Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আঠারো শতকের বাঙলা ও বাঙালী – অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প162 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. শিক্ষা ও পণ্ডিতসমাজ

    সার্বজনীন স্তরে অষ্টাদশ শতাব্দীর সমাজে শিক্ষাবিস্তারের মাধ্যম ছিল। হিন্দুদের পাঠশালা ও মুসলমানদের মকতাব। এ ছাড়া ছিল। কথকতা গান, যাত্রাভিনয় ও পাঁচালী গান যার মাধ্যমে হিন্দুরা পৌরাণিক কাহিনীসমূহের সঙ্গে পরিচিত হত। পাঠশালায় ছেলেমেয়ে উভয়েই পড়ত। কোনও কোনও ক্ষেত্রে মেয়েরা লেখাপড়া করে বিদুষী হতেন, তা আমরা অষ্টাদশ শতাব্দীর রচনা থেকে জানতে পারি। ভারতচন্দ্রের ‘বিদ্যাসুন্দর’-এর নায়িকা বিদ্যা তো বিদ্যারই মূর্তিময়ী প্ৰতীক ছিল। রাণী ভবানীও বেশ সুশিক্ষিতা মহিলা ছিলেন। বর্ধমানের রাজপরিবারের মেয়েরাও সুশিক্ষিতা ছিলেন। তবে মেয়েদের মধ্যে দু-চারজন উচ্চশিক্ষিতা হলেও সাধারণ মেয়ের অল্পশিক্ষিতাই হত। এর প্রধান কারণ ছিল বাল্যবিবাহের প্রচলন l

    উচ্চশিক্ষার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম ছিল মুসলমানদের ক্ষেত্রে মৌলবীগণ পরিচালিত। মাদ্রাসা ও হিন্দুদের ক্ষেত্রে ব্ৰাহ্মণ পণ্ডিতগণ পরিচালিত চতুষ্পাঠীসমূহ। পাঠশালার সঙ্গে চতুষ্পাঠীর প্রধান পার্থক্য ছিল এই যে, পাঠশালা যে কোন জাতির লোক প্ৰতিষ্ঠা ও পরিচালনা করতে পারতেন, কিন্তু চতুস্পাঠিসমূহ সাধারণতঃ ব্ৰাহ্মণপণ্ডিতগণই পরিচালনা করতেন। চতুষ্পাঠীসমূহে নানা শাস্ত্রের শিক্ষা দেওয়া হত। চতুষ্পাঠীসমূহের শ্ৰেষ্ঠ কেন্দ্র ছিল নবদ্বীপ। শাস্ত্র অনুশীলন, অধ্যয়ন ও অধ্যাপনার জন্য নবদ্বীপের বিশেষ প্ৰসিদ্ধি ছিল। এই প্ৰসিদ্ধিৱঃ জন্যই নবদ্বীপকে বাঙলার ‘অকসফোর্ড’ বলে অভিহিত করা হত। নব্যন্যায় ও’ স্মৃতির অনুশীলনের জন্য নবদ্বীপ বিশেষভাবে খ্যাত ছিল। তবে নবদ্বীপই একমাত্র শিক্ষাকেন্দ্ৰ ছিল না। ব্ৰাহ্মণপণ্ডিতদের শান্ত্রি অধ্যয়ন ও অধ্যাপনার পীঠস্থান হিসাবে পূর্ববঙ্গে কোটালিপাড়ার বিশেষ প্ৰসিদ্ধি ছিল। পশ্চিমবঙ্গে শাস্ত্ৰ অধ্যয়ন ও অধ্যাপনার জন্য ত্ৰিবেণী, কুমারহট্ট (কামারহাটি), ভট্টাপঞ্জী (ভাটপাড়া), গোন্দলীপাড়া (চন্দ্রনগর), ভদ্ৰেশ্বর, জয়নগর-মজিলপুর, আব্দুল, বালী, বর্ধমান প্ৰভৃতিরও প্ৰসিদ্ধি ছিল। দ্রাবিড়, উৎকল, মিথিলা ও বারাণসী থেকে দলে দলে ছাত্র বর্ধমানের চতুষ্পাঠীতে অধ্যয়ন করতে আসত। এই সকল চতুষ্পাঠীতে যে মাত্র মব্যস্তায় বা স্মৃতিশাস্ত্রেরই অনুশীলন হত, তা নয়। জ্যোতিষ, আয়ুৰ্বেদ, ন্যায়, কোষ, নাটক, গণিত, ব্যাকরণ, ছন্দোসূত্র প্রভৃতি ও দণ্ডী, ভারবী, মাঘ, কালিদাস, প্ৰমুখদের কাব্যসমূহ এবং মহাভারত, কামন্দকীদীপিকা, হিতোপদেশ প্রভৃতি পড়ানো হত।

    দুই

    চতুষ্পাঠীতে যে মাত্র পুরুষেরাই পড়ত, তা নয়। মেয়েরাও কেউ কেউ চতুস্পাঠীতে পড়ে বিদুষী হত! তাদের মধ্যে অনেকেই সংস্কৃত শিক্ষার উচ্চ সোপানে উঠেছিল। যেমন পশ্চিমবঙ্গের হটি বিদ্যালঙ্কার ও হাঁটু বিদ্যালঙ্কার, এবং পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরের আনন্দময়ী দেবী ও কোটালিপড়ার বৈজয়ন্তী দেবী। এঁদের মধ্যে সবচেয়ে স্থপ্রসিদ্ধা ছিলেন হাট বিদ্যালঙ্কার। তিনি ছিলেন রাঢ়দেশের এক কুলীন ব্ৰাহ্মণ পরিবারের বালবিধবা। সংস্কৃত ব্যাকরণ, কাব্য, স্মৃতি ও নব্যান্যায়ে তিনি বিশেষ পারদর্শিতা লাভ করে বারাণসীতে এক চতুষ্পাঠী স্থাপন করেছিলেন। বেশ বৃদ্ধ বয়সে ১৮১০ খ্ৰীস্টাব্দে তিনি মারা যান। হটু বিদ্যালঙ্কারের আসল নাম রূপমঞ্জরী। তিনিও রাঢ়দেশের মেয়ে ছিলেন, তবে তিনি জাতিতে ব্ৰাহ্মণ ছিলেন না। তাঁর পিতা নারায়ণ দাস অল্প বয়সেই মেয়ের অসাধারণ মেধা দেখে, তার ১৬/১৭ বছর বয়সকালে তাঁকে এক ব্ৰাহ্মণ পণ্ডিতের চতুষ্পাঠীতে পাঠিয়ে দেন। সেখানে অধ্যয়ন করে রূপমঞ্জরী ব্যাকরণ, সাহিত্য আয়ুৰ্বেদ ও অন্যান্য শাস্ত্ৰে বিশেষ পারদর্শিতা লাভ করেন। নানা জায়গা থেকে ছাত্ররা তার কাছে ব্যাকরণ, চড়কসংহিতা, নিদান ও আয়ুর্বেদের নানা বিভাগের বিষয়বস্তু সম্বন্ধে শিক্ষালাভ করতে আসত। অনেক বড় বড় কবিরাজ তার কাছে চিকিৎসা সম্বন্ধে পরামর্শ নিতে আসতেন। রূপমঞ্জরী শেষপৰ্যন্ত অবিবাহিতাই ছিলেন এবং মস্তকমুণ্ডন করে মাথায় শিখা রেখে পুরুষের বেশ ধারণ করতেন। ১০০ বৎসর বয়সে ১৮৭৫ খ্রীস্টাব্দে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

    আনন্দময়ী ও বৈজয়ন্তী দেবী দুজনেই ছিলেন পূর্ববঙ্গের মেয়ে। আনন্দময়ী জাতিতে ব্ৰাহ্মণ ছিলেন না। তাঁর পিতার নাম লাল রামগতি সেন। ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের অন্তর্গত জিপসা গ্রামে তার জন্ম। ছেলেবেলা থেকেই আনন্দময়ীর বিদ্যাশিক্ষার প্রতি তীব্ৰ অনুরাগ ও মেধা ছিল। সংস্কৃত সাহিত্যে -बू९,नडि नाड करब डिनि বিশেষ প্ৰসিদ্ধি লাভ করেছিলেন। মহারাজা রাজবল্লভ যখন রামগতি সেনের নিকটা অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের প্রমাণ ও প্রতিকৃতি চেয়ে পাঠান, তখন পিতা অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায়, আনন্দময়ী নিজেই সেই দায়িত্ব গ্রহণ করে অগ্নিষ্টেম যজ্ঞের প্রমাণ ও প্রতিকৃতি নিজেই তৈরী করে তাঁর কাছে পাঠিয়ে দেন। গান রচনাতেও তিনি সিদ্ধহস্তা ছিলেন। তার রচিত গানসমূহ বিবাহ, অন্নপ্রাশন ইত্যাদি মাঙ্গলিক উৎসবে বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। তা ছাড়া, তিনি নিজ খুল্লতাত জয়নারায়ণকে ‘হরিলীলা’ (১৭৭২ খ্রীস্টাব্দে রচিত) কাব্য রচনায় সাহায্য করেছিলেন। তিনি বিবাহিতা ছিলেন। পয়গ্রাম নিবাসী পণ্ডিত অযোধ্যানারায়ণের সঙ্গে তার বিবাহ হয়েছিল। পিতৃগৃহে স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ শুনে তিনি অনুমৃত হন। তাঁর মা-ও কাশীর মণিকর্ণিকার ঘাটে সহমৃতা হয়েছিলেন। সুতরাং এ থেকে বুঝতে পারা যাচ্ছে যে অষ্টাদশ শতাব্দীর বাঙালী সমাজে অনুমৃতা ও সহমৃতা হওয়া ব্যাপকভাবে প্ৰচলিত ছিল।

    বৈজয়ন্তীদেবী ব্ৰাহ্মণকন্যা ছিলেন। ফরিদপুরের খানুকা গ্রামে তাঁর জন্ম। স্বামী ছিলেন কোটালিপাড়া নিবাসী প্ৰখ্যাত পণ্ডিত কৃষ্ণনাথ সার্বভৌম। কাব্য, সাহিত্য, দর্শন, ধর্মশাস্ত্ৰ প্ৰভৃতিতে পাণ্ডিত্যের জন্য বৈজয়ন্তী বিশেষ প্ৰসিদ্ধি লাভ করেছিলেন। তিনি সুন্দরী ছিলেন না এবং শ্বশুরকুল অপেক্ষা হীন ছিলেন বলে বহুদিন যাবৎ স্বামীগৃহে যেতে পারেন নি। পরে সংস্কৃত লোকে রচিত পত্রে তার কবিত্বশক্তির পরিচয় পেয়ে স্বামী তাকে নিজগৃহে নিয়ে যান। সেখানে তিনি স্বামীর সঙ্গে মিলিতভাবে ‘আনন্দালতিকা’ নামে এক কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। এখানি সংস্কৃত ভাষায় একখানি উচ্চমানের কাব্যগ্রন্থ বলে প্রসিদ্ধ।

    তিন

    অষ্টাদশ শতাব্দীতে শিক্ষার সার্বজনীন মাধ্যম ছিল পাঠশালা। প্ৰতি গ্রামেই *ार्छाला छेिल। পাঠশালাসমূহ পরিচালন করতেন গুরুমশাইরা। গুরুমশাইদের ছাত্ররা মশাই’ বলে সম্বোধন করত। গুরুমশাই খুব বদ্যান্যতার সঙ্গে বেতের ব্যবহার করতেন। পাঠশালাসমূহে ভর্তি হতে বা পড়তে কোন পয়সাই লাগত না। মাত্র মাঝে মাঝে গুরুমশাইকে একটা ‘সিধে’ দিতে হত। পাঠশালাসমূহে শিক্ষা দেওয়া হত। অক্ষর পরিচয়, ফল বানান, যুক্তাক্ষর ও লিখনপ্রণালী। দলিল লেখালেখি কোথাও শেখানো হত। এছাড়া অঙ্ক বিভাগে থাকত শঠকে, কড়াকে, গণ্ডাকে, বুড়িকে, সেরকে, মনকে, নামতা, সইয়ে, আড়াইয়ে, তেরিজ, জমা খরচ, -গুণ, ভাগ, বাজার দরকষা, সুদকষা, কাঠাকালি, বিঘাকালি, পুষ্করিণীকালি, ইটের পাঁজাকালি ইত্যাদি দৈনন্দিন জীবনের অনেক ব্যবহারিক বিষয়। এক কথায়, পাঠশালায় শিক্ষা করলে, একজন রীতিমত শিক্ষিত ও কৃতবিদ্য বলে সেকালে গণ্য হত। নিজ পরিবার মধ্যেও বিশেষ মৰ্যাদা লাভ করত।

    পাঠশালায় যে মাত্র ছেলেরাই লেখাপড়া শিখত তা নয়, মেয়েরাও। সন্ত্রান্ত ঘরের মেয়েদের বাড়িতেই লেখাপড়া শেখানোর ব্যবস্থা করা হত। তাদের লেখাপড়ার জন্য পণ্ডিত নিযুক্ত করা হত। এভাবেই লেখাপড়া শিখেছিলেন বর্ধমানের মহারাণী কৃষ্ণকুমারী, নাটোরের রাণী ভবানী (১৭১৪-১৭৯৩) প্রমুখরা। বর্ধমান রাজবাড়ির আর যারা লেখাপড়া শিখেছিলেন তঁরা হচ্ছেন মহারাজা তেজশ্চন্দ্ৰের পট্টমহিষী মহারাণী কমলকুমারী ও মহারাজা প্ৰতাপচন্দ্ৰ বাহাদুরের দুই রাণী। এঁরা সকলেই সুশিক্ষিতা ছিলেন। নবদ্বীপাধিপতি মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় (১৭১০-১৭৮২) বাহাদুরের পরিবারের মেয়েরাও বিদ্যাভ্যাস করতেন। রাজা সুখময় রায় বাহাদুরের (?-১৮১১) পুত্র শিবচন্দ্র রায়ের মেয়ে .श्द्रश्नादौe मर्छुङ, तारा ७ श्कोि এই তিন ভাষায় এমন সুশিক্ষিতা হয়েছিলেন যে পণ্ডিতেরাও তেঁাকে ভয় করতেন। তিনি সেকালের একজন নামজাদা পণ্ডিত কুমারহট্ট নিবাসী রূপচাদ ন্যায়ালঙ্কারের কাছ থেকে সংস্কৃত রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণাদি তাবৎ গ্রন্থ পাঠ করে সেকালের একজন সুশিক্ষিতা মহিলা হয়েছিলেন। সাধারণ গ্রামের মেয়েরাও পাঁচালী ও কথকতার মাধ্যমে মঙ্গলকাব্যসমূহ, রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণাদির কাহিনীসমূহের সহিত রীতিমত পরিচিত হতেন। বলা বাহুল্য পাঁচালী গানই ছিল গণশিক্ষার প্রধান মাধ্যম।

    চার

    যারা চতুষ্পাঠীসমূহ পরিচালনা করতেন, তারা সকলেই বিখ্যাত পণ্ডিত, ছিলেন। অষ্টাদশ শতাব্দীর বিখ্যাত পণ্ডিতদের নাম আমরা চারটা সূত্র থেকে *পাই। এ চারটা সুত্র হচ্ছে-(১) মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের (১৭১০-১৭৮২) -অধিক্টোম ও বাজপেয় যজ্ঞে যে সকল পণ্ডিত উপস্থিত ছিলেন, (২) যে এগারজন পণ্ডিত দ্বারা ওয়ারেন হেষ্টিংস ‘বিবাদার্ণবসেতু’, নামক ব্যবস্থাপুস্তক রচনা করিয়ে ছিলেন, (৩) মহারাজা নবকৃষ্ণ দেব এক সপ্তাহব্যাপী যে ‘বিচার’-এর আয়োজন করেছিলেন, তাতে যে সকল পণ্ডিত উপস্থিত ছিলেন, ও (৪) ১৮০০ খ্ৰীস্টাব্দে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সময় যে সকল পণ্ডিত ওই কলেজে অধ্যাপনার কাজে নিযুক্ত হয়েছিলেন।

    ১১৬০ বঙ্গাব্দের (১৭৫০ খ্রীস্টাব্দ) মাঘ মাসে নবদ্বীপাধিপতি রাজা কৃষ্ণচন্দ্ৰ রায় অগ্নিষ্টেম ও বাজপেয় যজ্ঞ করেন। ওই যজ্ঞে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের বহুসংখ্যক ব্ৰাহ্মণ পণ্ডিত সমাগত হন। বাঙলার যে সকল পণ্ডিত আহুত হয়েছিলেন, তাদের মধ্যে ছিলেন। হরিরাম তর্কসিদ্ধান্ত, রামগোপাল সার্বভৌম, রাধামোহন গোস্বামী (১৭৩০-৩২), জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন (১৬৯৪-১৮০৭), রমাবল্লভ বিদ্যাবাগীশ, বীরেশ্বর ন্যায়পঞ্চানন, বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার, রমানন্দ বাচস্পতি, মধুসুদন ন্যায়ালঙ্কার, গোপাল ন্যায়ালঙ্কার, শিবরাম বাচস্পতি, কৃষ্ণানন্দ বাচস্পতি প্ৰমুখ। এঁদের মধ্যে বাণেশ্বর ছিলেন রুষ্ণচন্দ্রের (১৭১০ – ১৭৮৯) সভাপণ্ডিত। গুপ্তিপাড়ায় তার জন্ম। তাঁর পিতা ছিলেন রামদেব তর্কবাগীশ। কৃষ্ণচন্দ্ৰ কোন কারণে বাণেশ্বরের ওপর রুষ্ট হলে, তিনি বর্ধমান রাজ চিত্ৰসেনের আশ্রয়ে যান। সেখানে তিনি চিত্ৰসেনের আদেশে বৰ্গীর হাঙ্গামা সম্বন্ধে গদ্যে-পদ্যে ‘চিত্রচম্পূৰ্ণ সংজ্ঞ্যক এক গ্ৰন্থ রচনা করেন। (আগে দেখুন)। চিত্রসেনের মৃত্যুর পর তিনি পুনরায় কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভায় যান। পরে কলকাতায় মহারাজা নবকৃষ্ণ দেবের (১৭৩৩-১৭৯৭) আশ্রয়ে যান। ওয়ারেন হেষ্টিংস (১৭০২-১৮১৮) যে এগার জন পণ্ডিতের সাহায্যে ‘বিবাদার্ণব সেতু’ নামে হিন্দু আইনের এক গ্ৰন্থ রচনা করিয়েছিলেন, বাণেশ্বর তাদের অন্যতম ছিলেন। বর্ধমান রাজসভায় থাকাকালীন তিনি ‘চন্দ্রাভিষেক’ নামে একখানি নাটকও রচনা করেছিলেন।

    তবে অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত ছিলেন জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন। ১৬৯৬ খ্রীষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করে ১১১ বৎসর জীবিত থেকে, তিনি মারা যান। ১৮০৭ খ্ৰীস্টাব্দে। চব্বিশ বৎসর বয়সে পিতার মৃত্যুর পর তিনি অধ্যাপনা শুরু করেন। অসাধারণ নৈয়ায়িক হিসাবে জগন্নাথের খ্যাতি চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৮৭ বৎসর তিনি তার এই খ্যাতি অমান রাখেন। জগন্নাথ মহারাজা নবকৃষ্ণ দেবের রাজসভাও অলঙ্কত করতেন। মহারাজ তাকে একখানা তালুক ও পাকা। বসতবাড়ী দিয়েছিলেন। মহারাজ একবার তাকে বাৎসরিক এক লক্ষ টাকা আয়ের একটা জমিদারী দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু জগন্নাথ তা প্ৰত্যাখান করে বলেন যে তা হলে তার বংশধরেরা বিলাসী হয়ে পড়বে ও ধনগর্বে বিদ্যচর্চা বন্ধ করে দেবে। ইংরেজরাও জগন্নাথকে জজ-পণ্ডিত নিযুক্ত করতে চেয়েছিল, কিন্তু তাও তিনি প্ৰত্যাখান করেছিলেন তার পৌত্র গঙ্গাধরের আনুকুল্যে। স্বপ্রীম কোর্টের বিচারপতি স্যার উইলিয়াম জোনস্-এর আদেশে জগন্নাথ বিবাদ ভঙ্গার্ণব’ নামে একখানা ব্যবস্থাপুস্তক রচনা করেছিলেন (১৭৮৮-৯২)। কোলব্রুক সাহেব সেখানা তর্জমা করে নাম দেন ‘A Digest of Hindu Law on Contracts and Succession’. এ বইখানার ইতিহাস এখানে বলা দরকার। হিন্দুদের প্রাচীন শাস্ত্ৰসমূহ থেকে কাৰ্যোপযোগী একখানা ব্যবস্থাপুস্তক সংকলন করবার প্রথম আয়োজন করেন ওয়ারেন হেষ্টিংস। এ কাজের ভার তিনি এগার জন পণ্ডিতের ওপর দেন। (যথাক্রমে তারা হচ্ছেন রামগোপাল ন্যায়ালঙ্কার, বীরেশ্বর পঞ্চানন, কৃষ্ণজীবন ন্যায়ালঙ্কার, বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার, কৃপারাম তর্কসিদ্ধান্ত, কৃষ্ণচন্দ্র সার্বভৌম, গৌরীকান্ত তর্কসিদ্ধান্ত, কৃষ্ণকেশব তর্কালঙ্কার, সীতারাম ভট্ট, কালীশঙ্কর বিদ্যাবাগীশ ও শ্যামসুন্দর ন্যায়সিদ্ধান্ত) এঁরা যে ব্যবস্থাপুস্তক রচনা করেছিলেন, তা প্ৰথম ফারসীতে এবং তা থেকে ন্যাথানিয়াল ব্রাশী হালহেড ইংরেজিতে অনুবাদ করেন (১৭৭৫-৭৬)। কিন্তু দুবার ভাষান্তরিত হবার ফলে গ্ৰন্থখানি (‘Gentoo Code) মূল সংস্কৃত থেকে পৃথক হয়ে পড়েছিল। সেজন্য একখানি বিশুদ্ধ ও প্রামাণিক ব্যবস্থাপুস্তক রচনা করবার জন্য সচেষ্ট হন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি স্যার উইলিয়াম জোনস। প্ৰথমে তিনি এর ভার দেন মিথিলার স্মর্ত পণ্ডিত সৰ্বরী। ত্ৰিবেদীর ওপর। সৰ্বরী ত্ৰিবেদী যে বইখানা তৈরী করেছিলেন ৩ার নাম ছিল ‘বিবাদ সারার্ণব’। কিন্তু সেখানা মনঃপূত না হওয়ায় জোনস এর ভার দেন জগন্নাথ তর্কপঞ্চাননের ওপর। জগন্নাথের বইখানা ছিল ৮০০ পৃষ্ঠার বই এবং এখানার নাম ছিল ‘বিবাদভঙ্গার্ণব’। জোনস্‌-এর হঠাৎ মৃত্যু ঘটায় কোলব্রুক সাহেব সেখানে ইংরেজিতে তর্জমা করান।

    ওপরে শঙ্কর তর্কবাগীশের (১৭২৩-১৮১৬) নাম করেছি। তিনি ছিলেন কর্কশ তর্কশাস্ত্রে প্রতিভার মুখ্য অবতার। ১৭৯১ খ্ৰীস্টাব্দে তীর জীবদ্দশায় লিখিত হয়েছিল–‘Shankar Pandit is the head of the college ofNadia, and allowed to be the first philosopher” and scholar in the “whole university; his name, inspired the youth with the

    love of learning, and the greatest rajahs regarded him with great veneration.’ নানাশাস্ত্রে তাঁর পাণ্ডিত্য ছিল, এবং বাঙালী প্রতিভার মূর্ত প্ৰতীকরূপে ভারতের সর্বত্র তিনি অসাধারণ প্ৰতিপত্তি লাভ করেন।’ যারা মহারাজা নবকৃষ্ণ দেব অনুষ্ঠিত ‘বিচার’-এ অংশ গ্ৰহণ করেছিলেন তাদের মধ্যেও শঙ্কর তর্কবাগীশ ছিলেন। শঙ্কর তর্কবাগীশ ও জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন ছাড়া, আরও যে সব পণ্ডিত ওই ‘বিচার’-এ অংশ গ্ৰহণ করেছিলেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন বলরাম তর্কভূষণ, মানিকচন্দ্র তর্কভূষণ ও বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার।

    বাঙলার পণ্ডিত সমাজের মধ্যে আর যারা ফোট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপকের পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে ছিলেন মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, রামনাথ বিদ্যাবাচস্পতি, শ্ৰীপতি মুখোপাধ্যায়, আনন্দচন্দ্র, রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায়, কাশীনাথ মুখোপাধ্যায়, চণ্ডীচরণ মুনশী, তারিণীচরণ মিত্র, পদ্মলোচন চূড়ামণি, রামরাম বসু প্ৰমুখ।

    অন্যান্য সূত্র থেকে আমরা অষ্টাদশ শতাব্দীর আরও অনেক পণ্ডিত ও শিক্ষিত ব্যক্তির নাম পাই। পণ্ডিতজনের মধ্যে বিশেষ উল্লেখের দাবী রাখেন। কৃষ্ণানন্দ সার্বভৌম, গোকুলানন্দ বিদ্যামণি, গোপাল ন্যায়ালঙ্কার, চন্দ্রনারায়ণ ন্যায়পঞ্চানন, জগন্নাথ পঞ্চানন, কালিকিঙ্কর তর্কবাগীশ, অনন্তরাম বিদ্যাবাগীশ, কালীশঙ্কর সিদ্ধাস্তবাগীশ, জয়গোপাল তর্কালঙ্কার, জয়রাম ন্যায়পঞ্চানন, দয়ারাম ন্যায়ালঙ্কার, দুলালচাদ তর্কবাগীশ, বলদেব বিদ্যাভূষণ, বিশ্বনাথ ন্যায়ালঙ্কার, মথুরেশ (মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের সভাসদ), মানিকচন্দ্র তর্কভূষণ, রূপমঞ্জরী, শ্ৰীকৃষ্ণ তর্কালঙ্কার, শ্ৰীকৃষ্ণ সার্বভৌম, হাটী বিদ্যালঙ্কার ও হরিহরানন্দ তীৰ্থস্বামী। এ সকল পণ্ডিতদের শাস্ত্রাঙ্কুশীলন ও সাহিত্যচর্চার কথা আমরা পরবর্তী অধ্যায়ে বলব। সেখানে আরও বলব। অষ্টাদশ শতাব্দীর সাহিত্যসাধক ও অন্যান্য গুণিজনের কথা। তাঁদের মধ্যে বিশেষভাবে যাঁদের নাম উল্লেখ করা যেতে পারে, তাঁরা হচ্ছেন গঙ্গারাম দাস (দেব চৌধুরী), গোপাল ভঁড়, গোলাকনাথ দাস, জগন্দ্রাম রায়, আনন্দরাম চক্রবর্তী, ঈশা আল্লাহ খান, কবিচন্দ্র, জয়নারায়ণ রায়, জীবন ঘোষাল, দামোদর মিশ্র, দ্বিজরাম, নিত্যানন্দ মিশ্র, নিধিরাম কবিচন্দ্ৰ, পুরুষোত্তম মিশ্ৰ, বনদূর্লভ, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী, রমানাথ রায়, রামসিংহ ও রামগতি সেন।

    চার

    অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষপাদে অনেকে ইংরেজি ভাষাও শিখতে আরম্ভ করেছিল। ইংরেজদের সঙ্গে কাজকর্মের সুবিধার জন্য এদেশের একশ্রেণীর লোকের মধ্যে ইংরেজি শেখার প্রবল আকাঙ্খা জেগেছিল। বস্তুতঃ ১৭৭৪ খ্ৰীস্টাব্দে সুপ্রিম কোর্ট স্থাপনের পর থেকেই বাঙালী ইংরেজি শিখতে শুরু করেছিল। এ সময় আমরা সুপ্রিম কোটের আইনজীবীদের মধ্যে রামনারায়ণ মিশ্র ও আনন্দরামের নাম শুনি। সুপ্রিম কোটের কেরানীদের তো ইংরেজি শিখতেই হত। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে শেরিফের আফিসের হেড ক্লার্ক রামমোহন মজুমদারের নাম হিকির ‘স্মৃতিকথা’য় লিপিবদ্ধ হয়ে আছে। এ ছাড়া, এটনীদের ক্লার্কদেরও ইংরেজি জানতে হত। এ রকম কেরানীদের মধ্যে আমরা হিকির ‘হেড কেরানী রামধন ঘোষের নাম শুনি। সে যুগে যারা সাহেবদের দেওয়ানী বা বেনিয়ানি করত, তাদেরও ইংরেজি জানতে হত। ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির গোলন্দাজ বাহিনীর ক্যাপটেন নাথানিয়াল কিণ্ডারসলের স্ত্রী শ্ৰীমতী কিণ্ডারসলে ১৭৬৫ থেকে ১৭৬৯ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত কলকাতায় বাসু করেছিলেন। তিনি তাঁর ভ্ৰমণ কাহিনীতে লিখে গেছেন যে এদেশের বেনিয়ানরা মোটামুটি ভাল ইংরেজি বলে। (‘usually speak pretty tolerable English’)। হেষ্টিংস-এর বেনিয়ান কান্তবাবুও ইংরেজি জানতেন।

    এরা সকলে প্ৰথম প্ৰথম কিভাবে ইংরেজি শিখতেন, তা আমাদের জানা নেই। কিন্তু অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে তিনখানা শব্দকোষ প্ৰকাশিত হওয়ায় ইংরেজি শেখার খানিকটা সুবিধা হয়েছিল। এই তিনখানা শব্দকোষ হচ্ছে ১৭৯৩ খ্রীস্টাব্দে প্ৰকাশিত অ্যারন আপজন কৃত ‘ইঙ্গরাজি ও বাঙ্গালি বোকেবিলারি’, ১৭৯৭ খ্রীস্টাব্দে প্ৰকাশিত জন মিলারের ‘শিক্ষাগুরু’ ও ১৭৯৯ খ্ৰীস্টাব্দে প্রকাশিত হেনরী পিটস ফরস্টারের ‘ভোকাবুলারী’। এই তিনখান বইয়ের মধ্যে ফরস্টারের বইটাই বাঙালী সমাজের বিশেষ কাজে লেগেছিল। এ থেকে শব্দচয়ন করে বাঙালী কাজ চালাবার মত ইংরেজি শিখেছিল। সে যুগের বাঙালীরা অবশ্য গ্রামার বা ইডিয়মের ধার ধারত না। তবে সাহেবরা সে রকম ইংরেজি বুঝত।

    শিক্ষাক্ষেত্রে অষ্টাদশ শতাব্দীর খুব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে জেনারেল ক্লড মাটিন (১৭৩৫-১৮০০) নামে কোম্পানির এক কর্মচারী কর্তৃক বিনামূল্যে ‘বিদ্যার্থীদের পাঠার্থে।’ এক বিদ্যায়তন স্থাপনের জন্য তেত্ৰিশ লক্ষ টাকা উইল করে রেখে যাওয়া। সেই টাকার কিছু অংশে পরবর্তী শতাব্দীতে স্থাপিত হয়েছিল কলকাতায় ‘লা মার্টিনিয়ার’ বিদ্যায়তন (১৮৩৩-৩৫)।

    পাঁচ

    অষ্টাদশ শতাব্দীর শিক্ষাপ্রসারে ওয়ারেন হেস্টিংস-এর (১৭৩২-১৮৮১) নাম বিশেষভাবে স্মরণীয়। হেস্টিংস ছিলেন একজন বিদ্যানুরাগী ব্যক্তি। প্ৰাচ্যবিদ্যাসমূহের প্রতি তাঁর প্রগাঢ় অনুরাগ ছিল। তিনি হিন্দু আইনের যে বই এদেশের এগার জন পণ্ডিতদের দিয়ে প্রণয়ন করিয়েছিলেন তার কথা আমর! আগেই বলেছি। এ ছাড়া, তিনি হালহেডকে দিয়ে ইংরেজিতে বাংলাভাষার একখানা ব্যাকরণ লিখিয়েছিলেন এবং তা ছাপাবার জন্য চালস উইলকিনসকে দিয়ে বাংলা হরফ তৈরী করিয়েছিলেন। উইলকিনসকে দিয়ে তিনি ‘শ্ৰীমদভগবদগীতা’র ইংরেজি অনুবাদও করিয়েছিলেন, এবং তার ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন। মুসলমানদের উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি একটা মাদ্রাসাও স্থাপন করেছিলেন। এ সম্পর্কে ১৭৮০ খ্রীস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতার শিক্ষিত পদস্থ মুসলমানরা ওয়ারেন হেস্টিংস-এব। সঙ্গে দেখা করে জানান যে, তারা মাজিউদ্দিন নামে একজন পণ্ডিতের সন্ধান পেয়েছেন, এবং এই সুযোগে একটা মাদ্রাসা বা কলেজ প্ৰতিষ্ঠা করলে মুসলমান ছাত্ররা মজিউদিনের অধীনে মুসলমান আইন শিখে সরকারী কাজে সহায়তা করতে পারবে। হেস্টিংস এই প্ৰস্তাবে সম্মত হয়ে পরবর্তী অকটোবর মাসে মজিউদিনের ওপর একটা মাদ্রাসা স্থাপনের ভার দেন। আগে বৌবাজারের দক্ষিণপূর্বে যে বাড়ীতে চার্চ অভ স্কটল্যাণ্ডের জেনানা মিশন ছিল, সেই জমির ওপরই মাদ্রাসটি প্রথম নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু সনাতনী হিন্দুদের তরফ থেকে এরূপ কোন প্ৰস্তাব না আসায়, কোন সংস্কৃত কলেজ স্থাপিত হয়নি। বস্তুতঃ শিক্ষার ব্যাপারে মুসলমানরা যেরূপ উদ্যোগী ছিল, সনাতনী হিন্দুরা সেরূপ ছিল না। এ সম্পর্কে অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট দানশীল মুসলমানের নাম উল্লেখযোগ্য। তিনি হচ্ছেন হাজী মহম্মদ মহসীন (১৭৩২-১৮১২)। তিনি মুসলমানদের শিক্ষার উন্নতিকল্পে এক লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা আয়ের এক সম্পত্তি দান করেছিলেন। হুগলীর ইমামবাড়া, হুগলী কলেজ, মাদ্রাসা, মহসীন বৃত্তি প্ৰভৃতি তাঁরই অর্থ সাহায্যে প্রতিষ্ঠিত। এ ছাড়া, তার অর্থে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও হুগলীতে আরবী শিক্ষার জন্য বিদ্যায়তন স্থাপিত হয়েছিল।

    গোড়ার দিকে ইংরেজদেরও এদেশে শিক্ষাবিস্তারের প্রয়াসের অভাব ছিল। এ সম্বন্ধে ডবলিউ. ডবলিউ. হাণ্টার বলেছেন–’During the early days of the East India Company’s rule the promotion of education was not recognised as a duty of government’। বস্তুতঃ শতাব্দীর উত্তীর্ণ হবার পর ১৮১৩ খ্রীস্টাব্দের,সময়েই শিক্ষাবিস্তারের জন্য প্রথম এক লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। প্ৰসঙ্গত এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে পরবর্তী কালে ইংরেজি ভাষার শব্দ বাংলা ভাষাকে (বিশেষ করে কথ্যভাষাকে) বেশ সমৃদ্ধশালী করে তুলেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রমীলা প্রসঙ্গ – অতুল সুর
    Next Article চোদ্দ শতকের বাঙালী – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }