Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. মিসেস লরিমার বাড়ি

    ১১.

    পোয়ারো এবার মিসেস লরিমার বাড়িতে এলেন। সুন্দর ছিমছাম বাড়ি। কলিংবেল টিপতেই এক বুড়ি দরজা খুলে দিল।

    সে জিজ্ঞাসা করল, কাকে চান?

    মিসেস লরিমাকে।

    তাকে ড্রয়িংরুমে বসিয়ে বুড়ি ঝি মিসেস লরিমাকে ডাকতে গেল। পোয়ারো ঘরটির দিকে নজর বুলিয়ে নিল। প্রাচীন বনেদি ঢঙের আসবাবপত্র। চেয়ারগুলোয় দামী কুশন পাতা। দেওয়ালে টাঙানো পুরানো আমলের ফটোগ্রাফ, টেবিলের ওপর ফুলদানিতে গোলাপ শোভা পাচ্ছে।

    মিসেস লরিমা ঘরে প্রবেশ করলেন। পোয়ারো মৃদু হেসে শান্ত কণ্ঠে বললেন, আমার বিশ্বস ম্যাডাম এই অযাচিত আগমনকে ক্ষমার চোখেই দেখবেন।

    কিন্তু এই আগমনের সঙ্গে আপনার পেশার কি সম্পর্ক আছে?

    পোয়ারো মাথা নাড়লেন। হ্যাঁ আছে।

    কিন্তু আমি আপনাকে দশ মিনিটের বেশি সময় দিতে পারব না, আর তাছাড়া শখের গোয়েন্দার প্রশ্নের উত্তর দিতে আমি বাধ্য নই, মিসেস লরিমা বললেন।

    মিঃ পোয়ারো উত্তর দিলেন, দশ মিনিটই যথেষ্ট।

    যে ঘরে মিঃ শ্যাতানা নিহত হন, সে ঘরের একটা বর্ণনা আমায় দিতে পারেন?

    গোটা কতক কাঁচের ফুলদানি ছিলো, আধুনিক ডিজাইনের দেখতে ও বেশ সুন্দর একগুচ্ছ ছোট ছোট রক্তিম টিউলিপ ফুল। ঘরটা এত বেশি জিনিষপত্রে ঠাসা যে প্রথম ঢুকে মনে হয়েছিল কোনো যাদুঘরে এসে পৌঁছেছি।

    অল্প থামলেন লরিমা, আমি হয়তো আপনার কোনো কাজেই লাগতে পারলাম না। খুবই দুঃখিত, মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করিনি।

    আর একটা প্রশ্ন বাকি আছে, পোয়ারো ব্রীজের স্কোরশীটগুলো বার করে টেবিলের ওপর রাখলেন।

    লরিমা কাগজগুলো নিয়ে দেখলেন, এটা হলো প্রথম রাবার তখন আমার পার্টনার ছিলেন মিস মেরিডিথ। অপরপক্ষে ডাক্তার রবার্টস আর মেজর ডেসপার্ড। প্রথম ডিলে আমরা চারটে স্পেড ডেকেছিলাম। পরের তাসে দুটো ক্লাব ডাকা হয়েছিলো। তৃতীয় ডিলে খুব বেশি ডাকাডাকি চলে। আমার মনে আছে মিস মেরিডিথ পাস দিলে একটা হার্ট দিয়ে মেজর ডেসপার্ড ডাক শুরু করেন। আমি পাস দিলাম। ডাক্তার রবার্টস বীড দেন তিনটে ক্লাব। মিস মেরিডিথ মুখ খোলেন, তিনি ডাকেন স্পেড। মেজর ডেসপার্ড বলে চারটে ডায়মণ্ড। আমি ডবল দিই। ডাক্তার রবার্টস গোড়ার হার্ট রঙে ফিরে যান। কিন্তু চারটে হার্টসে একটা ডাউন দেন।

    পোয়ারো সপ্রশংস কণ্ঠে বললেন, কি অদ্ভুত স্মৃতিশক্তি!

    মিসেস লরিমা এবার উঠে দাঁড়ালেন, কিছু মনে করবেন না আমি এক্ষুনি বেরোব আর দেরি করা উচিত হবে না।

    নিশ্চয় নিশ্চয়, আপনাকে দেরি করিয়ে দেবার জন্য সত্যিই আমি দুঃখিত।

    পোয়ারো উঠে দাঁড়িয়ে করমর্দন করলেন। এবং রাস্তায় পা দিলেন।

    .

    ১২.

    অনেক কষ্টে শ্ৰীমতী অলিভার গাড়ি থেকে রাস্তায় নামলেন। এত অপরিসর জায়গায় গাড়ি থেকে নামতে উঠতে খুবই কষ্টকর–এইসব ভাবতে ভাবতে বিরক্তিতে তার মন ভরে উঠল। তার হাতব্যাগের মধ্যে গুটিকতক ম্যাপ, গোটা তিনেক রহস্য উপন্যাস এবং কিছু আপেল। গাড়ি থেকে নেমে তিনি ধীরে ধীরে ওয়েনডন কুটিরের দিকে এগোলেন।

    শ্ৰীমতী অলিভার অ্যানা মেরিডিথের বাড়িতে এলেন, ভালো আছেন তো, মিস মেরিডিথ? আমাকে চিনতে পারছেন নিশ্চয়?

    নিশ্চয় পারছি! অ্যানা মেরিডিথ করমর্দনের জন্যে দ্রুত হাত বাড়িয়ে দিলেন। কিন্তু তার চোখের তারায় পলকের জন্যে একটা আতঙ্ক ফুটে উঠলো। যাইহোক সংযত হয়ে বলে উঠলেন, এই হচ্ছে আমার বন্ধু মিস দোয়স আমরা দুজনে একসঙ্গে থাকি।

    শ্ৰীমতী অলিভার মাথা নাড়লেন, তারপর মেরিডিথের দিকে ফিরে বললেন, আমার অনেক কথা আছে কোথাও বসতে পারলে ভালো হতো।

    নিশ্চয় চলুন, ড্রয়িংরুমে গিয়ে বসি। শ্রীমতী অলিভার একটি সৌখিন চেয়ারে গিয়ে বসলেন। এবার কোনো ভূমিকা না করে বললেন, গতদিনের সেই নৃশংস খুনটার সম্পর্কে আলোচনা করতেই আজ এখানে এসেছি। আমাদের এ ব্যাপারে কিছু করা উচিত। তিনি দৃঢ়স্বরে ঘোষণা করলেন, এই হত্যা ডাক্তার রবার্টসই করেছেন। এখন শুধু মাথা ঠান্ডা রেখে প্রমাণ খুঁজে বার করতে হবে।

    কিন্তু সেটা কি উপায়ে? সংশয়ের সুরে মনের ভাব ব্যক্ত করলেন মেরিডিথ।

    শ্ৰীমতী অলিভার বললেন, আপনি নিশ্চয়ই চান না আপনাকে কেউ খুনী বলে সন্দেহ করুক।

    মেরিডিথ শান্ত কণ্ঠে বললেন, আমি এখনো বুঝে উঠতে পারছি না আপনি কেন আমার কাছে এসেছেন।

    তার কারণ, আমার মতে অন্য দুজনের সম্বন্ধে কোনো প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু একজন সুন্দরী তরুণীর কথা সম্পূর্ণ আলাদা। তার নামে বাজে কথা রটলে অনেক খেসারত দিতে হবে। আর মেজর ডেসপার্ড তো পুরুষমানুষ আত্মরক্ষায় যথেষ্ট সক্ষম। যত চিন্তা কেবল আপনাকে নিয়ে।

    আপনি সত্যিই ভারি দয়ালু!

    ব্যাপারটা খুবই সঙ্কটময়। রোডা মন্তব্য করলেন।

    নিশ্চয়ই সে কথা আর বলতে? শ্রীমতী অলিভার উত্তেজিত হয়ে বললেন। এইরকম প্রত্যক্ষ খুনের সংস্পর্শে ইতিপূর্বে আমি কোনোদিন আসিনি।

    মিস কৌতূহলী হয়ে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়লেন, আচ্ছা, আপনি এই কর্তৃত্বে থাকলে কি করতেন?

    আমি সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার রবার্টসকে গ্রেপ্তার করতাম।

    তা ঠিক! আচ্ছা কেনই বা ডাক্তার রবার্টস মিঃ শ্যাতানাকে খুন করতে যাবেন? এ বিষয়ে আপনার কি ধারণা?

    শ্ৰীমতী অলিভার বললেন, অসংখ্যা ধারণা আমার। যেমন শ্যাতানা হয়তো রবার্টসের কোনো না কোনো আত্মীয়াকে পথে বসিয়েছিলেন। রবার্টস তার প্রতিশোধ নিলেন। আবার এমনও হতে পারে মিঃ শ্যাতানা হয়তো ডাক্তার রবার্টসকে অনেক টাকা ধার দিয়েছিলেন। এখন সেটা পরিশোধ করে দিতে বলেছিলেন সেইজন্য ডাক্তার রবার্টস খুন করেছেন। অথবা রবার্টস হয়তো গোপনে দুটি বিয়ে করে থাকবেন। শ্যাতানা হয়তো সেটা জানতে পেরে গেছেন। এই কারণে আরও দৃঢ় বিশ্বাস ডাক্তার রবার্টসই মিঃ শ্যানার হত্যাকারী।

    ডাক্তার রবার্টস কোনো পেশেন্টকে বিষাক্ত ওষুধ খাইয়ে মারতে কোনো অসুবিধাই ভোগ করবেন না।

    ইতিমধ্যে অ্যানা কথার মাঝখানে হঠাৎ চেঁচিয়ে উঠলেন, মিঃ শ্যাতানা একবার কথা প্রসঙ্গে ল্যাবরেটরির বিষয়ে কি একটা মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এমন ধরনের অনেক বিষ আছে যা নাকি ডাক্তারী পরীক্ষাতেও ধরা পড়ে না।

    বাইরের বাগানে কার পদশব্দ পাওয়া গেলো। শ্রীমতী অলিভার ঘাড় ফিরিয়ে সেদিকে তাকালেন। দেখা গেলো মেজর ডেসপার্ড মন্থর পদক্ষেপে এগিয়ে আসছেন।

    .

    ১৩.

    মেজর ডেসপার্ড একটু লাজুক ভঙ্গিতে বললেন, আসময়ে আপনাকে বিরক্ত করবার জন্য আমি খুবই দুঃখিত, মিস মেরিডিথ। এই পথ দিয়ে যাচ্ছিলাম, তাই ভাবলাম আপনার সঙ্গে দেখা করে যাই।

    না না, আপনার বিচলিত বোধ করবার কোনো কারণ নেই। অ্যানা বললেন, এই আমার বন্ধু রোডা।

    রোডা করমর্দন করলেন ডেসপার্ডের সঙ্গে। আপনারা ভেতরে বসুন আমি চায়ের ব্যবস্থা করি। শ্রীমতী অলিভার মন্তব্য করলেন, কি আশ্চর্য যোগাযোগ, আবার আমাদের দেখা হয়ে গেল!

    ডেসপার্ড ধীরে ধীরে মাথা নাড়লেন। শ্ৰীমতী অলিভার রহস্যময় কণ্ঠে বললেন, আমার বিশ্বাস, ডাক্তার রবার্টসই খুন করেছেন।

    তিনজনই চুপচাপ, ঘরের মধ্যে গুমোট আবহাওয়া। ইতিমধ্যে রোডা চা নিয়ে ঢুকলেন, আতিথেয়েতার জন্য ধন্যবাদ। আমার কার্ড রইল লণ্ডনে গেলে আমার সঙ্গে দেখা করবে, তখন সমাধানের পথ খোঁজা যাবে।

    রোডা বললেন, চলুন গেট পর্যন্ত আপনাদের এগিয়ে দিয়ে আসি।

    অ্যানা হাত বাড়িয়ে অলিভারের সঙ্গে করমর্দন করলেন, শ্ৰীমতী অলিভার তার গাড়িতে স্টার্ট দিলেন। রোডা হাসিমুখে হাত নেড়ে তাকে অভিবাদন জানালেন।

    রোডা হাসিমুখে বললেন, ভদ্রমহিলা খুব মজার তাই না? আমার খুব ভালো লাগলো আলাপ করে। উনি খুব বুদ্ধিমতী তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

    কিন্তু উনি কি উদ্দেশ্যে এখানে এসেছিলেন?

    অ্যানার কণ্ঠে চিন্তার সুর বাজে।

    রোডা বিস্মিত দৃষ্টিতে বন্ধুর দিকে ফিরে তাকালেন, কেন! উদ্দেশ্যের কথা তো স্পষ্ট ভাষাতেই ব্যক্ত করলেন।

    ওদিকে মেজর ডেসপার্ড ঘরে বসে অপেক্ষা করছেন। অহেতুক দেরির জন্য অ্যানা ক্ষমা চাইলেন।

    মিস মেরিডিথ, এখন অত লৌকিকতার অবসর নেই। আমার আগমনের উদ্দেশ্যটা আপনাকে বুঝিয়ে বলি, কথাটা বলা হয়তো অশোভন হবে, কিন্তু আমার মনে হলো পৃথিবীতে আপনাকে সাহায্য করবার কেউ নেই। যদিও আমি জানি মিস দোয়াস আপনার দুর্লভ বন্ধু। তবু পুলিসের চোখে মিস মেরিডিথ সন্দেহভাজন ব্যক্তি, যাই যদি আপত্তি না থাকে তবে আমার সলিসিটর মিঃ মেহনের সঙ্গে কথা বলে দেখতে পারেন।

    অ্যানার চোখমুখ বিবর্ণ হয়ে উঠলো, সত্যিই এর কি কোনো প্রয়োজন আছে?

    আমি বলব নিশ্চয় আছে, আইনের কত মারপ্যাঁচ আছে।

    রোডা বললেন– এই নোংরা ঘটনাটা অ্যানাকে শেষ করে দেবে।

    মেজর ডেসপার্ড ঘাড় সায় দিলেন, সত্যিই পাশবিক কাণ্ড! বিশেষ করে অল্পবয়সী তরুণীকে এর মধ্যে যদি টানা হয়।

    রোডা আচমকা প্রশ্ন করলেন, আপনার কাকে সন্দেহ হয়? ডাক্তার রবার্টস না মিসেস লরিমা?

    ডেসপার্ডের উত্তর, প্রমাণ না পেলে কোনো কিছুই বলা সম্ভব নয়।

    রোডা সায় দিলো, আপনার কথা অস্বীকার করবো না। আচ্ছা সুপারিন্টেন্টে ব্যাটেল কিরকম লোক?

    তিনি খুব বিচক্ষণ ব্যক্তি, কর্মদক্ষতাও অসাধারণ। ডেসপার্ড এবার উঠে দাঁড়ালেন, এবার আমি বিদায় নেবো।

    অ্যানাও আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে করমর্দনের জন্যে হাত বাড়ালেন।

    এবার অ্যানা একা ডেসপার্ডকে এগিয়ে দিতে গেলেন, যখন ফিরে এলেন রোডা তখন খোলা জানালার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

    শ্ৰীমতী অলিভারকে আমার একদম পছন্দ হয় না, ওঁকে দেখার পরেই মনে কেমন খটকা লেগেছে। গোপন কি উদ্দেশ্য নিয়ে যে উনি এখানে এসেছিলেন…?

    মেয়েরা তো মেয়েদের সন্দেহ করবেই, এতো চিরকালের প্রথা! মেজর ডেসপার্ডও তো মাথায় কোনো মতলব নিয়ে এখানে আসতে পারেন?

    নিশ্চয় না অ্যানা প্রতিবাদ করলেন, কিন্তু রোডা দেখেই লজ্জায় লাল হয়ে উঠলেন।

    .

    ১৪.

    মিঃ ব্যাটেল মিস মেরিডিথের সঙ্গে দেখা করবার আগে তিনি এই অঞ্চলের আরো লোকের সঙ্গে দেখা করেছেন। আর এখানে আসার মূল উদ্দেশ্য অ্যানার সম্বন্ধে খবর সংগ্রহ করা।

    মিঃ ব্যাটেলের পক্ষে এই কাজটা কষ্টসাধ্য নয়। তিনি প্রকৃত পরিচয় সর্বদা গোপন করে নানারকম খবর সংগ্রহ করেন। এই মুহূর্তে তিনি একজন বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানির লোক বলে পরিচয় দিয়েছেন।

    ওয়েনডন কুটিরের কথা বলছেন? হ্যাঁ ঠিকই, সার্জারি রোডের ওপর, গেলেই আপনার নজরে পড়বে। ওখানে দুজন তরুণী বাস করেন একজন মিস দোয়স অপরজন মিস মেরিডিথ। দুজনে খুব ভালো মেয়ে, কথা প্রসঙ্গে মিঃ ব্যাটেল অবশেষে মিসেস অসওয়েলের সন্ধান পেলেন, তিনি ঐ কুটিরে ঠিকের কাজ করেন। ওয়েনডনকে জিজ্ঞাসা করতেই তিনি বললেন, মেয়ে দুটির স্বভাবচরিত্র খুব ভালো, সবসময় নিজেদের মধ্যে হাসিঠাট্টায় মেতে আছে।

    মিঃ ব্যাটেল সম্ভাব্য সমস্ত স্থানেই ঘুরে বেড়ালেন। এদিক ওদিক থেকে খবর যা সংগ্রহ করলেন তাও খুব নিরাশ হবার মতো নয়। সমস্ত তিনি মনের মধ্যে গেঁথে রাখলেন। মাঝে মধ্যে দু-একটা রহস্যময় কথাও টুকে নিলেন তার ডায়েরীতে।

    অবশেষে সন্ধ্যে আটটা নাগাদ কুটিরে হাজির হলেন। বেল টিপতেই একটি দীর্ঘাকৃতি মেয়ে এসে দরজা খুলে দাঁড়ালেন। পরনে কমলা রঙের ফ্রক। তন্বী এবং সুন্দরী।

    মিস মেরিডিথ কি এখানে থাকেন? প্রশ্ন করলেন ব্যাটেল। তাকে বেশ গম্ভীর বলে মনে হলো।

    হ্যাঁ…আপনি…?

    দয়া করে তাকে গিয়ে বলুন, মিঃ ব্যাটেল একবার দেখা করতে চান।

    আসুন, ভেতরে আসুন।

    মিস দোয়সের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটেল ভিতরে প্রবেশ করলেন। মিঃ ব্যাটেল দেখা করতে এসেছেন, রোডা অ্যানাকে জানিয়ে দিলেন। অ্যানা এগিয়ে এসে করমর্দন করলেন।

    তদন্তের কাজ কতদূর এগিয়েছে? তেমন আশাপ্রদ কিছু জানতে পারলেন?

    খুব আশাপ্রদ বলা যায় না তবে এগোচ্ছে। আমরা ডাক্তার রবার্টসের কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখেছি। মিসেস লরিমার সঙ্গেও কথাবার্তা হয়েছে, এখন শুধু আর মেজর ডেসপার্ড বাকি।

    বলুন কি জানতে চান, অ্যানা মৃদু হেসে বললেন।

    এই আপনার আত্মপরিচয় আর কি।

    আমি নিজেকে ভদ্র সভ্য বলেই জানি। আমার জন্ম হয়েছিলো ভারতবর্ষের এক শহরে। কোয়েট্টায়। আমার বাবা মেজর মেরিডিথ। এগারো বছর বয়সে মা গত হলেন। বাবা যখন অবসর নিলেন আমার বয়স তখন পনেরো। আঠারো বছর বয়সে বাবা মারা যান। এরপর একটা চাকরি নিতে বাধ্য হলাম।

    আচ্ছা মিঃ শ্যাতানার সঙ্গে কিভাবে আপনার পরিচয় হলো?

    অ্যানা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। বলার মতো কিছু নেই, হোটেলের অন্যান্য ট্যুরিস্টদের সঙ্গে যেভাবে আলাপ হয় সেই রকমই। মিঃ শ্যাতানাকে আমি একদম পছন্দ করতাম না। কিন্তু তিনি আমার প্রতি খুবই ভদ্র ব্যবহার করতেন। এই মাত্রাতিরিক্ত ভদ্রতাই আমার অস্বস্তির কারণ।

    আচ্ছা এবার আমি উঠি, শুভরাত্রি বলে মিঃ ব্যাটেল বিদায় নিলেন।

    চেয়ারে বসে অ্যানা অলসভাবে হাই তুললেন।

    .

    ১৫.

    মেজর ডেসপার্ড হোটেল থেকে বেরিয়ে বাস স্টপেজে এসে দাঁড়ালেন তারপর একটা চলন্ত বাসে উঠে পড়লেন।

    জানলার ধারে একটা সীট দখল করলেন।

    ডেসপার্ড বসে আছেন ইতিমধ্যে তিনি দেখলেন মঁসিয়ে পোয়ারে বসে আছেন। হাসিমুখে ডেসপার্ড ও মিঃ পোয়ারো কিছু কুশল বিনিময়ের পর আসল কথায় এলেন।

    মেজর ডেসপার্ড বললেন, আপনার রেকর্ড তো মারাত্মক রকমের ভালো।

    আচ্ছা মিঃ শ্যানার খুনের বিষয় কি তদন্ত করছেন?

    না সরকারী ভাবে কেউ আমাকে নিয়োগ করেনি কিন্তু তবুও আমি নিজে থেকে কেসটা নিতে বাধ্য হয়েছি, কারণ হত্যাকারী আমার ক্ষমতাকে যে ব্যঙ্গ করে, এই ঘটনা তারই প্রকাশ।

    কেবল আপনাকেই নয় গোটা স্কটল্যাণ্ড ইয়ার্ডের চোখের সামনে এই অপকীর্তি সাধিত হয়েছে।

    ঠিক, আপনার মতো একজনকেই আমি খুঁজছিলাম, যার নজর তীক্ষ্ণ এবং স্মৃতিশক্তিও প্রখর। ডাক্তার রবার্টসকে আমি একটা প্রশ্ন করেছিলাম, কোনো ফল পাইনি। মিসেস লরিমাও আমায় হতাশ করেছেন। এবার আপনাকে চেষ্টা করে দেখি।

    আচ্ছা মিঃ ডেসপার্ড, আমাকে সেই ঘরের একটা যথাযথ বিবরণ দিন, যে ঘরে মিঃ শ্যাতানা খুন হয়েছিলেন।

    ডেসপার্ড হতাশভাবে বললেন, বিশেষ নজর দিয়ে দেখিনি…গোটাগতক ভালো জাতের কম্বল, কতগুলি মূর্তি, কিছু ছবি, একটি কৃষ্ণসার হরিণের মাথা ইত্যাদি।

    মিঃ শ্যানার বনে জঙ্গলে গিয়ে শিকারের নেশা ছিল বলে আপনার নিশ্চয় মনে হয় না।

    তিনি সেরকম পাত্রই নন, ঘরে বসে দাবা খেলা ছাড়া আর কিছুই খেলতেন না।

    সেদিনের ব্রীজ খেলার কথা আপনার কিছু মনে আছে কি? মেজর ডেসপার্ড, ব্রীজ কি আপনি বেশি খেলেন?

    না সেরকম কিছু মনে নেই আর ব্রীজ খেলা আমি ক্বচিৎ কদাচিৎ খেলি এই খেলায় যথেষ্ট বুদ্ধি দরকার।

    পোয়ারো চিন্তামগ্ন কণ্ঠে বললেন, মিঃ শ্যাতানা তাসে তেমন আসক্ত ছিলেন না। একটা খেলায় তার উৎসাহ ছিল সেটা লোককে ভয় দেখানো।

    ডেসপার্ড ঈষৎ বিব্রত হয়ে পড়লো। তিনি বললেন, এক হিসেবে তাকে ব্ল্যাকমেলার বলাই যুক্তসঙ্গত। এইজন্যেই প্রতিফলে তিনি মৃত্যুবরণ করলেন।

    মিঃ পোয়ারো বললেন, তিনি মেয়েদের মনের গতিপ্রকৃতি ভালোভাবে বুঝতেন, তিনি তাদের গোপন কথা বার করার জন্য অনেক কৌশল অবলম্বন করতেন।

    ডেসপার্ড অধৈর্য হয়ে বলে উঠলেন, সত্যিই অবিশ্বাস্য। লোকটা ছিলো পর্বতপ্রমাণ নির্বোধ। কথা বলতে বলতে ডেসপার্ড উঠে দাঁড়ালেন, তারপর বললেন, আচ্ছা আমার স্টপেজ এসে গেছে আবার দেখা হবে মিঃ পোয়ারো।

    দ্রুত পায়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে গেলেন ভদ্রলোক।

    পোয়ারো জানলা দিয়ে তাকিয়ে দেখলেন মেজর ডেসপার্ড লম্বা লম্বা পা ফেলে ফুটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

    .

    ১৬.

    সার্জেন্ট ওকোনার দেখতে শুনতে খুবই সুদর্শন। চওড়া, কাঁধ, দীর্ঘ দেহ, দুচোখে অকপট হাসির উচ্ছ্বাস। মেয়েরা তাকে দেখে প্রেমে পড়ে যেত। তার ফলে সে সহজেই কাজ উদ্ধার করতে পারত।

    মিঃ শ্যাতানার খুনের চারদিন পর তাকে এলিসা ব্যাটেলের পাশের চেয়ারে বসে থাকতে দেখা গেছে।

    এইমাত্র রাস্তা দিয়ে এক ভদ্রলোক গেলেন তাকে দেখতেই আমার পুরানো মনিব মিঃ ক্র্যাডকের কথা মনে পড়ে গেলো।

    এলিসা কৌতূহলী হয়ে বলল, আমিও এক ক্র্যাডক দম্পতির বাড়ি কাজ করেছি। তাহলে আমরা একই বাড়িতে কাজ করেছি, ভদ্রমহিলা খুবই ঝামেলা পাকাতেন। তার সঙ্গে ডাক্তার রবার্টসের নাম জড়িয়ে অনেক রসালো খবর রটেছিলো। ডাক্তার ভদ্রলোক অতিশয় ভদ্র তিনি মিসেস ক্র্যাডককে পেশেন্ট হিসাবেই দেখতেন। মিঃ ক্র্যাডক অ্যানথ্রক্স রোগে মারা গিয়েছিলেন। সে সময় মিসেস ক্র্যাডক খুবই স্বামীর সেবা করেছিলেন। ডাক্তার রবার্টস যখন মিঃ ক্র্যাডক বেঁচেছিলেন তখন ক্র্যাডক দম্পতির বাড়িতে আসাযাওয়া করতেন কিন্তু তিনি মারা যাওয়ার পর আর আসেননি। মিসেস ক্র্যাডক হঠাৎ সমস্ত কিছু বিক্রী করে মিশরে চলে যান।

    তা ঠিক, ওকোনার ঘাড় নেড়ে সায় দিলেন। ভদ্রমহিলা সেখানেই মারা যান।

    .

    ১৭.

    রোডা মনস্থির করল শ্ৰীমতী অলিভার তো তাকে দেখা করবার জন্য নিমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছেন, তবে কোনো সঙ্কোচ না করে শ্রীমতী অলিভারের বাড়ি যাওয়া যাক। এইসমস্ত চিন্তা করতে করতে রোডা রাস্তায় অনেকক্ষণ কাটিয়ে দিলেন। হাতে বাঁধা রিস্টওয়াচের দিকে নজর দিলেন, সাড়ে তিনটে বাজে, কারোর সঙ্গে দেখা করবার পক্ষে উত্তম সময়।

    ফুট পেরিয়ে শ্রীমতী অলিভারের ফ্ল্যাটের সামনে এসে দাঁড়ালেন রোডা। হাত বাড়িয়ে কলিংবেলের বোতাম টিপলেন।

    একজন মধ্যবয়স্কা মহিলা এসে দরজা খুলে দিলো।

    মিসেস অলিভার কি বাড়িতে আছেন?

    আসুন ভেতরে আসুন।

    রোডা দরজা পেরিয়ে ভেতরে ঢুকলেন। প্রৌঢ়া দাসীর পেছন পেছন সরু বারান্দা পেরিয়ে শ্ৰীমতী অলিভারের ঘরের মধ্যে এসে দাঁড়ালেন। তার মনে হলো বুঝি আফ্রিকার জঙ্গলে এসে পড়েছেন। সারা ঘর জুড়ে নানারকম পাখির মেলা। টেবিলের সামনে একটা চেয়ারে শ্রীমতী অলিভার বসে আছেন। তার চুল উস্কোখুস্কো।

    আরে রোডা যে। এসো এসো তোমাকে দেখে খুব খুশী হলাম।

    আমি বোধহয় হঠাৎ এসে আপনাকে বিরক্ত করলাম, রোডা বিব্রত কণ্ঠে বললেন।

    আরে না না, তোমাকে অতো ব্যস্ত হতে হবে না। শ্রীমতী অলিভার সহজভাবে বললেন, আমি অবশ্য লেখার কাজে মগ্ন ছিলাম।

    রোডা অপ্রস্তুত হয়ে বললেন, বসে বসে একটা উপন্যাস লিখে ফেলা নিশ্চয়ই চমৎকার ব্যাপার।

    শ্ৰীমতী অলিভার ব্যাজার মুখে বললেন, না, ব্যাপারটা কিন্তু সহজ নয়। লেখবার আগে, অনেক ভাবতে হয় আর এই ভাবনাটা খুবই ক্লান্তিকর।

    কিন্তু বাইরে থেকে দেখলে তেমন কঠিন বলে মনে হয় না।

    তোমার কাছে তা মনে না হবারই কথা, হাসিমুখে উত্তর দিলেন অলিভার; তোমার জন্য কফির বন্দোবস্ত করি।

    দাসীকে ডেকে কফির অর্ডার দিলেন, তারপর ফিরে এসে মেরিডিথের কথা জিজ্ঞাসা করলেন।

    রোজা বললেন, মেজর ডেসপার্ডের সঙ্গে মেরিডিথ সলিসিটরের কাছে গেছে। অ্যানা খুবই নার্ভাস হয়ে পড়েছে এই ঘটনার দরুন। সে আরও একবার এইরূপ সাংঘাতিক পরিস্থিতির মধ্যে জড়িয়ে পড়েছিলো। অ্যানা খুব স্পর্শকতার, কোনো কিছুর সম্মুখীন হতে ও খুব ভয় পায়।

    শ্রীমতি অলিভার শান্ত ভাবে মাথা নাড়লেন এবং বললেন, তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি সাহসী কিন্তু অ্যানার এই সাহসের একান্ত অভাব।

    রোডা বিনীত কণ্ঠে বললেন, আপনাকে যা বললাম সেটা কিন্তু অ্যানার কাছে ফাঁস করে দেবেন না। এইসব বিষয়ে আলোচনা ও খুব অপছন্দ করে।

    শ্ৰীমতী অলিভার নিশ্চিন্ত করলেন রোডাকে–তোমার চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমি বলবো না তোমার বন্ধুকে।

    টোস্ট আর কফি খেয়ে উঠে দাঁড়ালেন রোভা, এমনভাবে আচমকা হানা দিয়ে হয়তো আপনার কাজের ক্ষতি করলাম আর বেশি বিরক্ত করব না।

    শুভ রাত্রি…বলে রোডা বিদায় নিলেন।

    .

    ১৮.

    মিসেস লরিমা দরজা পেরিয়ে পা-বাড়ালেন রাস্তায়। তার সারা মুখে এক অদ্ভুত অভিব্যক্তির ছাপ।

    ঠিক সেই মুহূর্তে বিপরীত দিকের ফুটপাতে অ্যানা মেরিডিথের ওপর তার দৃষ্টি পড়লো। মিসেস লরিমা সামান্য ইতস্ততঃ করলেন। তারপর রাস্তা পেরিয়ে এগিয়ে গেলেন, কেমন আছেন, মিস মেরিডিথ?

    অ্যানা চমকে ফিরে তাকালেন, ওঃ, আপনি! অনেকদিন বাদে আবার দেখা হলো।

    মিস মেরিডিথের দৃষ্টি তখনো সেই ফ্ল্যাটবাড়ির দিকে নিবদ্ধ।

    মিসেস লরিমা প্রশ্ন করলেন, ওদিকে ঘন ঘন তাকাচ্ছেন কেন?

    অ্যানা ধরা পড়ে যাওয়ার কণ্ঠে বললেন, না, না, ও কিছু নয়। তেমন কোনো প্রয়োজন নেই। তবে আমার বন্ধু রোডাকে এই বাড়ির মধ্যে ঢুকতে দেখলাম তাই ভাবছি ও কি মিসেস অলিভারের সাথে দেখা করতে গিয়েছিল?

    মিসেস লরিমা বললেন, ওসব থাক চলুন আমরা একটু চা খাই সামনের ঐ দোকানে বসে।

    পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে তারা দুজন একটা রেস্তোরাঁয় এসে ঢুকলেন।

    মিসেস লরিমা মাথা নাড়লেন। মঁসিয়ে পোয়ারো ছাড়া আর কেউ যাননি, কয়েক মুহূর্ত নীরব থেকে আবার প্রশ্ন করলেন অ্যানা, মিঃ ব্যাটেল তাহলে নিশ্চয় গিয়েছিলেন?

    হা তিনি আমার সঙ্গে দেখা করে গেছেন। অ্যানা প্রশ্ন করলেন, ভদ্রলোক কি বিষয়ে জানতে চাইলেন?

    মিসেস লরিমা ইতস্ততঃ করে বললেন, নিয়ম মাফিক তদন্ত আর কি।

    আচ্ছা মিসেস লরিমা, আপনার কি মনে হয় শেষপর্যন্ত প্রকৃত অপরাধী ধরা পড়বে?

    তিনি শান্ত সুরে বললেন, ঠিক বুঝতে পারছি না সমস্যাটি বড় জটিল। একই সুরে তিনি বললেন, জীবন বড় জটিল, পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে গেলে দুটি জিনিষের একান্ত প্রয়োজন প্রথম হচ্ছে অফুরন্ত সাহস; দ্বিতীয়, অসীম সহ্য শক্তি, এবং শেষ লগ্ন সামনে এলে সকলেই ভাবে সত্যই এর কি কোনো প্রয়োজন ছিলো?

    অমন ভাবে বলবেন না। ভীত কণ্ঠে বাধা দিলেন অ্যানা।

    মিসেস লরিমা হেসে উঠলেন, জীবন সম্বন্ধে এ ধরনের অভিব্যক্তি হয়তো খুবই সাধারণ। তিনি বেয়ারাকে বিল মিটিয়ে উঠে দাঁড়ালেন।

    উজ্জ্বল হাসি হেসে অ্যানা বললেন, ওই যে রাস্তার মোড়ে রোডা দাঁড়িয়ে আছে, আচ্ছা চলি নমস্কার। অ্যানা দ্রুত পায়ে এগিয়ে গেল রোডার দিকে।

    রোডা তুই মিসেস অলিভারের কাছে গিয়েছিলি?

    রোডা উত্তর দিল, হা গিয়েছিলাম।

    অ্যানা বিরক্তি চেপে প্রশ্ন করলেন, কিন্তু কেন?

    রোডা উত্তর দিলেন, তিনি তো আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছিলেন, তাছাড়া ভদ্রমহিলার মধ্যে আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই। এমন সুন্দর মহিলা আমি জীবনে খুব কমই দেখেছি। এই দেখ আমাকে তার একটা বইও উপহার দিলেন। রোডা হাসিমুখে বইটা বার করে অ্যানাকে দেখালেন। রোডা এবার অ্যানাকে অন্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা তোর সলিসিটর ভদ্রলোককে কেমন দেখলি?

    খুব কাঠখোট্টা গোছের, আইনের প্যাঁচ পয়জার সব একেবারে কণ্ঠস্থ।

    আর মেজর ডেসপার্ডকে কেমন মনে হলো?

    ভারী দয়ালু ভদ্রলোক, অ্যানা বলে উঠল।

    তাহলে তিনি নিশ্চয় তোর প্রেমে পড়ছেন এতে আমার আর কোনো সন্দেহ নেই।

    রোডার কথা শুনে অ্যানা মৃদু রাগত স্বরে রোডাকে বললে, আবোলতাবোল বকিস না।

    ঠিক আছে, ঠিক আছে, সামনের ঐ বাসটা প্যাডিংটনে যাবে। চারটা পঞ্চাশে ছাড়বার কথা, চল আমরা এগিয়ে যাই।

    .

    ১৯.

    আমি সার্জেন্ট ওকোনার, ব্যাটেলের নির্দেশমতো আপনাকে ফোন করছি। সকাল এগারোটায় যদি স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডে তার সঙ্গে একবার দেখা করেন।

    পোয়ারো সম্মতি জানিয়ে ফোন নামিয়ে রাখলেন।

    ঠিক সাড়ে এগারেটায় ট্যাক্সি থেকে অবতরণ করলেন পোয়ারো। তারপর দুজনে সিঁড়ি বেয়ে ওপরের দিকে রওনা হলেন। ব্যাটেলের বসবার ঘরে সবাই বসলেন। ব্যাটেল এসে প্রত্যেকের সঙ্গে করমর্দন করলেন। তারপর তিনজনে তিনটে চেয়ার টেনে নিয়ে বসলেন।

    ব্যাটেল বললেন, আমার মনে হয় এখন আমাদের মধ্যে একবার আলাপ আলোচনা হওয়া দরকার। কিন্তু কর্নেল রেস এখনও এলেন না। বলতে বলতে দরজা ঠেলে কর্নেল রেস ঘরে ঢুকলেন।

    আমি খুবই দুঃখিত; একটু দেরি করে ফেললাম। বলেই তিনি বলতে শুরু করলেন, মেজর ডেসপার্ডের বিষয়ে কিছু খবর সংগ্রহ করে এনেছি এই নিন। কর্নেল রেস কতকগুলি টাইপ করা কাগজ ব্যাটেলের দিকে এগিয়ে দিলেন। ভদ্রলোকের বিরুদ্ধে কোথাও কোনো অভিযোগ নেই। শক্ত সমর্থ বলিষ্ঠ পুরুষ। সর্বদা সভ্য সমাজের আইনকানুন মেনে চলেন। বিপদে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারেন। দূরদৃষ্টি আছে এবং সবিশেষ নির্ভরযোগ্য।

    এত প্রশংসাতেও ব্যাটেল তেমন বিচলিত হলেন না। জিজ্ঞেস করলেন, কোনো দুর্ঘটনা বা আকস্মিক মৃত্যুর সঙ্গে তার যোগাযোগ আছে কিনা? ব্যাটেল অধৈর্যভাবে মাথা নাড়লেন। মানুষ তার নিজের হাতে আইন তুলে নেবে এটা কখনোই সভ্য সমাজে চলতে দেওয়া যেতে পারে না।

    কর্নেল রেস এবার উঠে দাঁড়ালেন, আপনাদের আলোচনায় বেশিক্ষণ যোগ দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত। আমার অনেক কাজ বাকি আছে। বিদায় জানিয়ে কর্নেল রেস চলে গেলেন। তিনি যে নথিপত্র রেখে গেছেন মিঃ ব্যাটেল তার মধ্যে চোখ ডোবালেন। আর মাঝে মাঝে নিজের প্যাডে পেন্সিল দিয়ে নোট করে নিলেন কিছু কিছু।

    অলিভার এবার প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা মিঃ ব্যাটেল, আপনি এই খুনের তদন্তের ব্যাপারে কিভাবে এগোচ্ছেন।

    ব্যাটেল ধীরে ধীরে শুরু করলেন, প্রথমে আমি এই কথাই বলবো যে মিঃ শ্যানার হত্যাকারী কে তা এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমার লোক সন্দেহভাজন চারজনের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। এবার মিঃ ব্যাটেল পোয়ারোকে জিজ্ঞাসা করলেন, এদের কারোর অতীত জীবন সম্বন্ধে কিছু জানতে পারলেন?

    হা ডাক্তার রবার্টসের কোনো নিকট আত্মীয়দের মধ্যে কারো আকস্মিক মৃত্যু ঘটেনি। তবে অনেক তন্ন তন্ন করে ঘেঁটে একটিমাত্র ঘটনার সন্ধান আমি পেয়েছি যার সঙ্গে বর্তমান মামলার কোনো যোগসূত্র থাকলেও থাকতে পারে। কয়েক বছর আগে ডাক্তার রবার্টস কোনো মহিলা পেশেন্টের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এবং এর জন্য সেই পরিবারে গণ্ডগোলের সূত্রপাত দেখা দেয়। ভদ্রমহিলার স্বামী অতিশয় ক্রুদ্ধ হয়ে রবার্টসকে খুব শাসিয়ে ছিলেন। ভদ্রলোক এই ঘটনার অল্প কিছুদিন বাদেই অ্যানথ্রক্সে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

    সন্দেহজনক একটিমাত্র সূত্র যা আমি পেয়েছি; ছোট হলেও তা খুব মূল্যবান।

    ব্যাটেল এবার অন্যদের সম্বন্ধে বলতে লাগলেন, বছর কুড়ি হলো মিসেস লরিমা বিধবা হয়েছেন। ভদ্রমহিলা অধিকাংশ সময় লণ্ডনে বাস করেন। কোনো রহস্যময় মৃত্যুর সঙ্গে তার কোনো সংযোগ নেই। তার মতো সম্ভ্রান্ত মহিলার যেভাবে থাকা উচিত তিনি তাই করেছেন। ব্যাটেল হতাশভাবে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তারপর মিস মেরিডিথ তার পিতা সেনাবাহিনীর অফিসার ছিলেন। মৃত্যুকালে মেয়ের জন্য কিছু রেখে যাননি ফলে তাকে নিজেই অন্নের সংস্থান করতে হয়।

    প্রত্যেকেই মেয়েটির জন্য আন্তরিক দুঃখিত। মেজর ডেসপার্ডের কি খবর? তার সম্বন্ধে কতদূর কি জানতে পারলেন? প্রশ্ন করলেন শ্রীমতী অলিভার।

    ব্যাটেল বললেন, আমার লোক তার উপর সবসময় নজর রেখে দিয়েছে। হ্যাঁ ভালো কথা ডেসপার্ড কোনো সুযোগই হাতছাড়া করতে রাজী নন। ইতিমধ্যে সলিসিটরের পরামর্শ নিয়েছেন। বোঝা যাচ্ছে তিনি বিপদের আশঙ্কা করেন।

    পোয়ারো মন্তব্য করলেন, যে কোনো অবস্থার জন্য তিনি নিজেকে প্রস্তুত রাখেন।

    সেইজন্যই তিনি কারো বুকে ছুরি বসাতে পারেন এটা ভাবা যায় না। মিঃ ব্যাটেল দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন।

    পোয়ারো মৃদু হেসে বললেন, আপনাদের একটা বিশেষ কথা জানাই। ডাক্তার রবার্টস এবং মিসেস লরিমার সঙ্গে আমি দেখা করেছি। মেজর ডেসপার্ডের সঙ্গেও আমার আলাপ হয়েছে। বাকি কেবল মিস মেরিডিথ। এই তিনজনের সঙ্গে কথা বলে আমি এইটুকুই জেনেছি ডাক্তার রবার্টস চারিদিকে তীক্ষ্ণ নজর রেখে চলেন।

    মিসেস লরিমারের মানসিক একাগ্রতা মাত্রাতিরিক্ত বেশি।

    পোয়ারো বললেন, এগুলি ক্ষুদ্র নগণ্য হলেও এগুলো তথ্য। হ্যাঁ, আমার তালিকায় সকলের শেষে মিস মেরিডিথের নাম।

    মিঃ ব্যাটেল পোয়ারোকে একটি কাজের ভার দিলেন। কাজটা হচ্ছেঅধ্যাপক ল্যাক্সমোরের বিধবা স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা। তিনি নিজে এই দায়িত্ব নিতে পারছেন না। কারণ আগামীকাল তাকে ডেভনশায়ার রওনা দিতে হবে। ব্যাটেল একটুকরো কাগজে একটা নাম ঠিকানা লিখে পোয়রোর হাতে দিলেন, এই হচ্ছে ল্যাক্সমোরের ঠিকানা। ভদ্রমহিলাকে একবার ভালো করে বাজিয়ে দেখুন। অধ্যাপক ল্যাক্সমোরের প্রকৃত মৃত্যুরহস্য আমি জানতে চাই।

    পোয়ারো চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন। কিন্তু মঁসিয়ে ব্যাটেল, এই নশ্বর পৃথিবীতে কেউ কি কখনো কোনো বিষয়ে প্রকৃত সত্য অবগত করতে পেরেছে?

    .

    মিঃ পোয়ারো একদিন মিসেস ল্যাক্সমোরের বাড়িতে গেলেন। পকেট থেকে কার্ড বার করে দাসীর হাতে দিলেন। এটা তোমার কত্রীর কাছে নিয়ে যাও।

    কিছুক্ষণ বাদে দাসীটি হাঁফাতে হাঁফাতে ছুটে এসে পোয়ারোকে ভেতরে ডেকে নিয়ে গেলো।

    একজন সুন্দরী মহিলা আগুনের চুল্লীর কাছে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি পোয়ারোর দিকে এগিয়ে এসে ধরা ধরা গলায় প্রশ্ন করলেন, আপনিই মঁসিয়ে এরকুল পোয়ারো?

    পোয়ারো মাথা নত করে অভিবাদন জানালেন।

    আমার কাছে আপনার কি প্রয়োজন?

    ম্যাডাম আমি মাঝে মধ্যে বেসরকারী ভাবে অনুসন্ধানের কাজ করে থাকি।

    হ্যাঁ, বুঝেছি আপনি বলুন?

    পোয়ারো বললেন, আমি অধ্যাপক ল্যাক্সমোরের মৃত্যুর বিষয়ে কিছু তদন্ত করতে চাই।

    ভদ্রমহিলা এবার চমকে উঠলেন এবং রীতিমত ভয়ে বলে উঠলেন, কিন্তু কেন?

    পোয়ারো উত্তর দিলেন–আপনার কীর্তিমান স্বামীর জীবনকাহিনী নিয়ে একটা বই লেখা হচ্ছে তাই লেখক সমস্ত তথ্য অবগত হতে চান।

    ভদ্রমহিলা এবার দ্রুত বলে ফেললেন, আমার স্বামী কালাজ্বরে মারা যান। আমাজন নদীর ধারে তাকে কবর দেওয়া হয়।

    পোয়ারো গম্ভীর স্বরে বললেন, কিন্তু আমি পরলোকগত শ্যাতানার কাছ থেকে অনেকরকম খবর সংগ্রহ করেছি। আপনার স্বামী যে কালাজ্বরে মারা যাননি তা মিঃ শ্যাতানা ভালোভাবেই জানতেন।

    অনেক কষ্টে নিজেকে সংযত করে ভদ্রমহিলা শুরু করলেন, হ্যাঁ আমার স্বামী বন্দুকের গুলিতে মারা যান।

    আমার স্বামী ছিলেন উদ্ভিদবিদ। তিনি তখন লতা গুল্ম নিয়ে একটি বই লিখছিলেন। তাই মেজর ডেসপার্ডের সাথে পরিচয় হলে আমরা সদলবলে ঐ অঞ্চলে যাত্রা শুরু করলাম।

    মিসেস ল্যাক্সমোর ঘন দীর্ঘশ্বাস ফেললেন, সত্যি কথা বলতে কি আমার স্বামী ছিলেন বয়সে আমার থেকে দ্বিগুণ বড়। আমার সাথে জন ডেসপার্ডের সম্পর্ক ছিল নীরব প্রেমের। আমরা ঠিক করে ছিলাম, বেদনায় হৃৎপিণ্ড পিষ্ট হয়ে গেলেও আমরা মুখ ফুটে সেই ভয়ঙ্কর সুন্দর কথাটাকে উচ্চারণ করবো না।

    তারপর সেই নারকীয় রাত্রি। জন আর টিমোথি দুজনে ঝগড়া করছিল। আমি তাবু থেকে বেরিয়ে এলাম…। দেখলাম সে তখন প্রচণ্ডভাবে জনকে শাসাচ্ছে অবশেষে জন গুলি চালালো। একটা গুলির আঘাতেই টিমোথি মারা গেল। সেদিনের কথা আমি কোনোদিন ভুলবো না।

    সমস্তই জনকে বুঝিয়ে বললাম যে এই ঘটনার বিন্দুবিসর্গ কেউ না জানতে পারে; তাহলে লোকনিন্দা, পুলিসী ঝামেলা অনেক কিছু হতে পারে। সুতরাং টিমোথি তখন জ্বরে ভুগছিলো তাই সবাইকে বলা হলো যে টিমোথি জুরে মারা গেছে। আমাজনের তীরে ওকে কবর দেওয়া হলো। নীরব হয়ে গেলেন মিসেস ল্যাক্সমোর। চোখের কোণে মুক্তোর মতো দু ফোঁটা জল টলটল করছে।

    পোয়ারো আবার কথা শুরু করলেন। আপনার ইতিহাস খুবই করুণ।

    মিসেস ল্যাক্সমোর বললেন, মিঃ জন আত্মরক্ষার জন্যই এ কাজ করতে বাধ্য হয়েছিলেন, সব দিক বিচার বিবেচনা করে আপনি নিশ্চয়ই এটা উপলব্ধি করবেন, টিমোথি যে জুরে মারা গেছে সেই কথাটাই বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দেওয়া সর্বতোভাবে শ্রেয়। মিসেস ল্যাক্সমোর এবার সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন।

    পোয়ারোও সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়ালেন। হাত বাড়িয়ে করমর্দন করতে করতে বললেন, ম্যাডাম, এমন মহান আত্মোৎসর্গের কোনো প্রয়োজন দেখি না। এই করুণ ব্যাপারটা যাতে বরাবর গোপন থাকে সেটা আমি চেষ্টা করবো। বিদায় ম্যাডাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }