Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আজাজেল্‌ – আইজাক আসিমভ

    লেখক এক পাতা গল্প281 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তড়িৎ গতি পর্যটক

    ভার্জিনিয়ার উইলিয়ামসবার্গ থেকে সদ্য ফিরলাম আর আমার প্রিয় টাইপরাইটার ও ওয়ার্ড প্রসেসরে বসতে পেরে স্বস্তি, তবু তাতে সূক্ষ্ম ক্ষোভের অবশেষ মিশ্রিত ছিল।

    জর্জ এই বাস্তবতা স্বীকার করে না। সে মাত্র রেস্তোরাঁর নৈবেদ্য গোগ্রাসে গিলছে আমারই কষ্টে উপার্জিত অর্থে। আমাকে সহানুভূতি প্রদর্শনের যা এক সঙ্গত কারণ।

    দুটো দাঁতের মধ্যে থেকে একটা মাংসের টুকরো বার করে জর্জ বলল,

    ‘সত্যিই বুঝতে পারি না বন্ধু, তথাকথিত অভিজাত সংস্থা, তোমার একঘণ্টা বক্তৃতার জন্য হাজার ডলার দিতে ইচ্ছুক থাকবে, তাতে দোষ দেখ কেন? আমি ভাবি আরো ভাল হতো যদি তুমি বিনা পারিশ্রমিকে বক্তৃতা দিতে আর হাজার ডলার না দেওয়া পর্যন্ত থামতে চাইতে না।

    নিশ্চয়ই শেষেরটা লোকের কাছ থেকে অর্থ শোষণের আরো ভাল পন্থা। যদিও তোমার মনে আঘাত দেওয়ার ইচ্ছা আমার নেই, অবশ্য ধরে নিচ্ছি, তোমার মন আছে।

    ‘কখন তুমি আমাকে বলতে শুনেছ?’ আমি বলি, ‘তোমার বোঝার মতন অনর্গল বকবকানির ফাঁকে ফাঁকে তুমি আমাকে দুই ডজন শব্দের বেশি এক সাথে বলবার অনুমতি দাও না কখনো, ঠিক বলছি কি না? (স্বভাবতই আমি সতর্ক, যুক্তি খাটাতে ঠিক চব্বিশটা শব্দই ব্যবহার করেছি)

    জর্জ আমাকে অবজ্ঞা করল, আমি নিশ্চিত ছিলাম, এমনটাই করবে সে।

    ‘এটা তোমার আত্মার একটা বিশেষ অপ্রিয় দিক,’ সে বলল, ‘যাকে জঞ্জাল বলতে হয়, সেই অর্থের উন্মাদ আকাঙ্ক্ষায়, ভ্রমণকে ঘৃণা করলেও তোমার সহজে ও প্রায়ই পর্যটকের কষ্ট সহ্য করতে সম্মত হওয়া উচিত।’

    এটা আমাকে সোফোক্লেস মস্কোউইটজ এর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। সতত বিপুল ব্যাংক ব্যালান্স আরো স্ফীত হয়ে ওঠা ছাড়া, আরো, নিজের আরামকেদারা ছেড়ে নড়ে বসতে অনুরূপ অলস অনীহা ছিল তার। এই বিতৃষ্ণাকে সে নরম করে বলত, ভ্রমণ বিমুখতা। এটির পরিবর্তনের জন্যই আজাজেলের শরণাপন্ন হতে হয়েছিল।

    ‘তোমার ঐ দুই সে.মি. লম্বা সর্বনাশা জিনকে আমার পিছনে লাগিও না।’ আমি সতর্ক হয়ে বলি, ‘জর্জের অসুস্থ কল্পনার উচ্চারণের প্রকৃতই অস্তিত্ব রয়েছে, এমন চিন্তা করার সঙ্গত কারণ থাকলে, যতটা সতর্ক হওয়া উচিত, আমার সাবধান বাণী ও ততটাই সত্যি ছিল।

    জর্জ আবার আমাকে উপেক্ষা করল।

    ‘এটা আসলে’ (জর্জ বলল), সাহয্যের জন্য যখন আজাজেকে ডাকি, সেই প্রথম দিককার ব্যাপার। বুঝলে, প্রায় ত্রিশ বছর আগেকার কথা। তখন সদ্য সদ্য শিখেছি, কিভাবে আজাজেল্‌কে তার নিজের জগৎ থেকে ডেকে আনতে হবে, তখনো বুঝতে শিখিনি, তার ক্ষমতা কতটা।

    সে ঐ সম্পর্কে গর্ব করত, নিশ্চিত হতে, কোথায় সেই প্রাণী খুঁজবো আমি ছাড়া, যে সর্বদাই নিজের ক্ষমতা ও সামর্থ্যের কথা অতিরঞ্জিত না করে।

    সে সময়ে ফিফি নামে এক চমৎকার তরুণীর সঙ্গে আমার যথেষ্ট আলাপ পরিচয় ছিল। বছরখানেক পূর্বে সে সিদ্ধান্ত নেয় যে, এক বিশাল সৌভাগ্য তার জন্য, যে ধরনের পতি নির্বাচন করে রেখেছে, সোফোক্লেস মস্কোউইজ্ তার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।

    বিবাহের পরও সে আমার গোপন বান্ধবী ছিল, কিন্তু অবশ্যই ধর্মত। তার ধর্মপরায়ণতা ছাড়াও সব সময়ে তাকে দেখে আমার আনন্দ হতো। যতই হোক তুমি বুঝবে, তার সৌষ্ঠব ছিল এমনই, যা বাড়িয়ে বলা যায় না। তার উপস্থিতিতে আমার সব সময়েই সহর্ষে মনে পড়ত, অতীতে আমরা দুজনে যে চমৎকার অশালীনতা একত্রে উপভোগ করেছিলাম।

    তার মঞ্চের নাম ধরে ডাকার অভ্যাস আমার যায়নি। যে নাম সম্ভ্রান্ত দর্শকরা, তার চমৎকার অভিনয় দেখে দিয়েছিল।

    বললাম, ‘ব্যুম্ ব্যুম্। তোমাকে সুন্দর দেখাচ্ছে। একথা বলতে আমার কোনো দ্বিধা ছিল না। আমি তেমনই ছিলাম।

    ‘ওঃ আচ্ছা!’ ফিফি এমন উদাস স্বরে বলল। আমার নির্লজ্জ জাঁকজমকপূর্ণ নিউইয়র্কের রাস্তার কথা মনে হলো।

    ‘জানো, আমি ভাল নেই।’

    আমি এক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাস করতে পারলাম না। কারণ যদি স্মৃতিশক্তির ওপর আমার বিশ্বাস থাকে, প্রকৃতই বয়ঃসন্ধিকালের শুরু থেকেই সে সত্যিই খুব ভাল থাকত।

    কিন্তু বললাম, ‘তুমি তো স্বভাবতই ভাল থাক সোনা। অসুবিধে কিসের!’

    ‘এই হচ্ছে সোফোক্লেস, সেই ক্লীব!’

    ‘তুমি নিশ্চয়ই স্বামীর প্রতি বিরক্ত নও, ব্যুম্ ব্যুম্। এমন একজন ধনী ব্যক্তির ওপর বিরক্ত হওয়া তো অসম্ভব।

    ‘সে তো তুমি জান। কী সাংঘাতিক প্রতারক। তোমার মনে আছে, বলেছিলে সোফোক্লেস ক্রোয়েসাস নামক ব্যক্তির মতন ধনী। তার নাম আমি কখনো শুনিনি। আচ্ছা, তুমি কেন কখনো বলনি, এই ক্রোয়েসাস নামের ভদ্রলোক একজন শ্রেষ্ঠ কৃপণ। ‘

    ‘সোফোক্লেস, কৃপণ?’

    ‘সর্বশ্রেষ্ঠ! তুমি কি তাকে হারাতে পার? একজন ধনী ব্যক্তিকে বিয়ে করার মানে কি, যদি সে এমন কৃপণ হয়?’

    ‘নিশ্চয়ই ব্যুম্ ব্যুম্। রাতের স্বর্গের ছলনাময় শপথে তুমি তো কিছু টাকা ফুলিয়ে বর করে নিতেই পার।

    ফিফির কপাল কুঁচকালো একটু।

    ‘আমি ঠিক জানি না, তার মানে কি। কিন্তু আমি তোমাকে জানি। অশ্লীল কথা বলো না। তাছাড়া আমি তার কাছে প্রতিজ্ঞা করেছি, যদিও সে তা বোঝেইনি। তুমি যা বললে, সে যদি দিলখোলা না হয়, সে যদি আমার থেকে তার ওয়ালেটকেই বেশি আঁকড়িয়ে থাকে; যদি এটা ভাব, তবে সেটা সাংঘাতিক অপমানজনক।’

    বেচারি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল।

    কম সময়ে আমি যেমন সামলিয়ে নিতে পারি, তেমনই, অভ্রাতৃসুলভ ভঙ্গিতে তার হাতে চাপ দিলাম।

    আবেগে সে ভেঙে পড়ল, ‘নিষ্কর্মাটাকে যখন বিয়ে করেছিলাম, ভেবেছিলাম।’- ‘আচ্ছা ফিফি, কোণায় যেতে চাও, প্যারিস, রিভেরা, আর বোয়েন্স এয়ারস এবং কাসাব্লাঙ্কা আরো সে রকমই।’

    ‘আঃ, কোনো সম্ভাবনাই নেই!’

    ‘বলো না যে, কুত্তাটা তোমাকে প্যারিসে নিয়ে যাবে না।’

    ‘সে কোথাও যায় না। সে বলে, সে ম্যানহাট্টান ছাড়তে চায় না। সে বাইরে বা হতে চায় না। সে গাছপালা, জন্তু-জানোয়ার, ঘাস জঙ্গল, বিদেশী অন্য কোলে জায়গার বাড়িঘর পছন্দ করে না। ভালোবাসে শুধু নিউইয়র্কের বাড়িঘর।’

    আমি বলি, ‘কেনাকাটা করতে শপিং মল?’

    ‘না, তাও তার পছন্দ নয়।’

    ‘ব্যুম ব্যুম। ওকে ছাড়াই চলে যাও না কেন?’

    ‘তুমি বলতে পার, ওকে ছাড়া মজা বেশিই হবে। কিন্তু কি নিয়ে? লোকটার সব ক্রেডিট কার্ড, প্যান্টের ভিতরের পকেটে সেলাই করা। আমাকে দোকান বাজার করতে হয় রিটেল শপ, ‘মেস্’ি-তে। তার কন্ঠস্বর চিৎকারে পৌঁছাল, ‘মেসি’তে বাজার করার জন্য আমি ঐ আপদটাকে বিয়ে করিনি।

    খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সুন্দরী তরুণীর সর্বাঙ্গে সুদূরপ্রসারী দৃষ্টি চালিয়ে অনুতাপ হল, কেন ওর ভার নিতে পারিনি। বিয়ের আগে সে মাঝেমধ্যেই শিল্পকলার খাতিরে দানধ্যানের ইচ্ছা প্রকাশ করত। কিন্তু আমার একটা ধারণা হয়েছিল, বিবাহিতা মহিলা হিসেবে তার উন্নতমানের প্রতিষ্ঠা, এ বিষয়ে তার মতবাদকে কঠিন করে তুলেছে।

    সে সময়ে, তুমি নিশ্চয় বুঝবে, আমার এখনকার জীবনের চেয়ে অনেক বেশি উদ্দীপক দিন কাটাতাম, কিন্তু তখন তো আবার এখনকার বিবাহিত জীবন সম্পর্কে ধারণা ছিল না। আমি বললাম, ‘ধরে নাও, ভ্রমণের ইচ্ছা জাগাতে, আমি যদি তার সঙ্গে কথা বলি।’

    ‘ওঃ, সোনা, সত্যিই চাই, যদি তা কেউ পারত!’

    ‘ধরে নাও, আমি পারলাম। তাহলে, তুমি কৃতজ্ঞ থাকবে।’

    অতীত স্মৃতিচারণায় তার চোখ আমার প্রতি নিবদ্ধ হল।

    ‘জর্জ,’ সে বলল, ‘যেদিন ও বলবে, আমাকে নিয়ে প্যারিস যাচ্ছে, তুমি আর আমি অ্যাসবেরী পার্কে যাচ্ছি। মনে আছে অ্যাসবেরী পার্ক?

    নিউজার্সির সমুদ্র সৈকতের সেই রিসর্ট, আমার মনে আছে কিনা? আমি কি আমার পেশীর ব্যথা ভুলতে পারি? প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ তারপর দুদিন যাবৎ আমি নাড়াতে পারিনি।

    .

    সুরাসমেত আজাজেলের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলাম, আমার জন্য বড় পেয়ালা, তার জন্য এক ফোঁটা। আজাজেল্‌ পানীয়টিকে প্রফুল্লকর ও উত্তেজক মনে করল।

    সতর্কভাবে তাকে বললাম, ‘আজাজেল্‌, তোমার ঐসব যাদুশক্তি কি সত্যিই কিছু করতে পারে, যাতে আমি চমৎকৃত হই?’

    তরল নেশায় সে আমার দিকে তাকাল ‘শুধু আমাকে বল, কী চাও! শুধু বল, তুমি কী চাও! আমি তোমাকে দেখাব, অপদার্থ হয়ে গেছি কী না, আমি তোমাকে সব দেখাব।

    মুহূর্তের জন্য আসবাব্ পালিশের লেবুর গন্ধে সে হতচেতন হচ্ছিল (চাকলা ওঠা পালিসের গন্ধ তার কাছে খুব আকর্ষণীয় আশ্চর্যজনক মনে হল)।

    সে বলেছিল, একবার নিজের জগতে সে ঐ ভাবেই অপমানিত হয়েছিল।

    আমি তাকে আরেক ফোঁটা বিয়ার দিয়ে, বেখেয়ালে বললাম, ‘আমার এক বন্ধু রয়েছে, যে একেবারে বেড়াতে যেতে চায় না। তোমার মতন প্ৰগতিশীল দক্ষ ব্যক্তির পক্ষে তার এই ভ্রমণে অরুচিকে, পরম ভ্রমণ জ্বরে রূপান্তরিত করাটা কিছুই নয়।’

    স্বীকার করতেই হবে, তার কিছুটা আগ্রহ তখনই উবে গেল।

    ‘আমি যা বলতে চাইছি,’ বাঁশির মতন আওয়াজে ও অদ্ভুত উচ্চারণের কায়দায় সে বলল, ‘যুক্তিপূর্ণ কিছু বল, যেমন আমার ইচ্ছাশক্তির জোরে দেওয়ালের কুৎসিত ছবিটা সোজা হয়ে ঝুলুক।’

    বলামাত্রই, ছবিটা অন্যদিকে বিশ্রীভাবে ঝুলে পড়ল।

    ‘হ্যাঁ, কিন্তু কেন ওভাবে ছবিটা আমি সোজা ঝোলাব?’ আমি বলি, ‘সঠিক কৌণিক ভঙ্গিতে ওটা ঝোলাতে গেলে, এখন আমাকে কত বেগ পেতে হবে!’

    ‘আমি যা চাই, তা হচ্ছে তুমি সোফোক্লেসকে ভ্রমণ বাতিকগ্রস্ত হতে অনুপ্রাণিত করবে, দরকার পড়লে পত্নী ছাড়াই!’

    এটা আমি যোগ করে দিয়েছিলাম, কেন না মনে হয়েছিল, তা হলে ফিফি শহরে রয়েছে আর সোফোেক্লস শহরের বাইরে, এমন সুবিধা পাওয়া যাবে।

    আজাজেল্ বলল, ‘ওটা সহজ নয়। ভ্রমণের প্রতি বদ্ধমূল বিতৃষ্ণা শিশুকালে নানান বিরূপ অভিজ্ঞতার কারণে, মস্তিষ্ককে পীড়িত করে। এর জন্য চাই সর্বোৎকৃষ্ট মানসিক যন্ত্রবিজ্ঞান। কেননা, এটা করা যাবে না, যেহেতু তোমাদের লোকজনদের স্থূলচিত্ত সহজে নষ্ট করা যায় না, তবে আমাকে সেই ব্যক্তিটির প্রতি নির্দিষ্ট করে দাও, যাতে তার মন বিশ্লেষণ করে অনুশীলন করতে পারি।’

    সেটা খুব সহজই ছিল। পুরাতন কলেজের সহপাঠী হিসেবে। ফিফি, আমাকে নৈশভোজনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। (কয়েক বছর আগে সে কলেজ ক্যাম্পাসে কিছুদিন কাটিয়েছিল। যদিও আমি মনে করি না, সে ক্লাস করত। সে পাঠক্রম বহির্ভূত ক্রিয়াকর্মে মগ্ন থাকত) আজাজেকে পকেটে করে নিয়ে এলাম। মাঝে মাঝে তার চিঁ চিঁ শুনছিলাম, সে চুপিসারে বিস্তারিত অঙ্কের অনুশীলন করছিল।

    ধরেই নিয়েছিলাম, সোফোক্লেস মস্কোউইটজ-এর চিত্ত অনুশীলন করছে সে। তাই যদি হয়, তবে মনে ছাপ ফেলার মতন কৃতিত্ব, কারণ সোফোক্লেসের মন এতটা প্রশস্ত ছিল না, যা বিশেষ বিশ্লেষণের দাবি রাখে, এ সত্য বুঝতে, আমাকে বেশিক্ষণ কথাবার্তা চালাতে হয়নি। বাড়ি ফিরে, আজাজেল্‌কে বললাম, ‘তাহলে?’

    তার আঁশওয়ালা ছোট্ট হাত দুলিয়ে সে বলল, ‘আমি এটা করতে পারি। তোমার কি হাতের কাছে একটা ‘বিবিধমুখী মনোগতিশীল স্নায়ুসন্নিধিকার’ রয়েছে?’

    ‘না হাতের কাছে নেই।’ আমি বললাম, ‘আমি গতকাল এক বন্ধুর কাছে ফেলে এসেছি, সে অস্ট্রেলিয়া রওনা হচ্ছিল।’

    ‘যত নির্বোধের মতন কাজ তোমার’।

    আজাজেল্‌ বলল, ‘তার মানে এখন আমায় টেবিলক্লথ হিসেব দিয়ে কাজ সারতে হবে।’

    কথা সাফল্যের সঙ্গে শেষ হওয়ার পরও তাকে কলহপ্রিয় দেখাচ্ছিল (যা সে সচরাচর করে) ‘এটা প্রায় অসম্ভবই ছিল,’ সে বলল, ‘আমার মতন উৎকৃষ্ট স্তরের লোকই এটা করতে পারত আর বড় বড় শস্যমঞ্জুরীসহ ওর মনকে আমার বর্তমান নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় নিবিষ্ট করতে হল।’

    আমি ধরে নিলাম, সে রূপক ব্যবহার করে বলছে, আর সে কথা বললামও।

    তাতে আজাজেল্‌ বলল, ‘বেশ, এটা বড় বড় শস্যমঞ্জরী হতেই পারত। এর থেকে কেউ ওর মনকে নাড়াতে পারবে না। এবার সে এমন অদম্য দৃঢ়তার সঙ্গে ভ্রমণে যেতে চলেছে যে, সে প্রায় পৃথিবী কাঁপিয়ে দেবে, আর ভ্রমণ সম্ভব করতে সেটাই চাই। সেটাই দেখাবে- ‘

    সে কর্কশ উচ্চনাদবিশিষ্ট শব্দের দীর্ঘমালা তৈরি করে ফেটে পড়ল, নিজের ভাষায়। আজাজেল্‌ কী বলল, অবশ্যই আমি বুঝলাম না। কিন্তু সুস্পষ্ট ঘটনা হল, পাশের ঘরে ফ্রিজে বরফের কিউব সব গলে গেল, যদিও আজাজেল্‌ বলেছিল, সেটার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। আমার সন্দেহ হয়, তার নিজের জগতের যারা তার চাতুর্যের অভাবের অভিযোগ জানিয়েছিল, সে তাদের ওপর নিন্দাবর্ষণ করছিল।

    এর তিনদিন বাদেই, ফিফি ফোন করল (সে ফোনে ততটা সক্রিয় নয়, যতটা সাক্ষাতে। কারণ খুব স্পষ্ট। যদিও হয়তো তুমি বুঝবে না, কারণ তোমার সহজাত অক্ষমতায় তুমি জীবনের সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলো থেকে রসগ্রহণ করতে পার না।

    তার কণ্ঠস্বরে সামান্য কাঠিন্য সম্পর্কে একজন সচেতন হতে পারে, যদি সুষমতা বজায় রাখতে, তাকে অন্য কোথাও নম্রতার কথা স্মরণ করিয়ে না দেওয়া হয়।

    ‘জর্জ,’ ফিফি বক্ করে উঠল, ‘তুমি তো ম্যাজিক! জানি না, সেদিন ডিনারে তুমি কি করেছিলে, কিন্তু কাজ হয়েছে। সোফোক্লেস আমাকে নিয়ে প্যারিস যাচ্ছে। আর, এ বিষয়ে সে ভীষণ উত্তেজিত। বল, দারুণ খবর নয়!’

    ‘দারুণ! দারুণ খবর,’ বললাম স্বাভাবিক উৎসাহে, ‘এতো পৃথিবী কাঁপানো। আমার কাছে যে ছোট্ট শপথ করেছ, এবার আমরা তা ভাবতে পারি। অ্যাসবেরী পার্কের পুনরাবৃত্তি হতে পারে, আমরা পৃথিবী কাঁপিয়ে দিতে পারি।’

    স্ত্রীলোকেরা যতই হোক, তুমি নিজেও লক্ষ্য করে থাকবে, পবিত্র চুক্তি সম্পর্কে আবেগের অভাব থাকে। তারা এ ব্যাপারে পুরুষদের থেকে একদম আলাদা। কথা রাখার প্রয়োজনীয়তার কোনো ধারাই নেই, না আছে ব্যক্তিবিশেষের মর্যাদার প্রতি অনুভূতি।

    সে বলল, ‘আমরা কালই রওনা হচ্ছি জর্জ। কাজেই এখন তো সময় হবে না। ফিরে এসে তোমায় ফোন করবো,’ বলেই ফোন রেখে দিল এবং তারপর ব্যস্। .

    তারপর তার যে খবর পেলাম, তার ফেরার পর সে ছয়মাস হয়ে গেছে। সে আমাকে আবার ফোন করল, প্রথমে তার গলার স্বর আমি চিনতে পারিনি। কেমন যেন বিভ্রান্ত, শুকিয়ে যাওয়া।

    ‘কার সঙ্গে কথা বলছি?’ স্বাভাবিক মর্যাদার সঙ্গে জিজ্ঞাসা করি। সে ক্লান্ত স্বরে জবাব দিল, ‘ফিফি ল্যাভার্ন মস্কোউইট্‌ট্জ।

    ‘ব্যুম -ব্যুম!’ আমি চিৎকার করে উঠলাম, ‘চমৎকার। তুমি ফিরে এসেছো! এক্ষুনি চলে এসো, আর আমরা-’

    সে বলল, ‘জর্জ, চুলোয় যাক। এই যদি তোমার ম্যাজিক হয়, তুমি একটা সাংঘাতিক জাল জোচ্চোর। পরে যদি তুমি মাথা নিচু করে ঝুলেও থাক, আর আমি তোমার সঙ্গে অ্যাসবেরী পার্কে যাচ্ছি না।’

    আশ্চর্য হয়ে গেলাম। ‘তোমাকে সোফোক্লেস প্যারিস নিয়ে যায়নি?’

    ‘হ্যাঁ, নিয়ে গিয়েছিল। এবার জিজ্ঞাসা কর, আমি মনের মতন কেনাকাটা করেছি কিনা!’

    আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ‘তোমার কেনাকাটি হয়েছিল?’

    ‘সে এক মজা! আমি শুরু করতেই পারিনি। সোফোক্লেস কোথাও থামেনি।’ তার স্বর ক্লান্তিতে মিলিয়ে গেল। আর আবেগের তাড়নায় ফোঁপানিতে পরিণত হল।

    ‘আমরা প্যারিসে পৌঁছে যেতেই থাকলাম। আমরা দুরন্ত গতিতে চলেছি, আর সে বাইরের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করতে করতে চলেছে। একটা ভাঙাচোরা বাড়ি তখনো তৈরি হচ্ছে, সেটা দেখিয়ে বলল, এটা হচ্ছে আইফেল টাওয়ার।’

    ‘এটা হচ্ছে, নেতারদাম! সে বলল। সে জানেই না, কিসের কথা বলছে।’

    দুজন ফুটবল খেলোয়াড় একদা আমাকে নাটকীয়ভাবে নিয়ে গিয়েছিল আর সেটা প্যারিসে নয়, সেটা হচ্ছে, ইন্ডিয়ানার সাউথ বেন্ডে।

    ‘কিন্তু কে গ্রাহ্য করে? আমরা ফ্রাঙ্কফুর্ট, বার্ন আর ভিয়েনা গেলাম। বোকাটা বলল, ভীন। স্ট্রীট বলে কি কোনো জায়গা আছে!’

    ‘ট্রিয়েস্টি’ আমি বলি, ‘হ্যাঁ আছে।’

    ‘তাহলে আমরা সেখানেও গিয়েছিলাম। আমরা কোনো হোটেলে থামিনি। সব পুরনো ফার্ম হাউসে থেমেছি। সোফোক্লেস বলেছে, বেড়ানোর সেটাই নিয়ম।

    সে বলেছে, লোকজন দেখো, প্রকৃতি দেখো। কে লোকজন দেখতে চায়, কিংবা প্রকৃতি। আমরা সাওয়ার দেখিনি, ভাল বাথরুমও নয়। এভাবে চললে গায়ে গন্ধ হয়। আমার চুলে আমি গন্ধ পাচ্ছি। এসে আমি পাঁচবার শাওয়ারের তলায় দাঁড়িয়েছি। তবু সাফ হইনি।’

    ‘আমার বাড়ি এসে আরো পাঁচটা সাওয়ার নাও,’ আমি অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণভাবে মিনতি জানালাম, ‘আর আমরা অ্যাসবেরী পার্কেও তা করতে পারি।’

    মনে হল, সে আমার কথা শুনতেই পেল না। বুঝতে পারি না, এই সামান্য কারণে, মেয়েরা কেন কালা হয়ে যায়। সে বলল, ‘সোফোক্লেস রওনা হচ্ছে আগামী সপ্তাহে, সে এবার প্রশান্ত মহাসাগর পার হবে। তারপর হংকং যাবে। সে চলেছে এক তৈলবাহী জাহাজে। তার মতে, সমুদ্র দেখার সেটাই পন্থা।’

    আমি বলেছি, ‘শোনো, ছিটিয়াল, আমি ঐ ঢিকির ঢিকির নৌকা করে তোমার সঙ্গে চায়না যাচ্ছি না। তোমাকে একাই যেতে হবে।’

    ‘খুব কাব্যিক!’ আমি বলি।

    ‘আর জানো, সে কী বলল? সে বলল, ‘বেশ তো সোনা, আমি তোমাকে ছাড়াই চলে যাবো।’ তারপর সে আরো অদ্ভুত কিছু বলছিল, যার কোনো মানেই হয় না।

    সে বলেছে, ‘জাহান্নামে যাও বা সিংহাসনেই বসো,

    যে একলা ভ্রমণ করে, সে সবচেয়ে দ্রুতগামী।

    ‘জাহান্নাম আবার কি? কেমন করেই বা ও সিংহাসনে বসবে! ওকি ভেবেছে, ও ইংল্যান্ডের রানী!’

    ‘ও নিজেকে বিগ্‌লিঙ্ ভাবছে,’ আমি বলি।

    ‘পাগলামি করো না। ওসব বুঝলাম না, আমাকে আর বলো না।

    সে জনহিতার্থে কদাচিৎ কিছু করবে। আমি বলেছি, আমি তাকে ডিভোর্স করবো, তার ধোলাই করিয়ে ছাড়বো। আর সে বলেছে, ‘নিজে নিজে ঝামেলা করবে তো করগে, গবেট কোথাকার। কিন্তু কোনো কারণ দেখাতে পারবে না, কাজেই কিছুই পাবে না সোনা।’

    আমার কাছে এখন ভ্রমণের চেয়ে প্রয়োজনীয় কিছুই নেই। তুমি সেটা নষ্ট করতে চাও? ‘সেই বদমাইসটা ভাব, আমার সঙ্গে আবার মিষ্টি মিষ্টি কথা বলতে চাইছে।’

    বন্ধু, তুমি ভুলে গেছ, আমার জন্য এটা আজাজেলের প্রথম দিককার কাজ, আর সে কোনো মাত্রা রাখতে শেখেনি। আর আমি তাকে বলেওছিলাম, সোফোক্লেস যেন মাঝে মাঝে পত্নী ছাড়া ভ্রমণে বেরিয়ে পড়ে।

    এই পরিস্থিতিতে, তাতেও সুবিধা ছিল, যা শুরু থেকেই আমার দূরদৃষ্টি বুঝেছিল। ‘ব্যুম-ব্যুম’ আমি বলি, ‘বরং আমরা ডিভোর্স নিয়ে কথা বলি, আর ইতিমধ্যেই অ্যাসবেরী-’

    ‘আরে তুমি যাচ্ছেতাই, ন্যাক্কারজনক লোক! ম্যাজিক কিংবা যা কিছুই করে থাক, আমার কিছু যায় আসে না। আমার জীবন থেকে দূরে থাক, কারণ আমি একজনকে জানি, তাকে বললেই, সে তোমাকে প্যানকেকের মতন চ্যাপ্টা করে দেবে। সে ম্যাজিক জানে, সব কিছু করতে পারে।’

    আমার আশঙ্কা, ব্যুম্-ব্যুম্ চলেই গেছে। উন্নত বক্ষ, যদিও তাকে আমি সেভাবে চাইনি, তবু তার দেহ সৌষ্ঠব আর ভঙ্গিমা আমার পরিচিত থাকায়, প্রত্যাশাও ছিল।

    .

    আজাজেল্‌কে ডাকলাম। যদিও সে চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সে যা করেছে, তাকে ফিরিয়ে নেওয়া তার সাধ্যে ছিল না। আর ব্যুম ব্যুম্ কে আমার সম্বন্ধে আর একটু বিবেচক করার প্রস্তাব। আজাজেল্‌ সরাসরি নাকচ করল।

    সে বলল, সেটা যে কারো পক্ষেই বাড়াবাড়ি হয়ে থাকে। বুঝি না কেন?

    যাই-ই হোক আমার জন্য আজাজেল্ সোফোক্লেসের খবর রেখেছিল। লোকটির বাতিক বেড়েছিল। সে কন্টিনেন্টাল ডিভাইড সাঁতরিয়ে পার হয়েছিল।

    নীল নদের ওপরে স্কী করে সরাসরি চলে গিয়েছিল ভিক্টোরিয়া হ্রদে। অ্যান্টার্কটিকা অতিক্রম করেছিল হস্তচালিত গ্লাইডারে চেপে

    ১৯৬১ তে যখন প্রেসিডেন্ট কেনেডি ঘোষণা করল, সেই দশকের শেষে চাঁদে পা দেওয়া হচ্ছে, আজাজেল্ বলল, ‘আবার কাজ শুরু করতে, এটা আমারই সৃষ্ট বিন্যাস।’

    আমি বলি, ‘তার মানে বলতে চাও, সোফোক্লেসের মস্তিস্কে তুমি প্রেসিডেন্টকেও প্রভাবিত করার ও এই মহাকাশ অভিযানে অংশগ্রহণ করার ক্ষমতা ঢুকিয়ে দিয়েছ?’

    ‘সে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এটা করবে না,’ আজাজেল্ বলল, ‘কিন্তু আমি তো বলেইছি, বিন্যাসটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে কাঁপিয়ে দেওয়ার মতন শক্তিশালী।’

    আর, সোফোক্লেস চাঁদে পাড়ি দিয়েছিল। মনে আছে এপোলো-১৩র কথা? ১৯৭০-এ চাঁদে পাড়ি দেওয়ার পথে, মাঝপথে ভেঙে পড়েছিল। মহাকাশচারী সমেত সেটা আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে।

    আসলে, সোফোক্লেস, একটা ভাঙা টুকরোয় চেপে চাঁদে পৌঁছে গিয়েছিল, অবশিষ্টাংশ মহাকাশচারীসমেত পৃথিবীতে ফেরত আসে, এটা ছাড়া অন্য ভাল কিছু করা সম্ভবও ছিল না।

    সেই থেকে সোফোক্লেস চাঁদেই রয়ে গেছে। বেড়াচ্ছে চন্দ্রপৃষ্ঠে। সেখানে বাতাস নেই, খাবার নেই, জল নেই। কিন্তু তাতে কি! অবিরত ভ্রমণের উপযোগী বিন্যাস ঠিকমতো কাজ করে চলেছে, তার ভালমতন দেখাশোনা করছে। আসলে, আরো কিছু সক্রিয় হয়ে, তাকে হয়তো মঙ্গল গ্রহে বা অন্য কোথাও নিয়ে যাবে।

    জর্জ বিষণ্ণভাবে মাথা নাড়ল, ‘পরিহাস, অদৃষ্টের পরিহাস!’

    ‘পরিহাস কেন?’ আমি বলি।

    ‘দেখতে পাচ্ছ না! বেচারি সোফোক্লেস মস্কোউইটজ ‘ওয়ান্ডারিং জু’-এর নবীন ও উন্নত সংস্করণ আর পরিহাস হল, সে একেবারেই গোঁড়া নয়।’

    জর্জ বাঁ হাত দিয়ে চোখ ঢাকল আর ডান হাত দিয়ে ন্যাপকিন খুঁজতে লাগল। খুঁজতে খুঁজতে দৈবক্রমে সে দশ ডলারের নোটটা তুলে নিল, যেটা আমি বেয়ারাকে বখ্শিশ দেবো বলে টেবিলের ধারে রেখেছিলাম। ন্যাপকিন দিয়ে চোখ মুছল, কিন্তু সেই দশ ডলার নোটের কী হল, জানতে পারলাম না। শূন্য টেবিল রেখে, সে ফোঁপাতে ফোঁপাতে বেরিয়ে গেল।

    আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে, আরেকটা দশ ডলারের নোট রেখে দিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক ফেয়ারি টেইল – অৎসুইশি
    Next Article I, রোবট – আইজাক আসিমভ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }