Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬. গৃহের আকর্ষণে

    ২৬.  গৃহের আকর্ষণে

    কল্যাণীয়া ক্যাথারিন,

    এত আমোদ-প্রমোদের ভেতর থেকে নিশ্চয়ই এই বুড়ীর বা এখানকার নিরানন্দ জীবনের কথা তোমার এখন মনে পড়ে না। কত বন্ধু হয়েছে তোমার। অবশ্য স্থল আনন্দে ডুবে থাকার মেয়ে যে তুমি নও, সে কথা আমি জানি। এখানকার খবর গতানুগতিক। এখানকার বেয়াড়া মেয়েদের নিয়ে বড়ই ঝামেলায় পড়তে হয় মাঝে মাঝে। অবাধ্য সব, বললেও গ্রাহ্য করে না। তোমার সঙ্গে যে এদের কত তফাৎ এখানে তাই ভাবি। এত করে বলি মেয়েদের হাঁটুর নিচ পর্যন্ত স্কার্ট আর বড় মোজা পরতে তা কেউ শোনে না আমার কথা। আমার বাতের ব্যথা খুব বেড়েছিল। ডক্টর হ্যারিসন আমাকে লণ্ডনে নিয়ে গিয়ে বিশেষজ্ঞকে দিয়ে দেখিয়েছেন। ডাক্তার বলেছেন রোগটা ক্যান্সার। সাবধানে থেকো। অল্পবয়স আর প্রচুর সম্পত্তির অধিকারিণী তুমি। অসৎ পুরুষ মানুষের বন্ধুত্ব করো না। কিন্তু মন্দ পুরুষ মানুষের ছলনায় কত মেয়ের জীবন যে নষ্ট হয়েছে তার একাধিক উদাহরণ আমি জানি। যদিও তুমি ভিন্ন প্রকৃতির মেয়ে তবুও তোমার মঙ্গলকামী বলেই একথা লিখলাম। সবসময় মনে রাখবে তোমার জন্যে এখানকার দরজা চিরদিনই ভোলা থাকবে। আশীর্বাদ জেনো।
    —আমেনিয়া ডিনার।

    পুনঃ খবরের কাগজে তোমার দিদিভাই টাম্পলিনের সঙ্গে তোমার নাম দেখলাম। প্রার্থনা করি অহেতুক দম্ভ বা অসার আত্মশ্লাঘা তোমার চারিত্রিক মাধুর্যকে যেন বিনষ্ট করে।

    ক্যাথারিন বার কয়েক চিঠিটা পড়ল। সেন্ট মেরী মিড়-এর স্মৃতি তার চোখে ভেসে আসতে লাগল। তার কেমন যেন কান্না পেয়ে গেল। হঠাৎ লেনক্স এসে ঘরে ঢুকল।

    –কি হয়েছে মাসী?

    –কই, কিছু না তো।–চিঠিটা ব্যাগে রাখতে রাখতে ক্যাথারিন বলল।

    –কিছু না? তবে মুখ ভার কেন?

    –ডিনার-এর চিঠি পেলাম, ওর ক্যান্সার হয়েছে। তাই মনটা খারাপ লাগছে। বল, কি বলবে?

    -রাগ করবে না তো। জান, আমি না, তোমার সেই ডিটেকটিভ বন্ধু পোয়ারোকে তোমার নাম করে ফোন করে নিস্-এ আমাদের সঙ্গে লাঞ্চ খাওয়ার নেমন্তন্ন করেছি। আমি ভাবলাম, তোমার নাম করে না বললে হয়তো উনি রাজী হবেন না। রাগ করলে মাসী?

    -রাগ করতে যাব কেন? তুমি তাহলে ওর সঙ্গে দেখা করতে চাও?

    –সে আর বলতে! আমি বোধহয় ওর প্রেমেই পড়ে গেছি।

    –বুঝতে পেরেছি। তাই কয়েকদিন ধরেই দেখছি শুধু ড্রেক ক্যাথারিন-এর গ্রেপ্তার। আর ব্লু ট্রেনের কথা বলছ বিশেষ করে ড্রেক-এর গ্রেপ্তারের পর থেকে।

    –আমি গাড়ি বের করতে বলছি ড্রাইভারকে। মাকে বলিনি কারণ মা তাহলে আমাদের সঙ্গে যাবে আর মা গেলে আমি কোনো চান্সই পেতাম না কথা বলার। শুধু শ্রোতা হয়েই থাকতে হতো।

    –ঠিক আছে, তুমি নিচে নাম, আমি আসছি। লেনক্স ও ক্যাথারিন নেগ্রেসকোতে পৌঁছে দেখল পোয়ারো ওদের জন্যে অপেক্ষা করছেন। পোয়ারোর অভিনন্দন জানানোর সুন্দর ভঙ্গি ওদের দুজনকেই মুগ্ধ করল। আহারের সময় পোয়ারোর কথার মাধুৰ্য্য আহার্যকে আরও উপভোগ্য করে তুলল। ক্যাথারিন চুপ করেছিল। আহার শেষে কফি খেতে খেতে লেনক্স বলল, কতদূর হলো মিঃ পোয়ারো? কি বললাম বুঝতে পেরেছেন?

    হাতের আঙ্গুল মটকালেন পোয়ারো। তাদের সুবিধেমত তারা কাজ করছে।

    –আর আপনি বসে বসে দেখছেন।

    -মাদমোয়াজেল। আপনি তরুণী, আপনার গতিবেগ চঞ্চল। কিন্তু তিনটে জিনিসের গতি ধীর হয়। যা কখনও তাড়াতাড়ি হয় না। ভালোবাসা ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। ফুল ধীরে ধীরে ফোটে আর ধীরে ধীরে কাজ করে বুড়োরা।

    –ভালো হচ্ছে না কিন্তু। আহা, আপনি মোটেই বুড়ো নন।

    –সত্যি? শুনলেও ভালো লাগে।

    –কিংটন আসছেন। সঙ্গে মিঃ আলডিনও আসছেন দেখছি।

    -আমি চট করে একটা কথা মিঃ কিংটনকে জিজ্ঞেস করেই এখুনি আসছি।–লেনক্স উঠে গেল।

    -আপনাকে আনমনা লাগছে কেন? কত দুরের চিন্তা করছেন? পোয়ারো বললেন।

    -খুব বেশি দূরের নয়।–ব্যাগ থেকে ডিনারের চিঠিটা বের করে পোয়ারোর হাতে দিলেন।

    চিঠিটা পড়ে পোয়ারো বললেন, আপনি তাহলে ফিরে যাচ্ছেন ইংলণ্ডে?

    –না। আপাতত যাচ্ছি না। কেনই বা যাব।

    –ও। আমারই ভুল হয়েছিল। এক মিনিট একটু আসছি। পোয়ারো উঠে দেখেন মিঃ কিংটন, মিঃ আলডিন ও লেডী টাম্পলিন যেখানে ছিল সেখানে গেলেন। মিঃ আলডিনের চেহারা খুব খারাপ লাগছে এবং পোয়ারোকে দেখে তিনি বেশি একটা খুশী হলেন না।

    পোয়ারো কিংটনকে পাশে ডেকে বললেন, মিঃ আলডিন কি অসুস্থ?

    –আর অসুস্থ হবেন না? মেয়ে খুন হল, আর খুনী কিনা জামাই। এখন আপনার হাতে তদন্ত দিয়েছেন বলে ওর আফসোস হচ্ছে।

    –ওঁর ইংলণ্ডে ফিরে যাওয়া উচিত মিঃ কিংটন। ওকে সেখানে নিয়ে যান।

    –আমরা তো পরশুদিনই ইংলণ্ডে যাচ্ছি।

    –তাই নাকি। খুব ভালো কথা। মিস গ্রেকে বলবেন।

    –কি বলব?

    –এই আপনার, মানে মিঃ আলডিনকে নিয়ে ইংলণ্ডে ফিরে যাবার কথা।

    কিছুক্ষণ পরে সবাই এক জায়গায় জড়ো হয়ে নানারকম আলোচনা করতে লাগলেন। ক্রমে বিদায় নেবার পালা এলো। প্রথমেই মিঃ আলডিন ও তার সেক্রেটারী বিদায় নিলেন।

    -খুব ভালো লাগল আপনাদের এমন মধুর সঙ্গ। অন্যদিনের চেয়েও আজকের খাবার যেন বেশি সুস্বাদু মনে হলো। আপনাদের সঙ্গদানের ফলে। পোয়ারো বললেন, এখন প্রাণশক্তিতে ভরপুর আমি। হাসবেন না মিস গ্রে। আপনি দেখেছেন এক নির্জীব নিরীহ এরকুল পোয়ারোকে, কিন্তু তার আরও একটা বিপরীত রূপ আছে। সে চেহারা জানে অন্য এক জগতের লোকেরা। তাদের কাছে এরকুল পোয়ারোর উপস্থিতি মৃত্যুর উপস্থিতির সমতুল্য, ক্যাথারিন-এর মনে হলো। যে পোয়ারো কথা বলছিলেন এখন যেন তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন লোক। ক্যাথারিন যেন পোয়ারোর দৃষ্টির সামনে অস্বস্তি বোধ করল।

    -এবারও বুদ্ধির লড়াইতে এরকুল পোয়ারোর জিত হবে। হা, জিত নিশ্চয়ই হবে। চললাম মাদমোয়াজেল। কয়েক পা এগোতেই পেছনে ক্যাথারিন বললেন,

    -মঁসিয়ে পোয়ারো, আপনার কথাই ঠিক। আমি ইংল্যাণ্ডে ফিরে যাচ্ছি।

    –তাই নাকি!

    –বিশ্বাস হচ্ছে না, তাই না?

    -না, তা নয়। ভাবছি পোয়ারো কি করে আগেই জানলো। পোয়ারো গাড়িতে উঠে বললেন, কাউন্ট দ্য লা রোচির বাড়ি চল।

    কাউন্টের বাড়িতে এসে দরজায় বেল টিপলেন পোয়ারো। দরজা খুলে গেল।

    –আজ্ঞে, কাউন্ট তো বাড়ি নেই।

    –আমি জানি তা। তুমি হিপোলাইট ফ্লাভেল না?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    –মেরী ফ্ল্যাভেল তোমার বউ না?

    –আজ্ঞে হ্যাঁ, কিন্তু…

    –তোমাদের দুজনকেই আমার দরকার আছে।

    বলতে বলতে হিপোলাইটকে পাশ কাটিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়লেন পোয়ারো। তোমার বউ নিশ্চয়ই রান্নাঘরে? হিপোলাইট কিছু বুঝে ওঠার আগেই পোয়ারো হলঘরের উল্টোদিকের দরজা দিয়ে বাড়ির অন্দরমহলে অদৃশ্য হলেন রান্নাঘরের উদ্দেশ্যে।

    -আরে একি, কোথায় যাচ্ছেন? কি আপদ!–হিপোলাইটও ছুটল ভেতরে।

    –আমি এরকুল পোয়ারো।-রান্নাঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে হতভম্ব মেরীকে বললেন।

    ততক্ষণে হাঁপতে হাঁপাতে হিপোলাইটও এসে গেছে সেখানে, কি ব্যাপার দেখছ মেরী! কোথাকার,

    –এরকুল পোয়ারোর নাম নিশ্চয়ই শুনেছ তোমরা?

    –জীবনে কোনোদিন শুনিনি।–সবেগে মাথা নাড়ল হিপোলাইট।

    –না, তোমাদের নিয়ে পারা গেল না।–অশান্ত ছোট ছেলের ভঙ্গি করলেন পোয়ারো, কোনো পাঠশালায় পড়েছিলে। এমন একজন নামকরা লোক। সাধারণ জ্ঞানের বই ছিল না তোমাদের ক্লাস-রুটিনে?

    দুজনেই বিস্ময়ে ঢোক গিলে বলল, আজ্ঞে মশায়ের আসার কারণটা যদি

    -হ্যাঁ বলছি। পুলিশের কাছে সাতটা মিথ্যে কথা কেন বলেছো সেটাই আমার জানা দরকার।

    –মিথ্যে কথা। কখনও নয়।রেগে গেল হিপোলাইট।

    –কিন্তু ও নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই।–পাশেই রাখা একটা টুলে বসে পোয়ারো বললেন, আমি জানতে চাই, কাউন্ট দ্য লা রোচি চোদ্দই জানুয়ারি সকালে এখানে এসেছেন বলে পুলিশের কাছে তুমি জবানবন্দি দিয়েছ কিনা?

    কিন্তু সেটা মিথ্যে নয় মঁসিয়ে। উনি চোদ্দই মানে মঙ্গলবার সকালে ফিরে আসেন। কি, তাই না মেরী?

    –হ্যাঁ, আমার পরিষ্কার মনে আছে।

    –আচ্ছা, সেদিন কি ডিনার দিয়েছিলে মনিবকে।

    –ডিনার।….ঠিক মনে করতে পারছি না।

    –একই দিনের ঘটনা পরিষ্কার মনে আছে আরেকটা পারছে না। সেদিন তোমার মনিব বাইরে ডিনার খেয়েছেন।-বাঁ হাতের চেটোয় সজোরে ডান হাতে আঘাত করলেন।

    -হা হা।

    –ওহো মিথ্যে বলছো, ভাবছো কেউ ধরতে পারবে না। কিন্তু দুজনকে ফাঁকি দিতে পারোনি। এক ওঁকে….একটা হাত ওপরে অনন্ত আকাশের দিকে তুলে ধরলেন, আর একজন এই এরকুল পোয়ারো।

    -কিন্তু আপনি ভুল করছেন মঁসিয়ে। কাউন্ট সোমবার রাতে প্যারিস ছেড়েছেন।

    -হ্যাঁ, তা জানি। কিন্তু তারপর তিনি বেঙ্গনায় আর একদিন কাটিয়েছেন সেটা তুমি, আমি কেউ জানি না। শুধু জানি বুধবার তিনি বাড়ি ফিরেছেন।

    উঠে দাঁড়ালেন পোয়ারো; ঠিক আছে বিপদ যখন তোমরা চাইছ; বিপদে পড়।

    তার মানে কি বলতে চাইছেন আপনি? –মেরী বলল।

    -মাদাম ক্যাথারিন-এর খুনের ব্যাপারে জড়িত আছে সন্দেহে পুলিশ তোমাদের গ্রেপ্তার করবে।

    -খুন! কি বলছেন মঁসিয়ে! আমরা খুনের সঙ্গে জড়িয়ে গেছি।–ঠক ঠক করে দুজনের পা কাঁপতে লাগল।

    –হ্যাঁ, প্রস্তুত থেকো তোমরা।–পোয়ারো যাবার জন্যে পা বাড়ালেন।

    শুনুন, শুনুন সিয়ে, ব্যাপারটা যে এতদূর গুরুতর সে সম্বন্ধে….

    –থামো–এক ধমক দিলেন পোয়ারো, নিজের ভালমন্দ বোঝে না এমন দুটো বোকার সঙ্গে বাজে সময় নষ্ট করার মতো সময় নেই। শেষবারের মতো বলছি, কবে আর কখন কাউন্ট এই ভিলাতে ফিরে আসেন, মঙ্গলবার না বুধবার?

    বুধবার–হিপোলাইট বলল।

    –তবু ভালো, সুবুদ্ধি হলো শেষ পর্যন্ত। ভয়ানক বিপদে ফেলতে যাচ্ছিলে নিজেদের তোমরা।

    কাউন্ট-এর মারিনা ভিলা থেকে বেরিয়ে পোয়ারো মিরেলির হোটেলের দিকে গেলেন।

    কাঁটায় কাঁটায় ছটা। পোয়ারো হোটেলে মিরেলির কাজের ঘরে ঢুকলেন। পোয়ারোকে দেখে মিরেলি জ্বলে উঠল।

    কি ভেবেছেন আপনারা? অনেক যন্ত্রণা তো দিয়েছেন এখনও সাধ মেটেনি! আমাকে দিয়ে যা নয় তাই বলিয়ে বেচারা ড্রেককে জেলে দিয়েছেন। আরও চান?

    –শুধু ছোট একটা প্রশ্নের জবাব চাই মাদমোয়াজেল। পোয়ারো মিরেলির চোখে চোখ রাখলেন। সেদিন নয়েন স্টেশন ছাড়ার পর কখন আপনি মাদাম ক্যাথারিন-এর কামরায় ঢুকেছিলেন?

    -মানে?

    –আমি বলছি কখন আপনি মাদাম ক্যাথারিন-এর কামরায় ঢুকেছিলেন?

    –কখনোই যাইনি।

    -মিথ্যে কথা। গর্জে উঠলেন পোয়ারো। কি হয়েছিল সেদিন, আমি বলছি। আপনি মাদাম ক্যাথারিন-এর কামরায় ঢুকে তাঁকে মৃত দেখেছিলেন। কারণ আমিও কাছাকাছি ওখানেই কোথাও ছিলাম সেদিন। এখনও বলছি আপনাকে, এরকুল পোয়ারোকে মিথ্যে কথা বলার পরিণাম বড় সাংঘাতিক।

    –আমি আমি কিছু করিনি…।হঠাৎ থেমে গেল মিরেলি।

    –একটা কথাই ভাবি শুধু মাদমোয়াজেল। যার জন্যে আপনি গিয়েছিলেন তা কি পেয়েছিলেন, না আপনার আগেই কেউ সেখানে ঢুকেছিল?

    -আর কিছুই বলতে পারব না। দোহাই আপনার। মিরেলি পাশের ঘরে চলে গেল। পোয়ারো বেরিয়ে এলেন হোটেল থেকে, মুখে তার তৃপ্তির হাসি।

    .

    ২৭.

    ডিনার–এর রায়

    মিস ডিনার-এর শোবার ঘরের জানালা দিয়ে ক্যাথারিন বাইরে তাকিয়েছিল। অল্প অল্প বৃষ্টি পড়ছে। জানালা দিয়ে সামনের বাগানটা দেখা যায়। বাগানের একপাশ দিয়ে লাল ছোট ছোট নুড়ি পাথরের রাস্তা গেট পর্যন্ত চলে গেছে।

    মিস ডিনার একটা পুরানো আমলের খাটে আধ শোয়া অবস্থায় আছেন। পাশেই একটা ট্রেতে প্রাতঃরাশের সামান্য ভুক্তাবশেষ কিছু পড়ে আছে। বৃদ্ধা একমনে সেদিনের চিঠিপত্র পড়ে চলেছেন আর তীক্ষ্ণ ভাষায় নিজের মতামত দিয়ে চলেছেন।

    একটা খোলা চিঠি হাতে ক্যাথারিন বসেছিল। ইতিমধ্যে চিঠিখানা ক্যাথারিন দুবার পড়েছে। চিঠির ওপরে লেখা–রীজ হোটেল প্যারিস।

    প্রিয় মাদমোয়াজেল ক্যাথারিন,

    নিশ্চয়ই ভাল আছেন। শীতের ইংল্যাণ্ড আশা করি আপনার খারাপ লাগছে না। আমার কাজ আমি যথাসাধ্য আন্তরিকভাবে করে চলেছি। ভাববেন না যেন ছুটি কাটাতে এখানে রয়েছি। খুব শীগগিরই আমাকে ইংল্যাণ্ডে যেতে হবে। তখন আবার আপনার সঙ্গে দেখা হবে। লণ্ডনে পৌঁছেই আপনার কাছে চিঠি লিখব। আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন।

    প্রীতিমুগ্ধ
    এরকুল পোয়ারো।

    চিঠিখানা হাতে নিয়ে ক্যাথারিন কখন একসময় ভাবের রাজ্যে চলে গেছে, চমক ভাঙল বৃদ্ধা ডিনার-এর তীক্ষ্ণ গলার আওয়াজে।

    –আমি তখনই বলেছি ওদের, এ তোমরা নও, বুঝলে? ক্যাথারিন, লেডী টাম্পলিন-এর বোন। কি ভাবো তোমরা?

    –তুমি কি আমার হয়ে সকলের সঙ্গে ঝগড়া করবে নাকি?

    তোমার সম্বন্ধে বাজে কথা বললে আমি কি চুপ করে থাকতে পারি বল? আধুনিক সমাজের ঠুনকো আদবকায়দা শেখার জন্যে তুমি নাকি বড়লোকদের সঙ্গে মিশতে শুরু করেছ

    –এ কথা তো সত্যিও হতে পারে মিস ডিনার। আমি যে সে চেষ্টা করছি না, তা কেমন করে জানলে?–কই, আধুনিক সমাজের বেলেল্লাপনা তো দেখছি না। কই, তোমার স্কার্ট তো হাঁটুর ওপরে ওঠেনি আর অসভ্যের মতো জুতোও তো পরোনি।

    –একটা কথা বলতে ভুলে গেছি তোমায়। ক্যাথারিন বলল, আমার এক রিভিয়ারার বন্ধু এখানে একদিন আসতে চায়।

    বন্ধু মানে পুরুষ মানুষ?

    -হ্যাঁ।

    –কে সে?

    –এক কোটিপতি মার্কিন ভদ্রলোকের প্রাইভেট সেক্রেটারী।

    –কি নাম?

    –কিংটন। মেজর রিচার্ড কিংটন।

    -হুম! কোটিপতির সেক্রেটারী এখানে আসতে চায়। ক্যাথারিন, তোমার ভালোর জন্যে একটা কথা বলি। যদিও তুমি বিচক্ষণ মেয়ে তবুও জেনে রাখ, প্রতি মেয়েই জীবনে একবার না একবার ঠকে। তোমায় যেন একবারও ঠকতে না হয়।

    -তাহলে বন্ধুকে আসতে বারণ করে দেব?

    -না না, বারণ করবে কেন? তাকে নিশ্চয়ই আসতে বলবে। তোমার বন্ধুকে একদিন লাঞ্চ খেতে বল এখানে। অবশ্য এলেন-এর যা রান্না।

    তারপর একদিন যথাসময়ে কিংটন নেমন্তন্ন রাখতে সেন্ট মেরী মিড-এ এলো। বৃদ্ধা ডিনার খুশি হলেন কিংটন-এর সঙ্গে আলাপ করে। অনেক গল্প করে তারপর বিকেলে চা খেয়ে কিংটন বিদায় নিল সেন্ট মেরী মিড থেকে।

    ক্যাথারিনকে ডাকলেন ডিনার। না, তোমার লোক চিনতে ভুল হয়নি। পুরুষ মানুষ যতই মেজর কর্নেল হোক না কেন, গভীর ভালোবাসার জালে জড়িয়ে না পড়লে এমন অসহায়ের মতো চেহারা কখনও হয় না।

    –তুমি বড় ভালো।–বৃদ্ধাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেল ক্যাথারিন।

    .

    ২৮.

    ইম্পেসারি ও মিঃ অ্যারন

    মদের গ্লাসে একটা লম্বা চুমুক দিলেন মিঃ জোসেফ অ্যারন্।

    আঃ, খুব উৎকৃষ্ট জিনিসই অর্ডার দিয়েছেন মঁসিয়ে পোয়ারো।-মুখে লেগে থাকা ফেনাটুকু বাঁ হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে মুছে নিতে নিতে জড়ানো চোখে চাইলেন পোয়ারোর দিকে। হ্যাঁ, এমন জিনিস খেয়েও আরাম, খাইয়েও আরাম। দিন-দিন, ঢালুন–বেশি করেই ঢালুন।

    –চিকেন মেয়নিজ?

    -হা হা, নিশ্চয়ই দেবেন। কিডনি পুডিং অবশ্যই আমার অত্যন্ত প্রিয় খাবার। অবশ্য অ্যাপ টার্ট দিয়েই আমি খাওয়া শেষ করি।

    কোনো কথা না বলে নিঃশব্দে একের পর এক অর্ডার দিয়ে চললেন পোয়ারো। কিছুক্ষণের জন্যে খাবারের মধ্যে নিজেকে হারিয়ে ফেললেন মিঃ অ্যার। তারপর একসময় খাওয়া শেষ হলে নেশাগ্রস্ত চোখ তুললেন। কি যেন একটা দরকারী কথা আছে বলছিলেন মিঃ পোয়ারো? যদি আপনার কোনো সাহায্যে আসতে পারি তো বলবেন, আমার যথাসাধ্য করব।

    অনেক ধন্যবাদ। মঞ্চ জগৎ সম্বন্ধে কিছু জানতে হলে একমাত্র আপনি ছাড়া তো দ্বিতীয় কেউ নেই, তাই আপনার কথাই মনে হয়েছে সর্বপ্রথম।

    নেহাত ভুল বলেননি। বেশ আত্মতৃপ্তির মুখভঙ্গি করলেন অ্যারন্। –মঞ্চ জগতের অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত সম্বন্ধে কিছু জানতে হলে এই ইম্পেসারি ও জোসেফ অ্যার-এর কাছে আসতে হবে।

    –আচ্ছা মিঃ অ্যারন্, কি নামে কোনো যুবতাঁকে এ লাইনে চিনতেন কি?

    –কি? কি টি কিড।

    –সম্ভবতঃ কি টি কিড।

    -খুব চালাক চতুর ছিল মেয়েটা। আর ছেলের ভূমিকায় ভালো করত। গান আর নাচ জানত ভাল। ছেলে সাজলে কেউ ধরতেই পারত না। এর কথাই বলছেন কি?

    -হ্যাঁ এরই কথা জানতে চাইছিলাম।

    -ওঃ। খুব ভালো রোজগার করত মেয়েটা। ওর বেশির ভাগ কনট্রাক্টই ছিল পরুষ ভূমিকায়। একটা দিন কামাই করত না। কিন্তু স্ত্রী ভূমিকায় অভিনয় করার সময় ও নিজেকে ছুঁতে দিত না কাউকে।

    -আমিও তাই শুনেছি। কিন্তু তাকে অনেকদিন ধরে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে না। জানেন কি?

    হ্যাঁ। এক প্রচুর বড়লোক মক্কেল পাকড়ে মঞ্চকে চিরবিদায় জানিয়ে ফ্রান্সে গিয়ে আস্তানা গেড়েছে।

    -কতদিন আগে সেটা?

    –দাঁড়ান, ভেবে দেখি। তা বছর তিনেক আগে তো নিশ্চয়ই।

    –যার সঙ্গে কিটি গিয়েছিল সেই লোকটি সম্বন্ধে কিছু জানেন কি?

    –তিনি তখন পুরোদমে টাকার সমুদ্রে ভাসছেন। কি যেন নাম। কাউন্ট অথবা মাকুইস। এ ধরনের কিছু একটা হবে। সম্ভবতঃ মার্কুইসই।

    –আর কিছু জানেন?

    -না, আর কিছুই জানি না। এমনি যে কিটির সঙ্গে আমার দ্বিতীয়বার দেখাও হয়নি। আপনাকে আরও কিছু খবর দিতে পারলে খুশী হতাম। কোনো একসময় আপনিও যে আমার যথেষ্ট উপকার করেছিলেন সে কথা জোসেফ অ্যারন্ কোনোদিনই ভুলে যাবে না।

    –সে ঋণ তো শোধ হয়ে গেল আপনার।

    -উপকারীর উপকারের চেষ্টা সবসময়ই করা উচিত।

    –তারপর আপনার কাজকর্ম কেমন চলছে?

    -ভালো-মন্দয় চলে যাচ্ছে। দর্শকদের ভোয়ালে কখন কোনোটা ভালো লাগে কখন লাগে না- সবসময় দুচোখ খুলে কাজ করতে হয়।

    -আচ্ছা এখন নাচের কদর বেড়েছে বোধহয়, তাই না?

    –হ্যাঁ, দর্শকরা নাচটা পছন্দ করে দেখছি।

    –মিরেলি নামে এক নাচিয়ের সঙ্গে আলাপ হল রিভিয়ারায়।

    –মিরেলি? ওর এখন বাজার গরম। ও না চাইলেও অর্থ যেচে আসে ওর কাছে। তবে আমার এখনও প্রয়োজন হয়নি ওর কাছে যাবার। শুনেছি ভীষণ মেজাজী আর দেমাকী। ব্যবহারও খুব ভালো নয়।

    -হ্যাঁ। আমিও একমত। আচ্ছা, মিরেলি কতদিন হলো মঞ্চে এসেছে বলুন তো? খুব বেশিদিন বোধহয় না?

    -তা বছর আড়াই হবে। কে একজন ফরাসী ডিউক ওকে এ লাইনে নামিয়েছেন। তারপর মাঝে মিরেলির সঙ্গে গ্রীসের এক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দহরম-মহরম হয়।

    –এ খবরটা অবশ্য জানতাম না আমি।

    -এখন আবার শুনছি, মিরেলির জন্যেই নাকি ড্রেক ক্যাথারিন তার বউকে খুন করেছে। মিঃ ক্যাথারিন তো হাজতে। অবশ্য মিরেলি হোটেলেই আছে শুনেছি। মিরেলি নাকি কোথাকার একটা খুব দামী এবং ঐতিহাসিক পাথর সংগ্রহ করেছে। নীলা না রুবী কি যেন বলে। এবার বোধহয়…হেসে উঠলেন অ্যারন নাচ ছেড়ে পাথর সংগ্রহের দিকে ঝুঁকবে। ওই রুবী নীলা পরে অনেক জায়গায় মাঝে মাঝে যায় সে।

    -রুবী!–পোয়ারোর চোখ জ্বলজ্বল করে উঠল। বেশ, বেশ।

    –আমাকে আমার এক বন্ধু ইম্পোসারিও কথাটা বলেছে মিরেলিকে নিয়ে তাকে মাঝে মাঝে কাজ করতে হয়। কিন্তু আমি জানি ওসব নামী দামী বাজে কথা। স্রেফ রঙীন কাঁচের। এ ধরনের মেয়ে মানুষেরা ঝুরি ঝুরি মিথ্যে কথা বলে। আর কি প্রমাণ? দুনিয়া সুদ্ধ লোক তো আর পাথর বিশেষজ্ঞ হয়ে বসে নেই। হেসে উঠলেন তিনি আবার। ওর আবার একটা কি যেন একটা হার্ট অব ফায়ার বলে নাম দিয়েছে সে।

    –আমার যতদূর মনে পড়ে–পোয়ারো যেন কিছু মনে করতে চাইলেন, ওই হার্ট অব ফায়ার নামে রুবীটা কেনে একটা গলার হারের মধ্যমণি রূপে আছে।

    –আপনি কিন্তু এখনও বিশ্বাস করছেন ওটা আসল বলে। আরে মশাই, লাইনের লোক আমি। নানারকমের স্ত্রী চরিত্র দেখছি। নিজেদের গয়না নিয়ে অফুরন্ত মিথ্যে বলতে এদের জুড়ি নেই পৃথিবীতে। হ্যাঁ, একটা সরু প্ল্যাটিনামের চেনে ওটাকে কখনও কখনও গলায় পরে বলে শুনেছি।

    -না, গম্ভীর ভাবে মাথা নাড়লেন পোয়ারো। ওটা একট মামুলী রঙীন কাঁচ বলে আমি মনে করি না।

    .

    ২৯.

    পোয়ারো ক্যাথারিন সংবাদ

    স্যাভয় হোটেলের একটা টেবিলে মুখোমুখি বসে পোয়ারো আর ক্যাথারিন গল্প করছিলেন।

    -আপনি অনেক বদলে গেছেন মাদমোয়াজেল।

    –যথা? চোখ তুলল ক্যাথারিন।

    –এই ধরনের সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো ঠিক বলে বোঝানো যায় না।

    –বয়স বেড়েছে তো, ম্লান হাসলো ক্যাথারিন।

    –হ্যাঁ, তা বেড়েছে, কিন্তু বয়স বাড়ার পরিবর্তনের কথা আমি বলছি না। প্রথম যখন আপনাকে দেখি জীবন সম্বন্ধে আপনার আগ্রহ তখন অসীম।

    কোটিপতির জীবন থেকে শুরু করে কাঠঠোকরার কাঠ খুঁটে খুঁটে বাসা তৈরি করাও লক্ষ্য করতে ভুলতেন না।

    -আর এখন?

    -এখন আর সেই কৌতূহল আপনার মাঝে দেখতে পাই না। হয়তো আমার অনুমান ঠিক নয়। তবু কেমন যেন মনে হয় আপনার ক্লান্তি এসেছে।

    আমার বৃদ্ধা বন্ধুটির সঙ্গে থাকলে আপনিও ক্লান্ত হয়ে পড়তেন। একদিন সেন্ট মেরি মিড-এ এসে ওর সঙ্গে আলাপ করে যান। আপনার ভালো লাগবে বৃদ্ধাকে।

    ওয়েটার খাবার দিয়ে গেল। পোয়ারো প্লেট থেকে একটা চিকেন ক্যাসরোলে উঠিয়ে, আচ্ছা আমার বন্ধু হেস্টিংস-এর কথা আপনাকে বলেছি, না? যে আমাকে শামুক আখ্যা দিয়েছে। ওর মতে পোয়ারো নাকি সব সময় একটা আড়ালের ভেতর থেকে তার কাজ করে যায়। এ কথাটাকে আপনি বোধহয় আমাকে ছাড়িয়ে যাবেন।

    –কি যে বলেন?

    –এরকুল পোয়ারো কখনও বাজে কথা বলে না। এখানে আসার পর আপনার রিভিয়ারার কারো সঙ্গে দেখা হয়েছে কি?

    –মেজর কিংটনের সঙ্গে দেখা হয়েছে।

    –আচ্ছা। তাই নাকি। তাহলে মিঃ আলডিন লণ্ডনেই আছেন?

    –হ্যাঁ।

    –কাল অথবা পরশু ওর সঙ্গে দেখা করতে হবে।

    –কোনো খবর দেবার আছে ওর কাছে?

    –একথা মনে হলো কেন আপনার মাদমোয়াজেল?

    –এমনিই মনে হলো।

    –মাদমোয়াজেল, আমি বেশ বুঝতে পারছি, আপনি আমাকে কিছু বলবেন। কিন্তু বলছেন না কেন? আমাকে কি বন্ধু ভাবতে পারছেন না? এই ব্ল ট্রেনের ব্যাপারে যেদিন থেকে আমরা দুজনে জড়িয়ে গেছি, সেদিন থেকেই কি আমরা পরস্পর সাহায্যকারী বন্ধু নই?

    –হ্যাঁ, কিছু কথা বলার আছে আপনাকে। আচ্ছা প্যারীতে কি করছিলেন আপনি?

    –রাশিয়ান এমব্যাসীতে একটু কাজ ছিল।

    ও।

    -নিরাশ হলেন তো? কিন্তু না, নিরাশ করব না আর। এবার সময় হয়েছে শামুক থেকে বেরিয়ে আসার। হাতের তাস এবার টেবিলে রাখব আমি। মিঃ ক্যাথারিন-এর গ্রেপ্তারের পর কিন্তু আমি সন্তুষ্ট নই।

    আমি কিন্তু ভেবেছিলাম মিঃ ক্যাথারিনকে গ্রেপ্তার করালেন আর আপনার কর্তব্যও শেষ হলো।

    –একথা মানছি আমি। আমারই একটা পরীক্ষামূলক কাজের ফল মিঃ ক্যাথারিন-এর গ্রেপ্তার হওয়া। কিন্তু এটা না হলে ম্যাজিস্ট্রেট ক্যারেডা এখনও কাউন্টকে অপরাধী করার বৃথা চেষ্ট করে যেতেন। সত্যকে খুঁজে বের করতেই হবে আমাকে। যদিও পুলিশ বলে এই ঘটনার এখানেই শেষ কিন্তু এরকুল পোয়ারো সন্তুষ্ট নন। পোয়ারো বললেন, মাদমোয়াজেল লেনক্স-এর খবর জানেন?

    -হ্যাঁ, একটা ছোট চিঠি পেয়েছি। আমার চলে আসার জন্যে লেনক্স খুব রেগে আছে।

    -মাদমোয়াজেল! আমি একটা খুব অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছি। কেউ একজন আছে যে মিঃ ক্যাথারিনকে ভালোবাসে–যদি আমার ধারণা ভুল বলে মনে হয়, দয়া করে আমাকে বলবেন। আর তার মুখ চেয়েই বলছি। আমি ঠিকই করেছি। বরং পুলিশই ভুল করেছে। জানেন, কে সে?

    -হ্যাঁ, জানি।

    সামনে ক্যাথারিন-এর দিকে ঝুঁকে বললেন পোয়ারো, না মাদমোয়াজেল, না! আমি জানি সত্যকে খুঁজতে গেলেই পথ বারংবার মিঃ ক্যাথারিন-এর কাছেই নিয়ে যাবে, তবু একটা হিসেবে আমার গরমিল থেকে যাচ্ছে কেন?

    –কি সেটা?

    –সেটা হল নিহত রুথ ক্যাথারিন–এর বিকৃত করা মুখ। শতশত বার নিজেকে প্রশ্ন করেছি স্ত্রীকে খুন করার পরও মৃত স্ত্রীর মুখ নির্মমভাবে থেতলে দেবেন, সত্যিই কি ড্রেক ক্যাথারিন সেই চরিত্রের নোক? মুখটাকে বিকৃত করায় কি স্বার্থ সিদ্ধি হতে পারে? মনের আক্রোশ মেটানো সাধারণতঃ মনস্তত্ব বলে, কাউকে আক্রোশের বসে খুন করতে গেলে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আক্রোশ মিটে যায়। মৃতের পরিচয় গোপন করার জন্যেই মাথা কেটে ফেলে। মুখ থেতলে দেয়। সেদিক থেকেও মন সায় দেয় না। একটা মাত্র জিনিসই এই সমস্যায় আমাকে সাহায্য করেছে।

    পকেট থেকে নিজের নোট বইটা থেকে কয়েকটা লম্বা চুল বের করে দেখালেন, মনে পড়ে মাদমোয়াজেল?

    ব্লু ট্রেনের সেই কামরায় কম্বলের সঙ্গে এগুলো জড়িয়ে ছিল? সামনে ঝুঁকে ক্যাথারিন সেই চুলগুলো দেখতে লাগল।

    –কিছুই ধরতে পারছেন না? কিন্তু অনেক কিছু এর মধ্যে জানতে পারবেন মাদমোয়াজেল।

    –একটা জিনিস আঁচ করছি। একটা অদ্ভুত কথা। আর সেইজন্যেই আপনাকে বলছিলাম প্যারীতে কেন গিয়েছিলেন?

    –আপনাকে যখন চিঠি লিখি—

    –রীজ হোটেল থেকে লেখা চিঠির কথা বলছেন তো?

    –হ্যাঁ, রীজ হোটেলের কথাই বলছি। জানেন মাঝে মাঝে আমি খুব বড়লোক হয়ে যাই যখন কোনো কোটিপতি আমার হোটেলে থাকার খরচা দেন।

    –কিন্তু সোভিয়েট এমব্যাসী এ ব্যাপারে জড়িত নয়।

    -আমি কিছু খবর জানতে গিয়েছিলাম সেখানে। কোনো এক বিশেষ লোকের কাছেই গিয়েছিলাম এবং তাকে ভয় দেখিয়ে এসেছি।

    -পুলিশের ভয়?

    -না, খবরের কাগজে সেই লোকটির কীর্তির কথা ছাপিয়ে দেবার ভয় দেখিয়েছি। এসব ব্যাপারে ওরা প্রেসকে বেশি ভয় করে।

    -তারপর?

    -তারপর জানতে পেরেছি কোথায়, কখন, কবে এবং কাকে সেই রুবীটা বিক্রি করা হয়। লোকটাকে চাপ দিতেই সব বলেছে আমায়, এমনকি সেইদিন রুবীটা বিক্রি হবার পর রাস্তায় দেখা সেই লোকটি যে একমাথা সাদা চুল নিয়েও যুবকের মতো চলছিল। তার কথাও বলেছে। যাকে আমি নাম দিয়েছি –মঁসিয়ে লে মাকুইস।

    আপনি লণ্ডনে এসেছিলেন কি মিঃ আলডিনের সঙ্গে দেখা করার জন্যে।

    –শুধু সেই জন্যেই নয় আরও কাজ ছিল। একজন মঞ্চজগতের ভদ্রলোক ও হার্লে স্ট্রীটের এক ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করেছি এবং দুজনের কাছেই কিছু খবর পেয়েছি। এইসব একবার দেখুন আমি যা পাচ্ছি আপনি তা পাচ্ছেন না।

    –আমি?

    –হ্যাঁ, আপনি। একটা ব্যাপারে আমার খটকা লাগছিল। খুন এবং রুবী চুরি করা একই লোকর কাজ কিনা। অনেকদিন পর্যন্ত আমি কোনো সিদ্ধান্তেই আসতে পারিনি।

    -এখন?

    –এখন আমি জানি।

    –আমি কিন্তু আপনার মতো বুদ্ধিমান নই মঁসিয়ে। আমি সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাপারটা দেখছিলাম।

    একই কথা। একই আয়নার সামনে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে প্রত্যেকে আয়না দেখলে কি হবে? কাউকে সামনে, কাউকে পাশ থেকে দেখা যাবে। মোট কথা দেখা যাবেই। আয়নায় প্রতিফলন হবেই।

    –আমি যা ভেবেছি তা হয়তো আপনার অসম্ভব মনে হতে পারে কিন্তু

    –হা হা, বলুন।

    -দেখুন তো এটা আপনার কোনো সাহায্যে আসে কিনা? একটা খবরের কাগজের কাটিং দিলেন। মিস ডিনার-এর পুরনো সংগ্রহ থেকে পেয়েছি।

    কাটিংটা পড়ে গম্ভীর হয়ে মাথা নাড়লেন পোয়ারো–যে কথা আপনাকে বলছিলাম মাদমোয়াজেল। একই আয়নায় একই জিনিস নানাভাবে রেখে দেখলেও প্রতিচ্ছবি একই দেখাবে।

    –আমায় এবার ফিরতে হবে। ট্রেনের সময় হয়ে গেছে। উঠে দাঁড়ালেন ক্যাথারিন। মঁসিয়ে পোয়ারো–

    -বলুন মাদমোয়জেল।

    –এটা–এটা আর বেশিদূর বুঝতে পেরেছেন–আমি–আমি আর পারছি না। এভাবে।

    গলাটা ধরে এলো ক্যাথারিন–এর।

    ক্যাথারিন-এর হাত ধরে পোয়ারো আশ্বাস দিলেন, সাহস সঞ্চয় করুন মাদমোয়াজেল। এখন ভেঙে পড়লে কিছুতেই চলবে না। শেষ প্রায় হয়ে এসেছে।

    .

    ৩০.

    পোয়ারোর নতুন কথা

    -স্যার। মঁসিয়ে পোয়ারো আপনার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছেন।

    -চুলোয় যাক। যত সব। রাগে ফেটে পড়লেন আলডিন। আলডিনের অবস্থা দেখে মায়া হলো কিংটন-এর।

    –আজ সকালের পত্রিকাটা দেখেছ একবার?–অশান্তভাবে পায়চারি করতে লাগলেন আলডিন।

    –একবার চোখ বুলিয়েছি স্যার।

    –এখনও পর্যন্ত কাগজগুলো এটা নিয়ে কি নোংরামিই না করে চলেছে।–নিষ্ফল আক্রোশে দুহাতে মুখ ঢেকে চেয়ারে বসে পড়লেন আলডিন। ছিঃ ছিঃ, বাইরে মুখ দেখানা যাচ্ছে না কাউকে। এখন আফশোস হচ্ছে, এই অপদার্থ বেলজিয়ানটার ওপর রুথ-এর হত্যাকারীকে খুঁজে বার করার ভার দিয়েছি বলে।

    –কিন্তু স্যার। আপনার সামনেই বেকসুর নিরপরাধ হয়ে থাকবে এও আপনি নিশ্চয়ই চাইতেন না?

    –তার বোঝাপড়া আমিই করতাম।

    –স্যার, তাতে আপনার কিছু সুবিধে হতো বলে মনে হয় না।

    –এখনই বা কি সুবিধেটা হচ্ছে আমার?–দীর্ঘ নিশ্বাস ফেললেন আলডিন। তা, ওকি সত্যিই দেখা করতে চায়?

    –হ্যাঁ স্যার, বিশেষ দরকার আছে বলেছেন।

    –তাহলে আজ বেলার দিকে আসতে বলো তাকে।

    সকাল দশটায় পোয়ারো আলডিন-এর সঙ্গে দেখা করতে এসে দেখলেন তাকে যেমন সুন্দর আর তেমনি প্রাণবন্ত লাগছে। তিনি প্রাণ খুলে খোশ গল্প করতে শুরু করলেন। বললেন এক ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করতে লণ্ডনে এসেছিলেন। ডাক্তারের নামও বললেন।

    -আমার পুরনো স্মৃতি জড়ানো আছে এই ডাক্তারটির সঙ্গে। তখন পুলিশে কাজ করি। কয়েকটা বদমায়েসকে ধরতে গিয়ে বুলেট লাগে এই কাঁধটায়। তারপর হঠাৎ কিংটন-এর দিকে তাকিয়ে, আচ্ছা আপনার সঙ্গে মিস গ্রে-র দেখা হয়েছে, তাই না?

    –আমার সঙ্গে-হ্যাঁ, দু একবার দেখা হয়েছে।

    –তাই নাকি! কই আমাকে তো বলেননি কিছু?

    –আজ এটা মামুলী কথা বলেই আপনাকে বলিনি।

    -না না। মেয়েটিকে আমার ভারী ভালো লাগে। ওই মেয়ে কোথাকার সেন্টমেরি মিড়-এ পড়ে আছে। ভাবলে খুব খারাপ লাগে।

    -সত্যিই ভালো মেয়ে। নয়তো অমন একজন খিটখিটে মেজাজের অনাত্মীয়া বৃদ্ধাকে দেখাশোনা করার জন্যে কে অত মাথা ঘামাতো? কিংটন বললেন।

    -তা যাই বলুন, ক্যাথারিন-এর মতো মেয়ের এ এক অপমৃত্যুই বলা যায়। বললেন পোয়ারো। আচ্ছা, এবার কিছু কাজের কথা বলব আপনাদের। ধরুন ড্রেক ক্যাথারিন তার স্ত্রীকে খুন করেননি।

    -মানে?

    দুজনেই বিস্ময়ে হতবাক হয়ে চেয়ে রইলেন পোয়ারোর দিকে।

    –ধরুণ আমি বলছি, মিঃ ড্রেক ক্যাথারিন তার স্ত্রীকে খুন করেননি।

    –আপনার মাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি মঁসিয়ে?

    -না মঁসিয়ে আলডিন, পাগল আমি নই। তবে লোকে বলে আমি না কি অদ্ভুত স্বভাবের লোক, খামখেয়ালী। যাকগে, যা বললাম তা যদি সত্যি হয়, আপনি তাহলে আনন্দিত না দুঃখিত হবেন?

    –নিশ্চয়ই আনন্দিত হব। কিন্তু একি আপনার নেহাতই কল্পনা না এর পেছনে কোনো বাস্তবতা আছে?

    -একটা ঝুঁকি নিয়ে দেখব ঠিক করেছি। কারণ আমার মনে হচ্ছে শেষ পর্যন্ত কাউন্টই হবেন বোধহয়। অন্তত ওর পক্ষে যে অসম্ভব ছিল না সেটাই খুঁজে বের করেছি।

    পোয়ারো কড়িকাঠের দিকে দেখতে লাগলেন।

    -কি করে বের করলেন?

    –আমার কতগুলো নিজস্ব পদ্ধতি আছে। আর আছে কৌশল ও বুদ্ধি। তাই দিয়েই বের করতে হয়েছে।

    –কিন্তু রুবীর ব্যাপারটা; কাউন্ট-এর কাছ থেকে যে রুবী পাওয়া গেছে সেগুলো তো নকল?

    –একমাত্র রুবীগুলোর জন্যেই কাউন্টের পক্ষে এই অপরাধ করা সম্ভব বলে মনে হয়। কিন্তু একটা জিনিষ আপনারা লক্ষ্য করছেন না; সেটা হলো, শুধু যদি রুবীর ব্যাপারটা ধরেন তাহলে এও সম্ভব যে কাউন্ট-এর আগে আর কেউ হয়তো সেখানে গিয়েছিল, যার পক্ষে রুবীগুলো নিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। আর যার ফলে কাউন্ট হত্যা করার পরও রুবীগুলো পায়নি।

    এতো সম্পূর্ণ নতুন কথা বলছেন মঁসিয়ে উত্তেজিত হলো কিংটন। এভাবে কেউই তো চিন্তা করিনি।

    আপনি কি এই অদ্ভুত সম্ভাবনার কথা বিশ্বাস করেন মঁসিয়ে পোয়ারো?–আলডিন জানতে চাইলেন।

    -দেখুন মিঃ আলডিন, এটা আমার অনুমান মাত্র, এখনও কিছু প্রমাণিত হয়নি। কিন্তু আমার এই অনুমানের প্রতিটি সূত্রই খুব মূল্যবান। সেইজন্যেই আপনাকে আমার সঙ্গে ফ্রান্সের দক্ষিণে একবার যেতে হবে এবং ঘটনাস্থানে থেকে আমাদের কাজ করে দেখতে হবে।

    -আপনি কি বাস্তবিকই আমার যাওয়া প্রয়োজন মনে করেন মঁসিয়ে।

    –সেই প্রয়োজনটা আপনি নিজে ভেবে দেখুন মিঃ আলডিন।

    –নিশ্চয়ই, নিশ্চয়ই। তা কবে যাবেন ঠিক করেছেন? আপনার কিন্তু এখন পরপর অনেকগুলো বোর্ড মিটিং আছে স্যার। –কিংটন মনে করিয়ে দিলেন।

    -কিন্তু এটাই সবচেয়ে প্রয়োজনীয় আমার কাছে। ঠিক আছে মঁসিয়ে পোয়ারো, কালই যাবো। বলুন কোনো ট্রেনে যাবেন?

    –আমি ঠিক করেছি, ব্লু ট্রেনেই যাবো আমরা। হাসলেন পোয়ারো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }