Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আজাজেল্‌ – আইজাক আসিমভ

    লেখক এক পাতা গল্প281 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সঙ্গীতের এক রজনী

    যেমন ঘটে থাকে, আমার এক বন্ধু রয়েছে, যিনি মাঝে মাঝেই ইঙ্গিত দেন সীমাহীন নিদ্রা থেকে তুলে, তিনি আত্মা সকল আহ্বান করতে পারেন। অন্ততপক্ষে একটি আত্মা। এক ক্ষুদ্র আত্মা যার শক্তি সীমিত। তিনি মাঝেমধ্যে বলে থাকেন, অবশ্য তখনই, যখন স্কচ ও সোডার চতুর্থগ্লাসে পৌঁছান। এটি একটি স্পর্শকাতর সমতা রক্ষার বিষয়। তিনগ্লাস ও তিনি, আত্মা (অতি প্রাকৃত প্রকারে) সম্পর্কে কিছুই জানেন না। পাঁচ গ্লাস ও তিনি নিদ্রায় ঢলে পড়েন।

    আমার মনে হয়েছিল, সে সন্ধ্যায় তিনি সঠিকমাত্রায় পৌঁছেছিলেন, সে জন্য বললাম, ‘আপনার সেই আত্মাকে মনে পড়ে?’

    পানীয়ের দিকে তাকিয়ে জর্জ বলেন, ‘হ্যাঁ,’ যেন, কেন মনে করা দরকার, সে সম্পর্কে তিনি বিস্মিত।

    ‘না, আপনার পানীয়ের কথা বলছি না,’ আমি বললাম, ‘সেই যে দুই সে.মি. লম্বা ছোট্ট আত্মা, যার সম্বন্ধে বলেছিলেন, অন্য কোনো অস্তিত্ব থেকে তাকে আহ্বান করে এনেছেন। এমন একজন, যার অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে।

    ‘আ:’ জর্জ বললেন, ‘আজাজেল্।’ অবশ্য এটা তার নাম নয়। তার প্রকৃত নাম উচ্চারণ করতে পারলাম না। আমার ধারণা, তাকে আমি এই নামেই ডাকি, এই নামেই মনে রাখি।’

    ‘তাকে কি আপনি খুব বেশি ব্যবহার করেন?’

    ‘না, বিপজ্জনক। অত্যন্ত বিপজ্জনক। সব সময়ে শক্তির মোকাবিলা করতে সাধ যায় ঠিক। কিন্তু আমি নিজে সতর্ক, ভুলেও অসতর্ক হই না। আপনি জানেন, আমার নীতিবোধের মাত্রা উচ্চস্তরের। সে জন্য একবার এক বন্ধুকে সাহায্য করতে, তাকে আহ্বান করার প্রয়োজন অনুভব করেছিলাম।

    ‘কি ঘটেছিল?’

    ‘বোধকরি আমার বুক হাল্কা করার প্রয়োজন পড়েছে।’ চিন্তিতভাবে জর্জ বললেন, ‘না বলতে পেরে চিত্ত কলুষিত হতে শুরু করেছে- আমার বয়স তখন অনেকটাই কম, আর সেই সময়ে, নারী মানেই পুরুষের জীবনে এক বিশেষ ভূমিকা। এখন ভাবলে মুর্খামি মনে হয়, কিন্তু পিছু ফিরে তাকালে, আমি পরিষ্কার মনে করতে পারি, সে সময়ে বিশেষ একটি নারী পৃথক অর্থ নিয়ে প্রতিভাত হতো।

    আসলে সব মেয়েই হয়তো মোটামুটি এক ধাতুতে গড়া, তবু সেই সব দিনগুলোতে, আমার এক বন্ধু ছিল মর্টেনসন, অ্যান্ড্রু মর্টেনসন। আমার মনে হয় না আপনি তাকে চিনবেন। গত কয়েক বছরে আমিও তাকে দেখিনি বিশেষ।

    কথা হচ্ছে, সে বিশেষ একটি নারী সম্পর্কে আপ্লুত ছিল। তার চোখে মেয়েটি ছিল দেবদূতী। সে তাকে ছাড়া বাঁচবে না। এই ধরায় একমাত্র, অদ্বিতীয়া এবং সুস্বাদু খাদ্য চরকার তেলে ডোবালে যে অবস্থা হয়, মেয়েটি বিহনে তার জীবনেরও তদনুরূপ পরিণতি ঘটবে। আপনি জানেন, এভাবেই প্রেমিকেরা মনের ভাব ব্যক্ত করে থাকে।

    মুশকিল হল, মেয়েটি তাকে ছুঁড়ে ফেলে দিল এবং আপাতদৃষ্টিতে অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে, ত র আত্মাভিমানকে এতটুকু মর্যাদা না দিয়ে। মেয়েটি তাকে ঘোরতর অপমান করল তার নাকের ডগা দিয়ে, চোখের সামনে দিয়ে অন্য একজনের হাত ধরে চলে গেল। মর্টেনসনের চোখের জলের পরোয়া করল না সে।

    আক্ষরিক অর্থে এভাবেই ঠিক বলতে চাইছি না, মর্টেনসন আমাকে যেমন ধারণা দিয়েছিল,’ আমি সেটাই উপস্থাপন করতে চাইছি। এই ঘরেই সে আমার সঙ্গে পান শুরু করেছিল। বন্ধুর জন্য আমার তখন বুকে রক্তক্ষরণ, বললাম, ‘দুঃখিত মর্টেনসন। তুমি এভাবে ভেঙো না। যখন তুমি মেয়েটি সম্পর্কে ভাবনা বন্ধ করে দেবে, দেখবে সে সাধারণ একটি মেয়ে মাত্র। পথের দিকে তাকাও সারে সারে মেয়ে চলেছে।’

    সে তিক্ত স্বরে বলল, ‘এখন তো আমি চাই রমণীবিহীন অস্তিত্ব। অবশ্যই আমার স্ত্রী ব্যতীত, যাকে আমি যখনতখন, কখনোই এড়িয়ে যেতে পারি না। শুধুমাত্র প্রতিদানে যদি মেয়েটির জন্য কিছু করতে পারতাম।’

    বললাম, ‘তোমার স্ত্রীর প্রতি?’

    ‘না-না, আমি কেন স্ত্রীর প্রতি কিছু করতে চাইব? আমি সেই নারীর কথা বল’ ই, যে আমাকে নির্দয়ভাবে ছুঁড়ে ফেলেছে।’

    ‘কার মতন?’

    ‘চুলোয় যাক… যদি নিজেই জানতাম!’ সে বলল।

    ‘হয়তো, আমি তোমার সাহায্যে আসতেও পারি,’ আমি বললাম, কারণ তখনে। আমার অন্তরে রক্তক্ষরণ হয়ে চলেছে। ‘আমি এক আত্মাকে ব্যবহার করতে পারি, যার অলৌকিক অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে, যদিও ক্ষুদ্র আত্মা।’ আমি একটা আঙুল আর বুড়ো আঙুল দিয়ে ইঞ্চিখানেক মাপ দেখালাম যাতে তার নিশ্চিত ধারণা জন্মায়। বললাম, ‘সেই কিন্তু কিছু করতে পারবে’

    আমি তাকে আজাজেলের কথা বললাম, ও বিশ্বাস করল। আমি প্রায়ই লক্ষ্য করেছি, আমি যখন কোনো গল্প বলি, শ্রোতার দৃঢ় প্রত্যয় জন্মায়। কিন্তু মশাই, আপনি যখন গল্প বলেন, ঘরে যে অবিশ্বাসের বাতাস নামে, তা এতই পুরু, যে কঠিন করাত দিয়ে কাটতে হবে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে তা নয়। নৈতিক দৃঢ়তার এবং এক ঝলক সততা ও স্বচ্ছতার কাছে কিছুই লাগে না।

    যখন আমি বললাম, মর্টেনসনের চোখ জ্বলজ্বল করে উঠল। সে বলল, ‘সে যদি মেয়েটিকে কিছু দিতে চায়, তার বন্দোবস্ত করতে আমার সাহায্য পাওয়া কি সম্ভব?’

    ‘যদি সত্যিই উপহারযোগ্য কিছু হয় মশাই। আশা করি, মেয়েটির শ্বাসে দুর্গন্ধ আনা অথবা কথা বলার সময় ব্যাঙ বেরিয়ে আসার মতন কোনো কিছু করার কথা আপনি মনে আছেন না।

    ‘নিশ্চয় নয়,’ সে ফুঁসে উঠল।

    ‘আপনি আমাকে কী মনে করেন! যতই হোক ও আমাকে দুটি সুখী বছর উপহার দিয়েছিল। আমি তার উপযুক্ত প্রতিদান দিতে ইচ্ছা করি। আপনি বলেন, আপনার আত্মার শক্তি সীমিত।’

    ‘সে এই একরত্তি।’ আমি বলি, আমার তর্জনী আর মধ্যমা ফাঁক করে দেখাই। ‘ওই আত্মা মেয়েটিকে সর্বোৎকৃষ্ট কণ্ঠস্বর দিতে পারে? কোনো একটু সময়ের জন্য! অন্ততপক্ষে একটি অনুষ্ঠানে গাইতে।’

    ‘আমি ওকে জিজ্ঞেস করে দেখব।’

    মর্টেনসনের প্রস্তাব সজ্জনসুলভ বলেই মনে হল (তার পূর্ব প্রণয়িনী স্থানীয় গীর্জায় গান গাইতো), এটিই যদি যথার্থ চুক্তি হয়। সে সব দিনে, সত্যিই আমার সুরের কান ছিল, আর প্রায়ই ঐ সব জায়গায় যেতাম (অবশ্যই কালেকশন বক্স থেকে দূরে থেকে)। আমি বরং তার গান উপভোগ করতাম এবং মনে হতো শ্রোতাগণ বিনয় সহকারে গ্রহণ করছে। সে সময়ে মনে হতো, মেয়েটির নীতিবোধ পরিপার্শ্বের সঙ্গে মানাচ্ছে না। কিন্তু মর্টেনসন বলত, সঙ্গীত পরিবেশনে মেয়েটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    অতএব আমি আজাজেলের সঙ্গে পরামর্শ করলাম। সাহায্য করতে সে সর্বতোভাবে উৎসুক ছিল। আপনি জানেন, কেউই বিনিময়ে আমার আত্মা দাবি করল না। আমার মনে পড়ে, একবার আজাজেল্‌কে বলেও ছিলাম, যদি সে আমার আত্মা চায়। সে জিজ্ঞেস করেছিল, সেটা আমার কি? সেটা যে কী তাতো আমি নিজেও জানতাম না। শুধু বলা যায়, এই আত্মা তার নিজের জগৎ থেকে আমাদের জগতে তার প্রভাব ছড়িয়ে বিরাট সাফল্য অর্জন করতে চাইছিল। তার ইচ্ছা, সে সহায় হবে।

    ওই আত্মার বক্তব্য, সাফল্যের সঙ্গে সে তিন ঘণ্টা পার করে দেবে, আর মর্টেনসনকে সে সংবাদটা দিতে, সে বলল, ‘চমৎকার।’

    আমরা একটা রাত বেছে নিলাম, যে রাতে মেয়েটি বাক্ বা হ্যান্ডেলের শাস্ত্রীয় সঙ্গীত অথবা পিয়ানোর কোনো প্রাচীন ধূন গাইতে চলেছে এবং দীর্ঘ সময়ব্যাপী একক সঙ্গীত পরিবেশনের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাচ্ছে।

    সে রাতে, মর্টেনসন গীর্জায় গেল এবং অবশ্যই আমিও। যা ঘটতে চলেছে, তার জন্য নিজেকেই দায়ী ভাবছিলাম এবং মনে করলাম, পরিস্থিতির তত্ত্বাবধান আমার করাই মঙ্গল।

    বিষাদগ্রস্ত মর্টেনসন বলল, ‘আমি মহড়ায় গিয়েছিলাম, ও তো যেমন গায় তেমনই গাইছিল। জানেন মনে হচ্ছিল সে এক লেজবিশিষ্ট এবং কেউ তার লেজ মাড়িয়ে দিয়েছে। ঠিক এইভাবে অবশ্য মর্টেনসন মেয়েটির কন্ঠস্বর বাখ্যা করেনি। অবশ্য যদিও তাকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, যাতে পুরুষ বুদ্ধিভ্রষ্ট হতে পারে।

    আমি তার দিকে নিন্দার দৃষ্টি হানলাম। ‘একজন মহিলা সম্পর্কে এমন উক্তি করো না। বিশেষ করে তাকে যখন মহান দান দিতে চলেছ।’

    ‘ঠিক তাই! আমি চাই তার কণ্ঠস্বর হোক নিখাদ। সম্পূর্ণ শুদ্ধ। এখন আমার চোখ থেকে ভালবাসার কুয়াশা উঠে গেছে, আমি দেখছি, ওকে অনেক দূরে যেতে হবে এখনো। তোমার কি মনে হয়, ওই আত্মা এটা করে উঠতে পারবে?’

    ‘কিন্তু রাত ৮-১৫ মিনিটের আগে পরিবর্তন আসবে না।, একটা সন্দেহের ছুরি আমাকে আঘাত করল, ‘তুমি তো এমন চাইছ না, যে শুধু মহড়ার সময় তার কণ্ঠস্বর পরম শুদ্ধ হোক আর মূল অনুষ্ঠানের সময় শ্রোতারা হতাশ হোক! ‘

    ‘তুমি আমাকে ভুল ভাবছ,’ সে প্রতিবাদ করল।

    যাই হোক, অনুষ্ঠান শুরু হল এক মিনিট আগে। শুক্লবসনা মেয়েটি গান গাইতে উঠল, ঠিক রাত ৮-১৫ মিনিটে। আমার পকেট ঘড়ি দুমিনিটের বেশি এদিক ওদিক করে না।

    মেয়েটি ছোটখাটো গায়িকা ছিল না। সুরের মাত্রায় মাধুর্য ছিল, অনুরণনের বিস্তার ছিল, উচ্চগ্রামে পৌঁছলে অর্কেস্ট্রার সুরকে ছাপিয়ে যেতে পারত। যখন সে গানের সঙ্গে তাল রাখতে, প্রশ্বাস নিতে কয়েক গ্যালন বাতাস গ্রহণ করত, তখন আমি বুঝতে পারতাম মর্টেনসন তার মধ্যে দেখেছিল এক পোশাকসর্বস্ব নারীকে।

    ও তার চিরাচরিত স্বরগ্রামে গান শুরু করল এবং ঠিক ৮-১৫ মিনিটে মনে হলো আরেকটি কণ্ঠ যোগ দিয়েছে আমি যেন দেখলাম, মেয়েটি ছোট্ট একটি লাফ দিল। যেন কী শুনছে, নিজেই বুঝতে পারল না। যে হাতে মাইক ধরা ছিল, হাতটি কেঁপে উঠল। ওর কণ্ঠস্বর এত উচ্চগ্রামে পৌঁছেছে, যেন সে নিজেই একটা অর্গান, যা পরম শুদ্ধ সুর লয় তালে বেজে চলেছে। প্রতিটি অনুনাদ যথাযথ। সেই মুহূর্তে যেন অনন্য কোনো নবীন সুরের মূর্ছনা জন্ম নিল আর একই তালে লয়ে। একই গুণ মানের বাকি সুর মূর্ছনা সকল যেন মূল সুর মুর্ছনার অশুদ্ধ প্রতিফলন। প্রতিটি নাদ যথাযথ স্পন্দনে সুর সুধার অনুরণন। কণ্ঠস্বরের ওঠা-নামা স্পন্দিত হচ্ছে বলিষ্ঠ কুশলী নিয়ন্ত্রণে।

    প্রতিটি নাদে ওর সুরেলা কণ্ঠ উৎকৃষ্ট থেকে উৎকৃষ্টতর হয়ে চলেছে। অর্গান বাজিয়ের আর বাজনার দিকে মন নেই। সে শুধু ওরই দিকে তাকিয়ে রয়েছে। শপথ করে বলতে পারব না, তবে মনে হয় সে বাজনা থামিয়ে দিল। যদি সে বাজিয়ে চলতও, তবু তার বাজনা আমি শুনতে পেতাম না। যখন ও গাইছিল, আপনার অন্য কিছু শোনার উপায়ই ছিল না। কিচ্ছু না, শুধু ওর গান ছাড়া। ততক্ষণে ওর নিজের মুখ থেকেও বিস্ময়ের ছাপ অন্তর্হিত, নয়নে ঘনিয়েছে মহিমময় দৃষ্টি। তার গানের সঙ্গে আর বাজনার প্রয়োজন পড়ছে না। কণ্ঠে সুর খেলছে আপনিই, কোনো নির্দেশ বা নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই। সঞ্চালক স্থাণুবৎ আর সমবেত সঙ্গীত গাইয়ের দল একদম মূক।

    একক সঙ্গীত সমাপ্ত হল। সমবেত সঙ্গীত তখন সকলের কানে যেন ফিসফিসানি। গানের দল, তাদের কণ্ঠস্বরের জন্য লজ্জিত হয়ে পড়েছে। একই রাতে একই গীর্জায়, গীত পরিবেশনে তারা বিব্রত।

    পরবর্তী সমগ্র অনুষ্ঠানই ছিল ওর। সে যখন গাইছিল, তখন শুধু তার কন্ঠস্বরই শ্রবণগ্রাহ্য ছিল। অন্য সব কণ্ঠস্বর পুরোপুরি নিস্তব্ধ। সে যখন গাইছিল না, শ্রোতাদের মনে হচ্ছিল তারা সবাই অন্ধকারে ডুবে রয়েছে, আলোর অভাব তখন অসহ্য লাগছিল।

    আর যখন অনুষ্ঠান একেবারে শেষ হল, আপনি কি জানেন, গীর্জায় করতালি দেওয়া নিয়মবিরুদ্ধ। কিন্তু করতালি পড়তে লাগল। গীর্জায় উপস্থিত প্রত্যেকে এক সঙ্গে উঠে দাঁড়াল, যেন তাদের পা পুতুলনাচের দড়ি দিয়ে এক সঙ্গে বাঁধা। তারপর করতালির পর করতালি। স্পষ্ট বোঝা গেল শ্রোতারা সারারাত করতালি দেবে, যতক্ষণ না মেয়েটি আবার গাইছে।

    ও আবার শুরু করল, একক কণ্ঠস্বরে, আবহসঙ্গীত তখন দ্বিধাগ্রস্ত মেজাজের মৃদু সুরে বাজছে। ওর ওপর জোর স্পট লাইটের আলো পড়ছে। সমবেত গাইয়ের দলকে দেখাই গেল না। কোনো প্রয়াসের প্রয়োজন হচ্ছিল না ওর।

    আপনি ধারণা করতে পারবেন না, কোনো চেষ্টা ছাড়াই কি সাবলীল ছিল সেই সঙ্গীত। আমি নিজের কানে মোচড় দিলাম, ওই স্বর ছাপিয়ে লক্ষ্য করতে লাগলাম ওর শ্বাসপ্রশ্বাসের ওঠানামা। আশ্চর্য হলাম, এক নাদে উচ্চগ্রামে সুর ধরে রাখতে, তার দুজোড়া ফুসফুস কী কসরতে বাতাসের যোগান দিতে পারছে। কিন্তু তাকে থামতেই হল। এমন কি করতালিও থামল। আর তখনই খেয়াল করলাম, মর্টেনসন চকচকে চোখে বসে রয়েছে তার সমস্ত স্বত্তা দিয়ে সঙ্গীতে মগ্ন হয়ে। তখনই উপলব্ধি করলাম, কী ঘটে গেছে!

    আমি তো সত্যি বলতে গেলে, ইউক্লিডীয় জ্যামিতির সরলরেখা মাত্র। কোনো রকম বক্র তঞ্চকতা আমার মধ্যে ছিল না। তাই আমি বুঝতেই পারিনি মর্টেনসনের মতলব কী ছিল!

    মেয়েটি পরম শুদ্ধ স্বরে গেয়েছে, কিন্তু আর কখনো সে এমনটি পারবে না। যেন মেয়েটি জন্মান্ধ ছিল, তিন ঘণ্টার জন্য তার চোখে আলো এল। চারপাশের বস্তু, বর্ণ, আকার, আশ্চর্য সব কিছু ঘিরে আছে আমাদের। এসব দেখতে আমরা অভ্যস্ত, দেখতে যে পাচ্ছি সে সম্পর্কে সচেতন নই। কিন্তু আপনি মনে করুন, আপনি পূর্ণ গৌরবে সব কিছু দর্শন করলেন মাত্র তিন ঘণ্টার জন্য, তারপর আবার অন্ধ হয়ে গেলেন।

    আপনি অন্ধত্ব সহ্য করতে পারতেন, যদি কখনো দেখতে না পেতেন। কিন্তু সংক্ষিপ্ত সময়ে জ্ঞান লাভ করে, আবার অজ্ঞানে ফেরা? কেউ পারে নাকি?

    ঐ নারী অবশ্যই আর কখনোই গায়নি। কিন্তু এটি গল্পের একটি অংশ মাত্র প্রকৃত বিয়োগান্ত নাটক ছিল আমাদের জন্য, সব শ্রোতাদের জন্য। আমরা তিন ঘণ্টা ব্যাপী প্রকৃত সঙ্গীতের মাধুর্য উপভোগ করেছি। আপনি কি মনে করেন, ঐ অনন্য সঙ্গীত ছাড়া অন্য কোনো গান শোনা আমাদের সহ্য হবে!

    আমি তখন থেকে সুরবধির। হালে একটা রক সঙ্গীতের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। ইদানীং তা এত জনপ্রিয়, শুধুমাত্র নিজেকে পরীক্ষা করতে। বিশ্বাস করবেন না, একটি সুরও কানে লাগল না। সব কিছুই হট্টগোল।

    আমার একমাত্র সান্ত্বনা ছিল মর্টেনসন। সে অতি উৎসাহভরে, শ্রেষ্ঠ মনোযোগ দিয়ে শুনেছে, কিন্তু শ্রোতা সকলের মধ্যে নিকৃষ্টতম। কারণ সে সবসময় কানে ইয়ারপ্লাগ পরে থাকে। চুপি চুপির ঊর্ধ্বে, উচ্চগ্রামের শব্দ সে সহ্য করতে পারে না।

    উচিত শিক্ষা হয়েছে তার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক ফেয়ারি টেইল – অৎসুইশি
    Next Article I, রোবট – আইজাক আসিমভ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }