Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দি পেল হর্স – ১৭

    সপ্তদশ অধ্যায়

    —তুমি কি থিরজার ভর দেখতে যাবে নাকি? রোডা জানতে চাইলো।

    —কেন যাবো না?

    —এ ধরনের জিনিস দেখার আগ্রহ তোমার আছে তা কখনো আমি ভাবিনি মার্ক।

    — আমি ঠিক সত্যিকারের আগ্রহী নই। কিন্তু ওই তিন মহিলা কি আজব কাজকর্ম করে সেটাই আমি দেখতে চাই। বললাম।

    আলোচনাটা হালকাভাবে উড়িয়ে দেবো ভেবেছিলাম কিন্তু সম্ভব হলো না। বাঁকা চোখে দেখলাম হাপু ডেসপার্ড চিন্তিত মুখে আমার দিকে তাকিয়েছিলো। লোকটি খুব ধূর্ত আর দুঃসাহসিক জীবনে অভ্যস্ত। বিপদের অনুমান করতে তার ষষ্ঠেন্দ্রিয় খুবই তীক্ষ্ণ হলো। মনে হলো, লোকটা বিপদের আঁচ পেলো, কৌতূহল নয়, এর সঙ্গে নিশ্চয় আরো কিছু জড়িত।

    —তাহলে আমি তোমার সাথে যাবো, মার্ক। আনন্দিত কণ্ঠে বললো রোডা, সব সময় ওখানে যাওয়ার ইচ্ছে হয় আমার।

    —না, এ ধরনের কোনো কিছু করবে না, রোডা। গর্জন করলো ডেসপার্ড।

    —কিন্তু এসব মৃত আত্মাকে আমি একটুও বিশ্বাস করি না। তুমি তো জানো, শুধু তামাসা দেখার জন্য যাচ্ছি। বললো রোডা।

    ডেসপার্ড বললে—এধরনের কাজকর্ম কিন্তু তামাসা নয়। এর মধ্যে সত্যও কিছু আছে কিন্তু যারা কেবল কৌতূহল দেখতে ওখানে যায় তাদের উপর এই কাজকর্ম প্রভাব বিস্তার করে।

    তাহলে মার্ককেও বোঝাও যাতে না যায় ওখানে।

    মার্কের দায়িত্ব ভার তো আমার উপর নেই।

    বিরক্ত হলেও নিজের মন থেকে বিরক্তি দূর করে রোডা আমার সঙ্গে হাজির হলো পেল হর্সে।

    সে দিনই এক প্রহর বেলায় গ্রাসের পথে থিরজা গ্রের সাথে সহসা দেখা হলো।

    আমার সঙ্গে ছিল রোডা।

    থিরজা গ্রে কলকণ্ঠে বলে উঠলো—মিস্টার ইস্টারব্রুক। আজ সন্ধ্যায় আপনাকে আমাদের বাড়িতে আশা করছি। আপনাকে একটা দারুণ দৃশ্য দেখাবো। সিবিলের উপর আশ্চর্যজনক কিছু ভর হয়। তাই তার মুখ থেকে কি কথা শোনা যাবে তা আগে থেকে কেউ কল্পনা করতেও পারে না। তাই বলছি আপনি এতে হতাশ হবেন না। খোলা মনে আসবেন। সৎ অনুসন্ধানকারীকে আসার জন্য আমি সাদর আহ্বান জানাই। কিন্তু কৌতুকপ্রিয় চটুল দর্শক আসুক তা চাই না। তাতে ঘটনা মন্দ পথ নেয়।

    রোডা বলে উঠলো – আমিও তো আসতে চাই। কিন্তু ডেসপার্ড এসব ব্যাপারে দারুণ বিরোধী।

    —যা হোক, আপনাকে আমি আসতে বলছি না। বাইরের একজন লোক এলেই যথেষ্ট হবে। তারপর আমার দিকে ফিরে থিরজা গ্রে বললো—আমাদের বাড়িতে যদি আসেন তবে আমাদের সঙ্গেই হালকা কিছু খাবার খেয়ে নেবেন। ভোর হওয়ার আগে আমরা কখনও ভরপেট খাই না। আপনাকে আমরা আজ সন্ধ্যেবেলা আশা করছি, মিস্টার ইস্টারব্রুক। বলা শেষ করে ঘাড় নুইয়ে অভিবাদন জানালো থিরজা। এবং লঘুপদে হেঁটে চলে গেলো।

    ওর চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমার সন্দেহগ্রস্ত মন এমনই অভিভূত হয়ে গিয়েছিল যে রোডা কি বলছিলো তা আমার কানেই ঢোকেনি—এখন চমক ভাঙতে রোডাকে শুধালাম—কি বলেছিলে যেন?

    —এখানে আসার পর থেকে তোমাকে যেন কেমন আজব আনমনা মনে হচ্ছে। কি হয়েছে বলো তো? বই লেখায় খুব মন দিয়েছো, তাই না?

    —বই? হ্যাঁ,অল্প বিস্তর ওতেই ব্যস্ত। জবাব দিলাম।

    এবার রোডা মন্তব্য করল সরস কণ্ঠে—মনে হচ্ছে তুমি প্রেমে পড়েছো। প্রেমে পড়লে পুরুষদের অল্প বিস্তর বুদ্ধি লোপ হয়। কিন্তু নারীদের বেলায় ঠিক উল্টোটাই ঘটে; বুদ্ধি উজ্জ্বল হয় এবং রূপ লাবণ্য দ্বিগুণ বেড়ে যায়। তাই মজার ব্যাপার হলো প্রেম নারীকে মহীয়ান করে আর প্রেমে পড়লে পুরুষ অসুস্থ মেষশাবক বনে যায়।

    একটু রেগে মেগে বললাম -ধন্যবাদ।

    —আমার উপর রাগ করো না, মার্ক। মেয়েটা সত্যিই সুন্দরী।

    —কে সুন্দরী?

    —কেন? হারসিয়া রেডক্লিফ। সে সত্যিই তোমার উপযুক্ত। ও সুদর্শনা এবং চালাক চতুর।

    এই মুহর্তে ওর প্রস্তাব আমি ভাবতে পারছি না। তাই কোনো জবাব দিলো না। গির্জার পাদরির বাড়িতে আসা যেন নিজের বাড়ি ঘোরা।

    ****

    সদরটা খোলা। আমাদের সাদর আহ্বান জানাচ্ছে যেন। বাড়ির সিঁড়িতে পা রাখতেই। মনে হলো আমার কাঁধ থেকে একটা বোঝা নেমে গেল।

    দর দালানের গাছ দুয়ার দিয়ে ভিতরে ঢুকলেন মিসে ডেন ক্যালথ্রপ। হাতে একটা বড় সবুজ রঙের প্লাস্টিকের ঝুড়ি। আমাকে দেখে মিসেস ক্যালথ্রপ বললেন—একি তুমি এসেছো। ভালোই হয়েছে। ঝুড়িটা ধরো।

    ঝুড়িটা নিয়ে মিসেস ক্যালগ্রুপের সাথে সেই ছায়া ঢাকা ঘরে ঢুকলাম। তিনি ফায়ার প্লেসের আগুন উসকে দিয়ে খান কয়েক কাঠ গুঁজে দিলেন আগুনে। একখানা চেয়ারে আমাকে বসতে বলে শুধোলেন—কি করলে?

    তাঁর উত্তেজিত আচরণ আমাকে মুখর করলো। বললাম একটা কিছু আমাকে করতে বলেছিলেন। আমি কিছু করতেই সচেষ্ট।

    —খুব ভালো কথা। কি করছো?

    সব কিছু তাঁকে খুলে বললাম।

    মিসেস ক্যালথ্রপ চিন্তিত মনে শুধালেন—আজ রাতেই?

    —হাঁ।

    মিনিট খানেক নীরবে ভাবতে লাগলেন মিসেস ক্যালথ্রপ।

    নিজেকে সাহায্য করতে অক্ষম। সহসা সজোরে বলে উঠলাম—একাজ আমি করতে চাইনি। একেবারেই করতে চাইনি।

    —কেন তুমি তা চাইবে?

    জবাব দিতে পারলাম না বেশ কিছুক্ষণ। শেষে ভীত কণ্ঠে বললাম—জিনজারের জন্য বড় ভয় হচ্ছে। তাঁর সদয় দু আঁখির দৃষ্টি আমার মুখের উপর নিশ্চল।

    বললাম—জানেন না কি সাহসী মেয়ে সে। যদি তারা ওর কোনো ক্ষতি করে…।

    ধীর কণ্ঠে বললেন মিসেস ক্যালথ্রপ–তুমি যা বলছো তা শুনে বুঝতে পারছি না, কিভাবে ওরা তার ক্ষতি করবে।

    —ওরাও অন্যদের ক্ষতি করেছে। বললাম।

    —তাই তো মনের ইচ্ছে… মিসেস ক্যালথ্রপকে অসন্তুষ্ট মনে হলো।

    —অন্য দিক দিয়ে বিচার করলে, জিনজার ভালো থাকবে। চিন্ত্যনীয় সব রকম সাবধানতা নেওয়া হয়েছে। তার কোনো দৈহিক ক্ষতি ঘটাতে পারবে না।

    —কিন্তু এই লোকগুলোও দাবি করে থাকে যে, তারা দৈহিক ক্ষতি করতে সক্ষম ওরা বলে, মানসিক আঘাতের মাধ্যমে তারা দৈহিক ক্ষতি সাধন করে।

    ওরা যদি সত্যিই তা করতে সক্ষম হয় তবে তা হবে একটা আশ্চর্য জনক ঘটনা। এ এক দুঃস্বপ্নকর ঘটনা। আমরাও একমত হয়েছি একাজ বন্ধ করতেই হবে।

    —কিন্তু বিপদের ঝুঁকি সে নিজেই নিচ্ছে, ধীরে ধীরে বললাম।

    —কাউকে বিপদের ঝুঁকি নিতেই হবে। এর ফলে তোমার অহঙ্কারে আঘাত লাগে—আমার যেন এমন বিপদ না হয় এটাই তুমি ভাবতে থাকো। এ ঝুঁকি তোমায় নিতে হবে। জিনজার যে ভূমিকায় অভিনয় করছে তার জন্য সে অত্যন্ত উপযুক্ত। জিনজার বুদ্ধিমতী। তার জন্য তোমার উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই।

    —ওকথা ভেবে আমি উদ্বিগ্ন হচ্ছি না।

    —ঠিক আছে। উদ্বিগ্ন হয়ে তুমি তার কোনো ভালো করতে পারবে না। এই সমস্যা ছেড়ে সরে থাকা আমাদের উচিৎ হবে না। এই পরীক্ষা করতে গিয়ে যদি জিনজারের মৃত্যু হয় তবে সে মৃত্যু হবে একটা ভালো কাজ করতে গিয়ে

    —আপনি বড় নিষ্ঠুর। বললাম।

    মিসেস ডেন ক্যালথ্রপ বললেন—কাউকে না কাউকে নিষ্ঠুর হতেই হবে। সব সময় মন্দ ঘটবে এটাই মনে করতে হবে, তুমি জানো না মনে এ ধরনের ভাবনা সৃষ্টি করতে পারলে উৎসাহ বর্ধিত হয়। যে কাজ করবে বলে ঠিক করছো তা শুরু করে দাও, দেখবে যতটা মন্দ ঘটবে ভাবছো তেমন মন্দ কিছু ঘটবে না।

    মন থেকে সন্দেহ না ঘুচলেও বললাম–হয়ত আপনি ঠিকই বলছেন। আচ্ছা আপনার এখানে কি টেলিফোন আছে?

    —হাঁ। আছে।

    —আজ রাতের ঘটনা ঘটবার পর জিনজারের সাথে আমাকে যোগাযোগ রাখতে হবে। রোজই তাকে একবার ফোন করতে হবে। আচ্ছা; এখান থেকে রোজ তাকে ফোন করা যাবে তো?

    —নিশ্চয়ই। রোডার বাড়ি থেকে এত বেশি যাতায়াত করলে লোক জানাজানি হবে নাতো?

    —উপায় নেই। রোডার বাড়িতে এখন আমায় ক-দিন থাকতে হবে। লন্ডনে যাওয়া চলবে না। আজকের রাত…। বলতে বলতে উঠে পড়লাম।

    ****

    পেল হর্সে আমার উপস্থিতি অতিমাত্রায় সামাজিক হিসাবে গৃহীত হলো। জানি না ঠিক কি ধরনের পরিপ্রেক্ষিতের প্রভাব আশা করা হয়েছিল—কিন্তু যাই হোক এটা সে জিনিস নয়।

    দরজা খুলে দিল গ্রে। তার পরণে সাধারণ কালো পশমের পোশাক। ব্যবসায়ী সুলভ কণ্ঠে বললো—এসে গেছেন। ভালোই হলো। আমরা এক্ষুনি রাতের খাবার খেয়ে নেবো।

    দরদালানে পাতা খাওয়ার টেবিল। খুবই সাধারণ খাবার দাবার। বেল্লা পরিবেশন করছে, পরণে কালো কাপড়ের পোশাক, ইতালির অধিবাসী রমণীর মতন তাকে দেখাচ্ছে। আর ময়ূরকণ্ঠী রঙের লম্বা রুল পোশাক পরেছে সিবিল। পোশাকে সোনালি চুমকি রসানো। তবে ওর গলায় এখন পুঁতির মালা ঝুলছে না। একজোড়া কঙ্কন ওর দু হাতের কব্জিতে পরা।

    খাওয়ার পালা চুকিলে থিরজা গ্রে জানালো এবার ‘ভর’ হবে। সবাই বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাগানের খামার ঘরে হাজির হলাম।

    এর আগের দিন এই ঘরে আমি এসেছিলাম। দিনের বেলা এটাই থিরজার লাইব্রেরি। কিন্তু এখন রাতের পরিবেশে ঘরখানার চেহারা একদম বদলে গেছে। আড়াল থেকে আলোর ছটা এসে ঘরখানা আলোকিত করে তুলেছে। তবে নরম; মৃদু আলো। ঘরের মাঝামাঝি একটা মঞ্চ—ঠিক যেন একটা ডিভান পাতা। তার ওপর গোলাপি রঙের একখানা চাদর বিছানো। তার ওপর নানা ধরনের চিহ্ন আঁকা। ঘরের এক কোণে জ্বলন্ত কয়লা রাখার পাত্র আর পাশেই একটা পুরনো আমলের বেসিন।

    ঘরের অন্য দিকে একখানা চেয়ার।

    আমি ওর কথা মতন শান্ত ভাবে বসলাম।

    থিরজার আচরণ এখন বদলে গেছে। কিন্তু কিভাবে বদলেছে তা বুঝতে পারছি না। সিবিলের মেকি ভোজ বিদ্যার কোনো পরিচয় পাচ্ছি না। এ যেন আচরণ সরানো দৈনন্দিন জীবন যাপনের দৃশ্য। ও যেন এক সাধারণ স্ত্রীলোক—এগিয়ে চলেছে অস্ত্রপ্রচারের জন্য নির্দিষ্ট টেবিলের দিকে একজন শল্য চিকিৎসকের মতন। সিবিল যখন তাক থেকে একটা লম্বা ঝুল ওভারঅল হাতে নিলো তখনই আমার মনে উত্তেজনা উচ্চগ্রামে পৌঁছালো। আলোয় বুঝতে পারলাম ধাতুর তার দিয়ে বোনা চাদরে ওভার অলটা তৈরি। খুব পাতলা—বুলেট প্রুফ জ্যাকেটের মতন। মুখে বললো থিরজা—সকলকেই প্রয়োজনীয় সাবধান হতে হয়। ওর চেয়ারে আপনি সাবধানে বসে থাকুন। কোনো কারণেই চেয়ার থেকে উঠে পড়বেন না। উঠে পড়া নিরাপদ হবে না। এটা ছেলে খেলা নয়। যে শক্তিগুলোকে নিয়ে আমি কাজ করি তাদের ঠিক মতন চালাতে না পারলে বিপদ ঘটে। আপনাকে যা আনতে বলা হয়েছে তা কি এনেছেন?

    কোনো কথা না বলে পকেট থেকে একটা পাঁশুটে রঙের দস্তানা বার করে ওর হাতে দিলাম। একটা আলোর সামনে দস্তানাটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখে থিরজা বললো- ঠিক আছে। যে এটা ব্যবহার করে তার গায়ের গন্ধ রয়েছে। তারপর ঘরের শেষে রাখা রেডিয়োর মতন বাক্সের উপর ওটা রাখলো। বললো—বেল্লা, সিবিল এবার শুরু করো। আমরা তৈরি। মিস্টার ইস্টারব্রুক এখানে রসিকতা করতে আসেননি।

    সিবিল ডিভানের উপর শুয়ে পড়লো।

    থিরজা কয়েকটা আলো নিভিয়ে দিলো। চাকা লাগানো ফ্রেমের উপর চাঁদোয়া খাটানো। সেই ফ্রেমটা ডিভানের উপর এমনভাবে স্থাপন করলে যাতে ডিভানটা নরম দাওয়ার নিচে আলো-আঁধারীতে ঢাকা পড়ে।

    —পরিপূর্ণ সম্মোহনের জন্য অত্যন্ত চড়া আলো ক্ষতিকর। মনে কোনো রকম সন্দেহ রাখবেন না, মিস্টার ইস্টারব্রুক। আমরা এখন তো তৈরি বেল্লা, তাই না?

    ছায়ার আড়াল থেকে বেল্লা আমার দিকে এগিয়ে এলো। থিরজা তার ডান হাতে আমার বাঁ হাতে চেপে ধরলো। আর বাঁ হাতে ধরলো বেল্লার ডান হাত। বেল্লার বাঁ হাত জড়ানো আমার ডান হাত। থিরজার হাত খানা শুকনো আর কঠিন। আর বেল্লার হাত ঠান্ডা আর অস্থিহীন নরম। আমার দেহমন বিতৃষ্ণায় কেঁপে উঠলো।

    সহসা সুমধুর সুরের মূর্ছনা ধ্বনিত হলো। মনে হলো সুরের ঝরণা বুঝি ঘরের ছাদ থেকে ঝরে পড়ছে।

    আমার দেহ মন হিম এবং সঙ্কট ভরা তবু ফল্গু স্রোতের মতন এক অবাঞ্ছিত আবেগ ধৰ্মী ঘটনার আশঙ্কা সম্পর্কে আমার মন সচেতন।

    শোকযাত্রার মতন সুরের মূর্ছনা থামলো। কটি মানুষের নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের শব্দ ছাড়া আর কোনো শব্দ কানে আসছে না। সহসা সিবিল কথা বললো। নারীর কণ্ঠ নয়—এ যেন পুরুষের ভারি কণ্ঠস্বর। উচ্চারণে ভিনদেশী শ্বাসাঘাত। কণ্ঠস্বর ধ্বনিত হলো—আমি এসেছি এখানে। বেল্লা আমার হাত ছেড়ে ছায়ার নিচে সরে গেলো। থিরজা বললো—সুপ্রভাত। তুমি কি ম্যাকন দল— আমিই ম্যাকন দল।

    ডিভানের কাছে গিয়ে থিরজা চাঁদোয়াটা গুটিয়ে ফেললো। নরম আলো ছড়িয়ে পড়লো সিবিলের মুখে। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন সিবিল। তার মুখের চেহারাটা গেছে বদলে। মুখের রেখাগুলো এখন আর নজরে পড়ছে না, তাকে মনে হচ্ছে অনেক কম বয়সী। এই মুহূর্তে তাকে যে কেউ বলবে, সে সুন্দরী, সুদর্শনা।

    থিরজা জানতে চাইলো–ম্যাকান দল তুমি কি আমার ইচ্ছা মতন এবং আমার হুকুম মতন কাজ করতে প্রস্তুত?

    গভীর কণ্ঠস্বর ধ্বনিত হলো—আমি প্রস্তুত। এখানে শায়িত যে দেহটির মধ্যে তুমি এখন অবস্থান করছো সে দেহটিকে দৈহিক ক্ষতি থেকে বাঁচাতে কি তুমি সচেষ্ট হবে? এর জীবনীশক্তি কি আমার উদ্দেশ্যে দান করবে যাতে এর মাধ্যমে আমি আমার উদ্দেশ্য সাধন করতে পারি?

    —দান করবো।

    —এই মৃতকে পাঠাতে হবে মৃত্যু ঘটানোর জন্য। থিরজা এক পা পেছিয়ে এলো। বেল্লা একখানা ক্রুশ বিদ্ধ যীশুর প্রতীক বাড়িয়ে দিলো। থিরজা প্রতীক খানা উল্টো করে রাখলো সিবিলের বুকের উপর। থিরজা একটা শিশি থেকে কয়েক ফোঁটা জল ঢাললো সিবিলের কপালে। জলের চিহ্ন আঁকলো। বুঝতে পারলাম আঁকলো উল্টানো ক্রুশ চিহ্ন।

    এক পা পিছিয়ে এসে থিরজা বললো—সব প্রস্তুত।

    বেল্লা শব্দ দুটো আবার উচ্চারণ করলো—সব প্রস্তুত…। ঘর থেকে চলে গেলো। এবার মৃদু কণ্ঠে আমাকে বলতে লাগলো থিরজা, এই যে ধর্মীয় অনুষ্ঠান মন্ত্রাদি এগুলোর ব্যবহার কালে কালে বদলে গেছে—এ সব মানুষের মনে প্রভাব বিস্তার করে। কিসে জনতার আবেগ উজ্জীবিত হয়ে ওঠে, তার সঠিক জবাব আমাদের জানা নেই। তবে পুরাকালের এই ধর্মীয় আচরণের অস্তিত্ব আজও রয়েছে।

    বেল্লা আবার খামারে ফিরে এলো। তার হাতে একটা জীবন্ত মোরগ মুক্ত হওয়ার জন্য ছটফট করছে। জ্বলন্ত অঙ্গার পাত্রের চারধারে বেল্লা খড়ি দিয়ে মেঝের উপর নানা ধরনের চিহ্ন আঁকলো। তামার পাত্রের চারধারে আঁকার গোলাকার রেখার ধারে মোরগের ঠোঁট চেপে ধরলো। মৃদু অথচ সুরেলা গলায় মন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে আরও প্রতীক আঁকতে লাগলো—ওর মন্ত্রগুলো সবই অবোধ্য।

    আমার উপর থিরজার দৃষ্টি নিবদ্ধ। এক সময় সে বললো–আপনি এসব খুব পছন্দ করছেন না, তাই না? এসব মন্ত্র তন্ত্র খুবই প্রাচীন, একেবারে পুরানো আমলের। এই যে মারণ যজ্ঞ যা পুরাকালের জড়ি বুটি—তা মা মরণকালে যেচে আমার হাতে দিয়ে যায়। থিরজাকে আর আমি বুঝতে পারছি না—তার আচরণ আর আমার মনকে প্রভাবিত করতে পারছে না—তবে বেল্লার ভয়ানক কাজকর্ম আমাকে অভিভূত করছে।

    জ্বলন্ত অঙ্গার পাত্রের উপর হাত বাড়ালো—বেল্লা—আর আগুন লেলিহান শিখায় জ্বলে উঠলো। নিশ্চয় বেল্লা আগুনে কিছু ফেলেছে—পুড়ছে। সুগন্ধ ছড়াচ্ছে ঘরের মধ্যে সেই অজানা ধাতু।

    —আমরা এবার প্রস্তুত। জানালো থিরজা। সেই রেডিও সদৃশ বাক্সটার ঢাকনা খুললো থিরজা। ওটা একটা বৈদ্যুতিক যন্ত্র। তার নিচে চাকা লাগানো। বাক্সটাকে টেনে এনে ডিভানের পাশে রাখলো। ঝুঁকে পড়ে বাক্সের ভিতরের যন্ত্রপাতি ঠিক করলো, আমার দেওয়া দস্তানাটা একটা বেগুনে রঙের আলোর সামনে ধরে বাক্সের ভিতরে রাখা কম্পাস উত্তর পূর্ব…ডিগ্রী। …এবার ঠিক হয়েছে।

    ডিভানের উপর নিশ্চলভাবে শায়িত দেহটাকে উদ্দেশ্য করে আওড়াতে লাগলো – সিবিল ডায়ানা হেলেন তোমার মরণশীল দেহ থেকে তুমি এখন মুক্ত। নিরাপত্তার জন্য তোমার এই দেহ এখন পাহারা দেবে মৃত আত্মা ম্যাকান দল। এই দস্তানার অধিকারিণীর মধ্যে প্রবেশ করার জন্য তোমাকে মুক্ত করা হোল সব মানুষের মতন তার জীবনের লক্ষ্য এখন মৃত্যুর দিকে নিবদ্ধ। মৃত্যু ছাড়া চরম পাওয়ার পরিতৃপ্তি কোনো অস্তিত্ব নেই। কেবল মৃত্যুই সমস্ত সমস্যার সমাধান করে। একমাত্র মৃত্যুই দান করে পরম শাস্তি—প্রকৃত শাস্তি। কথাগুলো বার বার উচ্চারিত হচ্ছে। ধ্বনিত হচ্ছে। প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। ওই যন্ত্রের মতন বিশাল বাক্সটা মৃদু গঞ্জন করছে—তার ভিতরে বিজলী বাতিটা জ্বল জ্বল করছে। আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন–বুঝি আমি ভেসে চলেছি। আর তখুনি আমার মনে হলো, যা কিছু ঘটছে তাকে নিয়ে আর আমি রসিকতা করতে পারি না।

    ডিভানে শায়িত আধোমুখ দেহটি এখন পুরোপুরি থিরজার গোলাম—তাই তার মাধ্যমে থিরজার ক্ষমতা প্রকাশিত। একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সে ওই দেহটির আত্মাকে কাজে লাগাবে। এখন অস্পষ্ট ভাবে বুঝতে পারছি, কেন, মিসেস অলিভার থিরজাকে নয় সামান্য সিবিলকে ভয় পেয়েছিলেন? সিবিলের একটা স্বাভাবিক ক্ষমতা রয়েছে—এবং এই ক্ষমতার জন্য তার মন অথবা মেধার প্রয়োজন হচ্ছে না। এটা হচ্ছে দৈহিক ক্ষমতা এই ক্ষমতার সাহায্যে সে নিজেকে এই দেহ থেকে মুক্ত করতে সক্ষম। আর সেই মুক্ত আত্মা তখন তার নয়—সেই আত্মার অধিকারিণী থিরজা। সাময়িকভাবে থিরজা তাকে ব্যবহার করছে।

    আচমকা এই বাক্সটা সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠলাম। ওটার মাধ্যমে কি শয়তানি গোপনতা হাসিল করা হচ্ছে? এমন কোনো রশ্মি কি ওটার মধ্যে বাস্তবে তৈরি করা সম্ভব যা মানব মনের কোষের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে? প্রভাবিত করতে পারে এক বিশেষ মানব মনকে?

    থিরজা বলতে লাগলো – দুর্বল একটা স্থান…সব সময় একটা দুর্বল স্থান থাকেই… মাংসের গভীর মাংসাশীর মধ্যে…দুর্বলতার মাধ্যমে জন্ম নেয় শক্তি…মৃত্যুর শক্তি এবং শান্তি…মৃত্যুর অভিমুখে— ধীরে ধীরে, স্বাভাবিক ভাবে, মৃত্যুর দিকে—প্রকৃত পথ, স্বাভাবিক পথ। দেহের পেশী সমূহ মনের হুকুম মেনে চলে…তাদের হুকুম করো…তাদের চালাও… মৃত্যুর অভিমুখে…মৃত্যু, বিজয়ী…মৃত্যু…অচিরে….খুব তাড়াতাড়ি মৃত্যু। মৃত্যু।

    তার উচ্চগ্রাম কণ্ঠস্বর এখন উথাল পাতাল ক্রন্দনে পরিণত, এবং বেল্লার দিক থেকে এক ভয়ঙ্কর জান্তব আর্তকণ্ঠের চিৎকার ধ্বনিত হলো। উঠে দাঁড়ালো—বেল্লা, ঝলসে উঠলো, মোরগটার শ্বাসরুদ্ধ ভয়ঙ্কর আর্তনাদ, তামার পাত্রে রক্তের ধারা ঝরে পড়ছে। রক্ত ভরা তামার পাত্রটা হাতে নিয়ে বেল্লা ছুটে আসতে আসতে চিৎকার করতে লাগলো—রক্ত, এই রক্ত, রক্ত।

    যন্ত্রের ভিতর থেকে দস্তানা টেনে বার করলো—থিরজা। বেল্লা দস্তানাটা নিয়ে রক্তের মধ্যে ডুবিয়ে আবার চেঁচিয়ে উঠলো—রক্ত, এই রক্ত, রক্ত। তারপর জ্বলন্ত অন্ধকার পাত্রটার চারধারে ঘুরতে ঘুরতে জ্ঞান হারিয়ে মেঝের উপর লুটিয়ে পড়লো। সঙ্গে সঙ্গে যন্ত্রটার গর্জন থামলো —নিশ্চল হল।

    অসুস্থতা বোধ করলাম। মনে হলো মহাশূন্যে আমি ঘুরছি।

    থিরজার কণ্ঠস্বর ধ্বনিত হলো—সুস্পষ্ট আর সুললিত।

    —পুরাকালের যাদুবিদ্যার সঙ্গে নতুন কালের মেলবন্ধনে। বিশ্বাস ভিত্তিক প্রাচীনকালের সঙ্গে নবীন যুগের বিজ্ঞান সম্মত জ্ঞানের মিলন। একসঙ্গে তাদের অস্তিত্ব বজায় থাকবে…।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }