Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. অস্বস্তিতে পড়লাম

    হঠাৎ পোয়ারোর ওভাবে চলে যাওয়াতে খুবই অস্বস্তিতে পড়লাম। রবিবার এসে গেল, কিন্তু পোয়ারো তবু বেপাত্তা। বেলা তিনটে নাগাদ একটা শব্দ শুনে শুনলাম এসে দাঁড়াতেই দেখলাম একটা গাড়ি থেকে পোয়ারো এবং স্কটল্যাণ্ড ইয়ার্ডের সেই দুজন গোয়েন্দা জ্যাপ আর সামারহে নামছেন।

    পোয়ারোর চোখে মুখে উচ্ছ্বাস দেখলাম। মেরী ক্যাভেণ্ডিসকে দেখে ও যেন খুশীতে ফেটে পড়ল। সে মেরীর ঘরে একটা সভার আয়োজন করার অনুমতি চাইল। তাতে সকলের উপস্থিতি একান্ত কাম্য বলে জানাল।

    মেরী ক্যাভেণ্ডিস বিষণ্ণ হাসি হেসে বললেন তিনি তো পোয়ারোকে সব ক্ষমতাই দিয়েছেন।

    পোয়ারো খুশী মনে আমাদের সকলকে বসার ঘরে নিয়ে চেয়ারগুলো ঠিক করে রাখতে লাগলো। এক একটা চেয়ার দেখিয়ে পোয়ারো বলতে লাগল এখানে মিস হাওয়ার্ড বসবেন, এখানে সিনথিয়া, তার পাশে মাসিয়ে লরেন্স বসবেন। আর দুটো চেয়ার দেখিয়ে বলল সেখানে ডরকাস আর অ্যানী বসবে। পোয়ারো বলল শুধু মিঃ ইঙ্গলথর্প আসবেন কিনা সেটাই ব্যাপার।

    মিস হাওয়ার্ড কথাটা শুনে লাফিয়ে উঠে বললেন মিঃ ইঙ্গলথর্প এখানে এলে তিনি চলে যাবেন। পোয়ারো তাড়াতাড়ি মিস ওয়ার্ডের কানে কানে কিছু বলতেই উনি চুপ করে গেলেন।

    একটু পরেই মিঃ ইঙ্গলথর্প এসে গেলেন।

    সবাই আসন গ্রহণ করতেই একজন কৌশলী বক্তার মত পোয়ারো তার বক্তৃতা শুরু করল, বলতে লাগল–এই রহস্যের তদন্তের ভার জন ক্যাভেণ্ডিস তার ওপর দিয়েছিলেন। তদন্তের শুরুতে পোয়ারো মৃতা মিসেস ইঙ্গলথর্পের শোবার ঘর পরীক্ষা করে। ঘরটা ডাক্তার দুজনের পরামর্শমত বন্ধ রাখা ছিল, ফলে দুর্ঘটনার পর থেকে ঐ ঘরটা সেইভাবেই ছিল। পোয়ারো জানাল অনুসন্ধান চালিয়ে সে ঘর থেকে তিনটে জিনিস পেয়েছে, প্রথমতঃ এক টুকরো সবুজ সুতো দ্বিতীয়তঃ জানলার কাছে কার্পেটের ওপর কিছু ভিজে দাগ আর তৃতীয়তঃ একটা ব্রোমাইডের গুঁড়োর খালি বাক্স।

    পোয়ারো বলল ঐ সবুজ সুতোর টুকরোটা সে মিসেস ইঙ্গলথর্প আর সিনথিয়ার ঘরের মাঝখানের দরজার তালার ফাঁকে পেয়েছে। এটা আসলে সবুজ রঙের একটা তাগাড় ছেঁড়া টুকরো ছিল।

    এই কথাটা শুনে সকলের মধ্যেই একটু উত্তেজনা দেখা দিল। পোয়ারো বলল, স্টাইলসের বাড়িতে একমাত্র মিসেস ক্যাভেণ্ডিসই এটা ব্যবহার করেন। তাহলে নিশ্চিতভাবে মিসেস ক্যাভেণ্ডিস ঐ মাঝখানের দরজা দিয়ে সিনথিয়ার ঘরে ঢুকেছিলেন।

    আমি বললাম দরজাটা তো ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। পোয়ারো বলল এই কথাটা মিসেস ক্যাভেণ্ডিস বলেছিলেন। তবে গোলমালের সময় দরজাটা বন্ধ করে দেওয়ার যথেষ্ট সুযোগ তিনি পেয়েছিলেন।

    এরপর পোয়ারো বলল তদন্তের সময় মিসেস ক্যাভেণ্ডিস বলেছিলেন মিসেস ইঙ্গলথর্পের ঘরে টেবিল পড়ে যাওয়ার শব্দ তিনি শুনতে পেয়েছিলেন নিজের ঘর থেকে। কিন্তু কথাটা সত্য নয়। কারণ পোয়ারো বলল এটা সে যাচাই করে দেখেছে আমাকে মিসেস ক্যাভেণ্ডিসের ঘরের দরজার কাছে দাঁড় করিয়ে। পোয়ারো জানাল পুলিশ দুজনের সঙ্গে সে তখন মৃতার ঘরে ছিল। সেই সময় সে নিজে ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা দিয়ে টেবিলটা ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু সেই শব্দ মিসেস ক্যাভেণ্ডিসের ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে আমি শুনতে পাইনি। সুতরাং মিসেস ক্যাভেণ্ডিস যে মিথ্যা কথা বলছে একথা প্রমাণিত।

    মিসেস ক্যাভেণ্ডিসের দিকে তাকিয়ে দেখলাম ওর ম্লান মুখেও হাসি ফুটে রয়েছে।

    পোয়ারো আবার বলতে শুরু করল। মিসেস ক্যাভেণ্ডিস তার শাশুড়ীর ঘরে কিছু খুঁজছিলেন কিন্তু সেটা খুঁজে পাননি। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই মিসেস ইঙ্গলথর্প জেগে ওঠেন–অসহ্য যন্ত্রণায় তিনি চিৎকার করতে থাকেন। তার হাত লেগে টেবিলটা উল্টে পড়ে যায়। ঐ অবস্থাতেই তিনি ঘন্টি বাজান। মেরীও এই অদ্ভুত পরিস্থিতিতে হকচকিয়ে গেলেন। তার হাত থেকে মোমবাতিটা পড়ে গিয়ে কার্পেটের ওপর মোম ছড়িয়ে পড়ল। বাতিটা তুলে নিয়ে তাড়াতাড়ি তিনি সিনথিয়ার ঘরে ঢুকে পড়ে দরজাটা ভেজিয়ে দিলেন। সেখান থেকে তিনি চাকরবাকরদের নজরে পড়ার ভয়ে বারান্দায় ছুটে গেলেন। কি করবেন বুঝতে না পেরে তিনি দিশেহারা হয়ে গেলেন। তাড়াতাড়ি আবার সিনথিয়ার ঘরে ঢুকে তাকে ধাক্কা মেরে তোলার চেষ্টা করতে লাগলেন, যেন সবাই মনে করে যে তিনি মাত্র ঐ ঘরে এসেছেন। বাড়ির সকলে তখন তাড়াতাড়ি দৌড়ে এসে মিসেস ইঙ্গলথর্পের দরজায় ধাক্কা মারছে। কিন্তু কারও মাথায় আসেনি যে মিসেস ক্যাভেণ্ডিস সকলের সঙ্গে ছিলেন না।

    পোয়ারো মিসেস ক্যাভেণ্ডিসের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল সে ঠিক বলছে কিনা। মেরী মাথা নেড়ে সায় দিলেন।

    হঠাৎ লরেন্স চেঁচিয়ে মেরীকে জিজ্ঞাসা করল তাহলে সে উইলটা পুড়িয়েছে কিনা। মেরী মাথা নাড়লেন। পোয়ারো মাথা ঝাঁকিয়ে বলল শুধুমাত্র একজনের পক্ষেই উইলটা নষ্ট করা সম্ভব। তিনি হলেন স্বয়ং মিসেস ইঙ্গলথর্প।

    আমি বলে উঠলাম তা কি করে সম্ভব, তিনি তো সেদিন বিকালেই উইলটা করেছিলেন।

    পোয়ারো বলল আসল ব্যাপার হল মিসেস ইঙ্গলথর্প উইলটা নষ্ট করেছিলেন। ঐদিন তাপমাত্রা প্রায় ৮০ ডিগ্রী ছিল। তা সত্ত্বেও মিসেস ইঙ্গলথর্প তাপচুল্লীর আগুন জ্বালাতে বললেন কেন। নিশ্চয়ই উনি কিছু নষ্ট করার কথা ভেবেছিলেন। কারণ স্টাইলসে কোনো বাজে কাগজপত্র নষ্ট করা হয় না। সুতরাং উইলের মত মোটা কাগজ নষ্ট করার এ ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। তাই তাপচুল্লীর মধ্যে পোড়া কাগজের টুকরো পেয়ে পোয়ারো এতটুকু অবাক হয়নি বলে জানাল।

    এরপর পোয়ারো বলল সে সমস্যাটাকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করেছে। সেদিন বেলা চারটের সময় ডরকাস কতগুলো টুকরো কথা শুনেছিল-মিসেস ইঙ্গলথর্প রাগত স্বরে বলছিলেন : ভেবো না, স্বামী-স্ত্রীর কলঙ্কের কথা ভেবে আমি চুপ করে থাকবো। এই কথাগুলো নিয়ে পোয়ারো অনেক চিন্তা-ভাবনা করে শেষ পর্যন্ত বুঝেছে কথাগুলো মিসেস ইঙ্গলথর্প তার স্বামীকে বলেননি, বলেছিলেন জন ক্যাভেণ্ডিসকে।

    আবার বিকেল প্রায় পাঁচটা নাগাদ একই রকম আরেকটা কথা ডরকাসকে বলেছিলেন কি করবো বুঝতে পারছি না…স্বামী-স্ত্রীর কলঙ্ক বড় মারাত্মক। চারটের সময় তিনি খুবই রেগে ছিলেন, কিন্তু পাঁচটার সময় দারুণ চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন।

    পোয়ারো এবার সম্পূর্ণ ব্যাপারটা বিশ্লেষণ করে বলল, চারটের সময় মিসেস ইঙ্গলথর্পের সঙ্গে ওঁর ছেলে জন ক্যাভেণ্ডিসের ঝগড়া হলে তিনি পুত্রবধূর কাছে সব বলে দেবেন বললেন–এইসব কথাবার্তা আবার মিসেস ক্যাভেণ্ডিস শুনে ফেলেন। সাড়ে চারটে নাগাদ মিসেস ইঙ্গলথর্প স্বামীর অনুকূলে একটা উইল করলে মালী দুজন তাতে সাক্ষর করল। এরপর পাঁচটার সময় ডরকাস মিসেস ইঙ্গলথর্পপকে খুব উত্তেজিত দেখেছিল। আর সেই সময়ই উনি আগুন জ্বালাবার কথা বলেন। এর থেকেই বোঝা যায় সাড়ে চারটে থেকে পাঁচটার মধ্যে এমন কিছু ঘটেছিল যাতে ওঁর মনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। না হলে উইলটা করেও সঙ্গে সঙ্গে সেটা নষ্ট করতে চাইবেন কেন।

    পোয়ারো বলে যেতে লাগল, ঐ আধ ঘণ্টার সময় তিনি একাই ছিলেন। কেউ তখন ওঘরে ঢোকেনি। তাহলে তার মনে কি ভাবনা এসেছিল তা শুধুমাত্র অনুমান সাপেক্ষ।

    পোয়ারো তার ধারণা কি তা বলল–মিসেস ইঙ্গলথর্পের কাছে কোনো ডাকটিকিট ছিল না। তাই তিনি ডরকাসকে কিছু টিকিট এনে রাখতে বলেছিলেন। একথা জানা গেছে। ডরকাসের কাছ থেকে। ডাকটিকিট পাবার আশায় মিসেস ইঙ্গলথর্প তার স্বামীর ডেস্কের সামনে যান। সেটা তালাবন্ধ থাকায় তিনি চাবি দিয়ে ডেস্কটা খুললেন। টিকিট খুঁজতে গিয়ে উনি হঠাৎ কতকগুলো কাগজের টুকরো পেলেন। ডরকাস এই টুকরোগুলোই তার হাতে দেখেছিল।

    মজার ব্যাপার মিসেস ক্যাভেণ্ডিস ভেবেছিলেন ঐ কাগজের টুকরোগুলোতে তার স্বামীর কলঙ্কের প্রমাণ রয়েছে। মেরী তার শাশুড়ীর কাছে ওগুলো দেখতে চাইলে তিনি সত্যি কথাই বলেন যে এর সঙ্গে মেরীর কোনো সম্বন্ধ নেই। মিসেস ক্যাভেণ্ডিস এই কথাটা বিশ্বাস করলেন, মনে মনে ভাবলেন তার শাশুড়ী ছেলের দোষ ঢাকতে চাইছেন। তাই মেরী যেন তেন প্রকারে কাগজের টুকরোগুলো পেতে মনস্থ করলেন। হঠাৎ সেই সুযোগ তিনি পেয়েও গেলেন। মিসেস ইঙ্গলথর্পের হারিয়ে যাওয়া নথী ব্যাগের চাবিটা তিনি খুঁজে পেলেন। উনি জানতেন যে ওর শাশুড়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ব্যাগেই রাখেন।

    মিসেস ক্যাভেণ্ডিস সন্ধ্যাবেলায় সময় করে সিনথিয়ার ঘরে ঢোকার দরজার তালাটা খুলে রাখলেন। তিনি উদ্দেশ্য সিদ্ধ করার জন্য ভোরবেলাটা বেছে নিয়েছিলেন। মেরী প্রস্তুত হয়ে সিনথিয়ার ঘরের মধ্য দিয়ে তার শাশুড়ীর ঘরে ঢুকলেন।

    সিনথিয়া বাধা দিয়ে বলল তার ঘরে কেউ ঢুকলে তো তার ঘুম ভেঙে যেত।

    পোয়ারো বলল, ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হলে ঘুম ভাঙা অত সহজ নয়। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, ঘুমের ওষুধ!

    পোয়ারো এবার সকলের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগল, অত চেঁচামেচির মধ্যেও সিনথিয়ার ঘুম ভাঙেনি। এর দুটো কারণ থাকতে পারে–প্রথমতঃ হয়ত সিনথিয়া ঘুমের ভান করেছিলেন। না হয় তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল। প্রথম সম্ভাবনার কথাটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাই পোয়ারো জানাল যে সব কফির কাপগুলো বিশেষভাবে পরীক্ষা করে। পোয়ারো বলল সে শুনেছিল মিসেস ক্যাভেণ্ডিসই সিনথিয়ার কফিটা এনে দিয়েছিলেন। প্রত্যেক কাপের তলানি সংগ্রহ করে সে বিশ্লেষণের ব্যবস্থা করে, কিন্তু কোনো কাপের কফিতেই কিছু পাওয়া গেল না।

    পোয়ারা জানাল আরো একটা ব্যাপারে তার ভুল ভেঙে গেল-কফি আনানো হয়েছিল সাত জনের জন্য, কারণ ঐ সন্ধ্যায় ডঃ বরস্টিনও এসেছিলেন। অ্যানী সাত কাপ কফি এনেছিল, কারণ সে জানত না যে ডাঃ বরস্টিন কফি খান না। অন্যদিকে ডরকাস পাঁচটা কফির কাপ ধুয়েছিল, আরেকটা কাপ মিসেস ইঙ্গলথর্পের ঘরে গুঁড়ো হয়ে পড়েছিল। তাহলে সাত নম্বর কাপটা কোথায় গেল এটাই প্রশ্ন।

    পোয়ারো বলল এর থেকে সে নিশ্চিত হল যে সিনথিয়ার কাপটাই পাওয়া যাচ্ছে না। একথা মনে হওয়ার কারণ, প্রতিটা কাপের কফিতেই চিনি ছিল, কিন্তু সিনথিয়া চিনি খান না। আবার অ্যানীর একটা কথা পোয়ারোর মনে সন্দেহের সৃষ্টি করেছিল। সে বলেছিল কোকোর ট্রেতে ও কিছু নুন দেখেছিল। পোয়ারো জানাল সে কোকোর কিছু অংশ রাসায়নিক পরীক্ষা করতে পাঠায়।

    লরেন্স বলে উঠল, এই পরীক্ষা তো ডাঃ বরস্টিন আগেই করেছিলেন।

    পোয়ারো বলল, ডাঃ বরস্টিন ওতে স্ত্রিকনিন আছে কিনা সেটা পরীক্ষা করেছিলেন, ঘুমের ওষুধ আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে বলেননি।

    পোয়ারো এবার পরীক্ষার ফল দেখাল, বলল মিসেস ক্যাভেণ্ডিস সিনথিয়া ও মিসেস ইঙ্গলথর্প দুজনের কফির কাপেই একটা নিরাপদ ঘুমের ওষুধ মিশিয়েছিলেন। এরপর যখন উনি দেখলেন তার শাশুড়ী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন এবং তার কারণ বিষক্রিয়া তখন তার মনের অবস্থা কি হয়েছিল তা বলার নয়। মেরী একসময় খুব ভয় পেয়ে গেছিলেন, নিজেকে শাশুড়ীর মৃত্যুর জন্য দায়ী মনে করছিলেন। সেজন্য তিনি সিনথিয়ার কফির কাপ আর পিরীচটা নিচে একটা বড় পেতলের ফুলদানীর মধ্যে ফেলে দেন। এগুলো পরে লরেন্স খুঁজে পান। মেরী কোকোটা আর স্পর্শ করেননি। এই ভেবে যে কেউ যদি ওকে সন্দেহ করে। শেষ পর্যন্ত মেরী যখন জানলেন তার শাশুড়ীর মৃত্যুর কারণ স্ত্রিকনিন তখন, খুনটাতে তার কোনো দায়িত্ব নেই ভেবে নিশ্চিন্ত হলেন।

    পোয়ারো জানাল একটা রহস্যের জট সে খুলতে পেরেছে। সেটা হল বিষের ক্রিয়া অত দেরিতে প্রকাশ পাওয়ার কারণ। ঘুমের ওষুধ খাওয়ার ফলেই লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে অত দেরি হয়েছিল।

    লরেন্স বলল, তাহলে তো এখন সব ব্যাপারই পরিষ্কার হয়ে গেল। ওষুধ মেশানো কোকোটা খাওয়ার জন্যই কফিতে মেশানো বিষের লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে অত দেরি হয়।

    পোয়ারো বলল, একথা ঠিক তবে এখন দেখতে হবে কফিতে আদৌ বিষ ছিল কি না। কারণ মিসেস ইঙ্গলথর্প আদৌ ঐ কফি পান করেননি।

    কথাটা শুনে সবাই অবাক হয়ে গেল। পোয়ারো মনে করিয়ে দিল যে সে আমাদের মিসেস ইঙ্গলথর্পের ঘরের কার্পেটে খানিকটা ভিজে দাগের কথা বলেছিল, সে এবার ঐ দাগটা সম্বন্ধে বলতে লাগল। সে নিচু হয়ে ঝুঁকে দেখেছে যে ওতে তখনও কফির গন্ধ ছিল, পাশে কার্পেটে ভাঙা চিনেমাটির কিছু টুকরো গেঁথে ছিল। আসল ব্যাপারটা হল টেবিলটা একটু নড়েবড়ে ছিল কারণ পোয়ারো তার হাতব্যাগটা টেবিলের ওপর রাখতেই সেটা উল্টে গিয়েছিল। মিসেস ইঙ্গলথর্পের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছিল। তিনি তার কাপটা টেবিলের ওপর রাখতেই উল্টে মাটিতে পড়ে গিয়েছিল, তাই তিনি কফিটা আর পান করতে পারেননি।

    এরপরের ঘটনাগুলো সহজ। মিসেস ইঙ্গলথর্প ভাঙা কাপের টুকরোগুলো টেবিলে তুলে রেখে গরম কিছু পান করবেন বলে কোকোটা গরম করে খেয়ে ফেলেন। তাহলে দেখা যাচ্ছে মিসেস ইঙ্গলথর্প কফিটা পান করেননি, আর কোকোতে আদৌ স্ট্রিকনিন ছিল না। কিন্তু এটাও ঠিক যে সন্ধ্যা সাতটা থেকে নটার মধ্যে তার দেহে স্ত্রিকনিন প্রবেশ করেছিল। তাহলে কিভাবে এটা সম্ভবপর হয়েছিল।

    সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। পোয়ারো কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, মিসেস ইঙ্গলথর্পের ওষুধের মধ্য দিয়ে তার শরীরে স্ট্রিকনিন প্রবেশ করেছিল।

    আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কেউ ওর ওষুধে স্ট্রিকনিন মিশিয়ে দিয়েছে তাহলে?

    পোয়ারো জানাল মেশানোর দরকার হয়নি। সে ব্যাপারটা বিশ্লেষণ করল। ট্যাডমিনস্টারের রেডক্রশ হাসপাতালের ডাক্তারখানার একটা ওষুধ তৈরির বই থেকে কিছুটা অংশ পড়ে শোনাল-১ গ্রেন স্ট্রিকনিন সালফেট, ১.৫ গ্রেন পটাশিয়াম ব্রোমাইড এবং পরিমাণমত জল নিয়ে মেশান হলে এই দ্রাবকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্ত্রিকনিন ব্রোমাইডের স্ফটিক জমা হয়ে যায়। স্ট্রিকনিন ব্রোমাইডের দানাগুলো জলে দ্রবণীয় নয়। ইংল্যাণ্ডের জনৈকা মহিলা ঠিক এরূপ দ্রাবকের শেষ দাগটি গ্রহণ করে মারা গেছিলেন কারণ ওষুধের শেষ দাগটিতেই একসঙ্গে সব স্ট্রিকনিন জমা হয়েছিল।

    পোয়ারো মনে করল সে একটা খালি, ব্রোমাইডের গুঁডোের বাক্সের কথা উল্লেখ করেছিল। ঐরকম একটা বা দুটো ব্রোমাইডের গুঁড়োর পুরিয়া ওষুধে ঢেলে দিলে স্বাভাবিকভাবেই ওর তলায় স্ট্রিকনিন ব্রোমাইডের স্বচ্ছ দানা জমা হবে এবং রোগী ঐ মারাত্মক ওষুধ খেতে বাধ্য হবে একমাত্র শেষ দাগটিতে। মিসেস ইঙ্গলথর্পের ওষুধ দেওয়ার ভার যার ওপর ছিল সে কখনও শিশিটা ঝাঁকাতো না। যার ফলস্বরূপ স্ট্রিকনিনের দানা শিশির নিচেই জমা হয়ে যেত।

    সুতরাং দুর্ঘটনাটা ঘটার কথা সোমবার সন্ধ্যায়। কারণ ঐ দিনই মিসেস ইঙ্গলথর্পের বাজানোর ঘন্টাটা সুন্দরভাবে কেটে রাখা হয়েছিল আর সিনথিয়া তো বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে রাত কাটাচ্ছিলেন। সুতরাং প্রয়োজন হলে মিসেস ইঙ্গলথর্প যাতে কারও সাহায্য না পান সেই ব্যবস্থাই হয়েছিল। সুতরাং ডাক্তার ডাকার আগেই তিনি মারা যেতেন।

    কিন্তু ঘটনা ঘটল উল্টো। মিসেস ইঙ্গলথর্প গ্রামের উৎসবে পৌঁছবার তাড়ায় ওষুধ খেতে ভুলে গেছিলেন। পরের দিনও তিনি দুপুরবেলা বাইরে নিমন্ত্রণে গেলেন। সুতরাং শেষের সেই ওষুধের দাগটা তিনি গ্রহণ করেন সেদিন রাতে অর্থাৎ হত্যাকারী যে সময় ভেবে রেখেছিল তার ঠিক চব্বিশ ঘণ্টা পরে। পোয়ারো বলল, এই দেরিটা হয়েছে বলেই সেই মারাত্মক সূত্রটা তার হাতে এসে গেছে।

    সকলের তীব্র উত্তেজনার মধ্যে পোয়ারো তিন টুকরো পাতলা কাগজের ফালি তুলে দেখালো। পোয়ারো আমাদের দিকে ওগুলো দেখিয়ে বলল, হত্যাকারীর নিজের হাতের লেখা আছে ঐ কাগজে। পোয়ারো কাগজের টুকরোগুলোকে পাশাপাশি রেখে গলা পরিষ্কার করতে করতে পড়তে শুরু করল।

    প্রিয়তমা ইভিলিন,

    কোনো সংবাদ না পেয়ে বোধ হয় আশ্চর্য হয়ে গেছে। সব কিছুই ঠিক আছে, শুধু গত রাত্রের পরিবর্তে আজ রাত্রেই ঘটনাটা ঘটবে। বুড়ী মারা গেলে সত্যিই আমাদের সুদিন ফিরে আসবে। খুনের দায় কেউ আমার উপর চাপাতে পারবে না। তোমার ঐ ব্রোমাইডের ব্যাপারটা বেশ চমৎকার। তবে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। একটু ভুল হওয়া মানেই–।

    চিঠিটা এখানেই শেষ হয়ে গেছে। সম্ভবতঃ চিঠির লেখক কোনো কারণে বাধা পেয়েছিল। তবে লেখকের পরিচয় আর গোপন নেই, হাতের লেখাটা খুবই পরিচিত।

    একটা ভয়ানক চিৎকারে ঘরের নিস্তব্ধতা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল।

    একটা চেয়ার কারও ধাক্কায় উল্টে গেল। পোয়ারো তাড়াতাড়ি একপাশে সরে দাঁড়াল। আক্রমণকারী লোকটা পোয়ারোকে শয়তান বলে গালাগাল করতে লাগল, তারপর ভারসাম্য রাখতে না পেরে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেল।

    পোয়ারো এবার অদ্ভুত কায়দা করে বলল সে আমাদের সাথে হত্যাকারীর পরিচয় করিয়ে দিতে চায়–ইনি আর কেউ নন–মিঃ অ্যালফ্রেড ইঙ্গলথর্প।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }