Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দি পেল হর্স – ২

    দ্বিতীয় অধ্যায়

    নিজের স্বাভাবিক তীক্ষ্ণ ছোঁ মারার ভঙ্গিতে মিসেস জেরহাটি গীর্জার আচার্যের বাড়ির সদর দরজার খিল খুললো।

    সামান্য ঘণ্টাধ্বনির আওয়াজ হলেও তার আচরণ প্রকাশ করছে যেন এবার তোমাকে ধরতে পেরেছি। এমন একটা বিজয়ী মনোভাব।

    আচ্ছা এখন কি চাইছিস তুই? মিসেস জেরহাটি কলহ করার ভঙ্গিতে জানতে চাইলো। সহজে নজর পড়ে না আবার ভাবাও যায় না আসলে আরও পাঁচটা ছোকরার মতন সেও একজন। মাথায় ঠান্ডা বসেছিলো বলে ছোকরা হাঁচছিলো।

    —এটা কি পাদরির বাড়ি?

    —তুই কি ফাদার গোরম্যানকে চাইছিস?

    তাকে খুঁজছে, বলল ছোকরা, কে খুঁজছে, কোথায় আর কিসের জন্য। বেন্থাল স্ট্রিট, তেইশ নম্বর, একটা মেয়েমানুষ বলে উঠল সে তো মরছে। মিসেস কপিস আমাকে পাঠাল। এটা ক্যাথলিকদের গীর্জা, তাই না। মেয়েমানুষটা বলছে পল্লীর পাদরি না এলে হবে না।

    এ ব্যাপারে মিসেস জেরহাটি ছোকরাকে কথা দিলো, ছোকরা যেখানে দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে ওকে দাঁড়িয়ে থাকবে বলে সে নিজে গীর্জার মধ্যে ঢুকে পড়ল। তিনমিনিট পরে একজন বয়স্ক পাদরি বাইরে এলেন। তার হাতে ছিল একটা ছোটোখাটো চামড়ার কেস।

    আমি ফাদার গোরম্যান। তিনি বললেন বেহাল স্ট্রিট। রেলের ইয়ার্ড ঘুরে ওখানে যেতে হয়, তাই না? এক্কেবারে সোজা। এক পাও বেশি নয় তাই না।

    একই সঙ্গে তারা যাত্রা করলেন। ফাদার দ্রুত পদক্ষেপে হাঁটছিলেন। তুই মিসেস কপিনস বললি না, তাই নাম তো। সেই তো বাড়ির মালকিন। ঘর ভাড়া দেয়।

    তোমাকে খুঁজছে ও বাড়ির একজন ভাড়াটে। মনে পড়েছে লোকটার নাম ডেভিস।

    ডেভিস নামটা শুনে অবাক হয়ে যাচ্ছি। তার নাম কিছুতেই মনে পড়ছে না। সে মনে হয় তোমাদেরই লোক। বলছি, সে ক্যাথলিক। বলেছে, পল্লীর পাদরি চলবে না। ফাদার মাথা নাড়লো। কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁরা বেন্থাল স্ট্রিটে হাজির হলেন। সারি সারি উঁচু হয়ে আছে কাল রংয়ের বাড়ি।

    ঐ বাড়িগুলোর মধ্যে একটা বাড়ি দেখিয়ে দিল ছেলেটি।

    ওই ওটা, কিন্তু তুই বাড়ির মধ্যে যাবি না।

    না—আমি তো ওখানে থাকি না। খবর বলতে যাওয়ার জন্য মিসেস কপিনস আমাকে শিলিঙ দিয়েছে।

    বুঝেছি। তোর নাম কি রে?

    মাইক পটার।

    ধন্যবাদ মাইক। শিস্ দিতে দিতে চলে গেল মাইক। মরণাপন্ন লোকটার জন্য তার মনে কোনো ভাবান্তর ঘটলো না। তেইশ নম্বর ঘরের দরজা খুলে বাইরে এল মিসেস কপিস। তার মুখমণ্ডল টকটকে লাল এবং বড়।

    মিসেস কপিনস সাদর আহ্বান জানালো ফাদারকে। আসুন, ভিতরে আসুন, ওঁর অবস্থা খুব সঙ্গীন ওকে হাসপাতালে পাঠানো উচিত। ফোন করেছি কি জানি কে কখন সাহায্য করতে আসবে ঈশ্বর ছাড়া আর কেউ জানে না। আমার বোনের পা ভাঙার পর দু-ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল। এটাকে আমি বলি ন্যাক্কারজনক ব্যবস্থা। স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্যই সেবা। তোমার কাছ থেকে অর্থ নেবো কিন্তু তোমার প্রয়োজনে কেউ নেই। কথা বলতে বলতে মহিলা ফাদারকে সরু সিঁড়ি দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল।

    কি হয়েছে মহিলার?

    প্রথম হয়েছিল ফ্লু। মনে হয় সেরে গেছে। আমার কথায় একটু তাড়াতাড়ি ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে ছিলো কাজে। ফিরে এলো প্রায় মরণাপন্ন অবস্থায়। বিছানা নিল। কিছুই খাচ্ছে না। কোনো ডাক্তারকে সে দেখাতে চায় না। আজ সকাল বেলা জ্বরে ওর গা পুড়ে যাচ্ছে। ফুসফুসও ধরে নিয়েছে। মনে হয় নিউমোনিয়া হয়েছে। মিসেস কপিন্‌স এখন হাঁফাতে শুরু করেছে—বাষ্পীয় ইঞ্জিনের মত সজোরে শ্বাস ছাড়ছে। বোঝা যাচ্ছে তারা এখন সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছে। একটা ঘরের দরজা ফাঁকা করে ফাদারকে ঘরের মধ্যে ঢোকার পথ দেওয়ার জন্যই একপাশে সরে দাড়ালো মিসেস কপিনস্। এবং খুশী ভরা গলায় বললো—এই দেখো গো ফাদার এসেছেন। এবার তুমি ভালো হয়ে যাবে। তারপর মিসেস কপিস চলে গেলো। ফাদার গোরম্যান ঘরের মধ্যে ঢুকলেন। ভিক্টোরিয়া যুগের আসবাবপত্রে সাজানো গোছানো ঘরখানা বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। জানলার কাছে বিছানায় এক রমণী শুয়ে ধীরে ধীরে মাথা ঘোরালো। ফাদার সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারলেন যে রমণীটি অসুস্থ।

    আপনি এসেছেন…সময় আর বেশি নেই। শ্বাস টানতে টানতে আওড়ালো রমণী। .নষ্টামি…এমনি ধরনের নষ্টামি…আমি অবশ্যই…অবশ্যই…এমনিভাবে মরতে পারি না।…স্বীকার করবো…সব স্বীকার করে যাবো…আমার পাপ…লোভ…লোভ…। বিহ্বল দুটি চোখের দৃষ্টি ঘুরছে…আধবোজা, এলোমেলো একঘেয়ে শব্দগুলো তার মুখ থেকে বেরিয়ে আসছে। ফাদার গোরম্যান বিছানার কাছে এগিয়ে এলেন। যে কথা প্রায়ই তাঁকে বলে থাকেন…প্রায়ই বলেন ঠিক সেই কথাগুলো এখন বলতে লাগলেন। নিশ্চয়তা দানকারী প্রভুত্বধর্মী শব্দগুলো…তাঁর আহ্বান এবং তাঁর বিশ্বাসধর্মী শব্দগুলো। ঘরের মধ্যে নেমে এলো শান্তি, ক্লিষ্ট দু’চোখের থেকে যন্ত্রণার অভিব্যক্তি গেলো মিলিয়ে…। তারপর ফাদার তাঁকে অভয় দান শেষ করলেন। মরণাপন্ন রমণী আবার বললো…থামাও…থামাতেই হবে… আপনি থামুন।

    নিশ্চয়তা দানকারী প্রভুত্বধর্মী কথাগুলোই বললেন – যা প্রয়োজন তা আমি করবই। তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে পারো… একটু পরে চিকিৎসক এবং এ্যাম্বুলেন্স একসাথেই হাজির হলো। বিষণ্ণ বিজয়ীর মতন মিসেস কপিনস্ তাদের সম্ভাষণ করে জানালো : …স্বভাব মতনই বড় দেরি হলো আসতে। রোগিণী মারা গেছে…।

    ****

    গোধূলির আলো ছড়ানো চারধারে। ফাদার গোরম্যান ফিরছেন গীর্জায়। জমাট বাঁধছে হাওয়ায় ভাসমান জলকণা—আজকের রাত কুয়াশায় ঢাকা পড়বে। মুহূর্তের জন্য দাঁড়িয়ে ফাদার ভুরু কোঁচকালেন। এমন একটা আজগুবি অস্বাভাবিক কাহিনী…এর কতখানি যে প্রলাপ আর জ্বরের ঘোরে সৃষ্টি হয়েছে? অবশ্য এর কিছু কিছু সত্যি কিন্তু কতটা? যা হোক মনের পটে যতক্ষণ লেখা জ্বলজ্বল করছে তারই মধ্যে এর কিছু কিছু নাম লিখে রাখা খুবই জরুরি প্রয়োজন। হঠাৎ তিনি এক কফি হাউসে ঢুকে পড়ে এক পেয়ালা কফি আনতে বললেন। বসলেন, আলখাল্লা জামার পকেটে খুচরো পয়সা খুঁজলেন। আহা মিসেস জেরহাটি কতবার তাকে সেলাইয়ের ছেঁড়া ধারগুলো সারাতে বলেছেন। কিন্তু সে সেলাই করেনি এটা তার স্বভাব। ফলে তার নোটবুক পেন্সিল আর খুচরো পয়সাগুলো সেলাইয়ের খোপে ঢুকে গেছে। তিনি কোনোরকমে হাত ঢুকিয়ে আঙুল ঢুকিয়ে কয়েকটা খুচরো পয়সা আর পেন্সিলটা বার করতে পারলেও নোটবুকটা রয়ে গেল। বার করতেই পারলেন না। কফির পেয়ালাটা টেবিলে দিল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন এক টুকরো কাগজ দিতে পারবে কিনা। এতে কি হবে। একটা ছেঁড়া কাগজের ঠোঙা। ফাদার গোরম্যান কাগজের টুকরো হাত বাড়িয়ে নিলেন। নামগুলো লিখতে শুরু করলেন। ভুলে যাওয়া আগের নামগুলো লেখা জরুরি প্রয়োজন। কারণ নাম এমন ধরনের বস্তু যে তিনি তা ভুলে যান। সহসা কাফের দরজা খুলে গেল। এডওয়ার্ডের সময়কার প্রচলিত পোশাক পরা তিন যুবক ভিতরে ঢুকলো এবং বেশ সাড়াশব্দ জাগিয়ে চেয়ারে বসলো। ফাদার গোরম্যানের নাম টুকে রাখার কাজ শেষ হতেই কাগজের টুকরোটা ভাঁজ করে পকেটে রাখতে গিয়ে হাত বার করে নিলেন। মনে পড়লো পকেটটা ছেঁড়া। কাজেই তিনি প্রায়ই যা করে থাকেন তাই এখনও করলেন- ভাঁজ করা কাগজের টুকরোটা নিচু হয়ে জুতোর মধ্যে রাখলেন গুঁজে। আর একজন লোক কফি হাউসের মধ্যে ঢুকলেন। এবং এক কোণে চেয়ারে বসলেন। কফিটা বাজে। তবু ভদ্রতার খাতিরে ফাদার পেয়ালার কফিটায় চুমুক দিলেন। বিল চাইলেন। এবং কফির দাম মিটিয়ে দিয়ে বেরিয়ে এলেন। হঠাৎ আসা লোকটার মন বদলালো। হাতঘড়িটা পরীক্ষা করলো—যদিও ঠিক সময় দেখতে সে ভুল করে বসলো। চেয়ার ছেড়ে উঠে তাড়াতাড়ি বাইরে চলে এলো। কুয়াশা এখন ঘন হয়ে তড়িৎগতিতে নেমে আসছে। দ্রুত পদক্ষেপে হাঁটছেন ফাদার গোরম্যান। তাঁর এই অঞ্চলটা ভালোভাবেই জানা। রাস্তা সংক্ষেপ করার জন্য তাই তিনি বড় রাস্তা ছেড়ে ছোট গলিপথ ধরে হাঁটছেন। রেললাইন বরাবর টানাগলিপথ সে সম্বন্ধে তিনি সচেতন, – কিন্তু পায়ের আওয়াজ সম্বন্ধে তিনি মাথা ঘামালেন না। আর মাথা ঘামাবেন কেন? পিছন থেকে আঘাত পড়লো সম্পূর্ণ অসতর্ক অবস্থায়। তিনি সামনে ছিটকে হুমড়ি খেয়ে পড়লেন…।

    ****

    ডাক্তার করিগ্যান শিস্ দিতে দিতে আঞ্চলিক গোয়েন্দা দপ্তরের ইনসপেক্টরের ঘরে ঢুকলেন এবং বেশ রসিকতার সঙ্গে আঞ্চলিক গোয়েন্দা ইনসপেক্টর লেজুনকে সম্ভাষণ জানালেন।

    বললেন—তোমার হয়ে তোমার পাদরীকে শেষ করে এলাম।

    —ফলাফল কি?

    —করোনারের প্রায়োগিক শব্দগুলো ব্যবহার করার কষ্টটুকু বাঁচিয়ে দিয়েছি। সত্যই একদম থেঁতলে গেছে। যাই ঘটুক এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, প্রথম আঘাতেই প্রাণবায়ু বেরিয়ে গিয়েছে, বড় জঘন্য কাণ্ড।

    —তা ঠিক, বললেন ইনসপেক্টর।

    শক্ত সমর্থ দেহ, একমাথা কালো চুল এবং চোখ দুটি কটা। উপর উপর তাঁকে খুব শান্ত সিষ্ট মনে হলেও মাঝে মাঝে তিনি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন। পূর্বপুরুষদের রক্তধারা যেন তার দেহে বিশ্বাসঘাতকতা করে। চিন্তিতভাবে ইনসপেক্টর বললেন—ডাকাতি করার প্রয়োজনের চেয়েও কি জঘন্য কাজ করা হয়নি?

    ডাক্তার শুধালেন—এটা কি ডাকাতি?

    —লোকে তাই মনে করছে। তাঁর পোষাকের পকেটগুলো উল্টে হাতড়ানো হয়েছে, আর পাদরীর আলখাল্লাটার সেলাই কেটে তল্লাসি চালিয়েছে।

    —তারা বেশি কিছু পাবে বলে আশা করেনি। গীর্জার এই সব ফাদাররা ইঁদুরের চেয়েও হাঘরে।

    —তারা নিশ্চিত হওয়ার জন্যই পাদরীর মাথাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে, আওড়ালেন গোয়েন্দা ইনসপেক্টর লেজুন—কিন্তু লোক জানতে চাইছে কেন তারা এ কাজ করলো।

    —এর দুটো সম্ভাব্য কারণ আছে, বললেন ডাক্তার করিগ্যান—প্রথম কোনো হিংস্র মনের যুবা ঠগী এ কাজ করেছে। তারা ভয়ঙ্করতার জন্য ভয়ঙ্কর কাজ করে বেড়ায়। দুঃখের কথা এ ধরনের ছোকরা আজকাল অজস্র ঘুরছে।

    —আর অন্য জবাবটা কি?

    ডাক্তার বারেক কাঁধ ঝাঁকিয়ে বললেন—কেউ তোমাদের গোরম্যানকে খুন করার জন্যই এ কাজ করেছে। এ জবাবটাই কি সম্ভাব্য?

    লেজুন মাথা নাড়লেন—একেবারেই অসম্ভব। লোকজনের কাছে তিনি দারুণ জনপ্রিয়, এ অঞ্চলের সবাই তাঁকে ভালোবাসে। তাঁর শত্রু আছে এমন কথা কেউ কখনও শোনেনি। আর ডাকাতিও একেবারে অসম্ভব ঘটনা। যদি না…।

    —যদি না কি? শুধালেন ডাক্তার-পুলিশ সূত্র পেয়েছে! আমি ঠিক বলছি, তাই না?

    —তাঁর কাছে একটা জিনিস ছিলো, আর সেটা নিয়ে যেতে পারেনি ওরা। আসলে ওটা ছিলো তাঁর জুতোর মধ্যে ঢোকানো।

    ডাক্তার করিগ্যান শিস দিয়ে উঠে বললেন—একটা গোয়েন্দা কাহিনীর আওয়াজ শোনা যাচ্ছে যেন।

    লেজুন হেসে বলতে লাগলেন—তার চেয়ে সোজা। ফাদারের পকেটটা ফুটো। সার্জেন্ট পাইন ফাদারের বাড়ির ঝিয়ের সাথে কথা বলেছে। মনে হচ্ছে, ঝিটা অগোছালো স্বভাবের। তাই ফাদারের পোশাক-আশাক সাফাই করে গুছিয়ে রাখে না, অথচ এটা তার করার কথা। ঝি তা মেনেও নিয়েছে। কাগজের টুকরো বা চিঠি যাতে ফুটো দিয়ে আলখাল্লার সেলাইয়ে ঢুকে না যায় তাই ফাদার ওগুলো জুতোর ফাঁকে গুঁজে রাখতেন।

    —এবং খুনী তা জানতো না, তাই তো?

    খুনী তো ভাবতেই পারেনি। মনে হয়, সামান্য কিছু কৃপণের ধন নয়। সে হাতড়াতে চাইছিলো এই চিরকুটখানা। চিরকুটে কি লেখা আছে। লেজুন ড্রয়ার খুলে একখানা দোমড়ানো কাজের টুকরো বার করলেন।

    কয়েকটা নামের একটা তালিকা। বললেন গোয়েন্দা ইনসপেক্টর।

    ডাক্তার করিগ্যান কৌতূহলী দৃষ্টিতে চিরকুটখানা দেখলেন। ওরসিরদ— স্যাণ্ডফোর্ড- পারকনিস—হেসকেথ কিউবয়—শা ইরিমণ্ডস ওয়ার্থ—টাকারটন—করিগ্যান। দেলা ফন্টেন? তালিকাটা দেখার পর ডাক্তারের চোখ কপালে উঠলো। বললেন—দেখছি, আমারও নাম রয়েছে চিরকুটে।

    এর কোনো নামের লোককে কি চেনেন, জানেন? ইনসপেক্টর শুধোলেন। কাউকে চেনা মনে হচ্ছে না। এবং ফাদার গোরম্যানের সাথেও কখনও দেখা হয়নি? কক্ষনো না। তাহলে দেখছি আপনি আমাদের কোনো সাহায্য করতে পারবেন না।

    —আচ্ছা, এই তালিকা দেখে কোনো ধারণা কি গোয়েন্দাদের মাথায় এসেছে। ডাক্তার শুধালেন। লেজুন সরাসরি এ প্রশ্নের জবাব না দিয়ে শুধু বললেন—সন্ধ্যে সাতটার সময় একটা ছোকরা ফাদার গোরম্যানকে ডাকতে এসেছিল। এক মরণাপন্না বৃদ্ধা ফাদারকে না কি ডাকছে। ছোকরার সাথেই ফাদার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।

    কোথায়? যদি আপনার জানা থাকে।

    আমরা জানি। এটা জানতে আমাদের বেশিক্ষণ লাগেনি। তেইশ নম্বর বেন্থাল স্ট্রিটে যান। কপিন্‌স নামে এক মহিলার বাড়ি, রোগিণী মিসেস ডেভিস। পাদরী ওখানে হাজির হল সাড়ে সাতটার সময় এবং রোগীর সঙ্গে আধঘণ্টা থাকেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছবার ঠিক আগের মুহূর্তেই রোগিণীর মৃত্যু ঘটে।

    বুঝেছি।

    —বাড়ির খুবই কাছে টনির কফিখানায় এরপর ফাদার ঢোকেন। খুবই ভদ্র কফিখানা, এর সঙ্গে অপরাধের কোনো রকম সংশ্রব নেই। সামান্য খাবার খরিদ্দারদের দিতে সক্ষম টনি—কারণ খুব বেশি খরিদ্দার তার কফিখানায় ঢোকে না। ফাদার এক পেয়ালা কফি চাইলেন। তারপর নিজের পকেট হাতড়ালেন। কিন্তু যা খুঁজছিলেন পেলেন না। এবং কফিখানার মালিক টনির কাছে এক টুকরো কাগজ চাইলেন ফাদার, নিজের হাতের টুকরোটা দেখিয়ে ইনসপেক্টর বললেন-এই সেই টুকরোটা।—এবং তারপর?

    টনি কফির পেয়ালা এনে দেখলো ফাদার চিরকুটে কি লিখেছে। একটু পরেই বাস্তবে কফির পেয়ালায় চুমুক (অবশ্য এর জন্য আমি তাঁকে দোষ দিচ্ছি না) না দিয়ে চিরকুট লেখা শেষ করে এবং চিরকুটখানা জুতোর মধ্যে গুঁজে ফাদার বেরিয়ে যান।

    সেখানে আর কেউ কি তখনো ছিলো?

    —টেডি ছোকরাদের ধরনের তিনটে ছোকরা কফিখানায় ঢুকে একখানা টেবিলে বসে। তারপর আসে একজন বয়স্ক লোক। বসে একটা টেবিলে। কিন্তু কোনো কিছু দিতে না বলে বয়স্ক লোকটা উঠে কফিখানা থেকে বেরিয়ে যায়।

    লোকটি কি ফাদারের পিছু নিয়েছিলো?

    পিছু নিতে পারে। লোকটা যে কখন বেরিয়ে চলে যায় টনি তা দেখেনি এমন কি সে দেখেনি যে সে কিরকম দেখতে। তবে এটুকু বলেছে যে সে একদম সাধারণ লোক। আরো পাঁচজন লোকের মতন। সাদামাটা ধরনের দেহের উচ্চতা মাঝারি। মনে পড়তে বললো, লোকটা একটা গাঢ় নীল রংয়ের ওভারকোটে দেহ ঢেকে রেখেছিল। তবে ওভারকোটটা দেখতে বাদামী হতে পারে। লোকটার গায়ের রঙ কালোও নয় ফরসাও নয়। এ ব্যাপারটার সাথে যে তার কোনো যোগ আছে সে তা নজরও করছে না। আর তা কেউ জানেও না। তাছাড়া লোকটি আমাদের কাছে এসে বলেওনি যে সে টনির কফিখানায় পাদরীকে দেখেছিলো। অবশ্য তার এসে বলবার সময় এখনও পার হয়ে যায়নি। আমরা ঘোষণা করেছি যারা রাত পৌনে আটটা থেকে সওয়া আটটার মধ্যে পাদরী গোরম্যানকে দেখেছিলো তারা যেন আমাদের কাছে এসে খবর দিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত মাত্র দুজন আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে—একজন মহিলা এবং আর একজন কাছের এক ওষুধের দোকানের কেমিস্ট। একটু পরেই আমি নিজে ওদের সঙ্গে গিয়ে দেখা করবো। রাত সওয়া আটটার সময় ওয়েস্ট স্ট্রিটে দুটি ছোকরা ফাদারের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেছিল। জানেন তো সে কথা। বাস্তবে ওটা একটা সুঁড়ি পথ—রেল লাইন এক ধারে। পরের ঘটনা তো সবই আপনার জানা।

    চিরকুটের ওপর টোকা দিয়ে মাথা নাড়লেন ডাক্তার করিগ্যান। শুধালেন এ সম্বন্ধে কি ভাবছো?

    মনে হয় এই চিরকুটখানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বললেন লেজুন।

    মরণাপন্না রমণী নিশ্চয় তার কাছে কিছু বলেছিলো এবং ভুলে যাওয়ার আগে যেমনি সুযোগ এসেছে অমনি কাগজের উপর নামগুলো পাদরী লিখে রেখেছেন। তবে সিল করা খামে ভরা স্বীকৃতি পত্র দিলে পাদরী এ কাজ করতেন কিনা সেটাই জানার বিষয়। তাই না?

    এটা সিল করা খামে গোপনে দেওয়ার প্রয়োজনই হয়ত ছিলো না, বললেন গোয়েন্দা ইনসপেক্টর লেজুন—ধরুন, একটা দৃষ্টান্ত দিই, এই এই নামগুলোর সঙ্গে ব্ল্যাকমেল করবার ষড়যন্ত্র জড়িয়ে থাকতে পারে।…

    —ঐটা তোমার ধারণা, তাই না ইনসপেক্টর?

    আমার মনে এখনও কোনো ধারণা গড়ে ওঠেনি। এটা স্রেফ শুরু করার আগে। একটা অনুমান। এই লোকগুলোকে ঠকানো হচ্ছিলো, ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা চলছিলো। ওই মরণাপন্না রমণী হয় নিজে ব্ল্যাকমেলার ছিলো আর না হয় তাকেই ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছিলো। আমি বলবো সাধারণ ধারণাটাই হচ্ছে অনুশোচনা, স্বীকৃতি দান এবং যতদূর সম্ভব ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ।

    ফাদার গোরম্যান এই দায়িত্ব গ্রহণ করছিলেন। এবং তারপর?

    প্রত্যেকটি ঘটনার কারণ এখন অনুমান নির্ভর। বললেন ইনসপেক্টর লেজুন—এটাকে অর্থ রোজগারের একটা ফাঁদ বলা যায়। এবং কেউ এই অর্থ প্রদানের ব্যবস্থাটাকে বন্ধ করতে চায়নি। কেউ একজন জানতে পেরেছিল, মিসেস ডেভিস মরণাপন্না এবং তিনি গীর্জার ফাদারকে ডেকে পাঠাবেন। এরপর সব কিছু পরপর ঘটেছে।

    চিরকুটখানা পরখ করতে করতে করিগ্যান বললেন—অবাক হয়ে ভাবছি। আচ্ছা শেষ দুটো নামের শেষে যে জিজ্ঞাসা চিহ্ন বসানো হয়েছে তার সম্বন্ধে তোমার কি ধারণা?

    এমন হতে পারে যে শেষ নাম তাঁর সঠিকভাবে মনে আছে সে ব্যাপারে ফাদার গোরম্যান সুনিশ্চিত ছিলেন না।

    এটা হয়ত করিগ্যানের বদলে হবে সুল্লিগ্যান। একটু হেসে সায় দিয়ে বললেন ডাক্তার, এটা হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। কিন্তু এই দেলা ফন্টেন নামটা—আমার আর তোমার কাছে মানে…বুঝতে পারছো তো কি বলছি। এটা একটা আজব ব্যাপার কারণ এর একটারও নামের সঙ্গে ঠিকানা দেওয়া নেই…..। ডাক্তার আবার নামগুলো পড়লেন।

    —পারকিস…অজস্র পারকিন্স আছে। স্যাণ্ডফোর্ড নামটা অসাধারণ নয়। আবার এই হেসকথ ডিউবয় একেবারে গাল ভরা নাম। এ ধরনের নাম অনেক থাকতে পারে না। বলতে বলতে আকস্মিক আবেগে ঝুঁকে বসে টেবিল থেকে টেলিফোন ডাইরেকটারিটা টেনে নিয়ে পাতা উল্টাতে উল্টাতে ডাক্তার আবার বলতে লাগলেন। ইংরাজী ই থেকে এল পর্যন্ত সব নামগুলো একবার খুঁজে দেখা যাক। হেসকথ… মিসেস-এ… জন এ্যাণ্ড কোম্পানি…প্লাম্বারস…স্যার ইমিডোর। আহা। এই যে পেয়েছি। হেসকথ ডিউবয়, লেডি ঊনপঞ্চাশ, একে সেমিয়ার স্কোয়ার, এম. ডাব্লু ওয়ান। ওকে ফোন করে এখন কি বলা হবে।

    —কি বলবেন?

    উৎসাহ পাওয়া যাবে, ডাক্তার করিগ্যানকে খুশিভরা গলায় বললেন।

    —বেশ, কথা বলুন। বললেন লেজুন।

    —কি বলবো? করিগ্যান তাঁর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন।

    লেজুন খুশি হয়ে বললেন- বললুম ত কথা বলুন। এমন চমকে মারেন না। তারপর নিজেই ফোনের রিসিভারটা হাতে নিয়ে ডাক্তার করিগ্যান শুধালেন—কত নম্বর?

    —গ্রসভেনর ৬৪৫৭৮।

    লেজুন নম্বরটা আওড়ালেন। তারপর রিসিভারটা ডাক্তারের হাতে দিয়ে বললেন— নিন, এবার কথা বলুন।

    —এটা কি লেডি হেসকথ ডিউবয়ের বাড়ি।

    —আচ্ছা, আচ্ছা, হাঁ…বলছি…।

    এসব ছুটকো কথায় কান না দিয়ে ডাক্তার বললেন-আমি কি তার সঙ্গে একবার কথা বলতে পারি?

    —না কথা বলতে পারেন না। লেডিজ হেসকথ ডিউবয় গত এপ্রিল মাসে মারা গেছেন।

    —ওহো! চমকে উঠলেন ডাক্তার করিগ্যান। তারপর ‘কে কথা বলছেন’ প্রশ্নের জবাব না দিয়ে রিসিভার রেখে দিলেন।

    ইনসপেক্টর লেজুনের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললেন—ও। তাহলে এ জন্যই তুমি আমাকে ফোনে কথা বলতে দিতে তৈরি ছিলে? লেজুনের মুখে বিদ্বেষপূর্ণ হাসির ঝিলিক। বললেন—বাস্তবকে তো আমরা সত্যি সত্যি অবহেলা করতে পারি না।

    চিন্তিত মুখে বললেন তখন ডাক্তার—গত এপ্রিল, তার মানে পাঁচ মাস আগে। ঠিক পাঁচ মাস আগে যখন ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের বা এই ধরনের একটা কাজ বন্ধ হওয়ায় সে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে তখন আচ্ছা, মহিলা আত্মহত্যা বা ওইরকম আর কিছু করেনি তো।

    —না। মহিলার মস্তিষ্কে টিউমার হয়েছিল। নামের তালিকাটার ওপর আর একবার নজর বুলিয়ে নিতে নিতে বললেন ডাক্তার—তাহলে আবার আমাদের নতুন করে শুরু করতে হবে। লেজুন একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে তালিকাটা দেখিয়ে বললেন—এই তালিকাটা থেকে আমরা কোনো ফায়দা তুলতে পারবো কি না তা বুঝতে পারছি না। কুয়াশাচ্ছন্ন রাতে বসে সময় কাটাবার জন্য হয়ত তালিকাটা বানানো হয়েছে। না হলে এ তালিকাটা থেকে আমরা ফায়দা তুলতে পারতাম।

    —এখনও এই তালিকাটা নিয়ে নাড়াচাড়া করলে তুমি কি কিছু মনে করবে, ইনসপেক্টর? একেবারেই না। কাজ করুন। আপনার সাফল্য কামনা করছি।

    —তার মানে চাইছো আমি যাতে সফল না হই। এত নিশ্চিত হয়ো না। আমি এই করিগ্যান নামটা নিয়েই প্রথম নাড়াচাড়া করবো ভাবছি। তা সে লোক মিস্টার বা মিসেস কিংবা মিস হোক-আর এই নামটার শেষেই তো বসানো হয়েছে এক বিশাল জিজ্ঞাসার চিহ্ন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }