Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. পোয়ারোর অদ্ভুত অনুরোধ

    দিন কয়েক ধরে পোয়ারোর অদ্ভুত অনুরোধের কথাটাই মাথায় ঘুরছিল। কিন্তু লরেন্সকে এখনও পর্যন্ত কথাটা বলা হয়ে ওঠেনি কারণ সুযোগই পাইনি।

    সেদিন বাগানে ঘুরছিলাম, নানা কথা মনে আসছিল। হঠাৎ লরেন্সকে দেখতে পেলাম। বাগানের মধ্যে ছোট খেলার মাঠটাতে লরেন্স দুটো বল নিয়ে নিজের মনে নাড়াচাড়া করছিল। মনে হল এই সময়ই কথাটা বলার সুযোগ। না হলে পোয়ারো যা ব্যস্তবাগীশ নিজেই হয়ত কোনোদিন জিজ্ঞাসা করে বসবে, এটা হতে দিতে মন চাইল না। তাই সরাসরি লরেন্সের কাছে গিয়ে বললাম যে আমি তাকেই খুঁজছিলাম।

    লরেন্স কি ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করল। আমি বললাম পোয়ারো তাকে একটা কথা জানাতে বলেছিল। লরেন্স উদগ্রীব হয়ে উঠল। আমি আড় চোখে ওর দিকে তাকিয়ে বললাম কথাটা হলবাড়তি কফির কাপটা খুঁজে বের করুন, তা হলে আর চিন্তার কারণ থাকবে না।

    লরেন্স বিস্মিত হয়ে জানতে চাইল পোয়ারো এই কথার দ্বারা কি বলতে চাইছেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম সে কি কিছুই বুঝতে পারছে না। লরেন্স মাথা নাড়ল।

    আমি বললাম তাহলে পোয়ারোকে গিয়ে আমি কি কি জানাব। লরেন্স বলল আমি যাতে পোয়ারোকে বলি যে সে সত্যিই কথাটার অর্থ কিছুই বুঝতে পারছে না।

    এই সময় বাড়ির পেটা ঘড়িটার শব্দ কানে এল। আমরা দুজনে একসঙ্গে বাড়িতে ঢুকলাম। পোয়ারোকে বসে থাকতে দেখলাম। জন ওকে দুপুরের খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আমরা স্থির করলাম যে দুর্ঘটনার বিষয়ে কোনো আলোচনা করব না। সকলে মিলে যুদ্ধের বিষয়ে আলোচনা করতে লাগলাম।

    ডরকাস আমাদের বিস্কুট আর পানীয় পরিবেশন করল। এই সময় পোয়ারো হঠাই মেরী ক্যাভেণ্ডিসের দিকে ঘুরে বসে বলল। সে আবার পুরোনো স্মৃতিটাকেই জাগিয়ে তুলতে বাধ্য হচ্ছে কারণ তার দুএকটা জিজ্ঞাসা আছে। মেরী ক্যাভেণ্ডিসের কোনো আপত্তি আছে কিনা সে জানতে চাইল। মেরী বললেন পোয়ারো যা জানতে চান স্বচ্ছন্দে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

    পোয়ারো জিজ্ঞাসা করল সিনথিয়ার ঘর থেকে মিসেস ইঙ্গলথর্পের ঘরে যাওয়ার দরজাটা বন্ধ ছিল কিনা। মেরী প্রশ্নটা শুনে অবাক হয়ে বলল দরজাটা যে বন্ধ ছিল একথা তো তিনি তদন্তের সময়ও বলেছিলেন।

    পোয়ারো বলল মিসেস ক্যাভেণ্ডিস তার প্রশ্নের উদ্দেশ্যটা ঠিক বুঝতে পারেননি। তার প্রশ্ন হল দরজাটা এমনি ভেজানো ছিল না খিল বন্ধ ছিল। মেরী এবার বুঝতে পেরে বললেন তিনি ঠিক মনে করতে পারছেন না। সম্ভবতঃ দরজাটা খিল এঁটে বন্ধ ছিল। কারণ দরজাটা খোলা যাচ্ছিল না।

    পোয়ারো বলল শুধুমাত্র সম্ভাবনা দিয়ে কাজ চলবে না, ব্যাপারটা সম্বন্ধে নিশ্চিত হতে হবে।

    কথার মাঝখানে হঠাৎ লরেন্স বাধা দিয়ে বলল সে দেখেছিল দরজায় খিল আঁটা ছিল।

    পোয়ারো বলল তাহলে তো আর কিছু বলার নেই ওকে যেন একটু হতাশ দেখাল।

    খাওয়া-দাওয়ার পর পোয়ারো আমাকে ওর সঙ্গে যেতে অনুরোধ করল। আমি সম্মত হলাম। বাগানের মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে পোয়ারো আমাকে জিজ্ঞাসা করল আমি কি ভাবছি। আমি শান্ত স্বরেই বললাম যে কিছু ভাবছি না। পোয়ারো চুপ করে রইল।

    একটু পরে আমি পোয়ারোকে বললাম তার কথাটা আমি লরেন্সকে জানিয়েছি। পোয়ারো জানতে চাইল কথাটা শুনে লরেন্সের প্রতিক্রিয়া কি হয়েছিল। আমি বললাম যে লরেন্স কথাটার মাথা মুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারেনি। ভাবলাম কথাটা শুনে পোয়ারো হয়ত হতাশ হয়ে পড়বে, কিন্তু ঠিক উল্টোটা ঘটল। পোয়ারো বলল সে জানত যে এরকমই হবে। পোয়ারোকে আর কোনো কথা জিজ্ঞাসা করতে একটুও ইচ্ছে হল না।

    পোয়ারো কথা প্রসঙ্গে বলল সিনথিয়াকে তো খাওয়ার আসরে দেখা গেল না। আমি বললাম সিনথিয়া হাসপাতালে গেছে, সে আজ থেকে আবার কাজে যোগ দিয়েছে।

    পোয়ারো বলতে লাগল সিনথিয়া বেশ পরিশ্রমী, এবং দেখতে বেশ সুন্দরীও। সে জিজ্ঞাসা করল সিনথিয়া কি তার ডাক্তারখানাটা দেখতে চাইলে দেখাবে। আমি বললাম না দেখানোর কোনো কারণ নেই বরং খুশীই হবে সে কারণ ওটা দেখাবার মতই।

    পোয়ারো প্রশ্ন করল সিনথিয়াকে রোজ যেতে হয় কিনা। আমি বললাম ওর শুধু বুধবার পুরোদিন আর শনিবার আধবেলা ছুটি। পোয়ারো বলল সময়টা মনে রাখতে হবে।

    এবার পোয়ারো জানতে চাইল সিনথিয়ার ওখানে মারাত্মক বিষ আছে কিনা। আমি বললাম নিশ্চয়ই আছে, সেগুলো একটা আলাদা আলমারীতে রাখা থাকে, ঘরের বাইরে গেলেই চাবিটা সবসময় নিজের কাছে রাখে।

    আলমারীটা কোথায় রাখা থাকে, জানলার ধারে কিনা পোয়ারো জিজ্ঞাসা করল। ওর প্রশ্নগুলো শুনে আমি অবাক না হয়ে পারলাম না। আমি জানতে চাইলাম কেন সে এই প্রশ্ন করছে। পোয়ারো বলল তার একটু আশ্চর্য মনে হচ্ছিল, তাই।

    আমরা কথা বলতে বলতে পোয়ারোর বাড়ির কাছে এসে পড়েছিলাম। পোয়ারো তার বাড়িতে খেতে বলল আমাকে। আমি বললাম যে এখন আর যাব না, একটু বড় রাস্তা দিয়ে ঘুরে বাড়ি যাব।

    স্টাইলসের চারদিকের দৃশ্য বড়ই মনোহর। গাছপালার মধ্য দিয়ে হাঁটতে বেশ ভালোই লাগছিল, চারদিক শান্ত, নিস্তব্ধ। হাঁটতে হাঁটতে একটা গাছের নিচে এসে হাত পা ছড়িয়ে শুয়ে পড়লাম। মনে হল সব কথা ভুলে যাই, এমনকি পোয়ারোর কথাও। কিন্তু মনের গতি বড়ই বিচিত্র। ঘুরে ফিরে সেই হত্যাকাণ্ডের কথাটাই আবার মনে হতে লাগল। ভাবতে ভাবতে বোধহয় একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম। মনে হল লরেন্স অ্যালফ্রেড ইঙ্গলথর্পপকে খুন করে বসেছে–আধো ঘুম আধো জাগরণে এটাই বুঝি দেখতে পেলাম। মনে হল জন যেন চিৎকার করছে। চমকে উঠতেই তন্দ্রা ছুটে গেল আমার।

    চারদিকে তাকালাম, এরকম জায়গায় ঘুমিয়ে পড়াটা একটুও ঠিক হয়নি বুঝতে পারলাম। হঠাৎ সামনের দিকে নজর পড়তেই দেখতে পেলাম জন ও মেরী ক্যাভেণ্ডিস আমার কিছু দূরে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। ভাগ্যিস আমাকে দেখতে পায়নি ওরা। ওদের ভাবভঙ্গী দেখে সহজেই বোঝা যায় যে ওরা ঝগড়া করছে।

    জন বলে উঠল সে একথা বিশ্বাস করে না। মেরী শান্ত গলায় বলল তার কাজকর্মে বাধা দেবার অধিকার জনের নেই। জন বলল মাত্র গত শনিবার তার মাকে কবর দেওয়া হয়েছে। আর মেরী ঐ লোকটার সঙ্গে ঢলাঢলি করছে এত সারা গ্রামে টিঢ়ি পড়ে যাবে।

    মেরী জিজ্ঞাসা করল জন কি শুধু গ্রামে টিটি পড়ার ভয়েই কাহিল হয়ে পড়ছে। জন বলল শুধু তা নয়, ঐ লোকটাকে সে আর সহ্য করতে পারছে না, লোকটা একটা পোলিশ ইহুদী। মেরী উত্তরে বলল শরীরে একটু ইহুদী রক্ত থাকা ভালো, তাতে যত আকাট ইংরেজ আছে তাদের বুদ্ধি খুলতে পারে।

    মেরী ক্যাভেণ্ডিসের আগুন ঝরা কথায় জনের মুখ লাল হয়ে উঠল। সে তীব্র কণ্ঠে মেরী বলে চিৎকার করে উঠল; জানতে চাইল এটাই মেরীর শেষ কথা কিনা। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মেরী ডাঃ বরস্টিনের সঙ্গে মেলামেশা করবে কিনা।

    মেরী বলল তার ইচ্ছা হলেই সে মিশবে। জন জিজ্ঞাসা করল তার অপছন্দ জেনেও মেরী এই কাজ করবে। মেরী উত্তরে বলল তার ইচ্ছাতে বাধা দেবার কোনো অধিকার জনের নেই। সে জানতে চাইল জনের কি এমন কোনো বন্ধু নেই যাকে মেরী অপছন্দ করে।

    এই কথাটা শুনে জন বোধ হয় একটু ধাক্কা খেল। একটা দুশ্চিন্তার ছায়া খেলে গেল ওর মুখে। ধীরে ধীরে প্রশ্ন করলত মেরী কি বলতে চাইছো। শান্ত কণ্ঠে মেরী বলল সে শুধু বলতে চাইছে তার বন্ধুদের নিয়ে যাতে জন আর মাথা না ঘামায়।

    জনের চোখেমুখে মিনতি ঝরে পড়ল এবার। সে জানতে চাইল সত্যি কি মেরীর ওপর তার আর কোনো অধিকার নেই। হাত বাড়িয়ে জন মেরীর হাত ধরে ফেলল।

    আমার মনে হল মেরী হয়ত একটু নরম হয়ে পড়লেন। কিন্তু মুহূর্তেই সেই ভুলটা ভেঙে গেল যখন মেরী নিজের হাত ছিনিয়ে নিয়ে বলে উঠলেন, সত্যি তার ওপর জনের কোনো অধিকার নেই।

    মেরী হনহন করে এগিয়ে যেতেই জন আবার পথরোধ করে দাঁড়িয়ে জানতে চাইল যাওয়ার আগে মেরী যেন সত্যি কথাটা বলে যায় যে সে সত্যি বরস্টিনকে ভালোবাসে কিনা।

    ঘুরে দাঁড়িয়ে ঋজু ভঙ্গীতে মেরী উত্তরে বললেন হয়ত তাই। তারপর দৃঢ় পায়ে একটা গাছের আড়ালে অদৃশ্য হয়ে গেলেন।

    জনের দিকে তাকিয়ে দেখলাম একদম পাথর হয়ে গেছে সে। আমি খুব অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে গেলাম। স্বামী স্ত্রীর গোপন কথোপকথন আমাকে শুনতে হল অনিচ্ছাসত্ত্বেও। কি করি ভাবতে ভাবতে শুকনো পাতাগুলোর ওপর দিয়ে জনের দিকে এগোতে লাগলাম। আমার পায়ের শব্দে ঘুরে দাঁড়াল জন। আমাকে দেখে জিজ্ঞাসা করল আমি পোয়ারোকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে এসেছি কিনা। জন জানতে চাইল পোয়ারো কি সত্যি কিছু করতে পারবেন।

    মনে মনে খুশী হলাম। জন ভেবেছে আমি এইমাত্র এসেছি। যাই হোক আমি তার প্রশ্নের উত্তরে বললাম একসময় পোয়ারোর চেয়ে বড় গোয়েন্দা আর কেউ ছিল না। বয়স হলেও ওর প্রতি শ্রদ্ধা আমার এতটুকু কমেনি।

    জন বলল তাহলে তো ভালোই। কিন্তু তার একদম ভালো লাগছে না, মনে হচ্ছে পৃথিবীটাই একদম বিশ্রী। কিছু না জানার ভান করে জিজ্ঞাসা করলাম কি হয়েছে?

    জন বলতে লাগল প্রথমেই তো এরকম একটা ভয়ানক কাণ্ড ঘটল, স্কটল্যাণ্ড ইয়ার্ডের লোকেরা জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে, তার ওপর খবরের কাগজগুলোর অত্যাচার তো আছেই। সবচেয়ে মারাত্মক কাণ্ড ঘটেছে সকালবেলা, দরজার সামনে এক দঙ্গল লোক জমা হয়েছিল, হয়ত তারা বিনা পয়সায় মজা দেখার জন্য এসেছিল।

    আমি জনকে সান্ত্বনা দিয়ে বললাম যেন সে মুষড়ে না পড়ে, সব ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।

    জন বলল, কিছুই ঠিক হবার নয়। এবার তো ঘটনা আরও মারাত্মক দিকে মোড় ঘুরল। সে বলতে লাগল ইঙ্গলথর্প ছাড়া পেয়ে গেছে যখন তখন অপরাধী নিশ্চয় আমাদের মধ্যে কেউ।

    জনের কথাটা শুনে সত্যিই চমকে উঠলাম। আমাদের মধ্যে হত্যাকারী লুকিয়ে আছে কথাটা ভাবতেই কেমন লাগল। হঠাৎ একটা কথা মাথার মধ্যে চকিতে জেগে উঠল; এই সম্ভাবনাটার কথা তো আমার একেবারেই মনে হয়নি। নিজেকে মূক বলে মনে হল। এবার মনটা অনেকটা হাল্কা হয়ে গেল।

    জনকে বললাম আমাদের মধ্যে কেউ এই কাজ করতে পারে না। জন বলল তাহলে আর কে করবে? আমি বললাম সে কি সত্যিই বুঝতে পারছে না। জন মাথা নাড়ল। আমি চারদিক দেখে নিয়ে ফিসফিস করে জনকে ডাঃ বরস্টিনের নাম বললাম।

    জন বলে উঠল অসম্ভব। আমি অসম্ভব কেন জিজ্ঞাসা করলাম। জন উল্টে প্রশ্ন করল তার মার মৃত্যুতে ডাঃ বরস্টিনের কি লাভ হবে?

    আমি বললাম সেটা বলা কঠিন। তবে পোয়ারোও যে এই সন্দেহটাই করছে সেটা জনকে জানালাম।

    জন জিজ্ঞাসা করল পোয়ারো আমাকে একথা বলেছে কিনা। আমি জনকে সেদিনের কথা বললাম–ডাঃ বরস্টিন সেই রাতে স্টাইলসে ছিলেন শুনে পোয়ারো কেমন উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলেন। এমনকি পোয়ারো বেশ কয়েকবার বলেছিল সব কিছু বদলে গেল।

    আমি জনকে মনে করাতে লাগলাম যে ইঙ্গলথর্প বলেছিলেন কফির কাপটা উনি হলঘরে রেখেছিলেন আর ঠিক সেই সময়েই ডাঃ বরস্টিন এসেছিলেন। আমি প্রশ্ন করলাম হলঘরের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় কাপে কিছু মিশিয়ে দেওয়া কি ওর পক্ষে অসম্ভব।

    জন বলল ব্যাপারটা দারুণ ঝুঁকির ছিল। আমি বললাম অসম্ভব তো ছিল না।

    জন জিজ্ঞাসা করল ওটা যে তার মার কফির কাপ ছিল সেটা ডাঃ বরস্টিন জানবেন কি করে? এই যুক্তিটা সে মানতে চাইল না।

    আমি বললাম কথাটা ঠিক। হঠাৎ একটা কথা মনে পড়ে যাওয়ায় বললাম ওভাবে ঘটনাটা ঘটেনি। জনকে এবার বললাম পোয়ারো আবার কোকোর কিছু অংশ রাসায়নিক বিশ্লেষণের জন্য দিয়ে এসেছে।

    জন অবাক হয়ে বলল সেটা তো ডাঃ বরস্টিন পরীক্ষা করেছেন। আমি বললাম যদি বরস্টিনই হত্যা করে থাকে তাহলে আসল কোকোর পরিবর্তে অন্য কোকোর কিছু অংশ পরীক্ষা করা ওর পক্ষে কত সহজ। ওতে তাহলে আর স্ট্রিকনিন পাওয়া যাবে না। কেউ বরস্টিনকে সন্দেহ করতে পারবে না বা আবার কোকোটা পরীক্ষা করার কথাও ভাববে না। একমাত্র পোয়ারো ছাড়া।

    জন বলল আরেকটা ব্যাপার ভাবার আছে, কোকো তো স্ত্রিকনিনের ঐ তেতো স্বাদটা ঢাকতে পারবে না।

    আমি বললাম এই কথাটা তো আমরা ডাঃ বরস্টিনের মুখেই শুনেছি। বরস্টিন হলেন পৃথিবীর সবচেয়ে নামী বিষ বিশেষজ্ঞ। আমার ধারণা কোনো উপায়ে তিনি স্ট্রিকনিনের তেতো স্বাদটা চাপা দিয়েছেন, এমনও হতে পারে বিষটা হয়ত স্ট্রিকনিন নয়, অন্য কোনো বিষ। বিষটার নাম হয়ত কেউ শোনেনি এর উপসর্গগুলো স্ট্রিকনিনেরই মত।

    জন মাথা নেড়ে বলল তা হতে পারে কিন্তু উনি কোকোটা কেমন করে পেলেন, কাপটা তো নিচে ছিল না।

    আমি বললাম তা ছিল না বটে–কথাটা বলার পরেই একটা সাংঘাতিক সম্ভাবনার কথা মাথায় খেলে গেল। সেটা হল ডাঃ বরস্টিনের কোনো সহকারী নিশ্চয়ই এ বাড়িতে রয়েছে। আর সেই সহকারী যে কে হতে পারেন বিদ্যুৎ চমকের মতোই তো খেলে গেল–তিনি মেরী ক্যাভেণ্ডিস ছাড়া আর কে? কিন্তু ভেবে কূল পেলাম না অমন সুন্দরী এক মহিলা কেমন করে খুনী হতে পারেন। মনটা বড় চঞ্চল হয়ে পড়ল। মেরী ক্যাভেণ্ডিসের উজ্জ্বল মুখচ্ছবি চোখের সামনে ভেসে উঠল। সব কথাগুলোও একেক করে মনে পড়তে লাগল।

    হঠাৎ জনের কণ্ঠস্বরে চমক ভাঙলো। সে বলল আরো একটা কথা ভাবার আছে। আমি জানতে চাইলাম, জন বলল ডাঃ বরস্টিন ময়না তদন্তের কথা বলেছিলেন। উনি ওটা না করলে ডাঃ উইলকিন্স অনায়াসেই ওটাই স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধরে নিতেন।

    আমি বললাম কথাটা সত্যি। তবে বলা যায় না, উনি হয়ত এটাই বুদ্ধিমানের কাজ বলে ভেবেছিলেন ভবিষ্যতের কথা ভেবেই। এমনও তো হতে পারে স্বরাষ্ট্র দপ্তর শেষ পর্যন্ত যদি মৃতদেহ খুঁড়ে বের করতে চায়। তখন আর কিছুই গোেপন থাকত না। ডাঃ বরস্টিনও নিতান্তই বেকায়দায় পড়ে যেতেন। ওর মত লোক যে ভুল করে থাকতে পারে কেউই তা বিশ্বাস করতো না।

    জন বলল যুক্তিটা খারাপ নয়, তবে ডাঃ বরস্টিনের উদ্দেশ্যটা কি হতে পারে তা তার বোধগম্য হচ্ছে না।

    কথা বলতে বলতে জনের সঙ্গে পথ চলছিলাম। বাগানের দরজাটা পার হয়ে ঢুকতেই ডুমুর গাছটার দিকে নজর পড়ল। ওখানে চায়ের আসর বসেছে। অনেকেই সেখানে আছে।

    সিনথিয়াও হাসপাতাল থেকে এসে গেছে। একটা চেয়ার টেনে ওর পাশে বসে বললাম পোয়ারো তার ডাক্তারখানাটা দেখতে চেয়েছে।

    সিনথিয়া কথাটা শুনেই উচ্ছল হল, বলল নিশ্চয়ই সে পোয়ারোকে দেখাবে।

    দুএক মুহূর্ত এবার চুপচাপ কাটালাম। সিনথিয়া হঠাৎ মেরী ক্যাভেণ্ডিসকে লক্ষ্য করে ফিসফিস করে বলল চা খাওয়ার পর সে কয়টা কথা আমাকে বলতে চায়।

    হঠাৎ জন বেশ রেগেই ঘর থেকে বেরিয়ে এল। চিৎকার করে বলতে লাগল গোয়েন্দারা ঘরে ঢুকে সব জিনিষপত্র ওলটপালট করে বিশ্রী কাণ্ড করে রেখেছে। একবার জ্যাপের সঙ্গে দেখা হলে সে তার মজা দেখাবে।

    মিস হাওয়ার্ডও তাকে সায় দিলেন। লরেন্সও চুপ করে রইল না। শুধু মেরী ক্যাভেণ্ডিসকে দেখে মনে হলো তার এসব ব্যাপারে কোনো আগ্রহ নেই। তিনি ভাবলেশহীনভাবে চুপচাপ বসে রইলেন।

    চা খাওয়ার পর সিনথিয়াকে একটু বেরিয়ে আসার জন্য ডাকলাম। দুজনে সকলের চোখের আড়ালে চলে আসতেই সিনথিয়া টুপিটা খুলে একটা গাছের তলায় বসে পড়ল। পড়ন্ত সূর্যের আলো সিনথিয়ার মুখে ছড়িয়ে পড়ল। দারুণ সুন্দর লাগল সিনথিয়াকে, আমার মনটা হঠাৎ স্বপ্নিল হয়ে পড়ল।

    সিনথিয়ার কণ্ঠস্বরে চমক ভাঙলো। সে বলল আমাকে নাকি তার খুব ভালো লাগে। সিনথিয়ার কথা শুনে মৃদু হাসলাম। সে আবার কথা বলল, বলল একটা ব্যাপার সে কিছুতেই বুঝতে পারছে না, তাই আমার পরামর্শ তার প্রয়োজন।

    আমি জানতে চাইলাম, কি ব্যাপার। সিনথিয়া বলতে লাগল এমিলি ঠাকুমা বলেছিলেন তার জন্য কিছু ব্যবস্থা করে যাবেন, কিন্তু তিনি হয়ত ভুলেই গেছেন, অথবা এভাবে মারা যাবেন একথা তো তিনি জানতেন না। তাই হয়ত কিছুই করে যাননি, এখন এখানে তার থাকা উচিৎ কিনা সে কিছুতেই বুঝতে পারছে না। সে ভাবছে চলে যাবে।

    আমি বললাম এই মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়, তাছাড়া ওরাও তো তাকে ছাড়তে চাইবে না।

    এক মুহূর্ত চুপ করল সিনথিয়া। হাত দিয়ে খাম ছিঁড়তে ছিঁড়তে আপন মনে বলল মিসেস ক্যাভেণ্ডিস চান যে সে এখান থেকে চলে যাক। এছাড়া আরো একজন চায়।

    আমি জিজ্ঞাসা করলাম সে কি জনের কথা বলছে। জন যে তাকে ভালোবাসে একথা তাকে বললাম।

    সিনথিয়া বলল সে জনের কথা বলছে না, লরেন্সের কথা বলছে। তবে লরেন্স কি করল না করল তা সে তোয়াক্কা করে না। কারণ কারও কৃপার পাত্রী হতে সে চায় না।

    সিনথিয়ার কথাগুলো শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল। তাড়াতাড়ি সান্ত্বনা জানিয়ে বললাম জন আর ইভিলিন যে তাকে ভালোবাসে একথাও তো তার মনে রাখা উচিৎ।

    সিনথিয়া বলল একথা সে জানে। তবু মেরী আর লরেন্সের ব্যবহার সে সহ্য করতে পারে না। কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ল সে।

    আমার কেমন যেন সব গোলমাল হয়ে গেল সিনথিয়ার কান্না দেখে। বড়ো একা মনে হল তাকে। ঝুঁকে পড়ে একটা হাত তুলে নিয়ে সিনথিয়াকে জিজ্ঞাসা করলাম সে আমার হবে কিনা।

    আমার কথা শুনে সিনথিয়া ওর হাত সরিয়ে নিল, কান্না থেমে গেল ওর, বলল এসব ছেলেমানুষী এখন থাক।

    খুব অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে গেলাম। তবু বললাম ছেলেমানুষী নয়, আমি সত্যি তাকে আমার স্ত্রীর মর্যাদা দিতে চাই।

    সিনথিয়া খিলখিল করে হেসে উঠল, বলল আমি নাকি ভারী মিষ্টি কথা বলি, সত্যি তো আমি যা বলছি তা চাই না।

    আমি সিনথিয়াকে কিভাবে বিশ্বাস করাবো বুঝতে পারলাম না, তাকে আবারও কথাটা বললাম।

    সিনথিয়া মিষ্টি করে হেসে আমাকে চুপ করতে বলল। একথাও বলল যে আমি যে কথাটা বলেছি সেটা নাকি আমি চাই না এবং সেও তা চায় না।

    একথা বলে সে তাড়াতাড়ি গাছের আড়ালে পালিয়ে গেল, আমি বোকার মত দাঁড়িয়ে রইলাম, তারপর গ্রামের দিকে হাঁটতে লাগলাম।

    আমার ইচ্ছা হল ডাঃ বরস্টিনকে একটু লক্ষ্য করি। একটা ছোটো কুঠুরির কাছে পৌঁছে দরজায় টোকা দিলাম, এই বাড়িতেই ডাঃ বরস্টিনের আস্তানা।

    এক বুড়ি দরজা খুলল। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ডাঃ বরস্টিন বাড়িতে আছেন কিনা। বুড়ি অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল আমি কি কিছু শুনিনি। আমি বললাম কি শুনব। বুড়ি জানাল পুলিশ ডঃ বরস্টিনকে ধরে নিয়ে গেছে।

    আমি কথাটা শুনে চমকে উঠলাম। বরস্টিনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে…।

    বুড়ির কথা শোনার আর কোনো আগ্রহ আমার ছিল না। যা শুনেছি তাই যথেষ্ট। এখনই পোয়ারোকে তা জানানো দরকার। কোনোদিকে না তাকিয়ে গ্রামের রাস্তা ধরে ছুটলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }