Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. স্টেশনে অভ্যর্থনা

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ০১.

    মিঃ অ্যান্টহুইসলকে মড স্টেশনে অভ্যর্থনা জানাল। স্টেশনের বাইরের দিকে যেতে বলল, টিমোথি রিচার্ডের মৃত্যুতে খুব আঘাত পেয়েছে। ও বংশের শেষ প্রতিনিধি বলে মৃত্যু ভয় ওকে পেয়ে বসেছে।

    অন্ত্যেষ্টির পর ফেরার পথে গাড়ীটা খারাপ হয়ে যায়। টিমোথিকে ফোন করে জানিয়ে দিলাম পরের সকালের আগে আমি বাড়ি পৌঁছতে পারবো না। কখন যে কি ঘটে যায়। কোরার খুনটা যেমন হল। টিমোথিকে সামলোনো দায়।

    মড বলছিলো, আমি বিয়ের পর থেকে কোরাকে দেখেছিলাম না। বেচারা মনে হল। আচ্ছা ওর কাছে ছোট্ট কেউ আশ্রিত ছিল?

    কি বলতে চাইছ বলত?

    আমি বললাম, এমন কাউকে রেখেছিল যে ওকে খুন করে টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়ে গেছে। বাইরের লোক হলে রাত্রে ঢুকত। কিন্তু এই দুপুর বেলায় বাইরের লোকের পক্ষে জানলা ভেঙে ঢোকা অস্বাভাবিক।

    ওখানে দুজন ভদ্রমহিলা ছিলেন।

    কিন্তু কোরার টাকা পয়সায় যদি কারুর লোভ থাকত তবে দুজনেই যখন বেরিয়ে যেত তখন নিশ্চিন্তে চুরি করতে পারত।

    তাহলে তুমি ভাবছ, কোরাকে খুন করার প্রয়োজন ছিল না।

    ব্যাপারটা অসম্ভব মনে হয়।

    মনে মনে ভাবতে লাগলো মিঃ অ্যান্টহুইসল পৃথিবীতে অনেক অকারণ খুনের রেকর্ড আছে। তার নিজের ধারণায় খুন অনেক রকম হতে পারে, কেউ হিংসা থেকে, আত্ম গর্ব থেকে, ক্ষমতার লোভে, কেউ নারীর প্রতি মোহে খুন করে। কারুর খুনের নেশাও থাকতে পারে।

    মড বলল, আচ্ছা টিমোথিকে তদন্তের সময় উপস্থিত থাকতেই হবে? ডাক্তারের সার্টিফিকেট দেখালে চলবে না?

    ও নিয়ে চিন্তা কোর না। তারা এবার একটা সুন্দর জর্জিয়ান বাড়ির সামনে এল।

    কোনো চাকর নেই মড বলল, একটা ছিল, সে একমাস আগে চলে গেছে। ওর কাছে ফোনটা রেখে যাই, যাতে দরকার হলে ডাক্তার ডাকতে পারে।

    মড বসার ঘরে ঢুকে মিঃ অ্যান্টহুইসলকে রেখে চলে গেল বাড়িতে। কয়েক মিনিট পরে ফিরে এল।

    অ্যান্টহুইসল জিজ্ঞেস করলো, টিমোথির কি হল?

    ও চা খেয়ে বিশ্রাম করছে, ওকে বেশি উত্তেজিত করবেন না।

    .

    ০২.

    অ্যান্টহুইসল তুমি এসে ভালো করেছ। আমি বেশি কথা বলতে পারব না, ডাক্তার বারণ করেছে। চিন্তা করতে বারণ করেছে। রিচার্ড মারা গেল, ঐরকম একটা উইল করে গেল। তারপর কোরা মরল, উঃ কি ভীষণ! কুড়ুল নিয়ে যুদ্ধের পর কিছু বদমাস লোক ঘুরে বেড়াচ্ছে আর অসহায় মেয়েদের খুন করছে, কেউ ওদের দমন করার কথাও ভাববে না।

    মড ঘর থেকে চলে গেল।

    চেয়ারে শুয়ে টিমোথি বলল, মহিলা গেছে ভালো হয়েছে, এবারে আমরা ঠিকমত কথাবার্তা বলতে পারব।

    কোরার সম্পত্তি পাঁচজনের মধ্যে ভাগ হয়ে যাবে। বিরক্তি দেখা গেল টিমোথির মুখে।

    কিন্তু আমিই তো এই বংশের শেষ বংশধর।

    তাকে উইলের শর্তগুলো বুঝিয়ে দিলেন মিঃ অ্যান্টহুইসল। আমি তোমাকে উইলের এক কপি পাঠিয়ে দিয়েছিলাম।

    সবচেয়ে আমাকে বেশি আঘাত করেছে রিচার্ডের উইলের শর্তগুলো।

    হা, তোমার আমার মত হয়নি।

    স্বাভাবিক মার্টিমারের মৃত্যুর পর আমিই সম্পত্তি পাব আশা করেছিলাম।

    রিচার্ড কোনোদিন তা বলেছিল?

    তেমন কোনো কথা বলেনি। তবে সম্পত্তির ব্যাপারে আমার সাথে আলোচনা করত। তবে শেষ এবারেনথীর বংশধর হিসাবে সম্পত্তির দেখাশোনার দায়িত্ব আমিই পাব আশা করেছিলাম।

    অ্যান্টহুইসল বুঝতে পারলো টিমোথি আশা করেছিল রিচার্ডের পরে সেই সমস্ত সম্পত্তির মালিক হবে।

    তাকে রিচার্ড তা করে যায়নি। কি এরকম কথা রিচার্ড প্রথমে ভেবেছিল তারপরে মত পরিবর্তন করেছিল?

    বেড়ালের মারামারির একটা শব্দ হল বাইরে। উত্তেজিত টিমোথি জানলায় উঠে গিয়ে একটা বই নিয়ে ছুঁড়ে মারল।

    যত সব ফুলের কেয়ারী নষ্ট করে দিচ্ছে।

    বসে আবার বদল : অ্যান্টহুইসল একটু মদ খাও।

    না-না, আমি এইমাত্র চা খেলাম।

    আমি শুনলাম, অন্ত্যেষ্টি থেকে ফেরার পথে ওর গাড়ী নাকি ব্রেকডাউন হয়ে গেছিল।

    হা হয়েছিল। এসে টেবিলে একটা কাগজ দেখলাম, ঠিক মেয়েটা লিখে গেছে ম্যাডাম রাত্রে ফিরবেন না।

    টিমোথি ভাবতে লাগল দুঃখিতভাবে।

    কোরা অন্ত্যেষ্টির দিন একটা কাণ্ড করে গেছে। সে বলেছে রিচার্ডকে খুন করা হয়েছে, তাই না। বোধহয় মড তোমাকে বলেছে। অ্যান্টহুইসল বললেন।

    হ্যাঁ, আমি শুনেছি। ও বাচ্চা অবস্থায় কি রকম কথাবার্তা বলত তুমি জান তো? আমাকে ফোন করে আমার খবর নিল, আর উইলের কথাটা জানাল। আমি খুব আঘাত পেয়েছিলাম, জানো। এটা রিচার্ডের আমার প্রতি ঘৃণার ফল। যদিও মৃত সম্বন্ধে কিছু বলা ঠিক নয়।

    তারপর ফিরে এসে মড বলল, ডিয়ার, অ্যান্টহুইসল অনেকক্ষণ কথা বলেছেন। এবার তোমার বিশ্রাম দরকার।

    হা হয়ে গেছে। যদিও পুলিশের উপর আমার বিশেষ বিশ্বাস নেই। আমাকে নিয়ে যেন টানাটানি না করে। কোরার সমাধির বন্দোবস্ত কর।

    আচ্ছা তা আমি দেখব।

    অ্যান্টহুইসল পরদিন সকালের ট্রেনে লণ্ডনে ফিরে এলো।

    বাড়িতে এসে তিনি তার এক বন্ধুকে ফোন করলেন।

    .

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ০১.

    আমি তোমার নিমন্ত্রণ পেয়ে খুব খুশী হয়েছি। বন্ধুর হাতে চাপ দিলেন অ্যান্টহুইসল।

    আমি আজ গ্রাম থেকে ফিরলাম, চেয়ারে বসে অ্যান্টহুইসল বললেন।

    তোমার কথা ডিনার খাওয়ার পর শুনব।

    খাবার নিয়ে এল জর্জের।

    মিঃ অ্যান্টহুইসল সামান্য চিন্তা করে আরম্ভ করলেন। জানি না ব্যাপারটা কিরকম দাঁড়াবে। তবে আমি একটা সমাধান চাই। আমি তোমার কাছে সব বলছি? তারপরে তুমি তোমার মতামত জানিও।

    বলা শেষ হলে এরকুল বলল : খুব পরিষ্কার মনে হচ্ছে, তুমি বলছ রিচার্ড খুন হয়েছে। এটার ভিত্তি হচ্ছে কোরার কথাটা। অন্ত্যেষ্টির পরের দিনই কোরার মৃত্যু অস্বাভাবিক নাও হতে পারে। রিচার্ড হঠাৎ মারা গেছেন ঠিক। তবে বড় একটা ফ্যামিলি ডাক্তার ডেথ সার্টিফিকেট দিয়েছে। রিচার্ডকে পোড়ানো হয়েছে না সমাধি দেওয়া হয়েছে?

    পোড়ানো হয়েছে।

    আর এখানে প্রধান ব্যাপার হল, তুমি বিশ্বাস করেছ কোরা সত্যি কথা বলেছে।

    হ্যাঁ, আমি করেছি।

    কেন?

    কেন? অ্যান্টহুইসল যেন একটু হতভম্ব হলো। কারণ হচ্ছে তুমি রিচার্ডের মৃত্যুর ধরনে একটু সন্দেহ করেছিলে।

    না না, বিন্দুমাত্র না।

    তাহলে কোরার কথায়?

    হা কোরা সব সময় অস্বস্তিকর সত্যি কথা বলত। যা সাধারণত কেউ বলতে চায় না।

    মিঃ অ্যান্টহুইসল কেঁপে উঠলেন।

    এখন বল কোরা যখন কথাটা বলল তখন সবাই কি প্রতিবাদ করেছিল?

    হা করেছিল।

    তখন একটু ঘাবড়ে গিয়ে মেয়েটা বলল, না না, আমি ঠিক বলিনি। তবে ও যা বলেছিল সে থেকে ধারণা হয়েছিল।

    আচ্ছা তুমি কারুর মুখে অস্বাভাবিক কিছু দেখেছিলে?

    না। পরদিন কোরা আবার খুন হল, বল দেখি এটা কি কার্য কারণ সম্পর্ক?

    আবার অ্যান্টহুইসল শিহরিত হলেন।

    তাহলে তুমি মনে করছ এটা একটা খুন।

    গম্ভীরভাবে পোয়ারো বলল : হ্যাঁ এটা তদন্তের ব্যাপার, তুমি কিছু করেছ? পুলিশকে জানিয়েছ?

    না, যদি রিচার্ডকে খুন করা হয়ে থাকে, তবে আমি সংসারের প্রতিনিধি হিসাবে এগোতে পারি।

    ওর মৃত্যুর সময় এখানে কে ছিলো?

    একজন পুরোন বৃদ্ধ বাটলার, একজন রাধুনী, আর একটা কাজের মেয়ে।

    আবার পোয়ারো বলে চলল, বিষ দিয়ে যদি হয় তাহলে অনেক ধরনের বিষ হতে পারে। বোধহয় নার্কোটিকই হবে। সে যাতে ঘুমের মধ্যেই মারা যায় এবং কারুর সন্দেহ না হয়।

    যাই হোক না কেন তা প্রমাণ করা মুশকিল।

    হা রিচার্ডের ক্ষেত্রে অসম্ভব হলেও, কোরার ক্ষেত্রে অসম্ভব নয়। কোরার হত্যাকারীকে জানতে পারলে অনেক প্রমাণ পাওয়া যেতে পারে। তারপর অ্যান্টহুইসল কে বলল, তুমি ইতিমধ্যেই কিছুটা এগিয়েছ মনে হয়?

    হা খুব সামান্য, আমি আমার সন্দেহের গণ্ডীটা কমিয়ে আনতে চেষ্টা করেছিলাম। আমি অনুসন্ধান করেছিলাম কোরার মৃত্যুর দিন বিকেলে এবারেনথী আত্মীয়দের মধ্যে বাড়িতে কেউ ছিল না।

    কি করছিল?

    জর্জ ক্রসফিল্ড হাপার্কের রেসে গেছিল। রোজামণ্ড গেছিল বাজার করতে। সুসান আর গ্রেগরী সারাদিন তাদের বাড়িতে ছিল। টিমোথি পঙ্গু, সে তার ইয়র্ক শায়ারের বাড়িতে ছিল। তার স্ত্রী মড এণ্ডারবি থেকে গাড়ী করে ফিরছিল।

    ওদের কথাগুলো সত্যি?

    কথাগুলো সত্যি কিনা তা আমি তলিয়ে বুঝিনি। তবে আমার ধারণা হল, জর্জ বোধহয় সেদিন রেস খেলতে যায়নি। আমি জানি, অনেক অপরাধী বেশি কথা বলে তাদের অবস্থা খারাপ করে ফেলে।

    আচ্ছা ওর মামার মৃত্যুর সময় জর্জের কি টাকার জরুরী ছিল?

    আমার ধারণা ওর টাকার জরুরী দরকার ছিল। যদিও কোনো প্রমাণ নেই। তবে বেশ সন্দেহ হয় যে ও তার মক্কেলের টাকা খরচ করে ফেলেছিল এবং কাঠগোড়ায় যাওয়ার অবস্থায় পৌঁছে গেছিল, আমার ধারণা রিচার্ড খুব ভালো মনুষ্য চরিত্র বুঝত এবং সে জর্জের উপর আস্থা রাখতে পারেনি।

    তার মা ল ইয়ার বলতে লাগলেন, একজন সন্দেহজনক চরিত্রের লোককে বিয়ে করেছিল।

    সে থামল, আবার আরম্ভ করল।

    রোজমণ্ড মেয়েটা ভালো, যে কুড়ুল দিয়ে কাউকে খুন করতে পারে না। তার রহস্যজনক উচ্চাকাঙ্খী, কম কথা বলে। ওর সম্বন্ধে খুব কম কথা বলে, যদিও সন্দেহ করা যায় না।

    ওর স্ত্রী সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ নেই। না না, ও কুড়ুল দিয়ে খুন করতে পারে না।

    অন্য মেয়েটা?

    সুসান? সুসান একেবারে প্রথম মেয়ে। আমি ওকে বিরাট ক্ষমতাশালী বলব।

    স্বামী কেমন?

    স্বামীর ব্যক্তিত্ব খুব মধুর নয়। আর সুসান

    হ্যাঁ বল।

    সুসান তার মামার মতই, বুদ্ধিমান তৎপর ও চটপটে। তবে তার মামার মত হৃদয়গুণ নেই মনে হয়।

    ও তার স্বামীকে ভালোবাসে?

    খুব ভালোবাসে, তবেপোয়ারে আমার যেন মনে হয় না সুসান

    তুমি জর্জকে প্রেসার কর, পোয়ারো বলল।

    মিসেস এবারেনথী একজন ভালো মেকানিক। আর মিঃ টিমোথি ঠিক চালু নন। তিনি চলাফেরা করতে পারেন এবং তাড়াতাড়ি গায়ের জোর দিয়ে কোনো কাজও করতে পারেন। সে তার ভাইয়ের সাফল্যে একটু হিংসা করত।

    হ্যাঁ, তবে অন্ত্যেষ্টির পরে কোরার কথাটা নিয়ে ঠাট্টাও করেছে। ষষ্ঠ জন সম্বন্ধে বল।

    হেলেন? মিসেস লিও? আমি তাকে সন্দেহ করি না। সে এণ্ডারবিতে তিন চাকরের সাথে ছিল।

    পোয়ারো বলল, আমাকে কি করতে বলছ?

    পোয়ারো আমি সত্যটা জানতে চাই।

    পোয়ারো হাসল।

    ঠিক আছে ব্যাপারটা আমাকেও উৎসাহিত করেছে।

    তুমি রিচার্ডের ডাক্তারের সাথে দেখা কর, ওকে চেন?

    কম চিনি।

    কেমন লোক?

    মধ্যবয়সী দক্ষ। বেশ ভালো লোক।

    তাহলে ওর সাথে দেখা কর। জিজ্ঞেস করবে রিচার্ড মৃত্যুর সময়ের আগে কি ওষুধ খাচ্ছিল। আর গিলফ্রিস্ট বিয়ের ব্যাপারটা ঠিক শুনেছে তো? আচ্ছা এটা কি তোমার মনে হয় মিস্ গিলফ্রিস্টের জীবনের উপর কোনো ভয় আছে?

    না তা বোধহয় নেই।

    শোন, গিলফ্রিস্টের একা ঐ কটেজে থাকা আমি ঠিক নিরাপদ মনে করছি না।

    সুসান ওখানে যাচ্ছে মনে হয়।

    তাহলে মিসেস্ ব্যাঙ্ক যাচ্ছেন?

    হা, সে কোরার জিনিপত্রগুলো দেখতে চায়।

    ঠিক আছে। তোমাকে যা বললাম করবে। এখন থেকে কেসটার ভার আমি নিলাম।

    .

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ০১.

    মিঃ অ্যান্টহুইসল ডঃ ল্যারবির দিকে তাকিয়েছিলেন।

    যাইহোক মিঃ অ্যান্টহুইসল আরম্ভ করলো : আমরা একটা গোলমেলে ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করব। প্রশ্নটা হল রিচার্ডের কি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে?

    ডঃ ল্যারবি বলল, হ্যাঁ কেন? আমি তো সার্টিফিকেট দিয়েছি।

    এবারেনথী খুব অসুস্থ ছিলেন, আমি বলেছিলাম তিনি আরও দুবছর বাঁচবেন, ও হঠাৎই মারা গেছে নিশ্চয়ই। কিন্তু সেটা তো অস্বাভাবিক নয়।

    তা তো আমি মানছি। একজন মানুষ তার দিন শেষ হয়ে গেছে ভেবে তার মৃত্যুকে কি এগিয়ে আনতে পারে, অথবা অন্য কেউ তার হয়ে তার মৃত্যুকে এগিয়ে দিতে পারে?

    আত্মহত্যা, রিচার্ড আত্মহত্যা করার মত লোক ছিল না।

    তাহলে তুমি আমাকে বলছ এরকম ব্যাপার অসম্ভব।

    রিচার্ড অনেকের মতে ঘুমের মধ্যে মারা গেছিল। আত্মহত্যা সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই। কেউ যদি অটোন্সি করাতে চায়–

    ডাক্তারের মুখ আস্তে আস্তে লাল হয়ে যাচ্ছিল। অ্যান্টহুইসল বললেন : নিশ্চয়ই, নিশ্চয়ই, তবে এমন কোনো প্রমাণ থাকতে পারে, ধর তিনি এ ব্যাপারে কাউকে কিছু বলেছেন

    আত্মহত্যার কথা বলেছেন? এরকম কথা আমাকে অবাক করবে।

    যদি তাই হয়, তবে তুমি কি এটাকে অসম্ভব বলতে পারবে?

    না না, অসম্ভব বলতে পারি না, তবে আবার বলছি তাহলে আশ্চর্য হব।

    আচ্ছা তার মৃত্যুটা যদি স্বাভাবিক না হয়, তাহলে কি ধরনের ওষুধ ওর মৃত্যু ঘটাতে পারে?

    অনেক ওষুধ হতে পারে, যেমন–নার্কোটিক।

    ওর কাছে স্লিপিং পিল বা এই ধরনের কিছু ছিল?

    হ্যাঁ, আমি ওকে স্লমবারি প্রেসক্রাইব করেছিলাম। সব সময় ও খেতো না। মাত্রার তিন চারগুণ খেলেও মৃত্যুর সম্ভবনা ছিল না।

    আর কিছু প্রেসক্রাইব করেছিলে?

    অনেক কিছু, যন্ত্রণার জন্য কিছু ভিটামিন ক্যাপসুল আর একটা হজমের মিক্সচার।

    আচ্ছা ঐ ক্যাপসুলে আর কিছু ঢোকানো যেতে পারে?

    কি বলতে চাইছ খুন?

    জানি না, আমি জানতে চাই সম্ভব কিনা?

    তোমার কি প্রমাণ আছে? কেন নেই, যে কথাটা বলেছিলে এবং যে শুনেছিল দুজনেই মারা গেছে, আমি শুধু জানতে চাই ওকে বিষ দিয়ে মারা সম্ভব কিনা?

    ল্যারবি উঠে পায়চারি করতে লাগল।

    আমি অস্বীকার করছি না। কেউ ক্যাপসুল থেকে ওষুধ বার করে নিয়ে নিকোটিন ঢুকিয়ে দিতে পারে।

    আচ্ছা রিচার্ড কোনোদিন তোমাকে বলেছে তার কোনো আত্মীয় তার মৃত্যু চায়।

    না, কিছু বলেনি।

    এবার কোরার কথা বললেন অ্যান্টহুইসল। ল্যারবির মুখ আলোকিত হল।

    তাই বল, এই মহিলার মনের কোনো ভারসাম্য নেই, সবকিছু বলতে পারে।

    হতে পারে, তবে দুর্ভাগ্যবশতঃ ওকে আর পাওয়া যাচ্ছে না, ও খুন হয়েছে।

    কি বললেন খুন হয়েছে?

    তুমি কাগজে পড়নি?

    পড়েছি তবে ও যে রিচার্ডের আত্মীয় হতে পারে তা মনে হয়নি।

    .

    ০২.

    অ্যান্টহুইসল এণ্ডারবিতে এসে ল্যান্সকম্বের সাথে কথা বলতে চাইলেন।

    বৃদ্ধ বাটলারের পরিকল্পনা তিনি জিজ্ঞেস করলেন।

    মিসেস লিও বাড়িটা বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত আমাকে এখানে থাকতে বলেছেন। ল্যান্সকম্ব নিশ্বাস ফেলল, ওর কতদিনের বাড়িটা বিক্রি হয়ে যাবে।

    ল্যান্সকম্ব এস্টেটও বিক্রি করে দিতে হবে, কিন্তু তোমার লিগাসি?

    না না আমি অভিযোগ করছি না, তবে আজকাল একটা বাড়ি পাওয়ার যা অসুবিধে। অবশ্য আমার এক ভাইঝি ওর কাছে থাকতে বলেছে।

    হাঁ, আমাদের মত বৃদ্ধদের পক্ষে এই পৃথিবীটা বড় কষ্টকর। পুরোন বন্ধুদের দেখতে ইচ্ছে করে। আচ্ছা মরার আগে তাকে আর তাঁর মত দেখতে ছিল না।

    হা অসুখ হলে এরকম হয়। সম্ভবত রিচার্ডও এমন কারুর কথা বলত যে তার ক্ষতি করতে পারে? অথবা ভাবত তার খাবারে বিষ মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে?

    বিস্মিত হলেন ল্যান্সকম্ব।

    না, আমি এ ধরনের কোনো কথা শুনিনি।

    প্রসঙ্গ পরিবর্তন করলেন অ্যান্টহুইসল। রিচার্ড মৃত্যুর আগে কিছু আত্মীয়দের এখানে এনে রেখেছিলেন। তাই না?

    হা।

    ওদের প্রতি রিচার্ড সন্তুষ্ট ছিলো তো?

    আমি বলতে পারছি না স্যার।

    কিছুক্ষণ ভেবে ল্যান্সকম্ব বলল : স্যার কিছু হয়েছে কি?

    আমি কিছু জানি না, আমি খুঁজে বেড়াচ্ছি, তুমি কি মনে কর কিছু গোলমাল আছে?

    অন্ত্যেষ্টির পর থেকে কেমন যেন সব অস্বাভাবিক হয়ে গেছে। মিসেস টিমোথি বা মিসেস্ লিও সেই আগের মত নেই।

    হা স্যার উইলটা ভালো হয়েছে।

    আচ্ছা তোমাকে যা জিজ্ঞেস করলাম তার উত্তর দেবে কি?

    প্রভু জর্জের ব্যবহারে হতাশ হয়েছিলেন, তারপরে স্বামীদের সাথে মেয়েরা এলেন। সুসান ওদের মধ্যে বেশ বুদ্ধিমান। তবে আমার মতে তিনি সুসানের স্বামীকে ঠিক পছন্দ করতেন না।

    খুব বেশি বলতে পারছি না, ওরা দুজনেই বেশ সুন্দর আর হাসিখুশী, প্রভু ওদের নিয়ে আনন্দও পেয়েছিলেন, তবে। ইতস্তত করল বৃদ্ধ।

    বল ল্যান্সকম্ব?

    প্রভু নাটকের ছেলেমেয়েদের পছন্দ করতেন না।

    তারপরে রিচার্ড কি করল?

    সে সম্বন্ধে আমি বিশেষ কিছু জানি না। তিনি বলেছিলেন টিমোথির কাছে থেকে ঘুরে এসে সেন্ট মেরীতে যাবেন।

    ওখান থেকে ফিরে এসে কিছু বলেছিলেন?

    খুব বেশি কিছু না, ফিরে এসে স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন।

    ওদের সম্বন্ধে কিছু বলেননি?

    তিনি আমায় সোজাসুজি কিছু বলতেন না। আমাকে বলার চেয়ে তিনি নিজের সাথে বেশি কথা বলতেন।

    তোমাকে বিশ্বাস করতেন, বলে যাও।

    আমার বিশেষ মনে নেই, টিমোথি টাকা নিয়ে কি করল, এই ধরনের একটা কথা। তারপর বললেন, মেয়েরা নিরানব্বই রকমভাবে বোকা হতে পারে আবার একশ রকম ভাবে চালাক হতে পারে। আরও বলেছিলেন, কারুর জন্য ফাঁদ পাতা ঠিক না, আর কিছু করার মত রাস্তাও দেখছি না। বোধ হয় তিনি বাগানের দুনম্বর মালীর কথা বলেছিলেন।

    .

    ০৩.

    অ্যান্টহুইসল ভাবলেন তিনি কথাটা হেলেনকে বলবেন। তারপর ওকে পুরোপুরি বিশ্বাস করবেন ঠিক করলেন।

    তিনি প্রথমে বাড়ির জিনিসপত্র গুছিয়ে ঠিক করে রাখার জন্য ওকে ধন্যবাদ জানালেন। বাড়িটা বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। এইবার খদ্দের আসতে আরম্ভ করবে।

    ব্যক্তিগত খদ্দের।

    না, ওয়াই, ডব্লিউ-সি-এ, তরুণদের ক্লাব এবং জেয়ারসন ট্রাস্ট, এরাই খদ্দের।

    বাড়িটা বিক্রি হওয়া পর্যন্ত তোমার এ বাড়িতে থাকতে কি অসুবিধে হবে?

    না, অসুবিধে হবে না। লিওর স্মৃতি এ বাড়ির গায়ে লেগে আছে।

    আর একটা ব্যাপার এরকুল পোয়ারো নামে আমার এক বন্ধু

    ব্যগ্রভাবে হেলেন বলল, এরকুল পোয়ারো? তাহলে আপনি ভাবছেন?

    ওকে চেন?

    হা, তবে আমি জানতাম উনি মারা গেছেন।

    ও খুব ভালো ভাবেই বেঁচে আছে।

    তাহলে আপনি ভাবছেন, কোরা ঠিক কথা বলেছে?

    রিচার্ড খুন হয়েছে।

    মিঃ অ্যান্টহুইসল ভারমুক্ত হলেন তার মন খোলসা করে।

    হেলেন বলল : ওঃ অবিশ্বাস্য, কোরার ঐ কথাটা বলার পর আমিও একটু অস্বস্তিতে ভুগছিলাম। কোরার মৃত্যুর পর একটু সন্দেহ হলেও এরকম ভয়ঙ্কর কিছু ভাবিনি। সমস্যাটা নিশ্চয়ই জটিল?

    হ্যাঁ জটিল, তবে এরকুলের এই ব্যাপারে একটা অদ্ভুত ক্ষমতা আছে।

    কোরার কথা ছাড়া আমি সেদিন আরও একটা ব্যাপারে অস্বস্তি বোধ করেছিলাম। তবে কেন বা কি জন্যে তা জানি না–অবাস্তব ব্যাপার।

    না, না, আদৌ না, তুমি বোকা নও হেলেন। তুমি তাৎপর্যপূর্ণ কিছু হয়ত লক্ষ্য করেছ।

    .

    নবম পরিচ্ছেদ

    ০১.

    সামনের দিকে টুপিটা টেনে নিয়ে মিস গিলক্রিস্ট সাদা চুলের গুচ্ছটা ঢেকে দিল। এখনো দেরী আছে তদন্তের। মিস্ গিলফ্রিস্ট দেয়ালে ছবিগুলো দেখতে লাগলেন।

    এমন সময় দরজায় বেলের শব্দ হল।

    গিলফ্রিস্ট বলল, এখন আবার কে?

    দরজা খুলে দেখল কালো পোশাক পরা এক ভদ্রমহিলা সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে। মহিলা বললেন, মিস্ গিলফ্রিস্ট, আমি ল্যান্স কোয়েনেটের বোন-ঝি সুসান ব্যাঙ্ক।

    ও এসো এসো, আমি তোমায় চিনতাম না তো? এসো ভেতরে এসো, তুমি আসবে জানাওনি তো। বস কি খাবে বল চা না কফি?

    না কিছু করতে হবে না, আপনাকে চমকে দিইনি তো?

    একটু ভয় পেয়ে গেছিলাম, আজ তদন্ত হবে তাই আমি মনে মনে একটু অস্থির হয়ে আছি। আধ ঘন্টা।

    আগে আর একবার বেল বেজেছিল, আমি দরজা খুলতে ভয় পেয়েছিলাম। কেমন বোকা না আমি? খুনী কেন আবার ফিরে আসবে? একজন লন এসেছিলেন, আমি ওকে দেখে খুশী হয়েছিলাম, মিসেস।

    ব্যাঙ্কস।

    হা ব্যাঙ্কস, ট্রেনে এলে?

    না গাড়ীতে এলাম।

    তারপর ঘরের চারদিকটা দেখে বলল : বেচারা অ্যান্ট কোরা আমার জন্য ওর সব জিনিসপত্র রেখে গেছে।

    হ্যাঁ, মিঃ অ্যান্টহুইসল আমাকে বলেছেন। ভালোই হয়েছে নতুন বিয়ে করে আসবাবপত্র পেয়ে গেলে।

    না না, এগুলোতে আমার দরকার নেই। এগুলো আমি বিক্রি করে দেব।

    বিশ্রী সবুজ টেবিলটা দেখে সুসান কেঁপে উঠল এবং তাড়াতাড়ি ওটা দান করে যেন মুক্ত হল।

    অনেক ধন্যবাদ। আমি ইতিমধ্যেই কোরার সুন্দর ছবিগুলো এবং এমেথির ব্রোচ পেয়েছি। মনে হয় ওগুলো তোমাকে দিয়ে দেওয়া উচিত।

    না না।

    তুমি ওর জিনিসপত্র দেখবে না? তদন্তের পরে দেখবে?

    ঠিক করেছি এখানে কয়েকদিন থেকে এইসব জিনিসপত্র বিক্রি করে যাব।

    এখানে রাত্রে থাকবে?

    হ্যাঁ।

    আন্ট কোরার একটা ঘর ছিল না? ওখানে ঘুমোব।

    তোমার কিছু মনে হবে না?

    কেন? উনি ওঘরে খুন হয়েছেন বলে, না না। তাতে আমার কিছু হবে না। সব ঠিক করা হয়েছে?

    হা কম্বল ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমি ও পেন্টার ঘরটাকে ঘসে ঘসে সব দাগ মুছে দিয়েছি। ঘরে আরও কম্বল আছে। তুমি চল উপরে নিজে গিয়ে দেখবে।

    সুসান উপরে গেল, এখন কোরার ঘরটা ঝকঝকে তকতকে। এ ঘরেও নানারকম ছবি ভোলোনো। ছবিগুলো মিসেস ল্যান্স কোয়েনেটের স্বামীর আঁকা, গিলক্রিস্ট বলল।

    আন্ট কোরার আঁকা ছবি কোথায়?

    আমার ঘরে। তুমি দেখবে?

    গর্বের সাথে মিস গিলক্রিস্ট তার সম্পত্তি দেখালো।

    ছবিগুলো দেখে সুসানের মনে হচ্ছিল কোনো ছবির পোষ্টকার্ড থেকে আঁকা।

    ঘড়ি দেখে সুসান বলল : তদন্তের সময় হয়েছে, গাড়ী আনবো নাকি?

    না, হাঁটা পথে মাত্র পাঁচ মিনিট।

    ওরা একসাথে বেরোল, রাস্তায় মিঃ অ্যান্টহুইসলের সাথে দেখা হয়ে গেল, সবাই মিলে ভিলেজ হলে ঢুকল।

    শুরু হল তদন্ত। নানারকম খুঁটিনাটি ব্যাপার সম্বন্ধে আলোচনা করা হোল। শেষে জুরি বললেন, এটা কারুর দ্বারা খুন।

    ওরা তদন্তের শেষে বেরিয়ে এলেন, হাফ ডজন ক্যামেরা ক্লিক করল। তারপর ওরা কিংস আর্মে লাঞ্চ খেতে ঢুকল।

    অ্যান্টহুইসল খেতে বসে বললেন : সুসান তুমি আজ আসছ বললে না তো? তাহলে আমরা একসাথে আসতে পারতাম।

    আমি হঠাৎ চলে এলাম।

    তোমার স্বামী এল না?

    গ্রেগ ব্যস্ত তার ঐ বাজে দোকান নিয়ে। সুসান বলল, আমার স্বামী কেমিস্টের দোকানে কাজ করেন।

    ও কীটসের মত?

    আমার স্বামী কিন্তু কবি নন।

    সুসান তারপরে বলল : আমরা একটা প্ল্যান করেছি, একদিকে থাকবে ল্যাবরেটরি আর একদিকে প্রসাধন ও বিউটি পার্লার।

    খুব ভালো হবে, গিলফ্রিস্ট বললেন, এলিজাবেথ আর্ডেনের মত। আবার বলল, ফার্মেসী সাধারণ দোকানের মত নয়।

    আপনার একটা চায়ের দোকান ছিল না?

    হ্যাঁ, উইলো টি। গিলফ্রিস্টের মুখ উজ্জ্বল।

    সুসানকে সে দোকানের কথা বলতে লাগল। অ্যান্টহুইসল টিমোথির সম্বন্ধে চিন্তা করছিলেন।

    সুসান বলল, আঙ্কল টিমোথি? উনি তো পঙ্গু। এ ব্যাপারের সাথে কোনো যোগাযোগ থাকতে পারে নাকি?

    না না, আমি ভাবছি মিসেস টিমোথির কথা, সিঁড়িতে পড়ে গিয়ে পা মচকেছে।

    অ্যান্টহুইসল কিংস আর্ম থেকে বেরিয়ে দুই মহিলাকে বিদায় জানিয়ে আবার কিংস আর্মে ঢুকলেন, এখনেই তিনি একটা ঘর নিয়েছেন, কালকে অন্ত্যেষ্টি অনুষ্ঠান হবে।

    আমার গাড়ীটা কেয়ারীতে আছে, সুসান বলল। আমি সেটার কথা ভুলে গেছিলাম, আমি পরে ওটাকে গ্রামের মধ্যে নিয়ে আসবো।

    মিস্ গিলক্রিস্ট বললেন : দেরী করো না। অন্ধকারের পর বাইরে বেরিয়ো না।

    ওর দিকে তাকিয়ে সুসান বলল : আপনি কি ভাবছেন খুনী এখনো এখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে?

    না না, তা নয়? গিলফ্রিস্টের অস্বস্তি হয়।

    কিচেনের দিকে যেতে যেতে মিস্ গিলফ্রিস্ট বললেন, তোমার আধঘন্টার মধ্যে চা দরকার মনে হয়?

    কেউ সাড়ে তিনটের সময় চা খায়। তবুও মিস গিলক্রিস্টকে খুশী রাখা দরকার ভেবে সুসান উত্তর দিল।

    যখন ইচ্ছে, মিস্ গিলফ্রিস্ট।

    দরজায় কলিং বেল বেজে উঠল কয়েক মিনিট পরেই এবং একটা র‍্যাট-ট্যাট-ট্যাট শব্দ হল।

    উঠে দাঁড়াল সুসান। বেল শুনে গিলক্রিস্ট চলে এসেছিলেন এ্যাপ্রন পরা অবস্থায়

    ডাকছে কে বলতো?

    সাংবাদিক মনে হয়, সুসান উত্তর দিল।

    উঃ, তোমায় জ্বালাল।

    না ঠিক আছে, আমি কথা বলছি।

    সুসান দরজা খোলার পর একজন বৃদ্ধ ভদ্রলোক বললেন : মিসেস ব্যাঙ্ক, আমার মনে হয়।

    হা।

    আমার নাম আলেকজান্ডার গাথরী। আমি মিসেস ল্যান্স কোয়েনেটের পুরোন এক বন্ধু। তুমি এবারেনথী বংশের মেয়ে তো?

    হ্যাঁ।

    গাথরী বসার ঘরের দিকে যেতে যেতে বলছিলেন, খুব দুঃখের দিন, ল্যান্স কোয়েনেটের বিয়ের সময় থেকে আমি এদের সাথে পরিচিত ছিলাম। বেচারা কোরা খুব ভালো মেয়ে ছিল। কোরাও বেশ সমঝদার ছিল।

    সবাই সেই কথা বলে। সুসান বলল।

    হ্যাঁ, মেয়েটা একটু অদ্ভুত ছিল। কখন যে কি কথা বলবে তার কোনো ঠিক ছিল না। ওর স্বভাব চাল-চলন এখন পর্যন্ত বাচ্চাদের মত ছিল।

    বলে চললেন তিনিঃ আমি এখন একটু বিবেকের পীড়নে ভুগছি, কয়েক সপ্তাহ আগে কোরা আমায় আসতে বলেছিল। আমি এসে ওর সাথে দেখা করতে পারিনি। কোরা কিছুদিন হল সেলে ছবি কিনত, আমায় দেখাত। শেষ চিঠিতে আমায় লিখেছিল ও আদিম ইটালীয়ান মানুষের একটা দারুণ ছবি কিনেছে।

    ঐ ছবিটা বোধ হয়, সুসান দেওয়ালে ঝোলানো ছবিটার দিকে ইঙ্গিত করল।

    গাথরী ছবিটা দেখে বললেন : ভালোই হয়েছে, কোরাকে হতাশ করতে হল না।

    সুসান চায়ের ট্রে নিয়ে এল। গাথরীকে অভিনন্দন জানিয়ে বসলেন গিলফ্রিস্ট।

    গাথরী বললেন, সত্যিই কষ্টদায়ক।

    হঠাৎ প্রসঙ্গ পরিবর্তন করলেন গাথরী : কোরাকে কোনো চোর ডাকাত মারেনি, আমার যা মনে হয়

    সুসান বলল, বলুন।

    কোরা কোনো কথা চেপে রাখতে পারত না। ও যদি না বলার প্রতিজ্ঞা করত তবুও বলে ফেলত। বোধহয় কোরা কোনো গোপন কথা জানতে পেরেছিল। তবে এইরকম বীভৎস মৃত্যু অপ্রত্যাশিত, কোনো চোর ডাকাত এইসব জিনিস নেওয়ার জন্য কাউকে খুন করবে না। সে বাড়িতে কত টাকা রাখতো?

    খুব সামান্য, গিলফ্রিস্ট বলল।

    ভদ্রভাবে মিঃ গাথরী বিদায় নিলেন, জানালা দিয়ে অপসৃয়মান মূর্তি দেখা যাচ্ছিল। গিলফ্রিস্ট বাইরে থেকে একটা পার্শেল নিয়ে ফিরলো, কি হতে পারে বলতো? ওয়েডিং কেক?

    গিলফ্রিস্ট প্যাকেটটা খুললেন, ভেতরে একটা সাদা বাক্স, সিলভার রিবন দিয়ে বাঁধা।

    রিবনটা খুলে ফেললেন মিস গিলফ্রিস্ট। বাক্সের ভেতরে সুন্দর একটা কেক। কে পাঠাল, তিনি কার্ডটা পড়লেন। জন এবং মেরী লেখা, এরা আবার কারা। পদবী লেখে না কেন?

    .

    দশম পরিচ্ছেদ

    ০১.

    কেয়ারী থেকে গাড়ীটাকে বের করে সুসান আর্মে নিয়ে এল। ভেতরে বসে আছেন একজন বিদেশী ভদ্রলোক।

    আনন্দিত হয়ে মিস্ গিলক্রিস্ট বললেন, ওঃ তুমি ফিরে এসেছ, চিন্তা দূর করলে। তারপরে বলল, তুমি স্পগেটী খেতে পারবে তো? আমি ভেবেছি আজ রাতে–ঠিক আছে, যা ইচ্ছে করবেন। গিলক্রিস্ট কিছুক্ষণ পরে কফি নিয়ে এলেন, সুসানকে ওয়েডিং কেকের এক টুকরো দিল। সুসান কেক খেল না।

    কেকটা খুব ভালো, কেকটা খেতে খেতে গিলফ্রিস্ট বলল।

    সুসান জিজ্ঞাসা করল : আঙ্কল রিচার্ড মৃত্যুর আগে এখানে এসেছিলেন তাই না?

    হা এসেছিলেন।

    ঠিক কখন এসেছিলেন?

    ওর মৃত্যুর তিন সপ্তাহ আগে।

    ওকে কি অসুস্থ দেখাচ্ছিল?

    না তো, ওকে বেশ সুস্থ সবল ও হাসিখুসি মনে হয়েছিল।

    একটু থেমে সুসান বলল : যখন উনি মারা গেলেন আন্ট কোরা কি অবাক হয়েছিলেন?

    হা মৃত্যুটা বড় আকস্মিক ছিল তো?

    আঙ্কল রিচার্ড কি আন্টকে এমন কোনো কথা বলেছিলেন যাতে বোঝায় তিনি দুর্বল ও বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

    হা মিসেস ল্যান্স কোয়েনেট বলেছিলেন উনি খুব বৃদ্ধ হয়ে গেছেন এবং অথর্ব হয়ে পড়েছেন।

    সুসান বলল, আপনি ওদের কথাবার্তা শুনেছিলেন?

    না মিসেস ব্যাঙ্কস, দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে কথা শোনা আমার অভ্যেস নয়।

    হা ঐ চাকরদের তিনি সন্দেহ করতেন, মানে ওরাই ওকে বিষ দিয়ে দিচ্ছে–

    সুসান বলল, চাকর না হলে কোনো একজন লোক?

    আমি জানি না মিসেস ব্যাঙ্ক, আমি সত্যি জানি না। ওর চোখের দিকে লক্ষ্য করে সুসান বুঝতে পারল মিস গিলফ্রিস্ট ওর চেয়ে বেশি জানেন।

    সুসান একটু সহজ হয়ে বলল : আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?

    আমি অ্যান্টহুইসলকে বলেছি সবকিছু বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত আমি এখানে থাকবো।

    সুসান বলল, একটা কথা বলছি, আপনাকে তিন মাসের বেতন নিতে হবে।

    আপনার খুব দয়া, আপনাকে একটা প্রশংসা দিতে হবে যে আমি আপনার এক আত্মীয়ের কাছে সন্তোষজনক ভাবে কাজ করেছি।

    আমি বুঝতে পারছি না।

    কাগজে এই খুনের কথাটা বেরিয়েছিল। সবাই সেটা পড়েছে। লোকে ভাববে আমি মৃত মেয়ের সাথে ছিলাম। আমিই বোধহয় খুনী। তাতে আমাকে কেউ কাজ দেবে না। আমি এ ব্যাপারে খুব চিন্তিত। রাতে আমার ঘুম হয় না। মনে হয় আমি আর কোনোদিন কাজ পাব না।

    সুসান বলল, যদি ওরা খুনী ধরতে পারে, তাহলে কোনো সমস্যা থাকে না।

    হঠাৎ টেলিফোন বেজে উঠল।

    ফোন ধরল সুসান।

    হা হা আমি সুসান বলছি।

    হ্যালো ডার্লিং…..হা ঠিক আছে….অচেনা কারুর দ্বারা হয়েছে….স্বাভাবিক ব্যাপার…শুধু অ্যান্টহুইসল। কি? বলা কঠিন তবে আমার সে রকমই হয়..হ্যাঁ যেমন আমরা ভেবেছিলাম …হ্যাঁ একেবারে প্ল্যানমত…আমি স্টাফের সাথে দেখা করব….আমাদের দরকারে কিছুই নেই। গুড নাইট ডার্লিং।

    হঠাৎ সুসানের মাথায় একটা চিন্তা এল। নিশ্চয়ই, বিড়বিড় করে বলল, সেই জিনিসটাই। ফোন তুলে সে ট্রাঙ্ক এনকোয়ারী চাইল। পনের মিনিট পরে এক্সচেঞ্জ থেকে একটা অবসন্ন গলা বলল

    কোনো উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।

    ওদের রিং করে যান।

    দূরের একটা রিং শুনতে পেল সুসান, তারপর শব্দটা হঠাৎ থেমে গিয়ে একটা বিরক্ত পুরুষ কণ্ঠ শোনা গেল।

    কে বলছেন?

    আমি সুসান বলছি।

    ওহ সুসান তুমি, কি হয়েছে? এত রাতে ফোন করছ কেন?

    মড আন্টি কেমন আছে?

    এই জন্য ফোন করলে? মড খুব কষ্ট পাচ্ছে। আমরা বড় বিপদে পড়েছি।

    সেই জন্যই ফোন করলাম, তুমি কি মিস গিলফ্রিস্টকে রাখবে?

    কে সে?

    আন্ট কোরার সঙ্গী, খুব ভালো মহিলা।

    ভালো কথা, কিন্তু সে কখন আসবে?

    ধন্যবাদ, সুসান।

    ফোন রেখে সুসান রান্না ঘরে গেল।

    তুমি কি ইয়র্কশায়ারে আমার আন্টকে দেখাশোনা করতে পারবে। আন্ট পা ভেঙে ফেলেছেন। আঙ্কেল পঙ্গু। তুমি একটু রান্না-বান্না করতে সাহায্য করবে?

    ওহ মিসেস্ ব্যাঙ্ক আপনি খুব ভালো। আপনাকে ধন্যবাদ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }