Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. তদন্তের আগের সময়টা

    তদন্তের আগের সময়টাতে পোয়ারো এতটুকু বিশ্রাম নেবার সময় পায়নি। দুবার গোপনে মিঃ ওয়েলসের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত রইল পোয়ারো, বেশ কয়েকবার গ্রামের বাইরেও ঘুরে এল সে। ব্যাপারটা আমার এতটুকু ভালো লাগছিল না, কারণ পোয়ারো ওর কাজকর্মের কথা আমাকে একটুও জানাল না।

    তদন্তের নির্দিষ্ট দিন এবার এগিয়ে এল। শুক্রবার দিন গ্রামেরই একটা বাড়িতে করোনারের শুনানি বসল। শেষ পর্যন্ত পোয়ারোর দেখা মিলল, আমরা দুজনেও হাজির হলাম ওখানে। আমাদের সাক্ষ্যের প্রয়োজন না থাকায় আমরা পেছনেই বসে রইলাম।

    প্রথমে খুঁটিনাটি ব্যাপারগুলো শেষ হল। জুরীরা মৃতদেহ দেখার পর জন ক্যাভেণ্ডিস সনাক্ত করে সাক্ষ্য দিল। প্রশ্নের উত্তরে জন ঐ দিনের ঘটনার একটা বিবরণ দিয়ে মিসেস ইঙ্গলথর্পের মারা যাওয়ার পরিস্থিতিটা বুঝিয়ে দিল।

    এরপর ডাক্তারী সাক্ষ্য গ্রহণ করা হল, সারা ঘরের লোক লণ্ডনের সর্বশ্রেষ্ঠ বিষ বিশেষজ্ঞ ডাঃ বরস্টিনের বক্তব্য শোনার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেছে। অল্প কথায় তিনি ময়না তদন্তের বিবরণ বুঝিয়ে দিলেন জুরীদের।

    ময়না তদন্তের ফলাফল বিশ্লেষণ করে এটুকুই বোঝা গেছে মিসেস ইঙ্গলথর্প স্ট্রিকনিন বিষ প্রয়োগে মারা গেছেন।

    ওঁর দেহে স্ট্রিকনিনের পরিমাণ দেখে জানা যায় উনি প্রায় পৌনে এক গ্রেন স্ট্রিকনিন খেয়েছিলেন।

    এরপর করোনার প্রশ্ন করলেন মিসেস ইঙ্গলথর্প কি না জেনে ঐ বিষ গ্রহণ করে থাকতে পারেন?

    ওঃ বরস্টিন জানালেন এটা অসম্ভব কারণ স্ত্রিকনিন সাধারণভাবে ওষুধে ব্যবহার করা হয় না, এর বিক্রির ওপরও বিধিনিষেধ আছে।

    জুরী জিজ্ঞাসা করলেন ডাঃ কি পরীক্ষা করে বুঝতে পেরেছেন কিভাবে ঐ বিষ উনি গ্রহণ করেছেন।

    বরস্টিন জানালেন যে তিনি বুঝতে পারেননি।

    জুরী এবার প্রশ্ন করলেন ডাঃ উইলকিন্স আসার আগেই ডাঃ বরস্টিন স্টাইলস কোর্টে উপস্থিত হয়েছিলেন কিনা।

    ডাঃ বরস্টিন জানালেন গাড়ির ড্রাইভারের সঙ্গে তার দরজার কাছে দেখা হয়েছিল, সেখানে সব শুনে তিনি তাড়াতাড়ি ঘটনাস্থলে চলে যান।

    জুরী এরপরের ঘটনাগুলো জানতে চান। ডাঃ বরস্টিন বলে যেতে লাগলেন যে মিসেস ইঙ্গলথর্পের ঘরে ঢুকেই তিনি দেখতে পান যে তার দেহটা ধনুষ্টংকারের রোগীর মত বেঁকে যাচ্ছে, তাকে দেখে মিসেস ইঙ্গলথর্প শুধু আলফ্রেড, আলফ্রেড বলে উঠলেন।

    করোনার প্রশ্ন করলেন রাত্রের খাওয়ার পর মিসেস ইঙ্গলথর্প ওঁর স্বামীর এনে দেওয়া যে কফি পান করেছিলেন, তার মধ্য দিয়ে ওঁর দেহে বিষ প্রয়োগ করতে পারে কিনা।

    ডাঃ বরস্টিন বললেন সেটা অসম্ভব নয়। তবে স্ট্রিকনিন খুব দ্রুত কাজ করে, সাধারণতঃ গ্রহণ করার দু এক ঘণ্টার মধ্যেই এর উপসর্গ দেখা দেয়। অবশ্য বিশেষ কোনো কারণে একটু দেরিও হতে পারে। যদিও বর্তমান ক্ষেত্রে এটা ঘটেনি। মিসেস ইঙ্গলথর্প খাওয়ার পরে রাত প্রায় আটটার সময় কফি পান করেছিলেন অথচ উপসর্গগুলো পরদিন ভোরের আগে দেখা দেয়নি। এতে সন্দেহ হয়, উনি বিষ গ্রহণ করেছিলেন আরও পরে।

    করোনার বললেন মিসেস ইঙ্গলথর্পের অভ্যাস ছিল মাঝরাতে এক কাপ কোকো পান করা ওর মধ্য দিয়ে বিষ ওঁর শরীরে ঢুকে থাকতে পারে।

    ডাঃ বরস্টিন বললেন তা হতে পারে না কারণ ঐ পাত্রের কোকো তিনি বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, তাতে স্ট্রিকনিন নেই।

    পোয়ারো যেন অস্ফুট স্বরে কিছু বলে উঠল। আমি পোয়ারোকে বলতে গেলাম ডাঃ বরস্টিন যা বলছেন সেও তো তাই বলেছিল।

    পোয়ারো আমাকে বাধা দিয়ে চুপচাপ শুনতে বলল।

    ডাঃ বরস্টিন জানালেন, স্ট্রিকনিনের স্বাদ অত্যন্ত তেতো। কোনো দ্রবণের ৭০,০০০ ভাগের এক ভাগ যদি স্ট্রিকনিন থাকে তাহলে এর উপস্থিতি বুঝতে পারা যায়, অত্যন্ত গন্ধযুক্ত কিছু দিয়ে স্ট্রিকনিনের স্বাদ অবশ্য দূর করা যায়, তবে কোকোর সে শক্তি নেই।

    জুরীদের মধ্যে একজন জানতে চাইলেন কফিতে স্ট্রিকনিনের স্বাদ নষ্ট হয় কিনা।

    ডাঃ বরস্টিন উত্তরে জানালেন কফির নিজস্ব স্বাদ যেহেতু তেতো, সেহেতু এর মধ্যে স্ট্রিকনিনের স্বাদ চাপা পড়তে পারে।

    জুরী বললেন তাহলে ডাঃ বরস্টিনের মতে সম্ভবতঃ কফির মধ্য দিয়েই বিষ প্রয়োেগ করা হয়েছে, অবশ কোনো অজানা কারণে এর উপসর্গ ফুটে উঠতে দেরি হয়েছে।

    ডাঃ বরস্টিন বললেন কফির কাপটা সম্পূর্ণ গুড়ো হয়ে যাওয়ায় ঐ কাপের তলানি বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়নি।

    ডাঃ বরস্টিনের সাক্ষ্য দেওয়া শেষ হলে ডাঃ উইলকিন্স এলেন। তিনি ডাঃ বরস্টিনের কথাগুলোরই পুনরাবৃত্তি করলেন।

    মিসেস ইঙ্গলথর্প আত্মহত্যা করতে পারেন কিনা প্রশ্ন করা হলে ডাঃ উইলকিন্স দৃঢ়তার সঙ্গে সে কথা অস্বীকার করে বললেন, মৃতা মিসেস ইঙ্গলথর্পের হার্ট একটু দুর্বল থাকলেও অন্যদিক দিয়ে তার স্বাস্থ্য বেশ ভালোই ছিল, মানসিক প্রফুল্লতারও কোনো অভাব ছিল না। তাই এসব বিবেচনা করেই বলা যায় আত্মহত্যা করার মত মহিলা উনি ছিলেন না।

    এরপর সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য লরেন্স ক্যাভেণ্ডিসের ডাক পড়ল। লরেন্সের সাক্ষ্য জনের সাক্ষ্যেরই পুনরাবৃত্তি। তবে লরেন্স চলে আসার সময় একটু ইতস্ততঃ করে করোনারকে বলল তার ধারণা তার মার মৃত্যু স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে, অবশ্য তার ধারণা ভুলও হতে পারে।

    করোনার গভীরভাবে জানতে চাইলেন তার এরকম মনে হওয়ার কারণ কি।

    লরেন্স বলল তার মা মারা যাওয়ার কিছুদিন আগে থেকেই একটা টনিক খাচ্ছিলেন, যাতে স্ট্রিকনিন থাকত।

    করোনার একথা শুনে বিস্মিত হলেন। জুরীরাও নড়েচড়ে বসল।

    লরেন্স বলে যেতে লাগল, সে শুনেছে এরকম ওষুধ ক্রমাগত ব্যবহার করার ফলে কখনও কখনও মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। তার মা হয়ত সেদিন ঐ ওষুধ একটু বেশি মাত্রায় খেয়ে ফেলেছিলেন ভুল করে।

    করোনার বললেন তারা এই প্রথম জানতে পারলেন যে মিসেস ইঙ্গলথর্প স্ক্রিকনিন খেতে অভ্যস্ত ছিলেন। এই সূত্রটি জানানোর জন্য তারা লরেন্সের কাছে কৃতজ্ঞ।

    এরপর ডাঃ উইলকিন্সকে করোনার আবার আহ্বান করলেন। তিনি ব্যাপারটা শুনেই উড়িয়ে দিলেন, বললেন মিঃ ক্যাভেণ্ডিসের কথাটা একেবারে অসম্ভব। স্ত্রিকনিন এক হিসাবে একটু ক্ষতিকারক বিষ, তবে ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করলে এতে হঠাৎ মৃত্যু ঘটার কোনো কারণ নেই। এটা দীর্ঘদিন ধরে অতি মাত্রায় ব্যবহার করতে থাকলে নানা উপসর্গ দেখা দিতে বাধ্য। কিন্তু মিসেস ইঙ্গলথর্পের ক্ষেত্রে এরকম হলে তার নিশ্চয়ই নজরে আসত।

    করোনার প্রশ্ন করলেন মিসেস ইঙ্গলথর্প যদি অতিমাত্রায় ঐ টনিক গ্রহণ করে থাকেন তাহলে কি হতে পারে?

    ডঃ উইলকিন্স জানালেন, তিন-চার দাগ ওষুধ খেলেও মৃত্যু ঘটার সম্ভাবনা নেই। মিসেস ইঙ্গলথর্প প্রত্যেবার বেশি করেই ঐ ওষুধ তৈরি করে আনতেন ট্যাডমিনস্টারের কুটসের ওষুধের দোকান থেকে। দেহে ময়না তদন্তের সময় যে পরিমাণ স্ট্রিকনিন পাওয়া গেছে সেটা পেতে হলে পুরো বোতলের ওষুধ একেবারে খাওয়ার কথা, যা একেবারেই অবাস্তব।

    একজন জুরী জিজ্ঞাসা করলেন ওষুধের দোকানের কোনো কর্মচারী ভুল করতে পারে কি না। ডাঃ উইলকিন্স বললেন সেটা হলেও হতে পারে।

    কিন্তু এরপরেই ডরকাসের সাক্ষ্য শুনে ঐ সম্ভাবনা বাতিল করে দিতে হল। ডরকাস জানাল ওষুধটা নতুন তৈরি করা হয়নি, বেশ কিছুদিন ধরেই মিসেস ইঙ্গলথর্প সেটা খাচ্ছিলেন। মারা যাওয়ার দিন শেষ দাগটা খেয়েছিলেন।

    শেষ পর্যন্ত অবশ্য ওষুধের ব্যাপারটা বাতিল করতে হল। করোনার অন্যান্য সাক্ষ্য গ্রহণ করতে শুরু করলেন। ডরকাস জানাল দুর্ঘটনার দিন কিভাবে মিসেস ইঙ্গলথর্প ঘন্টা বাজালে ডরকাস বাড়ির সকলকে ডেকে তোলে।

    এরপর মেরী ক্যাভেণ্ডিসকে সাক্ষী দিতে ডাকা হল। বেশ ঋজু ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে শান্তভাবে সাক্ষ্য দিতে লাগলেন তিনি। করোনারের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানালেন কিভাবে রাত সাড়ে চারটের সময় ঘড়ির অ্যালার্ম শুনে তিনি উঠে পড়েন তারপর হঠাৎ একটা ভারী কিছু পড়ার শব্দ পান।

    করোনার বললেন সম্ভবতঃ খাটের পাশের টেবিলটা পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে থাকতেন।

    মেরী ক্যাভেণ্ডিসের ঘন্টার শব্দ শোনার পর কি কি হয়েছিল বলতে লাগলে করোনার বললেন সে সব কথা তো জানা হয়ে গেছে। তারা শুধু আগের দিনের ঝগড়ার সম্বন্ধে জানতে চান।

    মেরী ক্যাভেণ্ডিস অবাক হয়ে বললেন তিনি এ ব্যাপারে কি বলবেন। তার কণ্ঠস্বর একটু উদ্ধত শোনাল।

    করোনার আবার বলতে লাগলেন মেরীকে একথা জিজ্ঞাসা করার পেছনে একটা কারণ আছে। তিনি শুনেছেন মেরী ঐ সময় ছোট ঘরের বড় জানলার পাশে একটা বেঞ্চে বসে বই পড়ছিলেন।

    মেরী বলতে বাধ্য হলেন যে তিনি ওখানে বসেছিলেন। করোনার প্রশ্ন করলেন ঘরের জানালাটা নিশ্চয়ই খোলা ছিল।

    ফ্যাকাশে মুখে মেরী স্বীকার করতে বাধ্য হলেন যে জানলা খোলা ছিল।

    করোনার এবার প্রশ্ন করলেন তাহলে নিশ্চয়ই ঘরের ভেতরের কথাবার্তা তিনি শুনতে পেয়েছিলেন।

    মেরী বললেন কোনো কথা তার কানে আসেনি তা নয়, তবে পরের গোপনীয় কথা শোনার অভ্যেস তার নেই। মেরীর মুখটা সামান্য লাল হয়ে উঠল।

    করোনার মেরীকে যা শুনেছেন তা বলার জন্য চাপ দিলেন।

    মেরীর দিকে তাকিয়ে মনে হল তিনি যেন কিছু চিন্তা করছেন। বাইরের শান্ত ভাবটা অবশ্য বজায় রাখছে। একটু পরে তিনি বললেন তার মনে পড়েছে। মিসেস ইঙ্গলথর্প স্বামী-স্ত্রীর কলঙ্ক বা এরকম ধরনের কোনো কথা বলছিলেন।

    করোনারকে সন্তুষ্ট মনে হল। তিনি এবার বললেন মেরী যখন বুঝলেন ব্যাপারটা স্বামী-স্ত্রীর গোপনীয় কিছু তখন তিনি সেখান থেকে সরে গেলেন না কেন?

    মেরী ক্যাভেণ্ডিসের চোখে মনে হল যেন একটু ঝিলিক খেল গেল। এই প্রশ্নটা শুনে করোনারের প্রতি যে একটা ক্রোধ ফুটে উঠছে তা বুঝতে অসুবিধা হল না। তবুও বেশ শান্ত স্বরেই মেরী বললেন তিনি সরে যাননি কারণ সেখানে বসে থাকতে ভালো লাগছিল, তবে মনটা তার বইয়ের মধ্যেই ছিল।

    এর বেশি কিছু মেরী জানেন কিনা করোনার জিজ্ঞাসা করল। মেরী জানাল এর চেয়ে বেশি কিছু তারা জানা নেই।

    প্রশ্নোত্তর শেষ হয়ে গেলেও আমার মনে হল, করোনার ওর সাক্ষ্যে খুব একটা সন্তুষ্ট হননি। হয়ত তার ধারণা মেরী ক্যাভেণ্ডিস অনেক কিছু গোপন করেছেন।

    এরপর দোকান কর্মচারী অ্যামি হিল সাক্ষী দিতে এল। ওর সাক্ষ্যে জানা গেল, ১৭ই বিকালে স্টাইলসের মালী উইলিয়াম আর্লকে ও একটা ছাপানো উইলের ফর্ম বিক্রি করেছিল।

    এবার উইলিয়াম ও ম্যানিং সাক্ষ্য দিতে এল। ওরা জানাল সেদিন একটা উইলে সাক্ষী হিসাবে তারা সই দিয়েছিল। সে সময় ছিল প্রায় বিকাল সাড়ে চারটে।

    সিনথিয়া মারডকের ডাক পড়ল। সিনথিয়া অবশ্য কিছুই জানতে পারল না কারণ মেরী ক্যাভেণ্ডিস ওকে জাগানোর আগে পর্যন্ত দুর্ঘটনার কথা সে কিছুই জানতে পারেনি।

    অতঃপর করোনার সিনথিয়াকে বিদায় দিলেন।

    এবার ডাক এল ইভিলিন হাওয়ার্ডের।

    মিস হাওয়ার্ড মিসেস ইঙ্গলথর্পের ১৭ তারিখের লেখা চিঠি দাখিল করলেন। চিঠিটা আমি আর পোয়ারো আগেই দেখেছিলাম। চিঠিটা এই রকম ছিল :

    স্টাইলস কোর্ট
    এসেক্স
    ১৭ জুলাই

    প্রিয় ইভিলিন,
    ঝগড়াটা কি মেটানো যায় না? আমার প্রিয় স্বামীর সম্বন্ধে তুমি যা বলেছে, তা অবশ্য ভুলে যাওয়া অসম্ভব আমার পক্ষে, বয়স হয়ে গেছে তো…তবুও তোমাকে ভালোবাসি।
    তোমারই একান্ত
    এমিলি ইঙ্গলথর্প।

    জুরীরা মনোযোগ সহকারে চিঠিটা দেখলেন।

    করোনার একটু হতাশ হয়ে বললেন এই চিঠি থেকে এমন কিছুই জানা গেল না যা সমস্যা সমাধানের সহায়ক হতে পারে।

    মিস হাওয়ার্ড বলতে লাগলেন বেচারী এমিলি বুঝতে পেরেছিলেন ওকে বোকা বানানো হয়েছিল। করোনার বললেন চিঠিতে তো এরকম কোনো কথা নেই। ইভি উত্তরে বললেন এমিলি পছন্দ করতেন না বলেই চিঠিতে সেরকম কিছু লেখা ছিল না। তিনি বললেন এমিলি নাকি চাইছিলেন তিনি ফিরে আসুন। কিন্তু এমিলি নিজের ভুল স্বীকার করতে চাননি।

    আমি লক্ষ্য করলাম করোনার, মিঃ ওয়েলস, আর অন্যান্য জুরীরা একটু মৃদু হাসলেন। মিস হাওয়ার্ডের চরিত্র ওরা সকলেই বুঝে নিয়েছেন।

    করোনার এবার মিস হাওয়ার্ডকে বিদায় জানালেন।

    এরপরই সবচেয়ে উত্তেজনার ব্যাপার ঘটল যখন করোনার ওষুধের দোকানের কর্মচারী অ্যালবার্ট মেসকে সাক্ষ্য দিতে ডাকলেন।

    মেস শুকনো মুখে এসে দাঁড়াল। করোনারের প্রশ্নের উত্তরে জানাল যে সে একজন যোগ্য ওষুধ প্রস্তুতকারক। তবে ঐ দোকানে সে নতুন এসেছেন আগের কর্মচারী যুদ্ধে চলে যাওয়ার জন্য।

    দু-একটা সাধারণ কথাবার্তার পর করোনার জানতে চাইলেন মেস কয়েকদিনের মধ্যে কারও কাছে স্ত্রিকনিন বিক্রি করেছিলেন কিনা। মেস মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল। করোনার জানতে চাইলেন কবে সে বিক্রি করেছে। মেস জানাল সোমবার ১৬ তারিখে সে স্ট্রিকনিন বিক্রি করে। করোনার এবার জানতে চান সে কাকে বিক্রি করেছে।

    সারা ঘর নির্বাক নিস্তব্ধ হয়ে সাক্ষীর দিকে তাকিয়ে আছে। মেস জানাল সে মিঃ ইঙ্গলথর্পকে স্ট্রিকনিন বিক্রি করেছিল।

    ঘরের সকলের নজর গিয়ে পড়ল এক পাশে বসে থাকা অ্যালফ্রেড ইঙ্গলথর্পের ওপর। কিন্তু লোকটার কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। শুধু নিথরভাবে একবার মেসের মুখের দিকে তাকিয়েছিল যখন মেস তার নাম বলছিল। আমি ভেবেছিলাম লোকটা হয়ত তীব্র প্রতিবাদ করবে, কিন্তু সেরকম কিছুই হল না–মুখে শুধু একটা বিস্ময়ের ঝিলিক খেলে গেল।

    করোনার মেসকে তীব্র স্বরে প্রশ্ন করল সে এইভাবে যখন তখন স্ত্রিকনিন বিক্রি করে নাকি। মেস প্রশ্নটা শুনে বেশ ঘাবড়ে গেল, তবু তাড়াতাড়ি বলে উঠল মিঃ ইঙ্গলথর্প একটা কুকুর মারার জন্য বিষটা চেয়েছিলেন বলে সে বিক্রি করেছিল।

    করোনার আবার প্রশ্ন করলেন সে বিষ কিনলে একটা খাতায় সই করতে হয় কিনা, মেস তাড়াতাড়ি খাতাটা বের করে দেখাল। করোনার তাকে ভবিষ্যতের জন্য সাবধান করে বিদায় দিলেন।

    এরপর ডাক পড়ল অ্যালফ্রেড ইঙ্গলথর্পের। লোকটাকে অদ্ভুত সংযত দেখাল। করোনারের সোজাসুজি আক্রমণের উত্তরে অ্যালফ্রেড ইঙ্গলথর্প জানালেন তিনি বিষ কেনেননি, স্টাইলসে কোনোও কুকুর নেই, শুধু বাইরে একটা ছোট কুকুর বহাল তবিয়তেই আছে।

    করোনোর সই করা খাতাটা সামনে বাড়িয়ে ধরে মিঃ ইঙ্গলথর্পকে জিজ্ঞাসা করলেন তিনি এই সইটা অস্বীকার করতে চাইছেন কিনা।

    মিঃ ইঙ্গলথর্প বললেন ঐ হাতের লেখাটা তার নয়। তিনি পকেট থেকে একটা পুরনো খাম বের করে নিজের নাম সই করে জুরীদের সামনে ধরলেন। সত্যিই লেখা দুটোর মধ্যে কোনো মিল দেখা গেল না।

    করোনোর মিঃ ইঙ্গলথর্পকে জিজ্ঞাসা করলেন তাহলে মিঃ মেসের সাক্ষ্য সম্বন্ধে তার বক্তব্য কি? মিঃ ইঙ্গলথর্প শান্ত কণ্ঠে বললেন, মিঃ মেস ভুল করেছেন।

    এবার একটু ইতস্ততঃ করে করোনার জানতে চাইলেন সোমবার ১৬ তারিখে সন্ধ্যাবেলায় মিঃ ইঙ্গলথর্প কোথায় ছিলেন? ইঙ্গলথর্প বললেন তাঁর মনে পড়ছে না। করোনার তাকে ভালোভাবে ভাবতে বললেন। ইঙ্গলথর্প মাথা নেড়ে জানালেন তার যতদূর মনে পড়ছে সম্ভবত তিনি কোথাও বেড়াচ্ছেন। করোনার গম্ভীরভাবে জানতে চাইলেন ইঙ্গলথর্প কোনো দিকে বেড়াচ্ছিলেন, তার সঙ্গে কেউ ছিল কিনা। ইঙ্গলথর্প জানালেন তিনি একাই ছিলেন তবে কোথায় ছিলেন তার মনে পড়ছে না।

    করোনার বললেন তাহলে ইঙ্গলথর্প সেই সময় কোথায় ছিলেন তা বলতে তিনি অস্বীকার করছেন? ইঙ্গলথর্প বললেন করোনার যা খুশী ভেবে নিতে পারেন।

    পোয়ারোর দিকে তাকিয়ে দেখলাম সে বেশ অস্বস্তি বোধ করছে। অস্ফুট স্বরে সে বলে উঠল ইঙ্গলথর্প গ্রেপ্তার হতে চায় নাকি।

    মিঃ ইঙ্গলথর্প সত্যি একটা বাজে ধারণার সৃষ্টি করলেন।

    করোনার এবার অন্য প্রশ্ন করলেন। তিনি জানতে চাইলেন মঙ্গলবার বিকালে মিঃ ইঙ্গলথর্প তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি করেছিলেন কিনা।

    মিঃ ইঙ্গলথর্প জানালেন যে জুরীরা ভুল শুনেছেন তার স্ত্রীর সঙ্গে ঐ সময় তার কোনো ঝগড়া হয়নি। কারণ সারা বিকাল তিনি বাড়িতেই ছিলেন না।

    করোনার জানালেন দুজন সাক্ষী তাদের স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া শুনেছেন। ইঙ্গলথর্প নির্বিকারভাবে বলল ওরা ভুল করেছে।

    পুরো ব্যাপারটা আমার কাছে হেঁয়ালির মত মনে হতে লাগল। পোয়ারোর দিকে তাকিয়ে দেখলাম তার মুখে একটা অদ্ভুত হাসির ঝিলিক দেখা যাচ্ছে।

    করোনোর জিজ্ঞাসাবাদ চালাতে লাগলেন। তিনি জানতে চাইলেন মিসেস ইঙ্গলথর্প তার মৃত্যুকালে যে দুটো কথা বলেছিলেন সে সম্বন্ধে মিঃ ইঙ্গলথর্পের মতামত কি।

    ইঙ্গলথর্পপ বললেন সেই সময় ঘরে খুবই কম আলো ছিল। ডাঃ বরস্টিনের চেহারার সঙ্গে তার চেহারার যথেষ্ট সাদৃশ্য রয়েছে অর্থাৎ বরস্টিনের মত তার মুখে দাড়ি রয়েছে। সেই অল্প আলোতে মিসেস ইঙ্গলথর্প ডাঃ বরস্টিনকেই মিঃ ইঙ্গলথর্প বলে মনে করেছিলেন।

    পোয়ারো অস্ফুট স্বরে স্বগতোক্তি করে বলল যে মিঃ ইঙ্গলথর্প বেশ ভালোই বলেছেন।

    ইঙ্গলথর্প বলতে লাগলেন সকলে তার স্ত্রীর শেষ সময়ের কথাকে দোষারোপ বলে কেন ভাবছেন। তার মতে তার স্ত্রী আসলে তাকে কিছু অনুরোধ করতে চেয়েছিল।

    করোনার এক মুহূর্ত চিন্তা করলেন। তারপর বললেন তাদের বিশ্বাস মিঃ ইঙ্গলথর্প নিজেই তার স্ত্রীর জন্যে কফি ঢেলে নিয়ে গিয়েছিলেন।

    মিঃ ইঙ্গলথর্প জানালেন কফিটা তিনিই ঢেলেছিলেন, কিন্তু তিনি নিয়ে যেতে পারেননি, কারণ এক বন্ধু সেই সময় তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন, পরে যখন তিনি ফিরে আসেন তখন আর কাপটাকে টেবিলের ওপর দেখতে পাননি।

    কথাটা সত্যি কিনা বুঝতে পারলাম না। ইঙ্গলথর্পের এতে কতটা সুবিধা হল তাও বুঝলাম না কারণ কফিতে বিষ মেশানোর যথেষ্ট সুযোগ উনি পেয়েছিলেন।

    হঠাৎ পোয়ারোর ধাক্কা খেয়ে চমকে গেলাম, পোয়ারো দরজার কাছে বসে থাকা দুজন মানুষের দিকে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো। দুজনের মধ্যে একজন বেশ দীর্ঘ, সুপুরুষ আর অন্যজন ছোটোখাটো বুদ্ধিদীপ্ত।

    আমি ফিসফিস করে পোয়ারোকে জিজ্ঞাসা করলাম যে ওরা কারা। আমার কানে প্রায় মুখ ঠেকিয়ে পোয়ারো বলল ঐ ছোটখাটো মানুষ হল স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের ডিটেকটিভ ইনসপেক্টর জিমি জ্যাপ। অন্যজনও ইয়ার্ডেরই লোক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }