পোছ করে বাস করতে আমি আগ্রহী ছিলাম। আমি জিজ্ঞাসা করছিলাম যে, কেন তিনি একথা বললেন?

    তিনি বললেন যে, সমুদ্র মানুষকে সংস্কারবাদী হতে সাহায্য করে। এর আগে তিনজন যাত্রী তিনবার ১০৫ ঘরে ঘুরিয়ে থাকার পর আত্মহত্যা করেছে।

    মনে মনে আমি একটু অবাক হলাম। কিন্তু তিনি ঠাট্টা করছিলেন না, বরং গভীর চিন্তায় ভরা মুখটা কাঁপছিল। আমি তার প্রস্তাবে আগ্রহী হলাম না। কেবিনে থেকে যারা আত্মহত্যা করেছেন তাদের থেকে যে আমি আলাদা এটা প্রমাণ করতে চাইছিলাম। ডাক্তার প্রতিবাদ না– করে প্রস্তাবটা একবার বিবেচনা করতে চাইলেন।

    প্রাতঃরাশের সময় একটা বই নিয়ে আমার জন্য তিনি নিচের কেবিনে গেলেন। দেখলাম উপরে বার্থের পর্দাটা আগের মতো টাঙানো রয়েছে। কোনো শব্দ পাচ্ছিলাম না। আমি বইটা নিয়ে আসছিলাম, ভদ্রলোক ঘুমোচ্ছেন ভেবে! জাহাজের ক্যাপ্টেনে আমায় ডেকে বললেন যে আমার সহযাত্রীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমার মনে হলো ভদ্রলোক সমুদ্রে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন। এটা ক্যাপ্টেনকে বলতে তিনিও সহমত হলেন। কারণ এটা নিয়ে চারজন হলো। আমি আগের দিন রাত্রির ঘটনাটা তাকে বললাম। ক্যাপ্টেন বললে যে, তিনজনের মধ্যে যে দুজন যাত্রী আছে তাদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হলেন। ওরা মাঝ-রাত্তিরে দরজার ছিটকিনি খুলে প্যাসেজ দিয়ে ছুটতে শুরু করেন। জাহাজ থামিয়ে নৌকা থামিয়ে হদিশ পাওয়া যায়নি। গত রাত্তিরের ভদ্রলোক সম্পর্কে কেউ কিছু দেখতে বা শুনতে পায়নি। রবার্ট বা একটু আগে যে স্টুয়ার্টটি আমায় ডেকে আনল সে অত্যন্ত কুসংস্কারবাদী। তার ধারণা জাহাজে অদ্ভুত কিছু ঘটেছে। সকালে নিচের কেবিনে পরিষ্কার করতে গিয়ে সে সেটা ফাঁকা দেখে। কিন্তু ওর ধারণা জাহাজে অদ্ভুত কিছু ঘটেছে যার জন্য লোকটি নেই।

    ক্যাপ্টেন আমাকে বললেন যে, জাহাজ সম্পর্কে একটা গুজব রটেছে যে এই জাহাজে যাত্রীরা আত্মহত্যা করছে। কিন্তু আপনি এ ব্যপারটা কারোকে জানাবেন না। এই খবর শুনলে যাত্রীরা চঞ্চল হয়ে উঠবে। তাই আপনি জাহাজের কর্মচারী কেবিনে থাকতে পারেন, এরজন্য আপনাকে একটুও কুণ্ঠিত হতে হবে না।

    ক্যাপ্টেনকে জানালাম, আপনার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমি বললাম যে, সহযাত্রীর জিনিষগুলো সরিয়ে যদি ঘরটা পরিষ্কার করা হয় তাহলে আমি স্বচ্ছন্দে এখানে থাকতে পারব। সহযাত্রীর কথা কারোকে বলব না।

    অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও আমি ক্যাপ্টেনের সিদ্ধান্ত মেনে নিলাম না।

    সন্ধেবেলায় ডাক্তার আমার মত না পাল্টানোর কথা শুনে খুশী হলেন না। আমি কেবিনে ঢুকে একটা অস্বস্তি বোধ করতে লাগলাম। আমার সহযাত্রীর মুখটা যেন বারবার মনে হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল খুঁজলে তাকে জাহাজের কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে। আমি পোশাক পাল্টানোর সময় হঠাৎ পোর্টফোলিওটা খোলা দেখলাম। দেখে মেজাজ যেন সপ্তমে চড়ে গেল। তখন আমি স্টুয়ার্ট রবার্টের খোঁজে নিচে নামলাম। আমি তাকে ধিক্কার জানিয়ে বললাম যে, জাহাজ যদি রাত্রিতে একপাশে কাত হয়ে থাকে এবং প্রচণ্ড ঢেউয়ে যদি জল ঢুকতে থাকে তখন ১০টা লোক আপ্রাণ চেষ্টা করে এটা বন্ধ করতে পারবে না। আমি তোমার নামে ক্যাপ্টেনের কাছে নালিশ করব।

    রবার্ট বলল যে এ জাহাজে কেউ এ পোর্টফোলিওটা রাত্তিরে বন্ধ করে রাখতে পারে না। পেতলের ভারি ছিটকিনি দিয়ে আটকালে?

    রবার্ট বলল, আপনি নিজে দেখুন ঠিক আছে কিনা। রর্বাট বলল যে, রাত্রিতে এটা আপনা থেকে খুলে যায়।

    আমি বললাম, তাই যদি হয় তাহলে আমি তাকে এক পাউণ্ড বকশিস দেব। আমি রবার্টের কথা বিশ্বাস করলাম না। ব্যাপারটা আমি ওর চালাকি বুঝলাম। মিনিটের মধ্যে পোশাক পাল্টে আমি শুয়ে পড়লাম। নানারকম চিন্তা আসছিল মাথায়–এফোড় ওফোঁড় হয়ে ভাবছি এবং প্রায়ই আমার চোখ পোর্টফোলিওর দিকে পড়ছে।

    ঘন্টা-দেড় ঘন্টা নাগাদ একটা ঝিমুনির মতো এলো এবং একটা ঠান্ডা বাতাসে যেন উড়িয়ে দিল। আমার গায়ে সমুদ্রের জলের ছাট লাগল। চমকে উঠে বসতে গিয়ে লাফিয়ে নামতে যাব, হঠাৎ জোর আছাড় খেয়ে গদিমোড়া কুসিটায় পড়লাম, ওটা পোর্টফোলিওর নিচে ছিল। আমি দেখলাম পোর্টফোলিওটা খোলা।

    কিছুটা শ্রান্তি জড়ানো থাকলেও ঘুম চোখ থেকে উধাও হয়েছিল। পরের দিন দেখলাম ব্যাপারটা ঠিক নয়। এটা খোলা দেখতে আমি ভয় পেলাম না অবাক হলাম। আমি বুঝতে পারছিলাম না। আমার মাথায় ঢুকছিল না কিভাবে এটা খুলল। তাছাড়া কাঁচের মধ্যে দিয়ে তাকিয়ে দেখলাম যে সফেদ ঢেউগুলো এমন কিছু উত্তাল নয় যে চাপে খুলে যাবে। জানালাটা খোলে কিনা দেখার জন্য চুপচাপ দাঁড়ালাম।

    কিছুক্ষণ পর একটা অস্ফুট চাপা গোঙানি শুনতে পেলাম। চকিতে ঘুরে ওপারের বিছানার পর্দা সরিয়ে হাত বোলাতেই বুঝতে পারলাম কে যেন শুয়ে আছে। যেন হিমঘরের মতো হাতটা। সমুদ্র ঝঝির থেকে একটা আঁঝালো গন্ধ ভেসে এলো। মানুষের হাতের মতো জিনিষটা মসৃণ, বরফের মতো ঠান্ডা। হাতটা ধরে টানতেই পার্থিব শক্তিতে প্রচণ্ড জোরে লোকটা মেঝেতে আছড়ে ফেললো। ভয় পাবার আগে অচেনা লোকটা দরজা খুলে বিদ্যুৎবেগে ছুটতে শুরু করল, সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে আমি ওকে অনুসরণ করলাম। ঠিক আগে জাহজের পেছন দিয়ে ছায়ামূর্তি ছুটে যাচ্ছে। পরক্ষণে ছায়াটাকে কোথাও দেখতে পেলাম না। শুনতে পেলাম না জলে ঝাঁপ দেওয়ার শব্দ, আমি খুব ভয় পেয়েছিলাম।

    কোনোরকমে কেবিনে ফিরলাম। দেশলাই হাতড়ে হাতড়ে জ্বালিয়ে দেখলাম পোর্টফোলিওটা খোলা বুকের ভেতরের আতঙ্কে শরীরে কেঁপে উঠল। যেটা আগে কখনও অনুভব করিনি। বার্থটা খুব ভালো করে পরীক্ষা করলাম। ভালো করে দেখার জন্য পর্দাটাকে টেনে সরালাম। বিছানা শুকনো হাড়ের মতো খটখটে ছিল। পোর্টফোলিওটা বন্ধ করে ছিটকিনি লাগালাম এবং শক্ত ও কাঠের লাঠিটাকে পেতলের গর্তের মধ্যে গুঁজে দিলাম। সারা রাত আলো জ্বালিয়ে পাহারা দেবার ভঙ্গিতে বসে রইলাম। রাত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেনি।

    ভোরের আলো ফুটে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পোশাক পাল্টে ডেকে চলে এলাম। সমুদ্রের উপর ঠান্ডা বাতাস বুক ভরে নিলাম।

    ডাক্তার আমার মুখের অবস্থা দেখে বুঝতে পারলেন যে রাতে আমার ভালো ঘুম হয়নি। তাই তিনি আমায় ঔষধ দিতে চান। তিনি আমার কথা অবিশ্বাস করলেন না বরং আমি যে তার কথা বিশ্বাস করি এটা তিনি বললেন। তাকে আমি আমার কেবিনে থাকতে বললাম। সে বলল, ভূতের সঙ্গে লড়ার দুঃসাহস আমার নেই।

    ডাক্তারবাবু বলতে চান জাহাজে এমন কেউ নেই যার সঙ্গে আমি আমার কেবিনে থাকতে পারব। আমি কিন্তু একটি রাত একা কাটাতে চাই। এরজন্য আমি ক্যাপ্টেনের শরণাপন্ন হলাম। তাকে বললাম যে যদি আলোগুলো তিনি জ্বালিয়ে রাখেন তাহলে আমি একাই চেষ্টা করব। ক্যাপ্টেন বললেন যে, তিনি সহযোগিতা করবেন। তার ধারণা কোনো বদমাইশ লোক নিচের কেবিন থেকে অদ্ভুত কাণ্ড ঘটাচ্ছে এবং যাত্রীদের মনে আতঙ্ক তৈরি করছে।

    এই আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ক্যাপ্টেনকে ধন্যবাদ জানালাম। তিনি একটা ছুতোর দিয়ে বিছানাপত্তর খুলে কাঠের স্ক্র খুলে ভালো করে পরীক্ষা করলেন। কোন জায়গায় তক্তা খুলে গেছে, তাও পোলাম না। পোর্টফোলিওর কোথাও ত্রুটি নেই।

    শর্তানুযায়ী রবার্ট টাকা দিল। ছুতোরটি আমায় বলল যে, চার-চারটে তাজা প্রাণ নষ্ট হয়ে গেছে। মিছিমিছি দেরি না করে যেন আমি অন্য কেবিনে যাই। আমি গণ্ডা তিনেক ভ্রু দিয়ে দরজা সেঁটে দিচ্ছি।

    আমি এটা করব একটা রাত, বললাম। রাত দশটায় ক্যাপ্টেন আমার ঘরে এলেন। তিনি সবদিক নিরীক্ষণ করলেন এবং মউজ করে চুরুট জ্বালালেও, ভেতরে অন্ধকার থাকার জন্য দেওয়ালে লণ্ঠন ঝুলিয়ে রাখলাম। এখান থেকে কোনো মানুষের ঢোকা বা বেরুনো সম্ভব নয়, যদি তা ঘটে মনে হবে তা অতিপ্রাকৃতিক কিছু।

    ক্যাপ্টেন বললেন যে এই কেবিনের ওপরের বার্থে যে ভদ্রলোক ছিলেন তিনি পাগল হয়ে যান। সারাদিন তিনি চুপচাপ থাকতেন। একদিন হঠাৎ সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন। আমরা জাহাজ থামিয়ে নৌকা নামিয়ে তার কোনো খোঁজ পেলাম না। ভদ্রলোক পাগল ছিলেন বলে কোনো ঝামেলায় পড়তে হয়নি। এর পর দ্বিতীয় ঘটনাটা ঘটল। শোনা যায় পোর্ট জোন থেকে গলগল করে জল ঢুকছে। অনেক কষ্ট করে তা যদিও বন্ধ করা গেল গন্ধটাকে তাড়ানো গেল না।

    আমি বললাম সকালে গন্ধটা ছিল না কিন্তু হঠাৎ আবার পাওয়া যাচ্ছে। হঠাৎ লণ্ঠনটা নিভে গেল। তখন জাহাজটা দুলছে। হঠাৎ কি হলো আমরা দেখতে যাব। হঠাৎ আর্তনাদ করে পোর্টজোনের দিকে ছুটে গেলাম। ক্যাপ্টেনকে সাহায্য করার জন্য আমরা প্রাণপণ শক্তিতে পোর্টহোলকে ঠেলে রাখার চেষ্টা করলাম। প্রচণ্ড ধাক্কায় আমি কুর্সিটার উপর ছিটকে পড়ি এবং ক্যাপ্টেনকে দরজার গায়ে আছড়ে ফেলল যেন কেউ।

    আমরা দেখলাম পোর্টহোলটা খোলা। উপরের বার্থে যেন কিছু দেখা যাচ্ছিল।

    উপরের বার্থে দেখা গেল যেন দীর্ঘদিন জল ঢুকে থাকা ঠাণ্ডা ও মসৃণ। দুর্মর শক্তিতে পিছোল হাতটাকে আমি আঁকড়ে রাখলাম। পলকের জন্য ভয়ঙ্কর দুটো চোখ অন্ধকারে জ্বলে উঠল, অসহ্য যন্ত্রণায় আমি ঝাঁকিয়ে উঠলাম, একটা ছায়ামূর্তি দরজার দিকে গেল। ক্যাপ্টেনকে সরিয়ে দিয়ে, ক্যাপ্টেন আগে থেকে তৈরি থেকে তাকে একটা ঘুসি মারতেই তিনি শক্ত মেঝেতে পড়ে গেলেন।

    আমি আঁৎকে উঠলাম, নিঃশব্দ, মনে হলো ছায়ামূর্তিটা দরজার সামনে দাঁড়ানো এবং পোর্টহোল দিয়ে বেরিয়ে গেল।

    হাতটাতে যন্ত্রণা হচ্ছিল। কোনোরকমে আলো জ্বালোম। ক্যাপ্টেন আঘাতে খুব ভয় পেয়েছিলেন। তাকে জলের ঝাঁপটা দিয়ে সুস্থ করা হলো।

    এর পরে ঘটনা সংক্ষিপ্ত। সমুদ্রযাত্রায় বাকি পথটা ডাক্তারের কেবিনে পাড়ি দিতে হলো। ডাক্তার ওষুধ দিয়ে সারালেন এরপর জাহজের ১০৫ নং বার্থ সর্বকালের জন্য বুক করা হলো এই বলে যে আমরা দুঃখিত ওটা আগে থেকে ভর্তি হয়ে গেছে। বার্থটা জলে ডুবে আত্মহত্যা করা ওই বিদেহী আত্মার জন্য সুসংরক্ষিত। তবে আমি আর কখনও কামশ্চাকায় উঠিনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }