Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আজ আমি কোথাও যাব না – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প134 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. মানুষটাকে চেনা চেনা লাগছে

    মানুষটাকে চেনা চেনা লাগছে। কিন্তু ঠিকমতো চেনা যাচ্ছে না। তার কী নাম, তার সঙ্গে কোথায় দেখা হয়েছে কিছুই মনে পড়ছে না। শামসুদ্দিন অস্বস্তি নিয়ে তাকিয়ে আছেন। তাঁর সামনে দাঁড়ানো মানুষটা রীতিমতো সুটেট বুটেট। সোনালি রঙের ব্লেজার, লাল টাই। মাথায় হালকা নীল রঙের ক্যাপ। সোনালি ফ্রেমের সানগ্লাসে চোখ ঢাকা।

    মানুষটা শামসুদ্দিনের পা ছুঁয়ে সালাম করল। বিনীত ভঙ্গিতে হাসল। শামসুদ্দিন খুবই বিব্রত বোধ করছেন। সুটেট-বুটেট ধরনের কারো সঙ্গে তার পরিচয় আছে বলেই মনে পড়ছে না।

    চাচাজি, আমাকে চিনেছেন?

    না।

    সানগ্লাসটা খুললে চিনবেন। সানগ্লাস পরা থাকলে মানুষকে চেনা যায় না। সিনেমার নায়ক-নায়িকারা এই জন্যে সানগ্লাস পরে থাকে। পাবলিক চিনতে পারে না।

    লোকটা সানগ্লাস খুলে হাসিমুখে তাকিয়ে বলল, এখন চিনেছেন?

    না।

    সুটেট বুটেট মানুষটাকে খুবই আনন্দিত মনে হলো। যেন তাকে চিনতে না পারা খুবই আনন্দময় ঘটনা।

    মাথার টুপিটা খুললে হয়তো চিনবেন। আমি জয়নাল। একসঙ্গে ভিসা পেয়ে গেলাম।

    বলো কী! তুমি জয়নাল!

    আপনি যে আমাকে চিনতে পারেন নি এতে আপনাকে কোনো দোষ দেয়া যায় না। আমি নিজেই আজ সকালে নিজেকে চিনতে পারি নি। আয়নার সামনে দাড়িয়ে ক্যাপটা মাথায় দিয়ে হতভম্ব। আয়নায় যাকে দেখা যাচ্ছে লোকটা কে? Who is him? চাচাজি ইংরেজি কি ঠিক আছে? Who is him.

    Who is he হবে।

    ভুলভাল যাই হোক ইংরেজি বলে যাচ্ছি। ভাষাটা সরগর হয়ে থাক। আমেরিকানরা বুঝতে পারলেই হলো। আমার যুক্তিটা হচ্ছে চাচাজি, তোরা যখন আমাদের দেশে আসিস তখন তো বাংলা বলতে পারিস না–আমরা ভুলভাল যাই বলি তোদের ভাষাতেই বলি। ঠিক না?

    হ্যাঁ ঠিক। জয়নাল বসো। তোমাকে দেখে ভালো লাগছে।

    জয়নাল বসতে বসতে বলল, আমার ড্রেসটা কেমন হয়েছে চাচাজি?

    খুবই ভালো।

    জুতা বাদ দিয়ে কমপ্লিট ড্রেসে কত খরচ পড়েছে একটু আন্দাজ করেন তো? দেখি আপনার আন্দাজ।

    এইসব বিষয়ে আমার একেবারেই আন্দাজ নাই। পাঁচ-ছয় হাজারের বেশি তো হবেই।

    জয়নাল হাসি মুখে বলল, সর্বমোট ছয়শ একুশ টাকা খরচ পড়েছে। এর মধ্যে মার্কেটে যাতায়াতের আপ এন্ড ডাউন খরচ ধরা আছে। দুকাপ চা খেয়েছি, একটা সিঙ্গাড়া খেয়েছি, সেই খরচও আছে। তিন টাকা দিয়ে একটা বেনসন সিগারেটও কিনেছি। সব মিলিয়ে ছয়শ একুশ। আমার কথা বিশ্বাস করা না করা এখন আপনার ব্যাপার।

    কোত্থেকে কিনলে?

    আপনাকে নিয়ে যাব। আজই নিয়ে যাব। বঙ্গবাজার থেকে কিনেছি। আপনার জন্যেও কাপড়-চোপড় দেখে এসেছি। আমেরিকার মতো দেশে যাচ্ছেন। নেংটি পরে তো যেতে পারবেন না। আপনি তো আর মহাত্মা গান্ধি না যে খালি গায়ে নেংটি পরে প্লেন থেকে নামবেন। Coming down from the plane with goat, without cloth, only নেংটি। চাচাজি নেংটি ইংরেজি কী?

    নেংটির ইংরেজি হলো loin cloth।

    জয়নাল বিস্মিত হয়ে বলল, আপনি তো ইংরেজিতে মারাত্মক। নেংটির যে ইংরেজি আছে এইটাই আমি জানতাম না।

    শামসুদ্দিন আন্তরিক গলায় বললেন, চা খাবে জয়নাল? ছেলেটার আনন্দ ঝলমল মুখ দেখতে তার ভালো লাগছে।

    জয়নাল বলল, চা অবশ্যই খাব। চলুন চা খেয়ে বের হয়ে পড়ি।

    কোথায়?

    কী বললাম একটু আগে? বঙ্গবাজার যাব। We go to bengali bazar।

    আজই কিনতে হবে?

    অবশ্যই। দুটা ওভারকোট দেখে এসেছি। গায়ে দিয়ে বরফের চাং-এর উপর শুয়ে থাকলেও কিছু হবে না। উল্টা ওভারকোটের গরমে আপনি ঘামবেন। গরমের চোটে সর্দি গর্মি হয়ে যেতে পারে। চাচাজি, আপনার কাছে সুই-সুতা আছে? হলুদ সুতা লাগবে।

    কেন বলো তো?

    ব্লেজারের একটা বোতাম খুলে গেছে। বোতাম লাগাতে হবে। ব্লেজার, টপি, টাই সৰু আপনার এখানে রেখে যাব। কোনো অসুবিধা আছে?

    না, অসুবিধা নাই। আমার এখানে রাখবে কেন?

    আর বলবেন না–আমি যেখানে থাকি গতরাতে সেখানে চুরি হয়েছে। আমার স্যুটকেস নিয়ে চলে গেছে। আল্লাহপাকের অসীম রহমত পাসপোর্টটা সুটকেসে ছিল না। একবার ভেবেছিলাম স্যুটকেসে রাখি। যদি রাখতাম উপায়টা কী হতো বলেন দেখি? আমেরিকান ভিসা লাগানো পাসপোর্ট বাজারে পাঁচ লাখ টাকায় বিকিকিনি হয়।

    কী বলল তুমি?

    যা বলছি একশ ভাগ খাঁটি কথা বলছি। Hundred percent truth speaking। জাপানি ভিসা লাগানো পাসপোর্ট বিকিকিনি হয় ছয় লাখে। ওদেরটা এখন একটু বেশি দাম যাচ্ছে।

    ভিসা লাগানো পাসপোর্ট দিয়ে কী করা হয়?

    পাসপোর্টের ছবি পাল্টে অন্য ছবি বসিয়ে দেয়া হয়। এমনভাবে কাজটা করা হয় যে কার বাপের সাধ্যি কিছু বুঝে। মনে করুন, আপনি আপনার পাসপোর্টটা বিক্রি করে দিলেন খোদেজা বেগমের কাছে। পাসপোর্টে আপনার ছবি পাল্টে লাগানো হবে খোদেজা বেগমের ছবি। এই পাসপোর্ট দেখিয়ে খোদেজা বেগম চলে যাবে আমেরিকায়। সে সেখানে এক সময় না এক সময় সিটিজেন হয়ে যাবে। তারপর সে তার আত্মীয়স্বজন একে একে আমেরিকায় টানতে শুরু করবে।

    এরকম হয় নাকি?

    অবশ্যই হয়। হয় এবং হবে। আমি সবই জানি। গত নয় বছর তো এইটা নিয়েই আছি, জানব না কেন বলুন! চাচাজি, চা আর সুই-সুতা তাড়াতাড়ি নিয়ে আসুন। বঙ্গবাজার চলে যাই। বঙ্গবাজার থেকে যাব ট্রাভেল এজেন্সিতে। আমার দূরসম্পর্কের এক মামা ট্রাভেল এজেন্সিতে কাজ করেন। সবচে কম দামে টিকিটের ব্যবস্থা করে দেবেন। বুকিং দিয়ে রাখি। বুকিং দিতে টাকা পয়সা লাগবে না।

     

    ওভারকোট পাওয়া গেল না। বিক্রি হয়ে গেছে। জয়নালের মেজাজ খুবই খারাপ। দুটা গোলাপি রঙের মাফলার অবশ্যি কেনা হলো। তাতেও জয়নালের খুঁতখুঁতানি।

    বুঝলেন চাচাজি, গোলাপি রঙের মাফলার কেনা ঠিক হয় নি। আমেরিকায় গোলাপি হলো মেয়েদের রঙ।

    শামসুদ্দিন খুবই বিস্মিত হয়ে বললেন, মেয়েদের রঙ বলে আলাদা কিছু আছে নাকি?

    আমেরিকায় আছে। আমেরিকায় গোলাপি হলো মেয়েদের রঙ, নীল হলো ছেলেদের রঙ। বড়ই আজিব দেশ।

    তাই তো দেখছি।

    এখন আর কী দেখছেন–কেনেডি এয়ারপোর্টে পা দেবার পর মাথা ঘুরে। ধরাস করে পড়ে যাবেন। প্রতি সেকেন্ডে সেখানে একটা করে বিমান আকাশে উড়ছে, একটা নামছে। কম্পিউটার সব কনট্রোল করছে বলে রক্ষা। নিউ ইয়র্কের রাস্তাঘাটের এমন অবস্থা যে আমেরিকানদেরও মাথা আউলা হয়ে যায়। অন্য স্টেটের লোকজন পারতপক্ষে নিউ ইয়র্ক আসতে চায় না।

    আমরা তো প্রথমে নিউ ইয়র্কেই যাচ্ছি।

    অবশ্যই। আপনি মোটেই দুশ্চিন্তা করবেন না। আমি আছি। স্ট্যাচু অব লিবার্টি যা যা আছে আমিই সব দেখাব। স্ট্যাচু অব লিবার্টি দ্বীপের ভেতর। ফেরিতে করে যেতে হয়।

    এত কিছু জানো কীভাবে? তুমিও তো জীবনে প্রথম যাচ্ছ।

    প্রথম গেলেও চাচাজি আমার সব মুখস্ত। চলুন এখন যাই ট্রাভেল এজেন্সিতে।

    আজই যাবে?

    অবশ্যই আজ যাব। আগে ভাগে বুকিং দিয়ে না রাখলে পরে সমস্যায় পড়ে খাব। দেখা যাবে সব আছে, প্লেনের টিকিট নাই। চাচাজি, উজবেক এয়ারলাইন্স আপনার কাছে কেমন লাগে?

    উজবেক এয়ারলাইন্সের ব্যাপারটা কী?

    খুবই সস্তায় টিকিট দেয়। অবশ্যি তাদের সার্ভিস খুব খারাপ। মস্কোতে নিয়ে ফেলে রাখে। কোনো খোঁজ খবর করে না। তাতে আমাদের অসুবিধা কী? ফাঁকতালে মস্কো দেখা হয়ে গেল। সুযোগ-সুবিধা পেলে ঘন্টাটা দেখে এলাম।

    ঘণ্টা দেখে এলে মানে কী? কী ঘণ্টা?

    মস্কোর ঘণ্টা। পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের এক আশ্চর্য।

    মস্কোর ঘন্টা দেখতে দেবে?

    অবশ্যই দেবে। পাসপোর্ট হোটেলে জমা রেখে বারঘন্টার একটা পারমিট বের করে দুজন চলে গেলাম। ভাষার সমস্যা হবে। ওরা ইংরেজির ইও জানে না। ইশারায় কাজ সারতে হবে। যদি সত্যি সত্যি আমরা মাস্কো হয়ে যাই তাহলে হয় কাজ চালাবার মতো কয়েকটা রাশিয়ান শব্দ শিখে গেলাম।

    যেমন ধরুন, তুমি কেমন আছ? রাশিয়ান ভাষায় হবে–কাক দেলা। মস্কোর ঘন্টা দেখব- রাশিয়ান ভাষায় হবে খাচু স্মাতরিত মস্কোভুসকি কোলাল।

    শামসুদ্দিন রীতিমতো বিস্মিত হয়ে বললেন, তুমি রাশিয়ান ভাষা জানো নাকি?

    জয়নাল আনন্দের হাসি হেসে বলল, যদি মস্কো হয়ে যেতে হয় এই ভেবে আগেই দু একটা টুকটাক রাশিয়ান শিখে রেখেছিলাম। গুড মর্নিং-এর রাশিয়ান হলো–দোবরে উতরা।

    শামসুদ্দিন বললেন তুমি আমাকে খুবই আশ্চর্য করলে।

    জয়নাল বলল, উজবেক এয়ারলাইন্সে যাওয়াই যদি সিদ্ধান্ত হয় তাহলে রাশিয়ান এম্বেসিতে যাব। সেখানে রাশিয়ান জানা বাঙালি পাওয়া যাবে। এম্বেসি স্টাফ। ওদের কাছ থেকে ভালো মতো সুলুক-সন্ধান নিয়ে যাব। চাচাজি শুনুন, আজ দুপুরে আমার সঙ্গে খাবেন। খাওয়া ভালো হবে না। নিজে বেঁধে খাই। ডাল, ভাত, ডিমভাজি। তাতে অসুবিধা নেই–খাওয়াটা বড় কথা না। খেতে খেতে প্ল্যান প্রোগ্রাম করতে হবে। আপনার কি কোনো সিরিয়াস অসুখ-বিসুখ আছে?

    কেন বলো তো?

    অসুখ-বিসুখ থাকলে আমেরিকায় ফ্রি অব কস্ট চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। হেলথ ইনস্যুরেন্স না থাকলে ঐ দেশে চিকিৎসা হয় না তা ঠিক, তবে অন্য সূক্ষ্ম ব্যবস্থা আছে। ফেডারেল গভর্নমেন্টের হাসপাতাল আপনার চিকিৎসা করতে বাধ্য। আপনাকে নিয়ে হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে উপস্থিত হতে হবে। চিকিৎসা না করে যাবি কোথায়?

    শামসুদ্দিন বিস্মিত গলায় বললেন, আমেরিকার সব কিছুই দেখি তুমি জানো।

    জয়নাল আনন্দের হাসি হেসে বলল, নয় বছর ধরে লেগে আছি। জানব না কেন? আমেরিকায় চোখ বন্ধ করে ছেড়ে দিলেও আমার কোনো সমস্যা হবে না।

     

     

    দুপুরে জয়নাল রান্না করল। কেরোসিনের চুলায় রান্না। শামসুদ্দিন চৌকিতে পা তুলে বসে জয়নালের রান্না দেখলেন। জয়নাল বলেছিল ডাল, ভাত, ডিম ভাজা। দেখা গেল রান্নার আয়োজন ব্যাপক। বেগুন ভাজা আছে। গরুর মাংসের কিমার সঙ্গে বুটের ডাল দিয়ে কুচকুচে কালো রঙের অদ্ভুত তরকারি। ডিম ভাজা হলো না, সিদ্ধ ডিম কচলে ভর্তা বানানো হলো–তার রঙও কালো।

    জয়নালের থাকার জায়গাটা শামসুদ্দিনের পছন্দ হলো। বাড়ির গ্যারেজের উপর লম্বাটে ঘর। দুটা চৌকি এবং টেবিল পাতার পরেও খানিকটা জায়গা আছে। সবই বেশ গোছানো। ঘরে জানালা আছে। জানালা দিয়ে সজনে গাছের ডাল দেখা যায়। শামসুদ্দিন বললেন, তুমি একা থাক না?

    জয়নাল বলল, এখন একা থাকি। আগে আমার সঙ্গে সিদ্দিক থাকত। সে বিয়ে করে জুরাইনে তার শ্বশুরবাড়িতে থাকে। মাঝে মাঝে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে আমার এখানে থাকতে আসে। বিছানা রেডি করা থাকে বলে অসুবিধা হয় না। ওর কাছে এক্সট্রা চাবি আছে।

    বাথরুমের ব্যবস্থা কী?

    নিচে সার্ভেন্টস টয়লেট আছে। চাচাজি বাথরুমে যাবেন?

    না, এমনি জিজ্ঞেস করলাম।

    আমেরিকায় আপনি তো বেড়াতেই যাচ্ছেন না-কি অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে?

    কোনো উদ্দেশ্য নেই। বেড়াতেই যাচ্ছি।

    তাহলে প্রথম কিছুদিন আপনাকে নিয়ে বেড়াব। আটলান্টিক সিটিতে নিয়ে যাব। ক্যাসিনো আছে। স্লট মেশিনে অল্প পয়সায় জুয়া খেলবেন।

    জুয়া খেলার দরকার কী?

    কোনো দরকার নেই। অভিজ্ঞতার জন্যে খেলা। আটলান্টিক সিটি থেকে আপনাকে নিয়ে যাব লাস ভেগাস। মরুভূমির ভেতর কী জিনিস বানিয়েছে না দেখলে বিশ্বাস করবেন না। লাস ভেগাসে কিছু শো হয়। সেগুলিও দেখার মতো। এখন লাস ভেগাসের সির্জাস প্রেসে ডেভিড কপারফিল্ড যাদু দেখাচ্ছে। সিজার্স প্লেসের সঙ্গে ডেভিড কপারফিল্ডের এক বছরের চুক্তি হয়েছে। এক বছর ডেভিড কপারফিল্ডকে নিয়মিত যাদু দেখাতে হবে। ডেভিড কপারফিল্ডের নাম শুনেছেন তো?

    না।

    বলেন কী! মারাত্মক মেজিশিয়ান। আস্ত এরোপ্লেন ভ্যানিশ করে দিয়েছিল। আপনাকে ডেভিড কপারফিল্ডের যাদু ইনশাল্লাহ দেখাব। ত্রিশ ডলার করে টিকিট। সেখান থেকে আপনাকে নিয়ে যাব গ্রান্ড কেনিয়ন দেখাতে গ্রান্ড কেনিয়নে গাধা ভাড়া পাওয়া যায়। ইচ্ছা করলে গাধার পিঠে চড়ে গ্রান্ড কেনিয়নে নামতে পারেন। ঘণ্টা হিসেবে গাধা ভাড়া করতে হবে। ঘন্টায় বিশ ডলার।

    তুমি এমনভাবে বলছ যেন আগেও কয়েকবার লাস ভেগাস গিয়েছ।

    না গেলেও সবই জানি। আপনার যে-সব জায়গায় যাবার ইচ্ছা তার দুএকটার নাম বলুন তো।

    নায়াগ্রা জলপ্রপাতটা দেখার ইচ্ছা ছিল।

    কোনো ব্যাপারই না। নিউইয়র্ক থেকে এমট্রেক নিয়ে চলে যাব। তিন থেকে সাড়ে তিনঘণ্টা লাগবে। ভাড়াও সস্তা। এক কাজে দুই কাজ হবে আমেরিকান ট্রেনও দেখা যাবে। এমট্রেক হলো বিশ্বের এক নম্বর ট্রেন সার্ভিস। আরাম আয়াশের রাজকীয় ব্যবস্থা। ট্রেনে কাচের একটা ঘর আছে। এই ঘরে হাতে বিয়ারের ক্যান নিয়ে বসবেন। চারপাশের সিন সিনারি দেখতে দেখতে যাবেন।

    বিয়ারের ক্যান হাতে বসব?

    কোনো অসুবিধা নেই। সেই দেশে বিয়ার পানির মতো খায়। দামও পানির মতো সস্তা। এক বোতল পানি কিনতে এক ডলার লাগে। এক ক্যান বিয়ার কিনতে লাগে পঞ্চাশ সেন্ট। চাচাজি, বিয়ার কখনো খেয়েছেন।

    না।

    আমিও কখনো খাই নাই। ঠিক আছে দুজনে মিলে একদিন টেস্ট করব। কী বলেন? পরে না হয় তওবা করে ফেলব। কী বলেন?

    ঠিক আছে।

    ষাট ডলারে গ্রে হাউন্ডের টিকিট কাটলে পুরা আমেরিকা দেখে ফেলতে পারতাম।

    গ্রে হাউন্ড ব্যাপারটা কী?

    গ্রে হাউন্ড হলো কুকুরের নাম। আমাদের দেশের সরাইলের কুকুরের মতো কুকুর। এই কুকুরের নামে আমেরিকানদের ইন্টারস্টেট বাস সার্ভিস আছে। আমাদের দেশের বাস আর ঐ দেশের বাসের মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক। বাসে চড়লে মনে হবে প্লেনের ফার্স্টক্লাসে বসে আছেন। চাচাজি আসেন, রান্না শেষ। খেয়ে নেই।

    আমেরিকার খাওয়া-দাওয়া বিষয়ে তো তুমি কিছু বললে না?

    খাওয়া-দাওয়া নিয়ে আপনি মোটেই চিন্তা করবেন না। ম্যাকডোনাল্ড আছে। ফাস্ট ফুড। দামে সস্তা। অতি সুস্বাদু। পুরো আমেরিকা এর উপর বেঁচে আছে। তারপর ধরেন পিজা। পিজা হাটের পিজা একবার খেলে মুখে আর অন্য কিছু রুচবে না। তারপর আছে ক্যান্টাকি ফ্রায়েড চিকেন, কর্নেল সাহেবের রেসিপি। আমেরিকার প্রধান খাদ্য সম্পর্কে তো কিছু বললামই না।

    প্রধান খাদ্য কী?

    প্রধান খাদ্য হলো–স্টেক। একটা স্টেক খেলে মনে হবে বেহেশতি খানা খাচ্ছেন।

    ভাত তো খেতে হবে। ভাত ছাড়া অন্য যে-কোনো খাবার আমার কাছে নাশতার মতো লাগে।

    নিজেকে বদলাতে হবে চাচাজি। যখন যে দেশে যাবেন তখন সেই দেশের খানা খাবেন। তারপরেও যদি খুব অসুবিধা হয়–আমি তো আছিই। চারটা চাল ফুটিয়ে দেব।

    চাল পাওয়া যায়?

    আরে কী বলেন, চাল পাওয়া যাবে না কেন? মোড়ে মোড়ে ইন্ডিয়ান আর বাংলাদেশী গ্রসারি স। চেপা শুটকি পর্যন্ত পাওয়া যায়।

    চেপা শুঁটকি আমার খুবই পছন্দের খাবার।

    চাচাজি আমেরিকায় কি আপনি চেপা শুটকি খাবার জন্যে যাচ্ছেন? আপনাকে আমেরিকায় নিয়ে দেখি সিরিয়াস বিপদে পড়ব। আপনার সঙ্গে পরিচয় না হলেই ভালো ছিল।

    দুপুরে শামসুদ্দিন খুব আরাম করে খেলেন। সারাদিন হাঁটাহাঁটি করায় পেটে ক্ষুধা ছিল- জয়নালের রান্নাও অসাধারণ। কুচকুচে কালো রঙের ডিমের ভর্তার এত স্বাদ তিনি জানতেন না। ভাল-কিমাও অপূর্ব লাগল। তার মনে হলো তিনি সন্ধ্যা পর্যন্ত কালো রঙের ডাল-কিমা দিয়ে ভাত খেতে পারবেন।

    খাওয়ার পর কাঁচা সুপারি দেয়া পান। জয়নাল বলল, আমেরিকায় পান পাওয়া যায় না। পান যা খাবার দেশেই খেয়ে নেন। শুকনা সুপারি দিয়ে খাবেন না। কাঁচা সুপারি–হার্টের জন্যে ভালো।

    শামসদ্দিন পান খান না। আজ আগ্রহ নিয়ে পাশ চিবাতে লাগলেন। জয়নাল বলল, লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন তো চাচাজি। দুপুরে খাবার পর আধ ঘণ্টার ঘুমকে বলে সিয়াস্তা। স্বাস্থ্যের জন্যে অত্যন্ত ভালো। শরীর ফ্রেস হয়ে যায়। আমি আধ ঘণ্টার জন্যে ঘুরে আসি।

    কেথায় যাবে।

    গুরুত্বপূর্ণ একটা মিশন। দোয়া রাখবেন যেন সাকসেস পাই। কী মিশন ফিরে এসে আপনাকে বলব। আপনি আরামের ঘুম দেন। মশারি খাঁটিয়ে দেব?

    দিনের বেলা মশারি খাটাবে কেন?

    বাংলাদেশে চাচাজি দিনের বেলা মশারি খাটানোই জরুরি। রাতে মশা কামড়ালে কিছু যায় আসে না। দিনের মশার কামড় মানে ডেঙ্গু। এখন খোদা

    না চায় যদি ডেঙ্গু হয় আমাদের আমেরিকা যাবার টাইমিং-এ গণ্ডগোল হয়ে যাবে। আমাদেরকে প্রতিটি স্টেপ নিতে হবে সাবধানে। বাস্তার পাশের ফুচকা চটপটি খাওয়া পুরোপুরি নিষিদ্ধ। বাসি কোনো খাবার দেখলে দশ হাত দূরে থাকবেন। ছোঁয়াচে রোগ হয়েছে এমন কোনো রোগী দেখতে যাবেন না।

    কঠিন সব নিয়ম কানুন।

    অবশ্যই কঠিন নিয়ম। হজে যাবার আগে হাজিদের কী করে দেখেন না? হাজি ক্যাম্পে নিয়ে যায়। আলাদা করে রাখে। আমেরিকা যাত্রীদেরও এরকম আলাদা করে রাখা দরকার। সিগারেট খাবেন চাচাজি?

    খেতে পারি একটা সিগারেট।

    জয়নাল সিগারেট ধরাতে ধরাতে বলল, আপনার সামনে সিগারেট টানছি, আমার বেয়াদবি নিজগুণে ক্ষমা করে দেবেন।

    দিলাম ক্ষমা করে। জয়নাল, তোমার দেশের বাড়ি কোথায়?

    ময়মনসিংহ।

    ময়মনসিংহ তো বিরাট এলাকা। ময়মনসিংহের কোথায়?

    ময়মনসিংহের চোখের কোনায়। নেত্রকোনায়।

    দেশের বাড়িতে কে আছে?

    কেউ নাই। আত্মীয়স্বজনের মধ্যে এক বোন আছে। খুলনায়। তার ঠিকানাও জানি না।

    বোনের ঠিকানা জানো না কেন?

    দশ বছর আগে রাগ করে বোনের বাসা থেকে চলে এসেছিলাম, তারপর আর যোগাযোগ করি নাই। বেনি-জামাই এর রিস্টওয়াচ পাওয়া যাচ্ছিল না। সে মনে করল আমি চুরি করে বাজারে বেঁচে দিয়েছি। কথা নাই বার্তা নাই আমার চুল ধরে থাপ্পর।

    বলো কী।

    মারধর সে আগেও করেছে তাতে মন খারাপ হয় নি। মনে কষ্ট পেয়েছিলাম বোনের কারণে। আমার বোন আমাকে আড়ালে নিয়ে হাতে একশ টাকা দিয়ে বলেছিল–ঘড়িটা ফিরত দিয়ে দে জয়নাল। তোর দুলাভাই-র শখের ঘড়ি। বুঝলেন চাচাজি, মনটা আমার এতই খারাপ হলো সেই একশ টাকা নিয়ে বোনের বাড়ি থেকে চলে এলাম আর ফেরত যাই নাই।

    ভালো করেছ।

    খুবই কষ্টের জীবন গিয়েছে। এখন আল্লাহপাকের দয়া হয়েছে। তিনি মুখ তুলে তাকিয়েছেন, হাতে কেঁচি সাপ্লাই করেছেন। আর অসুবিধা নাই।

    কেঁচি সাপ্লাই করেছেন–মানে বুঝলাম না।

    আল্লাহপাক তার পছন্দের মানুষদের হাতে একটা করে ধারালো কেঁচি সাপ্লাই করেন। তাঁর পছন্দের মানুষরা সেই কেঁচি দিয়ে তার সামনের সমগ্র বাধা বিপত্তি কচকচ করে কাটতে কাটতে এগোতে থাকে। আমার হাতে এতদিন কোনো কেঁচি ছিল না, এখন আছে। আমেরিকান ভিসাটা হলো সেই কেঁচি।

    শামসুদ্দিন হেসে ফেললেন। জয়নাল বলল, আপনি ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে টাইট হয়ে ঘুম দেন। আমি কাজ সেরে এসে আপনাকে ডেকে তুলব।

    আচ্ছা যাও।

    কোথায় যাচ্ছি আপনাকে বলেই যাই। শেষ পর্যন্ত তো আপনাকে বলতেই হবে। আমার আত্মীয়স্বজন কেউ নেই আপনাকে আমার উকিল বাপ হতে হবে।

    বিয়ের কোনো ব্যাপার?

    ঠিক ধরেছেন। মেয়ের নাম ইতি। খুবই সুন্দরী মেয়ে। ফার্স্ট ইয়ার ইন্টারে পড়ে। আমার এক বন্ধু আছে সালাম নাম। তার খালাতো বোন। সালামের মাধ্যমে পরিচয়।

    ইতিকে বিয়ে করবে বলে ঠিক করেছ?

    আমার দিক থেকে খুবই ইচ্ছা আছে। ইতির ইচ্ছা আছে কিনা জানি না। চ্যাং ব্যাং টাইপ মেয়ে তো, এদের অসিল ভাব বোঝা যায় না।

    চ্যাং ব্যাঙ টাইপ মেয়ে মানে?

    এরা সব ছেলের সঙ্গে ভাব করে। যে ছেলের সঙ্গে পরিচয় হয় তার সঙ্গেই এমন ভাব করে যেন গলে যাচ্ছে। কিন্তু বিয়ে করার সময় বাবা মা যাকে নিয়ে আসে তাকে বিয়ে করে। এখন অবশ্যি আমার আশা আছে আমেরিকান ভিসা হয়ে গেছে। গেট পাস পেয়ে গেছি। ওরা রাজি হলে তুমি কি ইতিকে বিয়ে করে যাবে?

    হুঁ। চাচাজি আমার ধারণা বিয়ে হয়েও যাৰে। দুর্ভাগ্য যখন আসে একের পর এক আসতে থাকে। সৌভাগ্যের বেলাতেও তাই, সৌভাগ্য আসতে শুরু করলে একের পর এক আসতেই থাকে। নেন, আরেকটা সিগারেট নেন। টান দিয়ে শুয়ে পড়ন।

    জয়নাল মশারি খাঁটিয়ে দিল। শামসুদ্দিন দিনের বেলাতে মশারির ভেতর ঢুকে গেলেন। ঘুমের জন্যে দিনটা ভালো। আকাশে মেঘ ছিল, দেখতে দেখতে আঁধার করে বৃষ্টি নামল। টিনের চালে ঝুম ঝুম শব্দ। বাতাসের ঝাপ্টায় জানালা দিয়ে সজনে গাছের ডাল ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। শীত শীত লাগছে। চাদর গায়ে জড়িয়ে শামসুদ্দিন গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলেন। ঘুম ভাঙল বিকাল পাঁচটায়, তখনো জয়নাল ফিরে নি। আধ ঘণ্টার জন্যে গিয়ে এতক্ষণ দেরি করার কোনো কারণ নেই।

    শামসুদ্দিন বিছানা থেকে নামলেন। কেরোসিনের চুলা জ্বালিয়ে নিজেই চা বানিয়ে খেলেন। পুরনো ম্যাগাজিন পড়লেন। রাত আটটা বেজে গেল, জয়নাল ফিরল না। তিনি কী করবেন বুঝতে পারছেন না। ঘরে তালা লাগিয়ে চলে যেতে পারেন। তালার সঙ্গে চিঠি লিখে যাবেন—

    জয়নাল,

    তোমার দেরি দেখে চলে গেলাম।

    তোমার ঘরের চাবি আমার কাছে।

    ইতি শামসুদ্দিন

    কিংবা চাবিটা বাড়িওয়ালার কাছেও রেখে যেতে পারেন।

    বৃষ্টি কমে গিয়েছিল। রাত আটটার পর আবার বাড়ল। রীতিমতো ঝড়। ঘর-বাড়ি কাপছে। কোনো একটা ফুটো দিয়ে ঘরে পানি ঢুকছে। মেঝেতে চার আঙুল পানি জমে গেছে। রাত সাড়ে নটার দিকে ইলেকট্রিসিটিও চলে গেল। চারদিকে ঘন অন্ধকার। দেয়াশলাইও জ্বালানো যাচ্ছে না। ম্যাচ বাক্স বৃষ্টির পানিতে ভিজে গেছে।

    রাত এগারোটার দিকে জয়নালের ঘরে তালা লাগিয়ে শামসুদ্দিন নিতে বাসার দিকে রওনা হলেন। চিঠি লিখে আসা হলো না। কীভাবে লিখবেন? কলম কাগজ অন্ধকারে কোথায় খুঁজবেন। শামসুদ্দিনের দুশ্চিন্তার কোনো সীমা রইল না। জয়নাল ছেলেটা কোনো বিপদে পড়ে নি তো? কোনো এক্সিডেন্ট? বিপদে তো সে অবশ্যই পড়েছে। বিপদটা কী রকম?

    রাত এমন কিছু না। মাত্র এগারোটা। অথচ পুরো শহর ফাকা। রাস্তায় নদীর মতো চলমান পানি। ম্যানহোলে পানি পড়ছে–শোঁ শোঁ শব্দ হচ্ছে। মনে হচ্ছে বান ডাকছে। খালি রিকশা অনেক আছে, কোনোটাই যেতে রাজি না। একজুন পঁচিশ টাকা ভাড়ায় যেতে রাজি হলো। শামসুদ্দিন রাস্তার ময়লা পানিতে মাখামাখি হয়ে যখন রিকশাওয়ালার কাছাকাছি পৌছলেন তখন সে বলল না যাব না। শামসুদ্দিন শীতে কাঁপতে কাঁপতে হেঁটে বাড়ি ফিরলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআজ চিত্রার বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article অন্ধকারের গান – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }