Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. তদন্তের কাজ শেষ

    তদন্তের কাজ শেষ হয়ে গেলে পোয়ারো আর আমি বাইরে বেরিয়ে আসতেই পোয়ারো আমার হাত ধরে একপাশে টেনে নিল। ওর উদ্দেশ্যে বুঝতে অসুবিধা হল না, স্কটল্যাণ্ডের ইয়ার্ডের দুজন প্রতিনিধির জন্যই পোয়ারো অপেক্ষা করতে চায়।

    একটু পরে ওরা দুজন এলেই পোয়ারো ছোটোখাটো চেহারার লোকটিকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল তিনি পোয়ারোকে চিনতে পারছেন কিনা। ইনসপেক্টর তাকে দেখেই উৎফুল্ল হয়ে উঠলেন। তার সঙ্গীর সাথেও তিনি পোয়ারোর পরিচয় করিয়ে দিলেন। তারা দুজনে পুরনো স্মৃতিচারণ করতে লাগলেন। কবে তারা কোথায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। কোথায় জাল করার রহস্য উদঘাটন করেছিলেন। সব ক্ষেত্রেই যে পোয়ারোর কৃতিত্ব ছিল সেকথাও তিনি অকপটে স্বীকার করলেন।

    দুই বন্ধুর অতীত স্মৃতিচারণ শুনতে শুনতে একটু এগিয়ে আসতেই পোয়ারো আর ইসপেক্টর পরিচয়ের পালাটা চুকিয়ে নিলেন। ইনসপেক্টর জ্যাপের সঙ্গীর পরিচয় পেলাম তিনি সুপারিনটডেন্ট সামারহে।

    পোয়ারো তাদের এখানে আসার কারণটা কি বেশ হাল্কাভাবেই জানতে চাইল।

    জ্যাপ চোখ টিপে বললেন এই মামলার জন্যই তাদের এখানে আসা। তার মানে মামলাটা খুবই সহজ। পোয়ারো গম্ভীর গলায় বলল তার কিন্তু তা মনে হয় না।

    সামারহে বলল ব্যাপারটাকে কঠিন মনে হওয়ার কোনো কারণ নেই, মিঃ ইঙ্গলথর্প তো হাতেনাতে ধরা পড়ে গেছেন।

    জ্যাপ পোয়ারোর দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকালেন। তারপর সামারহেকেপ করতে বলে বললেন, যে এসব ব্যাপারে পোয়ারোর চেয়ে আর কেউ ভালো বোঝে না। তিনি পোয়ারোর ধারণা কি জানতে চাইলেন।

    পোয়ারোর মুখে মৃদু হাসি খেলে গেল, জ্যাপ পোয়ারোকে বলতে লাগলেন তারা যা কিছু দেখছেন সবই বাইরে থেকে, কিন্তু পোয়ারো ঘটনাস্থলে থাকার জন্য অনেক সুবিধা পেয়েছেন। জ্যাপ জিজ্ঞাসা করলেন পোয়ারো কিছু সূত্র পেয়েছেন কিনা। আর একথাও স্বীকার করলেন তদন্তের সময় যা শুনেছেন তাতে পোয়ারো ছাড়া অন্য কেউ বললে বিশ্বাসই করতেন না যে মিঃ ইঙ্গলথর্প তার স্ত্রীকে খুন করেছেন। তিনি অবাক হয়েছেন একথা ভেবে যে জুরীরা কেন ওকেই খুনী বলে সাব্যস্ত করল না।

    পোয়ারো জানতে চাইলেন তারা গ্রেপ্তারী পরোয়ানা নিয়ে এসেছেন কিনা।

    জ্যাপ ঠিকমতো উত্তর দিলেন না, বললেন পোয়ারো যা হোক কিছু ভেবে নিতে পারে। পোয়ারো ব্যাগ্র কণ্ঠে বলে উঠল তার মতে এখন গ্রেপ্তারটা মুলতুবী রাখাই ভালো। সামারহে দৃঢ় কণ্ঠে বললেন তা সম্ভব নয়।

    জ্যাপ জানতে চাইলেন পোয়ারো কেন গ্রেপ্তার মুলতুবী রাখতে চাইছেন। গম্ভীর হয়ে মাথা নেড়ে পোয়ারো বলল তারা ইচ্ছে হলে ইঙ্গলথর্পপঁকে গ্রেপ্তার করতে পারে কিন্তু এতে কোনো লাভ হবে না, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণ করা যাবে না।

    পোয়ারোর কথা শুনে জ্যাপের মুখ বেশ গম্ভীর হয়ে উঠল। সামারহের মুখে অবিশ্বাসের হাসি ফুটলো। আমি অবাক হয়ে গেলাম।

    জ্যাপ রুমাল দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে বললেন যে তারও তো ওপরওয়ালা আছে, তাদের সন্তুষ্ট করাটাই আসল কথা। তাই তিনি ব্যাপারটা একটু পরিষ্কার ভাবে জানতে চাইছেন।

    পোয়ারো মুহূর্ত খানেক চিন্তা করল। তারপর বলল তার এ ব্যাপারে মুখ খোেলার কোনো ইচ্ছা ছিল না। তবে জ্যাপ যখন জানতে চাইছেন তখন সে চুপ করে থাকে কি করে। পোয়ারো জিজ্ঞাসা করল জ্যাপ এখন স্টাইলসে যাচ্ছেন কিনা।

    জ্যাপ জানালেন করোনার ও ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করে তারা আধঘণ্টার মধ্যেই স্টাইলসে যাবেন। পোয়ারো বললেন তারা যেন যাবার সময় তাকে গ্রামের শেষ বাড়িটা থেকে ডেকে নেন, সেও তাদের সঙ্গে যেতে ইচ্ছুক।

    পোয়ারো বলল স্টাইলসে মিঃ ইঙ্গলথর্প যদি কোনো প্রমাণ দিতে অস্বীকার করে তাহলে সে এমন প্রমাণ দিতে পারবে যে তাতেই তারা বুঝতে পারবেন যে মিঃ ইঙ্গলথর্পের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই টিকবে না।

    জাপকে খুশী মনে হল। অতঃপর তারা বিদায় নিয়ে চলে গেল।

    এবার আমি ভাবলাম পোয়ারোকে কিছু জিজ্ঞাসা করব, কারণ আমার মনের মধ্যে হাজার খানেক প্রশ্ন জেগেছে।

    কিন্তু পোয়ারো নিজেই মুখ খুলল, বলল মিঃ ইঙ্গলথর্পের কাণ্ড দেখে সে অবাক হয়ে গেছে। আমি বললাম সে তো শুধু লোকটার বোকামিই দেখছে। ও সত্যিকার দোষী বলেই চুপ করে আছে কারণ, এছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

    পোয়ারো বলল অনেক উপায় আছে। যদি সে নিজে কখনও কোনো খুন করত তাহলে ইঙ্গলথর্পের চেয়ে অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য কাহিনী তৈরি করত।

    পোয়ারোর কথা শুনে আমার খুব হাসি পেল। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ঐ গোয়েন্দা দুজনকে সে যা বলেছে তা তার মনের কথা কিনা; সে কি সত্যিই ইঙ্গলথর্পকে নির্দোষ বলে ভাবছে। পোয়ারো বলল নির্দোষ না ভাবার তো কোনো কারণ নেই। আমি বললাম যে ইঙ্গলথর্পের বিরুদ্ধে প্রমাণগুলো তো খুবই জোরালো। পোয়ারোও মাথা নেড়ে সায় দিল।

    কথা বলতে বলতে আমরা লিস্টওয়েজ কুটিরের সামনে এসে গেলাম। পোয়ারো বলতে লাগল ইঙ্গলথর্পের বিরুদ্ধে প্রমাণগুলো খুব বেশি জোরালো। যতক্ষণ এগুলো অস্পষ্ট ও অকথিত ছিল ততক্ষণ ওগুলো অগ্রাহ্য করা এরকম অসম্ভব ছিল কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ব্যাপার হল অপরাধী নিজেকে যত গভীর জালে জড়িয়ে ফেলছে ততই সুবিধা হয়ে যাচ্ছে। ইঙ্গলথর্পের মুক্তির জন্য শুধু একটু ছিদ্রপথ প্রয়োজন।

    পোয়ারোর মনের মধ্যে যে কি চলছে তা বোঝা আমার সাধ্য নয়। তাই চুপচাপ থাকাই শ্রেয় মনে করলাম।

    মিনিট খানেক পরে পোয়ারো বলতে লাগল ঘটনাটা এইভাবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। যদি কোনো চালাক লোক তার স্ত্রীকে বিষ খাইয়ে মারতে চায় তাহলে ষড়যন্ত্রটা সে কিভাবে করতে পারে। একদিন গ্রামের এক ওষুধের দোকান থেকে একটা কুকুরকে মারব বলে স্ট্রিকনিন কিনলো, তারপর সেই রাতে বিষ প্রয়োগ করল না, স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ার জন্য অপেক্ষা করে রইল, ঝগড়ার কথা বাড়ির সকলেই জানল। লোকটা এতটুকু সাবধান না হয়ে সেদিন রাতেই খুন করল।…কোনো লোক কখনও এত বোকা হতে পারে! কেউ যদি ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করতে চায় তবেই সে একরকম কাজ করবে।

    আমি বললাম মিঃ ইঙ্গলথর্পপকে যদি পোয়ারো নিরপরাধ বলে মনে করে তাহলে সে স্ট্রিকনিন কেন কিনেছিল। পোয়ারো বলল যে ইঙ্গলথর্প মোটেই স্ট্রিকনিন কেনেনি। আমি বললাম মেস যে তাকে সনাক্ত করেছে।

    পোয়ারো রহস্য উদঘাটন করল, বলল মেস ইঙ্গলথর্পের পোশাকে ওরই মত দাড়িওয়ালা চশমা পরা একজনকে দেখেছে এবং তাকে হয়ত দূর থেকে দেখেছে। তাছাড়া মেস ঐ দোকানে মাত্র দিন পনেরো কাজ করছে।

    আমি বললাম, তাতে কি হয়েছে?

    পোয়ারো আমাকে বাধা দিয়ে জিজ্ঞাসা করল সে যে সূত্রগুলোর কথা বলেছিল সেগুলো আমার মনে আছে কিনা। আমি একটু চিন্তা করলাম। পোয়ারো আমাকে দ্বিতীয় সূত্রটার কথা মনে করতে বলল।

    আমার মনে পড়ে গেল, বললাম সে বলেছিল মিঃ ইঙ্গলথর্প অদ্ভুত পোশাক পরে, ওর কালো দাড়ি আর চশমা আছে।

    পোয়ারো হঠাৎ বলল কেউ যদি লরেন্স বা জনের ছদ্মবেশ নিতে চায় তাহলে সেটা সহজ হবে কিনা। আমি বললাম যে তা সহজসাধ্য নয় কারণ ওদের দুজনেরই মুখের দাড়িগোঁফ কামানো।

    পোয়ারো বলল ঠিক তাই। কিন্তু অ্যালফ্রেড ইঙ্গলথর্পের ক্ষেত্রে ছদ্মবেশ ধরার কোনো অসুবিধা নেই, কারণ ওর পোশাক, দাড়ি আর চশমা তার আসল ব্যক্তিত্ব আর রূপটা আড়াল করে ফেলেছে। তাহলে অপরাধীর মনস্তত্ত্ব বলে তার প্রথম ও প্রধান উদ্দেশ্য হবে নিজের ওপর থেকে সন্দেহ অন্যের ঘাড়ে ফেলা। এই ঘটনায় এরকম একজন লোক তো হাতের কাছেই রয়েছে…সে হল মিঃ ইঙ্গলথর্প। সকলেই ওর অপরাধ সম্বন্ধে নিঃসন্দেহ হবে এটা জানা কথা। তা সত্ত্বেও অপরাধী একেবারে নিশ্চিত হবার জন্য ইঙ্গলথর্পের ছদ্মবেশে স্ট্রিকনিন কিনল।

    পোয়ারো বলল আসলে মেস কোনোদিন আসল ইঙ্গলথর্পের সঙ্গে কথা বলেনি, তাই ঐ দাড়ি আর চশমার আড়ালে তার পক্ষে ঐ লোকটা যে ছদ্মবেশী তা বোঝা সম্ভব ছিল না।

    আমি পোয়ারোর যুক্তি খণ্ডন করতে পারলাম না। তবুও বললাম যদি তাই হয়, তাহলে ইঙ্গলথর্প ছটার সময় কোথায় ছিলেন বলতে চাইছেন না কেন।

    পোয়ারো বেশ শান্তভাবে বলল সেটা একটা কথা বটে। তবে সেটা নিয়ে সে ভাবছে না। পোয়ারো বলল লোকটার মৌনতার পেছনে অদ্ভুত কিছু কারণ নিশ্চয়ই আছে। নিজের স্ত্রীকে খুন না করলেও লোকটা যে মহা ধুরন্ধর তাতে সন্দেহ নেই। তার গোপন করার মত একটা কিছু যে আছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

    আমি জানতে চাইলাম, সেটা কি? পোয়ারো প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলল। আমাকে জিজ্ঞাসা করল ইঙ্গলথর্পপকে বাদ দিয়ে তদন্তের ব্যাপারটা আমার কেমন মনে হচ্ছে। অদ্ভুত কিছু আমার চোখে পড়েছে কিনা।

    আমার মনে হল মেরী ক্যাভেণ্ডিসের কথা। তবু জিজ্ঞাসা করলাম কি বিষয়ের কথা পোয়ারো বলছে।

    পোয়ারো বলল লরেন্স ক্যাভেণ্ডিসের সাক্ষ্যের কথা বলছে সে। আমি বললাম যে সেরকম কিছু তো আমি লক্ষ্য করিনি। তবে বরাবরই একটু দুর্বল চরিত্রের।

    পোয়ারো বলল তদন্তের সময় লরেন্স বলেছিল তার মা ভুল করে স্ট্রিকনিন মেশানো টনিক খেয়ে মারা যেতে পারেন। আমি বললাম ডাক্তারও তো লরেন্সের কথাটা হাস্যকর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। যে কোনো সাধারণ লোকই এরকম ধারণা করতে পারে।

    পোয়ারো আমাকে বলল লরেন্স ক্যাভেণ্ডিস তো সাধারণ অজ্ঞ লোক নন। সে আমাকে মনে করিয়ে দিল যে আমিই তাকে একদিন বলেছিলাম যে লরেন্স ডাক্তারী পাশ করেছেন।

    আমি চমকে উঠলাম। বললাম ব্যাপারটা সত্যিই চিন্তা করার মত।

    পোয়ারো মাথা নাড়ল, বলল শুরু থেকেই লরেন্সের হাবভাব একটু অদ্ভুত ধরনের। বাড়ির লোকজনের মধ্যে স্ট্রিকনিনের মৃত্যুটা স্বাভাবিকভাবে হয়েছে বলতে চাইছেন। এই কথাটা জন বললে একটা অর্থ খুঁজে পাওয়া যেত, কিন্তু লরেন্স ডাক্তারী পাশ করে একথা কেন বলতে চাইছেন তা চিন্তার বিষয়।

    আমি বললাম সত্যিই পুরো ব্যাপারটাই গোলমেলে লাগছে।

    পোয়ারো বলল, এছাড়া আরও একটা ব্যাপার আছে। মেরী ক্যাভেণ্ডিস অনেক কিছুই বলেননি, চেপে গেছেন।

    আমার কিছুই বোধগম্য হচ্ছিল না। পোয়ারো জানাল সে একটা ব্যাপারে নিশ্চিত যে মেরী ক্যাভেণ্ডিস মিঃ ও মিসেস ইঙ্গলথর্পের ঝগড়ার কথাবার্তা অনেকটাই শুনেছিলেন, তা তিনি স্বীকার করুন বা না করুন।

    আমি বললাম যে ওর মত মহিলার পক্ষে আড়ি পাতাটা আমার কাছে অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে।

    পোয়ারো বলল এইখানেই রহস্যটা দানা বেঁধেছে। তবে সাক্ষ্য থেকে একটা ব্যাপার পরিষ্কার হয়ে গেছে যে ডরকাসের কথাই ঠিক, ঝগড়াটা বিকেলের আগে মানে প্রায় চারটের কাছাকাছি হয়েছিল।

    পোয়ারোর দিকে আড়চোখে তাকালাম। এই একটা ব্যাপারে ও যে কেন এত চিন্তা করছে বুঝে উঠতে পারলাম না।

    পোয়ারো বলল তার কাছে আরো একটা ব্যাপার আশ্চর্যজনক বলে মনে হচ্ছে। উনি অত সকালবেলায় কেতাদুরস্ত হয়ে কি করছিলেন। এই বিষয়ে কেউ যে কেন কোনো প্রশ্ন করেনি সেটাও চিন্তার বিষয়।

    আমি হাল্কা সুরে বললাম ভদ্রলোকের হয়ত বা অনিদ্রা রোগ আছে। পোয়ারো হেসে বলল ব্যাখ্যাটা আমি বেশ ভালোই দিয়েছি। যাই হোক সে বলল এবার থেকে ওর ওপর নজর রাখতে হবে।

    এবার আমি জানতে চাইলাম পোয়ারো আর কারো সাক্ষ্যে গলদ পেয়েছে কিনা। পোয়ারো বলল তার মতে তদন্তের সময় বেশি হলে একজন বা দুজন সত্যি কথা বলেছে।

    আমি বললাম, আমার তো মনে হয় মেরী বা লরেন্সকে বাদ দিলে জন আর মিস হাওয়ার্ডের সাক্ষ্য নিয়ে কোনো প্রশ্নই উঠতে পারে না। ওরা দুজনে নিশ্চয়ই সত্যি কথা বলেছে।

    পোয়ারো বলল ওদের দুজনের মধ্যে একজন সত্যি কথা বলেছে, দুজন কখনই বলেনি।

    পোয়ারোর কথাটা ভাবতে লাগলাম। মিস হাওয়ার্ডের সাক্ষ্যের কথা মনশ্চক্ষে দেখতে পেলাম। ওর সাক্ষ্যে নতুনত্ব কিছু ছিল না। সেজন্য আমি একবারের জন্যও ভাবিনি যে মিস হাওয়ার্ডের সাক্ষ্যে কোনো মিথ্যার ছোঁয়া আছে, অথচ পোয়ারোর মতামতের ওপর আমার যথেষ্ট শ্রদ্ধা আছে।

    আমি পোয়ারোকে জিজ্ঞাসা করলাম সে কি ভাবছে যে মিস হাওয়ার্ড সত্যি কথা বলেননি। আমার তো তাকে বেশ সরল বলেই মনে হয়েছে।

    পোয়ারো অদ্ভুতভাবে আমার দিকে তাকাল–যেন কিছু একটা বলতে চাইল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর কিছুই বলল না।

    আমি একটুক্ষণ চুপ করে থাকার পর বললাম মিস সিনথিয়া মারডককেও তো অবিশ্বাসের কোনো কারণ দেখতে পাচ্ছি না।

    পোয়ারো বলল এটা ভাববার বিষয় যে পাশের ঘরে থাকা সত্ত্বেও সে কোনো শব্দ শোনেনি অথচ মেরী ক্যাভেণ্ডিস বাড়ির অন্য প্রান্তে থেকেও টেবিলটা পড়ার আওয়াজ শুনেছিলেন।

    আমি বললাম হয়ত সিনথিয়ার ঘুমটা একটু গাঢ়।

    এই সময় নিচে দরজায় ধাক্কা শুনে বুঝতে পারলাম স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের গোয়েন্দা দুজন এসে গেছেন।

    পোয়ারো তাড়াতাড়ি টুপিটা হাতে নিয়ে আমাকে তার সাথে নিচে যেতে ইশারা করল। সকলে একসাথে স্টাইলসে রওনা হলাম।

    স্কটল্যাণ্ড ইয়ার্ডের গোয়েন্দা দুজনকে দেখে সকলেই যেন একটু অপ্রস্তুত হয়ে পড়ল, বিশেষ করে জন। যদিও সবাই জানতে এই ধরনের ব্যাপার হবেই, তবু এটা এত তাড়াতাড়ি যে হবে তা বোধহয় কেউ বুঝতে পারেনি।

    দেখলাম পোয়ারো জ্যাপের সঙ্গে নিচু গলায় কিছু আলোচনা করছে। ইনসপেক্টর জ্যাপ বাড়ির সকলকে বসবার ঘরে জমায়েত হতে অনুরোধ জানালেন।

    অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই সবাই বসবার ঘরে এসে দাঁড়ালেন। ইনসপেক্টর জ্যাপ দরজাটা বন্ধ করে দিলেন। পোয়ারো সবাইকে চেয়ার এগিয়ে দিল। সকলে অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে রইল। আমার মনে হল এই প্রথম আমরা কঠিন বাস্তবের সম্মুখীন হয়েছি।

    সরকারী গোয়েন্দার পরিবর্তে পোয়ারো কথা শুরু করায় সকলে মনে হল একটু আশ্চর্য হয়ে গেলেন।

    বেশ নাটকীয় ঢঙে বক্তৃতা দেবার কায়দায় পোয়ারো বলতে শুরু করল যে একটা বিশেষ কারণে বাড়ির সকলকে এখানে জমায়েত হতে বলা হয়েছে, সেই কারণটা মিঃ অ্যালফ্রেড ইঙ্গলথর্পের সঙ্গে জড়িত।

    ঘরের একপাশে ইঙ্গলথর্প বসেছিলেন। অন্যান্যরা হয়ত অজান্তেই তার চেয়ে একটু দূরে বসেছিলেন। পোয়ারো ইঙ্গলথর্পের নাম উচ্চারণ করার সাথে সাথেই মনে হল উনি যেন একটু চমকে উঠলেন।

    পোয়ারো মিঃ ইঙ্গলথর্পপকে উদ্দেশ করে বলল এই বাড়ির ওপর একটা কালো ছায়া নেমে এসেছে। ইঙ্গলথর্প মাথা নাড়লেন, পোয়ারো বলতে লাগলেন যে ইঙ্গলথর্প মারাত্মক বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন।

    পোয়ারো প্রশ্ন করল ইঙ্গলথর্প ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন কিনা। ইঙ্গলথর্প জানতে চাইলেন পোয়ারো কি বলতে চাইছে।

    পোয়ারো বলল সে বলতে চাইছে ইঙ্গলথর্প তার স্ত্রীকে বিষ খাইয়েছেন। পোয়ারোর দৃঢ় কণ্ঠের এই উক্তি শুনে ইঙ্গলথর্প চিৎকার করে উঠলেন, বললেন তিনি এই মিথ্যা অপবাদ সহ্য করতে পারছেন না, তিনি বলতে লাগলেন কেন তিনি শুধু শুধু এমিলিকে বিষ খাওয়াতে যাবেন।

    পোয়ারো বলল ইঙ্গলথর্প যদি নিজের ভালো চান তাহলে তিনি যাতে বলেন গত সোমবার সন্ধ্যা ছটার সময় কোথায় ছিলেন।

    পোয়ারোর প্রশ্ন শুনে ইঙ্গলথর্প দুহাতে মুখ ঢাকলেন, তার মুখ দিয়ে একটা অস্পষ্ট অব্যক্ত যন্ত্রণা ফুটে বেরোলো।

    পোয়ারো ইঙ্গলথর্পের সামনে এসে দাঁড়িয়ে তীব্র কণ্ঠে প্রশ্ন করল।

    ইঙ্গলথর্প পোয়ারোর দিকে তাকিয়ে ধীরে ধীরে মাথা নাড়লেন।

    পোয়ারো বলল তাহলে মিঃ ইসলথর্প বলবেন না। ইঙ্গলথর্প বললেন যে তিনি ভাবতে পারছেন না কোনো মানুষ এভাবে অপবাদ দিতে পারে।

    পোয়ারো বলল যে তাহলে সেই ইঙ্গলথর্পের হয়ে যা বলার বলবে। ইঙ্গলথর্প চমকে উঠল, প্রশ্ন করল, পোয়ারো এই ব্যাপারে কি জানেন।

    পোয়ারো আমাদের দিকে তাকিয়ে বলতে শুরু করলেন, সে নিশ্চিতভাবে বলছে যে, গত সোমবার সন্ধ্যা ছটার সময় ওষুধের দোকানে যিনি স্ট্রিকনিন কিনতে ঢুকেছিলেন, তিনি অ্যালফ্রেড ইঙ্গলথর্প নন, কারণ সেদিন ঐ সময়ে মিঃ ইঙ্গলথর্প মিসেস রেইকস্ নামে এক মহিলাকে তার বাড়িতে পৌঁছে দিতে গেছিলেন। এই ব্যাপারে অন্তত পাঁচজন সাক্ষী সে হাজির করতে পারে বলে দাবী করল।

    এবার পোয়ারো বলল যে সকলেই নিশ্চয়ই জানেন মিসেস রেইকসের বাড়ি অ্যাবী খামারে যা গ্রাম থেকে প্রায় আড়াই মাইল দূরে।

    এই কথাটাই আসলে মিঃ ইঙ্গলথর্প বলতে চাইছিলেন না, আর এর ফলস্বরূপ সবাই ধরে নিয়েছিল ইঙ্গলথর্প মিথ্যা কথা বলছেন যে তিনি স্ট্রিকনিন কিনতে দোকানে যাননি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }