Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১. প্রথম অঙ্ক–সন্দেহ

    থ্রি অ্যাক্ট ট্রাজেডী (এরকুল পোয়ারো সিরিজ) – আগাথা ক্রিস্টি

    প্রথম অঙ্ক–-সন্দেহ

    ০১.

    কুলায়

    সমুদ্র তীর থেকে চোখে পড়া পাহাড়ের ওপর পাখির নীড়ের মতো ছোট্ট বাড়ি কুলায়। একটি পায়ে চলা পথ সমুদ্র তীর থেকে উঠে গেছে, কুলারের দিকে। ধূসর রঙের ফ্লানেল ট্রাউজার্স আর সোয়েটার পরিহিত এক সম্ভ্রান্ত সুদর্শন চেহারার ভদ্রলোক ঐ পথ ধরে উঠে আসছেন। তার চেহারার বাঁধুনির জন্য বয়স ধরা মুশকিল। প্রথম দর্শনে তাকে নৌ বাহিনীর অফিসার বলে মনে হয়। আসলে তিনি হচ্ছেন বিখ্যাত অভিনেতা স্যার চার্লস কাটরাইট।

    চার্লসের দুজন অতিথি কুলারের বারান্দায় বসে ছিলেন। শিল্প রসিক ও নাট্যমোদী শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট এবং নামজাদা ডাক্তার স্যার বার্থালমিউ স্ট্রেঞ্জ চড়াই বেয়ে উঠে আসা চার্লসকে তারা দেখলেন। তারা নিজেদের মধ্যে স্যার চার্লসের অভিনয় জগৎ থেকে ফিরে এসে এই নির্জন সমুদ্রতীরে বসবাস করার কথা আলোচনা করছিলেন। প্রথমে তাদের ধারণা ছিল, চার্লস তার মঞ্চের নেশা, জনতার প্রশংসা এই সব কিছু থেকে দূরে বেশি দিন থাকতে পারবেন না। অথচ দুবছর এখানে কাটিয়ে দিয়ে প্রমাণ করে দিলো তাদের ধারণা ভুল।

    চার্লস কার্টরাইট এসে হাজির হলেন–আপনারা কেবল বসে বসে গল্প করুন। আমি আমার ছোট্ট নৌকোটা নিয়ে নিরুদ্দেশ যাত্রায় বেরিয়ে ছিলাম।

    নিরুদ্দেশ যাত্রায় একাই গিয়েছিলেন, না কি সঙ্গে কেউ ছিলেন? ডাক্তার জানতে চাইলেন।

    -না, সঙ্গে ঐ মেয়েটি, মানে শ্রীমতী লিটন গোর ছিলেন। জানো টলি, স্যার বার্থালমিউয়ের ডাকনাম হলো টলি, এই নির্জন জায়গাটা আমার ভীষণ ভালো লাগে। সারাদিন নৌকো করে ঢেউয়ের ওপরে ঘুরে বেড়ানো। তারপর সূর্যাস্তে কুলায়-এ ফিরে আসা। কেমন সরল অনাড়ম্বর জীবনযাত্রা।

    শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট ভাবছিলেন, শুধু কি আকাশ, বাতাস, আর সমুদ্র তাকে আকর্ষণ করে? না কি ঐ কিশোরী মেয়েটির জন্য জায়গাটা তার এত পছন্দ?

    শ্ৰীমতী মিলারি ঘরে এসে ঢুকলেন। চার্লসের হাতে একটা কাগজ ধরিয়ে দিলেন। কাগজটা দেখে নিয়ে সম্মতি জানিয়ে সেটা ফেরত দিলেন। খুশী মনে শ্রীমতী মিলারি চলে গেলেন।

    বছর ছয়েক আগে শ্রীমতী মিলারি চার্লসের সেক্রেটারি হিসাবে কাজে নিযুক্ত হয়েছিলেন। বর্তমানে ঘর গৃহস্থালির যাবতীয় ভার তার ওপর। তবে উনি কয়েকদিনের মধ্যে চলে যাবেন, কারণ তার মা নাকি অসুস্থ। অবশ্য গত ছ বছরের মধ্যে চার্লস তার মুখে মায়ের কথা একবারও শোনেননি।

    –ওঁর চলে যাওয়ার পেছনে নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে। স্যার বার্থালমিউ-এর ঠোঁটে হাসি। দুয়ে দুয়ে যে চার হয় সেটা তুমি জানো ঠিকই।

    –তুমি ভুল বলছো! ওর মুখের দিকে একবার তাকালে তৎক্ষণাৎ কামভাব মন থেকে উধাও হবে। প্রশংসনীয় তাঁর কর্মদক্ষতা, কিন্তু তাই বলে প্রেম চলে না।

    শ্ৰীমতী মিলারি আবার এসে ঢুকলেন।

    একটা কথা বলতে এলাম। আপনাদের সঙ্গে আমিও ডিনারে বসবো। কারণ অতিথির সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে তেরো। তেরো সংখ্যাটা অপয়া। তাই।

    – বেশ, আপনি বসবেন।

    শ্ৰীমতী মিলারি চলে গেলেন।

    –আপনার অতিথি যারা আসছেন তারা কারা? শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট জানতে চাইলেন।

    লণ্ডনের ব্রুক স্ট্রীটের বিখ্যাত পোশাকের দোকান অ্যামব্রোসাইন লিমিটেড-এর মালিক ক্যাপটেন ডেকার্স ও তার স্ত্রী। নাটক লেখিকা শ্রীমতী উইলস। শ্রীমতী এঞ্জেলার খাতিরে তাকে নিমন্ত্রণ করতে হয়েছে। স্থানীয় লোকদের মধ্যে আছেন যাজক শ্রীযুক্ত ব্যারিংটন ও তার স্ত্রী। লেডি মেরি গোর ও তার কন্যাও আসছেন, এই মেয়েটির সঙ্গে আমি নৌকো করে বেড়াতে গিয়েছিলাম। ম্যানডার্স নামে এক তরুণ সাংবাদিকও আসছে।

    –সাংবাদিক?

    –নিজেকে তাই বলে। লেডি মেরির বাড়িতে থাকে এবং তার কন্যার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বেড়ায়। লেডি মেরি তাকে খুব স্নেহ করেন তবে তাঁর মেয়ে তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয় না।

    শ্ৰীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট বুঝতে পারলেন চার্লসের বিরূপতার কারণ। ঐ সাংবাদিক ছোকরাটি হলো চার্লসের প্রণয় প্রতিদ্বন্দ্বী! চার্লসের মত ছেলেটির কোনো কিছুই নেই। কিন্তু ছেলেটির আছে যৌবন, যেটি আর ফিরে পাবে না চার্লস। সেই জন্য চার্লসের মনের কোণে ব্যথা প্রকাশ পাচ্ছে।

    –স্যার চার্লস, গুনতে আপনাদের মধ্যে যে কারো ভুল হয়েছে, শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট বললেন, অতিথির সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে বারো।

    একটু ভেবে চার্লস বললেন–ভুলেই গিয়েছিলাম একজনের কথা বলতে। তিনি হচ্ছেন এরকুল পোয়ারো, বিখ্যাত গোয়েন্দা। জাতে বেলজীয়।

    –বাড়িতে আবার সখ করে ডিটেকটিভকে ডাকা কেন বাপু। স্যার বাথালমিউ যে খুশী হতে পারেন নি বোঝা গেল। এক একটা মানুষ থাকে যাদের কপালে অঘটন ঘটেই আছে। এরকুল পোয়ারো মানুষটি ঠিক এইরকম। উনি যেখানে যাবেন সেখানেই একটা কাণ্ড ঘটবে। কি জানি বাপু, এখানেও কিছু ঘটবে বলে মনে হয়।

    যত সব আজগুবি ধারণা। চার্লস বললেন।

    তিনজনে হাসতে হাসতে ঘরে এসে ঢুকলেন।

    .

     ০২.

    দর্শকের ভূমিকায়

    সন্ধ্যার সময় ছোট্ট নীড় সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। অতিথিরা একে একে আসছেন। তাদের পানীয় পরিবেশন করা হচ্ছে।

    মানুষ দেখতে ভালোবাসেন শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট। পুরুষ-স্ত্রী দুই-ই। তিনি দেখছিলেন শ্ৰীযুক্ত ডেকার্সকে যার মধ্যে প্যারিসের কেশবিন্যাসের আধুনিকতম রীতির ছাপ লক্ষণীয়।

    অভিনেত্রী এঞ্জেনা সাট ক্লিফের সঙ্গে কথা বলছিলেন স্যার চার্লস। এককালে এই জুটির নামে নাট্যমোদী জনতা পাগল হয়ে যেতো।

    এঞ্জেলার বান্ধবী শ্রীমতী উইলস ঐদিকে বসে আছেন। এইসময়ে এসে ঢুকলেন সস্ত্রীক শ্রীযুক্ত ব্যারিংটন। মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হলেন লেডি মেরি গোর। তিনি এককালে সুন্দরী ছিলেন। প্রৌঢ়ত্বে হাজির হয়েও তার মুখের ঔজ্জ্বল্যের ঘাটতি হয়নি। মেয়ে হারমিয়োন যখন তিন বছরের তখন তিনি স্বামীকে হারান। তারপর তিনি চলে আসেন এইখানে।

    হারমিয়োন সুন্দরী না হলেও আকর্ষণীয়া। সাংবাদিক অলিভার ম্যানডার্সের সঙ্গে সে তখন কথা বলছিলো।

    ওদের দুজনকে আরো একজন লক্ষ্য করছিলেন। তিনি হলেন এরকুল পোয়ারো। কোনো এক অজ্ঞাত কারণে তার মুখ একটু বিষণ্ণ। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন তিনি।

    লম্বা চওড়া সৌম্য শান্ত চেহারা আট বছরের রেভারেণ্ড স্টিফেন ব্যারিংটনের। কিন্তু শ্ৰীযুক্তা ব্যারিংটন সুন্দরী হলেও সাজসজ্জায় অগোছালো ভাব।

    পরিচারিকা ট্রে নিয়ে এসে প্রত্যেকের সামনে পানীয়ের গ্লাস ধরলো। সকলেই একটি করে পাত্র তুলে নিলেন। শ্রীযুক্ত ব্যারিংটন নিলেন না। স্ত্রীর অনুমতি না পেলে তিনি কোনো কাজই করেন না। অগত্যা শ্রীযুক্তা ব্যারিংটন স্বামীকে পানীয় নেওয়ার কথা বললেন। স্ত্রী আজ্ঞা শিরোধার্য করে শ্রীযুক্ত ব্যারিংটন পানীয়ের গ্লাস হাতে তুলে নিলেন।

    ওদিকে শ্রীমতী হারমিয়োন ম্যানডার্সের সঙ্গে তুমুল তর্ক জুড়ে দিয়েছে। টুকরো টুকরো কথা শোনা গেল।

    –আমার মতো সাধারণ একটা মানুষের জন্যে তোমাকে ভাবতে হবে না। তোমার অনেক জ্ঞানবৃদ্ধ বন্ধু আছেন, তাদের কাছে যাও।

    জ্ঞান বৃদ্ধ। মানে জ্ঞানী এবং বৃদ্ধ। স্যার চার্লসের কথা বলছো?

    –আমি কারো নাম করিনি।

    করার প্রয়োজন নেই। তবে জেনে রেখো, ওঁর সঙ্গে তোমার তুলনা হয় না।

    স্যাটার্থওয়েট ওদের দেখে খুব খুশী হলেন। হারমিয়োন মেয়েটি যে কি। এমন সুন্দর, শান্ত ছেলে ওর পছন্দ হয় না। আশ্চর্য, মেয়েদের মহিমা বোঝা যায়!

    হঠাৎ একটা শব্দ শুনে স্যাটার্থওয়েট চমকে উঠলেন। শ্রীযুক্ত ব্যারিংটন চেয়ারের ওপর ঢলে পড়েছেন।

    শ্ৰীযুক্ত ব্যারিংটন, ডাক্তার, শিগগির এদিকে আসুন।

    স্যার বার্থালমিউ ধীরে ধীরে নামিয়ে রাখলেন শ্রীযুক্ত ব্যারিংটনের ধরে থাকা হাতটি। শ্ৰীযুক্তা ব্যারিংটনের দিকে বিষণ্ণ মুখে একবার তাকালেন। মুখ নিচু করে দ্বিধা কাটিয়ে বললেন। দুঃখিত। উনি মারা গেছেন।

    –টলি, তুমি এইভাবে পায়চারি করছিলেন গাউনটা চাপিয়ে নিলেন

    .

    ০৩.

     স্যার চার্লসের সংশয়

    এর পর কেটে গেছে কয়েকটা ঘণ্টা।

    অন্ধকার সমুদ্রতীর। অবসাদের শান্তি ঘিরে আছে শান্ত কুলায়কে। লেডি মেরি শোকগ্রস্তা ব্যারিংটনকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন। অতিথিরা সবাই যে যার ঘরে বসে আছেন।

    শ্ৰীযুক্ত স্যাটার্থওয়েটের শুতে ভালো লাগছিল না। মন ভারাক্রান্ত। আকস্মিক মৃত্যুর দৃশ্য মনকে ভীষণ খারাপ করে দেয়। এই বয়সে মৃত্যুর দৃশ্য সহ্য হয় না।

    এমন সময় দরজায় টোকা দিয়ে ঘরে এসে ঢুকলেন চার্লস।

    – আসবেন একটু ও ঘরে। কথা আছে। টলিও ওখানে আছে।

    –বেশ তো চলুন। স্যাটার্থওয়েট গায়ে ড্রেসিং গাউনটা চাপিয়ে নিলেন।

    অস্থিরভাবে ঘরের মধ্যে পায়চারি করছিলেন স্যার চার্লস।

    — টলি, তুমি এইভাবে এত আকস্মিক ভাবে এত দ্রুত কাউকে মারা যেতে দেখেছো?

    –আপনি কি এ ব্যাপারে কিছু সন্দেহ করছেন স্যার চার্লস? জিজ্ঞেস করলেন শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট।

    স্যার চার্লসের হয়ে জবাব দিলেন স্যার বার্থালমিউচার্লসের ধারণা, শ্রীযুক্ত ব্যারিংটনের মৃত্যু স্বাভাবিক নয়।

    শ্রীযুক্ত ব্যারিংটনের মৃত্যুতে আমরাও কম দুঃখিত হইনি। কিন্তু তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে আপনার যে ধারণা সেটা আর কারো কাছে বলবেন না। সেটা বিলকুল হতে পারে। শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট বললেন।

    স্যার বার্থলমিউয়েরও একমত এ ব্যাপারে। –দেখো চার্লস, স্যার স্যাটার্থওয়েট ঠিক কথাই বলেছেন। তোমার এই কথাটা নানান জনের কানে কানে পৌঁছে এমন একটা আকার ধারণ করবে ফলে তোমার শান্তি বিঘ্নিত হবে। তুমি চুপ করে থাকো। পুলিস যা বলে বলুক।

    –বেশ, তবে এইবার কি একটা সবিনয়ে নিবেদন করতে পারি?

    নিশ্চয়ই।

    –কথাটা হলো শ্রীযুক্ত এরকুল পোয়ারো অতিথি হিসাবে এখানে এসেছেন। স্যার চার্লস বলতে থাকেন। এখন শ্রীযুক্ত ব্যারিংটনের মৃত্যু রহস্য সম্পর্কে ওঁর মতামত জানতে চাইলে সেটা কি শিষ্টাচার সম্মত হবে?

    –আমার মনে হয় না, সেটা ঠিক কাজ হবে। শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট বলে উঠলেন, এমন সময় দরজায় মৃদু আওয়াজ।

    –আসতে পারি?

    –আরে এরকুল পোয়ারো। আসুন, আসুন, আমরা আপনার কথাই আলোচনা করছিলাম।

    –আপনাদের গল্পের মাঝখানে এসে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করলাম না তো?

    –মোটেই না, বসুন।

    –এবার সরাসরি কাজের কথায় আসা যাক। স্যার চার্লস বললেন, আজকের সন্ধ্যেবেলার ঘটনার মধ্যে কোনো গোলমাল আছে বলে কি আপনার মনে হয়?

    পোয়ারো ভুরু কুঞ্চিত করলেন।

    –আমার বন্ধুর ধারণা শ্রীযুক্ত ব্যারিংটন খুন হয়েছেন। তাই চার্লসের ইচ্ছা গ্লাস পরীক্ষা করা হোক।

    পোয়ারো একটু ভেবে বললেন হ্যাঁ, ভদ্রলোকের মৃত্যু আকস্মিকভাবে হয়েছিল। গ্লাস পরীক্ষা করা যেতে পারে। তবে সেটা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ভদ্রলোকের আত্মহত্যার সম্ভাবনা মোটেও ছিল না। আর যদি তার এমন ইচ্ছা থাকতো তাহলে নিশ্চয়ই এমন সুন্দর একটি পার্টি নষ্ট হতে দিতে চাইতেন না। ওঁর মতো অজাতশত্ৰু মানুষকে কেউ হত্যা করতেও চাইবে না।

    .

    ০৪.

    বিচিত্ররূপিণী

    শ্ৰীযুক্ত স্যাটার্থওয়েটের কাছে স্ত্রী চরিত্র আজও রহস্যের মধ্যে রয়ে গেছে। যৌবনে এজন্যে কম আপসোস তার ছিল না।

    হারমিয়োন-এর মধ্যে তিনি চিরযুগের বিচিত্ররূপিণী নারীর আধুনিক রূপটি প্রত্যক্ষ করলেন। সে স্পষ্ট বক্তা, ছলাকলা জানে না। আধুনিকা। প্রয়োজনে অক্লেশে ব্যবহার করে বলশালী অপভাষা। অথচ ধর্মপ্রাণা ও সরল মনের অধিকারিণী। কিন্তু তা বলে সে কি কম আকর্ষণীয়া, না কম রহস্যময়ী।

    সত্যি করে বলুন তো, শ্রীযুক্ত ব্যারিংটনের মৃত্যুটা আপনার রহস্যময় বলে মনে হয় না? সমুদ্রের ধারে বসে হারমিয়োন শ্ৰীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট প্রশ্ন করছিল।

    বয়েস হয়েছিলো তো…

    সার সাটার্থওয়েটের কথা শেষ না হতেই হারমিয়োন বলে ওঠে–থামুন, যত সব বাজে কথা। ডাক্তারগুলোও হয়েছে ধাপ্পাবাজ। ওঁরা কি বলেছে তা আমি জানি। একথা বলার জন্য ডাক্তার হওয়ার দরকার কি ছিল শুনি?

    শ্ৰীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট চুপ করে থাকেন।

    জানেন, শ্রীযুক্ত ব্যারিংটনকে আমি খুব শ্রদ্ধা করতাম। উনিও আমাকে স্নেহ করতেন। ওঁর স্ত্রীকেও আমি মায়ের মত দেখি। আর রীনের সঙ্গে ছেলেবেলায় খেলতাম। ওঁদের একমাত্র সন্তান, যুদ্ধের সময় মারা যায়। নিয়মিত বাইবেল পড়া শিখেছি আমি শ্রীযুক্ত ব্যারিংটনের কাছ থেকে। তিনি বলতেন, ধর্ম হলো মানুষের চিরন্তন আশ্রয়। ভাবতেও পারি না যে তিনি আজ নেই।

    অনেকক্ষণ দুজনেই চুপচাপ।

    –শ্রীযুক্ত ব্যারিংটনের মৃত্যু যে স্বাভাবিক নয়, তুমি বুঝলে কি করে?

    -ওটা হয়তো নিছক অনুমান। তবে একদিন আপনারা বুঝবেন যে আমরা ঠিকই বলেছিলাম।

    আমরা মানে?

    –আমি আর স্যার চার্লস। এবার আপনাকে একটা প্রশ্ন করি। স্যার চার্লস বিয়ে করেননি কেন?

    –তা জানি না। মুখে বললেন শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট। এদিকে মনে মনে বললেন, ফুলে ফুলে মধু খাওয়ার অফুরন্ত সুযোগ ছিল বলে।

    আরো কিছু কথাবার্তা হওয়ার পর হারমিনে প্রায় জোর করে শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েটকে তাদের বাড়িতে নিয়ে এলো।

    আসার সময় পথে হারমিয়োন একটি মাত্র কথা বললো–এরকুল পোয়ারোকে দিয়ে কোনো কাজ হবে না। বয়েস হয়েছে তো? ওঁর বুদ্ধির ধারা ভোতা হয়ে গেছে।

    সাবেকি রুচিতে সাজানো ওদের বাড়ি। শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েটের বেশ পছন্দ হলো।

    লেডি মেরি এগিয়ে এলেন।

    আমার মেয়ে নিশ্চয়ই আপনাকে খুব জ্বালিয়েছে?

    না না। আপনার মেয়ে খুব ভালো।

    –সেটা তো সব নয়। সহবত শিখতে হবে। সমাজে মেলামেশা করার যোগ্যতা লাভ করতে হবে। জানেন, ওকে দুবার লণ্ডনে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে ছেড়ে থাকতে পারে না। তাই চলে এসেছে। কিন্তু এই বয়সে ওর দেশ দেখা উচিত, মানুষ চেনা উচিত। আর মানুষ চিনতে না পারলে জীবনে, বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে অনেক বিপদ হতে পারে। আমার কেবল চিন্তা, হারমিয়োন ওর পাত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটা বড় রকমের ভুল না করে বসে। হয়তো দেখা গেল, প্রথম যে ছেলেটি ওর কাছাকাছি আসবে, শুধু প্রথম বলেই ও তাকে বিয়ে করতে চাইবে।

    –আপনি কি অলিভারের কথা ভাবছিলেন, লেডি মেরি?

    –ঠিক অনুমান করেছেন আপনি।

    –কিন্তু আপনার মেয়ে ওর বয়সের দ্বিগুণ বড়ো কাউকে যদি বিয়ে করে তাহলে আপনি নিশ্চয়ই আপত্তি করবেন?

    –সেটাই বেশি নিরাপদ আমার কাছে। কারণ তার সম্পর্কে আশা করায় খুব বেশি যদি কিছু না-ও থাকে তবে আশংকা করার কিছু নেই।

    লেডি মেরির জবাব শুনে শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট তাজ্জব বনে গেলেন।

    .

    ০৫.

    সকাল

    ঘরে উজ্জ্বল আলো। জানলার কাছে বাইরের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্যার চার্লস। শ্ৰীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট ঘরে ঢুকলেন।

    –কি লেডি মেরির বাড়ি গিয়েছিলেন?

    –হ্যাঁ, চমৎকার মানুষ ওঁরা।

    স্যার চার্লস চুপ করে রইলেন কয়েক মিনিট। তারপর হঠাৎ বলে উঠলেন–এখানে যদি না আসতাম তাহলে খুব ভালো হতো।

    স্যার চার্লসের জন্য করুণা অনুভব করলেন শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট। এতদিন তিনি অনেকের হৃদয় হরণ করেছেন, আজ তিনি নিজের হৃদয় হারিয়েছেন, কিন্তু হারমিনে তা গ্রহণ করেনি।

    এমন সময় টেলিফোন বেজে উঠলো। শ্ৰীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট রিসিভার তুললেন। হারমিয়োনের ফোন–স্যার চার্লসকে জানিয়ে দেবেন, শ্রীযুক্ত ব্যারিংটনের মৃত্যু রহস্য উদঘাটনের ব্যাপারে অলিভার আমাদের সাহায্য করুক। ডিনারের পর আমি ওকে নিয়ে আপনাদের ওখানে যাচ্ছি।

    স্যার চার্লসকে জানাতে তিনি আপত্তি করলেন না বটে কিন্তু তার মুখে বেদনার ছাপ ফুটে উঠলো, সেটা শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েটের দৃষ্টি এড়ালো না।

    ডিনারের পর হারমিয়েন আর অলিভার এসে হাজির হলো। যেমন উৎসাহ নিয়ে হারমিয়োন এই কাজে নেমেছিল তেমন উৎসাহই কারো মধ্যে দেখতে পেলো না। বোঝা গেল, একরম জোর করে সে অলিভারকে এখানে নিয়ে এসেছে। স্যার চার্লসের দিক থেকে কোনো সাড়া পাওয়া গেল না।

    প্রায় সাড়ে দশটা নাগাদ ওরা উঠলো। শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট ওদের বারান্দা পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন।

    হারমিনে সমানে অলিভারের সঙ্গে বগড়া করে চলেছে! ঝগড়ার সুবিধার জন্য বোধ হয়, ওকে আরো নিজের কাছে টেনে আনলো! জোর করে অলিভারের মাথাটা নিজের দিকে নামিয়ে আনলো। অলিভার তার সাধ্যমত বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট আবার ঘরে এসে ঢুকলেন।

    –স্যাটার্থওয়েট, স্যার চার্লসের কণ্ঠে বেদনার সুর। আমি ঠিক করে ফেলেছি। কাল ভোর হওয়ার আগেই, এই কুলায় এই সমুদ্রতীর ছেড়ে চলে যাবো। আপাতত দক্ষিণ ফ্রান্সে যাবো। কিন্তু কেউ জানে না, আমার কতখানি এখানে রেখে গেলাম।

    প্রথমে খুব বিস্মিত হলেন শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট। পরক্ষণে সেটা কাটিয়ে বললেন, তাহলে আমিও ভোরের গাড়িতে লণ্ডনে ফিরে যাই।

    না, আমার বিশেষ অনুরোধ, আপনি অন্ততঃ আর একটা দিন এখানে থাকুন! কুলায় ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় আমার বিদায় জানাবার কেউ তো তাহলে থাকবে না। এ আমি ভাবতে পারি না বন্ধু।

    কাল রাতে ভালো ঘুম হয়নি। সকালে সমুদ্রের ধারে পায়চারি করছিলেন শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েট, বাড়ির মালিক না থাকলেও পরিচারিকারা ঠিক মত কাজ করে চলেছে। মনে মনে ভাবছিলেন, বিকেলের গাড়িতে লণ্ডন ফিরে যাবে। জামার হাতায় টান পড়তেই পেছন ফিরে তাকালেন। বিষণ্ণ মুখে হারমিয়োন দাঁড়িয়ে।

    –স্যার চার্লস নাকি এখান থেকে চলে যাচ্ছেন? হারমিয়োন প্রশ্ন করলো।

    উনি চলে গিয়েছেন এখান থেকে!

    অস্ফুটে একটা কাতরোক্তি তার মুখ থেকে বেরিয়ে এলো। পরক্ষণে সে খণ্ডিতা নায়িকায় অবতীর্ণ হলো।

    –কোন কুত্তীটার সঙ্গে গেছে? সেই নাটক লিখিয়ে ধুমসীটার সঙ্গে না কি বেহায়া নটীটার?

    –কি যা তা রলছো? উনি চলে গেছেন তোমার জন্য হারমিয়োন।

    –আমি! আমার জন্য উনি চলে গেছেন! স্পল্পজড়িত কণ্ঠে সে বলে উঠলো। তারপর নিজের মনে বলতে থাকে, এখন কি করবো আমি? চিঠি লিখবো? পুরুষ মানুষের মতিগতি আমরা আধুনিকারা একটুও বুঝি না। ওদের মনে প্রেম সৃষ্টি করতে গিয়ে ঈর্ষা সৃষ্টি করি। ব্যর্থ, আমরা ব্যর্থ।

    সে বড় বড় চোখে তাকালো, শ্রীযুক্ত স্যাটার্থওয়েটের দিকে।

    –আপনার কথাই আমি ধরে নিচ্ছি। স্যার চার্লসের এখান থেকে চলে যাওয়ার জন্য আমি দায়ী। তবে আমি প্রতিজ্ঞা করছি, তাকে আমিই আবার এখানে ফিরিয়ে নিয়ে আসবো। দেখবেন, আমার কথার খেলাপ হবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }