Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগামী রাত্রির উপাখ্যান

    উপাখ্যান এক পাতা গল্প380 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বাদ – চিকোদিলি এমেলুমাডু। অনুবাদ : সোহম গুহ

    স্বাদ। লেখক— চিকোদিলি এমেলুমাডু। অনুবাদ— সোহম গুহ

    মূল গল্প: Soursop

    এক মৃত মানুষের স্মৃতিকোষের ফেলে যাওয়া, নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া খাবারের রসাস্বাদন করে হয়তো কিছুক্ষণের জন্য এই নশ্বর অস্তিত্বের যাবতীয় দুঃখ কষ্ট যন্ত্রণা ভুলে থাকা যায়, কিন্তু সেইসঙ্গে নিজের অস্তিত্বকেও ভুলে যেতে হয়। আমি সেটাই করছিলাম, সেকেন্ডগুলোকে বিনোদনের নিক্তিতে মেপে। এরিস টু-তে এখন ‘কিচেন বাটারফ্লাই’ সম্প্রচারের সময়।
    কিন্তু সেই সব-পেয়েছি-র দেশের সম্প্রচার দেখার একমাত্র উপায় নিজস্ব স্ক্রিন আর সঠিকভাবে চিহ্নিত করা ক্লিকারের উপস্থিতি। নাহলে ন্যানোবট মেশানো মেঘের গায়ে সেই সম্প্রচার মিশে তৈরি করে রঙিন শামিয়ানা, ওজোন স্তরের গায়ে ঝুলে থাকা এক চলমান প্রচ্ছদ আমাদের ধূসর, মৃত আকাশের বুকে।

    এখনও তিন মাস বাকি রাত্রি শেষ হতে, এখনো তিন মাস বাকি অন্ধকারের সমাপ্তির। এখনো তিন মাস মস্তিস্ককে সজাগ রাখতে হবে। এই বাধ্যতামূলক সম্প্রচারগুলি সেই কাজেই নিরত, আমাদের পাগল হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাতে, যতদিন না সূর্যের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে তার মিঠে ওম। মেঘের গায়ে ভেসে থাকা চলচ্চিত্র এই রাত্রির আকাশে যেন ঈশ্বরের আঁকা কোনো অসমাপ্ত ক্যানভাস হয়ে ওঠে। বাতাসে গুজব ছড়ায় যে এরিস ওয়ানে এই ছবিরা নাকি জ্যান্ত, স্পর্শ করা যায় তাদের চলমান ত্রিমাত্রিক আবয়বদের। শুনেছি এরিস টুতে নাকি ব্যক্তিগত সম্প্রচারের সুবিধাও পাওয়া যায়। নিজের রান্নাবান্না, ঘরগেরস্থালীর ভিডিও লাইভ দেখতেও দিতে পারা যায় তাদের, যারা এইসব দেখার জন্য মুখিয়ে আছে।

    কিন্তু এরিস ওয়ান আর টু নতুন গ্রহ, সেখানে মানুষের পা বেশিদিন পড়েনি। গ্রহগুলো নাকি সাজানো গোছানো বাগানের মত। শুনে আমার চোখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, ঠোঁট বেয়ে গড়িয়ে নামে লোভ মাখা নাল। আমার জন্ম এখানে, এই প্রাণপ্রদীপ নিভতে থাকা গ্রহের মাটিতে। হয়তো আমার কঙ্কাল পোঁতা হবে এই গ্রহেরই পাথরের মাঝে। এই গ্রহ আমার ঘর, আমার আর মানুষের পৃথিবী।

    হ্যাঁ, তুমি হলোগ্রাফিক চিঠিকে করতেই পারো নিজের সম্প্রচারের মাধ্যম, কিন্তু তাতে রান্নার নির্দেশ বাদে আর কিছুই রাখা সম্ভব হয় না। আর সেই রান্নার নির্দেশাবলী রাখাই থাকে এরিস টু-এর এই ভিডিওগুলোর মধ্যে। তুমি কীভাবে টক্কর দেবে তাদের সঙ্গে? তোমার না আছে রূপ-রস-গন্ধ-স্পর্শ সম্প্রচার করার যন্ত্রপাতি, না আছে মাধ্যম। তোমার আছে শুধু অস্পষ্ট, ধূসর, মৃতবৎ ছবির অধিকার।

    রঙিন বিনোদন কি কাজে লাগবে আমাদের? সে কি ভুলিয়ে দিতে পেরেছে রুক্ষ বাস্তবের কথাচিত্রকে? একদা শস্যশ্যামলা বসুন্ধরায় আজ আর শস্য ফলে না। অতিলোভী লোকান্তরগামি মানুষের দল তাদের মহাশূন্যে ভাসমান ধাতুর চাদরে মোড়া কৃত্রিম দ্বীপদের জন্য সব মাটি তুলে নিয়ে গেছে। অতিপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ক্যাপস্যুলগুলো সপ্তাহে দুই এক বার আকাশ থেকে খসে পড়ে দয়ার অবতার হয়ে। কাজ আর ভালো আচারব্যবহারের নিক্তিতে তাদের কিছু অংশকে ভাগ করা হয়, বাকিটা চলে যায় চোরাবাজারের ঝনঝনানির ভিড়ে হারিয়ে যেতে। এ হল জাতিপুঞ্জের দয়া, মানবসভ্যতার শেষ পার্থিব প্রতিনিধিদের জন্য।

    আজকে কিচেন বাটারফ্লাইতে দেখাচ্ছিল কী করে যান্ত্রিক বুদ্ধিমত্তা (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) লক্ষ্মণ ফল১ থেকে আচার আর জ্যাম প্রস্তুত করে। এই রান্নাবান্নার প্রোগ্রামের শেষ মানুষ সঞ্চালক বিদায় নিয়েছে প্রায় একশো বছর হয়ে গেল। পর্দায় ফুটে উঠেছে কীভাবে সেই প্রাণহীন, প্রাণবন্ত যন্ত্র সেই খুব চেনা ঝকঝকে রান্নাঘরের একপাশ থেকে আরেকপাশে খেলে বেড়াচ্ছে অবলীলায়, লক্ষ্মণ ফলের কণ্টকিত ত্বক ছাড়িয়ে ফেলছে অনায়াসে, সেই সঙ্গে বীজগুলো জমা করছে একধারে। সেই যন্ত্রের ধাতব কনুই বেয়ে টপটপ করে গড়িয়ে পড়ছে ফলের রস। মজা পেয়ে গেছে যেন এই যন্ত্র, খিলখিল করে হেসে উঠছে অকারণে। এইরকম সম্প্রচারের বাকি সঞ্চালকদের মতো এটারও হাসি কৃত্রিমভাবে বানানো, মাপা, বাইনারি কোডের কাঠামোর উপরে দাঁড়িয়ে, এবং তীক্ষ্ণ। হয়তো কোনো এক আদিম যুগে, যখন মানুষ ‘মানুষ’ হয়ে ওঠেনি, মেয়েরা হয়তো এইভাবেই হাসত। হয়তো সেই হাসি ছিল প্রাণবন্ত, টলটলে, সুর মেশানো। মেয়েদের হাসি কেমন শুনতে, আমি জানি না। সেই স্বর্ণযুগে জন্মানোর সৌভাগ্য হয়নি আমার।

    “তৈরি?” অবিওরা২ জিজ্ঞেস করল।

    “হ্যাঁ।” প্রোগ্রামের ওপর থেকে দৃষ্টি না সরিয়েই উত্তর দিলাম গালে হাত বুলিয়ে। গালের উপরে তিলটা মাঝে মাঝেই কুটকুট করে ওঠে, যেন মন জানান দিতে চায় কোনো কিছুর অস্তিত্বকে– সময়ের, ইতিহাসের, রক্তের।

    আড়চোখে দেখলাম অবিওরা ব্যস্ত হয়ে উঠেছে তার স্মার্টস্ক্রিন নিয়ে। তার আঙুলগুলোর নির্দেশে একে একে জ্বলে উঠছে সেন্সর প্যাডগুলো। সেই সেন্সর প্যাডের আলো দেয়ালের গায়ে এসে পড়ছে তীব্র নীল-সাদা আলো হয়ে, যেন এক সর্বভুক ঝড় জেগে উঠছে এই ঘরের মধ্যে।

    আনুগো, তোমার কথা এখন মনে পড়ছে কেন আমার? তোমায় দেখিনি আজ কত বছর হয়ে গেল।

    আমার ছোটো ভাইটা বড়ো ঝড় ভালোবাসত। কোথাও যেন তার শিশু মন গুলিয়ে ফেলত ভয়ঙ্কর আর সুন্দরের ভিন্ন সংজ্ঞাকে। জমির নীচে আমাদের আশ্রয়স্থল থেকে সে ছিটকে বেরিয়ে আসত ঝড় থামলেই। পায়ে পায়ে পরখ করত বিদ্যুৎপৃষ্ট জমির উপরে জন্মানো নতুন গোলাকার ক্ষতগুলোকে। মাটির সোঁদা গন্ধ অপরিচিত ছিল তার কাছে। মাটিই তো ছিল না পৃথিবীতে আর। যতদিন না জি১৩ আমাদের অর্ধমৃত গ্রহকে মুড়ে দিল কৃত্রিম মাটির মাপা চাদরে, পৃথিবী ছিল এক বন্ধ্যা জগত। এখনও তাই আছে। এই মরুভূমিতে খুদকুঁড়ো খুঁটে খেয়ে আরশোলাদের মতো মাটিতে দাঁত কামড়ে পড়ে আছি আমরা। গুনছি অপেক্ষার প্রহর। মৃত মানুষের দেহ আর মৃত আরশোলার দেহ একই অর্থ বহন করে। এদেরকে যা বা যে মারতে পারে, সে বাকিদেরও অনায়াসে সংহার করতে পারে। বীরত্ব, মনুষ্যত্ব… এসব শব্দের অর্থ ভুলে গেছি আমরা। ভয়ের কিন্তু অনেক রকম প্রতিশব্দ জানি, শিখতে হয়েছে জীবনের তাগিদে।

    “দাঁতে দাঁত চিপে বসো।” অবিওরা মন্তব্য করল।

    ধাতব সংযোজক লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে ব্যথাটা উঠে এল একেবারে দুশমনের মতন, যেন আমার মাথার এফোঁড়ওফোঁড় করে কেউ ঢুকিয়ে দিয়েছে ভোঁতা শলাকা। সেই ব্যথার অনুভূতি তারপর চুঁইয়ে চুঁইয়ে নেমে জমা হল আমার চোয়ালের দু’পাশে, অস্ত্রোপচার করে বসানো বিষের থলির মত। যন্ত্রণার চোটে মনে হল যেন আমার চোয়াল ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে মাথা থেকে, কথা বলার ক্ষমতা প্রায় কেড়ে নিয়েছে এক মুখ.. ভর্তি অবাধ্য নাল।

    “এই, এই, দাঁড়াও… ডোজটা বেশি হয়ে গিয়েছে।” আমার পাশে অবিওরার সাপের মত হিলহিলে ধাতব আঙুল কিছুক্ষণ কনসোলটার উপরে খেলে বেরালো। কিছুক্ষণ পরে খেয়াল করলাম আবার জিভ নাড়াতে পারছি। ব্যথাটা পরাজিত পশুর মতো জমি ছাড়ছে। তার পদচিহ্ন আমার গলায় জমা তেতো স্বাদ।

    শুরু থেকেই আমি জানতাম এই প্রক্রিয়া তীব্র যন্ত্রণার। ইন্দ্রিয় নিয়ে খেললে তার মাশুল তো দিতেই হবে, তাই না? কয়েক পাতা বিজ্ঞান পড়া থাকলে হয়তো আরও বিশদ বিবরণী দিতে পারতাম। কিন্তু কষ্টের কেষ্ট কথাটাও তো মিথ্যা না। যন্ত্রণা ছাড়া ফাইলগুলোকে ঘাঁটা অসম্ভব। ফাইলগুলোর মধ্যে জমা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য ইতিহাস– তার রূপ, রস, স্পর্শ, গন্ধ… না। গন্ধ না। ঘ্রাণেন্দ্রিয়র কাজ ফুরিয়েছে বহু আগে। ২২৯৮ খ্রিস্টাব্দের পরে জন্মানো শিশুরা জানে না গন্ধ কী।

    আমাদের কেউ কেউ পালিয়ে গিয়েছিল ভয় পেয়ে, গড়ে তুলেছিল একটা… আহা, এরিস ওয়ানকে ধরে নাহয় দেড়টাই হবে, কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না ওটা ছিল একটা পরীক্ষামূলক প্রকল্প– একটা আস্ত গ্রহ, স্বয়ংসম্পূর্ণ সভ্যতা। কিন্তু আমরা এখনও স্মৃতিফাইলের দুইয়ের অধিক
    ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য তথ্যকে গ্রহণ করতে শিখিনি, যেমন শিখিনি শিশুদের কীভাবে আবার গন্ধ চেনাতে হয়।

    তাছাড়া, মানবসভ্যতার উচ্ছিষ্ট যারা, যাদেরকে ফেলে আসা হল পৃথিবীতে, তাদের ভালোমন্দের খবর ইতিহাস কবে রেখেছে? আমি তাই আমার ডাকাবুকো ভাইকে বলতাম বৃষ্টির পর মাটির গন্ধ সোঁদা। বৃষ্টির গন্ধ মরচে ধরা লোহার মত। নিজে ঘ্রাণের সংজ্ঞা জানত না বলে ও তাই বিশ্বাস করত।

    স্মৃতি রোমন্থনের মাঝে খেয়াল করলাম আমার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে এসেছে। এটা ডাবল ভিশন৪-এর পূর্বলক্ষণ। ফিচারটা আমাদের মত মানুষের কাছে বেশ মহার্ঘ, প্রায় আশি হাজার কুদি দিয়ে কিনতে হয়েছে। হ্যাঁ, আমি ইচ্ছে করলে স্মৃতির ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে পারতাম, সেটা শুধু অপেক্ষাকৃত কম কষ্টের শুধু না, সস্তাও। কিন্তু অভিজ্ঞতা আমাকে এক চোখ খুলে ঘুমাতে শিখিয়েছে। আমি সজাগ, আমি দেখতে পাচ্ছি অবিওরার ঝাঁপ ফেলা অন্ধকার দোকানে আমার চারপাশকে। আমার ঘেমে ওঠা হাতের মুঠোয় থাকা ..ঠান্ডা বন্দুকটা ..একটা শক্তসমর্থ মানুষকে অজ্ঞান

    করতে সক্ষম।

    ফাইল থেকে স্মৃতিটা আমার মস্তিষ্কের চিলেকোঠায় নামলো বাঁধভাঙা নদীর মতো, আগে এতবার দেখা সত্ত্বেও। কিন্তু রান্নার প্রোগ্রামগুলোর মতো বাধ্যতামূলক অত্যাচার এটা নয়। এখানে আমি জানি কখন সঞ্চালক ফলের ছাল ছাড়িয়ে আঙুল থেকে গড়িয়ে নামা রস চেটে খিলখিল করে হেসে উঠবে। বা, রান্নার শেষে একটা ছোট্ট টুকরো মুখে পুরে পরিতৃপ্তির শব্দ করবে। আমি জানি কখন তার ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য তৃপ্তি ধরা দেবে ফাইলের মধ্যে। আমার মধ্যে।

    অবিওরাও জানত। তাই, যেই মুহূর্তে সঞ্চালক ঠোঁটে ঠেকালেন তাঁর রসসিক্ত আঙুল, আমার জিভে ছোঁয়া লাগলো এক অর্বাচীন, অসম্ভব স্বাদের, লক্ষ্মণ ফলের নেশা লাগানো টক আর মিঠে স্বাদের। যে মানুষটি আসলে স্বাদ পেয়েছিল লক্ষ্মণ ফলের, সে ছিল এক ভোজনরসিক। তারিয়ে তারিয়ে, জিভের উপরে ফলের টুকরোটাকে খেলিয়ে সে উপভোগ করেছিল প্রত্যেক কামড়ের মজা। অবিওরার কেরামতি কৃতিত্বের দাবি রাখে। নাহলে, যেভাবে আমার জিভের উপরে এক মিথ্যে ফলের রস ছড়িয়ে যাচ্ছিল, যেভাবে প্রত্যেক দাঁতের চাপ বুঝিয়ে দিচ্ছিল পিচ্ছিল ঠান্ডা রস গড়িয়ে পড়ছে আমার জিভের দুইপাশে, যে ফল পৃথিবীর বুকে জন্মায়নি বহু বছর, সেই ফলের জ্যান্ত স্বাদ আমি পেতাম না। ফলটার রস বের করে ছিবড়ে বানিয়ে সেটাকে গিলে ফেলে লোকটা যখন আরেকটা ফলে কামড় বসাল, আমি বুঝতে পারলাম শুধু গন্ধ আর স্বাদই খাবারকে উপভোগ করার জন্য যথেষ্ট না। এই জিভের উপরে ফলের টুকরোটাকে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করার অনুভূতি, আজকে অবিওরা না থাকলে জানতে পারতাম? বুঝতে পারতাম আরও কতকিছু আমরা অজান্তেই হারিয়েছি?

    না, আমি যে লোকটার অনুভূতি ধার করে নিজের ভোজনবিলাসিতা পরোক্ষভাবে মেটাচ্ছি, সে খেতে জানে। উদর তো না, উদরকন্দর। সেই উদরকে তার মাথা থেকে আলাদা করে রেখেছে একটা বটগাছের গুঁড়ির মতো মোটা গলা। লোকটার পেট প্রায় নিটোল একটা গোলক, মাংস আর চর্বির তৈরি ফুলে ওঠা বেলুনের মত। লোকটা যখন
    লক্ষ্মণ ফলের প্লেটে থাবা বসাল, অনিচ্ছার সঙ্গে তার ভুঁড়িও কেঁপে উঠল। গায়ে যে ফুলহাতা গোলাপি-নীল ডোরাকাটা শার্টটা কেটে বসছে, তার হাতা শেষ হয়েছে দুটি সুদৃশ্য আস্তিনের বোতামে। সেই বোতামের গায়ে স্বর্ণাক্ষরে লেখা ‘জেএমবি’-র অর্থ আমি জানি; অনেকদিন তাদের সঙ্গে থাকার জন্যই।

    আমার স্মৃতি ফাইলের আসল অধিকারী জন মুগাবে বাবাঙ্গিডা৫। নামটা এত বছর পরেও সেই একই অর্থ বহন করে।

    আমি জানতাম খাওয়ার পর জন কী বলবে, এবার না শুনলেও আমি জানি তার মোটা কর্কশ গলা তার চরিত্রের প্রতিবিম্ব মাত্র। যে প্রতিবিম্বর অস্তিত্ব এর পর আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড।

    প্রথমে জন বলবে, “তোর এখানে ঢোকার সাহস হল কী করে? কে তুই?” তারপর, “দূর হয়ে যায় আমার মুখের সামনে থেকে। পেয়াদা, এটাকে টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে ফেল এখান থেকে।”

    জনের শেষ কথায় তার দম্ভ নয়, ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল তার ভয়।

    “না, না। ছেড়ে দাও।”

    প্রত্যুত্তরে শুধু একটা পিস্তল তিনবার
    বজ্রনির্ঘোষ করেছিল।

    স্মৃতি ফাইল শেষ হওয়ার আগে দেখিয়েছিল লোকটার পেটের উপরের শার্ট ফিনকি দিয়ে বেরোনো রক্তে ভিজে গেছে। তার হাতেও প্রলেপ লেগেছে সেই রক্তের। স্মৃতি ফাইলের এই জায়গায় এসে আমার ভেতরটা একই সঙ্গে বিষাক্ত আর উৎফুল্ল হয়ে ওঠে; মৃত্যুকে এভাবে বারবার দেখেও আমি অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারিনি। মৃত্যুর আগে পৃথুল লোকটার দৃষ্টিসীমায় ধরা দেয় অনাহার আর অপুষ্টিতে ভোগা আততায়ীর আবয়ব। তার পরনে সান্ত্রীর পোশাক। এককালে সে হয়তো সুপুরুষ ছিল, কিন্তু দুশ্চিন্তা আর অনাহার সব কিছু কেড়ে নিয়েছে তার থেকে। তার দুই চোখে ধিকধিক করে জ্বলছে এক সর্বগ্রাসি খিদে। সেই ক্ষুধা কেবল খাদ্যের না, সেই ক্ষুধা সম্মানের, বিচারের। সেই ক্ষুধা সবকিছুর জন্য। মরার আগে লোকটার চোখ আরেকবার গেল তার আততায়ীর দিকে। আততায়ীর বাম গালে বিধাতা বসিয়ে দিয়েছে এক বেমানান তিল।

    আমার মুখে এখন লক্ষ্মণ ফলের স্বাদ দখল করেছে এক চেনা লোনা স্বাদ। মরার আগে স্থূলকায় মানুষটা খুব কেঁদেছিল বটে। প্রাণভিক্ষার কান্না।

    আমেরিকা বলে একটা দেশ ছিল জানেন? সেখানে আদালতের কাজকর্মের আর্কাইভ করা ফুটেজ যদি দেখেন, একটা জিনিস প্রায় সব সাক্ষীই বলে শপথ নেওয়ার মতো ।করে। “সব এত দ্রুত ঘটে গেল, মানে বলতে পারেন চোখের পলকের মধ্যে, কী হল কিছুই বুঝতে পারলাম না।”

    ৪৬ সেকেন্ড৬ সময় আর যাই হোক, চোখের পলক নয়, মৃত্যুর পক্ষেও অনেকটা সময়, প্রাণ নেওয়ার পক্ষেও যথেষ্ট, মৃত্যুকে বোঝার জন্যেও। পিস্তলটা ছিল আমার অতিবৃদ্ধ প্রপিতামহের হাতে। ‘ধনতন্ত্রের অবসান হবে শ্রমিকের হাতে’— এই প্রবাদটা তিনি নিজের হৃদয়ে গেঁথে নিয়েছিলেন। ফলাফল, এক ব্যর্থ বিপ্লব যার অঙ্কুরেই বিনাশ হওয়ার দরকার ছিল। এক ব্যর্থ বিপ্লব যার শেষ ৪৬ সেকেন্ড আমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল। আমরা তাই মনুষ্যজাতির উচ্ছিষ্ট, এই মৃত পৃথিবীতে থেকে যাওয়ার শাস্তি বয়ে চলেছি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে। এখানেই আমরা থাকব, থাকতে বাধ্য যতদিন না দুনিয়াটা একেবারে বন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে, বা আমরা বন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছি। এটাই আমাদের ললাটলিখন, আমাদের ভবিষ্যৎ। পূর্বপুরুষের কাছ থেকে পাওয়া রক্ত আর ধোঁয়ায় লেখা উত্তরাধিকার।

    কতটা নির্বোধ হলে একটা লোক খুন করে ভাবে কেউ জানতে পারবে না? যেখানে সমাজের উপরের তলার মানুষগুলো তাদের স্মৃতিগুলোকে নিয়মিত আপলোড করত সুখের মুহূর্তগুলোকে বারবার উপভোগ করার জন্য। কিছু মানুষের শুধু নিজের সময়ই খারাপ হয় শুধু না, বাকিদেরও যাতে ভাগ্য সুপ্রসন্ন না হয় সেটাও সে নির্ধারণ করে যায়।

    তারপর?

    আমাদের জেনেটিক মেকআপ এমন কিছু আহামরি ছিল না; না আমাদের মধ্যে কেউ ছিল ডাক্তার, না ইঞ্জিনিয়ার, না ন্যানোটেকে পারদর্শী। বা রাঁধুনি। রাঁধুনিদের চাহিদা খুব এরিস টুতে। ওখানে পার্থিব শাকসবজির চাষ আবার শুরু করা গেছে। এরিস টুতে এখন খুঁজে দেখলে কিছু অজানা গাছও পাওয়া যায়— আবিষ্কারক আর সেনার দল গ্যালাক্সি চষে বেড়িয়ে নিয়ে এসেছে সেগুলো। পার্থিব আর বিজাতীয় শাকসবজি মিশিয়ে রাঁধুনিরা তৈরি করেছে অবিশ্বাস্য স্বাদের সম্ভার, যার প্রত্যেকটা যে কোনো মানুষের জিভ লালায়িত করতে বাধ্য।

    কিন্তু আমাদের মধ্যে থেকে অকপারাহ৭  আইয়ের মত মানুষ উঠে আসেনি যে রেশন ব্যবস্থার যুগান্তর এনে মানুষের মন জয় করেছিল, বা সেই সব মানুষের দল যারা এরিস ওয়ানে ঠাঁই পেয়েছে তাদের ভালো স্বভাবের জন্য। আমার জীবদ্দশায় এমন ঘটনা একবারের বেশি না ঘটলেও একবার তো ঘটেছে। মানুষের
    মনে আশার আলো ফুটিয়েছে।

    কিন্তু আমরা? আমরা যে উচ্ছিষ্ট! আর উচ্ছিষ্টদের স্থান আস্তাকুঁড়ে। কী করে ভাবতে পারি আমাদের মানুষ বলে এখনও গণ্য করা হয়? কী করে ভাবতে পারি যে আমাদের স্থান হবে এরিস টু বা ওয়ানে? কী করে ভাবি আমাদের অতীত বিস্মৃত হয়েছে? কী করে ভাবতে পারি যে আমাদের বাঁচার অধিকার আছে? আমরা যে রক্তচোষা বুভুক্ষু সর্বগ্রাসী, দাঁত-নখ-বন্দুক আর প্রতিহিংসা-সর্বস্ব মানবরূপী ইঁদুরের দল। যে ইঁদুরেরা রক্তের স্বাদ পেলে আর কিছু চায় না, হাতে পিস্তল উঠে এলে যারা আর কিছু ভাবে না। মানবসভ্যতার এক প্রতিকৃতকে মারতে একবিন্দুও হাত কাঁপে না তাদের। সেই ইঁদুরের স্থান নেই মানুষের বানানো নতুন স্বর্গে। আমরা সেই ইঁদুরের দল, সেই অপরাধীদের বংশধর, সন্ত্রাসবাদে দুষিত পচে যাওয়া রক্ত বইছে আমাদের ধমনি বেয়ে। সব দাগ উঠে যায়, ইতিহাসের পাতায় লাগা রক্তের দাগ ওঠে না।

    পৃথিবীর অক্ষীয় গতি কমছে, কমছে আমাদের আয়ুও। এই গ্রহ আমাদের ঘর। আমাদের কবর।

    অবিওরা আমায় একটা ছেঁড়া কাপড় ছুঁড়ে দিল চোখের জল মোছার জন্য। ন্যাতাটার প্রত্যেক সুতোয় তেল লেগে, যে তেলের উৎস ঘুণ ধরা মেশিন বা ঘুণ পড়া শরীর। তেলের কালিমা ঢেকে দিল আমার চোখের জলের দাগেদের। অবিওরার হাতে সিরিঞ্জ উঠে আসতে আমি তাকে বারণ করলাম। পেনকিলারের প্রয়োজন নেই আমার।

    “বারবার নিজেকে এভাবে কষ্ট দাও কেন? কী পাও এতে তুমি?” সে জিজ্ঞাসা করল।

    একটা দীর্ঘশ্বাসের সঙ্গে উত্তরটা এল আমার,
    “আমি সত্যিই জানি না।”

    কিচেন বাটারফ্লাই প্রোগ্রামটা এখনও আমার সামনে নীরবে চলছে। কী মাখছে যন্ত্রটা ওই বাটিতে? কেউ হয়তো বিরক্ত হয়ে প্রোগ্রামটার শেষে গিয়ে দেখছে কী রান্না বানিয়েছে যন্ত্রটা! খাবার! জিভে জল আনা খাবার! যে খাবার আমরা খাইনি কোনোদিন। খাবও না কখনও। যন্ত্র সঞ্চালক বাটির মেঘের মত মোলায়েম মাখা খাবারে আঙুল ডোবাল, তারপর জিভে ঠেকাল সেই আঙুল। যে তৃপ্তির শব্দটা বেরিয়ে এল সঞ্চালকের মুখে সেটা পাখি পড়ানো বুলি। তার গায়ের লেপে থাকা ‘বউবউ’ কাপড়টার রঙ রামধনুর মত— মোহময় নীল, উজ্জ্বল হলুদ, তার মাঝে মাঝে খেলে বেড়াচ্ছে সূর্যাস্তের রঙ। সঞ্চালককে দেখতে লাগছে ক্রান্তীয় অঞ্চলের নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া কীটগুলোর মতো, যাদের বৃষ্টিস্নাত সোনামাখা রঙ এককালে অবাক করত মানুষদের। মানুষ এককালে শান্তি পেত চোখের সামনে নিরবচ্ছিন্ন জলরাশি দেখে, মেঘের চাদরে মোড়া ভেজা সবুজ পাহাড় দেখে, বজ্রপাতের গর্ত বা হাইড্রেশন ক্যাপস্যুল দেখে নয়।

    আমরা দেখছি। আমরা দেখতে বাধ্য।

    “পরের সপ্তাহে এই সময়েই কি সব ব্যবস্থা করে রাখব, সার্জেন্ট?” অবিওরা গোছাতে গোছাতে জিজ্ঞেস করল। তার হাতের জায়গা দখল করেছে যে টাইটেনিয়াম প্রত্যঙ্গ, তার গায়ের একটা টিউব থেকে টুপ করে খসে পড়ল এক বিন্দু তরল। মেঝের উপরে জন্ম নিল এক বুদবুদ কাটা তেলের দাগ।

    আমি আমার তুলোর থেকেও সাদা ধড়াচূড়া পরে নিলাম। এই পোশাক, এই ইউনিফর্ম আমায় মানুষের ভিড়ে চিনিয়ে দেয় আলাদা করে, জঞ্জালের ভিড়ে, সভ্যতার মৃতদেহের মাঝে। আমার ইউনিফর্মের বুকের উপরে দগদগে ক্ষতর মত লাল রঙে লেখা জেএমবি কর্পস্, আর তার নীচে লেখা ‘ণজকু৮ ডিভিশন’। এই পোশাক আমার বুকের উপরে জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসল— ইতিহাসের ভার।

    “হাতটা একবার দেখিয়ে নাও পারলে,” আমি অবিওরাকে দেখালাম যেখানে ওর ধাতব হাত থেকে তেল গড়িয়ে নামছে। বলে আর দাঁড়ালাম না; আমার শিফট আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে। মুখে আমার কান্নার লোনা স্বাদ, আর লক্ষ্মণ ফলের টকমিঠে স্বাদ মিলেমিশে একাকার। যে স্বাদের আমি কাঙাল। সেই জন্যই তো বারবার ছুটে আসি অবিওরার কাছে, মৃত্যুকে বারবার কাছ থেকে চিনে নিতে।

    দোকানের মধ্যে অবিওরা এখন ওর হাত দেখছে আর কত খরচ হবে হিসেব করে গজগজ করছে।

    টীকা

    ১) লক্ষ্মণ ফল/Soursop– শক্তিবর্ধক এবং সর্বরোগনিবারক গুণে ভরপুর ফল।

    ২) অবিওরা– মানুষের হিতকামী।

    ৩)জি১/G1– সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সাধারণ কর্মীবৃন্দের একটা অংশ যারা প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করে মানবজাতির সেবায় নিহিত থেকে।

    ৪) ডাবল ভিশন/Double Vision– যখন একই সঙ্গে একই জিনিস দুইবার দেখতে হয়। দৃষ্টিবিভ্রম।

    ৫) বাবাঙ্গিডা– পদবি; ঘরের (মানুষের) কর্তা।

    ৬) ৪৬– সংখ্যাতত্ব অনুসারে যে সংখ্যা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। যে সংখ্যা একাকি ও স্বার্থপর। যে সংখ্যার অধিকারি তার পরিবারকে সুরক্ষা প্রদান করে।

    ৭) অকপারাহ– নাইজেরিয়ার ইগবো জনজাতির কাছে এই নামের অর্থ অগ্রজ, বা যে পথ দেখায়।

    ৮) ণজকু/Njoku– দক্ষিণ নাইজেরিয়ায় বসবাসকারী ইগবো জনজাতির মানুষদের খাদ্য ইয়ামের (একধরনের রসালো মূল) দেবতা। এই দেবতার পুজোয় নিহিত শিশুদেরও এই নামেই ডাকা হয়, এবং মনে করা হয় প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাদের মনের অভিলাষ পূর্ণ হয়।

    লেখক পরিচিতি

    চিকোদিলি এমেলুমাডুর জন্ম নাইজেরিয়ায়। কর্মজীবন লন্ডনে। সমকালীন আফ্রিকান স্পেকুলেটিভ ঘরানায় চিকোদিলি ধূমকেতুর মতো উঠে এসেছেন। অনবদ্য বিষয়বস্তু আর বলিষ্ঠ কলমকে সঙ্গী করে তিনি একের পর এক গল্প উপহার দিচ্ছেন পাঠকদের। ‘Bush Baby, ‘Candy Girl, ‘Soursop’, ‘Tunbi’, ‘Jermyn’… প্রতিটা লেখা যেন একে অপরকে ছাড়িয়ে যেতে চাইছে। তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছে ইলেক্টিকা, লুনা স্টেশন কোয়াটার্লি, ওমেনানা, ওয়ান থ্রোন,
    সাব-কিউ ম্যাগাজিন সহ অন্যান্য পত্রিকায়, নোমো আর কেইন পুরস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছেন তিনি। তাঁর সাম্প্রতিক কিছু লেখা স্থান পেয়েছে ফক্স স্পিরিট বুক্স্-এর ‘আফ্রিকান মনস্টার’ সঙ্কলনে। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘Dazzling’ ২০২৩ সালে ওয়াইল্ডফায়ার বুকস থেকে প্রকাশিত হতে চলেছে।

    অনুবাদক পরিচিতি

    সোহম গুহ সমসাময়িক বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের পরিচিত নাম। এই প্রতিশ্রুতিবান তরুণ লেখকের কলম মহাবিশ্ব তৈরির সম্ভাবনা এবং স্বপ্ন নিয়ে একের পর এক অসামান্য গল্প লিখে চলেছে। মাতৃভাষা বাংলা বাদেও ইংরেজিতে গল্প লিখতে তিনি স্বচ্ছন্দ। স্পেকুলেটিভ ফিকশন ঘরানায় লেখা তাঁর গল্পগুলো প্রকাশিত হয়েছে কল্পবিশ্ব, দেশ, কিশোর ভারতী, Mithila Review, The Gollancz Anthology of South Asian Science Fiction and Fantasy Vol II, Meteotopia, এবং Rikha Zine-এ। কল্পবিশ্ব পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত তাঁর গল্প সঙ্কলন ‘আরশিমিডিশ’ প্রকাশিত হয়েছে ২০২১ সালে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনতুন বিশ রহস্য – স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    Next Article দ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }